Tag: Holding Centre

  • Bangladeshi: নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ‘হোল্ডিং সেন্টার দাওয়াই’, বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশির ভিড় হাকিমপুর চেকপোস্ট

    Bangladeshi: নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ‘হোল্ডিং সেন্টার দাওয়াই’, বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশির ভিড় হাকিমপুর চেকপোস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর লম্বা লাইন দেখা গিয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছের বিভিন্ন চেকপোস্টে (Bangladeshi)। ফের একবার সেই ছবিটাই দেখা গেল উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেক পোস্টে (Hakimpur Checkpost)। বাংলাদেশে ফিরতে এই চেকপোস্টে জড়ো হয়েছেন ভারতে অবৈধভাবে ঢুকে পড়া বাংলাদেশিরা। রবিবারই হোল্ডিং সেন্টার চালু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে দ্রুত তাঁদের নিজেদের দেশে ফেরানোর কথাও ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তার জেরেই এই ভিড় সীমান্তের চেকপোস্টে।

    ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ (Bangladeshi)

    ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে তথ্য যাচাই, নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা, বা পুরানো তালিকা আপডেট করার জন্য নির্বাচন কমিশন এনুমারেশন ফর্ম ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে পরিবারের সকল সদস্যের নাম, বয়স, এবং ঠিকানার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সেই ফর্ম পূরণের শেষ দিন পেরিয়ে গিয়েছে বহু আগেই। তার পরেও অনেকেই থেকে গিয়েছিলেন পশ্চিমবাংলার আনাচে-কানাচে। দালালদের হাত ধরে বাংলাদেশ থেকে এরাজ্যে ঢুকেছে বহু বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা। বাম এবং তৃণমূলের শাসনে তারা জাল কাগজপত্র জোগাড় করে দিব্যিই বসবাস করছিল ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। এসআইআই-পর্ব শুরু হতেই ভারতের পাট চুকিয়ে বাংলাদেশে ফিরতে এক দফা সীমান্তে জড়ো হয়েছিলেন তাঁরা। এবার ফের সীমান্তে ভিড় করছেন তাঁরা। সৌজন্যে রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর ‘হোল্ডিং সেন্টার’ দাওয়াই।

    শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশি হাকিমপুর চেকপোস্টে…

    এদিন হাকিমপুর চেকপোস্টে দেখা যায়, কাগজপত্র পরীক্ষা করে বাংলাদেশিদের দ্রুত ওপার বাংলায় ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছেন বিএসএফের কর্তব্যরত আধিকারিকরা। বিএসএফের ডাকের অপেক্ষায় লটবহর নিয়ে রাস্তার ধারে বসে রয়েছেন অনেক অনুপ্রবেশকারী (Bangladeshi)। এঁদের বেশিরভাগই কাজ করছিলেন রাজারহাট নিউটাউন এলাকায়। অনেকেই পাঁচ-সাত বছর ধরে ছিলেন এপার বাংলায়। অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হতেই এঁরা বাংলাদেশে ফিরে যেতে ভিড় করেছেন সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে। বিএসএফের কাছে আত্মসমর্পণের পর এঁদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে (Hakimpur Checkpost)।

    কী বললেন অনুপ্রবেশকারীরা?

    তাঁরা যে বৈধভাবে বাংলায় ঢোকেননি, সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে সেকথা কবুলও করেছেন বহু বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা। লাইনে দাঁড়ানো এমনই এক বাংলাদেশি বলেন, “সরকার আর রাখবে না, কী করব বলুন! সরকার চাইছে আমরা দেশে ফিরে যাই।” লাইনে দাঁড়ানো অনুপ্রবেশকারীদের কেউ ভারতে ঢুকে দোকানে কাজ করতেন, কেউ আবার করতেন পরিচারিকার কাজ (Bangladeshi)। সীমান্ত পেরিয়ে যেসব বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা ভারতে ঢোকে তাদের প্রায় সবাই দালাল ধরে আসে। এজন্য দালালদের দিতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা। সেই দালালরাই বাংলাদেশিদের ভিড়িয়ে দেয় এপার বাংলার বাসিন্দাদের ভিড়ে।

    ম্যাপিংয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি!

    জানা গিয়েছে, চেকপোস্টে অপেক্ষমান অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড কিংবা আধার কার্ড থাকলেও, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই। তাই এসআইআর-পর্বে ম্যাপিংয়ে তাঁদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। শুভেন্দু সরকারের হোল্ডিং সেন্টার দাওয়াইয়ের পরেই চাল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে ‘কাঁকর’। তাঁদের এই দুর্দশার জন্য কোনও অনুপ্রবেশকারী দুষছেন স্থানীয় নেতৃত্বকে। কেউ আবার আঙুল তুলেছেন পুলিশের দিকে। তবে হোল্ডিং সেন্টার চালু হতেই বাঙালির ভিড় থেকে পিলপিল করে বের হচ্ছেন অনুপ্রবেশকারীরা। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে তাঁরাই ভিড় করছেন হাকিমপুর চেকপোস্টে। নথিপত্র যাচাই করে তাঁদের তুলে দেওয়া হচ্ছে ওপার বাংলার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে (Bangladeshi)।

    শাহি বচন

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে রাজ্যে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলে গিয়েছিলেন, অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট করা হবে। ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার (Hakimpur Checkpost)। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লেই তাঁকে সরাসরি ডিপোর্ট করার বা বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার আগে তাঁদের রাখতে জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার চালু করার নির্দেশও জেলাশাসকদের দিয়েছিলেন তিনি। সেই মোতাবেক রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় চালু হয়ে গিয়েছে ওই সেন্টার। কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনেই চালু করা হয়েছে সেগুলি (Bangladeshi)।

    জিরো টলারেন্স নীতি

    অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে ডাবল ইঞ্জিন সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতিতে এগোবে, তাও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, “অনুপ্রবেশে জিরো টলারেন্স এই নীতি নিয়েই এগোবে আমাদের সরকার। আমরা ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট এই নীতির মাধ্যমে খুঁজে খুঁজে এক একজন অনুপ্রবেশকারীকে বাংলার বাইরে পাঠানোর ব্যবস্থা করব।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ধৃত বিদেশি নাগরিক এবং নিজের দেশে ফেরত যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করতে হবে। সেজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সেই মতো জেলাশাসকদের নির্দেশ দেয় শুভেন্দুর সরকার। তার পরেই রাজ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়ে যায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির কাজ (Bangladeshi)।

    সেই সেন্টারগুলিতে ইতিমধ্যেই ১৪ জন বাংলাদেশিকে রাখা হয়েছে। এঁদের মধ্যে মালদার ইংরেজবাজার হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে ৯ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে। আর বাকি পাঁচ অনুপ্রবেশকারীকে রাখা হয়েছে মুর্শিদাবাদের লালগোলায় তৈরি হোল্ডিং সেন্টারে (Hakimpur Checkpost)। লালগোলার বাহাদুরপুর পঞ্চায়েত লাগোয়া পদ্মা ভবনের ৩ তলায় তৈরি হয়েছে এই সেন্টার (Bangladeshi)।

     

  • Bangladeshi Infiltrators Detained: মুর্শিদাবাদ-মালদায় অ্যাকশনে পুলিশ, অবৈধ বাংলাদেশিদের ধরে পাঠানো হল হোল্ডিং সেন্টারে

    Bangladeshi Infiltrators Detained: মুর্শিদাবাদ-মালদায় অ্যাকশনে পুলিশ, অবৈধ বাংলাদেশিদের ধরে পাঠানো হল হোল্ডিং সেন্টারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনিভাবে বসবাসকারী বিদেশি ও অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া শুরু করতে জেলাশাসকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। তাঁদের (Bangladeshi Infiltrators Detained) তৈরি করতে বলা হয়েছিল হোল্ডিং স্টেশন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের সেই নির্দেশের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যে শুরু হয়ে গেল অনুপ্রবেশকারীদের পাকড়াও করতে জোরদার তৎপরতা (Holding Centre)। মুর্শিদাবাদে ওপার বাংলা থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ঢুকে পড়া ৩ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে ধরে পাঠানো হয়েছে লালগোলায় তৈরি নয়া হোল্ডিং সেন্টারে। একইভাবে, মালদার ইংরেজবাজারেও ধরা পড়েছে ৯ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। তাদের পাঠানো হয়েছে ইংরেজবাজার শহর লাগোয়া বাগবাড়ির চন্দনপার্কে, জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টারে।

    মুর্শিদাবাদে আটক ৩ অনুপ্রবেশকারী (Bangladeshi Infiltrators Detained)

    প্রশাসন সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদের রানিতলা থানা এলাকা থেকে সন্দেহভাজন ওই তিন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। তাদের কাছে ভারতে থাকার বৈধ নথিপত্র নেই। ধৃতদের নাম মহম্মদ সেলিম, মহম্মদ রুবেল এবং শরিফুল ইসলাম। আগে সচরাচর অনুপ্রবেশকারীদের ধরে সটান পাঠিয়ে দেওয়া হত জেলে। নবান্নের নির্দেশিকা পাওয়ার পর এবার আর মান্ধাতা আমলের সেই চেনা পথে হাঁটছে না প্রশাসন। রাজ্যে পালাবদলের সরকারের নয়া গাইডলাইন মেনে আইনি প্রক্রিয়া সেরে নেওয়ার পর অনুপ্রবেশকারীদের ঠাঁই হয়েছে লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে।

    ‘হোল্ডিং সেন্টারে’ রাখার ফরমান

    পালাবদলের সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে রাজ্যের জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের একটি নির্দেশিকা পাঠানো হয় সম্প্রতি। তাতে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ বা মায়ানমার থেকে যে সব নাগরিক বা রোহিঙ্গা অবৈধভাবে বাংলায় ঢুকে পড়েছে এবং যাদের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টে মামলা চলছে, সাধারণ কয়েদিদের মতো তাদের জেলে রাখা যাবে না। এই অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে আদালতে তোলার পর সরাসরি সরকারি ‘হোল্ডিং সেন্টারে’ রাখতে হবে। সেখান থেকেই দ্রুত তাদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। নবান্নের এই নির্দেশিকা পাওয়ার পরেই সক্রিয় হয়ে ওঠে রাজ্যের বিভিন্ন জেলাপ্রশাসন। মুর্শিদাবাদের লালগোলার বিশেষ ক্যাম্পটিকে ‘হোল্ডিং সেন্টার’ হিসেবে গড়ে তোলা হয়। রানিতলায় ধরা পড়া তিন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে এনে রাখা হয়েছে সেখানেই। বিএসএফ এবং জেলা পুলিশ যৌথভাবে এই অনুপ্রবেশকারীদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে, যাতে তাদের দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো যায়।

    ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের কাজ শুরু

    রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলায় ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার অনুপ্রবেশ রুখতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের দ্রুত নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাতে কোমর কষে নেমেছে। মুর্শিদাবাদের এই ঘটনাই তার বড় প্রমাণ। এই হোল্ডিং সেন্টারগুলির মাধ্যমেই অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো হবে নিজেদের দেশে (Bangladeshi Infiltrators Detained)। এতে ভিটেয় ফিরতে অযথা সময় নষ্ট হবে না অনুপ্রবেশকারীদের, রেহাই পাবেন প্রশাসনিক কর্তারাও। এদিকে, মুর্শিদাবাদের লালগোলার পর মালদার ইংরেজবাজারেও ধরা পড়েছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। তাদের পাঠানো হয়েছে ইংরেজবাজার শহর লাগোয়া বাগবাড়ির চন্দনপার্কে, জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টারে। আগে এটি ছিল স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অফিস। নবান্নের নির্দেশিকা পাওয়ার পর তাকেই দ্রুত রূপ (Holding Centre) দেওয়া হয়েছে হোল্ডিং সেন্টারের। সিসিটিভি এবং কড়া প্রহরার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। মালদার এই হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে ৯ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে। তাদের পাকড়াও করা হয়েছে গাজোল এলাকা থেকে। এই ৯ জনের মধ্যে রয়েছেন ৩ মহিলা এবং ৬ নাবালক-নাবালিকা।

    কী বলছেন সাংসদ?

    মালদা উত্তরের সাংসদ বিজেপির খগেন মুর্মু বলেন, ‘‘ভারতীয় নাগরিক নন, এমন যে সব ব্যক্তি (Bangladeshi Infiltrators Detained) আছেন, তাঁদের আমাদের দেশ থেকে ফিরতে হবে তাঁদের নিজেদের দেশে। এটা তো খুবই জরুরি। আমাদের রাজ্যকে সুরক্ষিত করব। আমাদের দেশকে সুরক্ষিত করব। এতদিন ধরে তৃণমূল রাজ্যটাকে রোহিঙ্গাদের, সন্ত্রাসবাদীদের, জেহাদিদের করিডর হিসাবে ব্যবহার করার সুযোগ করে দিয়েছিল।” নবান্নের নির্দেশিকা পাওয়ার পরেই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ এবং মালদা মিলিয়ে গ্রেফতার করা হল মোট ১২ জন অনুপ্রবেশকারীকে। তাদেরই রাখা হয়েছে দুই জেলার দুই হোল্ডিং সেন্টারে।

    রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রথমে বাম এবং পরে তৃণমূলের জমানায় পশ্চিমবঙ্গে বেনো জলের মতে ঘটেছে বাংলাদেশি মুসলমান এবং রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ। দালাল মারফত এরাই সীমান্ত পেরিয়ে বাংলায় ঢুকে পড়ে তৎকালীন শাসক দলের ‘করিৎকর্মা’ নেতাদের ধরে জাল কাগজপত্র বানিয়ে দিব্যি বাস করছিলেন এপার বাংলায়। তাঁরাই ছিলেন বাম এবং তৃণমূল সরকারের ভোটব্যাঙ্ক। অভিযোগ, এই অনুপ্রবেশকারীরাই ওই দুই জমানায় ভোট ‘করাত’। কখনও হুমকি, কখনও আবার ছাপ্পা দিয়ে শাসক দলের প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জিতিয়ে আনতে এদের অবদান অস্বীকার করা যায় না। তবে ছাব্বিশের ‘ফিল্টার্ড’ (এসআইআরের ছাঁকনিতে বাদ গিয়েছে বহু ভোটারের নাম। এঁদের সিংহভাগই অনুপ্রবেশকারী বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।) বিধানসভা নির্বাচনে বেআব্রু হয়ে পড়ে রাজ্যের সদ্য-প্রাক্তন শাসক দল তৃণমূলের কঙ্কালসার চেহারাটা। ২৯৪টি আসনের মধ্যে মাত্র ৮০টিতে জয়ী হয়ে তারা গুণছে ধরাকে সরা জ্ঞান করার মাশুল (Bangladeshi Infiltrators Detained)। আর ২০৮টি আসন পেয়ে দার্জিলিং থেকে দক্ষিণবঙ্গ পর্যন্ত রাজ্যের সর্বত্রই পদ্ম ফুটিয়েছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। নবান্নে শুরু হয়েছে পদ্ম-রাজ। তার পরেই শুরু (Holding Centre) হয়েছে ‘অনুপ্রবেশকারী খেদাও’ অভিযান। যে অভিযানে ধরা পড়ল ১২ অনুপ্রবেশকারী।

     

LinkedIn
Share