Tag: Holi

Holi

  • Holi: দোল মানেই দেদার খাওয়া সঙ্গে ভাঙের নেশা! জানুন এরপর নিজেকে ঠিক রাখতে কী কী করবেন?

    Holi: দোল মানেই দেদার খাওয়া সঙ্গে ভাঙের নেশা! জানুন এরপর নিজেকে ঠিক রাখতে কী কী করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোল মানেই রঙের বাহার। বন্ধুবান্ধব-আত্মীয়দের সঙ্গে হইচই আর ভূরিভোজ। আবার অনেকের কাছে ভাঙের নেশা ছাড়া দোলের রঙ ফিকে। কিন্তু সাবধান দু-একদিনের ছুটির পরই ফিরতে হবে কাজে। তাই উৎসবের আনন্দে শরীরের যত্ন নিতে ভুলবেন না। হ্যাংওভার কাটিয়ে পরের দিন অফিস যেতে যআতে ঝামেলায় পড়তে না হয় তার জন্য রইল কয়েকটি টিপস 

    প্রচুর জল পান

    দোলের দিন নানা উল্টো পাল্টা খাওয়ার পর শরীরে প্রচুর জলের প্রয়োজন হয় এবং মানুষ অনেক সময় কম জল পান করে তাদের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। জল আপনার শরীরকে ডিটক্সিফাই করে। এমন অবস্থায় যেন জলের অভাব না হয়। তবে একসঙ্গে অনেকটা জল খাবেন না। বারেবারে অল্প করে জল খান। যাঁরা ভাঙ খাবেন, তাঁরা সম্ভব হলে হালকা গরম জলতে লেবু মিশিয়ে পান করুন। 

    দই 

    দোলের দিন মিষ্টি, গুজিয়া, লাড্ডু থেকে নমকিন, ফুচকা সবই চলে তাই এরপর পেটে গোলমাল হলে, আমাদের বোঝা উচিত পেটের কিছুটা বিশ্রাম দরকার। এমন অবস্থায় হালকা ও হজমযোগ্য খাবার খাওয়া উচিত। এমন অবস্থায় মুগ ডালের খিচড়ি ও দই খাওয়া যেতে পারে। এতে পেটে আরাম মিলবে। তাহলে বদহজম বা গ্যাসের মতো সমস্যায় উপশম হবে।

    আদা চা

    আদার অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। পেটে গ্যাস ও বদহজমের সমস্যা দূর করতে এটি কার্যকর বলে বিবেচিত হয়। এমন অবস্থায় আদা চা পান করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তবে এই চায়ে দুধ ব্যবহার করতে হবে না। জলতে আদা সিদ্ধ করার পর সামান্য লেবু ও মধু মিশিয়ে এই চা পান করুন। এটি দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন। এতে শরীরও গরম থাকবে।

    ভাজা জিরা

    পেট খারাপের ক্ষেত্রেও ভাজা জিরা খুব উপকারী। কুসুম গরম জলতে ভাজা জিরা খেলে খুব উপশম হয়। আপনি চাইলে জিরা জল ফুটিয়ে পান করতে পারেন। এটিও খুব উপকারী বলে মনে করা হয়।

    কলা

    লুজ মোশনের সমস্যা থাকলে কলা খাওয়া উচিত। কলাতে পেকটিন নামক উপাদান পাওয়া যায়। এটি লুজ মোশনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও আপনার বাড়িতে যদি তুলসী গাছ থাকে তবে এর তাজা পাতার নির্যাস নিন। তুলসী পাতার নির্যাস খেলে পাকস্থলী ভালো হয়। 

    লেবু জল-জোয়ান জল

    যাঁরা অ্যালকোহল খেয়েছেন বা ভাঙ খেয়েছেন, নেশা কাটাতে তাঁদের জন্য অব্যর্থ লেবুজল। সামান্য বিটনুন মিশিয়ে নিতে পারলে আরও ভাল। খুব আইঢাই অবস্থা হলে বা অস্বস্তি হলে সামান্য জোয়ান মুখে দিতে পারেন। এতে গা গোলানো বা বমি ভাব হবে না।

    ভাজাভুজি এড়িয়ে যান

    ভাঙ খেলে ভাজাভুজি খাবেন না।  ভাজাভুজি এড়িয়ে চলুন। মশলাদার খাবার একেবারেই খাবেন না। পরিমিত জল খান। একটু জোলো বা রসালো ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। সাধারণ বাড়ির খাবার খান লাঞ্চ এবং ডিনারে। 

    আরও পড়ুন: হার্ট ভাল রাখে সঙ্গে স্ট্রেসও কমায়! জানুন ডার্ক চকোলেটের ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

    খালি পেটে ভাঙ না

    খালি পেটে ভাঙ খাবেন না। ভাঙ খাওয়ার আগে ওট্‌স খেতে পারেন। পেট ভরা থাকলে পানীয়ের প্রভাব শরীরে ততটাও পড়ে না। ওট্‌সের কুকিজ়, গ্র্যানোলা বার, স্মুদি খেয়ে নিতে পারেন। এই দুই ধরনের খাবারের পাশাপাশি একমুঠো চিনাবাদাম বা আমন্ড খেয়ে নিলেও ঝরঝরে থাকে শরীর। 

    স্নান করুন

    শরীর অতিরিক্ত খারাপ লাগলে ভাল করে স্নান করুন। তারপর কোনও এসেন্সিয়াল অয়েল বা বাম লাগিয়ে একটু ঘুমানোর চেষ্টা করুন। নজর দিন ঘুমের সময়ের উপর। পরিমিত ঘুম খুবই প্রয়োজন। শরীর ঠিকভাবে বিশ্রাম পেলেই চাঙ্গা হয়ে উঠবেন আপনি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Holi: দোল পূর্ণিমায় সাফল্য কামনায় এই দেবতাদের পুজো হয়, জেনে নিন রীতি-নিয়ম

    Holi: দোল পূর্ণিমায় সাফল্য কামনায় এই দেবতাদের পুজো হয়, জেনে নিন রীতি-নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্জিকা মতে দোলযাত্রা আর হোলি (Holi) উৎসবের দিনক্ষণ আলাদা। ২০২৩ দোলপূর্ণিমা ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে উৎসবের আবহ। রঙের উৎসবের আগমনী বার্তায় সাজছে চারিদিক। চলতি বছরে দোল পূর্ণিমা পড়ছে ৬ মার্চ বিকেল ৪ টে বেজে ১৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড থেকে। আর এই তিথি থাকবে ৭ মার্চ সন্ধ্যে ৬ টা বেজে ৪০ মিনিট পর্যন্ত। দেশের বহু প্রান্তে হোলির (Holi) আগের দিন পালিত হয় হোলিকা দহন উৎসব।

    হিন্দু ধর্মে যেকোনও অনুষ্ঠানে তিথি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়। দোলের তিথি দেখেই বাঙালি গৃহস্থ বাড়িতে বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয়। দোল পূর্ণিমা হিন্দুদের কাছে এক অত্যন্ত পবিত্র তিথি হওয়াতে, শাস্ত্র মতে এই তিথিতে বিশেষ কিছু নিয়ম-কার্য পালন করলে মানুষের আর্থিক, পরমাত্মিক এবং সাংসারিক শ্রীবৃদ্ধি লাভ সম্ভব হয়। বহু বাড়িতেই দোলের দিন শ্রীরাধাগোবিন্দের পুজো হয়। আবার শালগ্রাম শিলার পুজোও দেখা যায় এই দিন। পূর্ণিমার পুজো সকাল থেকেই চলে বাঙালি হিন্দু বাড়িতে। এই বিশেষ তিথিতে সমস্ত নিয়মকানুন মেনে গোপাল পূজা করলে ঈশ্বরের বিশেষ কৃপা লাভ করা যায়। নিম্নে গোপাল পুজোর নিয়ম কারণ সম্পর্কে জানানো হল। এছাড়া আপনারা নিজেদের আরাধ্য দেবতাদেরও পূজা করতে পারেন এই দিন।

    দোল পূর্ণিমার দিন গোপাল পুজোর রীতি

    শাস্ত্রমতে, মনে করা হয় এই তিথিতে বিশেষ কিছু নিয়ম পালন করলে সংসারের সার্বিক সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এই দিনে বিশেষ কিছু নিয়ম পেলে গোপালের পুজো করলে ঈশ্বরের কৃপাদৃষ্টি বজায় থাকে। শাস্ত্র অনুযায়ী, এই দিনেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গোপীদের সঙ্গে আবির খেলায় মেতে উঠেছিলেন। হিন্দু শাস্ত্র মতে, এই তিথি অত্যন্ত পবিত্র একটি তিথি। তাই এই দিনে কিছু নিয়ম মেনে চললে ঈশ্বরের কৃপা দৃষ্টি সর্বদা বজায় থাকবে আপনার উপর। একই সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে সংসারের সমৃদ্ধিও। জেনে নেওয়া যাক আজ ঠিক কোন নিয়মে পুজো সারবেন। পণ্ডিতরা বলছেন, আগের দিনেই বাড়ি-ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে নিন। রান্না ঘরে মজুত রাখা খাবারের কৌট বা জায়গা কখনও একদম ফাঁকা করে রাখবেন না। কিছু না কিছু ভরে রাখবেন। এই দিনে সকালে স্নান সেরে নিন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে বাড়ির প্রধান দরজার সামনে এক বালতি জল রেখে দিন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই দরজার সামনে সেই জল ঢেলে ধুয়ে দিন। স্নানের জলে একটা বা দুটো তুলসী পাতা দিয়ে স্নান করুন। স্নানের পর ইষ্ট দেবতার স্মরণ করে পুজো সেরে নিন। গোপাল পুজো আপনি যেভাবে করেন সেই ভাবেই সারুন সঙ্গে শুধু উল্লিখিত নিয়মগুলো মেনে চলুন। এরপর ঠাকুরের পায়ে আবির দিয়ে প্রণাম সেরে নিন। ফুল মিষ্টি দিয়ে পুজো সেরে নিন। এই দিনে খাদ্য শষ্য দান অত্যন্ত পুণ্যের বলে মনে করা হয়। দুঃস্থকে খাদ্য এবং বস্ত্র বা সামর্থ অনুযায়ী এই দিনে দান করলে সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয়। সেই সঙ্গে মনের ইচ্ছাও পূরণ হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

     

  • Holi: দোল পূর্ণিমার ঐতিহাসিক এবং পৌরাণিক কাহিনীগুলি জানেন?

    Holi: দোল পূর্ণিমার ঐতিহাসিক এবং পৌরাণিক কাহিনীগুলি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দরজায় কড়া নাড়ছে দোল (Holi)। হলুদ শাড়ি এবং পাঞ্জাবিতে সাজবে মেয়ে এবং ছেলেরা। বসন্ত এসে গেছে গানের তালে তালে পালিত হবে দোল। শান্তিনিকেতনের দোল (Holi) আবার বিশেষ জনপ্রিয়। সারা রাজ্য থেকেই মানুষের ভিড় দেখা যাবে ওইদিন শান্তিনিকেতনে। রবি ঠাকুরের গানে, বসন্তের আগমনে এক আলাদা মাত্রা পায় শান্তিনিকেতনের দোল। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী দোল পূর্ণিমার দিন শ্রীকৃষ্ণ রং এবং আবির দিয়ে রাধা ও অন্যান্য গোপিনীদের সঙ্গে রং খেলায় মেতে উঠেছিলেন। বিশ্বাস মতে দোল খেলার উৎপত্তি সেখান থেকেই শুরু। যা আজও সমানভাবে এগিয়ে চলেছে।

    বাংলায় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু দোলযাত্রার (Holi) শুভ সূচনা করেন

    হিন্দু শাস্ত্রবিদরা বলছেন এই দোল (Holi) পূর্ণিমার দিনটিকে গৌড় পূর্ণিমাও বলা হয়। তার কারণ ১৪৮৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার দোল পূর্ণিমা তিথিতে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম হয়েছিল। পাশাপাশি এই বাংলাতে দোল উৎসবের সূচনাও শ্রীচৈতন্যদেবের হাত ধরে হয়েছিল। ১৫১৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি গৃহত্যাগ করে অর্থাৎ নবদ্বীপ ত্যাগ করে বৃন্দাবনে গিয়ে সেখানে রং খেলা দেখে অভিভূত হয়েছিলেন তখন থেকেই নাকি বাংলাতে দোল (Holi) উৎসবের সূচনা হয় ভক্তদের বিশ্বাস এই দোল খেলায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণও হাজির হতেন মহাপ্রভুর সঙ্গে দোল খেলতে।

    আবার কোনও কোনও গবেষক মনে করেন, প্রায় ২০০০ বছর আগে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন প্রচলন করেছিলেন দোল উৎসব। সপ্তম শতাব্দীতে সম্রাট হর্ষবর্ধনের লেখা রত্নাবলী নাটকেও হোলি (Holi) খেলার উল্লেখ রয়েছে। শুধু উত্তর ভারত নয় দক্ষিণ ভারতের বিজয়নগরের একটি মন্দিরের গায়ে এক রাজকুমার রাজকুমারীর রং খেলার চিত্রকলা রয়েছে। এখান থেকে বলা হয় যে দোল সারা ভারতবর্ষ ব্যাপী প্রচলিত ছিল।

    পৌরাণিক কাহিনীগুলি জানা যাক

    ভক্ত প্রহ্লাদের আখ্যান এবং হোলিকা দহন

    অন্যদিকে পৌরাণিক আখ্যান অনুযায়ী ভগবান বিষ্ণুর পরমভক্ত ছিলেন অসুর রাজ হিরণ্যকশিপুর পুত্র প্রহ্লাদ।  নিজেকে ঈশ্বর ঘোষণা করেছিলেন রাক্ষসরাজা। অহংকারী রাজার ওপর ব্রহ্মার বরদান ছিল দিন বা রাত, গৃহের ভিতর বা বাইরে, মানুষ বা পশু কেউই হিরণ্যকশিপুকে বধ করতে পারবেনা। এরপর নিজের পুত্র প্রহ্লাদকে হত্যার পরিকল্পনা নেন রাক্ষসরাজা। নিজের বোন হোলিকার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন।

    হোলিকার ওপর আবার ব্রহ্মার বরদান স্বরুপ একটি চাদর ছিল, যেটি ছিল একধরনের রক্ষা কবচ। এই চাদর গায়ে জড়িয়ে প্রহ্লাদকে নিয়ে অগ্নিকুণ্ডে বসেন হোলিকা। ঠিক তখনই ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় চাদর উড়ে গিয়ে পড়ে প্রহ্লাদের গায়ে। অগ্নিকুণ্ডে দগ্ধ হয়ে যান হোলিকা। এই কারণে দোল উৎসবের আগের দিন হয় হোলিকা দহন। বাংলাতে এটাই প্রচলিত ন্যাড়াপোড়া নামে। ভক্তদের বিশ্বাস, এইদিনে সকল অশুভ শক্তির নাশ হয়। ভগবান বিষ্ণু তথা কৃষ্ণের পূজা করলে জীবনে সমৃদ্ধি নেমে আসে ভক্তদের।

    পুতনা রাক্ষসী বধ

    পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, দোল (Holi) পূর্ণিমার দিনে শ্রীকৃষ্ণকে স্মরণ করার কথা কোথাও কোথাও বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে হোলিকাকে পুতনার ভূমিকায় রাখা হয় এবং পুতানার বিষ দুধে শ্রীকৃষ্ণ পান করেনি বরং তার রক্ত পান করেন, এইভাবেই ভগবান বধ করেন পুতনাকে। এরফলে শ্রীকৃষ্ণের গায়ের রং নীল হয়ে যায়। বিশ্বাসমতে দোল পূর্ণিমা হল পুতনা বধের পর উৎসব।

     

    বিবাহিত নারীরা তাদের পরিবারের কল্যাণ এবং মঙ্গল কামনায় দোল উৎসবে মাতেন এদিন। ভারতের বাইরেও দোল উৎসব ব্যাপকভাবে পালিত হয়।  বৈষ্ণব ধর্ম ছাড়াও শাক্ত-শৈবরাও এই উৎসব পালন করেন। পরিবারিক, বৃহত্তর সমাজ জীবনের ক্ষেত্রে দোল পূর্ণিমার গুরুত্ব অনেক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

     

     

  • Holi: জানেন দোলের আগের দিন ন্যাড়াপোড়া কেন হয়?

    Holi: জানেন দোলের আগের দিন ন্যাড়াপোড়া কেন হয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরে দোল ৮ মার্চ। ঠিক তার আগের দিন ন্যাড়াপোড়া, সেটাই আবার বাংলার বাইরে হোলিকা দহন। হোলি (Holi) ও দোল নিয়ে নানা মতভেদ থাকলেও দোলের আগের দিন রাতে সব জায়গায় এই হোলিকা দহন পালিত হয়। শুধু কোথাও বলে চাঁচড় পোড়া, কোথাও ন্যাড়া পোড়া, আবার কোথাও হোলিকা দহন। তবে, এই উৎসবের পিছনে আধ্যাত্মিক গুরুত্বও রয়েছে। 

    হোলিকা দহনের পৌরাণিক আখ্যান

    পুরাণ কাহিনি অনুযায়ী, রাক্ষস রাজা হিরণ্যকশিপু তাঁর প্রজাদের পুজোপাঠ এবং যেকোনও প্রকারের ধর্মাচরণ বন্ধ করে দেন। হিরণ্যকশিপু নিজেকেই ঈশ্বর মনে করতেন। প্রজারা তাই অন্য কোনও দেবতার পুজো করতে পারত না। অমরত্ব লাভের জন্য রাক্ষস রাজা ব্রহ্মার তপস্যা শুরু করেন। তাঁর তপস্যায় খুশি হয়ে ব্রহ্মা তাঁকে পাঁচটি বর দেন। এক, কোনও মানুষ বা কোনও প্রাণী তাঁকে বধ করতে পারবে না। ঘরের ভিতর বা ঘরের বাইরে তাঁর মৃত্যু হবে না। দিনে বা রাতে তাঁর মৃত্যু হবে না। কোনও অস্ত্র বা শস্ত্রের দ্বারাও মৃত্যু হবে না। এবং জল, ভূমি ও শূন্যেও তাঁর মৃত্যু হবে না।

    হিরণ্যকশিপুর অত্যাচার বাড়ার পর তিনি প্রহ্লাদকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন। কারণ তাঁর পুত্র হয়ে ভক্ত প্রহ্লাদ ভগবান বিষ্ণুর পুজো করতেন। এটা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না রাক্ষসরাজা। এক্ষেত্রে তিনি নিজের বোন হোলিকার সাহায্য নেন। হোলিকা ব্রহ্মার কাছ থেকে একটি শাল পেয়েছিলেন, এই শাল ছিল একধরনের রক্ষাকবচ। যেটা তাঁকে সবসময় রক্ষা করবে। তাই ঠিক হয় যে হোলিকা প্রহ্লাদকে নিয়ে আগুনের মধ্যে বসবেন। শাল থাকায় তাঁর কিছু হবে না কিন্তু প্রহ্লাদ পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। কিন্তু আগুনের মধ্যে প্রবেশ করা মাত্র হোলিকার শাল প্রহ্লাদের গায়ে গিয়ে পড়ে আর হোলিকা আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কিন্তু প্রহ্লাদ সুরক্ষিত থাকে। এখান থেকেই শুরু হয় হোলিকা দহন।

    দোল উৎসব মানে এক পবিত্র তিথি, ভক্তদের বিশ্বাস এই দিন সমস্ত অশুভ শক্তির বিনাশ হয় এবং শুভ শক্তির বিকাশ ঘটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

LinkedIn
Share