Tag: Hooghly

Hooghly

  • Food Safety Raids: বিশেষ খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহে কড়া নজরদারি, প্রথম তিন দিনেই প্রকাশ্যে ৮৮% প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম

    Food Safety Raids: বিশেষ খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহে কড়া নজরদারি, প্রথম তিন দিনেই প্রকাশ্যে ৮৮% প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে খাবারে ভেজাল, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং খাদ্য লাইসেন্স সংক্রান্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর (Food Safety Raids)। ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে ‘স্পেশাল ফুড সেফটি উইক’। সেই কর্মসূচির প্রথম তিন দিনেই রাজ্যের ২,৩৩৭টি খাদ্য ও পানীয় সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ২,০৫৬টি প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়মের হদিশ মিলেছে। অর্থাৎ, পরিদর্শন করা (West Bengal) প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮৮ শতাংশের বিরুদ্ধেই কোনও না কোনও বড় ধরনের অসঙ্গতি সামনে এসেছে।

    সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ (Food Safety Raids)

    দফতর সূত্রে খবর, অনিয়ম ধরা পড়ার পর ২,০৩৯টি ক্ষেত্রে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ বা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১,২৭৭টি খাদ্য নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর ৪২৮টি, ২ সেপ্টেম্বর ৪৭৩টি এবং ৩ সেপ্টেম্বর ৩৭৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শুধু নজরদারি নয়, অনিয়মের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপও করা হয়েছে। ১৬টি প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট খাদ্যপণ্য বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ১৭টি প্রতিষ্ঠান সিল করে দেওয়া হয়েছে। পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে। ১৭টি ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, ১ সেপ্টেম্বর ৯০৬টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। পরের দিন ৮২৪টি এবং তার পরের দিন আরও ৬০৭টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়।

    মালদায় একাধিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    তিন দিনের অভিযানে মালদায় একাধিক খাদ্য ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ‘টেস্টি ফুড প্রোডাক্টে’র ক্ষেত্রে বৈধ ও আপডেট খাদ্য লাইসেন্স দেখাতে না পারার অভিযোগ ওঠে। তার উপর কেক তৈরির জায়গার পরিচ্ছন্নতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন দেখা দেয়। পরিস্থিতির জেরে সেখানে খাদ্যপণ্য বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    একই জেলায় ‘হায়দরাবাদি বিরিয়ানি’র বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বৈধ খাদ্য লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশনের নথি দেখাতে না পারার পাশাপাশি খোলা জায়গায় নর্দমার উপর রান্না করার অভিযোগও সামনে এসেছে। ফলে ওই প্রতিষ্ঠানেও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মালদার পানীয় জল প্রস্তুতকারী ‘পিওর বুন্দ’ এবং ‘পাইলট পানি’র ক্ষেত্রেও লাইসেন্স সংক্রান্ত অনিয়ম ধরা পড়ে। খাদ্য সুরক্ষা বিধিতে নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি এবং অন্যান্য আবশ্যিক শর্ত মানা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দুই সংস্থার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে (Food Safety Raids)।

    হলুদে মেটানিল ইয়েলো, বন্ধ দুধঘর

    উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের ‘দুধ ঘরে’ বৈধ খাদ্য লাইসেন্স না থাকার অভিযোগের পাশাপাশি অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সন্ধান মেলে। স্পট টেস্টে হলুদ গুঁড়োয় ‘মেটানিল ইয়েলো’ নামে অননুমোদিত রং শনাক্ত হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকেও খাবারের মেশানো রং উদ্ধার হয়। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়, খাদ্য বিক্রির উপর জারি করা হয় নিষেধাজ্ঞা।

    হুগলিতে বন্ধ পানীয় জল প্রস্তুতকারী সংস্থা

    হুগলির পুইনানে ‘নূর এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি পানীয় জল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ হয়েছে। খাদ্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত পক্ষের তরফে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা এনফোর্সমেন্ট শাখার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    লাইসেন্স নেই, জল পরীক্ষার রিপোর্টও অনুপস্থিত

    ৩ সেপ্টেম্বর কালীগঞ্জের দেবগ্রামের ‘তারা মা হোটেল’ এবং চাপড়ার ‘জনপ্রিয় হোটেলে’র বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। দুই প্রতিষ্ঠানই বৈধ খাদ্য লাইসেন্স দেখাতে পারেনি বলে অভিযোগ। এর পাশাপাশি পানীয় জলের পরীক্ষার রিপোর্ট অনুপস্থিত ছিল এবং খাবার সংরক্ষণ ও রান্নার পরিবেশও স্বাস্থ্যসম্মত ছিল না। পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসম্মত বাসনপত্রের ঘাটতিও নজরে আসে (Food Safety Raids)।

    পশ্চিম বর্ধমানে জরিমানা

    পশ্চিম বর্ধমানেও অভিযান চালিয়ে সাতটি খাদ্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়েছে। ২০১৬ সালের সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট রুলস অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এদিকে, কলকাতার তাজ বেঙ্গলে পরিদর্শনের সময় বড় কোনও নিয়মভঙ্গ নজরে আসেনি বলেও রিপোর্টে উল্লেখ (West Bengal) করা হয়েছে। খাদ্য সুরক্ষা দফতরের এই বিশেষ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হল খাদ্যপণ্যের গুণমান বজায় রাখা, খাদ্য সুরক্ষা বিধি কার্যকর করা এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত নিয়ম মানার বিষয়টি নিশ্চিত করা। ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ নজরদারি। ফলে আগামী দিনগুলিতে আরও বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় প্রতিষ্ঠানে অভিযান এবং নিয়মভঙ্গের ক্ষেত্রে পদক্ষেপের সম্ভাবনা রয়েছে (Food Safety Raids)।

     

  • Food Safety Raids: শুভেন্দু প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপেই রাজ্যে পচা মাংসের রমরমা কারবারের পর্দাফাঁস! জানেন কী খাচ্ছিলেন এতদিন?

    Food Safety Raids: শুভেন্দু প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপেই রাজ্যে পচা মাংসের রমরমা কারবারের পর্দাফাঁস! জানেন কী খাচ্ছিলেন এতদিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মুখে রাজ্যে ফিরে এল সেই ভাগাড়ের পচা মাংসের আতঙ্ক! খাদ্য সুরক্ষা দফতর, পুরসভা এবং এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের যৌথ অভিযানে পর পর অভিযানে মিলল চোখ কপালে ওঠা ছবির হদিশ। শুভেন্দু প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপেই ফাঁস হয়ে গেল পচা মাংসের রমরমা কারবারের পর্দা। তাতেই উঠে এল ভয়াবহ ছবি। কয়েকদিন আগে মহারাষ্ট্রেও এমন অভিযানে দেশজুড়ে সাড়া পড়ে গিয়েছিল। এবার শুরু হয়ে গেল এরাজ্যেও। কলকাতা থেকে শুরু করে একাধিক জেলায় নামী রেস্তরাঁ, খাবারের (Food Safety Raids) দোকান ও মিষ্টির দোকানে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে কেজি কেজি পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত মাংস (Rotten Meat), মাছ, মেয়াদ উত্তীর্ণ পনির, আইসক্রিম ও ঠান্ডা পানীয়। কোথাও ফ্রিজে ঠাসা ছিল পুরনো মাংস-মাছ, কোথাও আবার খাবারে ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছিল হোলির রং। পর্যটনকেন্দ্র দিঘার একাধিক হোটেল ও রেস্তরাঁয় নিম্নমানের বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। সব মিলিয়ে পুজোর আগে রাজ্যে খাবারের মান ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ল।

    ভাগাড়ের মাংসকাণ্ড (Food Safety Raids)

    ২০১৮ সালে ভাগাড়ের মাংস কাণ্ডে কার্যত তোলপাড় হয়েছিল কলকাতা-সহ গোটা রাজ্য। অভিযোগ উঠেছিল, ভাগাড়ে পড়ে থাকা মৃত পশুর মাংস সংগ্রহ করে রাস্তার ধারের খাবারের দোকান, রেস্তোরাঁ, ক্যাফে-সহ বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হচ্ছিল। সেই মাংস দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে নানা রাসায়নিক ব্যবহার করা হত বলেও অভিযোগ সামনে এসেছিল। পরে ওই মাংস মাছের স্তূপের আড়ালে করে অন্য রাজ্যেও পাচার করার অভিযোগ ওঠে। বসিরহাটের বাদুড়িয়ায় এই চক্রের বড়সড় হদিশ মেলার পর রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছিল ধরপাকড় ও নজরদারি।

    এবার ২০২৬ সালে পুজোর ঠিক আগে ফের সেই বাদুড়িয়াতেই উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ পচা মাংস ও মাছ। খাদ্য দফতর, পুরসভা এবং এনফোর্সমেন্ট শাখার যৌথ অভিযানে একটি নামী রেস্তরাঁ থেকে প্রায় ৪০ কেজি পচা মাংস উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে মুরগি ও খাসির মাংস ছিল বলে জানা গিয়েছে। বিপুল পরিমাণ পাঁঠার মাংস পচে যাওয়ার পরেও, তা ফ্রিজে মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই মাংস রান্না করে সাধারণ মানুষকে পরিবেশন করা হচ্ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযানের পর সংশ্লিষ্ট রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

    কলকাতা থেকে মধ্যমগ্রাম, একই ছবি

    শুধু বাদুড়িয়াতেই নয়, কলকাতা, সল্টলেক, মধ্যমগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পূর্ব বর্ধমানের একাধিক নামী রেস্তরাঁতেও একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। কোথাও ফ্রিজ খুলতেই তীব্র দুর্গন্ধ বেরিয়েছে। কোথাও মাংসে ছত্রাক ধরেছে। আবার কোনও কোনও জায়গায় দীর্ঘদিনের পুরনো চিংড়ি মাছ ফ্রিজে মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

    কলকাতার ট্যাংরার চায়না টাউনে চাইনিজ খাবারের জন্য প্রতিদিনই বহু মানুষ যাতায়াত করেন। সেই ট্যাংরার একটি পরিচিত রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০ কেজি মাছ-মাংস উদ্ধার করেছে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য দফতর। উদ্ধার হওয়া কোনও প্যাকেটেই তারিখ উল্লেখ ছিল না বলে জানা গিয়েছে। পরে সেগুলি বাজেয়াপ্ত করে ধাপায় নিয়ে গিয়ে নষ্ট করে ফেলা হয়।

    রেস্তরাঁটির মালিক অবশ্য দাবি করেছেন, মাংসগুলি দীর্ঘদিনের পুরনো নয়। তাঁর বক্তব্য, তাঁদের রেস্তোরাঁয় প্রতিদিন প্রায় ৮০ কেজি মাংসের প্রয়োজন হয় এবং উদ্ধার হওয়া মজুত তিন দিনের মতো ছিল।

    মধ্যমগ্রামে ফ্রিজ খুলতেই দুর্গন্ধ

    উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের যশোর রোডের ধারে একটি শপিং মলের খাবারের জায়গায় খাদ্য দফতর, পুরসভা ও এনফোর্সমেন্ট শাখার যৌথ অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি নামী খাবারের দোকানের ফ্রিজ ও রান্নাঘরে ঢুকতেই খাদ্য দফতরের আধিকারিকদের নজরে আসে পচা মাংস এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার (Food Safety Raids)।

    অভিযোগ, সেখানে ছত্রাক ধরা পচা মাংস, মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়া খাবারের প্যাকেট এবং পানীয় জলের বোতল পাওয়া যায়। পরিস্থিতি দেখে ঘটনাস্থলেই সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হয়। আধিকারিকরা পৌঁছনোর পর কর্মীরা পচা খাবার ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    সল্টলেকের তথ্যপ্রযুক্তি এলাকাতেও পচা মাংস

    সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে একটি রেস্তরাঁয় অভিযান চালিয়েও মিলেছে পচা মাংস। আরডিবি ভবনের কাছে ওই রেস্তরাঁর সংরক্ষণাগারে কাঁচা মাংস ভর্তি ছিল। সেখান থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বেরোচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। খাবারের বিষয়ে কৈফিয়ৎ চাওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। এরপর তাঁর দোকানের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    উদ্ধার হওয়া মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর (Rotten Meat)।

    দিঘায় বিরিয়ানি নিয়েও উঠল অভিযোগ

    পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র দিঘাতেও খাবারের মান নিয়ে গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রায় সারা বছরই এখানে হাজার হাজার পর্যটক আসেন। সেই দিঘার ২০টি হোটেল ও রেস্তরাঁয় অভিযান চালিয়ে নিম্নমানের বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগ পেয়েছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর।

    অভিযোগ, বিরিয়ানিতে খাবারের উপযোগী রঙের পরিবর্তে রাসায়নিক মেশানো বিষাক্ত রং ব্যবহার করা হচ্ছিল। অনেক ক্ষেত্রে বেশ কয়েক দিন আগে রান্না করা মাংস ফের গরম করে বিক্রি করা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না বলেন, “দিঘার ২০টি হোটেল-রেস্তরাঁয় অভিযান চালিয়ে ১৫টি থেকে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে মান যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। ১২টি হোটেলকে আইনি নোটিশ ধরানো হয়েছে (Rotten Meat)।”

    হুগলিতে মিষ্টিতে হোলির রং, বেকারিতে পোকা ধরা ময়দা

    বাঙালির অন্যতম প্রিয় খাবার মিষ্টি নিয়েও এবার উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হুগলির আরামবাগে কয়েকটি মিষ্টির দোকানে খাবারে ব্যবহারের জন্য রাখা রঙের মধ্যে হোলিতে খেলার রং পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও দোকানদারদের দাবি, দোলের সময় ব্যবহারের পর ওই রঙের কৌটো রান্নাঘরে থেকে গিয়েছিল। মিষ্টি তৈরিতে সেই রং ব্যবহার করা হয় না বলেই তাঁদের দাবি।

    আরামবাগের খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক যদুনাথ হেমব্রম বলেন, “মিষ্টিতে রং মেশানো হচ্ছে। আর সেই রং হল হোলির রং। এই রং দিয়ে হোলি খেলা হয়। দোকানের তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে, হোলির সময় থেকে রঙের কৌটোটা কোনও ভাবে ওখানে রয়ে গিয়েছে। কিন্তু যেখানে মিষ্টি তৈরি হয়, সেই জায়গা থেকেই এই রং উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে সাজানো ছিল। অন্যান্য রঙের সঙ্গেই এই হোলির রংটা রাখা ছিল।”

    হুগলির ভদ্রেশ্বরেও একটি বেকারিতে অভিযান চালিয়ে কেক, বিস্কুট ও পাউরুটি তৈরির উপকরণে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। পোকা ধরা ময়দা ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে (Rotten Meat)।

    বর্ধমানে পচা মাংস, মেয়াদ উত্তীর্ণ পনির

    পূর্ব বর্ধমানেও খাবারের মান নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। বর্ধমান শহরের কয়েকটি মিষ্টির দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ পনির পাওয়া যায়। খাদ্য দফতরের আধিকারিকরা সেই পনির নষ্ট করে দেন। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ আইসক্রিম ও ঠান্ডা পানীয়ও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে (Food Safety Raids)।

    শুধু শহরেই নয়, বর্ধমানের শক্তিগড়ের বিখ্যাত ল্যাংচা এলাকাতেও অভিযান চালানো হয়। খাবারের গুণগত মান যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

    পুজোর আগে একের পর এক এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, মানুষের খাবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি কতটা কার্যকর। বিশেষ করে উৎসবের মরসুমে রেস্তরাঁ ও খাবারের দোকানে ক্রেতার সংখ্যা যখন কয়েক গুণ বেড়ে যায়, তখন পচা, বাসি কিংবা মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার বিক্রির মতো অভিযোগ আরও উদ্বেগজনক। প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকলেও, পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর সাধারণ মানুষের (Rotten Meat)।

     

  • TMC Leaders: রাজ্যে পুলিশি তৎপরতা, এক সপ্তাহে ৭০ জনেরও বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মী গ্রেফতার, তালিকায় কাউন্সিলর থেকে পঞ্চায়েত সদস্য

    TMC Leaders: রাজ্যে পুলিশি তৎপরতা, এক সপ্তাহে ৭০ জনেরও বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মী গ্রেফতার, তালিকায় কাউন্সিলর থেকে পঞ্চায়েত সদস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত এক সপ্তাহে আইনশৃঙ্খল রক্ষায় ব্যাপক প্রশাসনিক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। আর্থিক অনিয়ম, সরকারি তহবিলের অপব্যবহার, আয় বহির্ভূত সম্পত্তি, সাধারণ মানুষকে হেনস্থা এবং নির্বাচন-পরবর্তী ও পূর্ববর্তী হিংসার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গত সাত দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৭০ জনেরও বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (BJP Bengal)। ধৃতদের মধ্যে অন্যতম ‘প্রভাবশালী’ মুখ প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু, যিনি কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কাউন্সিলর এবং স্থানীয় নেতাকেও গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশ। কেবল শনিবারই রাজ্যজুড়ে অন্তত ১৭ জন তৃণমূল (TMC Leaders) নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কলকাতা ও বিধাননগরে আইনি পদক্ষেপ (TMC Leaders)

    শনিবার কলকাতা এবং বিধাননগর এলাকা থেকে মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম হল কলকাতা পুরসভার ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা তৃণমূল নেতা সুদীপ পোল্লে। তোলাবাজির অভিযোগে বাগুইআটি থানার পুলিশ বিধাননগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সম্রাট বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে। সম্রাট প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূল নেত্রী তথা কীর্তনিয়া অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান এবং কোচবিহার থেকেও একাধিক নেতাকে (TMC Leaders) গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ভোট-পরবর্তী হিংসা ও সরকারি জমি দখলের অভিযোগ (TMC Leaders)

    হাওড়া ও হুগলি

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রামীণ হাওড়ার জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান গুরুপদ মাঝি ও তাঁর ভাই রাজুকে (TMC Leaders) গ্রেফতার করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা ও সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। ২০২১ সালের হিংসার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হুগলির দাদপুর থানার পুলিশ হারিট গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য আলতাব হোসেন মল্লিককে গ্রেফতার করেছে। হুগলির কোন্নগর পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবলু পাল ওরফে খোকনকে সরকারি জমি দখল করে দলীয় কার্যালয় নির্মাণ, অবৈধ ব্যবসা এবং জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ। তাঁকে গ্রেফতার করার সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক (BJP Bengal) দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। বিধায়কের অভিযোগ, গত ২০ বছর ধরে ক্ষমতার অপব্যবহারে এই বেআইনি কাজ চলেছে এবং এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ খরচ ধৃত কাউন্সিলরের কাছে থেকেই আদায় করা হবে।

    দিয়ায় গ্রেফতার

    নদিয়ার আড়ংঘাটায় সমান্তরাল প্রশাসন চালানো এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ‘সিন্ডিকেট’ থেকে চড়া দামে নির্মাণসামগ্রী কিনতে বাধ্য করার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল নেতা (TMC Leaders) রমজান আলি মণ্ডল। তাঁর গ্রেফতারির পর পুলিশ (BJP Bengal) তাঁর সহযোগী প্রদীপ সাঁতরাকেও হেফাজতে নিয়েছে। ধানতলা থানার পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে রানাঘাট আদালতে পেশ করেছে।

    মুর্শিদাবাদ

    বড়ঞা থানার পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে কুলি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী তথা দাপুটে নেতা আবু বক্করকে (TMC Leaders) গ্রেফতার করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে সেলিম বারি নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রাণনাশের চেষ্টা-সহ একাধিক অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। তাঁকে কান্দি মহকুমা আদালতে তোলা হচ্ছে।

    পশ্চিম বর্ধমান

    পাণ্ডবেশ্বরের ছোড়া পঞ্চায়েতের প্রধানের পর এবার ভোটের সময় সন্ত্রাস ও তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন পঞ্চায়েত সদস্য ও কোলিয়ারি শ্রমিক সংগঠনের সম্পাদক শেখ কামরুদ্দিন। তবে কামরুদ্দিন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে দাবি করেছেন।

    কোচবিহার

    কোচবিহারের দিনহাটায় বিজেপি কর্মীদের মারধর ও অর্থ আদায়ের অভিযোগে দিনহাটা-২ ব্লকের বড় শাকদল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভবরঞ্জন বর্মণকে (TMC Leaders)  গ্রেফতার করেছে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ। আদালত তাঁর ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। সরকারি আইনজীবী নিহাররঞ্জন গুপ্ত জানান, ২০২৪ সালের নির্বাচন-পরবর্তী হিংসা ও তোলাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগের (BJP Bengal) ভিত্তিতেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    এই ভাবেই রাজ্যজুড়ে দুর্নীতিগ্রস্ত, তোলাবাজ এবং ভোট পরবর্তী হিংসায় নেতৃত্ব দেওয়া তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতার করে জেলে ভরার কাজ করছে বিজেপি সরকার। সময় যত যাচ্ছে ধরপাকড়ের সংখ্যা আরও বাড়ছে।

  • Hooghly: তারকেশ্বরে ৪ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ! আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Hooghly: তারকেশ্বরে ৪ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ! আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারকেশ্বরে (Hooghly) ফের এক ধর্ষণের ঘটনায় ছড়িয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। হুগলি জেলার তারকেশ্বর রেল স্টেশনের একটি শেডের নীচ থেকে বানজারা সম্প্রদায়ের চার বছরের এক নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করে ধর্ষণ করা হয়। মেয়েটিকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাজ্যে আরজি কর থেকে দুর্গাপুর এবং জয়নগর থেকে দমদম লাগাতার ধর্ষণের (Tarakeswar Rape Case) ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রশাসন নারী সুরক্ষায় ব্যর্থ বলে তোপ দেগেছে বিজেপি। নাবালিকা ধর্ষণের ওই ঘটনায় মমতাকে নিশানা করেন শুভেন্দু।

    মশারি কেটে তাকে তুলে নিয়ে যায় (Hooghly)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতের বেলায় ওই নাবালিকা রেল স্টেশনের শেডে মশারির ভেতরে তার দিদার পাশে ঘুমোচ্ছিল। গভীর রাতে কে বা কারা মশারি কেটে তাকে তুলে নিয়ে যায়। ওই নাবালিকার দিদা বলেন, “আমার নাতনি আমার সঙ্গে ঘুমোচ্ছিল। ভোর ৪টার দিকে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি তাকে তুলে যায়। তবে কখন তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছে, তা আমি টেরও পাইনি। বেশ কয়েক ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পরেও তার খোঁজ মেলেনি। পরের দিন ৮ নভেম্বর বিকেলে, তারকেশ্বর রেলস্টেশনের কাছে একটি ড্রেনের কাছে রক্তাক্ত অবস্থায় নাতনিকে পাই।” আহত নাবালিকার গালে কামড়ের চিহ্নও ছিল। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় তারকেশ্বর হাসপাতালে। সেখানে ডাক্তাররা জানান, অবস্থা গুরুতর (Tarakeswar Rape Case) এবং আঘাত থেকে রক্তপাত অব্যাহত। অভিযুক্তকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তারা সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা করছে। অপরাধীকে খুঁজে বের করতে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে। শিশুটি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তার অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর।

    আর কত নিষ্পাপ মেয়ে এভাবে কষ্ট পাবে?

    ঘটনার তীব্র নিন্দে করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তাক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, “সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে অপরাধ ঢাকছেন খোদ রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। পুলিশ অফিসাররা জনগণের সেবা করার বদলে সরকারের অনুগত দাসের মতো আচরণ করছে। একটি শিশুর  জীবন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, তবুও পুলিশ রাজ্যের মিথ্যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সত্য গোপন করতে ব্যস্ত। আর কত নিষ্পাপ মেয়ে (Tarakeswar Rape Case) এভাবে কষ্ট পাবে?”

    শিশুদের সুরক্ষা আইনে মামলা

    হুগলি জেলা (Hooghly) পুলিশ ইতিমধ্যেই যৌন অপরাধ এবং শিশুদের সুরক্ষা ( POCSO) আইনের অধীনে একটি মামলা দায়ের করেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে পুলিশকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। যদিও প্রথম থেকেই পুলিশ খুব একটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে না বলেই অভিযোগ। আরামবাগ জেলা বিজেপির সম্পাদক পর্ণা আদক বলেন, “শিশুটির অবস্থা দেখেই বোঝা যাচ্ছে বর্তমান সরকারের রাজত্বে নারী ও শিশুরা কতটা অসুরক্ষিত! ধর্ষণ মামলায় (Tarakeswar Rape Case) পুলিশের নিষ্ক্রিয় পদক্ষেপ এই মর্মান্তিক ঘটনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।”

  • Rachana Banerjee: ‘‘কুইন্টাল-কুইন্টাল জল’’! কিউসকের বদলে নতুন একক তৈরি রচনার, কটাক্ষ বিজেপির

    Rachana Banerjee: ‘‘কুইন্টাল-কুইন্টাল জল’’! কিউসকের বদলে নতুন একক তৈরি রচনার, কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আলটপকা মন্তব্য করলেন তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachana Banerjee)। হুগলির বন্যা পরিস্থিতি দেখতে গিয়ে সাংসদের মন্তব্যে ফের হাসির রোল পড়ে গিয়েছে। নেটদুনিয়ায় ভাইরালও হয়েছে তাঁর মন্তব্য। সোমবার হুগলির বলাগড়ের বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যান স্থানীয় সাংসদ। সেখানেই ডিভিসি-কে নিশানা করতে গিয়ে ‘কুইন্টাল কুইন্টাল’ জল ছাড়ার অভিযোগ তোলেন। কিউসকের সঙ্গে কুইন্টালকে গুলিয়ে ফেলেন হুগলির (Hooghly) তৃণমূল সাংসদ। কেউ কেউ কটাক্ষ করে দাবিও তুলেছেন, রচনাকে মিউজিয়ামে রাখা হোক! প্রসঙ্গত বুধবার ডিভিসিকে দোষারোপ করার সময় একক গুলিয়ে ফেলে রচনা বলেন, ‘‘কুইন্টাল কুইন্টাল জল বেরিয়ে আসছে। মানুষের বাড়িঘর কিচ্ছু নেই। সবাই রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছেন। আর ওরা বলছে জানিয়ে পাঠিয়েছে!’’

    ভুলভাল বকছেন উনি (Rachana Banerjee)! কটাক্ষ বিজেপির

    জলের একক গুলিয়ে ফেলায় তাঁকে রীতিমত কটাক্ষ শুরু করেছে রাজ্য বাজেপি। খোঁচা দিয়ে কটাক্ষ করে হুগলি (Hooghly) বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ওঁকে মিউজিয়ামে রাখা উচিত। একজন সাংসদ হয়ে বলছেন কুইন্টাল কুইন্টাল জল ছাড়ছে! কুইন্টালে কবে থেকে জল মাপা শুরু হল? কোনও জ্ঞান নেই তাই এসব ভুলভাল বকছন।’’ প্রসঙ্গত রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার হুগলির বন্যা বিধ্বস্থ এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। চাঁদরা, মিলনগর, ইত্যাদি জায়গায় পৌঁছান তিনি। সেখানেই ডিভিসিকে আক্রমণ করতে গিয়ে ফের একবার আলটপকা মন্তব্য করে বসেন সাংসদ।

    একাধিক মন্তব্যে হাসির খোরাক সাংসদ (Rachana Banerjee)

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালেই রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছেন রচনা (Rachana Banerjee)। তার পর থেকে একাধিকবার সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন রচনা (Rachana Banerjee) শুধুমাত্র তাঁর আলটপকা মন্তব্যের কারণে। কখনও তাঁর ‘ধোঁয়া ধোঁয়া’ মন্তব্য নিয়ে হাসির রোল উঠেছে। কখনও আবার সিঙ্গুরের দই কেন ভালো সেটার ব্যাখ্যা দিতে গিয়েও হাসির খোরাক হয়েছেন তিনি। সমাজমাধ্যমের পাতায় এই নিয়ে প্রচুর মিমও ছড়িয়ে পড়ে সেসময়। এবার কিউসেকের বদলে জল মাপার একক কুইন্টাল বলতেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC MLA:  ‘তৃণমূল বিধায়ক দিতেন কুপ্রস্তাব’, মহিলা পুরকর্মীর বিস্ফোরক অভিযোগ

    TMC MLA: ‘তৃণমূল বিধায়ক দিতেন কুপ্রস্তাব’, মহিলা পুরকর্মীর বিস্ফোরক অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড নিয়ে রাজ্যজুড়ে চলছে আন্দোলন। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এই আবহে চুঁচুড়া পুরসভার এক মহিলা কর্মীকে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে হুগলির চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) অসিত মজুমদারের বিরুদ্ধে। মহিলার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। একইসঙ্গে  তাঁর নামে শহরজুড়ে পোস্টার পড়েছে। সাদা কাগজের ওপর কালো কালিতে লেখা দু’টি লাইন-‘বিধায়ক তুমি দূর হটো, চুঁচুড়ার নারীদের সম্মান বাঁচাও’। বুধবার সকাল থেকেই হুগলির চুঁচুড়ার বিভিন্ন জায়গায় নজরে পড়েছে এই পোস্টার। কে বা কারা রাতের অন্ধকারে এই পোস্টার সাঁটিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পোস্টারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে।

    ভাইরাল ভিডিওতে কী রয়েছে (TMC MLA)

    মঙ্গলবার চুঁচুড়া পুরসভার এক মহিলা কর্মীর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওতে মহিলা কর্মী বলেন, “মহিলাদের উনি (বিধায়ক) সম্মান করেন না। ওঁর মুখের ভাষা খুবই খারাপ। মহিলাদের কুকথা বলেন। ভিডিও কল এবং মেসেজ করেন মহিলাদের। এখন ধিক্কার মিছিল করছেন শহরে। কিন্তু উনিই তো মহিলাদের সম্মান দিতে জানেন না। কেন এত দিন অভিযোগ করা হয়নি?

    মহিলার দাবি, “মহিলারা ভয়ে অভিযোগ করেন না। আমরা ভয় পাই না। তাই অভিযোগ করি। আমার কাছে অনেক প্রমাণ আছে। সময় মতো সেগুলো সামনে আনব। ২০১৬ সাল থেকে আমি ‘বিধায়কের (TMC MLA) বাড়িতে’ কাজ করছি। পুরসভার কর্মী হওয়ার পরেও আমাকে বিধায়কের বাড়িতে কাজ করতে হত। শুধু আমি একা নই, স্বামীও বিধায়কের টুকটাক লেখালিখির কাজ করে দিতেন। মাস ছয় আগে বিধায়কের বাড়ির কাজ ছেড়ে দিয়েছি। আমি যত দিন নিজের সম্মান পেয়েছিলাম, তত দিন ওঁর সঙ্গে ছিলাম। যখন সম্মানহানি হল, তখন বেরিয়ে এসেছি। যখন আমি ওঁর কুপ্রস্তাবে রাজি হইনি, তখনই আমায় চোর বদনাম দিয়ে তাড়িয়ে দিলেন।” শুধু তিনি একা নন, অনেক মহিলাকেই কুপ্রস্তাব দিতেন ওই বিধায়ক, এমন অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগকারিণীর দাবি, “আমার কাছে ভিডিও কলের চ্যাট আছে।” তবে তিনি আশাবাদী দল ব্যবস্থা নেবে বিধায়কের বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, “আমি দলকে জানিয়েছি।”

    ভিডিও পোস্ট লকেটের

    প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, বিজেপি নেতা সজল ঘোষেরা সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে সুর চড়াচ্ছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। লকেটের কথায়, “এমন আর কত মহিলার সঙ্গে আপনি সেফ সাইড করতেন বিধায়কবাবু (TMC MLA)! আপনি আবার নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে। হাস্যকর! রক্ষক যে নিজেই ধর্ষক, এটাই তৃণমূলের মেরুদণ্ড।” সজলের সমাজমাধ্যমেও একই পোস্ট ঘুরছে।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এই অভিযোগ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চাননি চুঁচুড়ার বিধায়ক (TMC MLA)। হুগলি-শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার তৃণমূলের চেয়ারপার্সন অসীমা পাত্র ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন,“ আমি নিজেই জানি না বিষয়টা। প্রমাণ ছাড়া কিছু বলতে পারি না। যাঁরা অভিযোগ করছেন, তাঁদের সঙ্গে আমরা কথা বলব। কী অভিযোগ আছে সব শুনব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Bangla Bandh: বন‍্ধে রণক্ষেত্র মানকুণ্ডু স্টেশন, বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস

    BJP Bangla Bandh: বন‍্ধে রণক্ষেত্র মানকুণ্ডু স্টেশন, বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির ডাকা বাংলা বন‍্ধে (BJP Bangla Bandh) রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাওড়া-বর্ধমান শাখার হুগলির (Hooghly) মানকুন্ডু স্টেশন। ট্রেন আটকাতে এই স্টেশনে রেললাইনের ওপর নেমে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। তাদের হঠাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। উন্মত্ত কর্মীদের রেললাইন থেকে হঠাতে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় পুলিশ। পুলিশের বিরুদ্ধে বন‍্‍ধ সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ তোলে বিজেপি। কর্মীরা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BJP Bangla Bandh)

    বন‍্‍ধ সমর্থকরা এদিন হুগলি জেলার একাধিক রেল স্টেশনে ট্রেন অবরোধ করেন। শ্রীরামপুর, চন্দননগর, হুগলি, হিন্দমোটর, কোন্নগর, ত্রিবেণী স্টেশনেও অবরোধ করা হয়। তাতে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। কোথাও দেড় ঘণ্টা, কোথাও দুঘণ্টা অবরোধ চলে। বুধবার সকাল থেকেই রেল অবরোধে (BJP Bangla Bandh) সামিল হন বিজেপি কর্মীরা। মানকুন্ডু স্টেশনেও এদিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে আপ ও ডাউন লাইনে রেল অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। দুটি লাইনেই দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রেন। একটিতে দূরপাল্লার বালুরঘাট এক্সপ্রেসও দাঁড়িয়ে পড়ে। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। জিআরপি ও আরপিএফ অবরোধ হঠানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। দীর্ঘক্ষণ হাওড়া-বর্ধমান মেন ও ব্যান্ডেল শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ কর্তারা। পুলিশ লাইন থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী-র‍্যাফ-উইনার্স টিম ও কমব্যাট ফোর্সও ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এরপরেই কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করে।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    মানকুণ্ডু স্টেশনের অবরোধ নিয়ে ট্যুইট সুকান্তর

    রেল অবরোধ (BJP Bangla Bandh) নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ট্যুইট করে বলেন, বনধের সমর্থনে সাধারণ মানুষও সামিল হয়েছেন।

    <p

    পথ অবরোধে বিজেপি কর্মীরা

    ট্রেন ছাড়া হুগলি জেলার একাধিক জায়গায় পথ অবরোধও (BJP Bangla Bandh) করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। শ্রীরামপুরের পেয়ারাপুরের কাছে দিল্লি রোডের মোড়ে অবরোধকারীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের হাতাহাতি হয়। হাতাহাতিতে আহত হন দুপক্ষের বেশ কয়েকজন। শ্রীরামপুর থানা থেকে পুলিশের বড় বাহিনী গিয়ে দুপক্ষকে বুঝিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Monohora Sweet: রসের বাঁধন, অথচ শুকনো! মনোহরার ইতিহাস সত্যিই যেন মন হরণ করে নেয়

    Monohora Sweet: রসের বাঁধন, অথচ শুকনো! মনোহরার ইতিহাস সত্যিই যেন মন হরণ করে নেয়

    হরিহর ঘোষাল

    রাজ্যজুড়ে মিষ্টির বাহার প্রচুর। জায়গা ভেদে সেখানকার ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিখ্যাত, নামকরা কিছু মিষ্টি। রসগোল্লা, পান্তুয়া ছাড়াও রসের মিষ্টি হোক কিংবা ছানার সন্দেশ-মিষ্টির তালিকা বললে শেষ করা যাবে না। তবে, নাম যাই হোক না কেন, মিষ্টি খাওয়াতে খাদ্যরসিক বাঙালির জুড়ি ভার। এই প্রতিবেদনে আমরা জানাব, ব্রিটিশ আমলে তৈরি হওয়া মনোহরা (Monohora Sweet) মিষ্টির আদি কথা। বাংলাদেশের ঢাকার প্রাণহরার সঙ্গে মনোহরার ব্যুৎপত্তিগত সাদৃশ্যকে তুলে ধরার জন্য কবি মোহিতলাল মজুমদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বলতেন, “তোরা মিষ্টির নাম রাখিস প্রাণহরা, আর আমরা নাম রাখি মনোহরা।”

     নবাবি আমলের মনোহরা! (Monohora Sweet)

    মনোহরা হুগলি না মুর্শিদাবাদের, তা নিয়ে বিতর্ক চলতেই পারে। হুগলিবাসীর দাবি, এই মিষ্টি জনাইয়ে প্রথম তৈরি হয়েছিল। মুর্শিদাবাদে নবাবের দেশের মানুষরা আবার মনোহরা মিষ্টির (Monohora Sweet) তৈরির কৃতিত্ব বেলডাঙা, কান্দির ময়রাদের দিতে চান। বিতর্কে না গিয়ে, দুটি জেলারই মিষ্টি তৈরির ইতিহাস আমরা তুলে ধরছি। একটি মত থেকে জানা যায়, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে রজগোপাল সাহা বেলডাঙায় প্রথম মনোহরা মিষ্টি তৈরি করেছিলেন। বাংলা টপ্পার জনক রামনিধি গুপ্ত ওরফে নিধুবাবু শহরের বাবুগিরির গানে লিখেছেন “খাওয়াইব গণ্ডা গণ্ডা মনোহরা দেদো মণ্ডা। খেয়ে খেয়ে যাবে প্রাণটা, বলবে বলিহারি যাই।” মুর্শিদাবাদের কান্দি, বেলডাঙার মনোহরার সুখ্যাতি সেকালে কালাপানি পাড় হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সাহেবদের দেশেও।

    অন্য একটি মতে, মুর্শিদাবাদের নবাবদের খাস ময়রা এই মিষ্টি অষ্টাদশ শতকে আবিষ্কার করেন। জনৈক ময়রা বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার দহগ্রামের নিকট কিরীটকোনা গ্রামের কিরীটেশ্বরী মন্দিরের নিকট বাস করতেন। সেখানেই তিনি প্রথম মনোহরা মিষ্টি প্রস্তুত করেন। মুর্শিদাবাদের নবাবরা ডাবের শাঁস, কাজুবাদাম, এলাচ ও ক্ষীর দিয়ে তৈরি মনোহরা পছন্দ করতেন। নবাবির পতনের সঙ্গে সঙ্গে মনোহরা রাজকীয় পৃষ্ঠাপোষকতা থেকে বঞ্চিত হয়। যে মিষ্টি এককালে সমগ্র মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রস্তুত হত, তা ক্রমে বেলডাঙা, কান্দির মতো বিশেষ কিছু জায়গায় প্রস্তুত হতে থাকে। বাংলার মিষ্টির ইতিহাস নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন, মনোহরার জন্মবৃত্তান্ত নিয়ে তাঁদের মধ্যে অনেক মতভেদ রয়েছে। সে যাই হোক, দুধসাদা মনোহরার মাথায় বাহারি কিসমিসের অলঙ্করণে সত্যিই মনোহরা মুর্শিদাবাদের এই মিষ্টি। বেলডাঙার মনোহরা যদি অসিত সাহা, মদনগোপাল সাহারা বাঁচিয়ে রাখেন, তবে কান্দির সুনাম রক্ষা করে চলেছেন শিবশক্তি দে বা রুদ্রদেব দত্তেরা। সেই ট্রাডিশন এখনও চলছে।

    কীভাবে বানানো হয়?

    চাঁচি, ক্ষীর আর ছানার সঙ্গে এলাচ, জায়ফল আর জয়িত্রীর মিশ্রণে তৈরি ‘পুর’ চিনির মোটা রসের আস্তরণে ঢেকে রাখার অননুকরণীয় শিল্পের নাম মনোহরা। ছানা এবং চিনি হল এই মিষ্টির আসল উপকরণ। ছানা ভালো করে মেখে নেওয়ার পরেই তাকে চিনির সঙ্গে পাক দেওয়া হয়। মেশানো হয় এলাচ, ডাবের শাসের পাতলা আস্তরণ। তারপর সেই পাক হাতে গোল করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে এটিকে রূপদান করা হয়। সবশেষে শিরায় সেটিকে মেশানো হয়। একবার কোট করেই তুলে নেওয়া হয়। ব্যস, মনোহরা তৈরি!

    জনাইয়ের মনোহরা

    হুগলির (Hooghly) জনাইয়ে প্রথম মনোহরা (Monohora Sweet) তৈরি হয়েছিল। এই মিষ্টি তৈরির ইতিহাস দু’শো বছরের ওপর। জনাইয়ের মনোহরার উৎপত্তি নিয়ে একাধিক মত প্রচলিত আছে। একটি মতে, ভীমচন্দ্র নাগের পিতা পরাণচন্দ্র নাগ ছিলেন বর্ধমান রাজের দেওয়ান। এক সময়ে তিনি দেওয়ানের চাকরি ছেড়ে মিষ্টির ব্যবসায় নামেন। হুগলি জেলার জনাইতে তিনি মিষ্টির ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করেন। এই সময়েই তিনি মনোহরা নামক মিষ্টির প্রচলন করেন। আর একটি মত থেকে জানা যায়, জনাইয়ের ময়রারা সন্দেশকে সংরক্ষণ করার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় ভুলবশতঃ সন্দেশকে চিনির রসে ডুবিয়ে ফেলেন। তার থেকেই সৃষ্টি হয় মনোহরা। এছাড়া জনাইয়ের জনৈক ললিত ময়রা ১৮৬০-এর দশকে মনোহরা মিষ্টি তৈরি করেন বলে দাবি করা হয়। আর একটি মত থেকে জানা যায়, জনাইয়ের জমিদার তখন কালীপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ান ছিলেন। সমৃদ্ধি ছিল শহরে। এমনই এক সময় ইংরেজ এক সাহেবের আগমনে রাজবাড়ি (কালীবাবুর বাড়ি) জুড়ে হইহই রইরই রব। মিষ্টি তো সবাই বানায়। তবে রসের বাঁধন থাকবে, ধাঁচ হবে শুকনো এমন মিষ্টি কোথায় পাওয়া যায়? সালটা ১৮৬৮ হবে, কালীবাবুর অনুরোধেই ন্যাড়া ময়রা বানালেন দুর্দান্ত স্বাদের এক মিষ্টি, নাম তখনও অজানা। ইংরেজ সাহেবের পাতে পড়তেই স্বাদ আস্বাদনে আর দেরি করলেন না। মিষ্টি মুখে দেওয়ার পরই একেবারে মিলিয়ে গেল। আবেগে আপ্লুত সাহেব কাটা কাটা বাংলায় বললেন, “এই মিষ্টি আমার মন হরণ করে নিয়েছে।” ব্যস! সেই থেকে মন হরণ করা এই মিষ্টির নাম হল মনোহরা।

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মনোহরার খুব ভক্ত ছিলেন!

    জনাইয়ের মনোহরা (Monohora Sweet) এক সময় কলকাতার রসগোল্লা, শক্তিগড়ের ল্যাংচা ও বর্ধমানের সীতাভোগের মতো সমান জনপ্রিয় ছিল। মুখে মুখে এর জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলায় এবং ক্রমে সারা ভারতে। ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় এবং ব্রিটিশ অভিজাতরা অতিথি আপ্যায়নের জন্য জনাইয়ের মনোহরা আনাতেন। ক্রমে ব্রিটেনেও মনোহরার বাজার তৈরি হয়। পরবর্তীকালে মনোহরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জার্মানিতেও রফতানি হতে থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মনোহরার (Monohora Sweet) খুব ভক্ত ছিলেন। ছবি বিশ্বাস, উত্তম কুমার ও ছায়া দেবীর মতো বাংলা চলচ্চিত্রের নায়ক-নায়িকারা আউটডোর শুট করে কলকাতা ফেরার পথে প্রায়ই গাড়ি থামিয়ে মনোহরা কিনে বাড়ি ফিরতেন। আজও হাজারো মিষ্টির ভিড়ে মনোহরা নিজের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। মুর্শিদাবাদ-হুগলিবাসী বলে নয়, মনোহরার স্বাদ একবার যিনি চেখে দেখেছেন, তাঁর মন জয় করে নিয়েছে ব্রিটিশ আমলে জন্ম নেওয়া এই মিষ্টি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ভাঙা পড়েছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি, ‘মানা যায় না’, বলছে ভাষা-শহিদের পরিবার

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ভাঙা পড়েছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি, ‘মানা যায় না’, বলছে ভাষা-শহিদের পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) । দগ্ধে পুড়ছেন ভাষা শহিদের পরিবার। হুগলির কোন্নগরের গঙ্গাপারের সেই বাড়িটিতেই যত্নে রাখা রয়েছে সফিউর রহমানের ছবি। যে সফিউর ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি উর্দু আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছিলেন ঢাকার রাজপথে। যে ১৪ জন সে দিন শহিদ হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে হুগলির (Hooghly) কোন্নগরের সফিউর অন্যতম। তাঁরই ছবি আঁকড়ে রয়েছেন তাঁর খুড়তুতো ভাই আহসানুর রহমান এবং বোন সেতারা খাতুন।

    কোন্নগরের পড়াশুনা করেছিলেন সফিউর (Bangladesh Crisis)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সফিউর জন্মেছিলেন কোন্নগরেই। পড়াশোনা কোন্নগর উচ্চ বিদ্যালয়ে। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএসসি পাশ করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এমবিবিএস পড়া। ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয়েছিল ভারত। দেশভাগের সেই পর্বেই সফিউরের বাবা মাহবুবর রহমান পরিবার নিয়ে চলে যান ঢাকায় (Bangladesh Crisis) । তিনি ছিলেন বিচারক। ঢাকা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে কর্মরত ছিলেন। দাদা সফিউর রহমানও বাবার সঙ্গেই চলে গিয়েছিলেন ঢাকায়। পরবর্তীতে দাদা জড়িয়ে পড়েন ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে।

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    যত্নে রাখা রয়েছে সফিউর রহমানের ছবি

    হুগলির কোন্নগরের আহসানুরদের বাড়ির নোনা-ধরা দেওয়ালের গায়ে অনেক ইতিহাস। তাতে জুড়ে আছে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। জুড়ে আছেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ত্রৈলোক্যনাথ মিত্র। ৩০০ বছরের পুরনো বাড়িটির গায়ে অভাবে অযত্নের ছাপও স্পষ্ট। গঙ্গাপারের সেই বাড়িটিতেই যত্নে রাখা রয়েছে সফিউর রহমানের ছবি। শহিদ সফিউরের ছবি হাতে নিয়েই বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তাঁরা। পরিবারের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য বোঝাতে গিয়ে আহসানুর বলেন, কোন্নগরের বিশিষ্ট পণ্ডিত ত্রৈলোক্যনাথ মিত্রের বাড়ির দুর্গাপুজোয় পঞ্চমীর দিন কর্তা হয়ে যেতেন রহমান পরিবারের লোকজন। অদূরেই অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাগানবাড়ি। সে জমিও এককালে ছিল রহমান পরিবারের হাতে। শরিকি ঝামেলায় কিছু বদলায়নি। এখনও এই জীর্ণ বাড়িতে (Hooghly) বিদ্যুতের বিল আসে শহিদ সফিউরের বাবা মাহবুবর রহমানের নামে। ৬ বিঘা ১ কাঠা ১০ ছটাক জায়গা রহমান পরিবারের।

    …তাই বলে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙা হবে?

    খুড়তুতো ভাই আহসানুর বলেন, “মুজিবর রহমান যে দলেরই হোন, বাংলাদেশের মানুষের এটা জানা উচিত যে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জনক। সরকার পছন্দ না হলে আন্দোলন করুক। কিন্তু, তাঁর স্মৃতিতে হামলা, মেনে নেব কী করে! জানি, হাসিনা স্বেচ্ছাচার চালিয়েছেন। জানি, মানুষের কোনও গণতান্ত্রিক অধিকার ছিল না। কিন্তু তাই বলে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙা হবে?” মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দিতে চাইছে কারা? কারা ভাষা শহিদদের অসম্মান করছে? প্রশ্নের জবাবে আহসানুর বলেন, “দেখে মনে হচ্ছে, ওই আন্দোলনে মৌলবাদীরা ঢুকে পড়েছে। সেটাই সবচেয়ে ভয়ের। শেখ হাসিনা যে ভাবে সরকার চালিয়েছেন, তাতে তাঁর শাস্তি প্রাপ্যই ছিল।”

    কেন ঘা পড়ল ভাষা শহিদদের স্মৃতিস্তম্ভে? কেন মলিন করে দেওয়া হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস? ভাষা শহিদের পরিবারের মতে, “মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিয়ে কখনও বাংলাদেশের কথা ভাবা যায় না! একটা অংশ ইতিহাস মুছতে চাইছে। আশা করি, বাংলাদেশ এই অশুভ সময় কাটিয়ে উঠবে। মাতৃভাষার অধিকার দাবি করে প্রাণ দিয়েছিলেন আমার দাদা। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) রাষ্ট্র। সেখানে আজ ভাঙা হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি। এ দৃশ্যও দেখতে হল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Karate: মাত্র সাত বছর বয়সেই এশিয়ার সেরা ‘ক্যারাটে কিড’ হুগলির আরাত্রিকা

    Karate: মাত্র সাত বছর বয়সেই এশিয়ার সেরা ‘ক্যারাটে কিড’ হুগলির আরাত্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র সাত বছর বয়সেই অসাধারণ সাফল্য, এশিয়ার সেরা ‘ক্যারাটে কিড’ হয়েছে হুগলির আরাত্রিকা চক্রবর্তী। ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস ও এশিয়া বুক অব রেকর্ডস গড়েছে এই ক্ষুদে। মাত্র তিন বছর বয়সে তার ক্যারাটেতে (Karate) হাতেখড়ি হয়েছিল। তার এই কীর্তিতে পরিবার এবং জেলায় তীব্র খুশির আবহ।

    ক্যারাটেতে মিনিটে ৬৯০টি পাঞ্চ(Karate)!

    হুগলির মগরার গজঘণ্ট বকুলতলার বাসিন্দা ছোট্ট আরাত্রিকা। একই ভাবে নাচ, গান, কবিতা, আঁকা শেখার পাশাপাশি ক্যারেটেতে পারদর্শী। তার এই ক্যারাটেতে (Karate) উৎসাহ এবং আগ্রহ দেখে মা মৈত্রী এবং বাবা অভিষেক চক্রবর্তী মেয়েকে সবরকম ভাবে সহযোগিতা করে থাকেন। স্থানীয় একটি ক্যারাটে ক্যাম্পে মাত্র তিন বছর বয়স থেকে ক্লাস করতে শুরু করেছিল মেয়ে। ২০২৩ সালে দুটি প্রতিযোগিতায় সোনা জয়ী হয়েছিল। তার ক্যারাটের কোচ শঙ্কর রাউত এবং সঞ্জয় দাস জানিয়েছেন যে এশিয়া বুক অব রেকর্ডসের জন্য এক মিনিটে ৩৫০টি চেস্ট লেভেল পাঞ্চ করতে হয়। সেখানে আরাত্রিকা মিনিটে ৬৯০টি পাঞ্চ করে রেকর্ড গড়েছে। তার ভিডিও পাঠানো হয়েছে ইন্ডিয়া ও এশিয়া বুক অব রেকর্ডসে। কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে সেই ভিডিও খতিয়ে দেখে ৪৮০টি পাঞ্চ বৈধ বলে ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে। আর এইভাবেই নতুন রেকর্ড গড়ে নজির রখেছে আরাত্রিকা। তার একসঙ্গে দুটি পুরস্কার ঝুলিতে জমা হয়েছে। গত মঙ্গলবার তাদের বাড়িতে এই দুই সংস্থা থেকে পুরস্কার এসে পৌঁছেছে। শংসাপত্র হাতে পেয়ে পরিবারে খুশির আবহ। মেয়ের সাফল্যে কোচ, বাবা-মা সকলেই খুব খুশি।

    আরও পড়ুনঃ নোয়াপাড়ায় তৃণমূল ছাত্রনেতার হাতে সেভেন এমএম পিস্তল! সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ছবি

    পরিবারের বক্তব্য

    আরাত্রিকার বাবা অভিষেক চক্রবর্তী মেয়ের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত হয়ে বলেছেন, “আমরা আজ ভীষণ খুশি। মেয়ে এই ভাবে রেকর্ড গড়বে আমরা আশা প্রকাশ করিনি। মেয়ের আগ্রহের বিষয়ে আমরা ব্যাপক ভাবে উৎসাহ দিয়েছি। মেয়ে নিজে থেকে জানিয়েছে যে চেস্ট লেভেলে পাঞ্চ করবে। গত এপ্রিল মাসের শেষে আমরা আবেদন করি। এরপর মান্যতার জন্য গত ২৩ জুন ভিডিও পাঠাই।” মা মৈত্রী বলেছেন, “পড়াশুনার পাশাপাশি মেয়ে খেলাধূলা করতে চায়, সেটা আমরা করতে দিই। আমরা চাই ও নিজের আত্মরক্ষা করতে শিখুক। বর্তমানে মেয়ের কাছে ক্যারাটে (Karate), নাচ, আঁকা ইত্যাদি ভালোবাসায় পরিণত হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share