Tag: i-pac

i-pac

  • I-PAC Raid Case: ‘আইন নিজের হাতে নেওয়াই মমতার রীতি’, আই প্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বিরুদ্ধে জোড়া মামলা ইডির

    I-PAC Raid Case: ‘আইন নিজের হাতে নেওয়াই মমতার রীতি’, আই প্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বিরুদ্ধে জোড়া মামলা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আই-প্যাক (I-PAC) মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে জরুরি শুনানির আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গেল ইডি (Enforcement Directorate)। ইডির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে আইন নিজের হাতে নিচ্ছেন এবং কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার কাজে বাধা দিতে রাজ্য পুলিশের ‘অপব্যবহার’ করছেন। আই প্যাক-কাণ্ডে রাজ্যের বিরুদ্ধে সোমবার জোড়া মামলা দায়ের করেছে ইডি। একটি মামলা ইডির তরফে দায়ের করা হয়েছে। অপর মামলাটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। দুই মামলাতেই রাজ্যের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) মনোজ কুমার বর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।

    আইন রক্ষকরাই অপরাধে যুক্ত

    ইডির আবেদনে বলা হয়েছে, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দসই না হলে বা তাতে তাঁর দল, মন্ত্রী কিংবা ঘনিষ্ঠ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তথ্য উঠে আসার সম্ভাবনা থাকলে—তখনই একই ধরনের হস্তক্ষেপের ‘প্যাটার্ন’ দেখা যাচ্ছে। শীর্ষ আদালতে জমা দেওয়া আবেদনে ইডি উল্লেখ করেছে, পশ্চিমবঙ্গে এমন এক মারাত্মক পরিস্থিতি (Shocking situation in West Bengal) তৈরি হয়েছে যেখানে আইন রক্ষার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরাই গুরুতর অপরাধে মদত দিচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যের ডিজিপি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কথা তুলে ধরেছে ইডি। তাদের বক্তব্য, ২০১৪ সালের ললিতা কুমারী বনাম উত্তরপ্রদেশ সরকার মামলার রায়ের আলোকে এই ঘটনায় এফআইআর দায়ের হওয়া বাধ্যতামূলক।

    তল্লাশিতে কীভাবে বাধা দেওয়া হয়

    ইডি জানিয়েছে, তারা যে আই-প্যাকের (I-PAC) প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের (Pratik Jain) বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন তার জন্য যথেষ্ট কারণ ছিল। তদন্তে জানা গেছিল, ২০ কোটি টাকার বেশি ‘অপরাধলব্ধ অর্থ’ তারা পেয়েছে। কিন্তু সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা একসঙ্গে সেখানে ঢুকে পড়েন বলে অভিযোগ। ইডির দাবি, ওই আধিকারিকরা তদন্তকারী অফিসারদের ভয় দেখান, হুমকি দেন এবং তল্লাশির সময় বাজেয়াপ্ত করা গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইলেকট্রনিক প্রমাণ কেড়ে নেন। এমনকি তল্লাশি আর চালাতেও দেওয়া হয়নি। ইডির ভাষায়, এটি ছিল প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA) অনুযায়ী সংগৃহীত প্রমাণে সরাসরি হস্তক্ষেপ।

    সংবিধান ও আইনের শাসন অপমানিত

    ইডির স্পষ্ট বক্তব্য, সংগৃহীত প্রমাণের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপের যোগ নেই। তা সত্ত্বেও, মুখ্যমন্ত্রী ও শীর্ষ পুলিশ কর্তাদের মাধ্যমে সেই প্রমাণ কেড়ে নেওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে ঘটায় সংবিধান ও আইনের শাসন চরমভাবে অপমানিত হয়েছে। ইডি আরও বলেছে, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্বে থাকায় রাজ্য পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করা অর্থহীন। এতে প্রকৃত তদন্ত না হয়ে প্রভাবশালীদের আড়াল করার চেষ্টা হবে। ইডির আবেদনে দাবি করা হয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানির সময়ও শাসক দলের সমর্থকেরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেন। এমনকি দলীয় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আদালতে ভিড় জমাতে বার্তাও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে আদালত শুনানি মুলতুবি রাখতে বাধ্য হয়।

    সিবিআই তদন্তের দাবি ইডি-র

    এই প্রেক্ষিতে ইডি শীর্ষ আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত সিবিআই-কে দিয়ে করানো হোক। ইডির মতে, এটি ‘রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার’ পরিস্থিতি, যেখানে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ জরুরি—যাতে কোনও রাজনৈতিক নেতা ভবিষ্যতে প্রকাশ্যে আইন নিজের হাতে নেওয়ার সাহস না পান। ইডি আরও জানিয়েছে, তারা বহু-রাজ্য মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত একটি বৃহৎ মামলা তদন্ত করছেন। তদন্ত অনুযায়ী ২৭৪২.৩২ কোটি টাকার অপরাধমূলক অর্থ অবৈধ কয়লা খনি থেকে সরকারি কোষাগারে পৌঁছেছে। ইতিমধ্যেই ২০ কোটি টাকারও বেশি অপরাধমূলক অর্থের প্রাপ্তির প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে।

    সুপ্রিম দুয়ারে ইডির আবেদন

    উল্লেখ্য এর আগেও আই প্যাক ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। শনিবার সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় একটি আবেদন করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কয়লা কেলেঙ্কারি মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে, অভিযোগ জানিয়ে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আর্থিক তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, তাদের আধিকারিকদের আইনসম্মতভাবে তল্লাশি চালানো এবং কয়লা পাচার মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য বাজেয়াপ্ত করতে বাধা দেওয়া হয়। ইডি-র আরও দাবি, রাজ্যের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই সংশ্লিষ্ট ওই স্থানগুলি থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস জোর করে সরিয়ে নেওয়া হয়। আই প্যাক-কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টেও মামলা করেছে ইডি। সেই মামলার শুনানি ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতুবি করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের আশঙ্কা ছিল যে, ইডি ওই মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। সে কারণে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করে রেখেছিল রাজ্য, যাতে সেখানে ইডির বক্তব্য একতরফা ভাবে না শোনা হয়। যদি ইডি মামলা করে, তা হলে দুই পক্ষের বক্তব্য যেন শোনা হয়, সেই জন্য দাখিল করা হয় ক্যাভিয়েট।

  • I-Pac: আইপ্যাকের অভিযানে দিল্লির সদর দফতরে রিপোর্ট পাঠাল ইডি, মমতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

    I-Pac: আইপ্যাকের অভিযানে দিল্লির সদর দফতরে রিপোর্ট পাঠাল ইডি, মমতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাক (I-Pac) অভিযানে বিস্তারিত রিপোর্ট দিল্লির সদর দফতরে পাঠাল ইডি (Enforcement Directorate)। তাতে সাফ জানানো হয়েছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই তদন্তের নথি, ল্যাপটপ এবং হার্ডডিক্স ছিনতাই করে নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাহিনী, কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা ঠিক কেমন ছিল বিশদে জানতে চেয়ে রিপোর্ট করা হয়েছে। আর তার ভিত্তিতেই প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান, বিবরণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে ইডি।

    কপি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হবে (I-Pac)

    রাজ্যে কয়লা পাচার এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের তদন্ত করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপক বাধার সম্মুখীন হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এবং লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের (I-Pac) কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। এই ঘটনার বিস্তৃত বিবরণ দিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর দিল্লির ইডির (Enforcement Directorate) সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরেও রিপোর্ট পাঠানো হতে পারে।

    ১২ টা ০৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে যান মমতা

    ঘটনার দিনের বিবরণ ইতিমধ্যেই একটি প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে ইডি। কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা করা হয়েছে তা মামলার নথিতে স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়েছে। তবে ইডির দাবি, তল্লাশি চলাকালীন জোর করে গুরুত্বপূর্ণ নথি কেড়ে নিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বেআইনি আর্থিক মামলায় পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লির ১০টি জায়গায় তদন্তে বাধার অভিযোগ তুলেছে। সাংবিধানিক ক্ষমতাকে অবৈধভাবে ব্যবহার করে তাল্লাশি অভিযান চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ছিনতাই করে নিয়ে যান তিনি। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ইতিমধ্যেই তারা আদালতে জানিয়েছে, প্রতীকের (I-Pac) বাড়িতে তল্লাশির সময় একাধিক ডিজিটাল নথি উদ্ধার করা হয়েছে। বেলা ১১ টা নাগাদ কলকাতা পুলিশের সাউথ ডিসি প্রিয়ব্রত রায় লাউডন ষ্ট্রিটের ওই বাড়িতে যান। পুলিশ কর্তার অবশ্য দাবি, ওই বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। পরে অবশ্য ইডির অফিসাররা সকলের পরিচয় এবং তল্লাশির কাগজপত্র দেখান। ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মনোজ বর্মাও। দুপুর ১২ টা ৫ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। নিজের অধিকার প্রয়োগ করে তদন্তের কাজে বাধা দেন। জোর করে ডিজিটাল নথি তুলে নিয়ে যান। ১২ টা ১৫ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে যান। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই মামলা করা হয়। পৃথকভাবে মামলা করা হয়েছে ইডির (Enforcement Directorate) তরফেও। আগামী ১৪ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন ইডির

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রিপোর্টে ইডির কাছে জানতে চেয়েছে, তল্লাশির (I-Pac) সময় কোন কোন সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল তদন্তকারীদের। রাজ্য পুলিশের ভূমিকাই কি ছিল? পুলিশ কতটা সক্রিয় ছিল? কেন্দ্রীয় বাহিনী ওই সময় কোন দায়িত্ব পালন করেছে। তাল্লাশির পর রাজ্যের শাসকদল কি ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে? এই সব বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। আইপ্যাক অভিযানের পরের দিনই আবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, “এই তল্লাশি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশল জানার লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় সংস্থা অভিযান চালিয়েছে এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।” অন্য দিকে, তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate)। ইডি জানিয়েছে, “বেআইনি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের কোনও যোগ নেই।”

    দুর্নীতির তদন্ত চান না মুখ্যমন্ত্রী?

    তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (Enforcement Directorate) পক্ষ থেকে বলা হয়, “সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং জোর করে গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।” ফলে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই এবার পুরো ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখ্য আগেও তৃণমূলের নেতাদের দুর্নীতি ঢাকতে বিভিন্ন সময়ে ইডি-সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন, কাজে বাধা দিয়েছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যদি তদন্তে বাধা দেন তাহলে এই রাজ্যে দুর্নীতিগ্রস্থদের পাশে সরকার এই কথা বলতেই হয়। অন্তত এমনই অভিমত বিজেপির।

  • I PAC Ed Hearing: এজলাসে চরম বিশৃঙ্খলা, বন্ধ দরবার! ১৪ তারিখেই হবে ইডি-মমতা সংঘাত মামলার শুনানি

    I PAC Ed Hearing: এজলাসে চরম বিশৃঙ্খলা, বন্ধ দরবার! ১৪ তারিখেই হবে ইডি-মমতা সংঘাত মামলার শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এজলাসে তুমুল বাকবিতণ্ডা। আই প্যাকের (I PAC Ed Hearing) ঘটনায় ইডির দায়ের করা মামলা গিয়েছে পিছিয়ে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ এই মামলার শুনানি করবেন আগামী ১৪ জানুয়ারি। তবে সূত্রের খবর, শুক্রবারই মামলার শুনানি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সচিবালয়ে জরুরী বেঞ্চে আবেদন করছে ইডি। লিখিত ভাবে আবেদন করতে চলেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। গোয়েন্দারা চাইছেন, দ্রুত এই মামলার শুনানি হোক। না হলে নথি নষ্ট করার ভয় রয়েছে। প্রয়োজনে এজলাস বদলাতেও আপত্তি নেই গোয়েন্দাদের। তবে, ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করলে আরও অনেক প্রমাণ লোপাট হওয়ার আশঙ্কা করছে তারা। যদিও প্রধান বিচারপতি টি শিবজ্ঞানম জানিয়ে দেন, যেহেতু জুডিশিয়াল অর্ডার হয়েছে, তাই বদল করা সম্ভব নয়। সেই কারণে ১৪ই জানুয়ারিতেই হবে শুনানি।

    এজলাসে চরম বিশৃঙ্খলা

    শুনানির আগেই কলকাতা হাইকোর্টের এজলাসে চরম বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। তার জেরে শুক্রবার জোড়া আইপ্যাক মামলার শুনানিই হল না হাইকোর্টে। প্রাথমিকভাবে যা খবর, আগামী ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সেই মামলার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর সেই পরিস্থিতিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) যে সিবিআই তদন্ত, নথি ফেরতের মতো একগুচ্ছ আর্জি জানিয়েছিল, সেগুলি পূরণ হল না। ফলে বৃহস্পতিবার কলকাতা লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বের করে আনা ‘সবুজ ফাইল’ এবং সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিস থেকে বের করে আনা একগুচ্ছ নথি আরও বেশি সময়ের জন্য নিজের কাছে বা তৃণমূলের কাছে রাখার সুযোগ পেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে ফাইল বা নথির মধ্যে তৃণমূলের প্রার্থীতালিকা, কৌশলের মতো বিভিন্ন বিষয় আছে,বলে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি। কিন্তু ইডির দাবি, এর ফলে সুকৌশলে নথি নষ্ট করা হতে পারে।

    নথি ও ডিভাইস ফেরতের উপরে জোর দেয় ইডি

    এমনিতে হাইকোর্টে যে পিটিশন দাখিল করেছে ইডি, তাতে নথি ফেরতের বিষয়ের উপরে জোর দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে যে তল্লাশি চলছে বলা সত্ত্বেও ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী ঢুকে পড়েন। জোর করে কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে থাকা একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র এবং ডিজিটাল ডিভাইস ছিনিয়ে নেওয়া হয়। জোর করে নিয়ে যাওয়া সেইসব নথি যেন ফিরিয়ে দেওয়া হয় ইডিকে। যতক্ষণ না ইডির হাতে সেই নথি বা ডিভাইস আসছে, ততক্ষণ কোনওরকম তথ্য বিকৃত যাতে না করা হয়, সেই নির্দেশ দেওয়া হোক।

    সিবিআই তদন্তের আর্জি জানায় ইডি

    পাশাপাশি পুরো ঘটনায় সিবিআই তদন্তের আর্জি জানায় ইডি। হাইকোর্টে ইডির তরফে আর্জি জানানো হয় যে দ্রুত সিবিআই এফআইআর দায়ের করুক। দ্রুত তদন্ত শুরু করুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশির সময় যে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য পুলিশ-প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা গিয়েছিলেন, তা নিয়ে তদন্ত করা হোক। যাবতীয় নিয়ম-কানুন মেনেই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছিল বলে ইডির তরফে দাবি করা হয়।

    সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের দাবি তোলে ইডি

    সেইসঙ্গে ইডির তরফে দাবি করা হয়, সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের কর্ণধারের বাড়িতে যে সিসিটিভি ফুটেজ আছে, তা সংরক্ষণ করে রাখা হোক। রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হোক যে ইডির তদন্তে যেন বাধা না দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, আইপ্যাক কাণ্ডে মামলা ও পালটা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করেছে ইডি। আবার পালটা মামলা করেছে তৃণমূল কংগ্রেসও। হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের বেঞ্চে একসঙ্গে দুটি মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আইনজীবীদের প্রবল ভিড়, বিশৃঙ্খলার জেরে শুনানি পিছিয়ে গিয়েছে।

    ইডি অফিসারদের হুমকি

    ইডি সূত্রে খবর, নথি রাজ্য সরকারের হাতে থাকলে তা বিকৃত করতে সময় লাগবে না। কারণ, ইডির দাবি, আইপ্যাকের থেকে কোনও জিনিস বাজেয়াপ্ত করলে তদন্তকারী অফিসারদের গ্রেফতার করা হবে, বলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার হুঁশিয়ারি দেন। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) সূত্রে জানানো হয়েছে, তল্লাশির সময় ঘটনাস্থলে রাজ্য পুলিশের ডিজি উপস্থিত ছিলেন। তিনি নাকি ইডি আধিকারিকদের বলেন যে পঞ্চনামায় যেন কোনও কিছুর উল্লেখ না করা হয়। কেন্দ্রীয় সংস্থার তিন আধিকারিককে বলেন যে ইডি যেন দেখায় যে তল্লাশি অভিযান থেকে কিছু পাওয়া যায়নি। সেই কাজটা না করলে তাঁদের গ্রেফতার করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। যদিও বিষয়টি নিয়ে রাজ্য পুলিশ বা রাজ্য সরকারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

    এজলাসে কেন এমন অচলাবস্থা

    শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে এই মামলার শুনানি নির্ধারিত ছিল। সকাল থেকেই হাইকোর্ট চত্বরে নিরাপত্তা এবং আইনজীবীদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু শুনানি শুরুর ঠিক পূর্বমুহূর্তে এজলাসের ভেতর আইনজীবীদের একাংশ এবং সাধারণ মানুষের ভিড় এতটাই বেড়ে যায় যে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। ক্রমশ বাড়তে থাকা হট্টগোল এবং ভিড়ের চাপে আদালতের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ স্পষ্ট জানান, এমন বিশৃঙ্খল পরিবেশে আইনি শুনানি চালানো সম্ভব নয়। এরপরই তিনি আসন ছেড়ে উঠে যান। বিরোধীদের দাবি, রাজ্যের শাসকদলের তরফে পরিকল্পনা করে আদালত চত্বরে এই বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়েছিল। এর ফলে নথিগুলি আরও কিছুদিন নিজের কাছে রাখার সুযোগ পেলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের শাসকদল।

  • I Pac Raid: “এত ভয় কীসের, কী লুকোতে চাইছেন?” লালুর উদাহরণ টেনে মমতাকে কটাক্ষ রবিশঙ্করের

    I Pac Raid: “এত ভয় কীসের, কী লুকোতে চাইছেন?” লালুর উদাহরণ টেনে মমতাকে কটাক্ষ রবিশঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় আইপ্যাকের দফতর (Kolkata I pac Office) ও সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের (Ipac Prateek Jain) বাড়িতে ইডি অভিযানের (ED Raid at Ipac Office) ঘটনার আঁচ পড়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) সরাসরি নিশানা করল বিজেপি (BJP)। কেন্দ্রীয় তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে মমতার সঙ্গে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) তুলনা টানলেন দলের শীর্ষ নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ (Ravi Shankar Prasad)।

    পশ্চিমবঙ্গে যা ঘটেছে, তা নজিরবিহীন

    বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের প্রশ্ন, “যদি কয়লা পাচার মামলার (Coal Smuggle Case) তদন্তে ইডি অভিযান হয়ে থাকে, তাহলে মুখ্যমন্ত্রী এতটা আতঙ্কিত কেন? তিনি কি রাজ্যে কোনও সঠিক তদন্ত হতে দেবেন না?” তাঁর দাবি, বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে যা ঘটেছে, তা নজিরবিহীন। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এমন দৃশ্য আগে দেখা যায়নি। রবিশঙ্করের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর আচরণ অনৈতিক, বেআইনি এবং অসাংবিধানিক। তাঁর মতে, এ ধরনের কাজ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। এই প্রসঙ্গেই তিনি লালু প্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) উদাহরণ টানেন। বলেন, “বিহারে লালু প্রসাদের বাড়িতে তল্লাশি হয়েছিল, পরে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়। কিন্তু তিনি বা তাঁর স্ত্রী কখনও তদন্ত চলাকালীন সিবিআই অফিসে (CBI) ঢুকে পড়েননি।” বিজেপির অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপের প্রবণতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে নতুন নয়। দীর্ঘদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং টানা ১৪ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরেও তিনি কীভাবে এমন আচরণ করতে পারেন, সেই প্রশ্নও তোলেন রবিশঙ্কর প্রসাদ।

    অরাজক শাসনের জবাব মানুষ দেবে

    ভারতীয় জনতা পার্টির জাতীয় মুখপাত্র ও লোকসভা সাংসদ সম্বিত পাত্র পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, দুর্নীতি ও হাওয়ালা সংক্রান্ত একটি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং হস্তক্ষেপ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ইডি যখন রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাক (IPAC)-এর দফতরে অভিযান চালাচ্ছিল, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ নথি, ল্যাপটপ ও পেন ড্রাইভ সরিয়ে নেন। তাঁর দাবি, এর ফলে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে। বিজেপি মুখপাত্রের মতে, ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও কর্মরত মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি ইডির চলমান অভিযানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হলেন। তিনি ঘটনাটিকে “চরম লজ্জাজনক ও উদ্বেগজনক” বলে বর্ণনা করেন। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রীর এই আচরণ থেকে স্পষ্ট যে তাঁর “লুকোনোর মতো অনেক কিছু রয়েছে”। ঘটনার নাটকীয়তা প্রসঙ্গে পাত্র বলেন, “হয়তো হিন্দি সিনেমাতেও এমন দৃশ্য দেখা যায় না।” পাত্র আরও দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ “মাফিয়া-ধাঁচের শাসন” মেনে নেবে না এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “অরাজক শাসনের” জবাব গণতান্ত্রিক পথেই দেওয়া হবে।

  • I-PAC: অবৈধ কয়লা খনন  ও আর্থিক দুর্নীতি মামলার সূত্র ধরে কীভাবে ইডির নজরে আই-প্যাক?

    I-PAC: অবৈধ কয়লা খনন ও আর্থিক দুর্নীতি মামলার সূত্র ধরে কীভাবে ইডির নজরে আই-প্যাক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা ও দিল্লিতে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) যে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে, তা নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে। এই অভিযানের কেন্দ্রে নাম উঠে এসেছে রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (I-PAC) এবং সংস্থার অন্যতম কর্ণধার প্রতীক জৈনের নাম।

    ইডির বক্তব্য

    ইডি তাদের একটি প্রেস রিলিজে পরিষ্কার জানিয়েছে, এই তল্লাশি কোনও রাজনৈতিক কারণে নয়, বরং অবৈধ কয়লা খনন ও অর্থপাচার (Coal Mining Corruption Cases) সংক্রান্ত একটি দীর্ঘমেয়াদি তদন্তের অংশ হিসেবেই চালানো হয়েছে। মামলাটি আর্থিক দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন (PMLA) অনুযায়ী তদন্ত চলছিল। সকাল থেকেই শুরু হওয়া এই অভিযানে কলকাতা ও দিল্লির একাধিক স্থানে একযোগে তল্লাশি চালানো হয়। আই প্যাক (I-PAC) এর অফিস, প্রতীক জৈনের বাসভবন – সব মিলিয়ে প্রায় ন’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে ইডির এই অভিযান।

    অবৈধ কয়লা খননের সূত্রপাত (Coal Mining Corruption Cases)

    এই মামলার সূত্রপাত হয় কয়েক বছর আগে পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান জেলা এবং তার সংলগ্ন এলাকায়। অভিযোগ, ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (Coal Mining Corruption Cases)-এর খনন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে কয়লা উত্তোলন ও চোরাচালান চলছিল। এই চক্রে রেলওয়ে, সিআইএসএফ-সহ বিভিন্ন দফতরের কিছু অসাধু কর্মীর যোগসাজশ ছিল। অবৈধভাবে উত্তোলিত কয়লা পরে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কারখানায় বিক্রি করার চক্র চলত। হিসেব অনুযায়ী, প্রায় ২,৭৪২ কোটি টাকার কয়লা এভাবে পাচার হয়েছে বলে অনুমান।

    এই সিন্ডিকেটের মূল মাথা হিসেবে একাধিকবার উঠে আসে অনুপ মজির নাম। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে ২০০০ সাল থেকে একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ২০২০ সালে সিবিআই এই মামলায় হস্তক্ষেপ করে এবং তদন্ত আরও জোরদার হয়।

    অর্থপাচারের পথে আই প্যাক (I-PAC)-এর নাম

    তদন্ত যত এগোয়, ততই সামনে আসে অর্থপাচারের জটিল নেটওয়ার্ক। ইডির দাবি, অবৈধ কয়লা বিক্রির টাকা বিভিন্ন হাওলা অপারেটরের মাধ্যমে ঘুরে বেড়িয়েছে এবং সেই লেনদেনের একটি বড় অংশ আই প্যাক (I-PAC)-এর কাছেও আসে। এই অবৈধ আর্থিক লেনদেনের কারণেই ইডির নজরে আসে। ইডির দাবি, এই অর্থ কীভাবে, কোন পরিষেবার বিনিময়ে এবং কোন চুক্তির আওতায়  প্রতীক জৈনের কাছে এসেছে – তা যাচাই করতেই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

    ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী, রাজনৈতিক বিতর্ক

    তল্লাশি চলাকালীন পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নেয়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং নিজেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এবং তিনি প্রকাশ্যে এই অভিযানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেন। সেই সঙ্গে অভিযোগ করেন, “কেন্দ্রীয় সংস্থা রাজ্যের শাসক দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য ও নির্বাচনী কৌশল সংক্রান্ত নথি বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা করছে। প্রতীক জৈন রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি ও নির্বাচনী কৌশল সংক্রান্ত কাজ দেখতেন, ফলে ইডির তল্লাশি আসলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসারই প্রতিফলন।”

    ইডির পাল্টা অবস্থান

    ইডি অবশ্য এই অভিযোগ মানতে নারাজ।  স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তদন্ত সম্পূর্ণ আইনসম্মত ও প্রমাণনির্ভর। কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হচ্ছে না। তল্লাশির সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল তথ্য সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, যা তদন্তে বাধা সৃষ্টি করেছে। এই বিষয়টি নিয়ে তারা আদালতের দ্বারস্থও হয়েছে।

    রাজনীতি ও তদন্ত – দুটোর মাঝখানে  আই প্যাক

    অবৈধ কয়লা খনন ও অর্থপাচার মামলার (Coal Mining Corruption Cases) তদন্ত থেকে শুরু হয়ে এই ঘটনা এখন স্পষ্টভাবেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছে। একদিকে কেন্দ্রীয় সংস্থার আর্থিক তদন্ত, অন্যদিকে রাজ্য সরকারের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া-সব মিলিয়ে  আই প্যাক-এর নাম জড়িয়ে পড়ায় এই মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। আগামী দিনে তদন্ত কোন দিকে এগোয় এবং এই অর্থনৈতিক লেনদেনের প্রকৃত ছবি কতটা স্পষ্ট হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

  • I PAC ED RAID: ‘ক্ষমতার বলে নথি ছিনিয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী’, আই প্যাক দফতরে মমতার অভিযান নিয়ে হাইকোর্টে ইডি

    I PAC ED RAID: ‘ক্ষমতার বলে নথি ছিনিয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী’, আই প্যাক দফতরে মমতার অভিযান নিয়ে হাইকোর্টে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আই প্যাকের অফিসে সরকারি ফাইল কেন? ইডির (I PAC ED RAID) হাত থেকে কী আড়াল করতে আই প্যাকের অফিসে ছুটে গেলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান? কীসের ভয়? সবুজ ফাইলে কী ছিল? বাংলা তথা সারা দেশের রাজনীতিতে বৃহস্পতিবার এমনই প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে দিল্লি থেকে কলকাতা। আই প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের ৭ নম্বর লাউড্রন স্ট্রিটের বাড়ি ও গোদরেজ ওয়াটার সাইডের অফিসে এদিন তল্লাশ চালায় ইডি। আর তল্লাশির মাঝেই সেখানে ঢুকে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অফিস থেকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন। বাংলার বেনজির এই ঘটনা আজ গোটা দেশের নজর কেড়ে নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, তাঁদের দলের স্ট্র্যাটেজি, ফাইল, হার্ড ডিস্ক, প্রার্থী তালিকা হাতানোর চক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু ইডির দাবি এই তল্লাশির সঙ্গে নির্বাচনের কোনও যোগ নেই। কেন তল্লাশি, কোন মামলায় তল্লাশি, সবটাই পরিস্কার করা হল ইডির তরফে।

    আদালতে ইডি

    ইডির অভিযোগ, সাংবিধানিক পদের অপব্যবহার করে তল্লাশির মধ্যেই নথি ছিনতাই করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আই প্যাক দফতরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযান নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। মামলা দায়ের করতে চেয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা। অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা। আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী এদিন বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে আদালতের হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন৷ ইডির অভিযোগ, তল্লাশি ও তদন্ত চলাকালীন বাধা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি একজন সাংবিধানিক পদের অধিকারী হয়ে আইন লঙ্ঘন করেছেন৷ পাশাপাশি রাজ্যের পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল৷ ইডি কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত করছে৷ এ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা তল্লাশি চালানো হচ্ছে৷ পুলিশের উচিত ইডির তদন্তে সহযোগিতা করা৷ কিন্তু পুলিশ এখানে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় ছিল৷

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের জবাব

    বৃহস্পতিবার সকালে কয়লা পাচার মামলায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পরামর্শদাতা সংস্থা আই প্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে এবং সংস্থার সল্টলেক দফতরে ইডি’র তল্লাশি চালায়৷ এই দু’টি জায়গায় তল্লাশির সময় পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বেশ কিছু ফাইল, হার্ডডিস্ক ও ল্যাপটপ হাতে বেরিয়ে আসেন তিনি। মমতার অভিযোগ, ইডি তৃণমূলের আইটি সেলের হেড অফিসে তল্লাশি চালিয়েছে৷ দলের প্রার্থিতালিকা ও রণকৌশল হাতিয়ে নিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷ এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের জবাব দেয় ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থা তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসার আগে পর্যন্ত তল্লাশি প্রক্রিয়া অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ছিল। তল্লাশির মাঝেই বিশাল সংখ্যক পুলিশ নিয়ে ঢুকে পড়েন মমতা। প্রতীকের বাড়ি থেকে বেশ কিছু মূল নথি, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ক্ষমতার বলে নিয়ে নেন বলে ইডির দাবি। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে যায়। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর সহকারি, রাজ্য পুলিশ জোর করে নথি, কাগজপত্র, ডিভাইস হাতিয়ে নিয়ে চলে যান বলে ইডির দাবি। ইডির বক্তব্য, কয়লা দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে। এটা আর্থিক দুর্নীতি মামলায় স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ভোটের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। কোনও রাজনৈতিক কার্যালয়ে তল্লাশি করা হয়নি।

    অসাংবিধানিকভাবে ফাইল কেড়ে নেন মমতা

    বিবৃতি প্রকাশ করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট জানিয়েছে, তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই এ দিন তল্লাশি চালানো হয়েছিল। কোনও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বা ভোটের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। প্রসঙ্গত, কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের ছয়টি জায়গায় এবং দিল্লির চারটি জায়গায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অভিযান চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের একাধিক দল। বাংলার মধ্যে দুটি হল প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিস। সেখানেই বেনজিরভাবে ঢুকে পড়েন মমতা। সেখানে সাংবিধানিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে অসাংবিধানিকভাবে ফাইল কেড়ে নিয়ে এসেছেন। সূত্রের খবর, পদক্ষেপের রাস্তা খোলা রাখছে ইডি। সক্রিয়ভাবে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী কিংবা তাঁর সঙ্গে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে ইডি।

    তল্লাশি অভিযান তথ্যপ্রমাণভিত্তিক

    ইডি সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘‘ইডির সদর দফতরের ইউনিট আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে বেআইনি কয়লা পাচার মামলায় ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে। অনুপ মাজি কয়লা পাচারের সিন্ডিকেট চালাতেন এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে চুরি করে বেআইনি ভাবে কয়লা বাইরে পাঠাতেন। শান্তিপূর্ণ ভাবেই তল্লাশি অভিযান চলছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রশাসনের আধিকারিক এবং পুলিশ কর্তাদের নিয়ে সেখানে চলে আসেন এবং জোর করে নথি, ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ নিয়ে চলে যান।’’ ইডি আরও জানিয়েছে, তাদের তল্লাশি অভিযান তথ্যপ্রমাণভিত্তিক এবং কোনও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে এর মাধ্যমে নিশানা করা হয়নি। কোনও পার্টি অফিসে তল্লাশি চালানো হয়নি। এই তল্লাশির সঙ্গে কোনও নির্বাচনের সম্পর্ক নেই। সাধারণ আর্থিক তছরুপ মামলার বিরুদ্ধে এই অভিযান ছিল। আইন মেনে তল্লাশি‌ চলছে।

    অস্বস্তিতে মুখ্যমন্ত্রী!

    মমতা বিকেল ৪টে ২২ মিনিট নাগাদ সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতর থেকে বেরিয়ে যান। তার কিছু ক্ষণ আগেই প্রতীক দফতরে ঢুকেছিলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলে মমতা বেরিয়ে যান। মমতার গাড়িতে একাধিক ফাইল, নথি তোলা হয়। প্রায় চার ঘণ্টার বেশি সময় আইপ্যাক দফতরে ছিলেন মমতা। বিকেল ৩টের পর প্রতীকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল ইডি। আই প্যাক দফতরে ইডি হানার প্রতিবাদে শহর জুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কিন্তু বিরোধীদের প্রশ্ন, দলের গোপন নথি বেসরকারি কনসালট্যান্টের কাছে কীভাবে থাকে? ফাইলে কী রয়েছে? তার কোনও প্রামাণ্য নথি এখনও সামনে না এলেও, রাজনীতিতে ধারণাই সব। সেই ধারণা থেকেই বলা যায়, ফাইলে এমন কোনও তথ্য আছে, যা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে খুব একটা স্বস্তির নয়।

     

     

  • Suvendu Adhikari: ‘‘আগামী সপ্তাহে তৃণমূলের আরও একটি চুরি ফাঁস করব’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘আগামী সপ্তাহে তৃণমূলের আরও একটি চুরি ফাঁস করব’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনায্য ভাবে আই-প্যাককে ১২০ কোটি টাকার টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া হয়েছে (IPAC)। এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজ্য সরকারি তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা ওয়েবল জড়িত রয়েছে বলে দাবি, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট লুঠের প্রতিবাদে বুধবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। সেই মঞ্চে দাঁড়িয়ে এদিন বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-বিরোধী জোটের নেতৃত্বকে এদিন আক্রমণ করেন শুভেন্দু। তাঁর তোপ, ‘সব দুর্নীতিপরায়ণ নেতারা এক হয়েছেন।’ এ কথা বলেই শুভেন্দু আই-প্যাকের টেন্ডার পাওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘ভোট লুঠ করতে ব্যালটও খেয়ে ফেলেছে তৃণমূল। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতে ত্রিস্তরীয় লুঠ করেছে তৃণমূল। আগামী সপ্তাহে তৃণমূলের আরও একটি চুরি ফাঁস করব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নিজে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত সেই তথ্য ফাঁস করব।’ এদিন সভা মঞ্চে শুভেন্দুর পাশে ছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। 

    আরও পড়ুন: গ্রামীণ ভারতীয় মহিলার মতো সাজতে প্রশিক্ষণ নেন সীমা! দাবি গোয়েন্দাদের

    তথ্য-প্রমাণ পেশের দাবি

    গত সোমবার বিধানসভা ভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেছিলেন, তিন দিনের মধ্যে তিনি সিবিআই ও ইডি দফতরে যাবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কীভাবে চিটফান্ড কাণ্ডে জড়িত ছিলেন তা নিয়ে তথ্য ও প্রমাণ কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দেবেন। গত লোকসভা ভোটের পর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার কৌশল নির্ধারণের দায়িত্ব নিয়েছিল আইপ্যাক। এই সংস্থার অন্যতম মুখ হলেন প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishore)। তবে প্রশান্ত দাবি করেন এই সংস্থার পরিচালনার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। আই প্যাক তৃণমূলের প্রচারের দায়িত্ব নেওয়ার পরই বাংলার বিরোধীরা নানান সমালোচনা করেছিল। কেউ কেউ বলেছিল, আইপ্যাককে তৃণমূল চারশ কোটি টাকা দিয়েছে। তবে সেই সব দাবির সমর্থনে কেউ তথ্য বা প্রমাণ দিতে পারেনি। শুভেন্দু অবশ্য এদিন দাবি করেছেন, তাঁর কাছে এই দুর্নীতি সংক্রান্ত কাগজপত্র রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share