Tag: IAS

IAS

  • Bharuch Jama Masjid: ভরুচের জামা মসজিদের ভোঁয়রায় প্রাচীন হিন্দু ও জৈন মূর্তি! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আরও জোড়াল হচ্ছে হিন্দুপক্ষের দাবি

    Bharuch Jama Masjid: ভরুচের জামা মসজিদের ভোঁয়রায় প্রাচীন হিন্দু ও জৈন মূর্তি! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আরও জোড়াল হচ্ছে হিন্দুপক্ষের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের ভরুচের (Bharuch Jama Masjid) ঐতিহাসিক এবং বিতর্কিত জামা মসজিদের ভূগর্ভস্থ কক্ষে বা ভোঁয়রায় প্রাচীন হিন্দু ও জৈন দেবদেবীর মূর্তি (Ancient Hindu Jain Idols) থাকার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির পাশাপাশি ধর্মীয় মহলেও নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

    ইতিহাসকে কখনও মুছে ফেলা যায় না (Bharuch Jama Masjid)

    ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, মসজিদের মাটির তলার একটি গোপন কক্ষে ভগবান গণেশ, হনুমান এবং জৈন তীর্থঙ্কর মল্লিনাথের প্রাচীন ও খণ্ডিত মূর্তি রয়েছে। বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ওপিইন্ডিয়ার সঙ্গে আলাপকালে ভরুচের (Bharuch Jama Masjid)  বিশিষ্ট সন্ত স্বামী মুক্তানন্দ এই ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, “ভিডিওটি সম্পূর্ণ সত্য, এবং এটি হিন্দু সাধু-সন্তদের দীর্ঘদিনের দাবির পক্ষেই জোরালো প্রমাণ দেয়। ইতিহাসকে (Ancient Hindu Jain Idols) কখনও মুছে ফেলা যায় না এবং আজ সত্য সবার সামনে উন্মোচিত হয়েছে।” উল্লেখ্য, ভরুচের এই জামা মসজিদটি প্রাচীন হিন্দু ও জৈন মন্দির ভেঙে তৈরি করা হয়েছিল বলে দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ও সাধু সমাজ। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই ওপিইন্ডিয়া এই দাবির সপক্ষে ঐতিহাসিক তথ্য-প্রমাণ ও নথি সহ একটি বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।

    নিয়ম বহির্ভূত সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ হোক

    স্বামী মুক্তানন্দের অভিযোগ, জামা মসজিদটি ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ASI)-এর সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ হওয়া সত্ত্বেও সেখানে বেশ কিছু নিয়মের লঙ্ঘন করা হচ্ছিল। তাঁদের দাবি, পুরাতত্ত্ব বিভাগের নিয়ম মেনেই এই ঐতিহাসিক কাঠামোর (Bharuch Jama Masjid) রক্ষণাবেক্ষণ করা হোক এবং নিয়ম বহির্ভূত সমস্ত কাজকর্ম অবিলম্বে বন্ধ করা হোক। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্থানীয় প্রশাসন মসজিদ চত্বরে বেআইনিভাবে তৈরি করা একটি ‘অজু খানা’ (Wazu Khana) ভেঙে দিয়েছে এবং সমস্ত অবৈধ দখলদারিত্ব সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের প্রবেশ রুখতে ভূগর্ভস্থ ওই কক্ষে যাওয়ার একটি প্রবেশদ্বারও সিল করে দিয়েছে প্রশাসন। পুরাতত্ত্ব বিভাগ এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করলেও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা (Ancient Hindu Jain Idols) শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনও মন্তব্য করতে চায়নি প্রশাসনের তরফ থেকে।

  • Keralam: কেরল সরকারের শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে জাল আইএএস পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ ভিএইচপির

    Keralam: কেরল সরকারের শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে জাল আইএএস পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ ভিএইচপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল (Keralam) রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষকর্তার বিরুদ্ধে ভুয়ো আইএএস (IAS) পরিচয় ধারণ এবং জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। কেরল রাজ্য জনশিক্ষা অধিকর্তা (Director of Public Instruction – DPI) আসিফ কে ইউসুফের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনে অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছে এই সংগঠন। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল রাজ্য রাজনীতিতে।

    নন-ক্রিমি লেয়ার সার্টিফিকেট (Keralam)

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেরল রাজ্য নেতৃত্ব এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, আসিফ কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়োগ সংক্রান্ত বিধি লঙ্ঘন করে, এবং ভুয়ো নথির সাহায্যে নিজেকে আইএএস পরিচয় দিয়েছেন। সংগঠনের পক্ষ (Keralam) থেকে আরও অভিযোগ, এর আগেও ইউসুফের ওবিসি (OBC) নন-ক্রিমি লেয়ার সার্টিফিকেট নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। সেখানে তিনি নিজের পারিবারিক আয় গোপন করে কেন্দ্রীয় লোকসেবা আয়োগের (UPSC) সুবিধা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাই এই ধরনের একজন ব্যক্তিকে কেন সরকারি পদে রাখা হবে?

    প্রশাসন কতটা স্বচ্ছ?

    ভিএইচপি (VHP) নেতৃত্ব কেরল সরকারের সমালোচনা করে আরও জানিয়েছে, এই ধরনের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল পদে একজন বিতর্কিত এবং জালিয়াতিতে অভিযুক্ত আধিকারিককে বসিয়ে রাখা রাজ্যের প্রশাসনিক স্বচ্ছতাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়। সংগঠনের হুঁশিয়ারি, যদি রাজ্য সরকার অবিলম্বে ওই কর্তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ এবং তাঁকে পদ থেকে অপসারণ না করে, তাহলে তারা রাজ্যজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেরালার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে কেরল (Keralam) রাজ্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেরলে বাম শাসনের পতন ঘটিয়ে কংগ্রেস-ইউডিএফ জোট সরকার গড়েছে। রাজ্যে মুসলিম লীগের দল ক্ষমতায় আসতেই হিন্দুদের নানা ধর্মীয় আচার নিয়ে উসকানিমূলক কাজকর্ম শুরু হয়েছে বলেও দাবি ভিএইপির।

  • West Bengal Election 2026: রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনে ফের বড় রদবদল করল কমিশন, সরানো হল ৫ ডিআইজি, ১১ ডিএমকেও

    West Bengal Election 2026: রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনে ফের বড় রদবদল করল কমিশন, সরানো হল ৫ ডিআইজি, ১১ ডিএমকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) ঢাকে কাঠি পড়ার পরেই শুরু হয়েছে পুলিশ-প্রশাসনে রদবদল। আগেই সরানো হয়েছিল মুখ্যসচিব, ডিজি এবং সিপিকে। এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সরিয়ে দিল ১১ জেলাশাসক, এক পুক-কমিশনার, পাঁচ জায়গার ডিআইজিকে। সরানো হয়েছে কলকাতার দুই ডিইওকে-ও। নয়া নির্দেশিকায় সরানো হয়েছে রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ এবং জলপাইগুড়ির ডিআইজিকে। বুধবার কমিশনের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে এই রদবদলের কথা। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের মতে, ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ হয়, সেই জন্যই এই পদক্ষেপ জরুরি।

    প্রশাসনে রদবদল (West Bengal Election 2026)

    রায়গঞ্জের ডিআইজি পদে বসানো হয়েছে রথোদ অমিতকুমার ভারতকে। মুর্শিদাবাদ অঞ্চলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অজিত সিং যাদবকে। বর্ধমানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শ্রীহরি পাণ্ডেকে। প্রেসিডেন্সি অঞ্চলে বসানো হয়েছে কঙ্কর প্রসাদ বারুইকে। জলপাইগুড়ির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অঞ্জলি সিংকে। কমিশনের নির্দেশ, এই বদলি অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে এবং তা বাস্তবায়নের রিপোর্টও জমা দিতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যাঁদের এই বদলির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন তাঁদের কোনওভাবেই ভোট সংক্রান্ত দায়িত্বে নিয়োগ করা যাবে না।

    সরানো হল একঝাঁক জেলাশাসককেও

    এদিকে, এদিনই একঝাঁক জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে অপসারণ করল নির্বাচন কমিশন। সরানো হয়েছে কলকাতার দুই ডিইওকে-ও। এই মর্মে নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে কমিশনের তরফে। এই নির্দেশিকা জারির ঘণ্টাখানেক আগেই একটি নির্দেশিকা জারি করে রাজ্যের পাঁচ ডিআইজিকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। নয়া নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, রাজ্যের ১১ জেলায় নয়া জেলাশাসক নিয়োগ করার বিষয়। এই তালিকায় রয়েছেন কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, দুই ২৪ পরগনা, দার্জিলিং এবং আলিপুরদুয়ার। এঁরা সবাই সংশ্লিষ্ট জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের দায়িত্বে ছিলেন। কমিশনের নির্দেশের প্রেক্ষিতে কোচবিহারের নয়া জেলাশাসক হয়েছেন জিতেন যাদব। জলপাইগুড়িতে এই পদে বসানো হয়েছে সন্দীপ ঘোষকে।

    প্রশাসনে বদল উত্তরেও

    উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক হয়েছেন বিবেক কুমার (West Bengal Election 2026)। মালদায় ওই পদে বসানো হয়েছে রাজনবীর সিং কপূরকে। মুর্শিদাবাদের নয়া জেলাশাসক পদে বসানো হয়েছে আর অর্জুনকে। নদিয়ার নয়া জেলাশাসক হয়েছেন শ্রীকান্ত পাল্লি, পূর্ব বর্ধমানে ওই পদে বসানো হয়েছে শ্বেতা আগরওয়ালকে, উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক হয়েছেন শিল্পা গৌরিসারিয়া। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক পদে বসানো হয়েছে অভিষেক কুমার তিওয়ারিকে, দার্জিলিংয়ের নয়া জেলাশাসক হয়েছেন হরিচন্দ্র পানিকর, আলিপুরদুয়ারে ওই পদে বসানো হয়েছে টি বালাসুব্রহ্মণ্যমকে (Election Commission)।

    সরানো হল কলকাতার দুই ডিইওকে

    বদলে দেওয়া হয়েছে কলকাতার দুই নির্বাচনী আধিকারিককেও। দিন কয়েক আগেই উত্তর কলকাতার ডিইও পদে বসানো হয়েছিল পুরসভার কমিশনারকে। নয়া নির্দেশিকায় ডিইও পদে বসানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসককে (West Bengal Election 2026)। প্রসঙ্গত, কলকাতার ক্ষেত্রে নিয়মটা অবশ্য আলাদা। কলকাতায় জেলাশাসক না থাকায় কোনও দফতরের আইএএস পদমর্যাদার আধিকারিককে ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, এবার থেকে উত্তর কলকাতার ডিইও হবেন তিনিই, যিনি পুরসভার কমিশনার থাকবেন। বুধবার পুর কমিশনার সুমিত গুপ্তের জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্মিতা পাণ্ডেকে। আর দক্ষিণ কলকাতার নয়া ডিইও হয়েছেন রণধীর কুমার।

    কমিশনের বক্তব্য

    কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, অবিলম্বে এই নির্দেশিকা কার্যকর করা হবে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টের মধ্যে এই আধিকারিকদের কাজে যোগদানের সম্মতিসূচক রিপোর্ট পাঠাতে বলেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যেসব আধিকারিককে পদ থেকে সরানো হয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের নিয়োগ করা যাবে না ভোট সংক্রান্ত কোনও পদে (West Bengal Election 2026)। প্রসঙ্গত, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে রাজ্যের নয়া মুখ্যসচিব পদে বসানো হয়েছে দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে। ১৯৯৩ ব্যাচের আইএএস দুষ্মন্ত। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব পদে বসানো হয়েছে সঙ্ঘমিত্রা ঘোষকে। তিনি ছিলেন হোম ও হিল অ্যাফেয়ার্সের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি। ১৯৯৭ ব্যাচের আইএএস তিনি। আগে স্বরাষ্ট্রসচিব পদে ছিলেন জগদীশ প্রসাদ মিনা। তাঁকে সরিয়েই বসানো হয়েছে সঙ্ঘমিত্রাকে।

    জ্ঞানেশকে চিঠি মমতার

    উল্লেখ্য যে, সোমবার রাতেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাঠানো চিঠিতে রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, এক তরফা রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক অফিসার ও পুলিশ কর্তাদের না বদলাতে। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন যে জ্ঞানেশ কানে তোলেননি, তার প্রমাণ মিলল ওই চিঠি পাওয়ার পরপরই নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দেয় (Election Commission) পুলিশ-প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ আধিকারিককে (West Bengal Election 2026)।

  • ECI: তিন ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষকের বদলির নির্দেশ প্রত্যাহার করতে রাজ্যকে নির্দেশ কমিশনের

    ECI: তিন ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষকের বদলির নির্দেশ প্রত্যাহার করতে রাজ্যকে নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে সংঘাত তৈরি হয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) (ECI) এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মধ্যে। এসআইআর প্রক্রিয়ার মধ্যে তিনজন ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষকের (IAS Officers) বদলির নির্দেশ প্রত্যাহার করতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের সচিব সুজিত কুমার মিশ্র মুখ্যসচিবকে লেখা চিঠিতে জানান, ওই বদলির নির্দেশ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও নির্দেশ জারি করার আগে নির্বাচন কমিশনের আগাম অনুমোদন নিতে হবে।

    বদলির নির্দেশ বাতিল করতে হবে (ECI)

    সম্প্রতি রাজ্য সরকার আইএএস আধিকারিক স্মিতা পাণ্ডে, অশ্বিনী কুমার যাদব এবং রণধীর কুমারকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে দফতর বদলির নির্দেশ জারি করেছিল। চিঠিতে বলা হয়েছে, “বদলির নির্দেশগুলি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও নির্দেশ জারি করার আগে নির্বাচন কমিশনের আগাম অনুমোদন নিতে হবে।” এছাড়াও চিঠির ৪ নম্বর অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এসআইআর চলাকালীন মুখ্যসচিবকে নিশ্চিত করতে হবে যে কমিশনের পূর্বানুমোদন ছাড়া এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। চিঠিতে আরও বলা হয়, “কমিশন ২৭.১০.২০২৫ তারিখের চিঠির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ঘোষনা করেছে। ওই চিঠির ৪ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, এসআইআর চলাকালীন কমিশনের পূর্বানুমোদন ছাড়া এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিককে বদলি করা যাবে না।”

    নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য

    নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, “২৮.১১.২০২৫ তারিখের চিঠির মাধ্যমে কমিশন ডিভিশনাল কমিশনারদের সঙ্গে ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এসআইআর (IAS Officers) পরিচালনার জন্য এই আধিকারিকদের নির্বাচন কমিশনে ডিমড ডেপুটেশনে পাঠানো হয়েছে।” চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমিশনের নজরে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ০১.১২.২০২৫, ২০.০১.২০২৬ এবং ২১.০১.২০২৬ তারিখের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যথাক্রমে অশ্বিনী কুমার যাদব, আইএএস উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক, রণধীর কুমার, আইএএস উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তরের ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক, এবং স্মিতা পাণ্ডে, আইএএস পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক – এই তিন আধিকারিকের দফতর বদলির নির্দেশ জারি করেছে (ECI)।

    কমিশনের অনুমোদন ছাড়াই বদলি!

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, “এই বদলিগুলি নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমোদন ছাড়াই করা হয়েছে, যা ২৭.১০.২০২৫ তারিখের কমিশনের নির্দেশের সরাসরি লঙ্ঘন। উপরোক্ত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী এই বদলির আদেশ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও নির্দেশ জারি করার আগে কমিশনের আগাম অনুমোদন নিতে হবে। এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপের রিপোর্ট ২৮.০১.২০২৬ তারিখ বিকেল ৩টার মধ্যে কমিশনে পাঠাতে হবে।” এর আগেও নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, যখন মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন ফারাক্কা বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও এফআইআর দায়ের করেনি (IAS Officers)।

    উল্লেখ্য, গত বছর অগাস্ট মাসে নির্বাচন কমিশন বারুইপুর পূর্ব এবং ময়না বিধানসভা কেন্দ্রে ১২৭ জন ভুয়ো ভোটার নথিভুক্তির অভিযোগে চার সরকারি আধিকারিক এবং এক চুক্তিভিত্তিক কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এই চার আধিকারিকের মধ্যে ছিলেন বারুইপুর পূর্বের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী, ময়নার ইআরও বিপ্লব সরকার, বারুইপুরের সহকারী ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (এইআরও) তথাগত মণ্ডল, ময়নার এইআরও সুদীপ্ত দাস (ECI)। চুক্তিভিত্তিক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদারের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। যদিও রাজ্য সরকার সুরজিৎকে আগেই সাসপেন্ড করেছে, তবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত এফআইআর দায়ের করা হয়নি।

LinkedIn
Share