Tag: icar

icar

  • Shivraj Singh Chouhan: চিনকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম চাল উৎপাদক দেশ ভারত

    Shivraj Singh Chouhan: চিনকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম চাল উৎপাদক দেশ ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনকে পেছনে ফেলে বিশ্বের বৃহত্তম চাল উৎপাদক দেশে পরিণত হল ভারত (India)। বুধবার কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj Singh Chouhan) এ কথা জানান। তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারতে চাল উৎপাদন হয়েছে ১৫০.১৮ মিলিয়ন টন, যেখানে চিনের উৎপাদন ১৪৫.২৮ মিলিয়ন টন।”

    ভারতের অগ্রগতি (Shivraj Singh Chouhan)

    কৃষিমন্ত্রী জানান, শুধু অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণই নয়, ভারত এখন বিদেশেও রফতানি বাজারেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে চাল রফতানি করছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক কৃষি বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। এদিকে, নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ (ICAR) উদ্ভাবিত ২৫টি মাঠফসলের ১৮৪টি উন্নত জাতের আনুষ্ঠানিক আবরণ উন্মোচন করেন শিবরাজ সিং চৌহান। এই ১৮৪টি জাতের মধ্যে রয়েছে, ১২২টি শস্যজাত ফসল, ৬টি ডাল, ১৩টি তেলবীজ, ১১টি পশুখাদ্য ফসল, ৬টি আখ, ২৪টি তুলো এবং ১টি করে পাট ও তামাক (Shivraj Singh Chouhan)।

    উচ্চ ফলনশীল বীজ

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, উচ্চ ফলনশীল বীজ উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে দেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দেন, যাতে এই নতুন জাতের বীজ দ্রুত কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। মন্ত্রী জানান, এই উন্নত জাতগুলি কৃষকদের অধিক ফলন এবং উন্নত মানের ফসল উৎপাদনে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের প্রতিটি কৃষকের জমিতে যেন উন্নতমানের বীজ পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করতে হবে (Shivraj Singh Chouhan)।” শিবরাজ সিং চৌহান কৃষি বিজ্ঞানীদের ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন। তাঁর মতে, এই দু’টি ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা অর্জন করাই এখন দেশের প্রধান লক্ষ্য।

    তিনি বলেন, “উচ্চ ফলনশীল ও জলবায়ু সহনশীল বীজের উন্নয়নের মাধ্যমে ভারত এক নতুন কৃষি বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে। এই সাফল্য সম্ভব (India) হয়েছে আইসিএআরের সর্বভারতীয় সমন্বিত প্রকল্প, কেন্দ্র ও রাজ্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি বীজ সংস্থাগুলির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় (Shivraj Singh Chouhan)।”

  • SATHEE: জেইই মেইন-এর প্রস্তুতি নিচ্ছেন? পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আইআইটির সঙ্গে ‘সাথী’ চালু কেন্দ্রের

    SATHEE: জেইই মেইন-এর প্রস্তুতি নিচ্ছেন? পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আইআইটির সঙ্গে ‘সাথী’ চালু কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেইই মেইন ২০২৫ (JEE Main 2025) প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার জন্য, সাথী (SATHEE), আইআইটি কানপুর এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের মধ্যে একটি ৪৫ দিনের ক্র্যাশ কোর্স চালু করা হয়েছে। আজ, সোমবার১১ নভেম্বর থেকে তা শুরু হয়েছে। এই প্রোগ্রামটি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিকে অপ্টিমাইজ করার জন্য এবং একটি সুসংগঠিত অধ্যয়নের সুযোগ করে দেবে। আগ্রহীরা দ্রুত আবেদন করুন।

    বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দৈনিক লাইভ (SATHEE)

    সাথী (SATHEE)-তে ৪৫-দিনের ক্র্যাশ কোর্সটি বিভিন্ন শিক্ষার উপাদান সরবরাহ করবে। মূল বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দৈনিক লাইভ অনলাইন সেশন, অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের নেতৃত্বে প্রয়োজনীয় বিষয় এবং কার্যকর সমস্যা সমাধানের ক্লাস (JEE Main 2025) করানো হবে। শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ভাবে কোর্সটিতে প্রতিদিনের অনুশীলন পর্বে প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সঠিকভাবে ডিজাইন করা মক টেস্টের একটি সেটও দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের প্রকৃত পরীক্ষার শর্ত প্রতিলিপি করতে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পরীক্ষার প্রস্তুতি মূল্যায়ন করতে সাহায্য করবে।

    থাকবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-চালিত বিশ্লেষণ

    সাথী (SATHEE) ক্র্যাশ কোর্সের স্ট্যান্ডআউট বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে একটি হল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-চালিত বিশ্লেষণের ব্যবহার। জানা গিয়েছে, এই পদ্ধতিতে প্রতিটি শিক্ষার্থীদের উপর ভিত্তি করে ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া প্রদান করবে। এই বৈশিষ্ট্যটি শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করতে এবং তাদের জিজ্ঞাসার ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করে সামধান করবে। পড়ুয়াদের পড়াশোনার (JEE Main 2025) কৌশলগুলিকে সামঞ্জস্যপূর্ণ, পরিমার্জিত করে পরীক্ষায় যাওয়ার মানসিকতাকে প্রস্তুত করবে।

    আরও পড়ুনঃ সঙ্ঘের সেবিকা সমিতির ‘শাখা সঙ্গম’ অনুষ্ঠান, উপস্থিত হাজারেরও বেশি মহিলা

    বিনামূল্যে কোচিং

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক, আইআইটি কানপুরের সহযোগিতায়, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য সাথী (SATHEE) প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রকার অভিজ্ঞ শিক্ষকদের ক্লাস প্রদান করা হবে। থাকবে রেফারেন্স ভিডিও লেকচার, মক টেস্ট এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সাহায্য করার জন্য অতিরিক্ত উপকরণ। তবে সাথী (SATHEE) প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ কোনও পরীক্ষায় (JEE Main 2025) সাফল্য বা কোনও প্রতিষ্ঠানে ভর্তির নিশ্চয়তা দেয় না। জেইই (JEE), নিট (NEET), এসএসসি (SSC), আইবিপিএস (IBPS), আইসিএআর (ICAR) এবং সিইউইটি (CUET)-সহ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা sathee.iitk.ac.in ওয়েবসাইটে বা সাথী SATHEE মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটি অ্যাক্সেস করতে পারবে। আইওএস (Ios) এবং  অ্যান্ড্রয়েড (Android) উভয় ডিভাইসেই উপলব্ধ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jute: অবাক কাণ্ড, পাটের পাতা থেকেও তৈরি হচ্ছে চা! এই চা খেলে কোন কোন রোগ থেকে মুক্তি?

    Jute: অবাক কাণ্ড, পাটের পাতা থেকেও তৈরি হচ্ছে চা! এই চা খেলে কোন কোন রোগ থেকে মুক্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবি সুকুমার রায় লিখেছিলেন, নিম গাছেতে হচ্ছে শিম, কাকের বাসায় বগের ডিম। এবার সেরকমই এক অনন্য গবেষণায় সাড়া মিলেছে ভারতীয় কৃষি গবেষণাগারে। এবার পাট (Jute) গাছ থেকে হবে চা। এও কি সম্ভব! হ্যাঁ, সম্ভব। আর তাই করে দেখিয়েছে কলকাতার একটি কৃষি গবেষণাগার।

    কীভাবে হচ্ছে পাট (Jute) থেকে চা?

    পাট (Jute) শাক তো অনেক খেয়েছেন, এবার বাংলার মাটিতে পাট পাতা থেকেই তৈরি হচ্ছে চা। কলকাতার গবেষণাগারে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা আইসিএআর-নিনফেট কৃষি নিয়ে গবেষণা করে। এই সংস্থার টালিগঞ্জের গবেষণা কেন্দ্রে তৈরি হচ্ছে এই বিশেষ পানীয় অর্থাৎ পাট থেকে চা। পাটের জমি থেকে পাতা তুলে সেটাকে প্রথমে জীবাণুমুক্ত করা হয়। এরপরই বিশেষ তাপমাত্রায় সেই পাট পাতা শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। নির্দিষ্ট সময় পরে সেই শুকনো পাটপাতা গুঁড়ো করে রাখা হয় টি ব্যাগে। এই টি ব্যাগ গরম জলে দিলেই চা রেডি।

    কী বললেন আইসিএআর-নিনফেট-এর মুখ্য বিজ্ঞানী?

    আইসিএআর-নিনফেটের মুখ্য বিজ্ঞানী দেবপ্রসাদ রায় বলেন, আমাদের এই গবেষণা সংস্থা থেকে তৈরি এই চা-এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘জুট লিভ টি’। এই চায়ে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। যার ফলে ক্যান্সারজনিত রোগ এবং সুগার রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, বার্ধক্যজনিত রোগ সহ বিভিন্ন রোগ থেকে অনেকটাই নিস্তার মিলবে সাধারণ মানুষের। শান্তিপুরে কৃষক বন্ধুদের নিয়ে একটি বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করে গবেষণা সংস্থা আইসিএআর-নিনফেট। কৃষক বন্ধুদের একটি কর্মশালার মাধ্যমে কীভাবে পাট (Jute) গাছ থেকে চা হবে এবং তার ফলে কীভাবে তাঁরা বাজারে সেটিকে বিক্রয় করতে পারবেন এবং লাভের মুখ দেখবেন, তারও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। একটি বিশেষ ওষুধ যা জলের সঙ্গে মিশিয়ে পাট জাক দেওয়ার জায়গায় দিয়ে দিলে অতি দ্রুত পাট গাছ থেকে পাট সংগ্রহ করতে পারবেন চাষিরা। এই বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তবে, পাট গাছ থেকে চা হলে সেটা বাজারে বিক্রি হলে অনেকটাই লাভবান হবেন কৃষকরা। আগের মতো পাট হয়ে উঠবে অর্থকরী ফসল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share