Tag: ICC T20 World Cup

ICC T20 World Cup

  • India Bangladesh Cricket: ভারতে খেলতে না আসার জন্য বাংলাদেশকে উস্কেছিলেন নকভি! বিস্ফোরক দাবি প্রাক্তন বিসিবি কর্তার

    India Bangladesh Cricket: ভারতে খেলতে না আসার জন্য বাংলাদেশকে উস্কেছিলেন নকভি! বিস্ফোরক দাবি প্রাক্তন বিসিবি কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান মহসিন নকভির উস্কানিতেই ভারত বিরোধিতায় সরব হয়েছে বাংলাদেশ (India Bangladesh Cricket)। এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন সচিব তথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রাক্তন সিইও সৈয়দ আশরাফুল হক। রেভস্পোর্টজ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আশরাফুল জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে ভারতে খেলতে না আসার বিষয়ে উস্কেছিলেন নকভি। ক্রিকেট প্রশাসক হিসেবে আশরাফুল দাবি করেন, বিশ্ব ক্রিকেটের ভরকেন্দ্রই হল ভারত। নিজেদের উন্নতি করতে গেলে ভারত-বিরোধিতা কাম্য নয়।

    নকভির উস্কানিতে ভুল সিদ্ধান্ত

    আশরাফুল বলেন, “ক্রিকেট প্রশাসক হিসাবে আমি সততা ও দায়বদ্ধতায় বিশ্বাসী। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের বর্তমান প্রধান মহসিন নকভির কথায় বাচ্চা ছেলের মতো প্রভাবিত হয়েছিলেন আমিনুল ইসলাম। নকভিও ওঁকে বয়কটের সিদ্ধান্ত চালিয়ে যেতে বলেছিল। শেষ পর্যন্ত কী হল? দিনের শেষে কে জিতল?” তিনি বলেন, “আমি সব সময় বিশ্বাস করেছি যে, সেই সময় ক্রীড়া উপদেষ্টার কথায় সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তা ঠিক ছিল না। মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলে খেলতে দেওয়া হয়নি বলে এত বড় সিদ্ধান্তের কোনও যুক্তি নেই।

    ভারত–পাকিস্তান দ্বন্দ্বে বাংলাদেশই কি বড় ক্ষতিগ্রস্ত?

    সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন ওঠে, ভারত–পাকিস্তান দ্বন্দ্বে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না। জবাবে আশরাফুল হক বলেন, “নিশ্চয়ই। এটা দুঃখজনক এবং অপরিপক্বতার পরিচয়। তখন সরকারবিরোধী ভারতবিরোধী আবেগ ছিল প্রবল।” তিনি আরও বলেন, “ভারতের বিরুদ্ধে যাওয়ার কোনও যৌক্তিক কারণ ছিল না, শুধু এক ‘অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া’ ইস্যু ছাড়া। জগমোহন ডালমিয়ার সময় আমরা সম্মানজনক অবস্থানে ছিলাম, এখন কিছু ব্যক্তি ও সরকারের সিদ্ধান্তে আমরা হাসির পাত্র হয়ে উঠছি।”

    ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কই মূল চাবিকাঠি

    ভারতকে বিশ্ব ক্রিকেটের আর্থিক কেন্দ্র উল্লেখ করে আশরাফুল হক বলেন, “ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। না হলে আমরা পিছিয়ে পড়ব। নতুন সরকার গত তিন মাসের জটিলতা মেটাতে চেষ্টা করবে বলেই আমার বিশ্বাস।” তিনি জানান, জগমোহন ডালমিয়া-র সময় তিনি আইসিসি নির্বাচনে প্রচার ব্যবস্থাপক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং ১৯৯৬ বিশ্বকাপ আয়োজনেও সক্রিয় ছিলেন।

    টি২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানো

    আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরেও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারত সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। আইসিসির বারবার আশ্বাস সত্ত্বেও অবস্থান বদলায়নি তারা। ফলে তাদের পরিবর্তে সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড। অন্যদিকে, মুস্তাফিজুর রহমান-কে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders) ৯.২০ কোটি রুপিতে দলে নিলেও পরবর্তীতে তাকে ছাড়তে বলা হয় বলে দাবি ওঠে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে প্রতিবেশী দেশের কিছু মন্তব্যকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় পাকিস্তান একমাত্র দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থানকে সমর্থন করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তারাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে।

    ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট

    আশরাফুলের মতে, “বাংলাদেশ সরকার ঠিক সিদ্ধান্ত নেয়নি। সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ সফরে যাওয়ার কথা ভারতের। এই সিরিজ আগেও এক বার স্থগিত হয়েছে। যদি ভারত বাংলাদেশে খেলতে না যায়, তা হলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের বড় ক্ষতি হবে বলে দাবি করেছেন আশরাফুল। ভারত যদি সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে না আসে তো বাংলাদেশের ক্রিকেট ৫-১০ বছর পিছিয়ে যাবে। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব, ভারতকে রাজি করিয়ে খেলতে নিয়ে আসা। আশা করছি সেই দৃশ্যই দেখতে পাব।”

    রাজনীতি বনাম ক্রিকেট

    খেলার জগতে, শিল্পের জগতে রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটছে। তবে এটা নতুন নয়। ১৯৭৬ সালে আফ্রিকার ২২টি দেশ অলিম্পিক্স বয়কট করেছিল। ১৯৮০ সালে আমেরিকা বয়কট করেছিল মস্কো অলিম্পিক্স। ১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক্স রাশিয়া বয়কট করে। এটা চলে যে খেলা আর রাজনীতি মিলে যায়। রাজনীতিকে ক্রিকেট থেকে দূরে রাখার দাবি ওঠে মাঝেমধ্যেই। তবু রাজনীতি বার বার জড়িয়ে পড়েছে ২২ গজের লড়াইয়ের সঙ্গে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ক্রিকেট সম্পর্ক একটা সময় পর্যন্ত ছিল দাদা-ভাইয়ের মতো। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রাক্তন সভাপতি জগমোহন ডালমিয়ার উদ্যোগে ২০০০ সালে টেস্ট খেলার মর্যাদা পায় বাংলাদেশ। তার পরও বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতিতে পাশে থেকেছে বিসিসিআই। গত কয়েক দশক ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট আবহে মৈত্রী, সৌজন্যের অভাব হয়নি। ভারত এবং বাংলাদেশ, দু’দেশেই জনপ্রিয়তম খেলা ক্রিকেট। যে কোনও জয়েই আনন্দে ভাসেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। ২২ গজের একটা জয় বহু মানুষকে কষ্ট, যন্ত্রণা, অনাহার ভুলিয়ে দেয়। কয়েক ঘণ্টা মন ভাল করে দেয় তাঁদের। কিন্তু সুযোগ বুঝে বিশ্বের যে কোনও জায়গায় ভারত-বিরোধিতার জিগির তুলে দিতে ওস্তাদ পাকিস্তান। তাই বাইশগজেও ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বারবার চলে আসে পিসিবি। নিজেদের ক্রিকেটের উন্নতির কথা ভুলে ভারত-বিরোধিতাই তাদের মন্ত্র। তাতে অবশ্য ভারতের কিছুই যায় আসে না। কারণ বটবৃক্ষ হাজার ঝড় সামলেও অন্যদের ছায়া দেয়। এটাই ভারত…তা সে বাইশ গজ হোক বা বিশ্ব রাজনীতি।

  • T20 World Cup 2026: আমেদাবাদে জমজমাট ক্রিকেট! জোড়া সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার আফগানিস্তানের

    T20 World Cup 2026: আমেদাবাদে জমজমাট ক্রিকেট! জোড়া সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার আফগানিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাটকের পর নাটক। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) জোড়া সুপার ওভারে আফগানিস্তানকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা (Afghanistan vs South Africa)। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল গুরবাজদের। আমেদাবাদের মাঠে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। টান টান খেলায় শেষপর্যন্ত আফগানিস্তান ১৮৭ রানে অল আউট হয়ে যায়। ফলে খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। সেটিও টাই হয়। ফলে দ্বিতীয় সুপার ওভার হয়। সেখানে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। তীরে এসে তরী ডুবল আফগানিস্তানের।

    ভিত গড়ে দিয়েছিলেন গুরবাজ

    রান তাড়া করতে নেমে ৪২ বলে ৮৪ রান করে দলের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন গুরবাজ। কিন্তু তা কাজে এল না। নাটকের শুরু আফগানিস্তানের ইনিংসের শেষ ওভারে। ৬ বলে দরকার ছিল ১১ রান। পড়ে গিয়েছিল ৯ উইকেট। প্রথম বলেই নুর আহমেদকে আউট করেন কাগিসো রাবাডা। গোটা দক্ষিণ আফ্রিকা দল যখন জয়ের উল্লাস করছে, তখন আম্পায়ার হাতের ইশারায় দেখিয়ে দেন, নো বল করেছেন রাবাডা। ফলে জীবন পান নুর। ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা মারেন নুর। পরের বলে আরও দু’রান আসে। আরও একটি নো বল করেন রাবাডা। ফলে ৩ বলে দরকার ছিল ২ রান। চতুর্থ বলে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হন ফজলহক ফারুকি। দু’রান নেওয়া উচিত ছিল তাঁর। কিন্তু দৌড়োতে কিছুটা দেরি করেন তিনি। শেষমুহূর্তে ডাইভও দেননি। দু’বল বাকি থাকতে আফগানিস্তান আউট হওয়ায় খেলা গড়ায় সুপার ওভারে।

    হতাশ আফগানিস্তান

    আফগানিস্তানের হয়ে ব্যাট করতে নেমে আজমাতুল্লা ওমরজাই ভাল ব্যাট করেন। ৬ বলে ১৭ রান করে আফগানিস্তান। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ বলে দরকার ছিল ৭ রান। ফারুকির সেই বলে ছক্কা মেরে সুপার ওভার টাই করে দেন ট্রিস্টান স্টাবস। ফলে দ্বিতীয় সুপার ওভার হয়। সেখানে প্রথমে ব্যাট করে ২৩ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। মনে হচ্ছিল, আফগানিস্তান হেরে যাবে। কিন্তু তা-ও লড়াই ছাড়েননি গুরবাজ। চার বলে ২৪ রান করতে হত। তিন বলে তিনটি ছক্কা মারেন তিনি। কিন্তু শেষ বলে আউট হয়ে যান। কাছে এনেও দলকে জেতাতে পারলেন না তিনি। হতাশ গুরবাজ। হতাশ আফগানিস্তানের ক্রিকেট অনুরাগীরা।

    বিশ্বকাপ অভিযান প্রশ্নের মুখে

    আফগানদের জন্য এটা ছিল ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ। প্রোটিয়দের কাছে লড়াই করে হার মানল আফগানিস্তান। এর ফলে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান এখন প্রশ্নের মুখে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতে পরের রাউন্ড কার্যত নিশ্চিত। এক কথায় বলতে গেলে এই ম্যাচ অবিশ্বাস্য, অভূতপূর্ব! তবে আফগানিস্তানের জন্য ‘অপূর্ণ’। ক্রিকেট চরম অনিশ্চয়তার খেলা! একই সঙ্গে ক্রিকেট যে কতটা উত্তেজক হয়ে উঠতে পারে, তা ফের প্রমাণিত হল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এই জয়ে শুধু দুই পয়েন্ট নয়, আত্মবিশ্বাসও পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। চাপের মুহূর্তে ভেঙে না পড়ে ম্যাচ টেনে নেওয়ার মানসিক শক্তি দেখাল তারা। আফগানিস্তান হেরে গেলেও লড়াইয়ে কোনও খামতি রাখেনি। সব মিলিয়ে আমেদাবাদের দুপুর অনুরাগীদের মনে থাকবে বহুদিন। ডবল সুপার ওভারের এমন নাটক বিশ্বকাপ ইতিহাসে বিরল।

  • T20 World Cup 2026: বাংলাদেশেরও ইউ-টার্ন! বিশ্বকাপে না খেলার দায় বিসিবি, ক্রিকেটারদের উপর চাপলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

    T20 World Cup 2026: বাংলাদেশেরও ইউ-টার্ন! বিশ্বকাপে না খেলার দায় বিসিবি, ক্রিকেটারদের উপর চাপলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত সরকারের নয়, এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেটাররা এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB)। এমনই দাবি বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের। বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান খেলতে রাজি হওয়ার পরেই সুর বদলে ফেলল বাংলাদেশ। নিজেদের বক্তব্য থেকে সরে এল বাংলাদেশ সরকার। প্রথমে তারা জানিয়েছিল, ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলবে না। সেই সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয় বাংলাদেশকে। এ বার সেই দায় দেশের ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারদের উপর চাপাল সরকার।

    অবস্থান বদল বাংলাদেশের

    বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এখন দাবি করছেন যে, লিটন দাসের নেতৃত্বে বিসিবি এবং দল “জাতীয় মর্যাদা রক্ষার জন্য” তাদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ গত ২২ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, “আমরা আশা করছি, আইসিসি আমাদের শ্রীলঙ্কায় খেলার অনুমতি দেবে। আমাদের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বাংলাদেশ ভারতে খেলতে যাবে না। আমাদের চিন্তার যথেষ্ট কারণ আছে।” এই কথা থেকে স্পষ্ট যে, বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সরকার নিয়েছিল। পরে ক্রিকেট বোর্ডের কর্তা ও ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করেন নজরুল। সেই বৈঠকের পর ক্রিকেটারদের সূত্রে জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশ সরকার আগে থেকেই ঠিক করে নিয়েছিল যে, ভারতে তারা খেলতে যাবে না। ক্রিকেটারদের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়নি।

    দায় চাপল ক্রিকেটারদের উপর

    সম্প্রতি নিজের আগের কথা থেকে সম্পূর্ণ ঘুরে গিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সাংবাদিকেরা নজরুলকে প্রশ্ন করেছিলেন, বিশ্বকাপে খেলতে না পারার আক্ষেপ হচ্ছে কি? জবাবে নজরুল বলেন, “আক্ষেপের কোনও প্রশ্নই নেই। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারেরা নিয়েছিল। দেশের ক্রিকেট, সাধারণ মানুষ, দেশের সম্মান রক্ষা করার জন্য স্বার্থত্যাগ করেছে ক্রিকেটারেরা।” আইসিসি জানিয়েছে, বিশ্বকাপে না খেলায় বাংলাদেশকে কোনও শাস্তি দেওয়া হবে না। আইসিসির এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নজরুল বলেন, “আইসিসি বলেছে, বাংলাদেশকে কোনও শাস্তি দেওয়া হবে না। পাশাপাশি কয়েক বছরের মধ্যে একটা আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্বও আমাদের দেওয়া হবে। এটা আমাদের কৃতিত্ব। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ।”

  • Abhishek Sharma: বিশ্বকাপের মাঝে বড় ধাক্কা! গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি অভিষেক শর্মা

    Abhishek Sharma: বিশ্বকাপের মাঝে বড় ধাক্কা! গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি অভিষেক শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন না টিম ইন্ডিয়ার তারকা ওপেনার অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma)। পেটের সংক্রমণের কারণে দিল্লির এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি অভিষেক শর্মা। ভারতের এই তারকা ব্যাটার গত কয়েক দিন ধরেই অসুস্থ। সূত্রের খবর, আমেরিকার বিপক্ষে ভারতের ম্যাচের আগেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। ৭ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে খেলার পর তাঁর অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। জ্বর ও পেটের সংক্রমণে কাবু এই ভারতীয় ওপেনার। অসুস্থতা বাড়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ফলে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে অভিষেক শর্মার খেলার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

    পেটের সমস্যায় কাবু অভিষেক

    অসুস্থ থাকায় অভিষেকের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা আগেই তৈরি হয়েছিল। জ্বরে মাথা তুলতে পারছিলেন না। স্যালাইন পর্যন্ত দিতে হয়। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ফলে ১২ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আগামিকাল নামিবিয়ার (Namibia) বিরুদ্ধে গ্রুপ-স্টেজ ম্যাচে অভিষেককে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। নয়াদিল্লিতে অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারতের প্র্যাক্টিসে দেখা যায়নি ভারতের বাঁ-হাতি এই ওপেনারকে। সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে বলেছিলেন,‘অভি পেটের সমস্যায় পুরো ফিট নয়।’

    মাঠে নামবেন বুমরা

    সূত্রের খবর, অভিষেক শর্মার বদলে খেলানো হতে পারে ওয়াশিংটন সুন্দরকে। চোট সারিয়ে ফিট হয়ে টিমের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন তিনি। সে ক্ষেত্রে তিনি ওপেনও করতে পারেন। অন্য ওপেনার হিসেবে থাকবেন ঈশান কিষান। দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে নাম উঠে আসছে সঞ্জু স্যামসনের। অসুস্থতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি ভারতের তারকা পেসার যশপ্রীত বুমরা। তবে নামিবিয়া ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা প্রবল। এরপরই ভারত-পাকিস্তান মহারণ। তার আগে বুমরাকে খেলাতে চাইবে ভারতীয় শিবির। রবিবার বিশ্বক্রিকেটের (T20 World Cup 2026) সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ। তার আগে পুরো দল খেলিয়ে মহড়া সেরে নিতে চাইবেন গৌতম গম্ভীর, সূর্যকুমার যাদবরা। কিন্তু অভিষেকের পরিস্থিতি চিন্তা বাড়াচ্ছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের।

  • T20 World Cup 2026: ‘‘নিরাপত্তার কোনও সমস্যা নেই’’ আইসিসিতে ভোটে হার বাংলাদেশের, বিশ্বকাপ খেলতে হবে ভারতেই

    T20 World Cup 2026: ‘‘নিরাপত্তার কোনও সমস্যা নেই’’ আইসিসিতে ভোটে হার বাংলাদেশের, বিশ্বকাপ খেলতে হবে ভারতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) খেলতে হবে ভারতেই। একান্ত না চাইলে, বাদ দিয়ে দেওয়া হবে বিশ্বকাপ থেকেই। পরিবর্তে নিয়ে নেওয়া হবে টি-২০ ব়্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের নীচে থাকা দেশকে। বোর্ড সদস্যদের (ICC Board Meeting) বৈঠকে ভোটাভুটির পর ঘোষণা করে দিল আইসিসি। বুধবার, ২১ জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সে আইসিসি বোর্ড বৈঠক হয়েছে। ভারতের মাটি থেকে নিজেদের টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরাতে বলেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই বুধবারের বৈঠক বসেছিল। আইসিসির নির্দেশের পর থমথমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সদর দফতর। কর্তারা ভেবেছিলেন, বৈঠকে আশার কথা শোনাবেন। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে আইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, কোনও ভাবেই গ্রুপ বদলানো যাবে না। তারা ভারতে খেলবে কি না সেই সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবারের মধ্যে জানিয়ে দিতে বলা হয়েছে।

    বৈঠকে ছিলেন কারা

    এ দিনের ভার্চুয়াল বৈঠকে বিসিবির পক্ষে ছিলেন সভাপতি আমিনুল। ছিলেন আইসিসির সভাপতি জয় শাহ, সিইও স‌ংযোগ গুপ্ত। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব দেবজিৎ শইকীয়া, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সভাপতি শাম্মি সিলভা, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান মাইক বেয়ার্ড, জিম্বাবোয়ে ক্রিকেটের সভাপতি তাভেঙ্গা মুকুহলানি, ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের সভাপতি কিশোর শ্যালো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের চেয়ারম্যান ব্রায়ান ম্যাকনিস, ক্রিকেট নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে রবার্ট টোয়েস, ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান রিচার্ড থম্পসন, ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার মহম্মদ মুসাজি এবং ক্রিকেট আফগানিস্তানের চেয়ারম্যান মিরওয়াইজ আশরাফ যোগ দেন। বৈঠকে ছিলেন আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা, হেড অফ ইভেন্টস গৌরব সাক্সেনা এবং লিগ্যাল অফিসারেরা।

    আইসিসি-র বিবৃতি, সূচি পরিবর্তন অসম্ভব

    বুধবার সমাজমাধ্যমে আইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী হবে। কোনও পরিবর্তন করা হবে না। বিশ্বকাপের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ ভারতে দল না পাঠালে অন্য কোনও দেশকে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ দেওয়া হবে। বুধবার আইসিসির বোর্ডের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাংলাদেশের দাবি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বিশ্বকাপ শুরুর আগে সূচি বদলের বিভিন্ন সমস্যা আবার ব্যাখ্যা করা হয়। বলা হয় সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারতে গেলে বাংলাদেশ দলকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনও সমস্যায় পড়তে হবে না। বিসিবি কর্তা, বাংলাদেশের সমর্থক বা সাংবাদিকদেরও কোনও সমস্যা হবে না ভারতে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বিশ্বাসযোগ্য হুমকি নেই। তা ছাড়া এ ভাবে সূচি পরিবর্তন করলে ভবিষ্যতের জন্য খারাপ উদাহরণ তৈরি হবে। বলা হয়েছে, ‘‘আইসিসি সততা, বিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করতে, ধারাবাহিক মান বজায় রাখতে এবং বিশ্বব্যাপী খেলার সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ ভারতের ঘরোয়া প্রতিযোগিতার (আইপিএল) সঙ্গে বিশ্বকাপের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে আইসিসি।

    বাংলাদেশের বক্তব্য

    আইসিসির বক্তব্য শোনার পরেও অনড় অবস্থান বজায় রাখেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম। শেষপর্যন্ত বাংলাদেশের দাবি নিয়ে আইসিসির বোর্ডের সভায় ভোটাভুটির সিদ্ধান্ত হয়। তাতে অধিকাংশই বাংলাদেশের বিপক্ষে ভোট দেয়। ফলে ম্যাচের কেন্দ্র বদল নিয়ে বিসিবির দাবি খারিজ হয়ে যায়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, একমাত্র অলৌকিক কিছু হলেই বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বকাপ খেলা সম্ভব। বৈঠকে আইসিসি জানিয়েছে, এক দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে বাংলাদেশকে। আমিনুল বলেন, “আমি আইসিসিকে বলেছিলাম, দেশের সরকারের সঙ্গে কথা বলার জন্য একটা শেষ সুযোগ দিন। ওরা আমার অনুরোধ রেখেছে।” আমিনুল বলেন, “মুস্তাফিজ়ুরকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর থেকে আমারই মনে হচ্ছে ভারতে খেলা আমাদের জন্য নিরাপদ নয়। সেটাই আইসিসির বৈঠকে বলেছি।” আমিনুল জানিয়েছেন, সরকাকে কোনও রকম চাপ দিতে চান না তাঁরা। তিনি বলেন, “সরকার তো চায় আমরা খেলি। কে বিশ্বকাপ খেলতে চায় না? কিন্তু এই মুহূর্তে ভারতে খেলা নিরাপদ নয়। আমরা শ্রীলঙ্কায় খেলতে চাই। এই দাবি থেকে আমরা সরিনি।”

LinkedIn
Share