Tag: ICC

ICC

  • ICC: অধিকৃত কাশ্মীরে যাবে না চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, পাক বোর্ডের পরিকল্পনা বাতিল করে জানাল আইসিসি

    ICC: অধিকৃত কাশ্মীরে যাবে না চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, পাক বোর্ডের পরিকল্পনা বাতিল করে জানাল আইসিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের তিনটি শহরে যাবে না চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পরিকল্পনা বাতিল করে এমনটাই জানাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি (ICC)। প্রসঙ্গত, পিসিবির পরিকল্পনা ছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে যাওয়ার। তবে সেই পরিকল্পনাতে জল ঢেলে দিল আইসিসি। আগামীকাল ১৬ নভেম্বর থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে ঘুরবে এই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। সে দেশের স্কার্দু, মুরি, মুজফফরবাদ- এই তিন শহরেরই অবস্থান হল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। পিসিবি পরিকল্পনা করেছিল এই শহরগুলিতেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC) নিয়ে যাওয়ার। একইসঙ্গে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম পর্বতশৃঙ্গ গডউইন অস্টিন বা  K2.  সেখানেও নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিটি (Champions Trophy)। তবে সেই পরিকল্পনাও বাতিল করল আইসিসি। আইসিসির তরফে সাফ জানানো হয়েছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে যাবে না ট্রফি।

    ঘন কুয়াশার কারণে আরও তিন শহরে যাবে না ট্রফি

    জানা যাচ্ছে, ইসলামাবাদে ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছে এই ট্রফি (ICC)। একই সঙ্গে লাহোর, করাচি ও রাওয়ালপিন্ডিতেও ট্রফি নিয়ে যাওয়া হবে না বলে জানিয়েছে আইসিসি। কারণ সেখানকার ঘন কুয়াশা। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ নাগাদ পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) হওয়ার কথা রয়েছে। সে কারণেই সে দেশের বিভিন্ন শহরের ট্রফি ট্যুরের আয়োজন করেছিল পিসিবি। তবে পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হবেই, একথা নিশ্চিতভাবে এখনই বলা যাচ্ছে না।

    পাকিস্তানে গিয়ে খেলতে রাজি নয় ভারত

    পাকিস্তানে গিয়ে ভারত চ্যাম্পিয়ন্স (ICC) ট্রফি খেলতে রাজি নয়। মোট আটটি দল খেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। তবে সমস্যা দেখা দিয়েছে ভারত ও পাকিস্তানকে নিয়ে। কারণ এই দুই দেশের রাজনৈতিক সমস্যা। প্রসঙ্গত পাকিস্তানে ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার বিষয়টিও বড় করে দেখছে বিসিসিআই। তারা মনে করছে, সে দেশের জঙ্গিরা রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের টার্গেট করতে পারে। তার কারণ পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বাসে আক্রমণের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ICC Champions Trophy 2025: ভারতের ‘না’! বিসিসিআই-কে মান্যতা, পাকিস্তানে বাতিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অনুষ্ঠান

    ICC Champions Trophy 2025: ভারতের ‘না’! বিসিসিআই-কে মান্যতা, পাকিস্তানে বাতিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অনুষ্ঠান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে বিপাকে আইসিসি। বিসিসিআই-এর চাপে কার্যত দোদুল্যমান অবস্থা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের। বিসিসিআইয়ের (BCCI) পক্ষ থেকে আইসিসিকে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy 2025) খেলার জন্য পাকিস্তানে যাবে না ভারতীয় দল। একইসঙ্গে সূচি নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানও বাতিল করল আইসিসি। এই অনুষ্ঠানটি পাকিস্তানে হওয়ার কথা ছিল। এর ফলে ক্ষোভে ফুঁসছে পিসিবি।

    ভারতের দাবির মান্যতা

    ফেবরুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানের মাটিতে শুরু হওয়ার কথা আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025)। প্রথমে কথা ছিল, গোটা প্রতিযোগিতাই অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানের মাটিতে। সেই মতোই, সব দেশই প্রায় রাজি হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানে খেলতে যাওয়ার ব্যাপারে, ব্যতিক্রম ছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। এবার ভারতের চাপে পড়েই বড় সিদ্ধান্ত নিতে হল আইসিসিকে। যেমন কথা তেমন কাজ, আগেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড(BCCI) জানিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তানে খেলতে যাবে না তাঁরা। আইসিসি ইভেন্ট হলেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে না যাওয়ার কড়া মনোভাবে অনড় থাকে ভারতীয় দল। হাইব্রিড মডেলেই আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করতে চায়। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান দলের অন্যান্য সব ম্যাচ পাকিস্তানে হলেও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সেদেশে হবে না। এমনকি ফাইনালে টিম ইন্ডিয়া উঠলে সেই ম্যাচও পাকিস্তানে হবে না।  এর ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষুব্ধ পিসিবি। 

    আরও পড়ুন: দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানে যাবে না ভারত

    আইসিসির অনুষ্ঠান বাতিল

    এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে আইসিসির সঙ্গে যৌথভাবে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy 2025) উন্মোচনের কথা ছিল ১১ নভেম্বর। সোমবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরুর ১০০ দিন বাকি উপলক্ষ্যে লাহোরে সেই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। যদিও ভারতীয় দল সেদেশে যাব না জানিয়ে দেওয়ায়, সেই অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। যদিও পিসিবির ঘনিষ্ঠ এক আইসিসি কর্তা ভারতের জন্য এই ইভেন্ট বাতিল হয়েছে বলে মানতে নারাজ। তাঁর দাবি, লাহোরে এই মূহূর্তে আবহাওয়া ঠিক নেই। সেখানে বাতাসে বিষাক্ত ধূলিকনা রয়েছে, সেই কারণেই আপাতত ট্রফির ফ্ল্যাপ অফ সেরিমনি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Champions Trophy: দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানে যাবে না ভারত

    Champions Trophy: দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানে যাবে না ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) খেলতে আগামী বছর পাকিস্তানে যাবে না ভারত। বিসিসিআই সূত্রে খবর, ভারতীয় বোর্ডের (BCCI) তরফে নাকি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে এবং টুর্নামেন্টের সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে তাঁরা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্য়াচ খেলতে পাকিস্তানে যাবে না।

    দুবাইতে হতে পারে ম্যাচ

    পরের বছরেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy) আসর বসার কথা। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভেন্যু হিসেবে পাকিস্তানকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভারতীয় দল (Indian Cricket Team) আদৌ পড়শি দেশে খেলতে যাবে কি না, সেই নিয়ে প্রথম থেকেই সংশয় ছিল। বোর্ড সূত্রে খবর, বিসিসিআই (BCCI) দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং সেই কারণেই ভারত চায় কিছু ম্যাচ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাইতে আয়োজিত হোক। এই বিষয়ে অবগত এক সূত্র জানান, ‘হ্যাঁ, পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচ খেলা নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা বিসিসিআইয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওরা নিরপেক্ষ কোনও স্থানে ম্যাচ আয়োজনের পক্ষে। এক্ষেত্রে দুবাই ভারতীয় দলের ম্যাচগুলি আয়োজনের জন্য জোরাল দাবিদার।’

    আরও পড়ুন: আইপিএলের মেগা অকশনে ১৫৭৪ ক্রিকেটার! কোন দেশের কত জন তালিকায়?

    কবে থেকে শুরু

    ১১ নভেম্বর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy) সূচি ঘোষণা করতে পারে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা আইসিসি। ১০ থেকে ১২ নভেম্বর পাকিস্তানের লাহোরে যাওয়ার কথা আইসিসির একটি প্রতিনিধি দলের। আগামী বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। সেই প্রতিযোগিতার জন্য পাকিস্তান কতটা তৈরি তা খতিয়ে দেখতে যাবে প্রতিনিধি দল। সেই সফর চলাকালীন প্রতিযোগিতার সূচি ঘোষণা হওয়ার কথা। ইতিমধ্যেই নাকি সব দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে খসড়া সূচি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও বাকি। জানা গিয়েছে, গ্রুপ এ-তে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। ইতিপূর্বে পিসিবি-র পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোনও দেশে এই টুর্নামেন্ট হাইব্রিড মডেলে আয়োজন করা হবে না। তবে উপায় না দেখে হয়ত বা নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরতে হতে পারে পাকিস্তানকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jay Shah: বিশ্ব ক্রিকেটের শীর্ষস্থানে জয় শাহ, কীভাবে উপকৃত হবে ভারতের বাইশ গজ?

    Jay Shah: বিশ্ব ক্রিকেটের শীর্ষস্থানে জয় শাহ, কীভাবে উপকৃত হবে ভারতের বাইশ গজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসির মসনদে পা রেখেছেন জয় শাহ (Jay Shah)। তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান। বোর্ড সচিব হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেটে বড় ভূমিকা রেখেছেন জয়। এ বার আইসিসির (ICC) দায়িত্বে এসে ক্রিকেটের আরও উন্নতি করার দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। ক্রিকেট প্রশাসনের শীর্ষস্থানে এর আগেও চার ভারতীয় নিজেদের স্বাক্ষর রেখেছেন। এবার পালা জয়ের। তিনি বিশ্ব ক্রিকেটের মসনদ লাভ করায় ভারত আরও সুবিধা পাবে বলে মনে করছে ক্রিকেট মহল। তবে এখন কিন্তু শুধু ভারতীয় ক্রিকেট নয় বিশ্ব ক্রিকেটের উন্নতির কথা ভাবতে হবে তাঁকে এমনই দাবি আইসিসির অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির।

    ক্রিকেটে জয়-যাত্রা

    ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর গুজরাটে জয়ের জন্ম। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং সোনাল শাহের পুত্র তিনি। জয়ের ছোটবেলা কেটেছে গুজরাটেই। সেখানেই পড়াশোনা করেছেন। আমেদাবাদের নিরমা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিটেক করেন জয়। ২০০৯ সালে জিসিএ-র এক্সিকিউটিভ বোর্ডের সদস্য হয়েছিলেন তিনি। তারপর ২০১৩ সালে সহ-সচিব। বিসিসিআই-এর অন্দরে প্রথম পা রাখেন ২০১৫ সালে। হন ফিনান্স কমিটির সদস্য। এরপর ২০১৯-এ পান সচিবের দায়িত্ব। বর্তমানে দ্বিতীয় দফায় এই আসন সামলাচ্ছেন তিনি। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন জয়। এবার সেসব পিছনে ফেলে আইসিসি’র মসনদে বসছেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের গ্রেগ বার্কলে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে ৩০ নভেম্বরের পর আসন আর ধরে রাখতে চান না তিনি। তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা ছিল ২৭ অগাস্ট অবধি। জয় শাহের (Jay Shah) বিরুদ্ধে কোনও প্রার্থী না দাঁড়ানোয় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরবর্তী সচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ

    আইসিসির দায়িত্ব নেওয়ার পরই জয় শাহর প্রথম চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নির্বিঘ্নে আয়োজন করা। পাকিস্তান আগামী বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক। ২০০৮ সালের এশিয়া কাপের পর ভারতীয় ক্রিকেট টিম পাক সফরে যায়নি। জয় শাহ আইসিসি-র দায়িত্বে থাকায় ভারত কি পাকিস্তানে খেলতে যাবে? এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে ক্রীড়া বিশ্বে। তবে এক্ষেত্রে ভারতের প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বা কেন্দ্র সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে তাই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছে বিসিসিআই। এখন জয় শাহ মধ্যস্থতা করে ভারতেকে পাকভূমে খেলাতে নিয়ে যেতে পারেন। আবার ভারত না চাইলে নিরপেক্ষ কোনও জায়গাতেও হতে পারে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। 

    ভারতে মহিলা ক্রিকেটের উন্নতি

    জয় শাহের নেতৃত্বে বিসিসিআই মহিলাদের ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগ (ডব্লিউপিএল) শুরু করেছিল, যা অত্যন্ত সফল। এই লিগ মহিলাদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে চুক্তির পরিমাণ বাড়ায়, যা মেয়েদের ক্রিকেটে আসতে উৎসাহ দিয়েছে। শাহ ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের জন্য অভিন্ন ম্যাচ ফি প্রয়োগ করে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেছেন। এবার বিশ্ব ক্রিকেটের দায়িত্ব নিয়ে তিনি যে মহিলা ক্রিকেটের আরও উন্নতির চেষ্টা করবেন তা বলাই বাহুল্য।

    ঘরোয়া ক্রিকেটে গুরুত্ব

    জয় শাহ খেলোয়াড়দের ঘরোয়া ক্রিকেটকে অগ্রাধিকার দিতে উৎসাহিত করেন। ভারতের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমি (এনসিএ) কে নতুনভাবে সাজিয়েছেন জয়। বর্তমানে অ্যাকাডেমিটি শ্রেষ্ঠত্বের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। আমদাবাদে প্রধানমন্ত্রীর নামাঙ্কিত নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। জয় আইসিসি-র দায়িত্ব নিলেও তাঁর নজর যে সবসময় দেশের ক্রিকেটকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাওয়ার দিকে থাকবে তা মনে করছে ক্রীড়ামহল।

    টেস্ট ক্রিকেটের উন্নতি

    আইসিসির চেয়ারম্যান হওয়ার পরে দিন-রাতের টেস্ট নিয়ে ইতিবাচক কথা বলেছেন শাহ। টেস্ট ক্রিকেটের উন্নতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “হতে পারে এখন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের রমরমা। কিন্তু আমাদের ভুললে চলবে না যে ক্রিকেটের ভিত হল টেস্ট। তাই সকলে যাতে ক্রিকেটের বড় ফরম্যাট খেলতে চায় সে দিকে নজর দিতে হবে। টেস্টকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে হবে। এখন টি-টোয়েন্টির মতো টেস্টেও দর্শকেরা মাঠ ভরাচ্ছেন। এটা ভাল ছবি। দিন-রাতের টেস্ট শুরু হয়েছে। সেটাও আকর্ষণীয়।” চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পরই জয়ের হাতে থাকবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দায়িত্ব। গত দুবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠলেও জিততে পারেনি ভারত। এবার জয়ের অপেক্ষায় রোহিতরা।

    কবে দায়িত্বগ্রহণ

    আইসিসির কনিষ্ঠতম চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন ৩৫ বছরের জয় শাহ। এখন আইসিসির সদস্য সংখ্যা ১৬। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর্বে জয়কে সমর্থন করেছিলেন ১৫ জন সদস্য। শুধু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সমর্থন পাননি বিসিসিআই সচিব। জয় শুরুতেই অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ডকে পাশে পেয়েছিলেন। পরে অন্য সদস্য দেশগুলির সমর্থন পেতেও সমস্যা হয়নি তাঁর। সব দেখেশুনে পিসিবি জয়ের বিরোধিতার রাস্তায় হাঁটেনি। আনুষ্ঠানিক ভাবে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন জয়। বোর্ড সচিব হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেটে বড় ভূমিকা রেখেছেন জয়। ২০২২ সালে তাঁর আমলেই আইপিএলের মিডিয়া স্বত্ব রেকর্ড ৪৮,৩৯০ কোটি টাকায় বিক্রি হয়। এই চুক্তির পরেই আইপিএল বিশ্বের দ্বিতীয় সবচেয়ে মূল্যবান ক্রীড়া লিগে পরিণত হয়। এবার বিশ্ব ক্রিকেটে সফল প্রশাসক হিসেবে একজন ভারতীয়ের ‘জয়’যাত্রার অপেক্ষায় ক্রিকেট অনুরাগীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jay Shah: আইসিসিতে ইতিহাস, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত জয় শাহ

    Jay Shah: আইসিসিতে ইতিহাস, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত জয় শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা আইসিসির চেয়ারম্যান (ICC Chairman) নির্বাচিত হলেন জয় শাহ (Jay Shah)। গ্রেগ বার্কলের ছেড়ে যাওয়ার পর, ১ ডিসেম্বর থেকে আইসিসি চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন জয়। সর্বকনিষ্ঠ আইসিসি চেয়ারম্যান হতে চলেছেন তিনি। আমেদাবাদ ক্রিকেট বোর্ড থেকে শুরু, তারপর গুজরাট, বিসিসিআইয়ের দায়িত্ব সামলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের উন্নতির দায়িত্ব ৩৫ বছরের জয়  শাহের কাঁধে। তাঁর বিরুদ্ধে কেউ মনোনয়ন না জমা দেওয়ায়, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আইসিসি চেয়ারম্যান হলেন জয়।

    ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়ানোই লক্ষ্য

    আইসিসির চেয়ারম্যান (ICC Chairman) নির্বাচিত হয়েই ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে তোলার বিষয়ে কাজ করার কথা বলেন অমিত শাহ পুত্র (Jay Shah)। জয় বলেন, ‘‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য হল ক্রিকেটকে সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া, এর জনপ্রিয়তা আরও বাড়ানো। আমরা যেমন অতীত থেকে শিক্ষা নেব, তেমনই বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটের প্রতি ভালবাসা বাড়ানোর লক্ষ্যে নতুন নতুন পরিকল্পনারও প্রয়োজন রয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক্সে ক্রিকেটের অন্তর্ভুক্তি আমাদের সেই লক্ষ্যের দিকে বড় পদক্ষেপ। আমি নিশ্চিত এর ফলে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে।’’

    টেস্ট ক্রিকেটের প্রচার

    জয় শাহ (Jay Shah) পরিষ্কার করে দিয়েছেন, টেস্ট ক্রিকেটকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। বোর্ডের এক বিবৃতিতে জয় শাহ বলেন, ‘‘টি-টোয়েন্টি স্বাভাবিকভাবে এক উত্তেজক ফর্ম্যাট। একইসঙ্গে এটাও গুরুত্বপূর্ণ যে, টেস্ট ক্রিকেটকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সকলের কাছে এটার আলাদা প্রাধান্য রয়েছে।’’ জয় বলেন, ‘‘আমার মেয়াদ থাকাকালীন আমি আলাদা করে ট্যালেন্ট সার্চ (প্রতিভার অন্বেষণ) করতে চাই। আশা করি আমি এই প্রোগ্রামে সকলের সমর্থন পাব। আইসিসির চেয়ারম্যানের (ICC Chairman) দায়িত্ব আমাকে দেওয়ার জন্য আইসিসি বোর্ডের সদস্যদের আমি ধন্যবাদ জানাই। তাঁরা যে ভরসা দেখিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি সকলের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করব।’’

    আরও পড়ুন: ১০ বছরে ৫৩ কোটি অ্যাকাউন্ট! জনধন যোজনার দশম বর্ষপূর্তিতে অভিনন্দন মোদির

    জয় শাহের যাত্রা

    ক্রিকেট পরিচালনায় জয় শাহের (Jay Shah) যাত্রা শুরু হয় ২০০৯ সালে। কেন্দ্রীয় ক্রিকেট বোর্ড আমেদাবাদ (সিবিসিএ) এর সঙ্গে কাজ শুরু করেন। এরপর তিনি গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে (GCA) যোগ দেন এবং ২০১৩ সালে এর যুগ্ম সম্পাদক হন। তারপর বিসিসিআই-এর দায়িত্ব নেন জয়। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করার সময় তাঁর দক্ষতা এবং কঠোর পরিশ্রম সবাইকে মুগ্ধ করে। খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক এবং তাঁর পরিচালনার দক্ষতা তাঁকে এই অবস্থানে নিয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jay Shah: সর্বকনিষ্ঠ আইসিসি চেয়ারম্যান! আইসিসি-র সর্বোচ্চ পদে বসতে চলেছেন জয় শাহ?

    Jay Shah: সর্বকনিষ্ঠ আইসিসি চেয়ারম্যান! আইসিসি-র সর্বোচ্চ পদে বসতে চলেছেন জয় শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বোর্ডের সচিবের পদ ছেড়ে এবার বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ (ICC) পদে বসতে চলেছেন জয় শাহ (Jay Shah)। মঙ্গলবার রাতেই নিউজিল্যান্ডের গ্রেগ বার্কলে জানিয়ে দিয়েছেন, আইসিসি-র চেয়ারম্যান পদে আর লড়বেন না। তার পরেই জল্পনা তৈরি হয়েছে জয় শাহকে নিয়ে। আইসিসি চেয়ারম্যান পদে জয় শাহ বসলে, তিনিই হবেন সর্বকনিষ্ঠ আইসিসি চেয়ারম্যান।

    দৌড়ে নেই বার্কলে

    আগামী ৩০ নভেম্বর নিউজিল্যান্ডের বার্কলের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ২৭ অগাস্টের মধ্যে মনোনয়ন জমা দিতে হবে। যদি একের বেশি মনোনয়ন জমা পড়ে, তা হলে নির্বাচন হবে। সে ক্ষেত্রে, ১৬টি ভোটের মধ্যে ৯টি ভোট পেলেই চলবে জয় শাহের (Jay Shah)। আইসিসি (ICC) চেয়ারম্যান পদে কোনও ব্যক্তি দু’বছর করে সর্বোচ্চ তিন বার ক্ষমতায় থাকতে পারেন। ২০২০ সালে প্রথম ক্ষমতায় এসেছিলেন বার্কলে। ২০২২ সালে পুনর্নির্বাচিত হন। হিসেব মতো আরও দু’বছর পদে থাকতে অসুবিধা ছিল না। কিন্তু তিনি রাজি হননি। তাই বার্কলে আর দাঁড়াচ্ছেন না। 

    কনিষ্ঠতম চেয়ারম্যান

    আইসিসি-র (ICC)  ইতিহাসে কনিষ্ঠতম চেয়ারম্যান হওয়ার সুযোগ রয়েছে জয় শাহের (Jay Shah) কাছে। অতীতে ভারত থেকে জগমোহন ডালমিয়া  (১৯৯৭-২০০০), শরদ পাওয়ার (২০১০-২০১২), এন শ্রীনিবাসন (২০১৪-২০১৫) এবং শশাঙ্ক মনোহর (২০১৫-২০২০) আইসিসি-র চেয়ারম্যান হয়েছেন। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে আইসিসির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চলেছেন জয়। 

    আরও পড়ুন: ‘‘বেফাঁস বলে এখন নাটক করছেন’’! সৌরভের আরজি কর প্রতিবাদকে ‘ট্রোল’ নেটপাড়ার

    জয় শাহ-র প্রভাব

    এখন আইসিসি-র (ICC) অর্থ এবং বাণিজ্যিক কমিটির প্রধান জয় শাহ (Jay Shah)। তাঁর পক্ষে সমর্থন রয়েছে একাধিক দেশের। তাঁকে সমর্থন জানাবে ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড। যার ফলে জয় শাহের আইসিসি চেয়ারম্যান হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। তিনি আইসিসি চেয়ারম্যান পদে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে বিপক্ষ হয়তো কেউ না-ও দাঁড়াতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে আইসিসি-তে চলে যাবেন জয় শাহ। আইসিসি-তে গেলে বোর্ডের পদ ছাড়তে হবে তাঁকে।

    বিসিসিআই থেকে পদত্যাগ

    লোধা কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের পর বাধ্যতামূলক কুলিং-অফে চলে যেতে হবে জয় শাহকে। তাই বোর্ডের পদ ছেড়ে দিয়ে তিনি আইসিসি-র চেয়ারম্যান হতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। জয় যদি আইসিসির চেয়ারম্য়ান হয়ে যান, তা হলে আবার বোর্ডে ফিরতে অসুবিধা হবে না। একই সঙ্গে আইসিসির সর্বোচ্চ পদে থাকা মানে ভারত নানা দিকে সুবিধাও পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jay Shah: আইসিসির চেয়ারম্যান হতে পারেন জয় শাহ! কী বলছে ক্রিকেট মহল?

    Jay Shah: আইসিসির চেয়ারম্যান হতে পারেন জয় শাহ! কী বলছে ক্রিকেট মহল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসি চেয়ারম্যান হতে চলেছেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে এমনই গুঞ্জন। এই মুহূর্তে আইসিসি চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের বার্কলে। তিনি বিশ্ব নিয়ামক সংস্থার চেয়ারম্যান পদে এসেছিলেন জয় শাহের সমর্থনের জোরেই। সেই কারণেই জয় শাহ আইসিসি-র চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে বার্কলে লড়াই থেকে সরে আসবেন, এমনই অনুমান। দীর্ঘদিন ধরে বিসিসিআই (BCCI) সচিব পদের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন জয় শাহ (Jay Shah)। এশিয়ার ক্রিকেট সংস্থারও প্রেসিডেন্ট তিনি। 

    কেন আলোচনায় জয় শাহ (Jay Shah)

    সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজন করতে গিয়ে আইসিসির (ICC) মুখ পুড়েছে। বর্ষার মরসুমে আমেরিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিশ্বকাপ করায় অনেক ম্যাচই ভেস্তে গিয়েছে। তাতে আইসিসির রোজগার কমেছে। উল্টে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। যার পর বলা হচ্ছে, আইসিসিকে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরাতে যোগ্য লোক হতে পারেন জয়। যদিও বিসিসিআইয়ের সচিব এ নিয়ে একটিও শব্দ খরচ করেননি। জয় (Jay Shah) অবশ্য আইসিসির ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্য়ান। শুধু তাই নয়, বিসিসিআইয়ের সচিব হওয়ার দরুণ আইসিসিতেও যথেষ্ট দাপট রয়েছে তাঁর।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারতবাসীর হিতে সময় নষ্ট না করে আপনি সিদ্ধান্ত নেন’’, মোদির প্রশংসায় পুতিন

    দুবাই থেকে মুম্বইয়ে (Jay Shah)

    ক্রীড়া মহলে গুঞ্জন, আগামী বছর জয়ের বোর্ডের (BCCI) মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। তারপর তিনি কুলিং অব পিরিয়ডে চলে যাবেন। সেই অঙ্ক কষেই জয় (Jay Shah) আইসিসি-তে চলে যেতে চাইছেন। সেক্ষেত্রে দুবাই থেকে আইসিসি-র দফতর চলে আসতে পারে মুম্বইয়ে। আগামী ১৯-২২ জুলাই কলম্বোতে হবে আইসিসি-র বার্ষিক সম্মেলন। ওই সভায় অবশ্য চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে না। সেটি হবে নভেম্বর মাসে। সেইসময় জয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। নভেম্বরে চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন। হাতে তিন মাস সময় আছে। জয়ের বয়স মাত্র ৩৫। যদি আইসিসির চেয়ারম্যান হন, সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে ওই পদে বসবেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hardik Pandya: বিশ্বজয়ের নায়ক, আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর অলরাউন্ডার হার্দিক

    Hardik Pandya: বিশ্বজয়ের নায়ক, আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর অলরাউন্ডার হার্দিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসি টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে উঠে এসেছেন ভারতের তারকা অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া (Hardik Pandya)। আইপিএলে অধিনায়ক হিসেবে ব্যর্থ হয়েছেন, প্লেয়ার হিসেবেও রাখতে পারেননিন খুব একটা অবদান। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে ফিরতেই হার্দিক পান্ডিয়াকে পাওয়া যায় পুরনো ছন্দে। গোটা টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) ব্যাটে-বলে দারুণ পারফর্ম করেন পান্ডিয়া। এমনকী ফাইনালে ভারতের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন হার্দিক।

    হার্দিকই প্রথম (Hardik Pandya)

    ৩০ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) ভারতের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন। এর ফলেই সদ্য প্রকাশিত আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছেন হার্দিক পান্ডিয়া (Hardik Pandya)। শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গাকে পিছনে ফেলে ২২২ পয়েন্ট নিয়ে আইসিসি টি-২০ অলরাউন্ডারদের তালিকায় সিংহাসন দখল করেছেন হার্দিক। হার্দিকের আগে আর কোনও ভারতীয় ক্রিকেটার এই সাফল্য পাননি। 

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পারফরম্যান্স

    বার্বাডোজের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে হার্দিক (Hardik Pandya) তিন ওভারে ২০ রান দিয়ে তিন উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে ১৭৬ রান সফলভাবে রক্ষা করতে সহায়তা করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হেনরিক ক্লাসেনেরে উইকেট হার্দিক না নিলে ভারতের বিশ্বজয় (T20 World Cup 2024) সম্ভব হত না। এছাড়া প্রবল চাপের মুহূর্তে শেষ ওভারে ১৬ রান ডিফেন্ট করে আরও ২টি উইকেট নেন হার্দিক। ফাইনাল ছাড়াও গ্রুপ এবং সুপার এইট পর্বে কার্যত প্রতি ম্যাচেই ব্যাটে-বলে অবদান রেখেছেন হার্দিক। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে হতাশাজনক পারফরম্যান্স করেছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিতকে সরিয়ে ক্যাপ্টেন করা হয়েছিল তাঁকে। সমর্থকদের বিদ্রুপের মুখে পড়তে হয়েছিল। পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছিল কারণ, প্লেয়ার হিসেবেও পারফর্ম করতে পারছিলেন না হার্দিক। কিন্তু বিশ্বকাপে ১৪৪ রান করেছেন করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। বেশির ভাগই ক্রাইসিস মোমেন্টে। স্ট্রাইক রেট ১৫০-এরও বেশি। পাশাপাশি টুর্নামেন্টে নিয়েছেন ১১টি উইকেটও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: বিশ্বকাপের শেষ আটে বাংলাদেশ, সুপার এইটে ভারতের তিনটি খেলা কবে, বিপক্ষে কারা?

    T20 World Cup 2024: বিশ্বকাপের শেষ আটে বাংলাদেশ, সুপার এইটে ভারতের তিনটি খেলা কবে, বিপক্ষে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালকে ২১ রানে হারিয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করে ফেলল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (ICC T20 World Cup 2024) সেরা আটের লড়াইয়ে ভারতের (India Cricket Team) মুখোমুখি হবে বেঙ্গল টাইগার্সরা। এছাড়া গ্রুপ ১-এ রোহিতদের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া। ভারতীয় (Team India) দল লিগ পর্বের ৩ ম্যাচে আয়ারল্যান্ড, পাকিস্তান, আমেরিকাকে হারিয়ে জয়ের হ্যাটট্রিক করে সুপার এইটের টিকিট পাকা করে ফেলে। শেষ ম্যাচ কানাডার বিরুদ্ধে বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায়। ৭ পয়েন্ট নিয়ে পরের রাউন্ডে পৌছেছে রোহিত শর্মারা।

    নেপালের বিরুদ্ধে সহজ জয় বাংলাদেশের

    সোমবার সেন্ট ভিনসেন্টের আর্নোস ভালে স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথম বল করার সিদ্ধান্ত নেয় নেপাল।  কুড়ি ওভার শেষের আগেই ১০৬ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। কিন্তু পালটা আঘাত হানলেন তানজিম আর মুশফিকুর। শুরু থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে। কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন কুশল মাল্লা ও দীপেন্দ্র সিং। কিন্তু তানজিম তুলে নেন ৪টি উইকেট। ৭ রান দিয়ে মুশফিকুরের শিকার ৩ জন। শেষ পর্যন্ত ২১ রানে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ। 

    বিশ্বকাপের নিয়ম

    প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী যে আটটি দল গ্রুপ পর্বের বাধা টপকে সুপার এইটে পৌছেছে তাদের আবার ৪টি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। সেখানে সকলেই একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে। প্রতি দল ৩টি করে ম্যাচ পাবে। সুপার এইট পর্বে গ্রুপ ১-এ আছে ভারত। বাকি তিনটি দল হল আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়া। গ্রুপ ২-এ আছে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং আমেরিকা। গ্রুপ ১ এ ভারত বনাম বাংলাদেশ খেলরা দিকে সবার নজর রয়েছে। একই সঙ্গে ফের বিশ্বকাপে (ICC T20 World Cup 2024)অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ভারত। ঘরের মাঠে একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনালের তিক্ত স্মৃতি এখনও তাজা রোহিত-কোহলিদের মধ্যে। এবার তার বদলা নেওয়ার পালা। 

    সুপার এইটে ভারতের ম্যাচ

    সুপার এইট পর্বে ভারতের (Team India) প্রথম ম্যাচ ব্রিজটাউনে ২০ জুন আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। ভারতীয় সময় রাত ৮টায় শুরু হবে খেলা। রোহিত শর্মাদের দ্বিতীয় প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। নর্থ সাউন্ডে ২২ জুন রাত ৮টায়। তৃতীয় ম্যাচ ২৪ জুন গ্রস আইলেটে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। এই ম্যাচও শুরু হবে ভারতীয় সময় রাত ৮টায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs Mini India: সুপার ৮-এর লক্ষ্যে রোহিতরা, “ভারতের বিপক্ষে খেলা আবেগের”, বললেন সৌরভ

    India vs Mini India: সুপার ৮-এর লক্ষ্যে রোহিতরা, “ভারতের বিপক্ষে খেলা আবেগের”, বললেন সৌরভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলা ভালো আজ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) ভারত বনাম মিনি ভারতের (India vs Mini India) খেলা! আসলে বুধবার টি২০ বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়ার প্রতিপক্ষ আমেরিকা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দলে রয়েছেন এক ঝাঁক ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তাই এদিনের ম্যাচ এক কথায় ভারতীয় বনাম ভারতীয়দের খেলা। আয়ারল্যান্ড ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ের পর বুধে ভারতের লক্ষ্য সরাসরি ম্যাচ জিতে সুপার এইটের টিকিট পাকা করে ফেলা। অপরদিকে, প্রথম দুটি ম্যাচে আয়ারল্যান্ড ও পাকিস্তানকে হারিয়ে চমক দিয়েছে আমেরিকা। ভারতের বিরুদ্ধে জয় পাওয়াই যে তাঁদের প্রধান লক্ষ্য সেই কথা আগেই জানিয়েছেন ইউএসএ অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল।

    আমেরিকা দলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    টি২০ বিশ্বকাপের জন্য আমেরিকার দলে রয়েছেন এমন চার জন ক্রিকেটার, যারা ক্রীড়া জীবনের শুরুতে খেলেছেন ভারতেই (India vs Mini India)। শুধু তাই নয় একদা অনূর্ধ্ব-১৯ ভারতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এদের মধ্যে চারজন। মার্কিন দলে ৮ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার আছেন। আমেরিকা দলের অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল আদতে গুজরাটের বাসিন্দা। ৩১ বছরের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার অনূর্ধ্ব-১৯ গুজরাট দলের হয়েও খেলেছেন। তার পরিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসায়, তিনি ২০১৮ সাল থেকে আমেরিকার হয়ে পেশাদার ক্রিকেট খেলছেন। বাঁহাতি অলরাউন্ডার হরমিত সিংয়ের জন্ম মুম্বইয়ে। খেলেছেন ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে। ভারতীয় ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে মুম্বই ও ত্রিপুরার হয়ে খেলেছেন। এমনকি ২০১৩ সালে স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে একটি আইপিএল ম্যাচও খেলেছিলেন হরমিত। সৌরভ নেত্রভালকর ২০২১ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। কিন্তু ওই বছরই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।

    ভারতের বিপক্ষে খেলা আবেগের

    আমেরিকার জাতীয় দলের প্রতিনিধি তথা পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ জয়ের নায়ক সৌরভ নেত্রভালকর আদপে মুম্বইয়ের ক্রিকেটার (India vs Mini India)। তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ারের সূচনা ভারতেই। মুম্বইতে জন্ম নেওয়া নেত্রভালকর ২০১০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে খেলেছিলেন। সৌরভের সতীর্থ ছিলেন কেএল রাহুল, ময়াঙ্ক আগরওয়াল, জয়দেব উনাদকাটরা। পরে ভারতে পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়ায় চলে যান মার্কিন মুলুকে। বুধবারে ম্যাচে নামার আগে সৌরভ বলেন,”রোহিত-বিরাটের বিরুদ্ধে বোলিং করাটা তাঁর কাছে খুব আবেগের একটি বিষয়।” একইসঙ্গে অনূর্ধ্ব-১৫ দলের সতীর্থ সূর্যকুমারের বিরুদ্ধে খেলতেও তিনি মুখিয়ে আছেন।

    আরও পড়ুন: কম রানের পুঁজি নিয়ে জয়ের রেকর্ড, বাংলাদেশকে ৪ রানে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

    বড় রানের লক্ষ্যে টিম-ইন্ডিয়া

    পিচ (T20 World Cup 2024) যেমনই হোক আর তা নিয়ে ভাবতে চায় না ভারত। এবার সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে বড় রানের দিকে নজর রোহিতদের। ব্যাটারা দ্রুত ফর্মে ফিরুক চাইছেন কোচ দ্রাবিড়। আমেরিকা ক্রিকেট বিশ্বে নবাগত হলেও নিউ ইয়র্কের স্লো ও অসমান বাউন্সের পিচে কোনও প্রতিপক্ষকেই ছোট করে দেখতে নারাজ ভারতীয় দল। তাই উইনিং কম্বিনেশন এখনই ভাঙতে চান না অধিনায়ক রোহিত। তবে যশস্বী, সঞ্জু স্যামসন, বা কুলদীপ-চাহালদেরও একবার পরখ করে নিতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট।

    ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, যশস্বী জয়সওয়াল, ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার), সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, অর্শদীপ সিং, মহম্মদ সিরাজ, জসপ্রীত বুমরা।

    আমেরিকার সম্ভাব্য একাদশ: স্টিভেন টেলর, মোনাঙ্ক প্যাটেল (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), অ্যারন জোনস, নীতিশ কুমার, কোরে অ্যান্ডারসন, হরমিত সিং, জসদীপ সিং, নশতুশ কেনজিগে, সৌরভ নেত্রাভলকর, আলি খান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share