Tag: ICC

ICC

  • T20 World Cup 2026: টি২০ বিশ্বকাপে বড় অঘটন! অস্ট্রেলিয়াকে হারাল জিম্বাবোয়ে, এই নিয়ে ২ বার

    T20 World Cup 2026: টি২০ বিশ্বকাপে বড় অঘটন! অস্ট্রেলিয়াকে হারাল জিম্বাবোয়ে, এই নিয়ে ২ বার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ প্রথম অঘটন। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে হেরে গেল অস্ট্রেলিয়া। একের পর এক তারকার চোটে শুরু থেকেই সমস্যায় ছিল অজিরা। শুক্রবার অস্ট্রেলিয়াকে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দিলেন সিকন্দর রাজারা। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে কলম্বোতে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ট্রাভিস হেডের দল। প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবোয়ে করে ২ উইকেটে ১৬৯। জবাবে অস্ট্রেলিয়া করল ১৯.৩ ওভারে ১৪৬। পুরো ২০ ওভার ব্যাটই করতে পারলেন না অজিরা। ২৩ রানে জিতল জিম্বাবোয়ে। এ দিন ম্যাচের কোনও সময়ই অস্ট্রেলিয়ার চেনা দাপট দেখা যায়নি।

    অস্ট্রেলিয়ার খটকা জিম্বাবোয়ে

    অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী বোলিং লাইনআপের বিপক্ষে জিম্বাবোয়ের ব্যাটাররা অসাধারণ পারফর্ম করে। জবাবে ১৪৬ রানে শেষ হয় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। শুক্রবার ১৭০ রান তাড়া করতে নেমে ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবোয়ের বোলিং আক্রমণের সামনে কলম্বোর ২২ গজে দাঁড়াতেই পারেননি অস্ট্রেলিয়ার প্রথম চার ব্যাটার। জশ ইংলিস (৮), ট্রেভিস হেড (১৭), ক্যামেরন গ্রিন (০) এবং টিম ডেভিড (০) পর পর ফিরে যান। খাতায়-কলমে দুর্বল হলেও জিম্বাবোয়ে যে কোনও মুহূর্তে যে চমকে দিতে পারে, সে কথা অজানা নয় ৷ অন্য়দিকে প্রথম ম্য়াচ সহজে জিতলেও চোট-আঘাতে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে একটা খটকা ছিলই ৷ শুক্রবারের কলম্বোয় সেই খটকাই যেন বাস্তব রূপ নিল ৷ এর আগেও বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ের কাছে হারতে হয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল জিম্বাবোয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দু’দেশ এখনও পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছে এই দু’বারই। সেই হিসাবে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল আফ্রিকার দেশটি। সব মিলিয়ে দু’দেশ চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে। ফল ২-২।

    নেপালকে হারিয়ে নজির ইটালির

    প্রথম বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে এসে নজির গড়ল ইটালি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তারা শুধু প্রথম ম্যাচই জিতল না, নেপালকে ১০ উইকেটে হারাল আজুরিরা। ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দিয়ে নজর কেড়েছিল নেপাল। অথচ ইটালির বিরুদ্ধে অসহায় দেখাল রোহিত পৌড়েলের দলকে। ওয়াংখেড়ের ২২ গজে প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না নেপাল। ধারাবাহিক ব্যবধানে উইকেট হারিয়েছে তারা। ১৯.৩ ওভারে ১২৩ রানে শেষ হয় যায় নেপালের ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে কোনও উইকেট না হারিয়ে ১২.৪ ওভারে ১২৪ রান ইটালির। দুই ওপেনার ম্যাচ শেষ করে মাঠ ছাড়েন। বেশি আগ্রাসী ছিলেন অ্যান্টনি মোস্কা। তিনি ৩২ বলে অপরাজিত ৬২ রান করেন ৩টি চার এবং ৬টি ছক্কার সাহায্যে। তাঁর তিন বছরের ছোট ভাই জাস্টিন মোস্কা ৪৪ বলে ৬০ রান করে অপরাজিত থাকেন। তিনি ৫টি চার এবং ৩টি ছয় মেরেছেন। নেপালের কোনও বোলারই ইটালির দুই ওপেনিং ব্যাটারের আগ্রাসন থামাতে পারেননি। প্রথম বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়েই জয়ের স্বাদ পেল ইউরোপের দেশটি।

  • T20 World Cup 2026: লক্ষ্য পাকিস্তান ম্যাচ! নামিবিয়াকে রেকর্ড ৯৩ রানে হারিয়ে কলম্বোর পথে সূর্যরা

    T20 World Cup 2026: লক্ষ্য পাকিস্তান ম্যাচ! নামিবিয়াকে রেকর্ড ৯৩ রানে হারিয়ে কলম্বোর পথে সূর্যরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) প্রথম দুই ম্যাচে তুলনামূলক সহজ দুই প্রতিপক্ষকে দুরমুশ করে রবিবারের ভারত-পাক মহারণের প্রস্তুতি সেরে ফেললেন সূর্যকুমাররা। নামিবিয়াকে ৯৩ রানে হারিয়ে ভারত পয়েন্ট টেবিলের প্রথম স্থানে চলে এল। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ই ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি ব্যবধানে জয়। শুক্রবারই শ্রীলঙ্কা রওনা হবে ভারতীয় দল। রবিবার কলম্বোয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধে নামবেন সূর্যরা। অনেক টালবাহানার পর অবশেষে ভারত ম্যাচে খেলতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান। তারাও এই মুহূর্তে গ্ৰুপের দ্বিতীয় পজিশনে। রবিবার পাক বধ করতে পারলেই সুপার এইটের রাস্তা অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে গুরু গম্ভীরের দলের কাছে। তার আগে নামিবিয়াকে হারিয়ে পাক ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে রাখলেন ঈশানরা।

    রেকর্ড রানে জয় ভারতের

    বৃহস্পতিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ১৮তম ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে ব্যাট হাতে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন ভারতের ওপেনার ঈশান কিষাণ। মাত্র ২৪ বলে ৬১ রান করেন, যার মধ্যে ছয়টি চার ও পাঁচটি ছক্কা ছিল। ইশান শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে উপস্থিত হন এবং নামিবিয়ার বোলারদের হতাশ করেন। ইশান মাত্র ২০ বলে তার পঞ্চাশ রান করেন। এদিন ২৮ বলে ৫২ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন হার্দিক। তাঁদের দাপটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান তোলে ভারত। ২১১ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় নামিবিয়া। বল হাতে ভারতকে এগিয়ে দেন তারকা স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী। অসাধারণ বোলিং করে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। হার্দিক পান্ডিয়াও বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন, তাঁর ঝুলিতে যায় ২ উইকেট। শেষ পর্যন্ত ১১৬ রানে গুটিয়ে যায় নামিবিয়ার ইনিংস। নামিবিয়াকে ৯৩ রানে হারিয়ে রেকর্ড গড়েন সূর্যরা।

    ভারত-পাক মহারণই আসল পরীক্ষা

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম দু’ম্যাচে জয় এলও দলের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না। নামিবিয়াকে ৯৩ রানে হারানোর পর মেনে নিলেন সূর্যকুমার যাদব। সূর্য মেনে নিলেন, সব কিছু ঠিকমতো হচ্ছে না। ম্যাচের পর তিনি বললেন, ‘‘ভালো ম্যাচ হল। ঈশান কিশন আর সঞ্জু স্যামসন দারুণ শুরু করেছিল। ৬-৭ ওভারে মনে হচ্ছিল ২৪০-২৫০ রান হয়ে যাবে। সেটা হল না। উইকেটে বল একটু থেমে আসছিল। নামিবিয়ার বোলারেরাও খুব ভালো বল করল। ওদের কৃতিত্ব কেড়ে নিতে চাই না। ক্রিকেট এই জন্যই অনিশ্চয়তার খেলা।’’ ভারতীয় দলের অধিনায়ক খুশি বুমরা, হার্দিকের পারফরম্যান্সে। সূর্য বললেন, ‘‘বুমরাহ পুরো ৪ ওভার বল করল। এটা আমাদের বড় পাওনা। অক্ষর প্যাটেলের সঙ্গে জুটিতে বরুণ চক্রবর্তীও খুব ভালো বল করল।’’ আলাদা করে বললেন হার্দিকের কথা। সূর্য উচ্ছ্বসিত তাঁকে নিয়ে, ‘‘হার্দিক দুর্দান্ত। ভালো ব্যাট করল। নতুন বলে বল করল। শেষের দিকের ওভারগুলোতেও বেশ ভালো বল করল। যখন প্রয়োজন হচ্ছে, তখনই কিছু না কিছু করছে। আমাদের কাছে প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। শুরুটা হয়তো আমরা নিখুঁত করতে পারিনি। তবে দল ঠিক পথেই এগোচ্ছে।’’ আসলে রবিবার ভারত-পাক মহারণই যে আসল পরীক্ষা, তা ভালোই জানেন সূর্য।

  • T20 World Cup 2026: মাথায় পাকিস্তান! নামিবিয়ার বিরুদ্ধে আজ নিজেদের ঝালিয়ে নিতে চাইছেন সূর্যরা

    T20 World Cup 2026: মাথায় পাকিস্তান! নামিবিয়ার বিরুদ্ধে আজ নিজেদের ঝালিয়ে নিতে চাইছেন সূর্যরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ, আর সেই বিশ্বকাপেই ইতিহাস গড়ার সুযোগ সূর্যদের সামনে। প্রথম দল হিসেবে তিন বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) ট্রফি ঘরের তোলার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে ভারতীয় দল। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে ২৯ রানে প্রথম ম্যাচে হারিয়েছে তারা। সপ্তাহান্তেই আবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ। সেই ম্যাচের আগে বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে (India vs Namibia) মাঠে নামবে ভারত। আর, চলতি বিশ্বকাপে অন্যতম কঠিন পরীক্ষার মুখে নামছে নামিবিয়া।

    ভারত-পাকিস্তান মহারণ

    আর মাত্র তিনদিন। তারপরই ভারত-পাকিস্তান মহারণ। তার আগে বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচ টিম ইন্ডিয়ার। কিন্তু ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ম্যাচের ভাবনা ঢুকে পড়েছে শিবিরে। ম্যাচের আগে আগাম হুঁশিয়ারি তিলক বর্মার। জানান, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলার জন্য তাঁরা তৈরি। দাবি করেন, ম্যাচটা হবে জানার পর দল তেড়েফুঁড়ে আছে। এক কথায়, ম্যাচ জোনে প্রবেশ করে ফেলেছে ভারত। এই প্রসঙ্গে তিলক বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমরা খুবই উত্তেজিত। আমরা দু’দিন আগে জানতে পেরেছি, ম্যাচটা হবে। আমরা তৈরি। আমরা সব দলের দিকে নজর রাখছি। আমরা বোলার এবং ব্যাটারদের দিকে নজর রাখছি। সমস্ত প্লেয়ার এবং দলের সদস্যরা খেলার জন্য তৈরি। আমরা ম্যাচ জোনে ঢুকে পড়েছি। এবার পরিকল্পনা শুরু হবে।’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলার জন্য সবসময় মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিল ভারতীয় ক্রিকেটাররা। সম্প্রতি বয়কটের সিদ্ধান্ত তুলে ফেলায় সেটা আরও মজবুত হয়েছে। দাবি করেন টিম ইন্ডিয়ার সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে। গম্ভীরের ডেপুটি বলেন, ‘আমরা এটা ধরে নিয়েই এগোচ্ছিলাম। আমরা সবসময় মনে করছিলাম আমাদের খেলতে হবে।’ ভারত-পাক ম্যাচের মঞ্চ তৈরি।

    পাকিস্তান-ম্যাচের আগে প্র্যাকটিস!

    ক্রিকেট ময়দানে ভারত এবং নামিবিয়ার মধ্যে কোনও তুলনাই হয় না। একদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট দল ইতিমধ্যে ২ বার টি-২০ বিশ্বকাপের খেতাব জয় করেছে। অন্যদিকে, নামিবিয়া যে টি-২০ বিশ্বকাপে (ICC T20I World Cup 2026) খেলার সুযোগ পেয়েছে এটাই অনেক বড় ব্যাপারে। সত্যি কথা বলতে কী, টিম ইন্ডিয়া আগামী ম্য়াচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে। ফলে এই ম্যাচটাকে তারা মহড়া হিসেবেই দেখতে চাইছে। এই পরিস্থিতিতে গেরহার্ড এরাসমাসের দল যদি কোনও ‘অঘটন’ ঘটাতে পারে, সেটা দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অবশ্যই স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। নামিবিয়ার কাছে আপাতত হারানোর মতো কিছু নেই। চোটে কাহিল টিম ইন্ডিয়া। গোটা দলটা আপাতত একটা মিনি হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। পেট খারাপ হওয়ার জন্য অভিষেক শর্মা এই ম্য়াচে হয়ত খেলতে নামবেন না। অনিশ্চিত জশপ্রীত বুমরা। শোনা যাচ্ছে, অনুশীলন করার সময় চোট পেয়েছেন ঈশান কিষান। তিনিও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তাই পাকিস্তান ম্যাচের আগে এগুলো ভাবাচ্ছে ভারতকে।

    কেমন খেলবে নামিবিয়া

    অ্যাসোসিয়েট দেশগুলো এবার বিশ্বকাপে বেশ চাপে রাখছে বিপক্ষকে। নেপাল, নেদারল্যান্ডস, আমেরিকা প্রতিটা দলই কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে প্রতিপক্ষকে। শুধু তারা চাপ রাখতে পারছে না বলেই ম্যাচ হেরে ফিরে আসছে। এই পরিস্থিতিতে নামিবিয়া ভারতের বিরুদ্ধে কী স্ট্র্যাটেজি নিয়ে খেলবে সেই প্রশ্নটা ঘোরাফেরা করছে। বিদেশি লিগে খেলা কোনও প্লেয়ার নেই নামিবিয়ায়। যতজন খেলেন তাঁরা নেপাল প্রিমিয়ার লিগের মতো দ্বিতীয় সারির ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলেন। যতজন প্লেয়ার খেলেন, তাঁদের অভিজ্ঞতাই এখন গোটা দলের সঙ্গী। চলতি বিশ্বকাপে নামিবিয়া একটি ম্যাচ খেলেছে। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচে তারা সাত উইকেটে হেরে যায়। সেটা অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে হওয়ায় পিচ চিনে গিয়েছে তারা।

  • T20 World Cup 2026: আমেদাবাদে জমজমাট ক্রিকেট! জোড়া সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার আফগানিস্তানের

    T20 World Cup 2026: আমেদাবাদে জমজমাট ক্রিকেট! জোড়া সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার আফগানিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাটকের পর নাটক। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) জোড়া সুপার ওভারে আফগানিস্তানকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা (Afghanistan vs South Africa)। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল গুরবাজদের। আমেদাবাদের মাঠে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। টান টান খেলায় শেষপর্যন্ত আফগানিস্তান ১৮৭ রানে অল আউট হয়ে যায়। ফলে খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। সেটিও টাই হয়। ফলে দ্বিতীয় সুপার ওভার হয়। সেখানে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। তীরে এসে তরী ডুবল আফগানিস্তানের।

    ভিত গড়ে দিয়েছিলেন গুরবাজ

    রান তাড়া করতে নেমে ৪২ বলে ৮৪ রান করে দলের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন গুরবাজ। কিন্তু তা কাজে এল না। নাটকের শুরু আফগানিস্তানের ইনিংসের শেষ ওভারে। ৬ বলে দরকার ছিল ১১ রান। পড়ে গিয়েছিল ৯ উইকেট। প্রথম বলেই নুর আহমেদকে আউট করেন কাগিসো রাবাডা। গোটা দক্ষিণ আফ্রিকা দল যখন জয়ের উল্লাস করছে, তখন আম্পায়ার হাতের ইশারায় দেখিয়ে দেন, নো বল করেছেন রাবাডা। ফলে জীবন পান নুর। ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা মারেন নুর। পরের বলে আরও দু’রান আসে। আরও একটি নো বল করেন রাবাডা। ফলে ৩ বলে দরকার ছিল ২ রান। চতুর্থ বলে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হন ফজলহক ফারুকি। দু’রান নেওয়া উচিত ছিল তাঁর। কিন্তু দৌড়োতে কিছুটা দেরি করেন তিনি। শেষমুহূর্তে ডাইভও দেননি। দু’বল বাকি থাকতে আফগানিস্তান আউট হওয়ায় খেলা গড়ায় সুপার ওভারে।

    হতাশ আফগানিস্তান

    আফগানিস্তানের হয়ে ব্যাট করতে নেমে আজমাতুল্লা ওমরজাই ভাল ব্যাট করেন। ৬ বলে ১৭ রান করে আফগানিস্তান। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ বলে দরকার ছিল ৭ রান। ফারুকির সেই বলে ছক্কা মেরে সুপার ওভার টাই করে দেন ট্রিস্টান স্টাবস। ফলে দ্বিতীয় সুপার ওভার হয়। সেখানে প্রথমে ব্যাট করে ২৩ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। মনে হচ্ছিল, আফগানিস্তান হেরে যাবে। কিন্তু তা-ও লড়াই ছাড়েননি গুরবাজ। চার বলে ২৪ রান করতে হত। তিন বলে তিনটি ছক্কা মারেন তিনি। কিন্তু শেষ বলে আউট হয়ে যান। কাছে এনেও দলকে জেতাতে পারলেন না তিনি। হতাশ গুরবাজ। হতাশ আফগানিস্তানের ক্রিকেট অনুরাগীরা।

    বিশ্বকাপ অভিযান প্রশ্নের মুখে

    আফগানদের জন্য এটা ছিল ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ। প্রোটিয়দের কাছে লড়াই করে হার মানল আফগানিস্তান। এর ফলে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান এখন প্রশ্নের মুখে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতে পরের রাউন্ড কার্যত নিশ্চিত। এক কথায় বলতে গেলে এই ম্যাচ অবিশ্বাস্য, অভূতপূর্ব! তবে আফগানিস্তানের জন্য ‘অপূর্ণ’। ক্রিকেট চরম অনিশ্চয়তার খেলা! একই সঙ্গে ক্রিকেট যে কতটা উত্তেজক হয়ে উঠতে পারে, তা ফের প্রমাণিত হল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এই জয়ে শুধু দুই পয়েন্ট নয়, আত্মবিশ্বাসও পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। চাপের মুহূর্তে ভেঙে না পড়ে ম্যাচ টেনে নেওয়ার মানসিক শক্তি দেখাল তারা। আফগানিস্তান হেরে গেলেও লড়াইয়ে কোনও খামতি রাখেনি। সব মিলিয়ে আমেদাবাদের দুপুর অনুরাগীদের মনে থাকবে বহুদিন। ডবল সুপার ওভারের এমন নাটক বিশ্বকাপ ইতিহাসে বিরল।

  • T20 World Cup 2026: বাংলাদেশেরও ইউ-টার্ন! বিশ্বকাপে না খেলার দায় বিসিবি, ক্রিকেটারদের উপর চাপলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

    T20 World Cup 2026: বাংলাদেশেরও ইউ-টার্ন! বিশ্বকাপে না খেলার দায় বিসিবি, ক্রিকেটারদের উপর চাপলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত সরকারের নয়, এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেটাররা এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB)। এমনই দাবি বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের। বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান খেলতে রাজি হওয়ার পরেই সুর বদলে ফেলল বাংলাদেশ। নিজেদের বক্তব্য থেকে সরে এল বাংলাদেশ সরকার। প্রথমে তারা জানিয়েছিল, ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলবে না। সেই সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয় বাংলাদেশকে। এ বার সেই দায় দেশের ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারদের উপর চাপাল সরকার।

    অবস্থান বদল বাংলাদেশের

    বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এখন দাবি করছেন যে, লিটন দাসের নেতৃত্বে বিসিবি এবং দল “জাতীয় মর্যাদা রক্ষার জন্য” তাদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ গত ২২ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, “আমরা আশা করছি, আইসিসি আমাদের শ্রীলঙ্কায় খেলার অনুমতি দেবে। আমাদের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বাংলাদেশ ভারতে খেলতে যাবে না। আমাদের চিন্তার যথেষ্ট কারণ আছে।” এই কথা থেকে স্পষ্ট যে, বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সরকার নিয়েছিল। পরে ক্রিকেট বোর্ডের কর্তা ও ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করেন নজরুল। সেই বৈঠকের পর ক্রিকেটারদের সূত্রে জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশ সরকার আগে থেকেই ঠিক করে নিয়েছিল যে, ভারতে তারা খেলতে যাবে না। ক্রিকেটারদের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়নি।

    দায় চাপল ক্রিকেটারদের উপর

    সম্প্রতি নিজের আগের কথা থেকে সম্পূর্ণ ঘুরে গিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সাংবাদিকেরা নজরুলকে প্রশ্ন করেছিলেন, বিশ্বকাপে খেলতে না পারার আক্ষেপ হচ্ছে কি? জবাবে নজরুল বলেন, “আক্ষেপের কোনও প্রশ্নই নেই। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারেরা নিয়েছিল। দেশের ক্রিকেট, সাধারণ মানুষ, দেশের সম্মান রক্ষা করার জন্য স্বার্থত্যাগ করেছে ক্রিকেটারেরা।” আইসিসি জানিয়েছে, বিশ্বকাপে না খেলায় বাংলাদেশকে কোনও শাস্তি দেওয়া হবে না। আইসিসির এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নজরুল বলেন, “আইসিসি বলেছে, বাংলাদেশকে কোনও শাস্তি দেওয়া হবে না। পাশাপাশি কয়েক বছরের মধ্যে একটা আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্বও আমাদের দেওয়া হবে। এটা আমাদের কৃতিত্ব। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ।”

  • Abhishek Sharma: বিশ্বকাপের মাঝে বড় ধাক্কা! গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি অভিষেক শর্মা

    Abhishek Sharma: বিশ্বকাপের মাঝে বড় ধাক্কা! গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি অভিষেক শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন না টিম ইন্ডিয়ার তারকা ওপেনার অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma)। পেটের সংক্রমণের কারণে দিল্লির এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি অভিষেক শর্মা। ভারতের এই তারকা ব্যাটার গত কয়েক দিন ধরেই অসুস্থ। সূত্রের খবর, আমেরিকার বিপক্ষে ভারতের ম্যাচের আগেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। ৭ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে খেলার পর তাঁর অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। জ্বর ও পেটের সংক্রমণে কাবু এই ভারতীয় ওপেনার। অসুস্থতা বাড়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ফলে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে অভিষেক শর্মার খেলার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

    পেটের সমস্যায় কাবু অভিষেক

    অসুস্থ থাকায় অভিষেকের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা আগেই তৈরি হয়েছিল। জ্বরে মাথা তুলতে পারছিলেন না। স্যালাইন পর্যন্ত দিতে হয়। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ফলে ১২ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আগামিকাল নামিবিয়ার (Namibia) বিরুদ্ধে গ্রুপ-স্টেজ ম্যাচে অভিষেককে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। নয়াদিল্লিতে অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারতের প্র্যাক্টিসে দেখা যায়নি ভারতের বাঁ-হাতি এই ওপেনারকে। সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে বলেছিলেন,‘অভি পেটের সমস্যায় পুরো ফিট নয়।’

    মাঠে নামবেন বুমরা

    সূত্রের খবর, অভিষেক শর্মার বদলে খেলানো হতে পারে ওয়াশিংটন সুন্দরকে। চোট সারিয়ে ফিট হয়ে টিমের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন তিনি। সে ক্ষেত্রে তিনি ওপেনও করতে পারেন। অন্য ওপেনার হিসেবে থাকবেন ঈশান কিষান। দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে নাম উঠে আসছে সঞ্জু স্যামসনের। অসুস্থতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি ভারতের তারকা পেসার যশপ্রীত বুমরা। তবে নামিবিয়া ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা প্রবল। এরপরই ভারত-পাকিস্তান মহারণ। তার আগে বুমরাকে খেলাতে চাইবে ভারতীয় শিবির। রবিবার বিশ্বক্রিকেটের (T20 World Cup 2026) সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ। তার আগে পুরো দল খেলিয়ে মহড়া সেরে নিতে চাইবেন গৌতম গম্ভীর, সূর্যকুমার যাদবরা। কিন্তু অভিষেকের পরিস্থিতি চিন্তা বাড়াচ্ছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের।

  • T20 World Cup 2026: ধরা পড়ে গেল পাকিস্তানের নাটক! বিসিবিকে দিয়ে আবেদনপত্র লেখান নকভি, সত্যি কী?

    T20 World Cup 2026: ধরা পড়ে গেল পাকিস্তানের নাটক! বিসিবিকে দিয়ে আবেদনপত্র লেখান নকভি, সত্যি কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের হুমকি শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল নিয়ে এতদিন ধরে যে টানাপোড়েন চলছিল, সোমবার গভীর রাতে পাকিস্তান সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে তার ইতি পড়েছে। সরকারি নির্দেশেই পাক দলকে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত খেলাটি খেলতে নামতে হবে, সোমবার রাতে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ইসলামাবাদ। সেই সঙ্গে শেষ হয়েছে ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি দামের এই ‘দুনিয়ার সবচেয়ে দামি ম্যাচ’ নিয়ে অনিশ্চয়তা। তবে সেই নাটকের অবসানে একের পর এক অস্বস্তিকর তথ্য সামনে আসছে, যা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সূত্রের খবর, নিজের প্রভাব ও গুরুত্ব জাহির করতেই পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে অনুরোধ করেছিলেন—পাকিস্তানকে উদ্দেশ্য করে যেন একটি আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র লেখা হয়, যাতে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার অনুরোধ জানানো থাকে।

    ‘সম্মানজনকভাবে পিছু হটার চেষ্টা’

    বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম ‘বুলবুল’ সম্প্রতি পাকিস্তান সফর করে নকভির সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের নেপথ্য উদ্দেশ্য নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত এক কর্তার কথায়, “নকভি নিজেই বুলবুলকে ফোন করে বলেন, পাকিস্তানের কাছে যেন একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন জানানো হয়। এতে করে পুরো পরিস্থিতি থেকে সম্মানজনকভাবে বেরিয়ে আসা যাবে।” অর্থাৎ, সরাসরি আইসিসির চাপে মাথা নত না করে তৃতীয় পক্ষের অনুরোধকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করাই ছিল পিসিবির কৌশল। সেই পরিকল্পনা মতোই বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের প্রশংসা করে বলেন, “এই সময় বাংলাদেশকে সমর্থন জানাতে পাকিস্তান যে অতিরিক্ত উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে আমরা গভীরভাবে আপ্লুত। আমাদের ভ্রাতৃত্ব দীর্ঘজীবী হোক।” তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তান সফরের পর আলোচনার সম্ভাব্য ইতিবাচক ফলাফলের প্রেক্ষিতে আমি অনুরোধ করছি—১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচটি খেলুক পাকিস্তান, যা পুরো ক্রিকেট বিশ্বের স্বার্থেই প্রয়োজন।”

    আইসিসির ভূমিকা

    ভারত-পাকিস্তান (India Vs Pakistan) ম্যাচের আর এক সপ্তাহও বাকি নেই। কলম্বোয় অনুষ্ঠিত হতে চলা এই ম্যাচ ইতিমধ্যেই রেকর্ড ভিউয়ারশিপ ও বিপুল রাজস্বের সম্ভাবনা তৈরি করেছে—যা শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটের ব্যবসায়িক দিককেই আবারও সামনে এনে দিচ্ছে। ক্রিকেটের উন্নতিতে এই ম্যাচ আয়োজনের জন্য যা করার করেছে আইসিসি। তবে, কোনও অনৈতিক দাবিকে প্রশ্রয় দেয়নি জয় শাহ-র নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। আইসিসি-ও জানত, পাকিস্তান আসলে দেখানোর জন্য এই খেলা খেলছিল। তারা বাংলাদেশ ও সেখানকার জনতাকে খুশি করতে চাইছিল। বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই পাকিস্তানও ভারতের বিরুদ্ধে না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়। এর মাধ্যমে তারা বাংলাদেশকে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করে। মহম্মদ ইউনূসের সরকার আসার পর থেকেই পাকিস্তান বাংলাদেশকে ভারতের থেকে দূরে সরাতে চেষ্টা করছে। ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ না খেলার কৌশলও সেই দিকেই ছিল। কিন্তু আইসিসির সামনে পাকিস্তানের কোনও জারিজুরি কিছুই কাজ করেনি। বহুপাক্ষিক আলোচনা, বন্ধুরাষ্ট্রগুলির অনুরোধ ও ক্রিকেটীয় চেতনার চাপ পাকিস্তানকে পিছু হটতে বাধ্য করে। আইসিসিতে ভারত স্পষ্ট অবস্থান নেয়। আইসিসিও বড় অঙ্কের জরিমানার হুমকি দেয়। শাস্তি এড়াতে পাকিস্তানকে ভারতের বিপক্ষে খেলতেই হতো। কিন্তু পাক প্রধানমন্ত্রী জনসমক্ষে এই ম্যাচ বয়কটের কথা বলেছিলেন, তাই মুখ-রক্ষার জন্য ঘুরিয়ে পথ দেখার চেষ্টা করল পাকিস্তান, অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

  • T20 World Cup 2026: শাস্তির ভয়েই মাথা নত পিসিবির! বয়কট-নাটক শিকেয় তুলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান

    T20 World Cup 2026: শাস্তির ভয়েই মাথা নত পিসিবির! বয়কট-নাটক শিকেয় তুলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও নিজেদের শর্ত থেকে সরল পাকিস্তান। সীমান্ত হোক বা ক্রিকেটের ময়দান, পরাজয় নিশ্চিত জেনেও বারবার একই পথে পা বাড়ায় পাক-সরকার। নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করার মরিয়া চেষ্ট করে পাকিস্তান। ফের একবার তার প্রমাণ মিলল। যাবতীয় নাটকের অবসান ঘটিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে রাজি হল পাকিস্তান।(India Pakistan) সোমবার রাতে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে পাকিস্তানের শাহবাজ শরিফ সরকার। এদিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয় সে দেশের ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভির। বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। পাক সরকার জানিয়েছে, বন্ধু দেশগুলোর অনুরোধে ও ক্রিকেটের স্বার্থে ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে বাবর আজমরা। তবে, ক্রিকেট মহল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহল সকলেই জানে আসল সত্য। আইসিসি-র চাপের মুখেই পাকিস্তান তাদের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে। এক কথায় বিনা শর্তেই ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে হবে তাদেরকে। পিসিবি প্রধানের পেশ করা তিন শর্তই খারিজ করেছে আইসিসি।

    আট দিনে সিদ্ধান্ত বদল সরকারের

    টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার ব্যাপারে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে ছাড়পত্র দিয়ে দিল সেই দেশের সরকার। সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে সরকারের তরফে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, টি২০ বিশ্বকাপে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে পাকিস্তান। এ দিন রাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয় সে দেশের ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভির। তিনি আইসিসি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে রবিবার রাতে হওয়া বৈঠকের ব্যাপারে জানান শরিফকে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তরফেও পাকিস্তানকে অনুরোধ করা হয়েছিল ভারত ম্যাচ খেলার জন্য। একই অনুরোধ এসেছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং শ্রীলঙ্কা থেকেও। এই অনুরোধের পর পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্ব ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। পাকিস্তানের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন আলোচনার নির্যাস এবং বন্ধু দেশগুলির অনুরোধের পর পাকিস্তান সরকার সে দেশের ক্রিকেট দলকে ভারতের বিরুদ্ধে ‘মাঠে নামার’ নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি ক্রিকেটের সংস্কৃতিকে রক্ষা করা এবং সদস্য দেশগুলির মধ্যে ক্রিকেট কে আরও বেশি করে জনপ্রিয় করে তোলার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    পাকিস্তানের তিন শর্তই খারিজ

    ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার জন্য রবিবারের বৈঠকে মোট পাঁচটি দাবি আইসিসির সামনে তুলে ধরে পিসিবি। মহসিন নকভিদের মূল তিনটি শর্তই খারিজ করে দিয়েছেন জয় শাহেরা। পিসিবির তিনটি প্রধান শর্ত ছিল—

    ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ: পাকিস্তানের দাবি ছিল, ভারত এবং পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ যেন পুনরায় শুরু করা হয়। আইসিসি এই প্রস্তাব খারিজ করে জানায়, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজন তাদের আওতায় পড়ে না, এমনকী বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কাঠামোর মধ্যেও নয়।

    ত্রিদেশীয় সিরিজ: ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের কথা বলা হয়। আইসিসি এই প্রস্তাবও খারিজ করে জানায়, দ্বিপাক্ষিক সিরিজের মতোই ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজন তাদের আওতায় পড়ে না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের বক্তব্য, দ্বিপাক্ষিক বা ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের বিষয়ে তাদের কোনও নির্দেশ দেওয়ার অধিকার নেই।

    ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফর: ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফর আয়োজনের দাবিও নাকচ করে আইসিসি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের দাবি, এগুলি একদমই দুই দেশের বোর্ডের বিষয়। এখানে আইসিসি হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

    মুখরক্ষার পথ

    পিসিবির দু’টি শর্ত মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন আইসিসি কর্তারা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণে বাংলাদেশকে যেন কোনওভাবেই শাস্তি না দেওয়া হয় এবং আইসিসি রাজস্বের পূর্ণ অংশ পায় বাংলাদেশ। এই সিদ্ধান্ত অবশ্য আইসিসি আগেই স্বাধীনভাবে নিয়ে ফেলেছিল। দ্বিতীয়ত, গত বছর বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার কারণে মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশ থেকে দুবাইয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাংলাদেশকে একটি আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার দাবি তোলে পাকিস্তান। এমনকী, আগামী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তাবও আলোচনায় উঠে আসে। রবিবার লাহোরে মুখোমুখি বসেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB), বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)। সেখানে মূলত এই নিয়েই আলোচনা হয়। এরপর, সোমবার ঢাকায় এক বিবৃতিতে বিসিবি প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম (Aminul Islam) পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে, মাঠে নামার অনুরোধ করেন। “ক্রিকেটের স্বার্থে পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলতে অনুরোধ করছি।” আসলে পাকিস্তানের জন্য এটিই ছিল মুখরক্ষা করার পথ। কারণ পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) প্রকাশ্যে বলেছিলেন, ভারত ম্যাচ বয়কট করবে পাকিস্তান। তাই আমিনুলের চিঠি পাকিস্তানের অবস্থান বদলের আড়াল তৈরি করল, এমনই মত বিশেষজ্ঞদের। শেষমেশ বহুপাক্ষিক চাপেই পাকিস্তান সিদ্ধান্ত পাল্টাল।

    পাকিস্তানের ভয়

    পাকিস্তান এমনিতেই আত্মসমর্পণ করত, তবে বলা হচ্ছে—বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বোঝানোর পরই পাকিস্তান সরকার বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে। যদিও আসলে ভয় পেয়েছিল পাকিস্তান। আইসিসির কঠোর শাস্তির আশঙ্কা করেছিল পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একঘরে হয়ে পড়ার ভয় ছিল তাদের মধ্যে। ভারতের সঙ্গে না খেললে বড় রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা করছিল পিসিবি। বিশ্বকাপের মতো বড় ইভেন্টে অনুপস্থিত থাকলে ভাবমূর্তি আরও খারাপ হতে পারত। তাই শেষ পর্যন্ত ইউ-টার্ন পাকিস্তানের।

  • T20 World Cup 2026: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কট নিয়ে ইউ টার্ন নিচ্ছে পাকিস্তান!

    T20 World Cup 2026: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কট নিয়ে ইউ টার্ন নিচ্ছে পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) গ্রুপ-পর্বের ম্যাচ বয়কট করা নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থান এবং সেই সিদ্ধান্ত থেকে সম্ভাব্য ইউ-টার্ন এখন চূড়ান্ত পর্বের দিকে এগোচ্ছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB), বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) বৈঠকে বসেছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব দিক থেকে বিবেচনা করলে এই ম্যাচের আর্থিক মূল্য ৪,০০০ কোটি টাকারও বেশি।

    পিসিবি দাবি (T20 World Cup 2026)

    সূত্রের খবর, পিসিবি আইসিসির সামনে একাধিক দাবি তোলে। তবে জয় শাহের নেতৃত্বাধীন বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থা আইসিসি সেই দাবিগুলির মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে সংবাদ সংস্থাকে জানানো হয়েছে। পাকিস্তানের দাবিগুলি কী এবং সেই বিষয়ে আইসিসির অবস্থান কী, এবার জেনে নেওয়া যাক সেগুলি। পাকিস্তানের প্রথম দাবি ছিল, বাংলাদেশের ওপর কোনও আর্থিক জরিমানা করা যাবে না। পিসিবি সাফ জানিয়ে দেয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললেও, বাংলাদেশকে তার সম্পূর্ণ আইসিসি রাজস্ব অংশ দিতে হবে। এ ব্যাপারে আইসিসি জানিয়েছে, এটি আগেই তাদের সিদ্ধান্ত ছিল, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর কোনও আর্থিক জরিমানা আরোপ করা হবে না (T20 World Cup 2026)।

    বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত আইসিসি ইভেন্ট

    পাকিস্তানের দ্বিতীয় দাবি ছিল, বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত আইসিসি ইভেন্ট। পরবর্তী চক্রে বাংলাদেশের জন্য একটি অতিরিক্ত আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের দাবি তোলে পিসিবি। আইসিসি (ICC) জানিয়ে দিয়েছে, পরবর্তী চক্রে একটি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজের দাবিও উঠেছিল।  ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনের জন্য আইসিসির হস্তক্ষেপ চায় পিসিবি। আইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, এই দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। আইসিসি জানিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ তাদের আওতার বাইরে, এমনকি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের মধ্যেও নয়। ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রস্তাব দেয় পিসিবি (T20 World Cup 2026)। আইসিসির তরফে এই প্রস্তাবও খারিজ করা হয়েছে। এখানেও আইসিসি তাদের এক্তিয়ার না থাকার কথা উল্লেখ করেছে।

    আইসিসির মধ্যস্থতা চেয়েছিল পিসিবি

    ২০২৬ সালে ভারত যেন বাংলাদেশ সফর করে, সে বিষয়েও আইসিসির মধ্যস্থতা চেয়েছিল পিসিবি। এ ব্যাপারে আইসিসি জানিয়ে দেয়, তারা এতে হস্তক্ষেপ করবে না। আবারও জানিয়েছে, সফর সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দ্বিপাক্ষিকভাবেই নেওয়া হয় (ICC)। সূত্রের খবর, পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করার জন্য সময় চাইলে আইসিসি ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছে। শিগগিরই একটি ফলো-আপ বৈঠক হতে পারে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আইসিসির তরফে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে (T20 World Cup 2026)।

     

  • T20 World Cup 2026: শাস্তির ভয়ে থামল বিদ্রোহ! লাহোরে পিসিবির সঙ্গে আইসিসি-র বৈঠক, ভারত ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান?

    T20 World Cup 2026: শাস্তির ভয়ে থামল বিদ্রোহ! লাহোরে পিসিবির সঙ্গে আইসিসি-র বৈঠক, ভারত ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ (T20 World Cup 2026) ফের মুখোমুখি হতে চলেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ। রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও বয়কট জল্পনার মাঝেই সূচিভুক্ত এই মহারণ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের উত্তেজনা তুঙ্গে। এই ম্যাচ ঘিরে বিতর্কও কম নয়। সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উত্তেজনার জেরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) প্রথমে এই ম্যাচ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল। পিসিবি প্রধান মহসিন নকভির নেতৃত্বে এই অবস্থান নেওয়া হলেও, লাহোরে আইসিসি বৈঠকের পর সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে পাকিস্তান। এমনই ইঙ্গিত মিলেছে বোর্ড সূত্রে। উল্লেখ্য, এই ম্যাচের বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৩০–৩৫ মিলিয়ন ডলার বলে জানা গিয়েছে।

    গুটিয়ে গেল বিদ্রোহ!

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান আইসিসি-র বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। পুরো বিশ্বকাপ খেললেও তারা ভারতের বিরুদ্ধে (India Vs Pakistan) খেলবে না বলে জানিয়েছে। কিন্তু কয়েকদিনেই বিদ্রোহ গুটিয়ে গেল। আইসিসি-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে খেলার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে পাকিস্তান। যার ফলে, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আইসিসি-র একটি প্রতিনিধি দল লাহোরে বৈঠক করে। সেই বৈঠকে আইসিসি-র পক্ষ থেকে ছিলেন ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খোয়াজা, পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি। সেখানে ছিলেন বিসিবি প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলামও। তার আগে কলম্বোতে পিসিবি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন আইসিসি-র সিইও সংযোগ গুপ্তা।

    শাস্তির ভয়ে সিদ্ধান্ত!

    রিপোর্টে প্রকাশ, বৈঠকে পাকিস্তানকে আইসিসি সতর্ক করে জানিয়েছে, যদি তারা ১৫ তারিখ কলম্বোতে খেলতে না নামে তা হলে তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা নেমে আসতে পারে। পাশাপাশি জানিয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত মানতে গেলে আর্থিক দিক থেকে ধাক্কা খাবে পাকিস্তান ক্রিকেট। এর পর দু’পক্ষ আলোচনা করে। তার পর পাকিস্তান ভারত ম্যাচ খেলতে রাজি হয়েছে। তবে তার আগে পিসিবি একবার পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে চায়। তার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় ধার্য করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। আইসিসি পাকিস্তানের কাছে জানতে চেয়েছে কেন তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ আনা হবে না। তারা পাকিস্তানের কাছে ভারতের ম্যাচ বয়কটের কারণ ব্যাখ্যা করতে বলে। রিপোর্টে প্রকাশ, সেটা ব্যাখ্যা করতে পারেননি পিসিবি কর্তারা।

    বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু দুই দলের

    ইতিমধ্যেই ৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকাপ-যাত্রা শুরু করেছে ভারত ও পাকিস্তান। মাঠের পারফরম্যান্সের দিক থেকে দুই দলই চাপের মধ্যে রয়েছে। ভারত তাদের প্রথম ম্যাচে ইউএসএ-র বিরুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতি থেকে সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটে জয় ছিনিয়ে আনে। অন্যদিকে, পাকিস্তান নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে ফাহিম আশরাফের নৈপুণ্যে রক্ষা পায়। এটাই ২০২৫ এশিয়া কাপের পর ভারত-পাকিস্তানের প্রথম মুখোমুখি হওয়া। নিরাপত্তাজনিত কারণে পাকিস্তানের গ্রুপের সব ম্যাচই শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন ভেন্যু কলম্বো ও ক্যান্ডিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাকিস্তান সেমিফাইনাল বা ফাইনালে উঠলে সেই ম্যাচগুলিও কলম্বোতেই স্থানান্তরিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

LinkedIn
Share