Tag: ICC

ICC

  • ICC: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    ICC: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে আইসিসি (ICC)। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে লাহোরে পৌঁছন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সূত্রের খবর, আইসিসি যখন মোহসিন নকভির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে সমঝোতামূলক সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক তখনই পাকিস্তান ও বাংলাদেশ একসঙ্গে অবস্থান নিয়েছে। লক্ষ্য একটাই, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে লাভজনক ম্যাচ, অর্থাৎ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে পাকিস্তানকে সরানো।

    জুমের মাধ্যমে বৈঠক! (ICC)

    রবিবার রাতে জুমের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হতে পারে এই বৈঠক। এতে আইসিসির সিইও সংযোগ গুপ্ত, পিসিবি প্রধান মোহসিন নকভি এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত থাকার কথা। টুর্নামেন্টের সূচির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় সংকট তৈরি হওয়ায় আইসিসি এখন পরিস্থিতি সামাল দিতে মরিয়া। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পিসিবি এমন একটি সমঝোতার চেষ্টা করছে যেখানে বাংলাদেশকেও আলোচনার টেবিলে রাখা হবে। যদিও বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে যাচ্ছে না। এর আগে, ২ ফেব্রুয়ারি, বিশ্বকাপ শুরুর এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে, পাকিস্তান ঘোষণা করে যে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে না। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়। এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল, যখন নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে সফর করতে অস্বীকার করে বাংলাদেশ (ICC)।

    আইসিসির কাছে অনুরোধ

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সমর্থিত অবস্থান থেকে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছিল, যেন তাদের ম্যাচগুলি টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করা হয়। আইসিসি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে এবং বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এর ফলেই একের পর এক প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে (T20 World Cup)। বাংলাদেশ স্পষ্ট করে জানায়, ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থানে তারা পাকিস্তানের সঙ্গে একমত। বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল প্রকাশ্যে ইসলামাবাদকে ধন্যবাদ জানান। ফেসবুকে আসিফ নজরুল লেখেন, “ধন্যবাদ, পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার দেশ (ICC)।” আসিফ নজরুল বর্তমানে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টের গণআন্দোলনের ফলে শেখ হাসিনার সরকার উৎখাত হওয়ার পর এই সরকার গঠিত হয়। কার্যত তিনি বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রীর ভূমিকা পালন করছেন।

    শাহবাজ শরিফের সরকারের নির্দেশ

    এদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে শাহবাজ শরিফের সরকারের নির্দেশ, বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার প্রেক্ষিতে ভারতের বিরুদ্ধে যেন ম্যাচে অংশ না নেওয়া হয়। ইসলামাবাদে এক সরকারি বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, “টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। আমরা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলব না, কারণ খেলাধুলোর ময়দানে রাজনীতি হওয়া উচিত নয়।” সব পক্ষকে নিয়ে আইসিসি যখন এখন সংকটকালীন আলোচনায় বাধ্য হয়েছে, তখন লাহোরে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে, এই ইস্যু আর শুধু ক্রিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। একই সঙ্গে, উত্তেজনাপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে সামঞ্জস্য বজায় রেখে সিদ্ধান্ত (T20 World Cup) কার্যকর করা আইসিসির জন্য কতটা কঠিন হতে চলেছে, সেটাও পরিষ্কার হয়ে উঠছে (ICC)।

  • T20 World Cup 2026: আলোচনা শুরু, পটপরিবর্তনের সম্ভাবনা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট নিয়ে জলঘোলা পাকিস্তানের

    T20 World Cup 2026: আলোচনা শুরু, পটপরিবর্তনের সম্ভাবনা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট নিয়ে জলঘোলা পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে না নামার হুমকি দিলেও এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে কোনও সরকারি বিবৃতি জারি করেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। খোলা রেখেছে সিদ্ধান্ত বদলের পথ। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) ঘিরে পাকিস্তানের নাটকীয়তা থেমে নেই। সূত্রের খবর, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তের বিষয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আবারও তার সরকারের কাছ থেকে পরামর্শ চাইছে, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি) এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।

    শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট কেন চিন্তিত

    ভারত বনাম পাকিস্তান (India vs Pakistan) দ্বৈরথ। ক্রিকেটীয় উন্মাদনা তো থাকেই, এই লড়াই ঘিরে কোষাগারও ভরে ওঠে আইসিসি-র। সে টিকিটের চাহিদা হোক বা সম্প্রচারকারী চ্যানেল মারফত মুনাফা। অথচ টি-২০ বিশ্বকাপে নাকি ভারতের বিরুদ্ধেই ম্য়াচ বয়কট করতে চলেছে পাকিস্তান? পাকিস্তান সরকার পিসিবিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দল পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে, কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে বাধা দিয়েছে, এই ম্যাচটি আইসিসি এবং এর সম্প্রচারকদের জন্য সর্বোচ্চ আয়ের ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। ১৫ ফেব্রুয়ারির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি না হলে টিকিট বিক্রিতে (গেটের টাকা) বিরাট ক্ষতি হবে, আতিথেয়তা এবং স্পনসরশিপের রাজস্ব হ্রাস পাবে,
    শ্রীলঙ্কায় টুর্নামেন্টের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমনই মেল করে পিসিবি-কে জানিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট।

    নকভির সঙ্গে কথা শ্রীলঙ্কার

    সূত্রের খবর, “পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে সরকার এবং ক্রিকেট উভয় স্তরেই সবসময়ই ভালো এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাই, শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটের সম্পৃক্ততা উপেক্ষা করা যায় না।” সূত্রটি আরও জানিয়েছে যে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভির সাথে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি শাম্মি সিলভা সরাসরি যোগাযোগ করেছেন। সিলভা নকভিকে মনে করিয়ে দিয়েছেন যে শ্রীলঙ্কার এই মুহূর্তে পাকিস্তানের সমর্থন প্রয়োজন, কারণ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি না হলে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট অতিরিক্ত রাজস্ব হারাবে। সূত্রটি জানায়, মহসিন নকভি শাম্মি সিলভাকে আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি বিষয়টি পাকিস্তান সরকারের কাছে উত্থাপন করবেন এবং তারপর প্রতিক্রিয়া জানাবেন। সোমবারের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

    টিকিট বিক্রি আপাতত বন্ধ

    শত উস্কানিতেও টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরাতে পারেনি পাকিস্তান। আইসিসি বোর্ড মিটিংয়ে ভোটাভুটিতে জঘন্য হার হজম করতে হয়েছিল। অনেকে ভেবেছিলেন, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে না সরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। তা করেনি পিসিবি। বরং সাত পাঁচ না ভেবে ভারতের বিরুদ্ধে টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করার পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও এখনও আইসিসি-কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি পাকিস্তান। তবে এই পরিস্থিতিতে ওই ম্যাচের টিকিট বিক্রি আপাতত বন্ধ করে দিয়েছে আইসিসি।

  • T-20 World Cup 2026: ‘‘আমরা তো কখনও খেলব না বলিনি” কলম্বো যাচ্ছে ভারতীয় দল, পাকিস্তানকে খোঁচা সূর্যর

    T-20 World Cup 2026: ‘‘আমরা তো কখনও খেলব না বলিনি” কলম্বো যাচ্ছে ভারতীয় দল, পাকিস্তানকে খোঁচা সূর্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট প্রসঙ্গে প্রথমবার মুখ খুললেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে ‘ক্যাপ্টেনস ডে’ অনুষ্ঠানে ভারত অধিনায়ক বললেন, ‘‘আমরা তো কখনও খেলব না বলিনি। ওরা খেলতে চাইছে না। কলম্বোর জন্য আমাদের বিমানের টিকিট কাটা হয়ে গিয়েছে।” আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তেই অনড় পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত কী হবে তা সময় বলবে, তবে আপাতত মুম্বইয়ে ম্যাচ খেলে দিল্লি ও পরে কলম্বো উড়ে যাবে ভারতীয় দল।

    পাকিস্তানকে টিপ্পনি ভারত অধিনায়কের

    বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করেছে পাকিস্তান। তাতে ভারতের কী! অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব যেন ঘুরিয়ে সেটাই বলে দিলেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৫ ফেব্রুয়ারির মহারণে পাকিস্তান নামবে না ঠিকই। তবে টিম ইন্ডিয়া তৈরি। এই ইস্যু নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলে সূর্য জানিয়ে দিলেন, “আমরা তো কখনও খেলব না বলিনি।” তাঁর সাফ কথা, “ওরা খেলতে চাইছে না। আমরা তো খেলব না বলিনি। কলম্বোর জন্য আমাদের বিমানের টিকিট কাটা হয়ে গিয়েছে।” বিশ্বকাপের আগে মুম্বইয়ে ‘ক্যাপ্টেনস ডে’তে সূর্য পরবর্তী পরিকল্পনাও বলে দিলেন, “প্রথমে আমরা এখানে খেলব। তারপর দিল্লি যাব। সেখান থেকে কলম্বো যাব।” আর তার সঙ্গে পাকিস্তানকে খোঁচা দেওয়ার সুযোগও ছাড়লেন না সূর্য। ভারত অধিনায়কের টিপ্পনি, “ওদের সিদ্ধান্ত তো আর আমার হাতে নেই।” বিশ্বকাপে ভারতের অভিযান শুরু হচ্ছে ৭ ফেব্রুয়ারি, আমেরিকার বিরুদ্ধে। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নামবেন সূর্যকুমাররা। তারপর ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত-পাক মহারণ হওয়ার কথা। তবে পাক দল এই ম্যাচ বয়কট করেছে। বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের। বাবর আজমরা না নামতে চাইলেও, সূর্যরা নামবেন। এরপর ১৮ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ভারতের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ।

    আইসিসি নিয়ম মেনে কলম্বো যেতে হবে

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত বয়কট করলেও সূর্যকুমার যাদবদের কলম্বো যেতে হবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) নিয়ম মেনে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্দিষ্ট সময় স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকতে হবে ভারতীয় দলকে। পাকিস্তান ম্যাচ না খেললে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ২ পয়েন্ট পাবে ভারত। সেই ২ পয়েন্টের জন্যই নির্দিষ্ট সময় দল নিয়ে মাঠে নামতে হবে সূর্যকুমারকে। শুধু তাই নয়, ম্যাচের আগের দিন নিয়ম মেনে সাংবাদিক বৈঠকও করতে হবে ভারতীয় দলকে। মাঠে গিয়ে ম্যাচ রেফারি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত ভারতীয় দলকে অপেক্ষা করতে হবে। আইসিসির নিয়মের ১৬.২.১ ধারা অনুযায়ী, মাঠে উপস্থিত থাকলে তবেই সংশ্লিষ্ট দল এমন ক্ষেত্রে ২ পয়েন্ট পাবে। অন্য দল ম্যাচ না খেলার কথা আগে জানিয়ে দিলেও মাঠে যেতে হবে। ভারত যদি মাঠে না যায়, তা হলে ম্যাচ পরিত্যক্ত হিসাবে ঘোষণা করা হবে। তেমন হলে দু’দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগাভাগি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। শাস্তি পেতে হতে পারে ভারতীয় দলকেও।

  • New MCC laws: অবৈধ ব্যাট এবার বৈধ! নতুন আইন আনছে এমসিসি, অক্টোবর থেকে ক্রিকেটে ১০টি বড় পরিবর্তন

    New MCC laws: অবৈধ ব্যাট এবার বৈধ! নতুন আইন আনছে এমসিসি, অক্টোবর থেকে ক্রিকেটে ১০টি বড় পরিবর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লন্ডনের লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বসে নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রভাব যে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, তা নতুন করে প্রমাণ করল মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব (New MCC laws)। ক্রিকেটের আইন সংশোধনের সর্বশেষ সংস্করণ কার্যকর হচ্ছে অক্টোবর ২০২৬ থেকে। ২০২২ সালের পর এই প্রথম বড় সংশোধন, যেখানে আধুনিক ক্রিকেটের বাস্তবতা ও অন্তর্ভুক্তিকেই মূল লক্ষ্য করা হয়েছে। এমসিসির ভাষায়, নতুন আইনগুলো শুধু প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, বরং আরও সহজ ও স্পষ্ট—যাতে খেলোয়াড়, আম্পায়ার এবং সমর্থকরা সবাই আইন ভালোভাবে বুঝতে পারেন। মোট ৭৩টি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হলেও, তার মধ্যে ১০টি নিয়ম সরাসরি খেলায় প্রভাব ফেলবে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে বলবৎ হবে নতুন নিয়মগুলি।

    ল্যামিনেটেড ব্যাট বৈধ

    এখন থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ক্রিকেটেও ব্যবহার করা যাবে ল্যামিনেটেড বা টাইপ ডি ব্যাট। একাধিক কাঠের টুকরো জোড়া দিয়ে তৈরি এই ব্যাট মূলত খরচ কমানো ও উইলোর অপচয় রোধের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এক টুকরো ব্যাটই জনপ্রিয় থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। ক্রিকেটের অন্যতম প্রধান উপকরণ ব্যাট। ব্যাটের দাম ক্রমশ বেড়ে চলায় উদ্বিগ্ন ক্রিকেট কর্তারা। দাম সাধারণের নাগালের বাইরে চলে গেলে ক্রিকেটের প্রসারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই আগে নিষিদ্ধ হওয়া কয়েক ধরনের ব্যাটকে বৈধতার কথা বলা হয়েছে নতুন নিয়মে। এ বার থেকে ব্যবহার করা যাবে ল্যামিনেটেড বা কয়েক স্তরের কাঠ দিয়ে তৈরি ব্যাট। যা এক দিন শুধু জুনিয়র ক্রিকেটে অনুমোদিত ছিল। নতুন নিয়মে সব ধরনের অপেশাদার ক্রিকেটেই ল্যামিনেটেড ব্যাট ব্যবহার করা যাবে। এমসিসির বক্তব্য, ল্যামিনেটেড ব্যাট ব্যবহারে ক্রিকেটের গতিপ্রকৃতির তেমন হেরফের হবে না। তবে খরচ অনেকটাই কমবে। এমসিসির তরফে ফ্রেজার স্টুয়ার্ট বলেন, ‘‘ইংলিশ উইলোর এখন বেশ সংকট। আমরা গাছের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাই। পারফরম্যান্সে বড় পার্থক্য না এনেই যদি সাধারণ মানুষের নাগালে খেলাটাকে রাখা যায়, তবে সেটিই বুদ্ধিমানের কাজ।’’

    মহিলা ও জুনিয়র ক্রিকেট বলের স্পষ্ট মানদণ্ড

    আগে মহিলা ক্রিকেট ও জুনিয়র ক্রিকেটে বলের আকার ও ওজনের সীমা ছিল তুলনামূলকভাবে ঢিলেঢালা। ফলে একই বল দুই বিভাগেই ব্যবহার করা যেত। ২০২৬ থেকে বলকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হচ্ছে—সাইজ ১, সাইজ ২ ও সাইজ ৩। পুরুষদের ক্রিকেটে বল অপরিবর্তিত থাকলেও, মহিলা ও জুনিয়র ক্রিকেটে আলাদা ও নির্দিষ্ট মানদণ্ড চালু হচ্ছে।

    দিনের শেষ ওভার সম্পূর্ণ করতেই হবে

    মাল্টি-ডে ক্রিকেট বা টেস্ট ক্রিকেটে এতদিন দিনের শেষ ওভারে উইকেট পড়লে সঙ্গে সঙ্গে খেলা শেষ হয়ে যেত। নতুন আইন অনুযায়ী, পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে শেষ ওভার সম্পূর্ণ করতেই হবে। এতে ফিল্ডিং দলের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে বলে মনে করছে এমসিসি।

    শর্ট রান নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা

    ইচ্ছাকৃত প্রতারণা ও প্রকৃত সিদ্ধান্তের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃত শর্ট রান হলে আগের শাস্তির পাশাপাশি এবার ফিল্ডিং দল ঠিক করবে পরের বলে কোন ব্যাটার স্ট্রাইকে থাকবে। কোনও ব্যাটার ইচ্ছাকৃত শর্ট রান নিলে শাস্তি হিসাবে ৫ রান জরিমানা হয়। এবার থেকে শর্ট রানের পরের বল কোন ব্যাটার খেলবেন তা-ও ঠিক করবে ফিল্ডিং করা দল। ভুলবশত রান পূর্ণ না করলে অবশ্য এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

    বাউন্ডারিতে ‘বানি হপ’ ক্যাচে কড়াকড়ি

    বাউন্ডারির বাইরে থেকে লাফিয়ে একাধিকবার বল ছোঁয়ার প্রবণতায় লাগাম টানা হয়েছে। নতুন নিয়মে, বাইরে থেকে লাফ দিলে ফিল্ডার একবারই বল স্পর্শ করতে পারবেন এবং তারপর পুরোপুরি মাঠের ভেতরে অবতরণ করতে হবে। আইসিসি আগেই প্লেয়িং কন্ডিশনে এই নিয়ম অন্তর্ভুক্ত করেছে।

    ওভারথ্রোর সংজ্ঞা নির্দিষ্ট

    প্রথমবারের মতো ওভারথ্রো কী, তার স্পষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। স্টাম্প লক্ষ্য করে থ্রো করলে তবেই তা ওভারথ্রো হিসেবে গণ্য হবে। সাধারণ মিসফিল্ড এতে পড়বে না।

    বল কখন ‘ডেড’—নতুন ব্যাখ্যা

    এখন বল ‘ডেড’ হতে পারে যে কোনও ফিল্ডারের হাতে থাকলে বা মাটিতে স্থির অবস্থায় থাকলে। শুধু বোলার বা উইকেটকিপারের হাতে থাকা বাধ্যতামূলক নয়। বল কখন ‘ডেড’ হবে তা এখন মূলত নির্ভর করে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের উপর। এখন থেকে বল শুধু বোলার বা উইকেটরক্ষকের হাতে গেলেই ‘ডেড’ হবে না। কোনও ফিল্ডারের হাতে বল থাকলেও খেলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে ‘ডেড’ ঘোষণা করতে পারবেন আম্পায়ারেরা।

    উইকেটকিপারের অবস্থানে ছাড়

    বোলারের দৌড়ের সময় উইকেটকিপারের গ্লাভস স্টাম্পের সামনে থাকলে আর নো-বল হবে না। বল ছোড়ার পর থেকেই নিয়ম কার্যকর হবে।

    হিট উইকেট আইনে স্পষ্টতা

    শট খেলার পর ব্যাটার ভারসাম্য ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত তাকে এখনও ‘শট খেলার প্রক্রিয়ায়’ ধরা হবে। এই সময় স্টাম্প ভাঙলে আউট হবে। তবে ফিল্ডারের ধাক্কায় স্টাম্পে পড়লে ব্যাটার আউট হবেন না।

    বল নিয়ন্ত্রণের নতুন সংজ্ঞা

    রান আউট বা স্টাম্পিংয়ের ক্ষেত্রে শুধু বল ছোঁয়া যথেষ্ট নয়। ক্যাচের মতোই সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে—বল ধরে রাখার এবং ইচ্ছামতো ছাড়ার সক্ষমতা থাকতে হবে।

    ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা

    এখন থেকে ম্যাচের শেষ ইনিংসে অধিনায়কেরা ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা বা ডিক্লেয়ার করতে পারবেন না।

    লিঙ্গ নিরপেক্ষ ভাষা

    ক্রিকেটে এখন থেকে পুরুষ বা নারীবাচক শব্দের বদলে লিঙ্গ নিরপেক্ষ শব্দ ব্যবহার করা হবে। যেমন ‘ব্যাটসম্যান’-এর বদলে সর্বত্র শুধু ‘ব্যাটার’ শব্দটিই ব্যবহার করা যাবে।

    ডিক্লেরেশন

    নতুন নিয়মে ম্যাচের শেষ ইনিংসে কোনও অধিনায়ক ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা বা ডিক্লেয়ার করতে পারবেন না।

    এমসিসির ২০২৬ সালের আইন (New MCC laws) বিপ্লব নয়, বরং পরিশীলন। অস্পষ্টতা দূর করা, ন্যায্যতা বাড়ানো এবং আধুনিক ক্রিকেটের বাস্তবতার সঙ্গে আইনকে মানানসই করাই এই পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য। ঐতিহ্যই ক্রিকেটের শক্তি, তবে এমসিসির বার্তা স্পষ্ট—খেলার চেতনাকে টিকিয়ে রাখতে হলে আইন হতে হবে নির্ভুল, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সময়োপযোগী। আইনপ্রণেতা এমসিসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ক্রিকেট আইনের সর্বশেষ সংস্করণে ৪২টি আইনের কিছু ধারায় সংশোধনী আনা হয়েছে। পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান কারণ অপেশাদার ক্রিকেটারদের কাছে ক্রিকেটকে সস্তা ও সহজলভ্য করা। সে কারণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

     

     

     

     

  • T20 World Cup 2026: ভারত-পাক ম্যাচ বয়কট, নকভির নয়া রাজনীতি! বাংলাদেশ নির্বাচন শেষে ইউ-টার্ন নিতে পারে পিসিবি?

    T20 World Cup 2026: ভারত-পাক ম্যাচ বয়কট, নকভির নয়া রাজনীতি! বাংলাদেশ নির্বাচন শেষে ইউ-টার্ন নিতে পারে পিসিবি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) ভারত-পাক ম্যাচ (India vs Pakistan)বয়কট নিয়ে পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। তাই কূটনৈতিক ফায়দা তুলে বাংলাদেশের নির্বাচন মিটলেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভারত-ম্যাচ নিয়ে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে যেতে পারেন মহসিন নকভি। ভারত-ম্যাচ বয়কটের নেপথ্যে পাকিস্তান ক্রিকেটের স্বার্থের থেকে বেশি রয়েছে বাংলাদেশ সরকারকে পাশে থাকার বার্তা দেওয়ার কৌশল। এমনই দাবি খোদ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) এক কর্তার। মহসিন নকভি তো ক্রিকেট প্রশাসকের থেকেও আগে একজন রাজনীতিবিদ। জাতীয় দলকে নিয়ে বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নন নকভি, এমনই মত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিসিবির এক কর্তার।

    পিসিবির একাংশ ক্ষুব্ধ

    ভারত-ম্যাচ বয়কট নিয়ে পিসিবির একাংশ ক্ষুব্ধ। এই সিদ্ধান্ত বুঝে শুনে পাক ক্রিকেটকে বিপদে ফেলে দেওয়ার মতো। সিদ্ধান্তের পিছনে রয়েছে উপমহাদেশের রাজনৈতিক সমীকরণ। বাংলাদেশের নির্বাচন মিটে গেলেও পিসিবি চেয়ারম্যান মত বদলে ফেলতে পারেন বলে মনে করছে পিসিবি কর্তাদের একাংশ। ওই কর্তা পিটিআইকে বলেছেন, ‘‘নকভি যতটা ক্রিকেট প্রশাসক তার চেয়েও বেশি রাজনীতিবিদ। পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী। উপমহাদেশের রাজনীতিতে পাকিস্তানের ভূমিকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। পাকিস্তানের জাতীয় দলের উন্নতি নিয়ে উনি খুব একটা আন্তরিক নন। বরং বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বেশি আগ্রহী। নির্বাচনের আগে পাকিস্তান মুহাম্মদ ইউনূস সরকারের পাশে থাকতে চাইছে। এই সুযোগে নকভি নিজের নম্বর বাড়িয়ে নিতে চান। বাংলাদেশের নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি। ভারত-পাক ম্যাচ ১৫ ফেব্রুয়ারি। মাঝে দু’দিন থাকবে। তার মধ্যে নকভি ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে যেতে পারেন। না খেললে পাকিস্তানকে আইসিসি বহিষ্কার করতে পারে। সেই ঝুঁকি না-ও নিতে পারেন তিনি।’’

    বিক্ষুব্ধ পাক ক্রিকেটাররাও

    পিসিবির ওই কর্তা পিটিআইকে বলেছেন, ‘‘ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে জরিমানার কথা বলা হচ্ছে। বিশ্বকাপের সম্প্রচারকারী সংস্থাকে দিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে। এ সবের বিরুদ্ধে ডিআরসিতে গেলেও লাভ হবে না বলেও জানানো হয়েছে।’’ তিনি আরও বলেছেন, ‘‘আমাদের বার্তা দেওয়া হয়েছে, পিসিবির দাবি মেনে নিরপেক্ষ দেশে ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। ভারতের মাটিতে খেলতে না চাওয়ার দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। তার পরও সরকারের নির্দেশে ভারত-ম্যাচ না খেললে চুক্তিভঙ্গ হবে। আইসিসির বিপুল আর্থিক ক্ষতির দায় পাকিস্তানকেই নিতে হবে।’’ পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বকাপ নিয়ে বৈঠক করার আগে ক্রিকেটারদের সঙ্গেও আলোচনা করেননি নকভি। যা নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে সলমন আলি আঘাদের মধ্যেও।

    কলম্বোয় যাবে ভারতীয় দল

    পিটিআইয়ের রিপোর্টের এই দাবি কিন্তু সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়। পাকিস্তান সেই ম্যাচ খেলুক বা না খেলুক, ভারত কিন্তু এমনিও সেই ম্যাচের জন্য শ্রীলঙ্কায় সফর করবে। নিয়ম কিন্তু তাই দাবি করছে। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী ভারতকে সেদিন নিয়মমত মাঠে পৌঁছতে হবে। এমনকী সূর্যকুমারকে টস করতেও নামতে হবে মাঠে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী যদি পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আলি আঘা মাঠে না থাকেন। তাহলে তখন ম্যাচ রেফার সেই ম্যাচ ওয়াকওভার ঘোষণা করবেন। আর ভারত পয়েন্ট ঝুলিতে পুরে নেবে। অর্থাৎ পাকিস্তান শুধু বয়কট করে দিল বলেই যে পয়েন্ট ঢুকে যাবে ভারতের ঝুলিতে, তা কিন্তু নয়। টিম ইন্ডিয়াকে কলম্বোয় পৌঁছতে হবে ও মাঠেও নামতে হবে। বিসিসিআইয়ের সূত্র মারফতও জানা গিয়েছে যে ভারত ১৫ ফেব্রুয়ারির সেই ম্যাচের আগে যথারীতি অনুশীলন, সাংবাদিক বৈঠক সারবে এবং ম্যাচের দিনও মাঠে উপস্থিত থাকবেন সূর্যকুমার যাদবরা। ফলে পাকিস্তান শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলালে ম্যাচ আয়োজিত হতেই পারে।

  • T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের পাশে নেই অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসির বিরুদ্ধে অসহায় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করে বিপাকে পড়েছে পিসিবি। টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করলেও ভারত ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু সরাসরি আইসিসিকে কিছু জানায়নি। নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু তারপরই রক্তচক্ষু রাঙায় আইসিসি। এই প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক সমর্থন পেতে বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ডের দ্বারস্থ হয় পাকিস্তান। কিন্তু কোনও সাপোর্ট মেলেনি। পাশে দাঁড়ায়নি অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত ম্যাচ বয়কটের কথা আইসিসিকে জানায়নি। যার ফলে আরও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

    কোনও আইনি অবস্থানও নেই পাকিস্তানের

    সূত্রের খবর, পিসিবির পাশে দাঁড়াতে চায়নি অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ড। পাকিস্তানের কোনও লোকাস স্ট্যান্ডি নেই। কোনও আইনি অবস্থানও নেই। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বাকি ক্রিকেট বোর্ডগুলো। পাকিস্তানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সম্প্রতি ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সেখানে বয়কটের প্রসঙ্গ ওঠেনি। পাকিস্তানের মেয়েদের দলের ভারতীয় এ দলের বিরুদ্ধে খেলার কথা। এইক্ষেত্রে কোনও আপত্তি জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের কোনও ইঙ্গিতও দেওয়া হয়নি। সেখানে শুধুমাত্র বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট কেন? আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তান সব ম্যাচ কলম্বোয় খেলবে। শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু। তাই কোনও সমস্যা হওয়ার কথা না পাকিস্তানের। বাংলাদেশের সমর্থনে পাকিস্তানের এই অবস্থান মানতে পারছে না বাকি বোর্ডগুলো।

    পাকিস্তানের ওপর কী কী শাস্তি

    পাকিস্তান যদি ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামে তাহলে আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচটি ভারতকে ওয়াকওভার হিসেবে দেওয়া হবে। ভারতকে পয়েন্ট পেতে হলে তাদের মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে। যদি ভারতের অধিনায়ক (Suryakumar Yadav) টসের জন্য মাঠে আসেন এবং পাকিস্তান অধিনায়ক (Salman Ali Agha) না আসেন, তাহলে ম্যাচ রেফারি আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ এবং ২ পয়েন্ট ভারতকে দিয়ে দেবে। ডিফল্ট করা দল (পাকিস্তান) কে ২০ ওভারের পুরো ইনিংস খেলেছে কিন্তু ০ রান করেছে বলে ধরা হবে। এতে তাদের নেট রান রেট অনেক কমে যাবে, ফলে তারা অন্য ম্যাচগুলো জিতলেও শেষ ৮-এ ওঠা খুব কঠিন হবে। তবে, আর্থিক ও বাণিজ্যিক শাস্তিই পিসিবি-র আসল সমস্যা। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুধু টুর্নামেন্ট নয়, পুরো ক্রিকেট ইকোসিস্টেমে টাকা রোজগারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রচারকারী সংস্থা আনুমানিক $২৫ মিলিয়ন থেকে $৩০ মিলিয়ন বিজ্ঞাপন আয় হারাবে। তারা আইসিসি-র কাছে ছাড় চাইতে পারে। আইসিসি এই আইনি দাবি ও আর্থিক ক্ষতি সরাসরি পিসিবি-র ওপর চাপিয়ে দিতে পারে। আইসিসি পিসিবি-র বার্ষিক আয়ের অংশ আটকে রাখতে পারে, যা পাকিস্তানের ক্রিকেট বাজেটের প্রায় ৭০-৮০%। এতে বোর্ড আর্থিক সংকটে পড়তে পারে।

    আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন

    আইসিসির “সরকারি হস্তক্ষেপ” ধারা অনুযায়ী, সদস্য বোর্ডগুলোকে স্বতন্ত্রভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে, সরকারি হস্তক্ষেপ এড়াতে হবে। যদিও প্রাক্তন পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানি বলেছেন, সরকারি নির্দেশ মানলে পাকিস্তান আইসিসি-র শাস্তি থেকে রক্ষা পাবে, কিন্তু পাকিস্তানের “নির্বাচিত অংশগ্রহণ” এখনও টুর্নামেন্টের সততার লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগে (১৯৯৬ ও ২০০৩)-এ নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে দলগুলো ম্যাচ বয়কট করেছিল (যেমন Australia, Sri Lanka-র ম্যাচ বাদ দিয়েছিল)। তবে, পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা-তে, যেটা নিরপেক্ষ ভেন্যু, ম্যাচ বয়কট করছে, তাই সরকারি হস্তক্ষেপের কোনো কারণ নেই। তাই, এই পদক্ষেপ সরাসরি আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন।

  • T20 World Cup 2026: বাইশ গজে এক ঘরে পাকিস্তান! মোটা টাকা ক্ষতিপূরণ, ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে পিসিবি-কে কী বার্তা আইসিসির?

    T20 World Cup 2026: বাইশ গজে এক ঘরে পাকিস্তান! মোটা টাকা ক্ষতিপূরণ, ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে পিসিবি-কে কী বার্তা আইসিসির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) খেললেও ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না পাকিস্তান। পাক সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে আইসিসি। এই ভাবনা খেলার পরিপন্থী। পিসিবি এই সিদ্ধান্ত না বদলালে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে মহসিন নকভিদের। আইসিসির সূত্র জানিয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যার সমাধান করতে চাইছে তারা। মঙ্গল বা বুধবার তারা বৈঠকে বসবে। সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাকিস্তান যদি নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে তাহলে কড়া শাস্তি হবে তাদের। নির্বাসিত করা হতে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে। সত্তরের দশকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে যে ভাবে আইসিসি নির্বাসিত করেছিল, সেই পদক্ষেপ আরও এক বার করতে পারে তারা।

    আইসিসির বার্তা

    রবিবার পাকিস্তান সরকার এক্স মাধ্যমে পোস্ট করে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। তারা বলেছে, “পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যোগ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে না পাকিস্তান।” অবশ্য যদি ফাইনালে দু’দল মুখোমুখি হয় তখন পাকিস্তান কী করবে, এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু বলেনি পাক সরকার বা সে দেশের বোর্ড। যদি সত্যিই তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয় তা হলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও আইসিসি, দুই সংস্থারই সমস্যা আরও বাড়বে। সে ক্ষেত্রে বিশ্বকাপে জটিলতা আরও বাড়বে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইসিসি। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা বলেছে, “জাতীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের ভূমিকাকে আইসিসি সম্মান করে। কিন্তু পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেটের স্বার্থের পরিপন্থী। গোটা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ ক্রিকেটপ্রেমী, যাঁদের মধ‍্যে পাকিস্তানের সমর্থকেরাও রয়েছেন, তাঁদের ভালর কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নয়।” আইসিসি জানিয়েছে, তারা প্রত‍্যাশা করে পাকিস্তান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি লিখেছে, “পিসিবি তাদের দেশের ক্রিকেটের উপর এর সুদূরপ্রসারী এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবের কথা বিবেচনা করবে। কারণ এটি বিশ্ব ক্রিকেটের বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে, যার অন্যতম সদস্য এবং সুবিধাভোগী পিসিবি নিজেই।”

    আর্থিক জরিমানা

    আগেই বিক্রি হয়ে যাওয়া বিজ্ঞাপন এবং স্পনসরশিপ ইন্টিগ্রেশনের জন্য ৩৮ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩৪৭.৮৯ কোটি টাকা) ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আইসিসি-র থেকে বছরে ৩৪.৫ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩১৫.৮৯ কোটি টাকা, ৫.৭৫% অংশ) পায় পাকিস্তান। চুক্তি লঙ্ঘন হলে সেই টাকা আটকে যেতে পারে। ম্যাচের দিনের বিজ্ঞাপনের সরাসরি ক্ষতি; ১০ সেকেন্ডের স্লটের দাম ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে সেই টাকার পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ২০০-২৫০ কোটি টাকা অংশগ্রহণ ফি বাজেয়াপ্ত এবং আইসিসি কর্তৃক ২ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত সম্ভাব্য জরিমানা হতে পারে পাকিস্তানের।

    ব্রাত্য পাকিস্তান ক্রিকেট

    আইসিসি সদস্য বোর্ডগুলিকে পাকিস্তান সুপার লিগের জন্য বিদেশি খেলোয়াড়দের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া বন্ধ করার পরামর্শ দিতে পারে। যা লিগটির বাণিজ্যিক মূল্যকে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। দুই দল যোগ হওয়ায় এই মুহর্তে পিএসএলের বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা। ভবিষ্যতে পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এবং আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আয়োজক স্বত্ব বাতিল হতে পারে! যার ফলে বহু বছর ধরে রাজস্বে ধারাবাহিক ক্ষতি হবে। পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে ওই ম্যাচের পয়েন্ট হারাবে এবং ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ-সহ ভবিষ্যতের আইসিসি ইভেন্টে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে পারে পাকিস্তান। তেমনটা হলে পাকিস্তান ক্রিকেট পিছিয়ে যাবে বেশ কয়েক বছর। অন্ধকার হয়ে যাবে পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ।

  • T20 World Cup 2026: ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে বড় অঙ্কের জরিমানা! পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট নিয়ে কড়া বার্তা আইসিসির

    T20 World Cup 2026: ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে বড় অঙ্কের জরিমানা! পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট নিয়ে কড়া বার্তা আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০২৬ (T20 World Cup 2026) ভারতের (India) বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির গ্রুপ ম্যাচ খেলতে রাজি নয় পাকিস্তান। পাক সরকারের এই নির্দেশ জারি হতেই সরব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)। প্রকাশ্যে তাদের প্রশ্ন, বেছে বেছে ম্যাচ না খেলা, আইসিসি ইভেন্টে অসম্ভব। এটা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে করা যায় না! এরকম করলে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে বলে জানায় আইসিসি। পাকিস্তানকে বড় অঙ্কের জরিমানাও দিতে হতে পারে।

    সব দলকে সমান শর্তে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হয়

    রবিবার বিকেলে পাকিস্তানের তরফে খবরটি সামনে আসে এবং রাতের মধ্যেই বিবৃতি দেয় আইসিসি। কাউন্সিলের স্পষ্ট বক্তব্য, এখনও পর্যন্ত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (PCB) কাছ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বার্তা পাওয়া যায়নি। তবে পাকিস্তান সরকারের বিবৃতি লক্ষ্য করার পর তারা অবস্থান স্পষ্ট করছে। জানানো হয়, “সকল যোগ্য দলকে সমান শর্তে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হয়। সিলেকটিভ পার্টিসিপেশন (Selective Participation) বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার মৌলিক ধারণার সঙ্গে যায় না।” পাকিস্তানের এই হঠাৎ ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়টিকে খুব একটা ভালভাবে নেয়নি আইসিসি। দেওয়া হয়েছে কড়া হুঁশিয়ারিও। কাউন্সিলের ভাষায়, “আমরা সরকারি নীতিকে সম্মান করি ঠিকই, কিন্তু এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেট এবং বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটভক্তদের, এমনকি পাকিস্তানের লক্ষ লক্ষ সমর্থকেরও স্বার্থের পরিপন্থী। আইসিসি টুর্নামেন্ট স্পোর্টিং ইন্টেগ্রিটি (Sporting Integrity), ন্যায্যতা এবং ধারাবাহিকতার ওপর দাঁড়িয়ে। কোনও ম্যাচে না নামা এই ভিত্তিকে দুর্বল করবে।”

    পাক সরকারে অবান্তর ইচ্ছা

    আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) পাকিস্তানের অংশগ্রহণ করা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবারই ঘোষণা করা হবে। তবে তার আগে সপ্তাহান্তে পাকিস্তান সরকারের (Pakistan government) তরফে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ খেলার জন্য শ্রীলঙ্কায় সফর করার অনুমতি দেওয়া হলেও, জানানো হয় তাঁরা ভারতের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ বয়কট করছে। দিনকয়েক আগে বাংলাদেশ নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে ভারত থেকে তাঁদের ম্যাচ সরানোর দাবি করেছিল। সেই সময়ে পাকিস্তানই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশকে শেষমেশ বিশ্বকাপ থেকে ছাঁটাই করা হলে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ভবিষ্যৎ নিয়েও সংশয় তৈরি হয়। পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলবে কি না, সেই নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি এক বৈঠক সারেন। সেই বৈঠকের পরেই না না রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছিল যে পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেললেও ভারতের ম্যাচ তারা বয়কট করবে কি না, সেই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্য়মে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের কথাজানায় শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান সরকার। তবে পিসিবি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থাকে এখনও এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে লিখিতভাবে কিছু জানায়নি বলেই শোনা যাচ্ছে।

    দায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও

    টুর্নামেন্টে ভারত-পাক ম্য়াচ না হলে আইসিসির কিন্তু বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে। ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ যে কোনও ক্রিকেট টুর্নামেন্টেরই সবচেয়ে বেশি দরাদরি ও ভিউয়ারশিপ–নির্ভর ম্যাচ। বাতিল হলে টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক ও প্রতিযোগিতামূলক মান—দুই–ই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি খেলার মতো সেক্টরে শুধুমাত্র একটি দেশের বিরুদ্ধে মাঠে না নামা মোটেও ভাল বার্তা দেবে না। সব বিবেচনা করে আইসিসি স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের লক্ষ্য একটাই—টুর্নামেন্ট নির্বিঘ্নে আয়োজন। এর দায়িত্ব সব সদস্য দেশের, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও।

  • T20 World Cup: টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তান না খেললে বিকল্প দল বাংলাদেশ! বিরাট চাল আইসিসির

    T20 World Cup: টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তান না খেললে বিকল্প দল বাংলাদেশ! বিরাট চাল আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ (T20 World Cup) থেকে আইসিসি ছাঁটাই করে দেওয়ার পর পাকিস্তানও জানিয়েছে, তারা খেলবে কি না ভেবে দেখবে। পিসিবির এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিসিসিআই। কোনও কারণ ছাড়াই পাকিস্তান এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে এবং বাংলাদেশকে উস্কে দিয়েছে। এর ফলে ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের এমনটাই মনে করেন ভারতীয় বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা। ভারত থেকে বিশ্বকাপের ম্যাচ সরিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিল বাংলাদেশ। আইসিসির বোর্ডের কোনও সদস্য সেই দাবিকে আমল দেয়নি। শ্রীলঙ্কাও তাদের গ্রুপে বাংলাদেশকে নিতে রাজি হয়নি। পাকিস্তান ছাড়া কাউকে পাশে না পেয়ে ক্রিকেটবিশ্বে কোণঠাসা বাংলাদেশ। এই পরিস্থিতিতে ‘নায়ক’ হওয়ার চেষ্টা করছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। তিনি জানিয়েছেন, আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলের অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।

    পাকিস্তানের পরিবর্তে বাংলাদেশ

    আইসিসি সূত্রে খবর, যদি পাকিস্তান বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, সে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশকে তাদের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। আইসিসির এক কর্মকর্তা জানান, পাকিস্তান সরে গেলে বাংলাদেশকে গ্রুপ ‘এ’-তে অন্তর্ভুক্ত করে শ্রীলঙ্কায় সব ম্যাচ খেলার সুযোগ দেওয়া হতে পারে, যা ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আগের অনুরোধ। আইসিসি কর্মকর্তার মতে, এই ব্যবস্থায় বড় ধরনের লজিস্টিক জটিলতা তৈরি হবে না এবং একই সঙ্গে ভারতে খেলতে না চাওয়া নিয়ে বাংলাদেশের আগের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগকে সরাসরি মেনে নেওয়ার অভিযোগও এড়ানো যাবে।

    পাকিস্তানের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ রাজীব

    ভারতীয় বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান কোনও কারণ ছাড়াই হস্তক্ষেপ করছে। বাংলাদেশকে উস্কানি দিচ্ছে। সকলে জানে এক সময় বাংলাদেশের মানুষের উপর বর্বরতা চালিয়েছে পাকিস্তান। এখন আবার তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এটা সম্পূর্ণ ভুল। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলুক। আমরা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিলাম। তা-ও ওরা নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকে। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপের পুরো সূচি বদলে ফেলা অসম্ভব। সে কারণেই পরিবর্ত হিসাবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’’ উল্লেখ্য, আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ে বাংলাদেশ ২-১৪ ব্যবধানে হেরে যায় বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর দাবি নিয়ে ভোটাভুটিতে। বাংলাদেশ নিজেদের ভোট ছাড়া শুধু পাকিস্তানের সমর্থন পেয়েছিল। আইসিসির বোর্ড মিটিংয়ের আগে থেকেই অবশ্য টি২০ বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থেকেছে পাকিস্তান।

    পিসিবিকে দুষছেন হরভজন

    পিসিবিকে দুষেছেন হরভজন সিং। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন, ‘‘পাকিস্তান ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছিল। পাকিস্তান শ্রীলঙ্কায় খেলবে। আগে থেকেই এটা ঠিক ছিল। নতুন যে সমস্যাটা তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে ওদের সম্পর্ক ছিল না। তা-ও কেন আগবাড়িয়ে হস্তক্ষেপ করছে? শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশই বিশ্বকাপ থেকে বাদ হয়ে গেল।’’ ভাজ্জি বাংলাদেশেরও সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘ভারতে খেলতে আসার আপত্তি নিয়ে ওরা আগে আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করতে পারত। তা না করে প্রথমে নিজেরাই ঘোষণা করে দিল। আলোচনার রাস্তা খোলা রেখে এগোনো উচিত ছিল। টি২০ বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়া হলে হয়তো ওদের তেমন সুযোগ থাকত না। কিন্তু এ বার ওরা দ্বিতীয় পর্বে পৌঁছোতে পারত। সুপার এইটে হয়তো একাধিক অঘটনও ঘটাতে পারত। শেষ পর্যন্ত যা হল সেটা আসলে বাংলাদেশেরই পরাজয়। অন্য কারও হার নয়।’’ হরভজনের মতে বাংলাদেশের ক্রিকেট কর্তাদের আরও পরিণত এবং ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল। প্রথমেই একতরফা ভাবে নিজেদের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দিয়ে সমস্যা সমাধানের রাস্তাই তাঁরা প্রায় বন্ধ করে দেন। পাকিস্তানের ইন্ধনে আখেরে ক্ষতি হল বাংলাদেশের ক্রিকেটেরই।

  • T-20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ‘বিতাড়িত’! বাংলাদেশ ক্রিকেটকেও খাদের কিনারে আনল ইউনূস প্রশাসন

    T-20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ‘বিতাড়িত’! বাংলাদেশ ক্রিকেটকেও খাদের কিনারে আনল ইউনূস প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেট বর্তমানে এমন একটি জায়গায় দাঁড়িয়ে, এখান থেকে ফেরা সহজ নয়। ভারত-বিদ্বেষে অন্ধ কট্টরপন্থীদের তোয়াজ করতে গিয়ে দেশের ক্রিকেটকে গাঢ়় অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB)। টি-২০ বিশ্বকাপ শুধুই একটি টুর্নামেন্ট নয়, আইসিসি-র-র এমন একটি মঞ্চ, যেখানে ক্রিকেট বিশ্বে একটি দেশের, একটি দলের ভবিষ্যত্‍ তৈরি হয়। আর সেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ‘বিতাড়িত’ বাংলাদেশ। তাদের পরিবর্ত হিসেবে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দিল আইসিসি। ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসা নিয়ে নিজেদের জেদ বজায় রেখেছে বাংলাদেশ। একাধিক বৈঠক, আল্টিমেটামের পরেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে জাতীয় দলকে ভারতে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তাই বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হল না। টুর্নামেন্টের মূল তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ দিয়ে গ্রুপ ‘সি’ তে জায়গা দেওয়া হল স্কটল্যান্ডকে। শনিবার, ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ইমেল পাঠিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহের নেতৃত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    আইসিসি-র প্রোটোকল ভঙ্গ

    টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরে আলোচনার পর বিসিবির অবস্থান স্পষ্ট না হওয়ায় আইসিসি শেষ পর্যন্ত বিকল্প পথ বেছে নেয়। বিসিবির পক্ষ থেকে আইসিসির ‘ডিসপিউট রেজোলিউশন’ কমিটির কাছে আপিল করা হলেও কমিটি জানিয়ে দেয়, এ সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার ক্ষমতা তাদের নেই। আইসিসির এক গোপন সূত্র জানায়, নির্ধারিত ২৪ ঘণ্টার ডেডলাইনের মধ্যে বিসিবি আনুষ্ঠানিক ভাবে জানায়নি দল ভারত সফর করবে কি না। উল্টে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে অবস্থান জানানোর কারণে প্রোটোকল ভঙ্গ হয়েছে এ অভিযোগও উঠে আসে। ফলে আইসিসি আর অপেক্ষা না করে বিকল্প দল নির্ধারণের পথেই হাঁটে।

    এই সিদ্ধান্ত সংগঠনিক

    বিসিবি চূড়ান্তভাবে নিরাপত্তা শঙ্কার কারণ দেখিয়ে বিশ্বকাপে ভারত সফর না করার কথা জানায়। এর ফলে সময় নষ্ট না করে স্কটল্যান্ডকে বাংলাদেশের জায়গায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। টুর্নামেন্ট শুরু ১৫ দিনেরও কম সময় বাকি থাকায় এই সিদ্ধান্ত সংগঠনিক দিক থেকেও অনেকটাই সুবিধাজনক বলে মনে করেন আইসিসি কর্তারা। আরও একটি ঘটনা বড় প্রভাব ফেলেছে এ ক্ষেত্রে। আইসিসি-কে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানানোর আগেই ঢাকায় একটি সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সেখানেই বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামও জানান, তাঁরা বিশ্বকাপের ম্যাচ শ্রীলঙ্কাতেই খেলতে চান। এই ঘটনার ফলে আইসিসি-র নিয়ম ভঙ্গ করে বাংলাদেশ। সে কারণেই কড়া পদক্ষেপ আইসিসি-র। বাংলাদেশকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশ্বকাপ থেকে তাদের বাদ দেওয়ার বিষয়ে। স্কটল্যান্ডকেও জানানো হয়েছে বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার কথা।

    বাংলাদেশের সূচি অনুযায়ী খেলবে স্কটল্যান্ড

    স্কটল্যান্ড সরাসরি বাংলাদেশের সূচি অনুযায়ী গ্রুপ ‘সি’তে খেলবে। তাদের প্রথম ম্যাচ ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালি এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের মুখোমুখি। ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে নেপালের বিপক্ষে খেলবে ইউরোপের প্রতিনিধিরা। যোগ্যতা অর্জনের মানদণ্ডে স্কটল্যান্ডই ছিল সবচেয়ে এগিয়ে আইসিসি টি ২০ র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে এখনো বিশ্বকাপে জায়গা না পাওয়া দলগুলির মধ্যে তাদের অবস্থান ছিল সর্বোচ্চে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সেও পূর্ণ সদস্যদের বিরুদ্ধে স্কটল্যান্ডের লড়াকু ধারাবাহিকতা আইসিসির সিদ্ধান্তকে আরও যুক্তিযুক্ত করে।

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যত

    ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বল গড়াবে। তার আগে বাংলাদেশের ভেন্যু নিয়ে চলছিল টালবাহানা। নিরাপত্তার আশঙ্কায় ভারতে না খেলার ব্যাপারে অনড় ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলও ছাড় দেয়নি বাংলাদেশকে। আইসিসিও বাংলাদেশের ভেন্যু ভারত থেকে সরাতে নারাজ ছিল। আইসিসি বোর্ডের সভায় ভোটাভুটিতে হারও মেনেছিল বাংলাদেশ। বুধবার আইসিসি একপ্রকার আলটিমেটাম দিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ যদি ভারতের মাটিতে এসে না খেলে তাহলে তাদের পরিবর্তে বিশ্বকাপে ঢুকে যাবে স্কটল্যান্ড। আদতে তাই হল। বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগেই স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল বাংলাদেশের!

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের কী হবে

    ক্রিকেটে নিজেদের রাজনৈতিক ও কট্টরপন্থী অ্যাজেন্ডাকে চরিতার্থ করতে, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের গাঢ় অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিল বিসিবি। ইউনূস সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বে মশগুল হয়ে বিসিবি-কে বলে দিল, ভারতে গিয়ে খেলা যাবে না। বিসিবি-রও হাত-পা বাঁধা। প্লেয়ারদের কী হবে? বাংলাদেশ ক্রিকেটের কী হবে? বাংলাদেশ এখনও পর্যন্ত কোনও আইসিসি টুর্নামেন্ট ট্রফি জেতেনি। ২০০০ সালে টেস্ট ক্রিকেটে ঠাঁই পেয়েছিল জগমোহন ডালমিয়ার (তত্‍কালীন আইসিসি সভাপতি) দয়ায়। টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট মানে বাংলাদেশের ক্রিকেট অর্থনীতিতে বিরাট ক্ষত। স্পনসররা বিদায় নেবে, র‍্যাঙ্কিং পড়ে যাবে, ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টগুলিও অনিশ্চিত।

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের আত্মহত্যা!

    সবচেয়ে বড় আঘাত হল, ২০৩১ সালে ভারত ও বাংলাদেশ যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করার কথা। সেই স্বপ্নও চুরমার হয়ে গেল। বেসিক্যালি, বাংলাদেশ ক্রিকেটকে কবর দেওয়ার সব রকম বন্দোবস্ত করে ফেলল ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিতর্কের আবহ ২০৩১ সালের একদিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত গড়াতে পারে। এই আশঙ্কা আইসিসি-র কর্তাদেরই। তাঁদের বক্তব্য, বিশ্বকাপের মতো মঞ্চের কোনও ব্যাক আপ হয় না। বাংলাদেশের সিনিয়র ক্রিকেট সাংবাদিক শান্ত মাহমুদের সতর্কবার্তা, বয়কটের সিদ্ধান্ত ক্রিকেটারদের মানসিক অবস্থা এবং কেরিয়ারের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর মতে, এত বড় মাপের একটি প্রতিযোগিতায় অংশ না নিতে পারলে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসে বড় ধাক্কা লাগতে পারে এবং কেরিয়ারের অগ্রগতিও থমকে যেতে পারে। বিশ্ব ক্রিকেটে স্থান পাওয়া কঠিন, কিন্তু হারানো খুব সহজ। বাংলাদেশ বর্তমানে সেই প্রান্তে দাঁড়িয়ে। যদি বাংলাদেশের কাছ থেকে বিশ্বকাপের আয়োজনও হাতছাড়া হয় , তাহলে তা খেলার কাছে নয়, রাজনীতির কাছে হারা হবে।

LinkedIn
Share