Tag: India Border Security

  • Amit Shah: সীমান্তে কড়া অ্যাকশন অমিত শাহের, ১৫ কিমির মধ্যে সব অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ

    Amit Shah: সীমান্তে কড়া অ্যাকশন অমিত শাহের, ১৫ কিমির মধ্যে সব অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবার আরও কড়া অবস্থান নিল কেন্দ্র। সীমান্তের ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে গড়ে ওঠা সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাশাপাশি সীমান্ত জেলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেন, জাল আধার চক্র, মাদক পাচার, অনুপ্রবেশ এবং ভুয়ো সংস্থার বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাজস্থানের বিকানেরে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী জেলার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকে এই নির্দেশ দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা, রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিক, পাঁচ সীমান্ত জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপাররা। এই পাঁচ জেলা হল বিকানের, জয়সলমের, বারমের, শ্রীগঙ্গানগর এবং ফলোদি।

    ১৫ কিমি সীমান্ত এলাকায় অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ

    বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বেআইনিভাবে তৈরি হওয়া সমস্ত নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে। বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা এই ধরনের সমস্ত অবৈধ কাঠামো চিহ্নিত করে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ নির্মাণ অনেক সময় অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, বেআইনি আর্থিক লেনদেন এবং জঙ্গি কার্যকলাপের আড়াল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। তাই এই ধরনের নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    ব্যাঙ্ক লেনদেন ও ভুয়ো সংস্থার উপর কড়া নজর

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সীমান্তবর্তী জেলার জেলাশাসকদের আরও বেশি ক্ষমতা ও দায়িত্ব দিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় সমস্ত ব্যাঙ্কের আর্থিক লেনদেনের বৈধতা খতিয়ে দেখতে হবে। বিশেষ করে বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলির অর্থের উৎস যাচাই, ভুয়ো সংস্থা বা শেল কোম্পানি শনাক্ত করা, মিউল অ্যাকাউন্টের সন্ধান এবং জাল আধার কার্ড চক্র ধরতে হবে প্রশাসনকে। আধিকারিকদের মতে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অনেক সময় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অর্থ পাচার, জঙ্গি অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক চোরাচালান চালানো হয়। সেই কারণেই আর্থিক নজরদারিকে এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ করা হচ্ছে।

    মাদক পাচার ও অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

    বৈঠকে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিকে মাদক পাচার ও অপরাধ চক্রের উৎস, নেটওয়ার্ক এবং কার্যপদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাৎক্ষণিক অভিযান নয়, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের অপরাধ ফের মাথাচাড়া না দেয়, সেই লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান তৈরির উপর জোর দিয়েছেন শাহ। তিনি বলেন, ‘‘সীমান্ত সুরক্ষা শুধু নিরাপত্তা বাহিনীর কাজ নয়, এর সঙ্গে সাধারণ মানুষ, প্রশাসন এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকেও একযোগে কাজ করতে হবে। সেই কারণে প্রতিটি সীমান্ত জেলার জন্য ‘৩৬০ ডিগ্রি সিকিউরিটি কভার’ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’’

    বিএসএফ, এনসিবি ও কর দফতরের যৌথ সমন্বয়ের উপর জোর

    অমিত শাহ সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বিএসএফ, সিবিডিটি, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) এবং রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার, জমি দখল, জঙ্গি অর্থায়ন এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় যৌথ কৌশল গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম-২ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ

    সীমান্তবর্তী গ্রামের উন্নয়নেও জোর দিয়েছে কেন্দ্র। বৈঠকে ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম-২’ দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য সীমান্ত গ্রামের পরিকাঠামো উন্নয়ন, প্রশাসনিক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া, অর্থনৈতিক অপরাধ রোধ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। শাহ নির্দেশ দেন, সীমান্ত গ্রামের প্রতিটি পরিবার যাতে কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ ১০০ শতাংশ ‘স্যাচুরেশন’ নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

    সাইবার অপরাধ রুখতে ‘১৯৩০’ হেল্পলাইনের ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশ

    সাইবার অপরাধ মোকাবিলাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্দেশ দেন, জাতীয় সাইবার প্রতারণা হেল্পলাইন ‘১৯৩০’-এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সীমান্তবর্তী এলাকায় অনলাইন প্রতারণা, ডিজিটাল আর্থিক জালিয়াতি এবং সাইবার অপরাধ রুখতে এই ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করার কথা বলা হয়েছে।

    দু’মাস পর ফের পর্যালোচনা

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, আগামী দু’মাস পর এই সমস্ত নির্দেশের অগ্রগতি নিয়ে ফের পর্যালোচনা বৈঠক করা হবে। তাই প্রতিটি জেলাকে ফলপ্রসূ ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন অমিত শাহ। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান সীমান্ত ঘেঁষা রাজস্থানের মরু অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে মাদক পাচার, ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় কেন্দ্র এবার আরও কড়া নিরাপত্তা নীতি গ্রহণ করছে।

  • Suvendu Adhikari Government: স্কুল-মান্ডিতেই হবে হোল্ডিং সেন্টার! কীভাবে ধরা হবে অনুপ্রবেশকারীদের, জানাল সরকার

    Suvendu Adhikari Government: স্কুল-মান্ডিতেই হবে হোল্ডিং সেন্টার! কীভাবে ধরা হবে অনুপ্রবেশকারীদের, জানাল সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সরকার বদলের পর অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল নবগঠিত বিজেপি সরকার। নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই “ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট” নীতির কথা তুলে ধরেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ক্ষমতায় আসার পর সেই অবস্থান আরও স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বাস্তব স্তরেও শুরু হতে চলেছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ ও প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া। সেই লক্ষ্যেই রাজ্যের প্রতিটি জেলায় “হোল্ডিং সেন্টার” তৈরির নির্দেশ পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার।

    জেলায় জেলায় তৈরি হবে হোল্ডিং সেন্টার

    রাজ্য প্রশাসনের তরফে সমস্ত জেলা শাসকদের কাছে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের অবৈধ বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে, তাঁদের নির্দিষ্ট হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে। পরে নির্ধারিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মেনে তাঁদের সীমান্ত পার করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করবে বিএসএফ। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পরে ভারতে প্রবেশ করা বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের বিশেষভাবে চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগার বা জেল থেকে মুক্তি পাওয়া যেসব বিদেশি অনুপ্রবেশকারী রয়েছেন, তাঁদেরও সরাসরি হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে।

    কেন্দ্রের নির্দেশ কার্যকর করল নতুন সরকার

    ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের শনাক্তকরণ, আটক এবং প্রত্যর্পণ নিয়ে একটি বিস্তৃত নির্দেশিকা জারি করেছিল। কিন্তু অভিযোগ, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি তৎকালীন তৃণমূল সরকার। নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই নির্দেশ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেয়। রাজ্যের তরফে জেলাগুলিতে যে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে, তা মূলত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকার ভিত্তিতেই তৈরি।

    কারা সিএএ-র আওতায়, কারা ডিপোর্টের মুখে

    সম্প্রতি সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যাঁরা পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন, তাঁদের মধ্যে যারা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA)-এর আওতায় পড়েন, তাঁদের বৈধ নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অন্যদিকে, যাঁরা ওই আইনের আওতায় পড়েন না—বিশেষত বাংলাদেশে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা—তাঁদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে গণ্য করে ডিপোর্ট করা হবে বলে সরকার স্পষ্ট করেছে।

    কেমন হবে এই হোল্ডিং সেন্টার

    প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বিভিন্ন জেলার কৃষক মান্ডি, সরকারি স্কুল বা সরকারি পরিকাঠামোকেই আপাতত হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। আলাদা করে বড়সড় ডিটেনশন ক্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা আপাতত নেই। তবে ওই সেন্টারগুলিতে রাখা ব্যক্তিরা বাইরে অবাধে চলাফেরা করতে পারবেন না। নিরাপত্তা ও নজরদারির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে বলেও জানা গিয়েছে।

    কীভাবে শনাক্ত করা হবে অনুপ্রবেশকারীদের

    কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী, সীমান্ত পার হওয়ার সময় ধরা পড়া বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে থাকবে আঙুলের ছাপ, মুখের ছবি এবং অন্যান্য পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য। এই সমস্ত তথ্য আপলোড করতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ফরেনার্স আইডেন্টিফিকেশন পোর্টালে (FIP)। পাশাপাশি প্রতিটি জেলায় অবৈধ বিদেশি শনাক্ত ও প্রত্যর্পণের জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স (STF) গঠনের কথাও বলা হয়েছে।

    কেউ নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করলে কী হবে

    যদি কোনও সন্দেহভাজন ব্যক্তি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক বলে দাবি করেন, তাহলে তাঁর তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলা বা রাজ্যের কাছে যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হবে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৩০ দিনের মধ্যে সেই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। এই সময় পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে হোল্ডিং সেন্টারেই রাখা হবে।

    অবৈধ প্রমাণিত হলে নেওয়া হবে কড়া ব্যবস্থা

    যাঁরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত হবেন, তাঁদের ব্ল্যাকলিস্ট করা হবে যাতে ভবিষ্যতে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করতে না পারেন।
    এছাড়া তাঁদের সমস্ত তথ্য কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে সংরক্ষণ করা হবে এবং ইউআইডিএআই (আধার কর্তৃপক্ষ), নির্বাচন কমিশন, পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ-সহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আধার, ভোটার কার্ড বা অন্য সরকারি পরিচয়পত্র ও সুবিধা বাতিল করার প্রক্রিয়াও শুরু হতে পারে।

    খরচ বহন করবে কে

    নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের প্রত্যর্পণের জন্য প্রাথমিক পরিবহণ ব্যয় রাজ্য সরকার বহন করবে। পরে সেই অর্থ কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে ফেরত পাওয়া যাবে। অন্যদিকে হোল্ডিং সেন্টার তৈরি, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার সম্পূর্ণ খরচ রাজ্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।

    রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্ব

    রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশের প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। বিজেপি বরাবরই অভিযোগ করেছে, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বেড়েছে এবং তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। নতুন সরকারের এই পদক্ষেপকে বিজেপি প্রশাসনিক কঠোরতা হিসেবে তুলে ধরলেও, বিরোধীদের একাংশ ইতিমধ্যেই মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। ফলে আগামী দিনে এই হোল্ডিং সেন্টার ও ডিপোর্টেশন নীতি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

LinkedIn
Share