Tag: India China Talks

India China Talks

  • India UNSC Bid: চিনের অবস্থান বদল! রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে ‘বোঝে ও সম্মান করে’, জানাল বেজিং

    India UNSC Bid: চিনের অবস্থান বদল! রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে ‘বোঝে ও সম্মান করে’, জানাল বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারতের ইচ্ছাকে “বোঝে ও সম্মান করে” চিন। ভারত সফরে এসে এমনটাই জানালেন চিনের উপ-বিদেশমন্ত্রী। বেজিংয়ের এই মন্তব্য চাৎপর্যপূর্ণ এই কারণে যে, চিনের বিরোধিতামূলক অবস্থানের কারণেই ভারত এখনও পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হতে পারেনি। সেখান থেকে চিনের এই মন্তব্য তাদের তরফে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে।

    চিন-বৈঠক নিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতি…

    আগামী ব্রিকস সম্মেলন ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তার আগে, ৮ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বসেছিল ব্রিকস দেশগুলির শেরপা-বৈঠক। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন চিনের এক্সিকিউটিভ ভাইস ফরেন মিনিস্টার (EVFM) মা ঝাওশু। ১০ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রির সঙ্গে কৌশলগত আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন ঝাওশু। সেখানেই তিনি সফল ব্রিকস সম্মেলন আয়োজনের জন্য ভারতকে শুভকামনা প্রদান করেন এবং সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তার সঙ্গেই জানান, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে দিল্লির ইচ্ছাকে বেজিং বোঝে ও সম্মান করে। বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারতে আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন যাতে সাফল্যের সঙ্গে আয়োজন করা যায়, তার জন্য চিনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, উপ-বিদেশমন্ত্রীমা ঝাওশু জানিয়েছেন যে, নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদের ক্ষেত্রে ভারতের ইচ্ছাকে বোঝে ও সম্মান করে চিন।”

    কেন গুরুত্বপূর্ণ চিনের এই অবস্থান পরিবর্তন?

    ২০২২ সালে ভারত যখন রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছিল, তখন পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের মধ্যে একমাত্র চিনই ভারতের প্রার্থিতাকে সমর্থন করেনি। ওই বছর ২২ জুলাই লোকসভায় দেওয়া এক উত্তরে তৎকালীন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ভি মুরালিধরণ জানান, চারটি স্থায়ী সদস্য দেশ ভারতের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছিল। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মোট ১৫ জন সদস্য থাকে। এর মধ্যে পাঁচজন স্থায়ী ও ১০ জন অস্থায়ী সদস্য। স্থায়ী সদস্য দেশগুলি হল চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, ব্রিটেন ও আমেরিকা। এই পাঁচ দেশের প্রত্যেকেরই ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।

    ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাশিয়া ভারতের প্রার্থিপদের প্রতি সমর্থন জানায়। পরে একই বছরের ডিসেম্বরে ফ্রান্স ও ব্রিটেনও সমর্থনের কথা ঘোষণা করে। ভারতের পাশাপাশি ব্রাজিল, জার্মানি, জাপান ও দক্ষিণ আফ্রিকাও নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য শীর্ষ দাবিদার দেশগুলির মধ্যে রয়েছে।

    ‘‘ভারতের  স্থায়ী আসন পাওয়া উচিত’’

    ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ভারতের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে জানান, আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের পক্ষে সমর্থন ক্রমেই বাড়ছে এবং এই অর্জন “অপরিহার্য”। তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে একটি অনুভূতি তৈরি হয়েছে যে বর্তমান কাঠামো বদলানো দরকার এবং ভারতের একটি স্থায়ী আসন পাওয়া উচিত। প্রতি বছর এই অনুভূতি আরও জোরদার হচ্ছে। তবে বড় কিছু অর্জন কখনই কঠোর পরিশ্রম ছাড়া সম্ভব নয়।”

    ভারত-চিন কৌশলগত আলোচনা

    • ● ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ভারত-চিন কৌশলগত আলোচনায় উভয় দেশই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতাবস্থার গুরুত্বের ওপর জোর দেয়।
    • ● বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশ মতবিনিময় করেছে। আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-চিন সম্পর্ক স্থিতিশীল করা এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা বৃদ্ধির পথ খোঁজা।
    • ● দু’পক্ষই তাদের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে এবং বিশেষ করে বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়গুলিকে রাজনৈতিক ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে।
    • ● কৈলাস মানসরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু হওয়াকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে এর আরও সম্প্রসারণের আশা প্রকাশ করেন বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি।
    • ● ভারত ও চিন একটি উড়ান পরিষেবা চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে এবং ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়।
    • ● চলতি বছরে ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের প্রেক্ষাপটে বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
  • India China Talks: সীমান্ত-সম্পর্ক উন্নত করতে ফের বৈঠকে ভারত-চিন, কী আলোচনা হল?

    India China Talks: সীমান্ত-সম্পর্ক উন্নত করতে ফের বৈঠকে ভারত-চিন, কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলাচ্ছে বৈশ্বিক রাজনীতি। পরিবর্তন হচ্ছে সম্পর্কের গাঁটছড়ারও। প্রত্যাশিতভাবেই গলছে ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ (India China Talks)। চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বুধবার জানিয়েছে, চিন ও ভারতের সেনাবাহিনী দুই দেশের সীমান্তের (Border) পশ্চিম অংশের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রক এও জানিয়েছে, এই বৈঠকটি ২৫ অক্টোবর ভারতের দিকে মোলদো-চুশুল সীমান্ত বৈঠক পয়েন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষই রাজি হয়েছে যে তারা সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা চালিয়ে যাবে।

    আলোচনা হয়েছে আগেও (India China Talks)

    এর আগে জুলাই মাসেও পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশ আলোচনায় বসেছিল। চিন তাকে খোলামেলা আলোচনা বলে বর্ণনা করেছিল। এই বৈঠকটি ভারত-চিন সীমান্ত বিষয়ক পরামর্শ ও সমন্বয়ের কার্যকর প্রক্রিয়া কাঠামোর মধ্যেই হয়। সেই সময়ই চিনের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল যে উভয় পক্ষই চলতি বছরের শেষের দিকে পরবর্তী দফার আলোচনা করতে রাজি হয়েছে। জুলাই মাসের আলোচনার ফল সম্পর্কে ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল যে সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। এটি ধীরে ধীরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মন্ত্রক এও জানিয়েছিল যে, এই আলোচনা শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে।

    ভারত-চিন সম্পর্কের লেখচিত্র

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অক্টোবরের পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সামরিক অচলাবস্থা শেষ হওয়ার পর থেকে ভারত ও চিনের সম্পর্কের লেখচিত্র ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী (India China Talks)। অগাস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সম্মেলনের ফাঁকে চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ঐতিহাসিক পার্শ্ববৈঠক করেছিলেন। এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রীর সাত বছর পর প্রথম চিন সফর। প্রধানমন্ত্রী এই বৈঠককে ফলপ্রসূ বলেই উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “উভয় পক্ষ সীমান্ত (Border) এলাকায় শান্তি বজায় রাখার গুরুত্বের বিষয়ে একমত হয়েছে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন স্বার্থ ও সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে সহযোগিতার অঙ্গীকার করেছে।” উল্লেখ্য যে, ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনের বিষয়ে সমঝোতা হলেও, উভয় পক্ষের সীমান্তরক্ষী বাহিনী এখনও পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়নি (India China Talks)।

  • S Jaishankar: ‘ভারত-চিন বাণিজ্যে যেন কোনও রকম প্রতিবন্ধকতা না আসে’, ওয়াং ই-কে সাফ জানালেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ‘ভারত-চিন বাণিজ্যে যেন কোনও রকম প্রতিবন্ধকতা না আসে’, ওয়াং ই-কে সাফ জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গলতে চলেছে ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ! সোমবার বেজিংয়ে চিনা (China) বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ওই বৈঠকে বাধাদানকারী বাণিজ্যিক পদক্ষেপ ও রাস্তায় থাকা বিভিন্ন বাধা সরানোর আহ্বানও জানান তিনি। জয়শঙ্কর দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন। কারণ দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনার পর সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে দুই দেশই।

    কী বললেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)

    জয়শঙ্কর বলেন, “এই প্রসঙ্গে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে দুই দেশের বাণিজ্যে কোনও রকম নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিবন্ধকতা যেন আরোপ না করা হয়। আমি আশা করি, এই বিষয়গুলি নিয়ে আরও বিশদে আলোচনা করতে পারব।” তিনি জানান, গত ন’মাসে উভয় পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়েছে। জয়শঙ্করের এই চিন সফর হচ্ছে পাঁচ বছর পরে, ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর। ওই সংঘর্ষে দুপক্ষেরই বেশ কয়েকজন সেনার মৃত্যু হয়েছিল। তার মারাত্মক প্রভাব পড়েছিল ভারত-চিন সম্পর্কের ওপর।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক

    প্রসঙ্গত, জয়শঙ্করের ওই মন্তব্য এমন একটা সময়ে এল যখন চিন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। সার-সহ ভারতের বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে নানা প্রতিবন্ধকতারও সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “গত ন’মাসে আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে ভালো অগ্রগতি করেছি। এটি সীমান্তে উত্তেজনার অবসান এবং সেখানে শান্তি ও স্থিতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে আমাদের সক্ষমতার ফল।”  তিনি বলেন, এই হল পারস্পরিক কৌশলগত আস্থার মৌলিক ভিত্তি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মসৃণ বিকাশের জন্য এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এখন আমাদের দায়িত্ব সীমান্ত-সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়ের মোকাবিলা করা, যার মধ্যে রয়েছে উত্তেজনা প্রশমনের বিষয়টিও।”

    চিনের সংবেদনশীল খাতগুলিতে রফতানি নিয়ন্ত্রণের নাম না করে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “ভবিষ্যতের সহযোগিতা নির্ভর করবে উভয় পক্ষই বাণিজ্যিক সীমাবদ্ধতা থেকে সরে আসে কি না, তার ওপর। মানুষে-মানুষে যোগাযোগ স্বাভাবিক করার জন্য নেওয়া পদক্ষেপগুলি নিশ্চিতভাবেই পারস্পরিকভাবে লাভজনক সহযোগিতা বাড়াতে পারে (China)। একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ হল বাণিজ্যে সীমাবদ্ধতা এবং প্রতিবন্ধকতা এড়ানো।”

  • India China Talks: ভারত-চিন মিলিটারি পর্যায়ের বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা জানেন?

    India China Talks: ভারত-চিন মিলিটারি পর্যায়ের বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে মুখোমুখি হতে চলেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সপ্তাহখানেক পরে দক্ষিণ আফ্রিকায় হবে ব্রিকস নেতাদের সম্মেলন। এই সম্মেলনেই সামনাসামনি দেখা হবে দুই রাষ্ট্রনেতার (India China Talks)। ঠিক তার আগেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় উত্তেজনা কমাতে উদ্যোগী হল দুই দেশ।

    বৈঠকে দুই দেশ

    সোমবার হতে চলেছে ভারত এবং চিন দুই দেশের মিলিটারি পর্যায়ের ১৯তম বৈঠক। সরকারি সূত্রেই এ খবর জানা গিয়েছে। ভারতের তরফে যে প্রতিনিধি দল এই বৈঠকে অংশ নেবে, তাতে থাকবেন ১৪ জন। এর মধ্যে রয়েছেন কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাশিম বালি। এর আগে দুই দেশের মিলিটারি পর্যায়ের বৈঠকটি হয়েছিল চলতি বছরের এপ্রিল মাসের ২৩ তারিখে, সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের আগে। দুই দেশের মিলিটারি পর্যায়ে যে অবিশ্বাসের (India China Talks) বাতাবরণ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতেই হয়েছিল ওই বৈঠক।

    বৈঠকের আলোচ্য সূচি

    সরকারি সূত্রে খবর, সোমবারের বৈঠকে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে কীভাবে আস্থা ফেরানো যায়, কীভাবে সীমান্ত প্রোটোকল মেনে চলা যায়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এবং বাফার জোনে সংঘর্ষ এড়াতে দুই দেশের কী করণীয়, এসব নিয়েই আলোচনা হবে এদিনের বৈঠকে। মাস চারেক আগেই বৈঠক হয়েছিল ভারত ও চিনের বিদেশমন্ত্রীদের মধ্যে। তারও আগে বৈঠক হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শদাতাদের মধ্যে। তার পর হতে চলেছে সোমবারের বৈঠক।

    আরও পড়ুুন: যাদবপুরকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ২, ধৃতদের মধ্যে স্বপ্নদীপের রুমমেটও

    চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের ৯ ও ১০ তারিখে ভারতে আসার কথা চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের। জি-২০ বৈঠকে যোগ দিতেই তিনি আসবেন ভারতে। তার আগে সীমান্তের অচলাবস্থা কাটাতে চাইছে নয়াদিল্লি ও বেজিং (India China Talks)। জুলাই মাসে দিল্লিতে মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শদাতা অজিত ডোভাল এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। সেই বৈঠকে ডোভাল বলেছিলেন, নষ্ট হয়েছে দুই দেশের কৌশলগত বিশ্বাস, রাজনৈতিক সম্পর্ক। গত বছর ইন্দোনেশিয়ার বালিতে হয়েছিল জি-২০-র বৈঠক। সেই বৈঠকে মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি এবং জিনপিং। সীমান্তে অচলাবস্থা কাটাতে সেখানেও আলাদা করে বৈঠক করেছিলেন মোদি ও জিনপিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • India China Talks:  সীমান্ত সমস্যা মেটাতে ১৬তম বৈঠকে ভারত, চিনের কমান্ডাররা

    India China Talks: সীমান্ত সমস্যা মেটাতে ১৬তম বৈঠকে ভারত, চিনের কমান্ডাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার হল ভারত (India) চিন (China) কমান্ডার স্তরের (Commander Level) ১৬তম বৈঠক। বৈঠক হয়েছে চুশুল (Chushul) সীমান্তে। সূত্রের খবর, পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সংঘাত এড়াতেই চলছে আলোচনা। ভারতের তরফে বৈঠকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি’ কোর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ সেনগুপ্ত। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেরই ১১ মার্চ ভারত-চিন কোর কমান্ডার স্তরের ১৫তম বৈঠকটি হয়েছিল।

    ১৭ জুলাইয়ের এই বৈঠকের আগে আরও ১৫ বার বৈঠকে বসেছে দুই দেশের সেনারা। সেনা পর্যায়ের ওই বৈঠকগুলির পরেও পূর্ব লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের বিবাদ সম্পূর্ণ মেটেনি। এবার স্থায়ী সমাধান খোঁজার লক্ষ্যেই দীর্ঘ বিরতির পর এদিন ফের মুখোমুখি হয়েছে প্রতিবেশী এই দুই দেশ। ২০২০ সালের মে মাসে দুই দেশের বিবাদ শুরু হওয়ার পর থেকে শান্তি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে নয়াদিল্লি ও বেজিংয়ের বৈঠক হয়েছে একাধিকবার। তার পরেও সমস্যা মেটেনি পুরোপুরি। এই আবহেই এদিন হয়েছে ফের বৈঠক। সূত্রের খবর, বৈঠকে দুই দেশই সীমান্ত এলাকায় দেশের অভ্যন্তরে স্থায়ী নিরাপত্তা বজায় রাখার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। সমস্যা এড়াতে সেনার পাশাপাশি কূটনৈতিক স্তরেও চলবে আলাপ আলোচনা।   

    আরও পড়ুন : মোদি-দলাই শুভেচ্ছা বিনিময়, ক্ষুব্ধ চিন, জবাব দিল ভারত  

    ২০২০ সালে গালওয়ানে ভারত এবং চিন সেনার সংঘর্ষের পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এর পর থেকেই দুই দেশের সীমান্ত বরাবর প্রচুর সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সম্প্রতি চিনা সামরিক বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ভারতীয় আকাশসীমার খুব কাছে চলে এসেছিল। এরপরই দুই দেশের এই সেনা কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন ভূরাজনৈতিক মহল। তামাম বিশ্বে ভূরাজনৈতিক চিত্র বদলে যাওয়ায় ভারতের পাশে দাঁড়াতে চিন যে আগ্রহী, সাম্প্রতিক অতীতে একাধিকবার তার ইঙ্গিত দিয়েছে বেজিং। ভারত যখন গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে, তখনও ভারতের সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছিল ড্রাগনের দেশ। এই আবহে দুই দেশের সেনা পর্যায়ের বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুন : বন্দরের ফাঁদে ফেলেই শ্রীলঙ্কাকে ডোবাল চিন?

     

LinkedIn
Share