Tag: India news

India news

  • ISIS Terrorist Arrested: মাথার দাম ৩ লক্ষ! দিল্লিতে গ্রেফতার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ আইএস জঙ্গি

    ISIS Terrorist Arrested: মাথার দাম ৩ লক্ষ! দিল্লিতে গ্রেফতার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ আইএস জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ঘাপটি বেঁধে রয়েছে তিন ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গি। এমন চাঞ্চল্যকর খবর ছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ-র কাছে। সেইমতোই, রাজধানী জুড়ে গত কয়েকদিন ধরে চলছিল চিরুনি-তল্লাশি। ঘোষণা করা হয়েছিল মোটা অঙ্কের পুরস্কারের। আর তাতেই মিলল বড়সড় সাফল্য। সোমবার সকালে দিল্লি থেকে গ্রেফতার (ISIS Terrorist Arrested) করা হয়েছে তিনজনের মধ্যে একজনকে।

    জালে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ আইএস জঙ্গি

    সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, দিল্লি থেকে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গিকে ধরল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। এদিন যে জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে তার নাম মহম্মদ শাহনওয়াজ ওরফে সফিউজ্জামা আলম ওরফে আবদুল্লা। দিল্লির একটি গোপন ডেরা থেকে তাকে আটক করে (ISIS Terrorist Arrested) দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। মূলত, জঙ্গিদের খুঁজে বের করার এই তদন্তে এনআইএ-র সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। জানা গিয়েছে, শফির মাথার দাম ৩ লক্ষ টাকা ঘোষণা করেছিল এনআইএ। পুণে আইএস মডিউলের সঙ্গে ওতপ্রতভাবে যুক্ত ছিল এই বলে নিশ্চিত তথ্য রয়েছে গোয়েন্দাদের কাছে।

    মোট ন’লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা

    এনআইএ যে তিন জঙ্গির তল্লাশি করছিল, তাদেরই একজন হল এই শাহনাওয়াজ (ISIS Terrorist Arrested)। বাকি দু়জন হল রিজওয়ান আব্দুল হাজি আলি ও আবদুল্লা ফৈয়াজ শেখ। গত অগাস্ট মাসেই এই তিনজনের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এনআইএ-র হাতে আসে। গোয়েন্দারা আরও জানতে পারেন যে, এই তিন জনই দিল্লিতে এসে গা ঢাকা দিয়েছে। এর পরই দিল্লির আনাচে-কানাচে এদের খোঁজ চালাচ্ছে গোয়েন্দাদের টিম। এই দলে যেমন রয়েছে এনআইএ। তেমনই রয়েছে দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) বিশেষ সেল সহ একাধিক নিরাপত্তা সংস্থা। কিছুদিন আগেই, এই তিন জনের সন্ধান দিতে পারলে মাথাপিছু তিন লক্ষ করে মোট ন’লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C-295 Airlifter: ভারতে পৌঁছল প্রথম ‘সি-২৯৫’ বিমান, কতটা লাভবান হবে ভারতীয় বায়ুসেনা?

    C-295 Airlifter: ভারতে পৌঁছল প্রথম ‘সি-২৯৫’ বিমান, কতটা লাভবান হবে ভারতীয় বায়ুসেনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ভারতে পৌঁছল অত্যাধুনিক সামরিক পণ্য সরবরাহকারী বিমান ‘সি-২৯৫’ এয়ারলিফটার (C-295 Airlifter)। এধরনের ৫৬টি বিমান কিনছে ভারত। এর ফলে, এক ধাক্কায় ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) ধার ও ভার অনেকটাই বেড়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, এবার চিন-সীমান্তের মতো দুর্গম জায়গায় অতি সহজেই অস্ত্র ও রসদ পৌঁছে দিতে পারবে বায়ুসেনা। 

    চিন-সীমান্তে নিমেষেই পৌঁছে যাবে বাহিনী, অস্ত্র-রসদ

    দীর্ঘদিন ধরেই বর্তমানে ব্যবহৃত পুরনো আমলের এবং তুলনামূলক ছোট ও কম শক্তিশালী অ্যাভরো-৭৪৮ বিমানকে অবসরে পাঠিয়ে তার জায়গায় নতুন শক্তিশালী, আরও প্রযুক্তিগত উন্নত এবং সর্বোপরি অধিক সক্ষমতার একটি পণ্য সরবরাহকারী বিমানের খোঁজে ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয় বায়ুসেনাকে। বিশেষ করে ভারত-চিন সীমান্ত অঞ্চলে এই সমস্যা বেশি দেখা দিয়েছে। সেনা ট্রাকে করে সড়কপথে বাহিনী বা সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছতে অনেক বিলম্ব হয়। এবার ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) চলে আসায় অবশেষে বায়ুসেনার সেই সমস্যা আর থাকবে না। এর ফলে লাদাখ, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিমে মতো দুর্গম অঞ্চলে অতি সহজে এবং কম সময়ের মধ্যে অস্ত্র ও রসদ পৌঁছে দিতে পারবে বায়ুসেনা।

    ভদোদরায় পৌঁছল ‘সি-২৯৫’

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, বুধবার গুজরাটের ভদোদরার বায়ুসেনাঘাঁটিতে স্পেন থেকে প্রথম বিমানটি এসে পৌঁছেছে। বাহরিন থেকে বিমানটি চালিয়ে নিয়ে এসেছেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন পিএস নেগি। গত ১৩ তারিখ, স্পেনের সেভিয়া শহরে একটি অনুষ্ঠানে এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরী এবং স্পেনে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ পট্টনায়েকের উপস্থিতিতে প্রথম ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) বিমানটি ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে তুলে দিয়েছিল বিমান নির্মাতা সংস্থা ‘এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস’। বায়ুসেনার (Indian Air Force) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর দিল্লির কাছে হিন্ডন বায়ুসেনাঘাঁটিতে নির্ধারিত একটি অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আনুষ্ঠানিকভাবে বিমানটিকে ভারতীয় বিমান বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করবেন।

    ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ কিনেছে বায়ুসেনা

    জানা গিয়েছে, ২ বছর আগে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এয়ারবাসের সঙ্গে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) বিমান কেনার চুক্তি করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, যার মূল্য প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। চুক্তি মোতাবেক, ৫৬টি বিমানের মধ্যে প্রথম ১৬টি একেবারে ফ্লাই-অ্যাওয়ে কন্ডিশনে (সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায়) ভারতে উড়িয়ে আনা হবে। বাকি ৪০টি ভারতে তৈরি হবে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে। চুক্তি অনুযায়ী, ভারতে বিমানগুলি তৈরি হবে গুজরাটের ভাদোদরায়, টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস-এর কারখানায়।

    ‘সি-২৯৫’-এর অনন্য বৈশিষ্ট্য

    বিমানটি ১৩ ঘণ্টা টানা কম জ্বালানী খরচ করে উড়তে পারে। একটি ইঞ্জিনের সাহায্য এটি সাড়ে ১৩ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। ২টি ইঞ্জিন ব্যবহার করলে, এই বিমান ৩০ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে পারে। এছাড়া, এই বিমানে মিড-এয়ার রিফুয়েলিং ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ, যুদ্ধবিমানের মতো মাঝ-আকাশেই জ্বালানি ভরতে সক্ষম ‘সি-২৯৫’ এয়ারলিফটার (C-295 Airlifter)। টেক অফের জন্য এই বিমানের প্রয়োজন মাত্র ৪২০ মিটার রানওয়ে। ল্যান্ডিংয়ের জন্য প্রয়োজন এর অর্ধেক। ফলে, ছোট বা সম্পূর্ণ তৈরি না হওয়া এয়ারস্ট্রিপ থেকেও উড়ান দিতে পারবে এটি। এয়ারবাসের তরফে জানানো হয়েছে, কাঁচা, নরম এবং বালুকাময় অথবা ঘাসের এয়ারস্ট্রিপ থেকে অসাধারণ শর্ট টেক-অফ এবং ল্যান্ডিং (STOL) করার ক্ষমতা রয়েছে ‘সি-২৯৫’ বিমানের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anantnag Encounter: শেষ হল ৭ দিনের গুলির লড়াই, অনন্তনাগে খতম লস্কর কমান্ডার উজেইর খান

    Anantnag Encounter: শেষ হল ৭ দিনের গুলির লড়াই, অনন্তনাগে খতম লস্কর কমান্ডার উজেইর খান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ (Anantnag Encounter)। ৭ দিন ধরে রক্তক্ষয়ী গুলির লড়াইয়ের শেষে সাফল্য পেল ভারতীয় বাহিনী। অনন্তপুরে তিন অফিসার সহ চার জওয়ানের হত্যার বদলা নিল সেনা। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে খতম কুখ্যাত লস্কর জঙ্গি-নেতা উজেইর খান। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকালে লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার উজির খানকে নিকেশ করেছে সেনা। 

    শেষ গুলির লড়াই, তবে চলবে অভিযান

    এদিন সকালে কাশ্মীরের অনন্তনাগে ওই কুখ্যাত জঙ্গি নেতাকে খতম করা হয়েছে (Anantnag Encounter)। এর পাশাপাশি আরও এক জঙ্গির দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে সেনা সূত্রে জানা যাচ্ছে। যদিও তার দেহ এখনও উদ্ধার করা হয়নি। কাশ্মীর পুলিশের অতিরিক্ত ডিজি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, “লস্কর কমান্ডার উজেইরকে খতম করা হয়েছে। তার দেহ এবং বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তল্লাশি এখনই বন্ধ করা হচ্ছে না। জঙ্গিরা সংখ্যায় ২-৩ জন ছিল মনে করা হচ্ছে। সব জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে কি না বা কোনও জঙ্গি ওই জঙ্গলে এখনও লুকিয়ে আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বেশ কিছু গোপন ডেরার হদিস মিলেছে ওই পাহাড়ে। সেগুলি ধ্বংস করার কাজ চলছে। ফলে, সংঘর্ষ শেষ হলেও তল্লাশি অভিযান চলবে।”

    গত বুধবার শুরু লড়াই, শহিদ চার জওয়ান

    অনন্তনাগে ভারতীয় সেনার এই অভিযান শুরু হয়েছিল গত সপ্তাহের বুধবার। অনন্তনাগ জেলার কোকেরনাগ এলাকার গাডোল অঞ্চলে কিছু জঙ্গি লুকিয়ে ছিল বলে গোপন সূত্রে খবর পান সেনা জওয়ানরা। সেই মতো শুরু হয় জঙ্গি নিধন অভিযান (Anantnag Encounter)। জঙ্গিদের সঙ্গে সেনার গুলির লড়াই শুরু হয়। এর মধ্যে, এই সংঘর্ষে জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ হয়েছিলেন রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কর্নেল মনপ্রীত সিং, মেজর আশিস ধোনচাক এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি হুমায়ুন ভাট। পরে শুক্রবার, আরও এক সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। 

    অভিযানে নামানো হয়েছিল ড্রোন

    এর পরই, ব্যাপক অভিযানে নামে বাহিনী (Anantnag Encounter)। জঙ্গিদের কোণঠাসা করে দেওয়া হয়েছিল। অভিযানে ড্রোনের সাহায্যও নেওয়া হয়েছিল। সেনার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যতক্ষণ না সবকটা জঙ্গি খতম হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত অভিযান চলবে। এর সপ্তাহ শেষে মঙ্গলবার কুখ্যাত জঙ্গি নেতাকে খতম করলেন জওয়ানরা। এদিন এডিজি বলেন, ‘‘এখনও অনেকটা জায়গা তল্লাশি করা বাকি আছে। বেশ কিছু জায়গায় বিস্ফোরক রাখা থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেগুলিকে উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করা হবে।’’ সাধারণ মানুষ যাতে ওই এলাকা থেকে আপাতত দূরে থাকেন, সেই পরামর্শও দিচ্ছেন অ্যাডিশনাল ডিজিপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anantnag Encounter: ৬ দিন পার! এখনও চলছে অনন্তনাগ অভিযান, উদ্ধার এক জঙ্গির পোড়া দেহ

    Anantnag Encounter: ৬ দিন পার! এখনও চলছে অনন্তনাগ অভিযান, উদ্ধার এক জঙ্গির পোড়া দেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৬ দিন পার। এখনও জম্মু কাশ্মীরের অনন্তনাগে চলছে সেনার জঙ্গিদমন অভিযান (Anantnag Encounter)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনন্তনাগ জেলার কোকেরনাগের গাদোল জঙ্গলে শুরু হয়েছিল এই অভিযান। সেনা-জঙ্গির এই সংঘর্ষে (Army-Militants Gunfight) বুধবার শহিদ হন সেনার ২ অফিসার এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের পদস্থ কর্তা। বৃহস্পতিবার থেকেই জঙ্গিদের খোঁজে ব্যাপকহারে তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনা এবং পুলিশের যৌথবাহিনী। এর মধ্যেই শুক্রবার, আরও এক সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

    জঙ্গি ডেরায় মর্টার, রকেট দিয়ে অভিযান  (Anantnag Encounter) সেনার

    এদিকে সেনা সূত্রে খবর, ঘন জঙ্গলে জঙ্গিদের সম্ভাব্য ডেরা চিহ্নিত করে মর্টার, রকেট লঞ্চার দিয়ে অভিযান চালিয়েছে সেনা। পাশাপাশি, ড্রোন দিয়ে চলেছে নজরদারিও। ফলস্বরূপ, রবিবার থেকেই জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই থেমেছিল সেনার। ভোরের দিকে গোলাগুলি চললেও বেলা গড়ানোর পর সেনার গুলির প্রত্যুত্তরে আর জবাব আসেনি। এর পর সোমবার সকালে একটি পোড়া দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই দেহটি জঙ্গির বলেই জানা গিয়েছে (Anantnag Encounter)।

    জঙ্গলে উদ্ধার জঙ্গির দগ্ধ দেহ

    সেনা সূত্রে খবর, সোমবার ভোর থেকে নতুন করে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয় (Army-Militants Gunfight)। ড্রোনের মাধ্যমে জঙ্গিদের লোকেশন ট্রাক করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। সেই সময়ই জঙ্গলের অপর একটি প্রান্ত থেকে একটি পোড়া দেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পোশাক দেখে সেনার অনুমান যে দেহটি জঙ্গির। তবে ওই এলাকায় আরও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে বলে মনে করছে সেনা। জঙ্গি কোথায় লুকিয়ে, সে বিষয়ে ড্রোনের সাহায্যে চলছে তল্লাশি। মঙ্গলবার রাত থেকে শুরু হওয়া মূল অভিযানে প্রায় ১৩০-ঘণ্টা পার হতে চলল। এখনও চলছে সেই অভিযান। সেনা জানিয়েছে, যতক্ষণ না সবকটা জঙ্গি খতম হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত অভিযান চলবে (Anantnag Encounter)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: বারামুল্লার উরিতে খতম ৩ জঙ্গি, এখনও চলছে অনন্তনাগের অভিযান

    Jammu Kashmir: বারামুল্লার উরিতে খতম ৩ জঙ্গি, এখনও চলছে অনন্তনাগের অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনন্তনাগে জঙ্গি হামলায় ৩ অফিসার সহ চার জওয়ানের মৃত্যুর ২ দিন পর জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) বারামুল্লায় বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হল ৩ জঙ্গি (Baramulla Encounter)। 

    শনিবার সকালে উরিতে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ

    শনিবার সকালে বারামুল্লা জেলার উরি অঞ্চলের হাতলাঙ্গায় বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে গুলির লড়াই (Army-Militants Gunfight) শুরু হয়। জঙ্গিদমন অভিযানের নেতৃত্বে ছিল সেনা ও বারামুল্লা পুলিশকে নিয়ে গঠিত যৌথবাহিনী (Baramulla Encounter)। এদিন নিজেদের ট্যুইটার (অধুনা এক্স) হ্যান্ডলে জম্মু কাশ্মীর পুলিশ প্রথমে জানিয়েছিল, ২ জঙ্গি খতম হয়েছে। আর কোনও জঙ্গি লুকিয়ে আছে কিনা তা জানতে গোটা এলাকায় তল্লাশি চলছে। 

    ২ ঘণ্টা পর সেনার চিনার কোরের তরফে জানানো হয়, তৃতীয় জঙ্গিও খতম হয়েছে। কিন্তু, তার দেহ নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছে পড়ে রয়েছে। দেহ আনতে গেলে, ভারতীয় বাহিনীর ওপর গুলি চালাতে শুরু করে পাক রেঞ্জার্স। যে কারণে, এখনও দেহ নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে, ভারতীয় বাহিনীও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। জঙ্গির দেহ হাতে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    প্রায় ১০০-ঘণ্টা, এখনও চলছে অনন্তনাগের অভিযান

    এদিকে, প্রায় ১০০-ঘণ্টা হতে চলল, এখনও জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) অনন্তনাগ জেলার গাদোলে চলছে সেনা-জঙ্গি লড়াই (Army-Militants Gunfight)। শনিবার এই অভিযান চতুর্থ দিনে পড়ল। কোকেরনাগের ঘন জঙ্গলের মধ্যে আত্মগোপন করে রয়েছে ৩-৪ জঙ্গি। সকাল থেকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করতে চালানো হচ্ছে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি।

    বুধবার এই অভিযানে নেমে জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ হয়েছিলেন রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কর্নেল মনপ্রীত সিং, মেজর আশিস ধোনচাক এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি হুমায়ুন ভাট। বৃহস্পতিবার থেকেই জঙ্গিদের কোণঠাসা করে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছিল সেনা এবং পুলিশের যৌথবাহিনী (Anantnag Encounter)। এর মধ্যেই শুক্রবার, আরও এক সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

    আরও পড়ুন: তেরঙায় মোড়া সন্তানদের নিথর দেহ, শোকে পাথর শহিদ জওয়ানদের পরিবার

    ‘‘জঙ্গি খতম না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে’’

    সেনা সূত্রে খবর, লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসবাদীরা সকলেই লস্কর-ই-তৈবার ছায়া সংগঠন, ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’-এর সদস্য বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের নেতৃত্বে রয়েছে উজেইর খান নামে এক জঙ্গি (Jammu Kashmir)। চিনার কোরের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই এবং ভিক্টর ফোর্সের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং মেজর জেনারেল বলবীর সিং এই অভিযানের তত্ত্বাবধান করছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না সবকটা জঙ্গি খতম হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত অভিযান (Army-Militants Gunfight) চলবে।

  • Mamata Foreign Tours: স্পেন নয় প্রথম! অতীতেও লগ্নি আনতে বিদেশে গিয়েছিলেন মমতা, প্রাপ্তি ‘লবডঙ্কা’

    Mamata Foreign Tours: স্পেন নয় প্রথম! অতীতেও লগ্নি আনতে বিদেশে গিয়েছিলেন মমতা, প্রাপ্তি ‘লবডঙ্কা’

    একদা রোমান সেনেটকে লেখা এক চিঠিতে রোম সম্রাট জুলিয়াস সিজার উল্লেখ করেছিলেন ‘ভেনি, ভিডি, ভিসি’ শব্দবন্ধের। বাংলায় যার অর্থ— ‘এলাম, দেখলাম, জয় করলাম’ স্বরূপ। এরাজ্যের শিল্প-বাণিজ্য সম্মেলনে যোগ দিতে আসা দেশি-বিদেশি শিল্পপতিদের মুখে ‘পি-থ্রি’ থাকে। যার অর্থ— প্রবেশ, প্রস্তাব, প্রস্থান…

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক এক যুগ আগে, ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর মসনদে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আশ্বাস দিয়েছিলেন, রাজ্যে শিল্পে জোয়ার আনবেন তিনি। দাবি করেছিলেন, বিনিয়োগের বন্যায় ভেসে যাবে রাজ্য। কিন্তু, সব প্রতিশ্রুতিই সার! যদিও, এখনও সেই একই বুলি আওড়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেই গালগপ্পোকে হাতিয়ার করেই তিনি বর্তমানে স্পেন-মধ্যপ্রাচ্য সফরে গিয়েছেন— রাজ্যে বিনিয়োগ আনতে (Mamata Foreign Tours)। যদিও, শেষেমেশ কী আসবে, তা নিয়ে জোর বিতর্ক হতেই পারে। কারণ, অতীতে যে বাণিজ্য-শিল্প সফর করেছিলেন তিনি, সেখান থেকে কার্যত খালি হাতেই ফিরেছেন (Bengal Industry Situation)। 

    রাজ্যে বিনিয়োগ খতিয়ান

    দেশে-বিদেশে মুখ্যমন্ত্রী একাধিক বাণিজ্য সম্মেলন থেকে শুরু করে শিল্প মেলার আয়োজন করেছেন। প্রত্যেকটায় নিট ফল শূন্য। না, এটা বিরোধীদের গাল-ভরা অভিযোগ নয়। খোদ সরকারি পরিসংখ্যানই তাই বলছে। ২০১৫ সালে রাজ্যের শিল্প সম্মেলনে ঘোষিত হয়েছিল ২,৪৩,১০০ কোটি টাকার লগ্নি৷ বাস্তবায়িত হয়েছে মাত্র ৯৮৩ কোটি টাকা৷ অর্থাৎ ঘোষণার মাত্র ০.৪ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে৷ ২০১৬ সালে বাস্তবায়িত হয়েছে ৩,৪৩৩ কোটি টাকা যা ঘোষণার ১.৩ শতাংশ, ২০১৭ সালে বাস্তবায়িত হয়েছে ২,৫৩৬ কোটি টাকা, যা ঘোষণার ১.০৭ শতাংশ।

    প্রবেশ, প্রস্তাব, প্রস্থান

    ইতিহাসবিদদের মতে, আনুমানিক ৪৭ খৃষ্টপূর্ব সময়ে জুলিয়াস সিজার রোমান সেনেটকে লেখা এক চিঠিতে একটি বীরত্বসূচক বাক্যাংশ উল্লেখ করেছিলেন। যা পরবর্তীকালে, অমর হয়ে যায়। সেই বাক্যাংশটি ছিল ‘ভেনি, ভিডি, ভিসি’। বাংলায় যার অর্থ— ‘এলাম, দেখলাম, জয় করলাম’ স্বরূপ। রোম সম্রাটের বাক্যাংশ ‘ভি-থ্রি’ (তিনটে ইংরেজি অক্ষর ভি) হলে, এরাজ্যের শিল্প-বাণিজ্য সম্মেলনে যোগ দিতে আসা দেশি-বিদেশি শিল্পপতিদের মুখে ‘পি-থ্রি’ থাকে। যার অর্থ— প্রবেশ, প্রস্তাব, প্রস্থান। অর্থাৎ, তাঁরা আসেন, বড় বড় প্রস্তাব-প্রতিশ্রুতি দেন এবং প্রস্থান করেন। এ তো গেল রাজ্য সম্মেলনের কথা। এবার আসা যাক বিদেশে মমতার শিল্প-বাণিজ্য সম্মেলনের কথায়। মসনদে আসীন হওয়ার পর মমতা প্রথম বিদেশে বাণিজ্য সম্মেলন করেন সিঙ্গাপুরে ২০১৪ সালের অগাস্ট মাসে (Mamata Foreign Tours)। সেবার ব্যাঙ্কিং, তথ্যপ্রযুক্তি জগতের একঝাঁক প্রতিনিধি সহ ৫২ জন বণিক-কর্তা ও ১২ জন সরকারি আধিকারিক মুখ্যমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়েছিলেন। ছিলেন বিনোদন জগতের ব্যক্তিত্বরাও।

    সিঙ্গাপুর থেকে কি কিছু এল?

    টলিউডের আশা ছিল, সিঙ্গাপুরে যেমন হলিউডের স্টুডিও আছে, সেই মতো বিদেশি স্টুডিও যেন এরাজ্যেও গড়ে ওঠে। টলিউডের দাবি ছিল, সিঙ্গাপুরের পরিকাঠামো যাতে এরাজ্যে আসে, তার প্রয়াস যেন করেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Foreign Tours)। শোনা গিয়েছিল, সিঙ্গাপুরের মতো দিঘাতেও ওয়াটার ওয়ার্ল্ড গড়ে উঠবে। তৈরি হবে আন্ডারওয়াটার পার্ক, সাবমেরিন মিউজিয়াম। শেষে দেখা গেল, সিঙ্গাপুর থেকে বিনিয়োগের ছিঁটেফোঁটাও এলো না। দিঘায় এখন শুধুমাত্র সিঙ্গাপুরি কলা পাওয়া যায়। ওয়াটার ওয়ার্ল্ড বিশ বাঁও জলে। এও শোনা গিয়েছে, সিঙ্গাপুরে বসবাসকারী এক অনাবাসী ভারতীয় পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে চেয়েছিলেন। তিনি বালিতে জমি কিনেছিলেন। কিন্তু, স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের মাধ্যমে তাঁকে টাকার জন্য এত চাপ দেওয়া হয়, যে সেই অত্যাচারে তিনি চলে যান এরাজ্য থেকে (Bengal Industry Situation)।

    কলকাতা হয়ে উঠল কি লন্ডন?

    মসনদে বসেই মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, কলকাতাকে লন্ডন বানিয়েই ছাড়বেন। সেই গপ্পে ভর করে ২০১৫ সালে লন্ডন সফরে যান মমতা (Mamata Foreign Tours)। তৎকালীন মুখ্যসচিব সঞ্জয় মিত্র, কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র, সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন, সাংসদ-শিক্ষাবিদ সুগত বসু, সাংসদ-অভিনেতা দেব, ফিকির সভাপতি জ্যোৎস্না সুরি-সহ এক বিশাল দল নিয়ে জুলাই মাসের শেষে লন্ডন সফর করেন মমতা। ঘটা করে বাণিজ্য সম্মেলন হয়। একাধিক বৈঠক, কথা-আলোচনা… সেবারও অনেক প্রতিশ্রুতি প্রাপ্তি ঘটেছিল। ব্যস, ওই পর্যন্তই। গাল-গপ্পো শেষে দেখা গেল, সবই ‘ধাপ্পা’ (Bengal Industry Situation)। আট বছর পর, সম্প্রতি রেড রোডের ধর্না মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী সদর্পে ঘোষণা করেন, কলকাতাকে লন্ডনের থেকেও ভালো করে দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী এও দাবি করেন, লন্ডনে একটা হাইড পার্ক আছে। সেখানে কতগুলো চিপসের দোকান আছে আর কয়েকটা হাঁস চরে বেড়ায়। আর কিছু নেই।

    মমতার জার্মানি-ইতালি সফর

    এখানেই শেষ নয়। রাজ্যে শিল্প টানতে মুখ্যমন্ত্রী অতীতে নেদারল্যান্ডস থেকে শুরু করে জার্মানি, ইতালিতেও পাড়ি দিয়েছিলেন।  রাজ্যে বিনিয়োগ টানতেই এই  বিদেশ সফরে ছিল মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Foreign Tours)। ২০১৭ সালের জুন মাসে স্থানীয় বণিকসভার সঙ্গে ছিল মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক, সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী অমিত মিত্র। এছাড়াও ছিলেন রাজ্যের শিল্প প্রতিনিধিরাও। এর পর ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে ১২ দিনের সফরে জার্মানি ও ইতালি যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেবারও তাঁর সঙ্গী ছিলেন অমিত মিত্র। তাছাড়া তৎকালীন মুখ্যসচিব মলয় দে, তৎকালীন অর্থসচিব (বর্তমানে মুখ্যসচিব) এইচকে দ্বিবেদীও গিয়েছিলেন মমতার সঙ্গে। সেবার ফ্র্যাঙ্কফুর্ট এবং মিলানে বণিকসভার সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা। কিন্তু, সেখান থেকেও কার্যত খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে তাঁকে (Bengal Industry Situation)। 

    কেন রাজ্যের শিল্পের এই দুরবস্থা?

    বিরোধীদের কটাক্ষ, কোনও শিল্পপতি এরাজ্যে বিনিয়োগে রাজি হননি। কোনও শিল্পপতি রাজ্যে বিনিয়োগ করে অর্থ নষ্ট করতে চাইছেন না। তাঁদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যবে থেকে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, তবে থেকেই বিজনেস সামিট হয়। কিন্তু সেখানে নামকরা কোনও শিল্পপতি আসেন না। থাকেন কিছু সাজানো শিল্পপতি। আর ওই একই লোকেরা প্রতিবছর এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছবি তোলেন। তাঁরা ভালো ভালো কথা বলেন, কিন্তু বিনিয়োগ করেন না। শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্য শিল্পে পরিকাঠামো, আইনশৃঙ্খলা ক্রমশ অবনতি ঘটাতেই নতুন বিনিয়োগে ভরসা পাচ্ছেন না মাঝারি শিল্পপতিরা। এছাড়াও রাজ্যে শাসক দলের দাপট বেড়ে চলায় রাজ্যে বিনিয়োগে ভরসা কমেছে নতুন শিল্প উদ্যোগীদের (Bengal Industry Situation)। এছাড়াও শাসক দলের শিল্প তাড়ানোর যে ভাবমূর্তি গড়ে উঠেছে, তা থেকে আজও মুক্ত হতে পারেনি রাজ্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Anantnag Encounter: শহিদ আরও এক জওয়ান, ৫০-ঘণ্টা পেরিয়ে এখনও অনন্তনাগে চলছে সেনা অভিযান

    Anantnag Encounter: শহিদ আরও এক জওয়ান, ৫০-ঘণ্টা পেরিয়ে এখনও অনন্তনাগে চলছে সেনা অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫০-ঘণ্টা পার। এখনও চলছে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) অনন্তনাগেরজঙ্গলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শুরু হওয়া সামরিক অভিযান। জেলার কোকেরনাগের ঘন জঙ্গলে (Anantnag Encounter)  এখনও লুকিয়ে রয়েছে বেশ কয়েকজন জঙ্গি। দফায় দফায় চলছে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ। এরই মধ্যে, সেনা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই সংঘর্ষে শহিদ হয়েছেন আরও এক সেনা জওয়ান। গুরুতর আহত আরও এক জওয়ান। এই নিয়ে গত ৩৬-ঘণ্টায় চার জওয়ানের মৃত্যু হল। 

    অনন্তনাগে এখনও পর্যন্ত শহিদ ৪ সেনাকর্মী

    বুধবার জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ হয়েছিলেন রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কর্নেল মনপ্রীত সিং, মেজর আশিস ধোনচাক এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি হুমায়ুন ভাট। দুই সেনাকর্তা এবং এক পুলিশকর্তার মৃত্যুর পর বৃহস্পতিবার জঙ্গিদের কোণঠাসা করে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছিল সেনা এবং পুলিশের যৌথবাহিনী (Anantnag Encounter)। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাত পর্যন্ত চলে তুমুল সংঘর্ষ। তখনই জঙ্গিদের চালানো গুলিতে দুই জওয়ান আহত হন বলে সেনা সূত্রে খবর। শুক্রবার ভোরে একজনের মৃত্যু হয়। শহিদ হওয়া চতুর্থ জওয়ানের পরিচয় এখনও সেনার তরফে প্রকাশ করা হয়নি। তবে বেসরকারিভাবে জানা গিয়েছে, শহিদ চতুর্থ সেনাকর্মী হলেন, রাইফেলম্যান রবি কুমার। 

    ‘‘জঙ্গি খতম না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে’’

    সেনা সূত্রে খবর, লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসবাদীরা সকলেই লস্কর-ই-তৈবার ছায়া সংগঠন, ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’-এর সদস্য বলে মনে করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর অনুমান এখনও দুই থেকে তিনজন সন্ত্রাসবাদী ওই এলাকায় লুকিয়ে আছে। তাদের নেতৃত্বে রয়েছে উজেইর খান নামে এক জঙ্গি। গোয়েন্দা সূত্রে অবশ্য খবর, গত এপ্রিলে পুঞ্চে ৫ সেনা জওয়ানের উপর হামলার নেপথ্যে জঙ্গিদের যে মডিউল কাজ করেছিল, বুধবারের হামলাও তাদেরই কাজ। সেনা জানিয়েছে, জঙ্গিদের পরাস্ত করতে অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে (Anantnag Encounter)। ড্রোন এবং কোয়াডকপ্টার দিয়ে এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে (Jammu Kashmir)। চিনার কোরের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজীব ঘাই এবং ভিক্টর ফোর্সের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং মেজর জেনারেল বলবীর সিং এই অভিযানের তত্ত্বাবধান করছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না সবকটা জঙ্গি খতম হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত অভিযান চলবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anantnag Encounter: ‘‘শীঘ্রই বিচার’’! ২ লস্কর জঙ্গিকে ঘিরে ফেলেছে বাহিনী, অনন্তনাগে চলছে অভিযান

    Anantnag Encounter: ‘‘শীঘ্রই বিচার’’! ২ লস্কর জঙ্গিকে ঘিরে ফেলেছে বাহিনী, অনন্তনাগে চলছে অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিযান শুরু হয়েছিল মঙ্গলবার বিকেলে। প্রায় ৪৮-ঘণ্টা কেটে গেল। এখনও অনন্তনাগে (Anantnag Encounter) চলছে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ। এর মধ্যে জঙ্গিদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে শহিদ হয়েছেন দেশের তিন বীর সুপুত্র। তাঁদের মৃত্যুর বদলা না নেওয়া পর্যন্ত রণে ভঙ্গ যে দেওয়া হবে না, তা বুঝিয়ে দিয়েছে সেনা। কোকেরনাগের জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে থাকা দুই লস্কর জঙ্গিকে কোণঠাসা করে ফেলা হয়েছে। চারদিক দিয়ে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে। আকাশপথে নজরদারি রাখছে ড্রোন।

    শীঘ্রই বিচার মিলবে, বললেন কাশ্মীর পুলিশের ডিজি 

    গতকাল, জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) সন্ত্রাসদমন অভিযানে নেমে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে কোকেরনাগের (Anantnag Encounter) গারোল এলাকায় শহিদ হয়েছেন সেনার কর্নেল মনপ্রীত সিং, মেজর আশিস ধোনক এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি হিমায়ুন মুজামিল ভাট। এর পরই, ২ ঘাতক জঙ্গির খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি জারি রয়েছে। কাশ্মীর পুলিশের তরফে এ দিন সকালে ট্যুইটারে বলা হয়, “শহিদ কর্নেল মনপ্রীত সিং, মেজর আশিস ধোনচক ও ডিএসপি হুমায়ুন ভাট যেভাবে নিজেদের প্রাণ বলিদান করেছেন, তাদের বীরত্বের প্রতি শ্রদ্ধা। আমাদের বাহিনী অটল সংকল্প নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। দুই লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিকে ঘিরে ফেলা হয়েছে।” কাশ্মীর পুলিশের ডিজিপি দিলবাগ সিং বলেন, ‘‘দুই জঙ্গিকে ঘিরে ফেলা হয়েছে। দুজনই লস্কর-ই-তৈবা সংগঠনের সদস্য বলেই জানা গিয়েছে। শীঘ্রই বিচার মিলবে।’’

    গতকালের হামলায় নেতৃত্বে লস্কর জঙ্গি উজেইর, কে সে?

    সেনার তরফেও বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি নিয়ে আপডেট দেওয়া হয়েছে। নর্দার্ন কমান্ডের ভারপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী জানান, বর্তমানে জঙ্গিরা নেপালের রুট ধরেও ভারতে অনুপ্রবেশ করছে। পাহাড়ের উপরে জঙ্গলগুলি একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকায় জঙ্গিদের গতিবিধিতে সুবিধা হচ্ছে। বর্তমানে যে এনকাউন্টার চলছে অনন্তনাগে (Anantnag Encounter), তারা সম্প্রতি জম্মুতেও জঙ্গি হামলার সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। এক সেনা আধিকারিক জানান, যে দুই জঙ্গি গতকাল সেনার উপর হামলা চালিয়েছিল, তাদের মধ্যে এক জন উজেইর খান। সে কোকেরনাগেরই বাসিন্দা। ২০২২ সালে লস্কর-ই-তইবায় যোগ দেয় উজেইর।

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান

    এদিকে, গতকালের ঘটনার (Anantnag Encounter) পর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা প্রাক্তন সেনাপ্রধান ভিকে সিং। তিন অফিসারের শহিদ হওয়ার ঘটনায় পাকিস্তানকে একঘরে করার দাবি তোলেন তিনি। তাঁর মতে, পাকিস্তানকে সবদিক থেকে একঘরে করতে হবে। ভিকে সিং বলেন, ‘‘পাকিস্তানকে পুরোপুরিভাবে একা করে দিতে হবে। কখনও সে দেশের অভিনেতারা এ দেশে আসছেন। আবার কখনও ক্রিকেটাররা। পাকিস্তানকে পুরো একঘরে করে দিতে পারলে, তবেই কিছু হওয়া সম্ভব। যতক্ষণ না পর্যন্ত পাকিস্তানকে সবদিক থেকে একঘরে করা হবে, ততদিন ইসলামাবাদ ভাববে, যা করছে, তা স্বাভাবিক।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anantnag Encounter: তেরঙায় মোড়া সন্তানদের নিথর দেহ, শোকে পাথর শহিদ জওয়ানদের পরিবার

    Anantnag Encounter: তেরঙায় মোড়া সন্তানদের নিথর দেহ, শোকে পাথর শহিদ জওয়ানদের পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেউ সকালেই ফোন করে কথা বলেছিলেন বাড়িতে। কারও বাড়িতে ফেরার কথা ছিল অক্টোবরেই। বদলে তাঁরা ফিরলেন তেরঙায় মোড়া শববাহী শকটে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সব হাসি মিলিয়ে গেল কান্নায়। অনন্তনাগে তিন বীর শহিদের বাড়িতে এখন শুধুই হাহাকার। শোকে পাথর গোটা পরিবার। 

    বুধবার, জম্মু কাশ্মীরের অনন্তনাগে জঙ্গিদমন অভিযানে (Anantnag Encounter) নেমেছিল সেনা ও পুলিশের যৌথবাহিনী। গারোল এলাকায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে শহিদ হন সেনার কর্নেল মনপ্রীত সিং, মেজর আশিস ধোনচক এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি হিমায়ুন মুজামিল ভাট। এদিন তিন শহিদের বাড়িতে ছিল শুধুই নিস্তব্ধতা। পরিবারের লোকজন কেউই বিশ্বাস করতে পারছেন না যে, তাঁদের প্রিয়জন আর বাড়ি ফিরবেন না।

    ‘‘ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলব’’, সেই শেষ কথা!

    ১৯ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন শহিদ কর্নেল মনপ্রীত সিং। তাঁর বাড়ি পঞ্চকুলার ২৬ নম্বর সেক্টরে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে মনপ্রীতের পরিবারের সম্পর্ক নতুন নয়। তাঁর ঠাকুরদা শীতল সিং, বাবা লক্ষ্মীর সিং (বর্তমানে প্রয়াত) ও কাকা রণজিৎ সিং সেনাবাহিনীতে কাজ করতেন৷ তাঁর স্ত্রী জগমিত গ্রেওয়াল হরিয়ানার একটি সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা (Anantnag Encounter)। তার দুই সন্তান রয়েছে। এক ছেলের বয়স ৬ বছর আর মেয়ের বয়স দুই বছর। শহিদ কর্নেলের শ্যালক জানান, বুধবার ভোরবেলা শেষবার কথা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে। সেই সময় মনপ্রীত জানিয়েছিল, এখন ব্যস্ত আছে, পরে কথা বলবে। সেটাই শেষ কথা..। 

    অক্টোবরেই বাড়ি আসার কথা ছিল

    হরিয়ানার পানিপথের বাসিন্দা ছিলেন শহিদ মেজর আশিস ধোনচক। বছর দুয়েক আগেই জম্মুতে বদলি হন আশিস। এ বছরই তিনি পেয়েছিলেন ‘সেনা মেডেল’ (Anantnag Encounter)। পরিবারে বাবা, মা, স্ত্রী এবং দু’বছরের সন্তান রয়েছে। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর তাঁর কাকা জানান, দেড় মাস আগেই বাড়িতে এসেছিলেন আশিস। আবার অক্টোবরে আসার কথা ছিল বাড়ি বদল করার জন্য। কিন্তু, তার আগেই সব শেষ।

    শহিদ ডিএসপির কন্যার বয়স ২ মাস

    অন্য দিকে, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি হুমায়ুন ভাটের পরিবারেও শুধু হাহাকার। ২০১৮ সালেই পুলিশে যোগ দেন হুমায়ুন। শহিদ পুলিশ অফিসারের বাবা গুলাম হাসান ভাট জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টর জেনারেল। মাত্র দুই মাস আগেই হুমায়ুনের কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেছিল (Anantnag Encounter)।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C-295 Aircraft: আরও শক্তিশালী বায়ুসেনা, এবার ভারতের হাতে এল ‘সি-২৯৫’, কী এর বিশেষত্ব?

    C-295 Aircraft: আরও শক্তিশালী বায়ুসেনা, এবার ভারতের হাতে এল ‘সি-২৯৫’, কী এর বিশেষত্ব?

    আরও শক্তিশালী হল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। অবশেষে ভারতের হাতে এল অত্যাধুনিক সামরিক পণ্য সরবরাহকারী বিমান ‘সি-২৯৫’ এয়ারলিফটার। এই বিমানকে বলা হচ্ছে ‘মুশকিল আসান’। কিন্তু, কেন? কী আছে এই বিমানে? কী এর বিশেষত্ব? পড়ুন বিস্তারিত।

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম ‘সি-২৯৫’ মিডিয়াম ট্যাক্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্র্যাফট (C-295 Aircraft) এল ভারতের হাতে। বুধবার, স্পেনের সেভিয়া শহরে ভারতীয় বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভি আর চৌধুরির হাতে এই বিমানের প্রতীকী চাবি তুলে দেন এয়ারবাসের কর্মকর্তারা। এই বিমানের উৎপাদন হয়েছে স্পেনে। তৈরি করেছে এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস।

    ২২ হাজার কোটি টাকার চুক্তি এয়ারবাসের সঙ্গে

    বর্তমানে ব্যবহৃত পুরনো আমলের এবং তুলনামূলক ছোট ও কম শক্তিশালী অ্যাভরো-৭৪৮ বিমানকে অবসরে পাঠিয়ে তার জায়গায় নতুন শক্তিশালী, আরও প্রযুক্তিগত উন্নত এবং সর্বোপরি অধিক সক্ষমতার একটি পণ্য সরবরাহকারী বিমানের খোঁজে ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। সেই মোতাবেক, ২ বছর আগে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এয়ারবাসের সঙ্গে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’  (C-295 Aircraft) বিমান কেনার চুক্তি করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, যার মূল্য প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। 

    ৫৬টির মধ্যে ৪০টি বিমান তৈরি হবে ভারতেই

    চুক্তি মোতাবেক, ৫৬টি বিমানের মধ্যে প্রথম ১৬টি একেবারে ফ্লাই-অ্যাওয়ে কন্ডিশনে (সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায়) ভারতে উড়িয়ে আনা হবে। বাকি ৪০টি ভারতে তৈরি হবে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে। চুক্তি অনুযায়ী, ভারতে বিমানগুলি তৈরি হবে গুজরাটের ভাদোদরায়, যেখানে টাটার সঙ্গে যৌথ অংশিদারীতে টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস-এর কারখানায়। 

    এদেশে বেসরকারি সংস্থায় তৈরি হওয়া প্রথম সামরিক বিমান

    চুক্তিতে বলা হয়েছিল, স্বাক্ষর হওয়ার দিন থেকে চার বছরের মধ্যে ১৬টি ‘সি-২৯৫’ (C-295 Aircraft) বিমান ভারতের হাতে একেবারে তৈরি অবস্থায় তুলে দেবে এয়ারবাস। এদিন চুক্তির ঠিক ২ বছরের মাথায় প্রথম বিমানটি ভারতের হাতে তুলে দিল এয়ারবাস। ২০২৫ সালের অগাস্টের মধ্যে ১৬ নম্বর বিমানটি ভারতের হাতে চলে আসবে বলে এদিন আশাপ্রকাশ করেন এয়ারবাসের কর্তারা। ২০২৬ সাল থেকে ভাদোদরায় টাটাদের সঙ্গে যৌথভাবে শুরু হবে উৎপাদন, যা শেষ হওয়ার কথা ২০৩১ সালের অগাস্ট মাস নাগাদ। তেমনটা হলে, তা হবে ভারতের মাটিতে বেসরকারি সংস্থায় তৈরি হওয়া দেশের প্রথম সামরিক বিমান।

    কেন এই বিমান নিয়ে এত মাতামাতি? কী এর বিশেষত্ব?

    জানা যাচ্ছে, ২৫ সেপ্টেম্বর ভারতে আসবে প্রথম বিমানটি। বর্তমানে, স্পেনে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) পাইলটরা। প্রথম স্কোয়াড্রন থাকবে উত্তরপ্রদেশের হিন্ডন বায়ুসেনা ঘাঁটিতে। ‘সি-২৯৫’ বিমানগুলি প্রায় ৯ টন ওজন বহন করতে পারে। এদের গতি ঘণ্টায় ৪৮০ কিলোমিটার। মোট ৭১ জন সেনাকর্মী বা ৪৫ জন বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্যারাট্রুপারকে বইতে পারবে এই বিমান। আকাশ থেকে বাহিনী বা রসদ নামানোর জন্য রিয়ার ব়্যাম্প রয়েছে এই বিমানে।

    এই বিমানে দুটি শক্তিশালী প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি টার্বোপ্রপ ইঞ্জিন রয়েছে যাতে ভর করে এই বিমানটি ১৩ ঘণ্টা টানা কম জ্বালানী খরচ করে উড়তে পারে। একটি ইঞ্জিনের সাহায্য এটি সাড়ে ১৩ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। ২টি ইঞ্জিন ব্যবহার করলে, এই বিমান ৩০ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে পারে। এছাড়া, এই বিমানে মিড-এয়ার রিফুয়েলিং ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ, যুদ্ধবিমানের মতো মাঝ-আকাশেই জ্বালানি ভরতে সক্ষম ‘সি-২৯৫’ এয়ারলিফটার।

    টেক অফের জন্য এই বিমানের প্রয়োজন মাত্র ৪২০ মিটার রানওয়ে। ল্যান্ডিংয়ের জন্য প্রয়োজন এর অর্ধেক। ফলে, ছোট বা সম্পূর্ণ তৈরি না হওয়া এয়ারস্ট্রিপ থেকেও উড়ান দিতে পারবে এটি। এয়ারবাসের তরফে জানানো হয়েছে, কাঁচা, নরম এবং বালুকাময় অথবা ঘাসের এয়ারস্ট্রিপ থেকে এর অসাধারণ শর্ট টেক-অফ এবং ল্যান্ডিং (STOL) করার ক্ষমতা রয়েছে ‘সি-২৯৫’ (C-295 Aircraft) বিমানের।

    কেন একে ‘মুশকিল আসান’ বিমান বলছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক?

    বলা বাহুল্য, এই বিমান হাতে আসায় আরও শক্তিশালী হল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। কারণ, অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয় বায়ুসেনাকে। বিশেষ করে ভারত-চিন সীমান্ত অঞ্চলে এই সমস্যা বেশি দেখা দিয়েছে। সেনা ট্রাকে করে সড়কপথে বাহিনী বা সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছতে অনেক বিলম্ব হয়। এখন ভারতের হাতে ‘মুশকিল আসান’ বিমান (C-295 Aircraft) চলে আসায় এবার থেকে সেই সমস্যায় পড়তে হবে না বলে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। এর ফলে লাদাখ, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিমে মতো দুর্গম অঞ্চলে অতি সহজে এবং কম সময়ের মধ্যে অস্ত্র ও রসদ পৌঁছে দিতে পারবে বায়ুসেনা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share