Tag: India Pakistan Ceasefire

  • PM Modi: আগামী মাসেই ফ্রান্সে মুখোমুখি মোদি-ট্রাম্প! কী নিয়ে হতে পারে আলোচনা?

    PM Modi: আগামী মাসেই ফ্রান্সে মুখোমুখি মোদি-ট্রাম্প! কী নিয়ে হতে পারে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক সাক্ষাৎ হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তারপর থেকে আর বড় কোনও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে (G7 Summit) মুখোমুখি হওয়া হয়নি দুই রাষ্ট্রনেতার। এবার হবে। জুন মাসে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হবে জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানেই ফের মুখোমুখি হতে পারেন এই দুই ‘মহান বন্ধু’। ট্রাম্পের অপ্রত্যাশিত রাজনৈতিক স্টাইলের কারণে একটি ছোট্ট দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রশ্ন হল, এতে কি আর ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যিক টানাপোড়েন কমবে? উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে জুন পর্যন্ত।

    জি৭ শীর্ষ সম্মেলন (PM Modi)

    ভারত জি৭-এর স্থায়ী সদস্য নয়। তবে বিশেষ আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে নিয়মিত যোগ দেয় এই সম্মেলনে। এ বছর ওই সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ স্বয়ং আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। ফ্রান্সের এভিয়ঁ-লে-ব্যাঁ (Evian-les-Bains) ১৫-১৭ জুন হবে জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। দ্বিতীয়বারের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসার পর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হোয়াইট হাউসে মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি ও ট্রাম্প। শুল্ক উত্তেজনার পটভূমিতে অনুষ্ঠিত সেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ট্রাম্প মোদিকে ‘মহান বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। শুধু তা-ই নয়, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছনোর অঙ্গীকারও করেছিলেন এই দুই রাষ্ট্রনেতা।

    নোবেল পুরস্কার প্রত্যাশী ট্রাম্পের দাবি

    যদিও গত বছরের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রত্যাশী ট্রাম্প হঠাৎই দাবি করতে থাকেন, ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি হয়েছে তাঁরই মধ্যস্থতায়। এর পর থেকে ট্রাম্প যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই বলে বেড়িয়েছেন, তাঁরই বাণিজ্যিক চাপের কারণে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পুরোপুরি যুদ্ধে জড়ায়নি। ট্রাম্পের এহেন ঘোষণায় খুব খুশি হয়েছিল শাহবাজ শরিফের দেশ। তবে পাকিস্তান ট্রাম্পের প্রশংসা করলেও, ভারত এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাফ জানিয়ে দেন, যুদ্ধবিরতি হয়েছে সরাসরি ইসলামাবাদের সঙ্গে আলোচনা করেই, কারও মধ্যস্থতায় নয়। বস্তুত, এর পর থেকেই তলানিতে ঠেকে দুই ‘হুজুরে’র সম্পর্ক (G7 Summit)।

    ওয়াশিংটনে থামার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান

    গত বছর জুনে কানাডায় হয়েছিল জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে পার্শ্ব বৈঠকে ফের সাক্ষাৎ হওয়ার কথা ছিল এই দুই নেতার। যদিও ট্রাম্প হঠাৎ করেই সম্মেলন ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাতিল হয়ে যায় প্রস্তাবিত বৈঠক। পরে অবশ্য ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীকে কানাডা থেকে ফেরার পথে ওয়াশিংটনে থামার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু মোদির পূর্বনির্ধারিত ক্রোয়েশিয়া সফর থাকায়, সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে ভারত। তবে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে সরকারি কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ভারতের আশঙ্কা ছিল যে ট্রাম্প হয়ত পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে মোদিকে নিয়ে একটি ছবি তোলার জন্য চাপ দিতে পারেন। সেই সময় একইসঙ্গে (PM Modi) হোয়াইট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল মুনিরকেও।

    ভারতকে শায়েস্তা করার চেষ্টা

    তার পর থেকে সময় যত গড়িয়েছে, ততই অবনতি হয়েছে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের। ট্রাম্পের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করায় ভারতকে শায়েস্তা করতে চেষ্টার কম কসুর করেননি ট্রাম্প। তাঁর সরকার প্রথমে ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। রাশিয়ার তেল কেনায় বসানো হয় অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও। ট্রাম্প এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী স্কট বেসেন্ট (Scott Bessent) এবং পিটার নাভারো (Peter Navarro) বারবার অভিযোগ করেন, রাশিয়ার তেল কিনে ঘুরপথে ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোকে সাহায্য করছে ভারত। এই শুল্ক-চাপ মূলত ভারতকে আমেরিকার দিকে ঝুঁকে থাকা একটি বাণিজ্য চুক্তিতে রাজি করানোর মরিয়া চেষ্টা ছিল বলেই খবর (G7 Summit)।

    সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত

    এই পুরো পর্বটায় কার্যত মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মাথা নত করেননি ট্রাম্পের চাপের কাছে। শুধু তা-ই নয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী শার্ম এল-শেখ এবং কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত এশিয়ান (ASEAN) সম্মেলনের মতো বৈশ্বিক অনুষ্ঠানও এড়িয়ে যান। কারণ সেখানে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারত ট্রাম্পের। গত সেপ্টেম্বরে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত মেলে। ট্রাম্প জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। ফের গতি পায় বাণিজ্য আলোচনা। এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে একটি সমঝোতায় পৌঁছয় দুই দেশ। ভারতের ওপর চাপানো শুল্ক কমিয়ে করা হয় ১৮ শতাংশ। বিভিন্ন সময় ট্রাম্পের করা মন্তব্য এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে আবারও শোনা কিংবা দেখা যায় পরিচিত বাক্য — “ইন্ডিয়া থেকে আমার বন্ধু” (PM Modi)।

    ট্রাম্পের মুখে মোদি-স্তুতি

    তবে ইরান যুদ্ধ এবং মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বৈশ্বিক শুল্ক বাতিলের রায়ের কারণে আটকে যায় আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য চুক্তি সই। ১৭ এপ্রিল টানা ৪০ মিনিট ধরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। চলতি বছরে এটি ছিল তাঁদের তৃতীয় ফোনালাপ। যদিও সেই কথোপকথনের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি, তবে শোনা যায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন মোদি-ট্রাম্প। ফোনালাপের পর (G7 Summit) সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “ওঁর (মোদির) সঙ্গে আমার খুব ভালো কথা হয়েছে। উনি ভারত থেকে আমার বন্ধু। উনি দারুণ কাজ করছেন।” এই প্রেক্ষিতেই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে ফের মুখোমুখি হতে পারেন মোদি ও ট্রাম্প। দুই রাষ্ট্র প্রধানের এই সাক্ষাৎই কেড়ে নিতে পারে তামাম দুনিয়ার নজর (PM Modi)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হাসি, করমর্দন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশের বাইরেও হবে আসল পরীক্ষা — দুই দেশ সাম্প্রতিক বাণিজ্য ও শুল্ক সংক্রান্ত উত্তেজনা কাটিয়ে উঠতে পারে কি না। খুব সংক্ষিপ্ত ব্যক্তিগত আলাপও দিকনির্দেশ করে দিতে পারে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের পরবর্তী অধ্যায়ের।

     

  • Pakistan: অপারেশন সিঁদুর থামাতে আমেরিকার হাতে-পায়ে পড়েছিল পাকিস্তান! প্রকাশ্যে মার্কিন নথি

    Pakistan: অপারেশন সিঁদুর থামাতে আমেরিকার হাতে-পায়ে পড়েছিল পাকিস্তান! প্রকাশ্যে মার্কিন নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের সামরিক অভিযান অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে এক নজিরবিহীন কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছিল পাকিস্তান (Pakistan)। মার্কিন সরকারি নথি থেকে জানা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার জবাবে ভারতের সামরিক অভিযানের (অপারেশন সিঁদুর) থামাতে পাকিস্তান সরাসরি মার্কিন হস্তক্ষেপ দাবি করে। মার্কিন প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে জমা দেওয়া সরকারি নথি অনুযায়ী, পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত এবং প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে সব মিলিয়ে ৬০ জনেরও বেশি মার্কিন সরকারি কর্তা, নীতিনির্ধারক ও প্রভাবশালী মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। উদ্দেশ্য ছিল, যেকোনও উপায়ে, যেনতেন প্রকারে ভারতের সামরিক অভিযান বন্ধ করতে ওয়াশিংটনের চাপ সৃষ্টি করা।

     কী বলছে ফাঁস হওয়া নথি? (Pakistan)

    নথি অনুযায়ী, পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক প্রচারাভিযানের লক্ষ্য ছিল, হোয়াইট হাউস ও মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা, মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরা, পেন্টাগনের প্রতিরক্ষা কর্তারা, মার্কিন বিদেশ দফতর (স্টেট ডিপার্টমেন্ট) এবং প্রভাবশালী মার্কিন সাংবাদিক ও নীতিবিশেষজ্ঞরা। এই তৎপরতার মূল উদ্দেশ্য ছিল, ভারতের সামরিক পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ফেলে সীমিত বা বন্ধ করে দেওয়া। সংবাদ মাধ্যমে (Pakistan) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন সরকারি নথিতে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে যে পাকিস্তান ভারতীয় সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে সরাসরি আমেরিকার চেয়ে কার্যত হাতে-পায়ে পড়ে গিয়েছিল। কূটনৈতিক ভাষায় বলা হলেও, বার্তা ছিল পরিষ্কার, ভারতের অভিযান যেভাবেই হোক থামাতে হবে (Operation Sindoor)।

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা প্রমাণ করে যে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী কঠোর অবস্থানের পর পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে কোণঠাসা মনে করছে। বিশেষত, দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে তৃতীয় পক্ষকে টানার পাকিস্তানি প্রবণতা ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে।ভারত সরকার অবশ্য আগেই স্পষ্ট করেছে যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আত্মরক্ষামূলক প্রয়াস, এবং এতে কোনও বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রশ্ন নেই (Pakistan)। মার্কিন ফরেন এজেন্টস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের আওতায় জমা দেওয়া এই নথিগুলিতে বলা হয়েছে, ওই সময়ের মধ্যে পাকিস্তানি প্রতিনিধিরা অন্তত ৫০টিরও বেশি বৈঠক করেছেন বা বৈঠকের অনুরোধ জানিয়েছেন প্রভাবশালী মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ও শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে (Operation Sindoor)।

    পাকিস্তানের এই লবিং

    জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের এই লবিং অভিযানে কেবল কাশ্মীর ইস্যুই নয়, আলোচনায় উঠে এসেছে, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, কাশ্মীর সংকট, বিরল খনিজ ও রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস, পাকিস্তান–মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ। অনেক ক্ষেত্রেই পাক প্রতিনিধিরা প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার ও ব্যাকগ্রাউন্ড ব্রিফিংয়ের আবেদনও করেছেন (Pakistan)। এই নথির একাধিক এন্ট্রিতে পাকিস্তানের এই কার্যকলাপকে সরাসরি “অনগোয়িং রিপ্রেজেন্টেশন অফ পাকিস্তান” বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ই-মেল, ফোন এবং সরাসরি বৈঠকের মাধ্যমে ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়টি এই লবিং অভিযানের তীব্রতা ও পরিকল্পিত চরিত্রকেই স্পষ্ট করে (Operation Sindoor)। রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, এই লবিংয়ের মূল লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় করে ভারতের সামরিক প্রতিক্রিয়াকে নরম করা। ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করেই ইসলামাবাদ ভারতের চাপ মোকাবিলায় কৌশলগত সুবিধা নিতে চেয়েছিল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

    দ্রুত প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্য

    এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরেই আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, সংঘর্ষ চলাকালীন এমন সক্রিয় লবিং কতটা ন্যায্য?, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় বিদেশি প্রভাব কতটা গভীর? ভারত–পাকিস্তান সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই লবিং অভিযানের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখন আলোচনা তুঙ্গে (Pakistan)। জানা গিয়েছে, মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ মহলে দ্রুত প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে পাকিস্তান গত কয়েক বছরে ব্যাপক লবিং করেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসলামাবাদ প্রায় ছ’টি ওয়াশিংটনভিত্তিক লবিং সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছিল, যার আর্থিক মূল্য বছরে ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি (Operation Sindoor)। এই লবিং প্রচেষ্টার লক্ষ্য ছিল পূর্বাতন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে দ্রুত ও সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই কৌশলের ফল খুব দ্রুতই স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Pakistan)।

    লবিং কার্যকলাপ

    নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান সেইডেন ল এলএলপির সঙ্গে একটি চুক্তি করে, যারা জ্যাভেলিন অ্যাডভাইসরসের মাধ্যমে লবিং কার্যকলাপ পরিচালনা করছিল। এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই হোয়াইট হাউসে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে আতিথ্য দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Operation Sindoor)। এই বৈঠককে ঘিরে কূটনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এটি শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং পাকিস্তানের সুপরিকল্পিত কূটনৈতিক ও লবিং প্রচেষ্টারই প্রত্যক্ষ ফল। বিশ্লেষকদের দাবি, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান তার অবস্থান মজবুত করতে এবং মার্কিন প্রশাসনের সমর্থন পেতে এই ধরনের লবিং কৌশলকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে হোয়াইট হাউস বা পাকিস্তান সরকারের তরফে এই বৈঠকের বিষয়ে (Operation Sindoor) বিস্তারিত কোনও সরকারি বিবৃতি এখনও প্রকাশ করা হয়নি (Pakistan)।

LinkedIn
Share