Tag: India Russia Defence Deal

  • R-37M Missile: পাকিস্তান-চিনকে টেক্কা দিতে ভারতের বড় চাল! রাশিয়া থেকে আসছে ‘কুঠারের ফলা’, দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধে বড় বদলের ইঙ্গিত

    R-37M Missile: পাকিস্তান-চিনকে টেক্কা দিতে ভারতের বড় চাল! রাশিয়া থেকে আসছে ‘কুঠারের ফলা’, দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধে বড় বদলের ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে যেতে চলেছে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধের সমীকরণ। ‘বন্ধু’ ভারতকে নিজেদের সেরা অতি-দবরপাল্লার আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ‘আর-৩৭এম’ দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে রাশিয়া। এই মর্মে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না করা হলেও, বিভিন্ন সূত্রের মতে নয়াদিল্লির হাতে এই অস্ত্র এলে, খেলা একেবারে ঘুরে যাবে। কারণ, এমন ক্ষেপণাস্ত্র চিনের কাছেও নেই। রুশ সংবাদসংস্থার দাবি, প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের এই সম্ভাব্য চুক্তি ভারতীয় বায়ুসেনাকে এমন একটি অস্ত্র দেবে, যা শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ বিমানকে শত শত কিলোমিটার দূর থেকে হুমকির মুখে ফেলতে সক্ষম। খবর অনুযায়ী, আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যেই এই ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ শুরু হতে পারে। এতে বোঝা যাচ্ছে, ভারত দেশীয় আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র অ্যাস্ট্রা মার্ক-২ ও মার্ক- প্রকল্পের জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত যুদ্ধক্ষমতা বাড়াতে চাইছে।

    চিনা ‘পিএল-১৫’ ক্ষেপণাস্ত্রের জবাব রাশিয়ার ‘আর-৩৭এম’

    এই সিদ্ধান্তের সময়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ২০২৫ সালের মে মাসে হওয়া “অপারেশন সিঁদুর” সংঘর্ষে ভারতের ‘বিয়ন্ড ভিজুয়াল রেঞ্জ’ বা দৃষ্টিসীমার বাইরে সক্ষমতার একটি বড় দুর্বলতা সামনে এসেছিল। ভারতের সামরিক মহলের মতে, পাকিস্তানের জে-১০সি এবং জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান যদি পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত থাকে, তাহলে তারা ভারতের সুখোইয়ের বর্তমান আক্রমণ সীমার বাইরে থেকেই ভারতীয় বিমানের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ‘আর-৩৭এম’ ক্ষেপণাস্ত্রকে একটি অন্তর্বর্তী সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভারতের দীর্ঘ-পাল্লার আকাশ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত পুনর্গঠনে সাহায্য করবে এবং একই সঙ্গে দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য সময় দেবে। রাশিয়ায় আরভিভি-বিডি নামে পরিচিত এবং বকলমে “অ্যাক্সহেড” নামে খ্যাত এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত অ্যাওয়াক্স, মিড-এয়ার রিফুয়েলার ট্যাঙ্কার এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমান ধ্বংসের জন্য তৈরি।

    আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির কথা ঘোষণা করেনি দিল্লি বা মস্কো

    এটি ভারতীয় বায়ুসেনার মিশনের পরিধিও বাড়াবে— শুধু শত্রু যুদ্ধবিমান ধ্বংস নয়, বরং তাদের আকাশভিত্তিক কমান্ড ও কন্ট্রোল ব্যবস্থাকে ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতাও তৈরি করবে। এর ফলে বড় কৌশলগত প্রভাব পড়তে পারে, কারণ পাকিস্তান ও চিন— দুই দেশই এখন নেটওয়ার্ক-ভিত্তিক সেন্সর, অ্যাওয়াক্স এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ওপর ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে উঠছে। যদিও মস্কো বা নয়াদিল্লি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির কথা ঘোষণা করেনি, বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে রাশিয়া ইতিমধ্যেই রফতানির অনুমোদন দিয়েছে। এই চুক্তি ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণে রাশিয়ার ভূমিকা আরও মজবুত করবে, বিশেষ করে যখন পশ্চিমি দেশ ও দেশীয় সংস্থাগুলির প্রতিযোগিতা বাড়ছে। ভারতের জন্য এটি শুধু একটি নতুন অস্ত্র নয়, বরং পাকিস্তান ও চিনের বিরুদ্ধে দ্রুত দীর্ঘ-পাল্লার প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধের ভারসাম্য ভবিষ্যতে নির্ভর করবে—কে আগে শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বিমান শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারে, তার ওপর।

    আকাশভিত্তিক কমান্ড নেটওয়ার্ক ধ্বংসের জন্য তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র

    • ● ‘আর-৩৭এম’ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা দীর্ঘ-পাল্লার কার্যকর এয়ার-টু-এয়ার (আকাশ থেকে আকাশ) ক্ষেপণাস্ত্র। রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, আদর্শ পরিস্থিতিতে এর পাল্লা প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
    • ● ভারতের সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমানে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর কার্যকর পাল্লা প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার হতে পারে, যা এখনও অধিকাংশ পশ্চিমি ও এশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে বেশি।
    • ● এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় মাক ৬ বা শব্দের চেয়ে ৬ গুণ দ্রুত (প্রায় ৭,৪০০ কিমি/ঘণ্টা) গতিতে পৌঁছাতে পারে, ফলে শত্রুপক্ষের প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় খুব কম থাকে।
    • ● প্রায় ৪.২ মিটার লম্বা এবং প্রায় ৬০০ কেজি ওজনের এই ক্ষেপণাস্ত্রে ৬০ কেজির উচ্চ-বিস্ফোরক ওয়ারহেড থাকে, যা বড় আকারের বিমান ধ্বংসের জন্য তৈরি।
    • ● এর গাইডেন্স সিস্টেমে রয়েছে ইনর্শিয়াল ন্যাভিগেশন, মাঝপথে ডেটা-লিঙ্ক আপডেট এবং শেষ পর্যায়ে অ্যাক্টিভ রেডার হোমিং—যার ফলে লক্ষ্যবস্তু চলন্ত থাকলেও তা ট্র্যাক করা সম্ভব।
    • ● এছাড়া এতে “লফটেড ট্র্যাজেক্টরি” ব্যবহার করা হয়—অর্থাৎ ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রথমে উপরে উঠে তারপর লক্ষ্যবস্তুর দিকে নেমে আসে, ফলে শক্তি সঞ্চয় হয় এবং পাল্লা বাড়ে।
    • ● এই বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে এটি বিশেষভাবে কার্যকর অ্যাওয়াক্স ও ট্যাঙ্কারের মতো দূরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ বিমানের বিরুদ্ধে।
    • ● এই ধরনের বিমান সাধারণত যুদ্ধক্ষেত্রের অনেক পিছনে অবস্থান করে, ‘আর-৩৭এম’ সেই দূরত্ব থেকেই তাদের আঘাত করতে সক্ষম।
    • ● ফলে পাকিস্তান ও চিনকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বিমান আরও পিছনে সরিয়ে নিতে হতে পারে, যা তাদের রাডার কভারেজ ও সমন্বয় ক্ষমতা কমিয়ে দেবে।

    সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে সংযোজন: ভারতের দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি

    • ● ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হল— আর-৩৭এম দ্রুত সুখোই-৩০এমকেআই বিমানে সংযোজন করা সম্ভব।
    • ● বর্তমানে ভারতের কাছে ২৭০টিরও বেশি সুখোই-৩০এমকেআই রয়েছে, ফলে আংশিক সংযোজন হলেও বড় পরিসরে ক্ষমতা বৃদ্ধি হবে।
    • ● রাশিয়ার সুখোই-৩০এসএম-এ ইতিমধ্যেই এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে, ফলে প্রযুক্তিগত ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম।
    • ● সংযোজনের জন্য মূলত সফটওয়্যার আপডেট দরকার হবে—যেমন রেডার, মিশন কম্পিউটার ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা—বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন নয়।
    • ● ভারত এই ক্ষেপণাস্ত্র সংযোজনকে সুখোই-৩০ আধুনিকীকরণ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করতে চাইছে, যেখানে প্রথম পর্যায়ে ৮৪টি বিমান আপগ্রেড করা হবে।
    • ● প্রতিটি আপগ্রেড করা বিমানে অন্তত দুটি আর-৩৭এম বহন করা সম্ভব হবে, যদিও মিশ্র অস্ত্র বিন্যাসে আরও বেশি বহন করা যেতে পারে।
    • ● কিছু বিশ্লেষণ অনুযায়ী, একটি সুখোই-৩০এমকেআই সর্বোচ্চ ৬ থেকে ৮টি আর-৩৭এম বহন করতে সক্ষম হতে পারে, সঙ্গে স্বল্প-পাল্লার আত্মরক্ষামূলক অস্ত্রও থাকবে।

    আকাশযুদ্ধের ভবিষ্যৎ: “ফার্স্ট-ডিটেক্ট, ফার্স্ট-শুট”

    ফলে, আর-৩৭এম শুধু একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র নয়, বরং ভারতের জন্য দ্রুতগতিতে দীর্ঘ-পাল্লার আকাশ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনর্গঠনের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। এর ফলে ভারত-পাকিস্তান-চিন ত্রিভুজে আকাশযুদ্ধের ভারসাম্য নতুনভাবে নির্ধারিত হতে পারে। আর-৩৭এম অন্তর্ভুক্তি দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধকে নতুন দিকে নিয়ে যেতে পারে। ভবিষ্যতে লড়াই শুধুমাত্র যুদ্ধবিমানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না— বরং নির্ভর করবে কে আগে শত্রুপক্ষের “চোখ ও কান” অর্থাৎ অ্যাওয়াক্স ও সাপোর্ট প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস করতে পারে। অর্থাৎ, আকাশযুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে “ফার্স্ট-ডিটেক্ট, ফার্স্ট-শুট” কৌশল—এবং সেই প্রতিযোগিতায় ভারত বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে।

  • S-400 Missile System: অপারেশন সিদুঁর-এর প্রথম বর্ষপূর্তির সময়েই ভারতের হাতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০!

    S-400 Missile System: অপারেশন সিদুঁর-এর প্রথম বর্ষপূর্তির সময়েই ভারতের হাতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা (Air Defence) শক্তিকে আরও মজবুত করতে আগামী মে মাসেই দেশে পৌঁছতে চলেছে অত্যাধুনিক এস-৪০০ মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (S-400 Missile System) চতুর্থ স্কোয়াড্রন। প্রতিরক্ষা মহলের মতে, এই ডেলিভারির সময়সূচি ‘অপারেশন সিদুঁর’-এর প্রথম বর্ষপূর্তির (Operation Sindoor Anniversary) সঙ্গে মিলতে পারে—যে অভিযানে এস-৪০০ (ভারতে সুদর্শন নামে পরিচিত) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।

    সূত্রের খবর, রাশিয়ার সঙ্গে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী, পঞ্চম ও শেষ স্কোয়াড্রনটি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ভারতে পৌঁছবে। এর ফলে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ সেট ভারতের হাতে চলে আসবে। ২০১৮ সালে প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার বিনিময়ে রাশিয়ার কাছ থেকে পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার চুক্তি করে ভারত। ইতিমধ্যে তিনটি স্কোয়াড্রন দেশে এসে অপারেশনাল হয়েছে, যা ভারতের বহুস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্কের (Multi-Layered Air Defence Network) গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে।

    কৌশলগত মোতায়েন

    বর্তমানে মোতায়েন হওয়া এস-৪০০ (S-400 Missile System) ইউনিটগুলি দেশের সবচেয়ে সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে স্থাপন করা হয়েছে। একটি স্কোয়াড্রন শিলিগুড়ি করিডরে মোতায়েন রয়েছে, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র সংযোগ রক্ষা করে। অন্য একটি স্কোয়াড্রন পঠানকোট অঞ্চলে অবস্থান করছে, যা জম্মু ও কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের আকাশসীমায় নজরদারি জোরদার করেছে। তৃতীয় স্কোয়াড্রন মোতায়েন রয়েছে পশ্চিম সীমান্তে—রাজস্থান ও গুজরাটের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে।

    অপারেশন সিদুঁর-এ কার্যকারিতা

    ‘অপারেশন সিদুঁর’-এর সময় এস-৪০০ সিস্টেমের কার্যকারিতা স্পষ্টভাবে সামনে আসে। দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে এটি শত্রুপক্ষের আকাশপথে আসা হুমকি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। এই অভিযান ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভিযানের বর্ষপূর্তির (Operation Sindoor Anniversary) সময় নতুন স্কোয়াড্রনের আগমন কেবল প্রতীকী নয়, বরং কৌশলগত দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ।

    চিনের সঙ্গে উত্তেজনার পর গতি পায় আধুনিকীকরণ

    ২০২০ সালের লাদাখ সংঘাত ভারতের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। সীমান্তে দীর্ঘমেয়াদি উত্তেজনা স্পষ্ট করে দেয় যে, ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে এয়ার সুপিরিয়রিটি ও মিসাইল ডিফেন্স অপরিহার্য উপাদান। চিনের সঙ্গে সংঘাতের পর থেকেই ভারত তার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দিকে বিশেষ জোর দেয়। সেই প্রেক্ষিতে এস-৪০০-এর (S-400 Missile System) দ্রুত মোতায়েন ও কার্যকরীকরণ গুরুত্ব পায়।

    এস-৪০০: কী এর বিশেষত্ব

    এস-৪০০ একটি অত্যাধুনিক দীর্ঘপাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এটি প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দূর থেকে শত্রু লক্ষ্য শনাক্ত করতে পারে এবং ৪০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এই সিস্টেম একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্য—ফাইটার জেট, ব্যালিস্টিক মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন—ট্র্যাক ও ধ্বংস করতে পারে। প্রতিটি স্কোয়াড্রনে প্রায় ১৬টি যান থাকে, যার মধ্যে রয়েছে মিসাইল লঞ্চার, উন্নত রেডার, কমান্ড ও কন্ট্রোল ইউনিট এবং সহায়ক ব্যবস্থা।

    সম্পূর্ণ হলে কী বদলাবে

    সব পাঁচটি এস-৪০০ (S-400 Missile System) স্কোয়াড্রন যুক্ত হলে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দেশীয় ‘আকাশ’ মিসাইলসহ অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে এটি একটি শক্তিশালী বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং সম্ভাব্য শত্রুপক্ষের আগ্রাসন অনেকটাই নিরুৎসাহিত হবে। চতুর্থ স্কোয়াড্রনের আগমন (Operation Sindoor Anniversary) ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তি বৃদ্ধির পথে আরেকটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো সিস্টেম চালু হলে দেশের আকাশসীমা সুরক্ষায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

LinkedIn
Share