Tag: India vs Bangladesh

India vs Bangladesh

  • India U20 Football: বাংলাদেশকে হারিয়ে ২০ বছর পর অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে ভারত

    India U20 Football: বাংলাদেশকে হারিয়ে ২০ বছর পর অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল ভারত (India U20 Football)। রবিবার তাসখন্দের দোস্তলিক স্টেডিয়ামে যোগ্যতা অর্জন পর্বের গ্রুপ-বি-র শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখান ভারতের তরুণ ফুটবলাররা (AFC Asian Cup)। দানি মিতেই লাইশরাম, বিশাল যাদব এবং পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা মহম্মদ আরবাসের গোলে অনায়াস জয় তুলে নেয় মহেশ গাউলির দল।

    এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ-বি-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন উজবেকিস্তান তিন ম্যাচে নয় পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। তবে আটটি গ্রুপের সেরা সাত রানার্স-আপ দল মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাওয়ায় সেই তালিকায় জায়গা করে নেয় ভারত। ফলে ২০০৬ সালের পর এই প্রথম অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলবে ভারত।

    প্রথমার্ধেই এগিয়ে ভারত (India U20 Football)

    ম্যাচের শুরুতে দু’দলই সমানে সমানে লড়াই করে। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ভারত। ২৫ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। বাংলাদেশের রক্ষণভাগের উপর প্রবল চাপ তৈরি করেন দানি মিতেই লাইশরাম। তাঁর চাপে বল পেয়ে যান হাতেম আলি। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তিনি বল বাড়িয়ে দেন ফাঁকায় থাকা দানির দিকে। ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন তিনি।

    এরপরও একাধিক আক্রমণ তৈরি করে ভারত। ৩৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগও এসেছিল। দানির ভাসানো ফ্রি-কিক দুর্দান্ত দক্ষতায় আটকে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক রাজ চৌধুরি। ফলে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলেই এগিয়ে থাকে ভারত।

    দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের দাপট

    বিরতির পর আরও আগ্রাসী মেজাজে খেলতে শুরু করে ভারত। ৬০ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। বক্সের মধ্যে লম্বা থ্রো-ইন থেকে বল পেয়ে তা মাথা ছুঁইয়ে বিশাল যাদবের দিকে পাঠান ঋষিকান্ত। শূন্যে শরীর ছুড়ে অ্যাক্রোব্যাটিক শটে বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বিশাল।

    দুই গোল হজম করার পর জোরালো আক্রমণের চেষ্টা করে বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতের জমাট রক্ষণভাগের সামনে তাদের আক্রমণ বারবার থেমে যায়। বাংলাদেশের ফুটবলাররা কোনও পরিষ্কার গোলের সুযোগও তৈরি করতে পারেননি (India U20 Football)।

    মাঠে নেমেই গোল আরবাসের

    ম্যাচের ৭২ মিনিটে জোড়া পরিবর্তন করেন ভারতের কোচ মহেশ গাউলি। দানি ও বিশালের জায়গায় মাঠে নামেন মহম্মদ আরবাস ও প্রশান্ত জাজো। মাঠে নামার মাত্র সাত মিনিটের মধ্যেই নিজের উপস্থিতি জানান দেন আরবাস।

    ইয়াইফারেম্বা চিঙ্গাকহামের পা থেকে শুরু হওয়া আক্রমণ বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ভেদ করে পৌঁছে যায় আরবাসের কাছে। বাঁ পায়ের জোরালো শটে বাংলাদেশের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ভারতের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। এরপর আর ম্যাচে ফেরার কোনও সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ।

    শেষদিকে অনিকেত যাদব, ওমাং দোদুম এবং দানিয়াল মাকাকমায়ুমকে মাঠে নামিয়ে বাকি সময়টা নিয়ন্ত্রণে রাখে ভারত। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের দাপুটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মহেশ গাউলির দল।

    ২০২৭ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত চিনে অনুষ্ঠিত (AFC Asian Cup) হবে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্ব। এই প্রতিযোগিতার প্রথম চারটি দল ২০২৭ সালের ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ (India U20 Football) বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

     

  • India vs Bangladesh: ক্রীড়া কূটনীতিতে ভরসা! ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট-সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে, আশায় বাংলাদেশ

    India vs Bangladesh: ক্রীড়া কূটনীতিতে ভরসা! ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট-সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে, আশায় বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট দলের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে বাংলাদেশ। ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশের সাম্প্রতিক দূরত্ব কাটিয়ে উঠতে আশাবাদী বাংলাদেশ। সে দেশের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক (Aminul Haque)মঙ্গলবার জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরে ভারতীয় ক্রিকেট দলকে বাংলাদেশে স্বাগত জানানোর জন্য সরকার অপেক্ষা করছে। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বা ভারত সরকারের তরফে কোনও বিবৃতি না মিললেও, মনে করা হচ্ছে নতুন করে কোনও সমস্যা তৈরি না হলে এ বছরের সেপ্টেম্বের বাংলাদেশ সফরে যাবে ভারতীয় দল (India vs Bangladesh)।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে ফাটল!

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) চলতি বছরের শুরুতেই ঘোষণা করেছিল, ২০২৫ সালে স্থগিত হওয়া ভারত সফরের পরিবর্তে ২০২৬ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ভারত তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) ও তিনটি টি-২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে। ২০২৫ সালের নির্ধারিত সফরটি দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনার কারণে বাতিল হয়েছিল। একই পরিস্থিতির জেরে তৎকালীন মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন ঢাকার সরকার নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ থেকে সরে দাঁড়ায়। এরপর থেকেই ভারত সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

    সিরিজের সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু

    তবে চলতি মাসের শুরুতে ভারত সিরিজের টেলিভিশন ও মিডিয়া সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু করায় সফরটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা জোরালো হয়। পাশাপাশি আগস্টে ভারতের শ্রীলঙ্কা সফরের সূচিতে টি-২০ ম্যাচ না থাকায় বাংলাদেশ সফরের জন্য সময় বের হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। বিসিবি জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে ভারতের সিরিজে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। যদিও মিডিয়া স্বত্ব বিক্রির দরপত্র আহ্বান করার পরও ভারত সেই প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রাখায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

    ক্রীড়া কূটনীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব

    এ প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, “বর্তমান সরকার ক্রীড়া কূটনীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ক্রিকেট আমাদের জন্য গর্বের বিষয় এবং বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলেছি। তারাও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। সবাই সেপ্টেম্বরে ভারতের বাংলাদেশ সফরের অপেক্ষায় রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “ভারত বাংলাদেশে এলে অতীতে ঘটে যাওয়া একটি ছোট ঘটনার কারণে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, তা আমরা কাটিয়ে উঠতে পারব বলে আশা করছি। ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ও সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।”

    ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ধাক্কা

    এমনিতে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয় ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে। মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বাংলাদেশে ভারত বিরোধিতার সুর বেচে তথাকথিত নেতারা নিজেদের কেরিয়ারের গ্রাফ উপরে তোলার চেষ্টা করতেন। যার প্রভাব পড়ে দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কেও। সঙ্গে বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়েও বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। তারইমধ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে ২০২৬ সালের আইপিএল (IPL 2026) থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) ছেড়ে দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। সামনেই ছিল বাংলাদেশের নির্বাচন। ভোটের ময়দানে ফায়দা লুটতে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসেনি বাংলাদেশের ক্রিকেট দল। তবে তাতেও নির্বাচনে ফায়দা লুটতে পারেনি সংশ্লিষ্ট মহল। বরং ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। যে সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে।

    ভারত-বাংলাদেশের ক্রিকেট-তিক্ততা

    ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট তিক্ততা দূর করতে এবার ভারতীয় দল বাংলাদেশ সফরে যাবে বলে আশা করছে বাংলাদেশের ক্রীড়ামহল। এর আগে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের সরে দাঁড়ানোর কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া মন্ত্রক। পাশাপাশি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তটি কূটনৈতিক ব্যর্থতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতেও পৃথক একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ

    আগামী সেপ্টেম্বরে ভারত যদি বাংলাদেশে খেলতে যায় সে ক্ষেত্রে চার বছর পর ঢাকা সফরে যাবেন গিলরা। এই সফরে দুই দল তিনটি করে ওডিআই ও টি-২০ ম্যাচ খেলবে। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের জন্য বিসিবি হঠাৎ সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির তোড়জোড় শুরু করার পরই আশার আলো দেখছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। বিসিবির এক কর্তা সর্বভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘আমরা সিরিজ নিয়ে আশাবাদী। যদিও এখনও বিসিসিআইয়ের কাছ থেকে সবুজ সঙ্কেত আসেনি। দল পাঠাবে না, এমন কথাও বলেনি ভারতীয় বোর্ড। আশা করছি, খুব দ্রুত বিসিসিআইয়ের কাছ থেকে আমরা ইতিবাচক সাড়া পাব।’’ বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল স্কটল্যান্ডে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) বৈঠকে গিয়েছিলেন। তিনি ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ় আয়োজনের ব্যাপারে ইতিবাচক ইঙ্গিত পেয়েছেন। উল্লেখ্য, তামিম বিসিবির দায়িত্ব নেওয়ার পর জানিয়েছিলেন ভারতের সঙ্গে ক্রিকেটীয় সুসম্পর্ক রক্ষা করতে চান।

     

     

     

     

  • FIR Against Mamata: হাদি হত্যা নিয়ে দেশবিরোধী মন্তব্য মমতার! দেশের তথ্য ফাঁসের অভিযোগে এফআইআর দায়ের

    FIR Against Mamata: হাদি হত্যা নিয়ে দেশবিরোধী মন্তব্য মমতার! দেশের তথ্য ফাঁসের অভিযোগে এফআইআর দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ওসমান হাদি হত্যা নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিতর্কিত মন্তব্য গুরুত্ব পেল না পদ্মাপাড়েই। উল্টে ফের মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হল। উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখার জন্য শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় মমতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পদ থেকে সরতেই কীভাবে দেশের অন্দরের তথ্য ফাঁস করলেন মমতা, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের ভরা সভা থেকে নাম না করে বাংলাদেশের ওসমান হাদি হত্যা নিয়ে বিতর্কিত কথা বলেন মমতা। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে জড়িয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য ছুঁড়ে দেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

    কেন অভিযোগ দায়ের

    আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায় মমতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর অভিযোগ, গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশে খুন হন বিতর্কিত ওসমান হাদি। হাদির হত্যাকারীরা গত জানুয়ারিতে মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এলে দুজনকে গ্রেফতার করে রাজ্যের এসটিএফ। এরপর এই নিয়ে ২ জুনের ভরা সভা থেকে মমতা নাম উল্লেখ না করলেও সেই প্রসঙ্গ তুলে ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে খুন হলেও কারা জড়িত তিনি জানেন। নাম জড়ান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও। এতে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। সেই কারণেই রিঙ্কি শিলিগুড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    বাংলাদেশকে ভারতের বিরুদ্ধে করার প্রয়াস

    রিঙ্কি বলেন, “উনি মুখ্য়মন্ত্রী থাকাকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের যাই কথা হোক, সেটা এখন বাংলাদেশের একটা হত্যাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে সংগঠিত হত্যা বলে চালাচ্ছেন। বাংলাদেশ ও ভারতের সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করলেন। বিশ্বদরবারে ভারতের মাথা নত করলেন। বাংলাদেশের হিন্দুদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেন। পদে আসার সময় শপথ নিয়েছিলেন যে উনি কোনওদিন দেশের গোপনীয়তা বজায় রাখবেন। যেই না পদ চলে গেছে অমনি উনি মৌলবাদীদের উস্কে দিলেন।” আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ধরনা মঞ্চ থেকে মমতা যে উক্তি করেছেন তা সাংঘাতিক। বাংলাদেশকে ভারতের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা। এর ফলে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর আক্রমণ বাড়বে।

    মমতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    • ● ১৫২- দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)
    • ● ১৫৩-দাঙ্গা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উস্কানি, জাতি ও ধর্মের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানো
    • ● ১৫৩ এ- ধর্ম, জাতি, ভাষা, বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা, হিংসা, বা ঘৃণা ছড়ানো
    • ● ১৯১ ও ১৯২ ধারা- দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা
    • ● ১৯৬ ধারা-ধর্ম,বর্ণ,ভাষা বা অঞ্চলের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ ছড়ানো এবং জনসম্প্রীতি বিনষ্ট করলে
    • ● ৩৫১- কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে বা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কাজ করতে বাধ্য করার চেষ্টা
    • ● ৩৫২-ইচ্ছাকৃত ভাবে শান্তি ভঙ্গ করার উদ্দেশ্য

    পাত্তা দিল না বাংলাদেশ

    তবে, বাংলাদেশের মূলধারা রাজনৈতিক দলগুলি তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য নিয়ে তেমন একটা আগ্রহ দেখায়নি। কোন দলই পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর (West Bengal Ex CM) বক্তব্যকে গুরুত্ব দিতে চায়নি। বাংলাদেশের শাসক দল বিএনপি (BNP) সরকারিভাবে কোন প্রতিক্রিয়া না দিলেও সে দেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ মমতার বক্তব্যকে গুরুত্ব দেননি। তিনি বলেন, উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) সদ্য নির্বাচনে হেরে গিয়েছেন। একজন ব্যক্তি বিশেষের কথা নিয়ে সরকারের‌ তরফে প্রতিক্রিয়া দেওয়া উচিত হবে না।

    কী বলেছেন মমতা

    মঙ্গলবার ধর্মতলায় তৃণমূলের ধর্না কর্মসূচিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের একটি হত্যা মামলার আসামি ভারতের মেঘালয় দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের পর পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। হোম মিনিস্টার তখন আমাকে ফোন করে বলেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ যেন দেশের স্বার্থে এই ব্যাপারে মুখ না খোলে। তিনি আরও বলেন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়ে ছিল? সবটাই জানি।’ তৃণমূল নেত্রীর ওই মন্তব্যের পর আলোচনায় আসে বাংলাদেশের ইসলামিক ঐক্য জোটের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ। গত বছর ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় দিন দুপুরে তাঁকে খুন করা হয়। তারই হত্যাকারীদের ভারতীয় পুলিশ গ্রেফতার করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যকে অনেকেই ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ বলে ধরে নিচ্ছেন। হোম মিনিস্টার বলতে তিনি ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ইঙ্গিত করেছেন বলেও মনে করা হচ্ছে। যদিও তিনি অমিত শাহের নাম মুখে আনেননি। ‌ উল্লেখ করেননি হাদির নামও।

    মমতার মন্তব্য উদ্দেশ্য প্রণোদিত

    মঙ্গলবার ধর্মতলার কর্মসূচিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত তাদের নাম যদি বলি তাহলে বাংলাদেশের তোলপাড় হবে। ওয়াকিবহাল মহলের অনেকের মতে, মমতার কথায় বাংলাদেশে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছিল। বাস্তবে সে‌ দেশের শাসক-বিরোধী কোনও দলই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর বক্তব্যকে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। বাংলাদেশের একাধিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর বিএনপি নেতৃত্ব একান্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছে। তারা মনে করছে নির্বাচনে ভরাডুবির পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রে শাসকদল বিজেপিকে নিশানা করতে এই মন্তব্য করেছেন। বিএনপির এক বর্ষীয়ান নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। সেখানে বিজেপি সরকার গড়েছে। এই পরিস্থিতিতে তার কোন মন্তব্য নিয়ে ভারতের সঙ্গে বিবাদে জড়াতে চায় না বিএনপি। ওই নেতার কথায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য সম্পূর্ণভাবে একটি দেশ-বিরোধী পদক্ষেপ। ভারতের রাজনীতির এই অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে, তাই বিএনপি মাথা গলাতে আগ্রহী নয়। হাদির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক চ্যানেলে আবেদন জানিয়ে রেখেছে। দুই দেশ যৌথভাবে ওই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চালাচ্ছে।

  • Shikhar Dhawan: হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণ! বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অত্যাচারে মর্মাহত ধাওয়ান

    Shikhar Dhawan: হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণ! বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অত্যাচারে মর্মাহত ধাওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহম্মদ ইউনুসের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু নিধনের ঘটনা যেন থামছেই না। কয়েকদিন আগেই ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে প্রকাশ্যে এসেছিল হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণের ঘটনা। কেবল তাই নয়, গাছের সঙ্গে বেঁধে মাথার চুল কেটে নেওয়া হয় ৪০ বছরের ওই মহিলার। এই নারকীয় নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠলেন শিখর ধাওয়ান (Shikhar Dhawan)। পৈশাচিক এই ঘটনাকে ‘হৃদয়বিদারক’ আখ্যা দিয়েছেন প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার।

    নৃশংস হামলার খবর পড়ে যন্ত্রণাবিদ্ধ

    ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার শিখর লেখেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দু বিধবার উপর নৃশংস হামলার খবর পড়ে যন্ত্রণাবিদ্ধ হয়েছি। কোথাও, কারওর সঙ্গে এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমার প্রার্থনা, নির্যাতিতা যেন ন্যায়বিচার ও সমর্থন পান।’ পুলিশের কাছে অভিযোগে ওই মহিলা জানিয়েছেন, আড়াই বছর আগে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পুরসভার ৭নং ওয়ার্ড নদীপাড়ার বাসিন্দা শাহিন ও তাঁর ভাইয়ের কাছে ২০ লক্ষ টাকায় তিন শতক জমি-সহ একটি দোতলা বাড়ি কিনেছিলেন। এরপর থেকেই মূল অভিযুক্ত শাহিনের কুনজরে পড়েন তিনি। তাঁকে অতীতে একাধিকবার অশালীন প্রস্তাবও দিয়েছিল যুবক। তাতে রাজি না হওয়ায় নানাভাবে হয়রানি করা হয় ওই মহিলাকে। গত শনিবার সন্ধায় আচমকাই বাড়িতে ঢোকে শাহিন এবং তাঁর সঙ্গী হাসান। দু’জনে মিলে তাঁকে ধর্ষণ করে। পাশাপাশি সেদিন ওই মহিলার কাছ থেকে আরও ৫০ হাজার টাকার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩৭ হাজার টাকা) দাবিও করে দুই অভিযুক্ত। তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা আত্মীয়দেরও পর্যন্ত নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ। এরপর ওই বিধবা চিৎকার শুরু করলে মহিলাকে গাছে বেঁধে চুল কেটে দেয়। এই ঘটনা ভিডিও করে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। নৈরাজ্যের বাংলাদেশে গত তিন সপ্তাহে এখনও পর্যন্ত সাত জন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। ব্যবসায়ী থেকে দোকানদার, রোষের শিকার হয়েছেন প্রত্যেকেই।

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে সমস্যা

    বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের প্রভাব দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কের উপরেও পড়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছাঁটাই করে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তারপর থেকে এই বিষয়ে সুর চড়া করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এমনকী ঘুরপথে ‘প্রতিহিংসা’ চরিতার্থ করার চেষ্টা শুরু করে তারা। মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ার ‘বদলা’ হিসেবে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না আসার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিতর্ক আরও গভীর হয়েছে। আইসিসি-কে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। তবে, বিসিবি-র অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। বলা হয়েছে, ভারতে কোনও সমস্যা নেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেললে সেখানেই খেলতে হবে। তবে এই আবহে বিসিবি জানিয়েছে, দেশের সম্মান বা ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে তারা খেলতে যাবে না। বুধবার ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, বাংলাদেশ চাইছে তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হোক।

    বিপিএল-ছাড়লেন ভারতীয় সঞ্চালিকা ঋধিমা

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অন্যতম উপস্থাপক হিসাবে কাজ করছিলেন ঋধিমা পাঠক। আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর তাঁকে আর অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করতে দেখা যাচ্ছে না। মনে করা হয়েছিল, মুস্তাফিজুর বিতর্কের জেরে ভারতীয় সঞ্চালিকাকে বাদ দিয়েছেন বাংলাদেশের সম্প্রচারকারী চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। ঋধিমা জানিয়েছেন, তিনি নিজেই বিপিএল থেকে বেরিয়ে এসেছেন। বিপিএল থেকে ঋধিমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে। তৈরি হচ্ছিল নতুন বিতর্ক। তবে ঋধিমা নিজেই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার করে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, স্বেচ্ছায় বিপিএল থেকে সরে এসেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে সরিয়ে দেয়নি। বিবৃতি দিয়ে ঋধিমা বলেছেন, ‘‘আমাকে বিপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এমন একটা জল্পনা ছড়িয়েছে। এটা ঠিক নয়। আমি নিজেই সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমার কাছে আমার দেশ সব সময় সকলের আগে। যে কোনও ব্যক্তিগত দায়িত্বের চেয়ে ক্রিকেট খেলা অনেক বেশি মূল্যবান বলে মনে করি। বছরের পর বছর সততা, শ্রদ্ধা, আবেগের সঙ্গে ক্রিকেটের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। এটার কোনও পরিবর্তন হবে না। আমি সততা, স্বচ্ছতা এবং খেলার পাশেই থাকব।’’

LinkedIn
Share