Tag: India vs Pakistan

India vs Pakistan

  • India vs Pakistan: “করমর্দন সৌজন্যের প্রতীক, নিয়ম নয়”! ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানকে জবাব বিসিসিআই-এর

    India vs Pakistan: “করমর্দন সৌজন্যের প্রতীক, নিয়ম নয়”! ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানকে জবাব বিসিসিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমর্দন সৌজন্যের প্রতীক, নিয়ম নয়। এশিয়া কাপে রবিবার পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটাররা পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলাননি। যা নিয়ে চর্চা অব্যাহত। সোমবার এ নিয়ে নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করে বিসিসিআই। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে (PTI) দেওয়া এক বিবৃতিতে এক সিনিয়র বিসিসিআই (BCCI) কর্তা বলেন, “আইসিসি-র নিয়মবিধিতে কোথাও বলা নেই যে ম্যাচ শেষে করমর্দন বাধ্যতামূলক। এটি নিছকই এক সৌজন্যমূলক রীতি। পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের বাস্তবতায় খেলোয়াড়দের এমন সৌজন্য প্রকাশে কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।”

    কোনও অভিযোগ এখনও আসেনি

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অভিযোগ, তৃতীয় কোনও পক্ষের নির্দেশেই নাকি ভারত এই কাজ করেছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছে যে, গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষে ভারতীয় খেলোয়াড়রা পাকিস্তানি দলের সঙ্গে করমর্দন (হাত মেলানো) করতে অস্বীকার করেছেন। পিটিআইয়ের সূত্র অনুযায়ী, এই ঘটনার পর পিসিবি বিষয়টি নিয়ে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (ACC) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে। তবে ভারতের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিসিআই (BCCI) জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পায়নি। বিসিসিআইয়ের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, “করমর্দন না করা কিংবা ডোর ক্লোজ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিসিসিআই-এর কাছে এসিসি থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আসেনি।”

    গম্ভীর ও সিনিয়র ক্রিকেটারদের সিদ্ধান্ত

    জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে ভারতীয় দল ও কোচিং স্টাফরা একটি আলোচনায় বসেন। প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বে নেওয়া হয় এই সিদ্ধান্ত। তিনি নাকি প্লেয়ারদের বলেছিলেন, “সোশাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকো। বাইরের চিৎকারে কান দিও না। তোমাদের কাজ ভারতের হয়ে খেলা। পহেলগাঁওয়ে কী হয়েছে ভুলে যেও না। প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলাবে না, বাড়তি গুরুত্ব দেবে না। শুধু যাও, নিজের সেরাটা দিয়ে দলকে জেতাও।” এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে নেওয়া হয়নি বরং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করা হয়। গম্ভীর আগেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছিলেন, “যতদিন না সন্ত্রাস বন্ধ হচ্ছে, ততদিন কোনও ধরনের ক্রীড়া সম্পর্ক নয় পাকিস্তানের সঙ্গে।”

    হেরে গিয়ে বিচিত্র অভিযোগ পাকিস্তানের

    এশিয়া কাপে ম্যাচ হেরেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফ্টের অপসারণ দাবি করল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ইতিমধ্যে জয় শাহর আইসিসি- কাছে চিঠি দিয়েছে পিসিবি। ভারতীয় দলকে এই ম্যাচে পাইক্রফ্ট টেনে খেলিয়েছেন বলে দাবি করল পিসিবি। আম্পায়ারকে এশিয়া কাপের দায়িত্ব থেকে এখনই সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে পিসিবির তরফে। এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তান। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিপক্ষের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে সলমান আগার দল। মাঠের লড়াই পারেনি। ফলে ম্যাচের পর পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে ভারতের ক্রিকেটারদের হ্যান্ডশেক না করা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু করেছে। এবার ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবং মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

    এশিয়া কাপ থেকে সরবে পাকিস্তান

    সূত্রের খবর, ভারতের আচরণে এতই অপমানিত পাক দল, যে সূর্যকুমারদের বিরুদ্ধ পদক্ষেপ না করলে চলতি এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিতে পারে পাকিস্তান। এই বিষয়ে তারা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলকে (ACC) ইতিমধ্যেই আবেদন করেছে বলে খবর সামনে এসেছে। রবিবার ছিল এশিয়া কাপের (Asia Cup 2025) মঞ্চে ক্রিকেটের অন্যতম সেরা মহাযুদ্ধ। মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান (IND vs PAK)। সমগ্র ম্যাচ জুড়েই ছিল একাধিক নাটকীয় মুহূর্ত। তবে ক্রিকেটের লড়াইয়ে প্রথম থেকে সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) দল এগিয়ে ছিল। ম্যাচে বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সুপার ফোরে জায়গা কার্যত পাকা করে নিয়েছে ব্লু ব্রিগেডরা। কোনো সময়েই সালমান আলী আগার (Salman Ali Agha) দল ম্যাচে ফিরে আসার সুযোগ পাইনি। অন্যদিকে ম্যাচে কোনভাবেই সৌজন্য দেখায়নি ব্লু ব্রিগেডরা। মাঠের বাইরে গ্যালারিতেও চলছে লড়াই। সেখানেও এগিয়ে ভারত। খেলা যত গড়াচ্ছে তত ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনিতে মুখরিত হচ্ছে গ্যালারি। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, এই লড়াই ভারতীয় ক্রিকেটার ও সমর্থকদের কাছে যুদ্ধের থেকে কম নয়।

    ‘বয়কটে’র আদর্শ উদাহরণ রেখেছেন সূর্যরা

    উল্লেখ্য, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সবসময়ই উত্তেজনা এবং আবেগে ভরপুর থাকে। পহেলগাঁও হামলার পর রবিবারের ম্যাচে সেই উত্তেজনা স্পষ্ট ছিল। এমনকি দলের স্কোয়াড তালিকাও দুই অধিনায়কের মধ্যে সরাসরি বিনিময় না করে সরাসরি ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পাকিস্তানের টিম ম্যানেজার নাভেদ চীমা পরে দাবি করেন, ভারতীয় দলের করমর্দনে অনীহার কথা মাথায় রেখেই রেফারি স্বয়ং পাকিস্তানের খেলোয়াড় সালমান আলি আগাহ-কে সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে করমর্দন করতে বারণ করেন। আগামী অক্টোবরে কলম্বোতে অনুষ্ঠিত মহিলা ওডিআই বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হবে। তার আগে এশিয়া কাপেও সুপার ফোরে ফের ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হতে পারে। এখন সেই ম্যাচগুলোতে কী হয় তার দিকেই নজর। তবে আপাতত, পাকিস্তান ম্যাচে ‘বয়কটে’র আদর্শ উদাহরণ রেখেছেন সূর্যরা। ব্যাটে-বলে বদলাও নিয়েছেন বাইশ গজে।

  • India vs Pakistan: বাইশ গজেও বদলা! পহেলগাঁওয়ে নিহতদের স্মরণ, ভারতীয় সেনাকে জয় উৎসর্গ সূর্যের

    India vs Pakistan: বাইশ গজেও বদলা! পহেলগাঁওয়ে নিহতদের স্মরণ, ভারতীয় সেনাকে জয় উৎসর্গ সূর্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপে (Asia Cup 2025) দাপটে পাকিস্তানকে হারাল ভারত (India vs Pakistan)। দেশের সেনাবাহিনীকে এই জয় উৎসর্গ করলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, পহেলগাঁও জঙ্গিহানায় নিহতদের পরিবারের প্রতি ভারতীয় দলের তরফ থেকে সমবেদনা জানাচ্ছেন। ভারত অধিনায়কের সুরেই কথা বলেছেন প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরও। খেলা শেষে তিনি বলেন, “দল হিসেবে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় নিহতদের পরিবারের পাশে থাকতে চেয়েছিলাম। সেটাই করে দেখিয়েছি। অপারেশন সিঁদুরের জন্য ভারতীয় সেনার উপর গর্বিত।”

    সূচি অনুযায়ী খেলা, বাইরে কোনও সম্পর্ক নয়

    পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ড এবং ভারতের (India vs Pakistan) ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর কারণে এই ম্যাচের উত্তাপ ছিল মাঠের বাইরেও। অনেকেই এই ম্যাচ বয়কট করতে বলেছিলেন। তার মধ্যে ছিলেন হরভজন সিংয়ের মতো প্রাক্তনেরাও। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড জানিয়ে দিয়েছিল, বড় প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে কোনও আপত্তি নেই তাদের। ভারতীয় বোর্ড স্পষ্ট করে দিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না খেললেও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি আয়োজিত প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে আপত্তি নেই তাদের। তবে কোথাও ক্রিকেটারদের মাথাতেও হয়তো প্রতিবাদের কথা ঘুরছে। তাই নিজেদের মতো করে প্রতিবাদ করলেন তাঁরা। পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের কোনও রকম সম্মান জানাননি তাঁরা। বুঝিয়ে দিয়েছেন, সূচি অনুযায়ী খেলছেন। তার বাইরে পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই তাঁদের।

    বাইশ গজেও বদলা ভারতের

    পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা এবং পাল্টা হিসাবে ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর এই দাবিই তুলেছিলেন হরভজন সিং। না ক্রিকেট, না বাণিজ্য— পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের কোনও রকম সম্পর্কই দেখতে চাননি তিনি। বাণিজ্য এখনও শুরু হয়নি। ক্রিকেট হল। ক্রিকেট ম্যাচেও ‘বদলা’ নিল ভারত। শুধু ‘বদলা’ নয়, একেবারে দুরমুশ করে বদলা। রবিবার দুবাইয়ে ভারত জিতল সাত উইকেটে। পড়শি দেশের তোলা ১২৭/৯ ভারত টপকে গেল ২৫ বল বাকি থাকতেই। রবিবার ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছেন কুলদীপ যাদব। ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) ম্যাচের শুরুটা যে ভাবে হয়েছিল, শেষটাও সে ভাবেই হল। টসের পর পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আলি আঘার সঙ্গে হাত মেলাননি ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। একে অপরকে ম্যাচের জন্য শুভেচ্ছাও জানাননি। তবে সৌজন্য না দেখালেও দুই দলের কেউই বিপক্ষকে অসম্মান করেননি। খেলা শেষেও সেটাই করল ভারত। পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত না মিলিয়েই সাজঘরে ফিরে গেলেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১২৮ রান তাড়া করতে নেমে ২৫ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে যায় ভারত। পাকিস্তান গোটা ম্যাচে দাঁড়াতে পারেনি। মাঠেই ‘বদলা’ নিলেন সূর্যেরা। পাকিস্তানের সঙ্গে ছেলেখেলা করে জিতলেন তাঁরা।

    উপেক্ষাতেই জবাব দিল ভারত

    ক্রিকেট ম্যাচ হয়ে যাওয়ার পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জয়ী এবং পরাজিত দুই অধিনায়কই (India vs Pakistan) কথা বলেন। ম্যাচের সেরা ক্রিকেটারও নিজের বক্তব্য রাখেন। অথচ রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আঘা এলেনই না কথা বলার জন্য। ভারতের আচরণের প্রতিবাদ করে তিনি এই কাজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। ম্যাচের পর সাংবাদিক বৈঠকে এসে পাকিস্তানের কোচ মাইক হেসন জানান, ভারত হাত মেলায়নি বলেই প্রতিবাদস্বরূপ সলমন সাক্ষাৎকার দেননি। হেসন বলেছেন, “বিপক্ষ দলের এমন আচরণে আমরা হতাশ। যে ভাবে খেলেছি সেটা নিয়েও হতাশ। আমরা চেয়েছিলাম ওদের সঙ্গে হাত মেলাতে। সেটা হয়নি। তাই জন্যই সলমন আসেনি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কথা বলতে। খুব হতাশাজনক ভাবে ম্যাচটা শেষ হল।” তবে, ভারত নিজের জায়গায় স্পষ্ট। উপেক্ষাতেই জবাব দিল ভারত। বার্তা স্পষ্ট, সন্ত্রাসে মদতকারীদের সঙ্গে কোনওরকম সৌজন্যই চলে না। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ নিজেদের অবস্থান থেকে সরেনি টিম ইন্ডিয়া।

    পহেলগাঁওয়ে নিহতদের পরিবারের পাশে

    রবিবার ছিল সূর্যর জন্মদিন। সেটা আরও স্পেশাল হয়ে উঠল পাকিস্তানকে হারিয়ে। তিনি নিজে ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন। ভারত ম্যাচ জেতে ৭ উইকেটে। আর সব শেষে এসে সূর্যর বক্তব্যে মুগ্ধ দেশের ক্রিকেটভক্তরা। তিনি বলেন, “আমরা পহেলগাঁও জঙ্গিহানায় নিহতদের পরিবারের পাশে আছি। তাঁদের জন্য আমাদের সমবেদনা রইল। আর আমাদের আজকের জয় ভারতীয় সেনাবাহিনীকে উৎসর্গ করতে চাই। তারা এভাবেই আমাদের অনুপ্রাণিত করুক।” সাংবাদিক সম্মেলনে সূর্য বলেন, “কয়েকটা কথা বলতে চাই। এর থেকে ভালো সুযোগ হয়তো পাব না। আমার মনে হয় স্পোর্টসমানশিপের ঊর্ধ্বেও কিছু জিনিস আছে। আমরা পহেলগাঁওয়ে নিহতদের পরিবারের পাশে আছি। তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা রয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীরও পাশে রয়েছি। আমরা এখানে আসার সময়েই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, খেলতে আসছি। এর যোগ্য জবাব দিতে চেয়েছিলাম। মাঠেই এর যথাযথ জবাব দিয়েছি। বিসিসিআই এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ একমত।”

  • India vs Pakistan: ‘কেন্দ্রের নীতি মেনেই খেলা হবে’, রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় পাকিস্তানকে টেক্কা দিতে প্রস্তুত ভারত

    India vs Pakistan: ‘কেন্দ্রের নীতি মেনেই খেলা হবে’, রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় পাকিস্তানকে টেক্কা দিতে প্রস্তুত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপার সানডে! রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারত-পাকিস্তান মহারণ। এশিয়া কাপের (Asia Cup 2025) দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই চড়ছে উত্তেজনার পারদ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারত এবং পাকিস্তান শেষ বার মুখোমুখি হয়েছিল গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। সেই ম্যাচের এক বছর তিন মাস পর আবার তারা মুখোমুখি। অপারেশন সিঁদুরের পর বাইশগজে প্রথম লড়াই।

    ভারত সরকারের নীতিই মানবে বিসিসিআই

    শুক্রবার আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমাল দুই দলের লড়াইয়ের আগে টিম ইন্ডিয়াকে শুভকামনা জানিয়েছেন। তাঁর মতে, টিম ইন্ডিয়া কেবল সরকারের নীতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে। পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পটভূমিতে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তবে সমালোচনার অবসান ঘটিয়ে ধুমাল বলেন, “টিম ইন্ডিয়ার জন্য শুভকামনা। সরকার তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে খেলব না। তবে এসিসি কিংবা আইসিসি ইভেন্টে পাকিস্তানের সঙ্গে খেলব। তাই সরকার যা বলবে সেটাই অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে।”

    এশিয়া কাপে আধিপত্যের লড়াই

    এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দল নামাতে চলেছে বিসিসিআই। যা নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা দ্বিধাবিভক্ত। একটা অংশের মত, হিংসা আর খেলাধুলো একসঙ্গে চলতে পারে না। আবার কেউ কেউ ক্রিকেটীয় সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে। এই আবহে অরুণ ধুমালের মন্তব্য। রবিবাসরীয় দ্বৈরথে পাকিস্তানকে দুরমুশ করে এশিয়া কাপে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে মরিয়া ভারত। শেষ টি-টোয়েন্টি সাক্ষাতের পর দুই দলেই অনেক বদল এসেছে। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিরা যেমন ভারতের হয়ে আর খেলেন না, তেমনই পাকিস্তান দল থেকে বাদ পড়েছেন বাবর আজম, মহম্মদ রিজওয়ানেরা। ফলে রবিবার যে দুই দল খেলবে, সেখানে অনেকেই নতুন মুখ।

    পাকিস্তানের চিন্তা ব্যাটিং, আফ্রিদি-কে আটকানো লক্ষ্য ভারতের

    জয় দিয়েই এশিয়া কাপ অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তান। ওমানকে হারিয়েছে ৯৩ রানে। তবে, পাকিস্তানকে ১৬০ রানের বেশি এগোতে দেয়নি ওমানের বোলিং। পাকিস্তানকে চিন্তায় রেখেছে তাদের ব্যাটিং। পাকিস্তানের অভিজ্ঞ ব্যাটার ফকর জামান। ভারতের বিরুদ্ধে তিনি ভালো খেলেন। তবে বরুণ চক্রবর্তীর বোলিং সামলানো তাঁর কাছে কঠিন কাজ হতে চলেছে। বরুণের বলে বৈচিত্র এতই বেশি যে আগে থেকে অনুমান করা যায় না পরের বলটা কেমন হতে চলেছে। বরুণের দায়িত্ব থাকবে পাকিস্তানের মিডল অর্ডারকে শান্ত রাখার। ওমান ম্যাচে মহম্মদ হ্যারিসের ইনিংস নজর কেড়েছে। দলের সর্বোচ্চ রান করেছিলেন তিনিই। তার থেকেও বড় কথা, স্ট্রাইক রেটও ভাল রেখেছিলেন। টি-টোয়েন্টিতে দলের অন্যতম সেরা ব্যাটার তিনি। রবিবারের ম্যাচে পাকিস্তান আগে ব্যাট করুক বা পরে, হ্যারিসকে দ্রুত ফেরানোর লক্ষ্য থাকবে ভারতের। আর সেই কাজে যিনি সাহায্য করতে পারেন তিনি কুলদীপ। হ্যারিসের অভ্যাস রয়েছে চালিয়ে খেলার। তাই কুলদীপ বোকা বানিয়ে বোল্ড করার সুযোগ পাবেন। কুলদীপের আঙুলের হালকা মোচড় হ্যারিসকে সাজঘরে ফেরাতে পারে। অন্যদিকে এশিয়া কাপে দুরন্ত শুরু করেছে ভারত। তবে পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি বা সুফিয়ান মুকিম-কে ধরে খেলতে হবে সূর্যকুমারদের।

  • Asim Munir: “ভারত একটি চকচকে মার্সিডিজ, পাকিস্তান একটি ডাম্প ট্রাক”, অদ্ভূত তুলনায় হাসির খোরাক হলেন আসিম মুনির

    Asim Munir: “ভারত একটি চকচকে মার্সিডিজ, পাকিস্তান একটি ডাম্প ট্রাক”, অদ্ভূত তুলনায় হাসির খোরাক হলেন আসিম মুনির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির (Asim Munir) সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমন এক তুলনা টেনেছেন, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে প্রবল ট্রোল ও সমালোচনা। ঘটনার সূত্রপাত হয় পাক সেনাপ্রধানের এক বক্তব্য ঘিরে। আসিম মুনির বলেন, “আমি একটি রূঢ় উপমা দিয়ে বোঝাতে চাইছি। ভারত একটি চকচকে মার্সিডিজ, যা হাইওয়েতে ছুটছে ফেরারির মতো। আর আমরা একটি ডাম্প ট্রাক, যা ভর্তি কাঁকর-নুড়িপাথর দিয়ে। এখন যদি এই ট্রাক গিয়ে মার্সিডিজকে ধাক্কা দেয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত কে হবে?” এই বক্তব্যে মুনির বোঝাতে চেয়েছিলেন, পাকিস্তান হয়তো মার্সিডিজের মতো ঝকঝকে নয়, কিন্তু একটি ডাম্প ট্রাকের মতো ভারি ও ধাক্কা দিতে সক্ষম। তবে তাঁর এই উপমা ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল

    এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার হন মুনির। এক নেটিজেন বলেন, “এই তুলনায় আসলে পাকিস্তানকেই তিনি ‘ডাম্প ট্রাক’ বলে স্বীকার করেছেন, যা একধরনের আত্ম-অপমান।” একজন ব্যবহারকারী লেখেন, “মুনিরের বক্তব্যে একমাত্র সত্য হলো, ভারত একটি মার্সিডিজ, আর পাকিস্তান একটি ডাম্প ট্রাক। বাকিটা কল্পনা।” আরেকজন লিখেছেন, “অন্তত পাকিস্তান নিজেদের বাস্তবতা জানে… তারা ডাম্প ট্রাক ছাড়া অন্য কিছুই নয়। ব্যর্থ মার্শাল স্বীকার করলেন যে তারা কতটা করুণ অবস্থায় আছেন।” কেউ আবার এআই জেনারেটেড ছবি দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছেন, মার্সিডিজ ও ডাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে কী হতে পারে। একজন মজা করে লেখেন, “প্রথমে ভেবেছিলাম এটা মজা। পরে বুঝলাম, না — এটা আসলেই বলেছে! পাকিস্তান সত্যিই আসিম মুনিরের মতো সেনাপ্রধানকে ডিজার্ভ করে।”

    মার্কিন মুলুকে মুনির

    একদিকে ভারতের উপরে ক্রমাগত চাপাচ্ছেন ট্যারিফ, অন্যদিকে পাকিস্তানের সঙ্গে সখ্যতা বাড়িয়েই চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দিন কয়েক আগেই পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। এবার ফের মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনা প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। বিগত দুই মাসে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার মার্কিন সফরে আসিম মুনির। আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে সরাসরি ভারতকে পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকিও দিয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে পাকিস্তান যদি অস্তিত্বের সংকটে পড়ে, তাহলে পাকিস্তান পুরো অঞ্চলকে পারমাণবিক সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দেবে।

  • India vs Pakistan: পহেলগাঁও কাণ্ডের প্রতিবাদ, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নারাজ ধবন-হরভজন-পাঠান

    India vs Pakistan: পহেলগাঁও কাণ্ডের প্রতিবাদ, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নারাজ ধবন-হরভজন-পাঠান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব জায়গায় বয়কট পাকিস্তান (India vs Pakistan)। পহেলগাঁও কাণ্ডের পর কোনওভাবেই ২২ গজের মহারণে পাকিস্তানের সঙ্গে খেলতে চায় না ভারত। তা সে এশিয়া কাপ হোক বা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, কিংবা ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অফ লেজেন্ডস’ (World Championship of Legends)। ১৮ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে এই প্রতিযোগিতা। চলবে ২ অগাস্ট পর্যন্ত। বেসরকারি টি২০ প্রতিযোগিতা, যেখানে নামজাদা প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অনেকেই অংশ নিয়ে থাকেন। কিন্তু এবছর চলতি টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের সঙ্গে খেলতে অস্বীকার করল ভারত। ভারতীয় ক্রিকেটারদের চাপে পড়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হয়েছেন আয়োজকেরা। রবিবার, বাতিল হয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ।

    আফ্রিদির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানের সঙ্গে খেলা নয়

    পহেলগাঁও কাণ্ডের পর নিজের নিজের দেশের সমর্থনে মুখ খুলেছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটারেরা। ভারতীয়দের মধ্যে সকলেই পাকিস্তানের নিন্দা করেছিলেন। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে ভারতকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন শাহিদ আফ্রিদি। তার জবাবে শিখর ধাওয়ান লিখেছিলেন, “কার্গিলেও তোমাদের হারিয়েছিলাম। এত নীচে নেমেছ, আর কত নামবে? উল্টোপাল্টা মন্তব্য করার চেয়ে নিজের দেশের ভাল হয় এমন কোনও কাজ করো। ভারতীয় সেনাদের নিয়ে আমরা গর্বিত।” আফ্রিদির নেতৃত্বাধীন সেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের খেলা নিয়েই সরব হন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে হরভজন সিং, সুরেশ রায়না, ইরফান ও ইউসুউ পাঠান জানিয়ে দেন, তাঁরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন না। ভারতের আর এক ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ানও সমাজমাধ্যমে জানান যে, তিনি এই ম্যাচ খেলবেন না। ফলে ম্যাচ বাতিল করতে বাধ্য হয় আয়োজকরা।

    স্পনসররাও বয়কট করেছে পাকিস্তানকে

    এরপর প্রতিযোগিতার স্পনসররাও বয়কট করেছে পাকিস্তানকে। তাদের কোনও ম্যাচের সঙ্গে যুক্ত থাকবে না ভারতীয় স্পনসর। এই প্রতিযোগিতার অন্যতম মালিক বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগণ। প্রতিযোগিতার অন্যতম স্পনসর ‘ইজমাইট্রিপ ডট কম।’ তারা জানিয়েছে, “দু’বছর আগে এই প্রতিযোগিতার সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি হয়েছে। তার পরেও আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। এই প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের কোনও ম্যাচের সঙ্গে আমরা যুক্ত নই। আমরা ভারত চ্যাম্পিয়ন্সকে সমর্থন করি। ওদের পাশে আমরা রয়েছি। নীতিগত ভাবে পাকিস্তানের কোনও ম্যাচের প্রচার আমরা করব না।”

     

     

     

     

     

  • Colombia Support India: অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারতকে সমর্থন! পাকিস্তানিদের জন্য সমবেদনার বিবৃতি প্রত্যাহার করল কলম্বিয়া

    Colombia Support India: অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারতকে সমর্থন! পাকিস্তানিদের জন্য সমবেদনার বিবৃতি প্রত্যাহার করল কলম্বিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আমেরিকায় বিরাট কূটনৈতিক জয় ভারতের। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ (Operation Sindoor) নিহত পাকিস্তানিদের জন্য সমবেদনা জানিয়েছিল কলম্বিয়া সরকার (Colombia Support India)। ভারতের সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল সেই দেশে গিয়ে কলম্বিয়ার বিবৃতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে। অবশেষে সেই বিতর্কিত বিবৃতি প্রত্যাহার করল কলম্বিয়া। এমনটাই দাবি সে দেশে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতা শশী থারুরের (Shashi Tharoor)। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে কলম্বিয়ার বিদেশমন্ত্রী নতুন বিবৃতিও প্রকাশ করেছেন।

    পরিস্থিতি বুঝতে পেরেছে কলম্বিয়া

    কলম্বিয়ার (Colombia Support India) বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারতীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে তাঁরা পরিস্থিতি বুঝতে পেরেছেন। কাশ্মীরে কী ঘটেছিল, তা-ও বিশদে জানতে পেরেছেন। কলম্বিয়া সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক হয় ভারতীয় প্রতিনিধিদলের। সেখানে ছিলেন কলম্বিয়ার বিদেশ বিষয়ক উপমন্ত্রী রোসা ইয়োলান্দা ভিলাভিসেন্সিয়ো। সমাজমাধ্যমে শশী থারুর লিখেছেন, ‘‘কলম্বিয়ার মন্ত্রী রোসা এবং তাঁর সিনিয়র সহকর্মীদের সঙ্গে একটি দুর্দান্ত বৈঠক হয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনায় ভারতের অবস্থান ওঁদের জানিয়েছি। পাকিস্তানিদের জন্য ‘আন্তরিক সমবেদনা’ প্রকাশ করে ওঁরা যে বিবৃতি দিয়েছিলেন, তাতে আমরা হতাশ, ওঁদের বলেছি। মন্ত্রী আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, ওই বিবৃতি প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমাদের অবস্থান ওঁরা বুঝেছেন এবং সমর্থন করেছেন।’’

    শশী থারুরের ক্ষোভ

    আসলে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারতের পাশে দাঁড়ায়নি কলম্বিয়া। উলটে পাকপন্থী বিবৃতি দেয় বোগাতা। ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত পাক নাগরিকদের পরিবারকে শোক জানিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল দেশটি। পাকিস্তানের মাটিতে ভারতের সামরিক হস্তক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তোলে দক্ষিণ আমেরিকার ওই দেশ। অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারতের অবস্থান বোঝাতে কলম্বিয়ায় পৌছেই এই বিষয়টি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় প্রতিনিধি দল। কলম্বিয়া সরকারের আচরণে তাঁরা যে হতাশ, সে কথা সে দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে মুখের উপরেই বলে দেন থারুররা।

    সন্ত্রাসবাদ এবং তার প্রতিরোধকারীরা এক নয়

    সন্ত্রাস দমনে ভারতের(Colombia Support India) ভূমিকায় পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের একাধিক প্রথম সারির দেশ। আমেরিকা থেকে ফ্রান্স, জাপান থেকে ইন্দোনেশিয়া, একের পর এক দেশে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে ভারত। পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রমাণ পেশ করছেন ভারতের সংসদীয় দলের প্রতিনিধিরা। এর মাঝে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছিল তুরস্ক। সেই তালিকায় ছিল কলম্বিয়াও। পাকিস্তানে নিহতদের প্রতি কলম্বিয়া সমবেদনা জানানোয় নিন্দা প্রকাশ করে শুক্রবার সে দেশের রাজধানী বোগাতায় সাংবাদিকদের থারুর বলেন, “কলম্বিয়া সরকারের প্রতিক্রিয়ায় আমরা হতাশ হয়েছি। তাঁরা ভারতের আক্রমণে নিহত পাকিস্তানিদের জন্য আন্তরিক সমবেদনা জানালেন। সন্ত্রাসবাদের বলি হয়েছেন যাঁরা, তাদের জন্য নয়! আমরা কলম্বিয়ার বন্ধুদের বলতে চাই, সন্ত্রাসবাদ এবং তার প্রতিরোধকারীদের কোনওভাবেই এক করে দেওয়া যায় না। কেউ আক্রমণ করে, কেউ রক্ষা করে, এদের মধ্যে কোনও সমতা নেই। আমরা আমাদের আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেছি মাত্র। যদি কোথাও কোনও ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকে, তার মীমাংসার জন্য আমরা আছি।”

    একাধিক জঙ্গি হামলা সহ্য করেছে ভারত

    এর পরেই পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার বিস্তারিত বিবরণ এবং পরবর্তীকালে পাকমদতপুষ্ট জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার বিস্তারিত বিবরণ দেন থারুর। সংসদীয় প্রতিনিধিদল জানায়, নয়াদিল্লির কাছে স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে, ২২ এপ্রিলের পহেলগাঁও হামলার পিছনে পাকিস্তান মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীরা জড়িত ছিল। থারুরের সংযোজন, ‘আমরা কেবল আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করছি। পরিস্থিতি সম্পর্কে কলম্বিয়ার সঙ্গে কিছু বিস্তারিত কথা বলতে পেরে আমরা খুব খুশি। ঠিক যেমন কলম্বিয়া অনেক সন্ত্রাসবাদী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি ভারতেও একাধিক জঙ্গি হামলা হয়েছে। আমরা বিগত প্রায় চার দশক ধরে অনেক জঙ্গি হামলা সহ্য করেছি।’

    ভারতের পাশে কলম্বিয়া

    থারুরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি পানামা এবং গুয়েনা সফরের পর বৃহস্পতিবার কলম্বিয়ায় পৌঁছয়। থারুরদের প্রতিবাদের পর কূটনৈতিক স্তরেও দুদেশের মধ্যে আলোচনা হয়। এর পর কলম্বিয়ার (Colombia Support India) চেম্বার অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ্‌সের সেকেন্ড কমিশনের (ভারতের বিদেশ বিষয়ক কমিটির সমান) প্রেসিডেন্ট আলেহান্দ্রো তোরো এবং চেম্বার অফ রিপ্রেজ়েন্টেটিভ্‌সের প্রেসিডেন্ট (ভারতের লোকসভার স্পিকারের সমান) জেমি রল সালামান্‌কার সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন ভারতীয় প্রতিনিধিরা। থারুর জানিয়েছেন, কলম্বিয়ার এই আধিকারিকেরাও ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং আত্মরক্ষার অধিকারকে সমর্থন করেছেন। থারুরের পাশে দাঁড়িয়ে এর পর কলম্বিয়ার বিদেশ বিষয়ক উপমন্ত্রী বলেন, ‘‘কী ঘটেছিল, আমরা তার ব্যাখ্যা পেয়েছি। কাশ্মীরে কী ঘটেছিল সেই সম্পর্কে এখন আমাদের কাছে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। আমরা আলোচনা চালিয়ে যাব।’’ সূত্রের দাবি, দ্রুতই ভারতের পক্ষে জোরাল বিবৃতি দেবে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি। ওই প্রতিনিধি দলের সদস্য তথা বিজেপি নেতা তরণজিৎ সিং সান্ধুও জানিয়েছেন, ভারতীয় প্রতিনিধিদলের চাপে অবস্থান বদলাতে বাধ্য হয়েছে কলম্বিয়া। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির অবস্থান বা মতামত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ, শীঘ্রই তারা রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হতে চলেছে। পুরো বিষয়টিকে ভারতের বড় কূটনৈতিক জয় হিসাবে দেখছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

     

     

     

     

  • India vs Pakistan: বাইশ গজেও বয়কট পাকিস্তান! এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের পথে ভারত

    India vs Pakistan: বাইশ গজেও বয়কট পাকিস্তান! এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের পথে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্ত উত্তেজনার রেশ ফের বাইশ গজে। ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) সাম্প্রতিক সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (ACC) আসন্ন প্রতিযোগিতাগুলি থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (BCCI)। ইতিমধ্যে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলকে এই ব্যাপারে জানিয়ে দিয়েছে বিসিসিআই।

    কেন সরছে ভারত

    আগামী মাসেই শ্রীলঙ্কায় মহিলাদের এমার্জিং এশিয়া কাপ (Asia Cup) শুরু হতে চলেছে। এরপর আগামী সেপ্টেম্বর মাসে পুরুষদের এশিয়া কাপের আসর বসবে। এই দুটো টুর্নামেন্ট থেকেই ভারতীয় ক্রিকেট দল নিজেদের নাম প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বর্তমানে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের শীর্ষপদে রয়েছেন পাকিস্তানের মন্ত্রী মহসিন নকভি। তিনি আবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও (PCB) চেয়ারম্যান। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ক্রিকেটের সঙ্গে দুরত্ব বজায় রাখার জন্যই এহেন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিসিসিআই। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘ভারতীয় দল এমন কোনও টুর্নামেন্ট খেলবে না যেটা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল আয়োজন করবে। কারণ এই কাউন্সিলের শীর্ষপদে একজন পাকিস্তানের মন্ত্রী রয়েছেন। এই ঘটনার সঙ্গে দেশের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। আমরা মৌখিকভাবে এসিসি-কে এই ব্যাপারে জানিয়ে দিয়েছি। বলে দিয়েছি যে আসন্ন মহিলা এমার্জিং এশিয়া কাপে টিম ইন্ডিয়া অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এমনকী, ভবিষ্যতেও অন্য টুর্নামেন্টে ভারত অংশগ্রহণ করবে কি না, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে হবে। ভারত সরকারের সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যাচ্ছি।’

    ভারত না থাকলে প্রভূত ক্ষতি

    আগামী সেপ্টেম্বর মাসে যে পুরুষদের এশিয়া কাপে ভারতের পাশাপাশি পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা খেলতে নামার কথা। গোটা বিষয়টা নিয়ে আপাতত চূড়ান্ত অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিসিসিআই খুব ভালো করেই জানে যে ভারত ছাড়া এশিয়া কাপ আয়োজন কার্যত দুষ্কর ব্যাপার। কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অধিকাংশ স্পনসরই ভারত থেকে আসে। তার উপরে এশিয়া কাপে যদি ভারত-পাকিস্তান ম্য়াচেরই আয়োজন করা না হয়, তাহলে সম্প্রচারকারী সংস্থাকেও ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। ২০২৪ সালে এশিয়া কাপের স্বত্ত্ব আগামী ৮ বছরের জন্য সোনি পিকচার্স নেটওয়ার্ক ইন্ডিয়াকে দেওয়া হয়েছে। এই চুক্তির জন্য সোনি পিকচার্সকে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করতে হয়েছে। যদি এই বছর এশিয়া কাপে ভারত না খেলে, তাহলে এই চুক্তি নিয়েও নতুন করে ভাবনাচিন্তা করতে হবে।

  • ISRO: ‘‘দেশের নিরাপত্তায় নিযুক্ত ১০টি কৃত্রিম উপগ্রহ’’, ভারত-পাক সংঘাতের মাঝেই জানালেন ইসরো প্রধান

    ISRO: ‘‘দেশের নিরাপত্তায় নিযুক্ত ১০টি কৃত্রিম উপগ্রহ’’, ভারত-পাক সংঘাতের মাঝেই জানালেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ থেকে ১০টি কৃত্রিম উপগ্রহ ২৪ ঘণ্টা ভারত এবং ভারতবাসীর নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করছে। ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের (Indo-Pak Conflicts) আবহে এমনটাই জানালেন ভারতের মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র ইসরোর চেয়ারম্যান ভি নারায়ণ (ISRO chairman V Narayanan)। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন-এর (ISRO) প্রধান জানান, এই কৃত্রিম উপগ্রহগুলির কৌশলগত উদ্দেশ্য হল দেশবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্যে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে কাজ করে যাচ্ছে এই কৃত্রিম উপগ্রহগুলি। ২০৪০ সালের মধ্যে ভারত নিজের প্রথম মহকাশ স্টেশনও পেয়ে যাবে বলে প্রত্যয়ী নারায়ণ।

    ৭০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্র উপকূলের উপর নজর

    সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ইসরো চেয়ারম্যান জানান, এখনও পর্যন্ত ৩৪টি দেশের ৪৩৩টি কৃত্রিম উপগ্রহ ভারত থেকে মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। দেশের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে মহাকাশ গবেষণার গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি। ইসরো প্রধান বলেন, “আমাদের প্রতিবেশীদের কথা আপনারা সকলেই জানেন। দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে কৃত্রিম উপগ্রহগুলির মাধ্যমে আমাদের তা পূরণ করতে হবে। আমাদের ৭০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্র উপকূলের উপর নজর রাখতে হবে। সমগ্র উত্তর ভাগের উপর আমাদের লাগাতার নজরদারি চালিয়ে যেতে হবে।” ইসরো প্রধানের মতে, দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ এবং ড্রোন প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

    ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে স্যাটেলাইটের ভূমিকা

    ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) নিয়ে পাকিস্তানের (Indo-Pak Conflicts) তাবড় জঙ্গি ঘাঁটি থেকে সেনার স্ট্র্যাটেজিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রমাণ দিয়েছে একাধিক স্যাটেলাইট (উপগ্রহ) ছবি। ভারতীয় সেনার তরফেও বিভিন্ন স্যাটেলাইট-মাধ্যমের ছবি তুলে ধরে দেখানো হয়েছে কীভাবে ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের একাধিক জায়গা। ২০২৫ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে গত কয়েকদিন সশস্ত্র সংঘাত পর্বে প্রযুক্তি একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে। আধুনিক যুদ্ধবিদ্যায় প্রযুক্তি বিজ্ঞান, নতুন নতুন অধ্যায় তুলে ধরছে। এই পরিস্থিতিতে স্যাটেলাইটের দ্বারা দেশের সুরক্ষা একটি বড় বিষয়। ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান ভি নারায়ণ বলেন, ‘‘দেশের সুরক্ষার জন্যই শুধু ১০টি স্যাটেলাইট কাজ করছে। এগুলি দেশের স্ট্র্যাটেজিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা দেশের সুরক্ষা ও নাগরিক নিরাপত্তায় ব্যবহৃত হয়। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই উপগ্রহগুলি সীমান্ত এলাকায় পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে নজর রাখছে। যাতে শত্রুপক্ষের পদক্ষেপ সম্পর্কে আগাম সতর্ক থাকতে পারে।’’ যেমন- সীমান্তের ছাউনিতে পাক সেনার সংখ্যা বৃদ্ধি বা যুদ্ধাস্ত্রের পজিশন পরিবর্তন তাও জানা সম্ভব স্যাটেলাইট চিত্রের মাধ্যমে। উল্লেখ্য, ভারতীয় সেনা ‘অপারেশন সিঁদুর’-সহ পাকিস্তানের প্রতি প্রত্যাঘাতের প্রতিটি পদক্ষেপ ও তার অভিঘাতের প্রমাণ স্বরূপ স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ করেছে। এমনকী, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ যে শুধু জঙ্গি ঘাঁটিকেই টার্গেট করা হয়েছিল সে প্রমাণও ভারত স্যাটেলাইট ছবির মাধ্যমেই গোটা বিশ্বকে দিয়েছে।

    জাতীয় নিরাপত্তায় উপগ্রহ

    নারায়ণ জানান, ইসরোর (ISRO) বহু স্যাটেলাইটই দেশের সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে রয়েছে। যেমন কৃষি টেলি মেডিসিন, টেলি এডুকেশন ক্ষেত্রে রয়েছে ভারতের স্যাটেলাইট। এছাড়াও পরিবেশে নজরদারি, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, টেলিভিশন সম্প্রচার, খাদ্য নিরাপত্তা ও স্ট্র্যাটেজিক সেক্টরের জন্য ভারতের স্যাটেলাইটগুলি রয়েছে। তিনি বলছেন, স্যাটেলাইটের ভূমিকা দেশকে বহু স্তরে সুবিধা এনে দিয়েছে। নারায়ণের কথায়, “দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গেলে আমাদের স্যাটেলাইটকে ভালো ভাবে কাজে লাগাতে হবে। স্যাটেলাইট আর ড্রোন টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে অনেক কিছু করা সম্ভব।” ইসরো সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ইসরো ১২৭টি ভারতীয় উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছে। এর মধ্যে কেবল সরকার পরিচালিত মিশনই নয়, বরং বেসরকারি কোম্পানি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দ্বারা তৈরি উপগ্রহও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ২২টি উপগ্রহ লো আর্থ অরবিটে (LEO) এবং ২৯টি জিওসিনক্রোনাস আর্থ অরবিটে (GEO) অবস্থিত। এই উপগ্রহগুলির অন্যতম উল্লেখযোগ্য কাজ নজরদারিও। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় জায়গায় আকাশপথে নজর রাখতে পারে ইসরো। এই ১২৭টি উপগ্রহের রয়েছে কার্টোস্যাট (CARTOSAT) এবং রিস্যাট (RISAT) সিরিজের মতো শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, সেই সঙ্গে এমিস্যাট (EMISAT) এবং মাইক্রোস্যাট (MICROSAT) সিরিজও রয়েছে। এগুলি পর্যবেক্ষণ, নজরদারি ও নানা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজে লাগানো হয়।

    পাঁচ বছরে আরও ৫২টি উপগ্রহ আসছে

    ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল স্পেস প্রোমোশন অ্যান্ড অথরাইজেশন সেন্টার (IN-SPACE) এর চেয়ারম্যান পবন কুমার গোয়েঙ্কা সম্প্রতি জানিয়েছেন আরও উন্নত ৫২টি নতুন উপগ্রহ শীঘ্রই আসছে। মহাকাশ-ভিত্তিক নজরদারি ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আগামী পাঁচ বছরে এগুলি কক্ষপথে ছাড়া হবে। নতুন উপগ্রহগুলি ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বায়ুসেনাকে শত্রুর গতিবিধি ট্র্যাক করতে সাহায্য করবে। একইসঙ্গে সীমান্তে পর্যবেক্ষণ ও সামরিক অভিযানেও কয়েক কদম এগিয়ে থাকবে ভারত।

  • ICC Champions Trophy: ভারতের জয়ে ক্ষতির মুখে পিসিবি! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালও পাকিস্তানের বাইরে

    ICC Champions Trophy: ভারতের জয়ে ক্ষতির মুখে পিসিবি! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালও পাকিস্তানের বাইরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) আয়োজক দেশ হয়েও ফাইনাল আয়োজন করতে পারল না পাকিস্তান। পাক দল আগেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিরে বাইরে চলে গেছিল। এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও দেশের বাইরে চলে গেল। তাও ভারতের সৌজন্যে। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হাইব্রিড মডেলে খেলা হচ্ছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত আপত্তির জেরে পাকিস্তানে খেলতে অস্বীকার করে বিসিসিআই। ঠিক হয়, ভারত তাদের গ্রুপ ও নকআউট, এমনকী ফাইনালে উঠলে সেই ম্যাচও দুবাইয়ে খেলবে। সেই মতো এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল হবে দুবাইয়ে।

    গদ্দাফি নয় দুবাইতেই ফাইনাল

    ভারত আগেই জানিয়ে দিয়েছিল এই টুর্নামেন্টের প্রতিটা ম্যাচই তারা খেলবে দুবাইতে। ভারত সেমিফাইনাল বা ফাইনালে না উঠলে ম্যাচগুলি হতো পাকিস্তানেই। কিন্তু সেটা হয়নি। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারত ফাইনাল খেলবে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামেই। লাহোরে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নিউ জিল্যান্ডের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী দল ফাইনাল খেলতে উড়ে যাবে দুবাই। ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। গতকাল অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে এক অর্থে পাকিস্তানেরও ছুটি করেন রোহিতরা। আর এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বইতে শুরু করে মিমের প্লাবন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা

    ভারত হারলে ফাইনাল (ICC Champions Trophy) আয়োজিত হতো লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে। সে ক্ষেত্রে টিকিট বিক্রি এবং বিজ্ঞাপন থেকে আরও বেশি উপার্জন করতে পারত পিসিবি। তা হলো না শেষ পর্যন্ত। সেমিফাইনাল আয়োজন করেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো। একজন তাঁর এক্স-হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘গদ্দাফি স্টেডিয়াম চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বিদায় নিল’। সুমিত কাড়েল নামে অন্য একজনের সরস টিপ্পনি—‘ভারতের হাতে দুবাই থেকে ছুটি হল আয়োজক দল পাকিস্তানের। তিনটি ম্যাচ পাকিস্তানের সেরা তিনটি স্টেডিয়ামে বৃষ্টির জন্য ভেস্তে গেল। একটি সেমিফাইনাল পাকিস্তানের বাইরে খেলা হল। এখন ফাইনালও আয়োজিত হবে দুবাইয়ে। এর চেয়ে চরম অসম্মান ও আর্থিক লোকসান আর কিছুই হতে পারে না। আয়োজক হয়েও পাকিস্তান আয়োজক নয়।’

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তানের বাইরে

    আরেকজন নেটিজেন মজার ছলে লেখেন—‘তাহলে এটা চূড়ান্ত—২৩ ফেব্রুয়ারি: পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির বাইরে। ৪ মার্চ: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তানের বাইরে।’ রাহুলের ছক্কা মারার ভিডিও পোস্ট করে লেখা হয়, ‘এই শট বলে দিচ্ছে কীভাবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তান থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।’ বাবর-রিজওয়ানদের সমালোচনার পর এবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকেও কটূক্তি। একজন সমর্থক লেখেন, ‘৩০ বছর পর একটা আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু তার ফাইনালও দেশের বাইরে হবে। মহসিন নকভির অযোগ্যতার প্রমাণ।’

    সমস্যায় পাকিস্তান ক্রিকেট

    ২৯ বছর পরে আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু শুরুতেই বিদায় নিয়েছে তারা। এই পরিস্থিতিতে পাক বোর্ডের সামনে তিন বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। এক) স্পনসরের সমস্যা। দুই) ভবিষ্যতে আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব পাওয়ার সমস্যা। তিন) পাকিস্তান ক্রিকেটের খোলনলচে বদলে ফেলার দাবি।

    আগ্রহ হারাচ্ছে স্পনসররা

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) হাত ধরে আর্থিক ভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই প্রতিযোগিতার জন্য নিজেদের তিনটি মাঠ সংস্কারে ১৮০ কোটি টাকা খরচ করেছে তারা। প্রতিটি দলের নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হয়েছে। বিদেশি সমর্থকদের থাকা-খাওয়ার দিকে নজর রাখা হয়েছে। কিন্তু আসল বিষয় হল ক্রিকেটে দর্শকদের আগ্রহ তৈরি করা। যে ভাবে পাকিস্তানে একের পর এক আইসিসি প্রতিযোগিতায় ব্যর্থ হচ্ছে, তাতে এই আগ্রহ ক্রমশ কমছে। বড় প্রতিযোগিতাগুলিতে টানা ব্যর্থতায় হতাশ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত বাণিজ্যিক সংস্থাগুলিও। পিসিবি কর্তারা স্পনসর হারানোর আশঙ্কা করছেন।

    আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনে ভাবতে হবে

    ১৯৯৬ সালের পর থেকে পাকিস্তানে কোনও আইসিসি প্রতিযোগিতা হয়নি। তার একটি কারণ সেখানকার নিরাপত্তা। এ বার প্রতিযোগিতা হচ্ছে। কিন্তু আইসিসি চায়, যে দেশে প্রতিযোগিতা হবে সেই দেশে গ্যালারি ভর্তি থাকুক। দর্শকদের উৎসাহ থাকুক। আয়োজক দেশ যদি ভাল খেলতে না পারে, তা হলে উৎসাহ কমবে। পাকিস্তানের দর্শকেরা যে ভাবে ক্রিকেটে আগ্রহ হারাচ্ছেন, তাতে ভবিষ্যতে এই দেশকে কোনও আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়ার আগে অনেক ভাবতে হবে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থাকে।

    পিসিবিকে গোল দিল বিসিসিআই

    চ্য়াম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) শুরুর দিন সাতেকের মধ্যেই পাকিস্তান দল প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গিয়েছে। আট দল নিয়ে হওয়া প্রতিযোগিতার প্রথম চার দলের মধ্যেও ঠাই হয়নি আয়োজক দেশের। যা অত্যন্ত লজ্জার বিষয় নিঃসন্দেহে। এই আবহেই এবার আরও বড় সমস্যায় পড়তে চলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট। সেমিফাইনালে ভারতের জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে শুধুমাত্র বিদায় নেয়নি অস্ট্রেলিয়া, ছিটকে গিয়েছে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামও। বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্জের মধ্যে ম্যাচই পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শেষ ম্যাচ। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানকে ট্রোল করে ভারতীয় ফ্যানরা।‌ মাঠ এবং মাঠের বাইরে পাকিস্তানকে একরাশ লজ্জা উপহার দিল ভারত। মাঠে রিজওয়ান-বাবরদের হেলায় হারাল রোহিত-বিরাটরা আর মাঠের বাইরেও পিসিবিকে গোল দিল বিসিসিআই।

  • ICC Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থাকে কার্যত বিদায় পাকিস্তানের, ভারতের জয়ে উৎসব বারামুলায়

    ICC Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থাকে কার্যত বিদায় পাকিস্তানের, ভারতের জয়ে উৎসব বারামুলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোহলির শট বাউন্ডারি পেরোতেই উচ্ছ্বসিত উপত্যকা। কলকাতা, দিল্লি, মুম্বইয়ের মতোই আকাশে আতশবাজির রোশনাই বারামুলায়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy) পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে ভারত। প্রথমবারের মতো, আর্টিকেল ৩৭০ বাতিলের পর,ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখল উপত্যকাবাসী। ভারত জিততেই বারামুলা শহর উৎসবের সুরে ভরে ওঠে, যা জম্মু এবং অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে। এই জয় শুধুমাত্র ভারতের ক্রিকেট দক্ষতার নয়, বরং আর্টিকেল ৩৭০ বাতিলের পর কাশ্মির উপত্যকায় পরিবর্তিত মনোভাবের প্রতীকও হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    চির প্রতিদ্বন্দ্বি পাকিস্তান

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই উত্তেজনা তুঙ্গে। শুরুতে দুবাইয়ের গ্যালারির কিছু অংশ ফাঁকা থাকলেও পরে তা ভরে যায়। ২৯ বছর পরে কোনও আইসিসি (ICC Champions Trophy) টুনার্মেন্ট পাকিস্তানে, অথচ ‘চিরশত্রু’ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে ম্যাচটাই করাচি বা লাহোরের বদলে দুবাইয়ে। এতেই শেষ হচ্ছে না দুর্ভোগ। করাচিতে প্রথম ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডের কাছে হারের পরে, রবিবারও রোহিতদের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকেই ছুটি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা মহম্মদ রিজওয়ানদের। লাহোর থেকে করাচি, ক্ষোভের আগুন জ্বলছে ধিকিধিকি। অন্যদিকে ওয়াঘার এপারে খুশির হাওয়া। আট বছর আগে ইংল্যান্ডের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ওভালে ভারতকে হারিয়ে জিতেছিল পাকিস্তান। ২০১৭ সালের সেই ম্যাচের বদলা নিল ভারত। এ বারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকেই প্রায় ছিটকে যাওয়ার অবস্থা পাকিস্তানের। প্রথমে ব্যাট করে ২৪১ রান করেছিল পাকিস্তান। বিরাট কোহলির শতরানে ৪৫ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে জিতল ভারত।

    ভারতের জয়েই খুশি উপত্যকা

    বারামুলায় এদিন জয় উদযাপন ছিল এক উজ্জ্বল প্রদর্শন। বিশেষত যুবক-যুবতীদের মধ্যে জাতীয় গর্ব এবং উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। যখন আকাশে রঙিন আতশবাজি ফোটে এবং চারপাশে আতশবাজির শব্দ ভেসে আসে, তখন শহরটা জীবন্ত হয়ে ওঠে। বারামুলার মানুষের জন্য, এই জয় শুধু ভারতীয় ক্রিকেট দলের মাঠে সাফল্য নয়, বরং এক বৃহত্তর গর্ব এবং ঐক্যের প্রতীক। “এটি এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত, বন্ধুদের সঙ্গে উদযাপন করতে পারা এক বিশেষ অনুভূতি,” বলেন এক স্থানীয় যুবক, যার মুখ আলোয় ঝলমল করছে। “ক্রিকেট আমাদের জন্য শুধু খেলা নয়; এটি আমাদের একসাথে নিয়ে আসে।”

    কিং কোহলিতে মুগ্ধ

    এক দিনের ক্রিকেটে ৫১ নম্বর শতরান করে ফেললেন কোহলি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর ১১১ বলে করা শতরান বুঝিয়ে দিল কেন তিনি বড় ম্যাচের খেলোয়াড়। ম্যাচ জেতানো বাউন্ডারিতেই শতরান পূর্ণ কোহলির। সেই শতরান করে হাত নেড়ে বুঝিয়ে দিলেন, তিনি আছেন, স্বমহিমাতেই আছেন। কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর সারা দেশ রাজকীয় এই ইনিংসকে তাড়িয়ে উপভোগ করে। যে কাশ্মীরকে এতদিন ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন বলে মনে করা হত। প্রধানমন্ত্রী মোদির জমানায় সেই কাশ্মীরে দাঁড়িয়েই বিরাট-রোহিতদের জয় উদযাপন করল উপত্যকাবাসী। এই জয় আর্টিকেল ৩৭০ বাতিলের পর উপত্যকাবাসীর মনের অবস্থা পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিল।

    ক্রিকেটই মেলবন্ধন, পরিবর্তিত কাশ্মীরের ছবি

    ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০ অনুসারে জম্মু ও কাশ্মীর যে বিশেষ মর্যাদা পেত, ২০১৯ সালের ৫ অগস্ট তার বিলোপ ঘটায় কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। তারপর থেকেই কাশ্মীরে এসেছে পরিবর্তনের জোয়ার। পরিবর্তিত কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতা নয় মেলবন্ধনই প্রাধান্য পায়। তৈরি হয়েছে নয়া রেলপথ। যা জম্মুকে যুক্ত করেছে বারামুলার সঙ্গে। এখন কাশ্মীরে ভারতের পতাকা ওড়ানো অপরাধ নয়। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে এখন রোহিত-বিরাটদের হয়েই গলা ফাটায় কাশ্মীর। যার প্রতিফলন ঘটেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy) ভারতের জয়ের পর বারামুলার উচ্ছ্বাসে। ক্রিকেটকে কেন্দ্র করেই কাশ্মীরের স্থানীয় যুবকদের মধ্যে যে নতুন এক সম্প্রদায়ভিত্তিক অনুভূতি গড়ে উঠেছে। এটি মুহূর্তের উৎসব নয়, বরং কাশ্মীরের রাজনৈতিক-সামাজিক পরিবর্তনের একটি চিহ্ন।

LinkedIn
Share