Tag: Indian civilisation

  • PM Modi: “সোমনাথ মন্দির ভারতাত্মার জীবন্ত প্রতীক”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “সোমনাথ মন্দির ভারতাত্মার জীবন্ত প্রতীক”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সোমনাথ (Somnath Temple) কেবল একটি ঐতিহাসিক কাঠামো নয়, এটি ভারতের আত্মার জীবন্ত প্রতীকও।” সরকারি ব্লগে গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরের অসাধারণ ইতিহাস ও যাত্রার কথা নতুন করে তুলে ধরতে গিয়ে এমনই লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর লেখায় তিনি উল্লেখ করেন, এই পবিত্র তীর্থস্থান বারবার ধ্বংসের মুখে পড়েছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার উঠে দাঁড়িয়েছে এবং আজও প্রথম আক্রমণের এক হাজার বছরেরও বেশি সময় পর দেশের আধ্যাত্মিক চেতনাকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

    “ভারতাত্মার চিরন্তন ঘোষণা” (PM Modi)

    সোমনাথকে “ভারতাত্মার চিরন্তন ঘোষণা” হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ স্তোত্রে উল্লিখিত বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে প্রথম। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে সোমনাথ মন্দির ট্রাস্টের চেয়ারম্যানও। তিনি লেখেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই মন্দির লাখ লাখ মানুষের অটল বিশ্বাসের কেন্দ্র হয়ে রয়েছে এবং আজও ভারতের সভ্যতাগত পরিচয় ও সাংস্কৃতিক চরিত্র নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি জানান, সোমনাথ মন্দিরের পবিত্রতা ভারতীয় সভ্যতার প্রাচীন ঐতিহ্যে গভীরভাবে প্রোথিত। তিনি বলেন, দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ স্তোত্রের শুরুতেই রয়েছে, “সৌরাষ্ট্রে সোমনাথং চ…” যা ভারতের আধ্যাত্মিক মানচিত্রে সোমনাথের অগ্রগণ্য অবস্থানকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে (PM Modi)।

    ভারতীয় সমাজের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রবিন্দু

    গুজরাটের পশ্চিম উপকূলে প্রভাস পাটনে অবস্থিত সোমনাথ যুগ যুগ ধরে শুধু একটি ধর্মীয় তীর্থস্থানই নয়, বরং ভারতীয় সমাজের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে (Somnath Temple)। প্রধানমন্ত্রী প্রাচীন শ্লোকটির উল্লেখ করেন, “সোমলিঙ্গং নরো দৃষ্ট্বা সর্বপাপৈঃ প্রমুচ্যতে। লভতে ফলং মনোবাঞ্ছিতং মৃতঃ স্বর্গং সমাশ্রয়েত্॥” এই শ্লোকের মর্মার্থ অনুযায়ী, কেবল সোমনাথ শিবলিঙ্গ দর্শন করলেই পাপমোচন ঘটে, কামনা পূর্ণ হয় এবং আত্মিক মুক্তিলাভ সম্ভব বলে বিশ্বাস করা হয়।প্রধানমন্ত্রী তাঁর ব্লগে উল্লেখ করেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সমাজের সব স্তরের মানুষের মিলনস্থল হিসেবে সোমনাথের গুরুত্ব অপরিসীম।

    মানুষের মন ও আত্মার গভীরে আলোড়ন

    মোদি স্মরণ করেন, প্রখ্যাত জৈন পণ্ডিত কালীকাল সর্বজ্ঞ হেমচন্দ্রাচার্য এক সময় সোমনাথ মন্দির দর্শনে এসে প্রণাম নিবেদন করেন এবং গভীর ভাবনার প্রতিফলন হিসেবে একটি শ্লোক রচনা করেন, “ভববীজাঙ্কুরজননা রাগাদ্যাঃ ক্ষয়মুপগতা যস্য।” প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যায়, এই শ্লোক সেই ঐশ্বরিক শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে, যেখানে পার্থিব আসক্তির বীজ ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং মানবজীবনের দুঃখ লীন হয়ে যায়। তাঁর মতে, আজও সোমনাথ মানুষের মন ও আত্মার গভীরে আলোড়ন তোলে, চিন্তা, বিশ্বাস এবং অন্তর্নিহিত রূপান্তরের প্রেরণা জাগায় (PM Modi)। গভীর বেদনার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, ১০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ অধ্যায়, যখন মাহমুদ গজনি সোমনাথ মন্দির আক্রমণ করে (Somnath Temple)। তার উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় বিশ্বাস ও সভ্যতার এক শক্তিশালী প্রতীককে মুছে ফেলা। ইতিহাসের বর্ণনায় পাওয়া যায়, সেই আক্রমণে স্থানীয় মানুষের সীমাহীন কষ্ট ও মন্দিরের ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের কথা – যা পড়লে আজও বুক কেঁপে ওঠে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই আক্রমণ কেবল একটি কাঠামোর ওপর নয়, বরং ছিল একটি সম্পূর্ণ সভ্যতার আত্মা ও পরিচয় ধ্বংস করার চেষ্টা।

    সোমনাথ মন্দিরের ইতিহাস ধ্বংসের নয়

    বারবার আক্রমণ ও শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অস্থিরতার মধ্যেও সোমনাথ মন্দিরের ইতিহাস ধ্বংসের নয়, বরং পুনরুত্থানের, এ কথাও জোর দিয়ে বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০২৬ সালে ভারত সোমনাথ মন্দিরে প্রথম আক্রমণের এক হাজার বছর পূর্তি উদযাপন করবে। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টি আবার তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ১৯৫১ সালের মে মাসে স্বাধীন ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ড. রাজেন্দ্র প্রসাদের উপস্থিতিতে মন্দিরের আধুনিক পুনর্নির্মাণের উদ্বোধনের ৭৫ বছরও তখন পূর্ণ হবে (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী জানান, স্বাধীনতার পর সোমনাথ মন্দির পুনর্গঠনের পবিত্র দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। এর মধ্য দিয়েই সোমনাথ স্বাধীন ভারতের সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের অন্যতম প্রথম প্রতীক হয়ে ওঠে (Somnath Temple)।

    ভারতের জাতিসত্তার অবিরাম জীবনপ্রবাহের প্রতীক

    প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, কীভাবে সোমনাথ ধীরে ধীরে ভারতের সভ্যতাগত প্রতিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিবার মন্দির ধ্বংস করা হলেও, প্রতিবারই ভারতীয় সমাজ নতুন করে উঠে দাঁড়িয়ে তা পুনর্নির্মাণ করেছে। তিনি আহিল্যাবাই হোলকারের মতো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন, যাঁরা সোমনাথ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ১৮৯৭ সালে চেন্নাইয়ে স্বামী বিবেকানন্দের দেওয়া সেই ঐতিহাসিক বক্তৃতার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী, যেখানে স্বামীজি বলেছিলেন, “এই প্রাচীন মন্দিরগুলির অনেকগুলিই শত শত আক্রমণ ও শত শত পুনর্জন্মের চিহ্ন বহন করে, বারবার ধ্বংস হয়েছে, আবার ধ্বংসস্তূপ থেকেই বারবার উঠে দাঁড়িয়েছে।” প্রধানমন্ত্রীর মতে, সোমনাথ আসলে ভারতের জাতিসত্তার অবিরাম জীবনপ্রবাহের প্রতীক। এটি এমন এক সভ্যতা, যা কখনও বিলুপ্ত হতে রাজি নয় (PM Modi)।

    আধুনিক ভারতের সঙ্গে তুলনা

    আধুনিক ভারতের সঙ্গে তুলনা টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের ভারতও সেই একই অদম্য মানসিকতা নিয়ে বিশ্বমঞ্চে পুনরুত্থান ঘটাচ্ছে (Somnath Temple)। যোগ, আয়ুর্বেদ থেকে শুরু করে প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির মাধ্যমে ভারত আজ বিশ্বকে উদ্ভাবন, সংস্কৃতি, সুস্থ জীবনযাপন ও সমস্যার সমাধান দিতে এগিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, সোমনাথের টিকে থাকা শুধু বিশ্বাসের শিক্ষা দেয় না, আত্মবিশ্বাসেরও শিক্ষা দেয়। শত শত বছরের আক্রমণের পরেও যদি একটি সভ্যতা বারবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে, তবে আধুনিক ভারতও তার ঐতিহাসিক গৌরব পুনরুদ্ধার করতে পারে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তুলতে পারে (PM Modi)। প্রভাস পাটনের তটে আছড়ে পড়া ঢেউয়ের মাঝেও, প্রধানমন্ত্রী লেখেন, সোমনাথ আজও দীপ্তিময়, অটুট এবং চিরন্তন হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে (Somnath Temple)।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘বিশ্বের যে কোনও সংকট মেটাতে পারে ভারতীয় সভ্যতার মূল্যবোধ’’, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘বিশ্বের যে কোনও সংকট মেটাতে পারে ভারতীয় সভ্যতার মূল্যবোধ’’, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ভারতীয় সভ্যতার মূল্যবোধই পারে বিশ্বের সংকটগুলির মোকাবিলা করতে।’’ এমনটাই মত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সর সংঘচালক মোহন ভাগবতের। মঙ্গলবার আরএসএস প্রধান (Mohan Bhagwat) বলেন, ‘‘সারা বিশ্বে যে সংকটের পর্বত দেখা দিয়েছে— তা সে বৈষম্য হোক, পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা কিংবা জাতিগত সংঘর্ষ—এই সমস্ত কিছুই সমাধান সম্ভব একমাত্র ভারতীয় মূল্যবোধের দ্বারা।’’ এটাই একমাত্র পবিত্রতম বিকল্প বলে উল্লেখ করেন মোহন ভাগবত

    আধুনিক ইতিহাস তৈরি করা হয়েছে পশ্চিমী ন্যারেটিভকে মেনে

    প্রসঙ্গত, মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) উপস্থিত ছিলেন একটি অনুষ্ঠানে যার নাম ছিল ‘দশম অনুব্রত ন্যাস নিধি’। এই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ছিল যৌথভাবে ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি এবং অখিল ভারতীয় অনুব্রত মঞ্চ। মোহন ভাগবত বলেন, ‘‘আধুনিক ইতিহাস যা সম্পূর্ণভাবে তৈরি করা হয়েছে পশ্চিমী ন্যারেটিভকে মেনে এবং সেভাবেই গঠন করা হয়েছে—সেখানে আশ্চর্যজনকভাবে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে ভারতের অবদানকে। আজকে বিশ্বজুড়ে যে বইগুলি প্রচলিত রয়েছে, সেখানে চিন এবং জাপানের সভ্যতা থেকে শুরু করে অনেক কিছুই ঠাঁই পেয়েছে, কিন্তু সেখানে আশ্চর্যজনকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে ভারতকে।’’

    বিশ্বমঞ্চে ভারতকে বাদ দেওয়া হয়েছে

    বিশ্বের প্রসঙ্গের পাশাপাশি, মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) নিজের বক্তব্যে টেনে আনেন ভারতের প্রসঙ্গ। তিনি জানান, বিশ্বমঞ্চে ভারতকে তো বাদ দেওয়া হয়েছে, আবার ভারতের অভ্যন্তরেও শিশুরা যখন ইতিহাস পড়ছে, তখন তাদের দেখানো হয়েছে যে ভারত মানে শুধুমাত্র মুঘল যুগ। বর্তমানে, মোদি সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল বদল এনেছে এবং সেখানে ভারতীয় রাজাদের অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের ইতিহাসও পড়ানো হচ্ছে। ‘কাটছাঁট’ করা হয়েছে মুঘল যুগকে, কিছু ক্ষেত্রে তা বাদও দেওয়া হয়েছে। মোহন ভাগবতের বক্তব্যে মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রশংসাও দেখা গিয়েছে। বর্তমানে দেশের সংস্কৃতিকে পুনরুত্থিত করার যে প্রয়াস শুরু করেছে কেন্দ্র সরকার, তাকে তিনি স্বাগত জানান।

    বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি মেটাতে পারেনি বিশ্বের সমস্যা

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, ‘‘বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সারা বিশ্বজুড়ে দেখা গেলেও, মানব সভ্যতার যে মূল সমস্যা—তাকে চিহ্নিত করে তা দূর করতে ব্যর্থ হয়েছে এই অগ্রগতি। তিনি বলেন, “বিজ্ঞান আজ বিস্তৃত হয়েছে, মানবীয় জ্ঞান থেকে ক্রোমোজোম এবং জিন—সমস্ত কিছু তারা স্পর্শ করেছে, চাঁদ, মঙ্গল গ্রহ, সব জায়গায় পৌঁছেছে। কিন্তু তারপরেও দেখা যাচ্ছে, গরিব ও ধনীর মধ্যে এক বিশাল ফারাক তৈরি হয়েছে এবং তা ক্রমাগত চওড়া হচ্ছে। যাঁরা বিত্তশালী, তাঁরা আজ সৎভাবে স্বীকার করছেন যে তাঁরা ভিতরে অসুখী।’’ অর্থাৎ মোহন ভাগবতের বক্তব্য অনুযায়ী প্রযুক্তি বা বিজ্ঞান সমাধান দিতে পারেনি এই অসুখের।

    সাম্যবাদ ও পুঁজিবাদ নিয়ে কী বললেন তিনি

    তিনি আরও বলেন, ‘‘বিশ্বের সমস্ত সভ্যতাই পরখ করেছে রাজতন্ত্র, অঞ্চলভেদে আলাদা আলাদা সরকার, পুঁজিবাদ (ক্যাপিটালিজম), সাম্যবাদ (কমিউনিজম)।’’ এরপর তিনি বলেন, “এই সমস্ত মতাদর্শ উঠে এসেছে একটি অসম্পূর্ণ দর্শন থেকে এবং তারা গোটা বিশ্বকে একপাক্ষিক চোখে দেখেছে। কিন্তু এদের সঙ্গে যদি তুলনা করা হয় ভারতীয় সভ্যতার, তাহলে দেখা যাবে—এখানে সম্প্রীতি আছে, আত্মনির্ভরতা আছে।”

    সমগ্র সৃষ্টির কল্যাণে কাজ করে ভারতীয় মূল্যবোধ

    মোহন ভাগবত বলেন, “ভারতের ঐতিহ্য হল সকলকে এই শিক্ষা দেওয়া যে আমরা যা করব, সেটা যেন সমগ্র সৃষ্টির কল্যাণে লাগে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ম ছাড়া ধন-সম্পদ এবং কোনও কিছু পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা, শেষ পর্যন্ত অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।” তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘আদিবাসী সম্প্রদায়—যাঁরা ভারতবর্ষে প্রাচীনকাল থেকে বসবাস করছেন—তাঁরা প্রকৃতির মধ্যেই বেঁচে থাকেন এবং আধুনিক প্রবণতা ও সভ্যতাকে সমালোচনা করেন।’’ তাঁর মতে, “আজ আমরা অনেক কিছুই করি সংবাদমাধ্যম বা ইন্টারনেটে যা পাই সেই অনুসারে। আমরা আমাদের চিন্তাভাবনার উপরে অন্যের প্রভাব তৈরি করেছি।” তিনি বলেন, “পরিবর্তন আনতে হবে ব্যক্তির মধ্যে, পরিবারের মধ্যে।”

    আগে জাগতে হবে ভারতকে

    মোহন ভাগবত বলেন, “ভারত কখনও এটা মনে করে না যে ভারতীয় মডেলকে তারা অন্য সভ্যতার উপর চাপিয়ে দেবে। বরং আমরা আমাদের নিজস্ব মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত এবং প্রভাবিত—সেই পথে থেকেই আমরা বিশ্বের কাছে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই।” তিনি বলেন, “ছোট কিন্তু সচেতন পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা সমাজকে বদলাতে চাই, বদলাতে চাই বিশ্বসভ্যতাকেও। তিনি বলেন, ‘‘বর্তমান বিশ্বের যে কোনও সমস্যা—সম্পদ নিয়ে সংঘর্ষ হোক বা সংস্কৃতি নিয়ে সংঘাত—তার সমাধান রয়েছে ভারতীয় সভ্যতার মূল্যবোধে।’’ তাঁর নিজের ভাষায়, “প্রথমে ভারতকে জাগতে হবে। সেটা সম্ভব হলেই, বিশ্বের সমস্ত সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।”

LinkedIn
Share