Tag: Indian diaspora

Indian diaspora

  • International Yoga Day: জার্মানির সংসদে যোগ-মেডিটেশন অধিবেশন, ভারতের বিশ্বজয়!

    International Yoga Day: জার্মানির সংসদে যোগ-মেডিটেশন অধিবেশন, ভারতের বিশ্বজয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জার্মানির সংসদ বুন্ডেসটাগে (Bundestag) এই প্রথমবারের মতো হল যোগ ও মেডিটেশন অধিবেশন (International Yoga Day)। ৬ জুলাই অনুষ্ঠিত এই বিশেষ কর্মসূচিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে জার্মানিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিলেন ইন্দো-জার্মান পার্লামেন্টারি গ্রুপের (German Parliament) ডেপুটি চেয়ারম্যান হেনরি শ্মিট (Henri Schmidt)। উপস্থিত ছিলেন জার্মানিতে ভারতের রাষ্ট্রদূত অজিত গুপ্তে (Ajit Gupte), জার্মানির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যোগ অনুশীলনকারী এবং প্রবাসী ভারতীয়রা।

    স্বাস্থ্য ও সুস্থতা রক্ষায় যোগব্যায়াম (International Yoga Day)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অজিত গুপ্তে স্বাস্থ্য ও সুস্থতা রক্ষায় যোগব্যায়ামের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেন। এর পাশাপাশি তিনি ট্র্যাডিশনাল চিকিৎসা ব্যবস্থায় ভারতের নেতৃত্ব এবং জার্মানিতে আয়ুর্বেদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোকপাত করেন।প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফলেই জার্মান সংসদে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের এই উদযাপন সম্ভব হয়েছে। সিডিইউ (CDU)-এর সাংসদ হেনরি শ্মিট, বার্লিনে ভারতীয় দূতাবাস এবং ভারতীয় কমিউনিটির সদস্যদের সহযোগিতায় উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হয়। হামবুর্গের সিডিইউ নেতা রাকেশ ভেউলি (Rakesh Veuli) ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    বিশ্বজুড়ে যোগচর্চার প্রসার

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওভারসিজ বিজেপি ইউরোপের ইন-চার্জ কুলদীপ শেখাওয়াত (Kuldeep Shekhawat) এবং প্রবাসী ভারতীয় সমাজের প্রতিনিধিরা। এই অনুষ্ঠানের (International Yoga Day) আয়োজনকে ভারত-জার্মানি সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে রাষ্ট্রসঙ্ঘে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের স্বীকৃতি পাওয়ার পর বিশ্বজুড়ে যোগচর্চার প্রসার আরও জোরদার হয়েছে। জার্মান বুন্ডেসটাগে এই প্রথম যোগ ও মেডিটেশন সেশন সেই বৈশ্বিক উদ্যোগেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন। এদিকে, ২০২৬ সালের ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হয়েছে ‘যোগ ফর হেলদি এজিং’ (Yoga for Healthy Ageing)’ কনসেপ্ট সামনে রেখে। এর মূল লক্ষ্য ছিল জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে সুস্থ (German Parliament), সক্রিয় ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে যোগব্যায়ামের ভূমিকা তুলে ধরা। উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যার বার্ধক্য বৃদ্ধি, অসংক্রামক রোগ এবং জীবনযাত্রাজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে থাকায় এখন শুধু আয়ু বৃদ্ধি নয়, বরং সুস্থ জীবনকাল (Health Span), জীবনমান এবং সামগ্রিক কল্যাণ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে (International Yoga Day)।

     

  • PM Modi in Australia: ‘দুধে চিনির মতো মিশে সমাজকে আরও মিষ্টি করে তোলেন ভারতীয়রা’ মেলবোর্নে প্রবাসীদের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi in Australia: ‘দুধে চিনির মতো মিশে সমাজকে আরও মিষ্টি করে তোলেন ভারতীয়রা’ মেলবোর্নে প্রবাসীদের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভারতীয়রা ‘দুধে চিনির মতো’ মিশে গিয়ে সেই সমাজকে আরও সমৃদ্ধ ও মধুর করে তোলে। অস্ট্রেলিয়া সফরের শেষ দিনে মেলবোর্নে প্রবাসী ভারতীয়দের এক বিশাল সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Australia)। ভারতীয় সম্প্রদায়ের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, ভারত-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে প্রবাসীদের ভূমিকা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Praises Indian Diaspora) বলেন, “আমরা ভারতীয়রা দুধে মিশে যাওয়া চিনির মতো। আমরা যেখানে যাই, সেখানে ভালোবাসা, সংস্কৃতি ও ঐক্যের মাধুর্য ছড়িয়ে দিই। বাড়ির দুধ অস্ট্রেলিয়ার হতে পারে, কিন্তু সেই দুধের চা ভারতীয়। ডাল-সবজি অস্ট্রেলিয়ার হলেও তার ফোড়ন ভারতীয় মশলার।”

    ‘হাউসফুল, একেবারে ব্লকবাস্টার’ অনুষ্ঠান

    মেলবোর্নের প্রবাসী ভারতীয়দের উচ্ছ্বসিত উপস্থিতি দেখে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানটিকে ‘হাউসফুল’ এবং ‘ব্লকবাস্টার’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন, এর আগে দু’বার সিডনিতে ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা হলেও এবার মেলবোর্নবাসীদের সঙ্গে ‘ফ্ল্যাট হোয়াইট কফি’ পান করার ইচ্ছা পূরণ হয়েছে তাঁর। প্রধানমন্ত্রী জানান সেন্টার ফর অস্ট্রেলিয়া-ইন্ডিয়া রিলেশন-এর মৈত্রী গ্র্যান্ট কর্মসূচির জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকার ১০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার বরাদ্দের ঘোষণা করেছে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত করবে।

    ভারত-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের নেপথ্যে প্রবাসীরাই

    মোদি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১৪ সালে তাঁর প্রথম অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় ২৮ বছর পর কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সে দেশে গিয়েছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, পরবর্তী সফরের জন্য আর ২৮ বছর অপেক্ষা করতে হবে না। সেই প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ১২ বছরে এটি তাঁর তৃতীয় অস্ট্রেলিয়া সফর। তিনি বলেন, “অনেকে ভাবতে পারেন এই সম্পর্কের উন্নতির কৃতিত্ব আমার। কিন্তু না, এর সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব আপনাদের, অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয়দের।” প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ভারতের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোগ মন্ত্রক এবং পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফারদার এডুকেশন -এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় ভুবনেশ্বরে সেন্টার অফ এক্সিলেন্স ইন মাইনিং ইকুইপমেন্ট, টেকনোলজি সার্ভিস গড়ে তোলা হবে। ভারতের জাতীয় ভোকেশনাল কাউন্সিল ও অস্ট্রেলিয়ার স্কিলস কোয়ালিটি অথরিটির মধ্যে দক্ষতা প্রশিক্ষণের মান উন্নয়নে সহযোগিতা শুরু হবে। অস্ট্রেলিয়ার ফ্লিন্ডার বিশ্ববিদ্যালয় বেঙ্গালুরুতে এবং ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে গুরগাঁওয়ে ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য অনুমোদনপত্র প্রদান করা হয়েছে, যা উচ্চশিক্ষায় দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেবে। বিজ্ঞান-গবেষণা উদ্ভাবন ক্ষেত্রে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে যাতে প্রবাসীদের ভূমিকা রয়েছে। জিও সায়েন্স অস্ট্রেলিয়া ও জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার মধ্যে ভূ-বিজ্ঞান গবেষণা ও খনিজ অনুসন্ধানে সহযোগিতার চুক্তি হয়েছে।

    ‘লিটল ইন্ডিয়া’য় ভারতীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া

    মেলবোর্ন ও আশপাশের এলাকায় ভারতীয় সংস্কৃতির বিস্তারের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শহরের বিভিন্ন বাজার ও এলাকাকে কেউ ‘লিটল ইন্ডিয়া’, আবার কেউ ‘মিনি ইন্ডিয়া’ নামে চেনেন। সেখানে ভারতীয় সংস্কৃতি, ব্যবসা এবং উৎসবের আবহ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। হাস্যরসের ছলে তিনি বলেন, একটি বাজারের ভিডিওতে দেখেছেন সেখানে সারা বছরই ছাড়ের অফার চলে। “সেলের চক্রে পড়ে মানুষ ঘ্যাঁচাক্কর হয়ে যায়” মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর। অস্ট্রেলিয়ায় ভারতীয়দের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সপ্তাহান্তে কোথাও সত্যনারায়ণ পূজা, কোথাও গুরুদ্বারে অরদাস, কোথাও শিশুদের ভাংড়া বা ভরতনাট্যম পরিবেশনা, আবার কোথাও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট—সব মিলিয়ে ভারতীয় সংস্কৃতি জীবন্ত হয়ে রয়েছে মেলবোর্নে। এছাড়া কয়েক দিনের মধ্যেই মেলবোর্নে শুরু হতে চলা ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জন্যও শুভেচ্ছা জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী ভারতীয়রাই অস্ট্রেলিয়দের মধ্যে ভারতীয় চলচিত্র ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটিয়েছে। তারই ফলে কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট এবং অস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিথ ফিল্ম স্কুলের মধ্যে চলচ্চিত্র শিক্ষা, যৌথ কর্মশালা, গবেষণা ও স্বল্পমেয়াদি কোর্স পরিচালনার জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোয় ভারতের অগ্রগতি

    এদিন প্রবাসীদের সামনে ভারতের উন্নয়নের বিভিন্ন দিকও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বর্তমানে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ৫জি বাজারে পরিণত হয়েছে এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে ৬জি উন্নয়নের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে। তিনি জানান, গত ১২ বছরে ভারতের মেট্রো পরিষেবা দুই ডজনেরও বেশি শহরে বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন ১ কোটি ২৫ লক্ষের বেশি মানুষ মেট্রোয় যাতায়াত করেন। এছাড়া নমো ভারত র‌্যাপিড রেল এবং বন্দে ভারত ট্রেনের মতো আধুনিক রেল পরিষেবাও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। ভাষণের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একবিংশ শতাব্দীর ভারত এখন ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে। তাঁর কথায়, “একটি স্বপ্ন পূরণ হলে আরেকটি নতুন স্বপ্ন জন্ম নেয়। একটি লক্ষ্য অর্জিত হলে আরও বড় লক্ষ্য সামনে আসে। ১৪০ কোটিরও বেশি মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও সংকল্প নিয়ে ভারত আজ ‘গ্রো মোর, অ্যচিভ মোর’-এর মন্ত্রে এগিয়ে চলেছে।”

  • PM Modi: অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উষ্ণ অভ্যর্থনা বিমানবন্দরেই

    PM Modi: অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উষ্ণ অভ্যর্থনা বিমানবন্দরেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) তাঁর ত্রিদেশীয় সফরের দ্বিতীয় পর্বে বুধবার পৌঁছলেন অস্ট্রেলিয়ায় (Australia Visit)। বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। তিন দিনের এই সফরে তিনি অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এর পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও মতামত বিনিময় করবেন।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছে এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, “আমি প্রধানমন্ত্রী আলবানিজের সঙ্গে আলোচনার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। পাশাপাশি প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও পাব, যারা আমাদের অংশীদারিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ।” তিনি আরও জানান, এই সফরের মাধ্যমে ভারত-অস্ট্রেলিয়া সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারিত্ব (Comprehensive Strategic Partnership) আরও শক্তিশালী হবে। ইন্দোনেশিয়া সফর শেষ করে এদিন অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, দক্ষ জনশক্তির চলাচল এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। সফরে রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী জানান, উদীয়মান ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, ক্রীড়া এবং ক্রীড়াবিজ্ঞান-সহ একাধিক ক্ষেত্রে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার সুযোগ তৈরি হবে এই সফরে।

    নমস্তে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    এদিকে, ভারতে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার ফিলিপ গ্রিন মেলবোর্ন থেকে এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, “নমস্তে প্রধানমন্ত্রী মোদি! মেলবোর্ন এখন আপনার সফরকে ঘিরে উৎসাহে মুখর। আমি সবে এখানে পৌঁছেছি এবং চারদিকে উচ্ছ্বাস স্পষ্ট। অস্ট্রেলিয়া-ভারত অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আলোচনা, সংযোগ এবং অগ্রগতির জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সপ্তাহ হতে চলেছে (PM Modi)।” তিনি আরও বলেন, “অনেকের নজর প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের দিকে থাকলেও, আমাদের দুই দেশের বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্কও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম পর্যায়ের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে সম্পর্ক ইতিমধ্যেই শক্তিশালী হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব (Australia Visit)। মেলবোর্ন সংস্কৃতির শহর হিসেবেও পরিচিত এবং ভারতের সঙ্গে শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও আমরা সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী (PM Modi)।”

     

  • Mohan Bhagwat: অগাস্টের শেষে প্রথমবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: অগাস্টের শেষে প্রথমবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের অগাস্টের শেষের দিকে প্রথমবারের মতো কানাডা (Canada) সফরে যেতে পারেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। যাঁরা তাঁর সফরের আয়োজন করছেন, তাঁদের একটি সূত্রের খবর ৩১ অগাস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর তাঁর কানাডা সফরের সম্ভাব্য সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সফরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। এই সফরে তিনি শুধুমাত্র টরেন্টো সফর করবেন। কানাডা সফরের আগে ভাগবত পাঁচ দিনের জন্য আমেরিকা সফরে যাবেন। সফরের শেষ দিনে নিউ ইয়র্ক সিটিতে একটি জনসভায় অংশ নেবেন তিনি। তার পরেই ভাগবত রওনা দেবেন টরন্টোর উদ্দেশে।

    আরএসএস কর্তার সফরসূচি (Mohan Bhagwat)

    টরন্টোয় প্রবাসী ভারতীয়দের একটি বড় সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন আরএসএস কর্তা। পাশাপাশি একাধিক বৈঠকেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। যদিও সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও করা হয়নি, তাই আয়োজকদের তরফে কেউই প্রকাশ্যে পরিচয় দিতে চাননি। কানাডা সফর শেষে ভাগবত যাবেন ব্রিটেন সফরে। আয়োজকদের দাবি, আরএসএসের আন্তর্জাতিক জনসংযোগ ও ভাবমূর্তি তুলে ধরার লক্ষ্যেই ভাগবতের এই সফরের আয়োজন করা হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, পশ্চিমি দেশগুলিতে, বিশেষ করে কানাডায়, আরএসএস সম্পর্কে যে ধারণা প্রচলিত রয়েছে, তা সংশোধন করাই আরএসএস কর্তার এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। তাঁর সফরে বিক্ষোভ দেখাতে পারে খালিস্তানপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠী। সেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কায় অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে (Mohan Bhagwat) বলেও জানিয়েছেন আয়োজকরা।

    ভারত-কানাডা সম্পর্ক

    উল্লেখ্য, এটি ভাগবতের প্রথম কানাডা সফর। এর আগে ২০০৫ সালে তৎকালীন আরএসএস প্রধান কেএস সুদর্শন কানাডা সফরে গিয়েছিলেন। তারপর কেটে গিয়েছে দু’দশকেরও বেশি সময়। এবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন বর্তমান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।আয়োজকদের একাংশের দাবি, কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর (Justin Trudeau) আমলে অবনতি ঘটেছিল ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে। তাই আরএসএস কর্তার কানাডা সফরের উপযুক্ত পরিবেশ ছিল না। চলতি বছরের মার্চ মাসে ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হন মার্ক কার্নি। তার (Canada) পরেই উন্নতি হয় ভারত-কানাডা সম্পর্কের। তাই এবার ভাগবতের সফর (Mohan Bhagwat) বাস্তবায়িত হতে চলেছে বলে তাঁদের ধারণা।

     

  • PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শনিবার সেশেলসে পৌঁছেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেশেলসের (Seychelles) প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে রাজধানী ভিক্টোরিয়ার ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেন পরিদর্শন করেন তিনি।

    ‘জোনাথন’কে খাওয়ালেন নিজে হাতে (PM Modi)

    সেখানে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের প্রবীণতম জীবিত স্থলচরপ্রাণী হিসেবে স্বীকৃত ১৯৪ বছর বয়সী বিশালাকার কচ্ছপ ‘জোনাথন’-সহ একাধিক দৈত্যাকার কচ্ছপকে নিজের হাতে খাবার খাওয়ান। এই মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বোটানিক্যাল গার্ডেন সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট হারমিনি একটি স্মারক চারা গাছও রোপণ করেন। উদ্যানের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সেখানকার বিরল উদ্ভিদ ও প্রাণিজগত সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। শনিবার বিকেলে সেশেলসের রাজধানী ভিক্টোরিয়ায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। দ্বীপরাষ্ট্রটির স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছিল সেশেলস। ভারত-সেশেলসের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্কের নিদর্শন হিসেবে প্রেসিডেন্ট হারমিনি নিজে মন্ত্রিসভার সদস্য ও শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বিমানবন্দরে মোদির অভ্যর্থনায় ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিশেষ আকর্ষণ ছিল গুজরাটের কচ্ছ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনা। এই সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার প্রশংসা করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “অসাধারণ সাংস্কৃতিক যোগসূত্র! সেশেলস বিমানবন্দরে কচ্ছের নৃত্য পরিবেশিত হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতিকে যেভাবে প্রবাসী ভারতীয়রা সংরক্ষণ ও উদ্‌যাপন করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।” উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য প্রবাসী ভারতীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন (Seychelles) প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “সেশেলসে পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞ। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সেশেলস ভারতের এক গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অংশীদার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন (PM Modi) উচ্চতায় পৌঁছবে বলেই আশা করছি।” পরে প্রেসিডেন্ট হারমিনির সঙ্গে বোটানিক্যাল গার্ডেনে যাওয়ার পথে তোলা একটি (Seychelles) ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে সেশেলস ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেনের পথে (PM Modi)।”

     

  • US: হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মার্কিন কংগ্রেসম্যান স্যানফোর্ড বিশপের

    US: হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মার্কিন কংগ্রেসম্যান স্যানফোর্ড বিশপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে”। ভারতীয়-আমেরিকান সম্প্রদায়ের উদ্দেশে এমনই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন মার্কিন (US) কংগ্রেসম্যান স্ট্যানফোর্ড বিশপ (Sanford Bishop)। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি ধর্মীয় বিদ্বেষ ও হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের তীব্র নিন্দা করেন (Georgia Anti Hindu Resolution), এবং এই ধরনের ঘৃণামূলক কর্মকাণ্ড রোধে আরও বেশি সতর্কতা ও ঐক্যের আহ্বান জানান।

    ভারতীয়দের অসামান্য অবদান (US)

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয়-আমেরিকানদের অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন বিশপ। বলেন, “এই অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া, সম্মান জানানো এবং মূল্যায়ন করা উচিত। ঘৃণা ও হিংসা ছড়ানোর পরিবর্তে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা পালনকারী এই সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন।” বিশপ জানান, হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত সম্প্রদায়ের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি—এই দুই বিষয় পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। তাঁর মতে, আমেরিকায় হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের বৈষম্য, বিদ্বেষমূলক আচরণ এবং ঘৃণাজনিত অপরাধের মুখোমুখি হচ্ছে।

    হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ডাক

    ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার কড়া সমালোচনাও করেন তিনি। জানান, তাঁর নিজের রাজ্য জর্জিয়া হিন্দু-বিরোধী অপরাধ এবং বিদ্বেষ মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এর পরেই ওই মার্কিন কংগ্রেসম্যান বলেন, “আমাদের হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে”। স্ট্যানফোর্ডের এহেন মন্তব্যে উপস্থিত ভারতীয়-আমেরিকানদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন বছরে আমেরিকায় হিন্দুদের মৌখিক আক্রমণ, অবমাননাকর মন্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হয়রানি এবং হিন্দুদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক প্রচারের ঘটনা বেড়েছে বলে বিভিন্ন সংগঠনের দাবি। এর পাশাপাশি মন্দির ও অন্যান্য হিন্দু উপাসনালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই ভারতীয়-আমেরিকানদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার মতো হুমকির মুখোমুখিও হতে হচ্ছে, যদিও তাঁরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম দক্ষ কর্মশক্তি এবং অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ (US)।

    হিন্দুফোবিয়াকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি জর্জিয়ার

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে জর্জিয়া হিন্দুফোবিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঘৃণাজনিত অপরাধ ও বৈষম্যের বিষয়টি রাজ্যের আইনগত কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করে (Georgia Anti Hindu Resolution)। এই উদ্যোগের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে Coalition of Hindus of North America। এই সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছে। রাজ্যের গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকারি বিভিন্ন দফতর হিন্দুফোবিয়াজনিত বৈষম্য ও বিদ্বেষমূলক ঘটনার নথিভুক্তকরণ এবং তদন্তের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবে। এই আইন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে কোয়ালিশন অব হিন্দুজ অব নর্থ আমেরিকা (CoHNA) জানিয়েছে, ‘সেনেট বিল ৩৭৫ শুধু ক্রমবর্ধমান হিন্দু-বিরোধী ঘৃণার প্রতিক্রিয়া নয়, এটি আমাদের সম্প্রদায় যে (Georgia Anti Hindu Resolution) এই দেশের অংশ, অবদানকারী এবং আইনের সমান সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য—তারও একটি শক্তিশালী স্বীকৃতি (US)।’

     

  • Vikram Misri: ইরান যুদ্ধের আবহে ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন বিক্রম মিশ্রি, কেন জানেন?

    Vikram Misri: ইরান যুদ্ধের আবহে ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন বিক্রম মিশ্রি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটন (US) সফরে যাবেন বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি (Vikram Misri)। সেখানে তিনি মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি সহযোগিতা পর্যালোচনা করা হবে, হবে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রভাব নিয়ে আলোচনাও। এটি বিশ্বজুড়ে বহু দেশকে প্রভাবিত করেছে।

    মিশ্রির ওয়াশিংটন সফর (Vikram Misri)

    মিশ্রি ৮ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত ওয়াশিংটনে থাকবেন। ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার পর পশ্চিম এশিয়ায় যে সংঘাত শুরু হয়, তার পর এই প্রথম কোনও পদস্থ ভারতীয় কর্তা আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন। এই সফরটি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ফেব্রুয়ারি মাসের ওয়াশিংটন সফরের পরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের ধারাবাহিকতার অংশ বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে বিদেশমন্ত্রক।

    নজিরবিহীন চাপ

    মন্ত্রক জানিয়েছে, এই সফরটি ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্ণ পরিসর পর্যালোচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যে সহযোগিতা চলছে, তাকে এগিয়ে নেওয়ার একটি সুযোগ। মিশ্রি মার্কিন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সঙ্গে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। উল্লেখ্য, এই সফর এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন দুই দেশই সম্পর্ক স্থিতিশীল করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যার মধ্যে রাশিয়ার জ্বালানি কেনার জন্য ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শাস্তিমূলক শুল্কও ছিল (Vikram Misri)। এর ফলে দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নজিরবিহীন চাপ সৃষ্টি হয়। গত মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সংঘাত বন্ধে নিজের ভূমিকা নিয়ে ট্রাম্পের বারবার দাবি সম্পর্ককে প্রভাবিত করেছে।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণা

    ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেন যে দুই দেশ একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির দিকে কাজ করছে এবং মার্কিন শুল্ক কমানো হয়েছে, যা সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথ তৈরি করেছে। প্রস্তাবিত এই বাণিজ্য চুক্তির কাঠামো ইতিমধ্যে নির্ধারিত হয়েছে এবং মিশ্রির বৈঠকগুলিতে এটি আলোচনায় আসতে পারে (US)। প্রসঙ্গত, গত মাসের শেষ দিকে ট্রাম্প মোদিকে ফোন করে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, ভারত অঞ্চলে দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে এবং বৈশ্বিক স্বার্থে হরমুজ প্রণালী খোলা ও নিরাপদ রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

    ভারত সংঘাত দ্রুত শেষ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহও নিশ্চিত করতে চায় ভারত।  কারণ এটি দেশের খাদ্য, জ্বালানি ও সার নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে, পশ্চিম এশিয়ার সব গুরুত্বপূর্ণ পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সেখানে বসবাসরত এক (US) কোটিরও বেশি ভারতীয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে নয়াদিল্লি (Vikram Misri)।

     

  • Mann Ki Baat: প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাতেও উঠে এল পশ্চিম এশিয়ার অশান্তির প্রসঙ্গ

    Mann Ki Baat: প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাতেও উঠে এল পশ্চিম এশিয়ার অশান্তির প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ‘মন কি বাতে’ও উঠে এল পশ্চিম এশিয়ায় দিনের পর দিন বেড়ে চলা অস্থিরতা এবং তার জেরে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কটের প্রসঙ্গ। ২৯ মার্চ, রবিবার সম্প্রচারিত হল প্রধানমন্ত্রীর মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর (Mann Ki Baat) ১৩২তম পর্ব। এই পর্বেই তিনি ফোকাস করেন পশ্চিম এশিয়ার অশান্ত পরিস্থিতির ওপর।

    মন কি বাতে কোভিড প্রসঙ্গ (Mann Ki Baat)

    কোভিড-১৯ অতিমারির কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, বিশ্ব আশা করেছিল যে এই বৈশ্বিক সঙ্কট কাটিয়ে উঠে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন নতুন সংঘাত দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সবাই মনে করতে পারি যে কোভিডের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে পুরো বিশ্ব নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল। আমরা সবাই আশা করেছিলাম যে করোনা সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসার পর বিশ্ব নতুন করে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। কিন্তু বিভিন্ন অঞ্চলে বারবার সৃষ্টি হয়েছে যুদ্ধ ও সংঘাতের পরিস্থিতি।” সঙ্কটের সময় উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসরত এক কোটিরও বেশি ভারতীয়কে সাহায্য করার জন্য ওই দেশগুলির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গ জ্বালানি সঙ্কট

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে যে প্রভাব পড়েছে, তাও তুলে ধরেন তিনি। জানান, ভারতের জ্বালানির একটি বড় অংশই আসে পশ্চিম এশিয়া থেকে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যে অঞ্চলে বর্তমানে যুদ্ধ চলছে, সেটি আমাদের জ্বালানি চাহিদার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এর ফলে বিশ্বজুড়ে পেট্রোল ও ডিজেল নিয়ে সঙ্কট তৈরি হচ্ছে (Mann Ki Baat)।” তিনি আরও জানান, বিভিন্ন দেশের সহযোগিতার ফলে ভারত এই জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা করতে পেরেছে। ভারতবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, কঠিন সময়ে সবাই যেন ঐক্যবদ্ধ থাকে। গুজবেও যেন বিশ্বাস না করে। তিনি বলেন, “আমি আবারও আমার দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানাই—আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে। যারা গুজব ছড়াচ্ছে, তারা দেশের বড় ক্ষতি করছে। আমি সকল নাগরিককে সতর্ক থাকার এবং গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি। শুধু সরকারের দেওয়া তথ্যের ওপর ভরসা রাখুন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করুন (PM Modi)।”

    টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ে খুব খুশি প্রধানমন্ত্রী

    আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি বলেন, “যেভাবে আমরা অতীতে ১৪০ কোটি মানুষের শক্তিতে বিভিন্ন সঙ্কট পেরিয়ে এসেছি, তেমনি এবারও আমরা সবাই মিলে এই কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠব।” প্রধানমন্ত্রী ‘জ্ঞান ভারতম সার্ভে’ উদ্যোগ সম্পর্কেও বলেন। এর লক্ষ্য হল, দেশজুড়ে বিভিন্ন পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণ ও নথিভুক্ত করা। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষও জ্ঞান ভারতম অ্যাপের মাধ্যমে এই উদ্যোগে অংশ নিতে পারেন—পাণ্ডুলিপির ছবি বা সংশ্লিষ্ট তথ্য আপলোড করে।” ‘মাই ভারত (MY Bharat)’ উদ্যোগের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর লক্ষ্য দেশের যুবসমাজকে বাজেট প্রক্রিয়া ও নীতিনির্ধারণের সঙ্গে যুক্ত করা। এই উদ্যোগের আওতায় আয়োজিত কুইজে প্রায় ১২ লাখ যুবক-যুবতী অংশগ্রহণ করেছিল (Mann Ki Baat)। কুইজের পর ১ লাখ ৬০ হাজারের কাছাকাছি অংশগ্রহণকারীকে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। ভারতের টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ে তিনি যে যারপরনাই খুশি, তা গোপন করেননি প্রধানমন্ত্রী। প্রায় সাত দশক পর রঞ্জি ট্রফি জয়ের জন্য জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট দলকেও অভিনন্দন জানান তিনি (PM Modi)।

     

  • PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন?

    PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট (West Asia Conflict) নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র। বুধবার বৈঠক হবে বিকেল ৫টায়। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করতে পারেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। উপস্থিত থাকতে পারেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

    সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক কেন্দ্রের (PM Modi)

    পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে এই বৈঠক (PM Modi) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের ওপর। উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। মঙ্গলবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল অনিল চৌহান, তিন বাহিনীর প্রধান, ডিআরডিওর চেয়ারম্যান সমীর কামাত-সহ অন্যরা। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির (CCS) বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের পরিস্থিতি এবং তার মোকাবিলায় নেওয়া প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলি পর্যালোচনা করেন। তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মন্ত্রী ও সচিবদের একটি বিশেষ দল গঠনের নির্দেশও দেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় ভাষণের পর আয়োজিত হচ্ছে এই সর্বদলীয় বৈঠক। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “জ্বালানি, সরবরাহ ব্যবস্থা, সার-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশল তৈরির জন্য সরকার সাতটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করেছে, যাতে ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাতের প্রভাব কমানো যায়।” সোমবার লোকসভায় তিনি বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতজনিত কঠিন বৈশ্বিক পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এজন্য দেশকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রস্তুত থাকতে হবে, যেমনটি কোভিড-১৯ অতিমারির সময় ছিল। পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘাত এখন চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে, ব্যাহত হয়েছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজের অনায়াস যাতায়াত। ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর উত্তেজনা আরও বেড়েছে (PM Modi)।

    বৈঠকে থাকছেন না রাহুল

    এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। যার ফলে সামুদ্রিক পথে জাহাজ চলাচল আরও বিঘ্নিত হয়। এর ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর (West Asia Conflict)। এদিনের সর্বদলীয় বৈঠকে হাজির থাকবেন না লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি জানান, কেরালায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে এই সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, এর আগে কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেছিল, “সঙ্কট নিয়ে তাঁর বক্তব্য ছিল নিজের প্রশংসায় ভরা আগেভাগেই তৈরি করে দেওয়া একটি লেখা”। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “পশ্চিম এশিয়া ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রায় এক কোটি ভারতীয় সেখানে বসবাস ও কাজ করেন। তাছাড়া এই অঞ্চলের সমুদ্রপথে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নাবিকও কাজ করেন (PM Modi)।”

    ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত বার্তা দিতেই বৈঠক

    তিনি এও বলেন, “এই বিভিন্ন কারণেই ভারতের উদ্বেগ স্বাভাবিকভাবেই বেশি। তাই এই সঙ্কট নিয়ে ভারতের সংসদ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত বার্তা বিশ্বে পৌঁছনো অত্যন্ত জরুরি।” ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময়ও হয়েছে তাঁদের মধ্যে। তিনি বলেন, “ভারত দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের এবং শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ এবং সকলের জন্য সহজলভ্য রাখা (West Asia Conflict) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টায় আমরা যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়েছি (PM Modi)।”

  • PM Modi: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটে নড়ে গিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি”, দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটে নড়ে গিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি”, দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নাড়িয়ে দিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।” ঠিক এই ভাষায়ই দেশবাসীকে সতর্ক করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি এও বলেন, “দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত (West Asia Crisis) বিশ্বজুড়ে গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।” মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ ইতিমধ্যেই বড় ধরনের জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে, ব্যাহত করেছে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথগুলিতে চলাচল। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানির একটি গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। আমাদের বাণিজ্য পথগুলি প্রভাবিত হয়েছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সার সরবরাহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। ভারতের ওপর এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপও করছে। তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তি শক্তিশালী। সরকার প্রতিটি পরিবর্তিত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।” তিনি বলেন, “এই সঙ্কট ভিন্ন ধরনের এবং এর সমাধানও ভিন্নভাবে খোঁজা হচ্ছে। আমাদের প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে ধৈর্য, সংযম এবং শান্তভাবে।” এর পরেই দেশবাসীকে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে থাকতে পারে। তবে সরকার এ ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজও করছে।” প্রধানমন্ত্রী রাজ্যগুলিকে কালোবাজারি ও প্রয়োজনীয় পণ্যের মজুতদারির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। দরিদ্র এবং অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য আগাম উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন।

    কোভিড পরিস্থিতির পদক্ষেপের কথা স্মরণ করালেন প্রধানমন্ত্রী

    কোভিড পরিস্থিতির পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বর্তমান সঙ্কটেও একই ধরনের ‘টিম ইন্ডিয়া পদ্ধতি’ অবলম্বন করার আহ্বান জানান (West Asia Crisis)। তিনি বলেন, “প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত (PM Modi)।” প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতিকে বড় উদ্বেগ হিসেবে তুলে ধরেন। এই প্রণালীতে আটকে রয়েছে বহু আন্তর্জাতিক জাহাজ, সেগুলিতে রয়েছেন ভারতীয় নাবিকরাও। তিনি বলেন, “বিশ্বের অনেক জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছে এবং সেগুলিতে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় ক্রু সদস্য রয়েছেন।” তিনি জানান, ভারত কূটনৈতিকভাবে কাজ করছে যাতে জাহাজগুলি নিরাপদে চলাচল করতে পারে এবং অঞ্চলে উত্তেজনা কমানো যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হল উত্তেজনা কমানো এবং হরমুজ প্রণালী চালু করা (West Asia Crisis)।” উপসাগরীয় দেশগুলিতে প্রায় এক কোটি ভারতীয় বসবাস ও কাজ করেন। সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সঙ্কটের সময় দেশে ও বিদেশে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”

    আত্মনির্ভর হওয়ার ডাক

    তিনি জানান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৩,৭৫,০০০-এর বেশি ভারতীয় নিরাপদে দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ইরান থেকে ১,০০০-এরও বেশি জন। তাঁদের মধ্যে ৭০০ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া। প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত ইরান, ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কাজ করছে (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধে মানবজীবনের কোনও হুমকি মানবতার স্বার্থে নয়। ভারত সব পক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগিয়ে নিতে ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” তিনি জানান, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে তিনি বিভিন্ন বিশ্বনেতার সঙ্গে এই সঙ্কট নিয়ে আলোচনা করেছেন। সরকার জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উৎস থেকে তেল ও গ্যাস সংগ্রহের চেষ্টা করছে (West Asia Crisis)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সম্ভাব্য সব উৎস থেকে গ্যাস ও অপরিশোধিত তেল জোগাড়ের চেষ্টা করছি। এই প্রচেষ্টা আগামী দিনগুলিতেও চলবে।” তিনি জানান, গত ১১ বছরে ভারত ৫৩ লাখ মেট্রিক টন কৌশলগত তেল মজুত করেছে।  আরও ৬৫ লাখ মেট্রিক টন সংরক্ষণ ক্ষমতার ভাণ্ডার তৈরি করার কাজ চলছে। আগে ২৭টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করা হত। এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪১ করা হয়েছে। তিনি ৭০,০০০ কোটি টাকার জাহাজ নির্মাণ প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন এবং আত্মনির্ভরতার ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আত্মনির্ভর হওয়া ছাড়া ভারতের সামনে আর কোনও বিকল্প নেই (PM Modi)।”

LinkedIn
Share