Tag: Indian Football Team

Indian Football Team

  • FIFA World Cup 2026: ভারত না খেললেও, ২৬-এর বিশ্বকাপে ভারতীয় বংশোদ্ভূতের ছোঁয়া! জানেন তাঁরা কারা?

    FIFA World Cup 2026: ভারত না খেললেও, ২৬-এর বিশ্বকাপে ভারতীয় বংশোদ্ভূতের ছোঁয়া! জানেন তাঁরা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র দুই দিনের অপেক্ষা। এরপরই ঢাকে কাঠি পড়ে যাবে বিশ্বকাপ ফুটবলের (Fifa Football World Cup 2026)। কানাডা, মেক্সিকো ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের (Football World Cup 2026) আসর বসতে চলেছে। নিঃসন্দেহে এবারের টুর্নামেন্ট উল্লেখযোগ্য থাকবে বিশ্ব ফুটবলের ২ মহারথী ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ও লিওনেল মেসির জন্য। দু’জনে তাঁদের কেরিয়ারের শেষ বিশ্বকাপে খেলতে নামছেন। তবে আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ ভারতীয় ফুটবল প্রেমীদের জন্য়ও একটি বিশেষ কারণে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ প্রায় ২০ বছর পর অর্থাৎ ২০০৬ বিশ্বকাপের পর এবারই কোনও ভারতীয় বংশোদ্ভুত ফুটবলার বিশ্বকাপের আসরে নামতে চলেছেন। তাও আবার একজন নয়। চার চারজন।

    ২০০৬-এর পর ২০২৬

    ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়লেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত চার ফুটবলার। ভারতীয় ফুটবল দল (Indian Football Team) এবারও বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হলেও, এই প্রথম একসঙ্গে চারজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলার নিজেদের দেশের জার্সিতে বিশ্বকাপ খেলতে চলেছেন। ২০০৬ সালে ফ্রান্সের জার্সিতে বিশ্বকাপ খেলেছিলেন বিকাশ ধোরাসু। তিনি ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত। এরপর ফুটবল বিশ্বকাপের চারটি সংস্করণে কোনও ভারতীয়কে মাঠে দেখা যায়নি। কিন্তু আগামী ১২ জুন থেকে শুরু হতে চলা মেগা টুর্নামেন্টে চারজন ভারতীয় বংশোদ্ভুত চারটি বিভিন্ন দেশের হয়ে খেলতে নামবেন। তাঁরা হলেন তাহসিন মহম্মদ জামশিদ, নিশান ভেলুপিল্লাই, স্যামুয়েল মুতুসামি ও সরপ্রীত সিং।

    তাহসিন মহম্মদ জামশিদ

    সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন কাতারের তরুণ উইঙ্গার তাহসিন মহম্মদ জামশিদ। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই তিনি কাতার স্টার্স লিগে খেলা প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। দোহায় জন্ম নেওয়া তাহসিনের বাবা-মা কেরলের মালয়ালি পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তাঁর বাবা কেরলে বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলও খেলেছিলেন। এবার কাতারের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছেন তিনি।

    সরপ্রীত সিং

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপ খেলতে চলেছেন সরপ্রীত সিং। পাঞ্জাবি পরিবার থেকে উঠে আসা এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ২০১৮ সাল থেকেই ‘অল হোয়াইটস’ দলে নিয়মিত মুখ। ইউরোপিয় ফুটবলেও তিনি যথেষ্ট পরিচিত নাম। জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে সই করে একসময় বড় চমক দিয়েছিলেন সরপ্রীত। ২০১৯ সালে বায়ার্ন মিউনিখে কুতিনহোর বদলে মাঠে নেমেছিলেন সরপ্রীত। সে দিন তিনি প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভুত হিসেবে খেলেছিলেন বুন্দেশলিগায়। পাঞ্জাব থেকে সরপ্রীতের বাবা–মা পাড়ি দিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডে। অকল্যান্ডের দক্ষিণ প্রান্তে পাপাতোয়তোয় অঞ্চলে বাড়ি তাঁদের। সেখানেই শুরু ফুটবল। তার পরে খেলেছেন ওনেহুঙ্গা ক্লাবে। সেখান থেকেই নজরে পড়ে যান ওয়েলিংটন ফিনিক্স যুব টিমের। তার পরে এই টিমের হয়েই খেলেছেন এ লিগে। তার পরে বায়ার্নের দ্বিতীয় ও প্রথম টিম এবং জার্মানির আরও কয়েকটি টিমে খেলে গত মরশুমে খেলেছেন পর্তুগালের ইউনিয়াও দে লেইরিয়াতে। আর ২০১৮ সালে অভিষেকের পরে ধীরে ধীরে নিয়মিত হয়ে উঠেছেন নিউ জিল্যান্ড টিমে।

    নিশান ভেলুপিল্লাই

    অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন নিশান ভেলুপিল্লাই। এই আগুন গতির উইঙ্গারের মা অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান এবং বাবা মালয়েশিয়ান তামিল বংশোদ্ভূত। ইতিমধ্যেই ‘সকারুজ়’ দলে নিজের জায়গা পাকা করতে শুরু করেছেন নিশান।

    স্যামুয়েল মাউতোসামি

    ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গোর হয়ে খেলবেন স্যামুয়েল মাউতোসামি। ফ্রান্সের প্যারিসে জন্ম হলেও, মায়ের সূত্রে তিনি কঙ্গোর প্রতিনিধিত্ব করছেন। তাঁর বাবা ইন্দো-গুয়াডেলুপিয়ান তামিল বংশোদ্ভূত। ফরাসি লিগ ওয়ানে দীর্ঘদিন খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

    কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ

    ভারতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপে না থাকলেও, ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই চার ফুটবলারের উপস্থিতি নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে গর্বের মুহূর্ত হয়ে থাকবে। উল্লেখ্য, এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে রেকর্ড ৪৮টি দল অংশ নিতে চলেছে। মোট ১০৪টি ম্য়াচ হবে। ১১ জুন উদ্বোধনী ম্য়াচে আয়োজক দেশ মেক্সিকো মুখোমুখি হতে চলেছে দক্ষিণ আফ্রিকার। আগামী ২০ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই ফাইনাল ম্য়াচ। গত বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিল কাতারে। সেবার ফাইনালে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল আর্জেন্তিনা। লিওনেল মেসির হাতে উঠেছিল বিশ্বকাপ ট্রফি। ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে দিয়েছিল তারা। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো কি পারবেন নিজের শেষ বিশ্বকাপ স্মরণীয় করে রাখতে?

    ৩৯ দিন ধরে চলবে এই মেগা টুর্নামেন্ট

    মোট ৩৯ দিন ধরে চলবে এই মেগা টুর্নামেন্ট। তিনটি দেশের ১৬টি স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হবে মোট ১০৪টি ম্যাচ। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে প্রথমবার ৪৮টি দল অংশ নেবে। এর আগে বিশ্বকাপে ৩২টি দল খেলত। শেষবার ১৯৯৮ সালে দলসংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। দলসংখ্যা বাড়ায় এবার ম্যাচের সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪-এ, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নিতে চলেছে কেপ ভার্দে, কুরাকাও, জর্ডন এবং উজবেকিস্তান। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে এই চার দেশের অভিষেক বিশ্বকাপকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ৪৮টি দলের মোট ১,২৪৮ জন ফুটবলার এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেবেন। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এত সংখ্যক ফুটবলার আগে কখনও অংশ নেননি। এই ফুটবলাররা বিশ্বের ৭১টি দেশের ৪৪৯টি ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

  • FIFA World Cup Qualifier: বিতর্কিত গোল, জঘন্য রেফারিং! কাতারের মাঠে ‘লুট’ করা হল ভারতের স্বপ্ন

    FIFA World Cup Qualifier: বিতর্কিত গোল, জঘন্য রেফারিং! কাতারের মাঠে ‘লুট’ করা হল ভারতের স্বপ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের (FIFA World Cup Qualifier) মরণ-বাঁচন ম্যাচ জানত ভারত। শুরু থেকেই তাই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ব্লু-টাইগার্সরা। কিন্তু স্বপ্ন পূরণ হল না। ধারে ভারে এগিয়ে থেকেও কাতার মাঠে ‘ডাকাতি’ করল বলা যায়। আর তাতে সায় দিলেন রেফারি। মাঠের বাইরে যাওয়া বলকে ফের টেনে এনে গোল করে নিজেদের থেকে অনেকটা পিছিয়ে থাকা ভারতের বিপক্ষে জিততে হল কাতারকে (India vs Qatar)। যা বহুদিন মনে রাখবে ফুটবল দুনিয়া। 

    ম্যাচে এগিয়ে ছিল ভারত

    ডু অর ডাই ম্যাচে (FIFA World Cup Qualifier) শুরুটা ভালই করেছিল ভারত। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে ছাংতে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর ৭২ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল ভারত। একটা সময় যখন মনে হয়েছিল ভারত জিততে চলেছে সেই সময় ৭৩ মিনিটে গোল পায় কাতার। যেটা নিয়ে বিতর্ক স্পষ্ট। গোলের পর কাতারের (India vs Qatar) ফুটবলারদের দেখে পরিষ্কার বোঝা যায় তাঁরাও ভাবেননি এটি গোল দেওয়া হবে। কিন্তু রেফারি কিম উয়ো সাং সবাইকে অবাক করে দিয়ে গোল দিয়ে দেন। দুই লাইন্সম্যান কাং ডং হো এবং চিয়ন জিন হি-ও কার্যত চোখ বুজে থাকেন। অবাক ভারতীয় ফুটবলাররা মাঠেই প্রতিবাদ জানান। কোনও লাভ হয়নি।

    কী ঘটেছিল

    মঙ্গলবার ম্যাচে (FIFA World Cup Qualifier) প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিল ভারত। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে সমতা ফেরানোর জন্য আক্রমণের ঝাঁঝ বৃদ্ধি করেন কাতারের ফুটবলারেরা। ভারতীয় দলের রক্ষণের ফুটবলারেরা অবশ্য সতর্ক ছিলেন। ম্যাচের ৭৩ মিনিটে প্রথমে ফ্রি-কিক পায় কাতার। শটটা সোজা কাতারের এক প্লেয়ারের কাছে যায়। তিনি চলতি বলে হেড দেন, বলটা যায় গুরপ্রীতের কাছে। গুরপ্রীত বলটাকে আটকাতে পারেননি। বলটা তাঁর পায়ে লেগে মাঠের বাইরে যায়। সেই সময় কাতারের ডিফেন্ডার হাসমি আল হুসেন বলটা মাঠের বাইরে থেকে টেনে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁর পা থেকে বলটা নেন ইউসেফ আইমেন। আর তিনি বলটা গোলে ঠেলে দেন। এতেই শুরু হয় বিতর্ক। বলটা যখন গুরপ্রীতের কাছ থেকে মাঠের বাইরে বেরিয়ে যায় সেই সময় ভারতীয় প্লেয়াররা ছেড়ে দিয়েছিলেন। কারণ বলটা মাঠের বাইরে ছিল। এটার সুযোগ নিয়ে কাতার গোল করে দেয়। আর রেফারি সেটাকে বৈধ গোল বলে কাতারের পক্ষে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন।

    রেফারি নিয়ে ক্ষোভ

    মাঠেই রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিবাদ জানায় ভারত। ভারতীয় প্লেয়ারদের দাবি ছিল বলটা গুরপ্রীতের কাছ থেকে মাঠের বাইরে চলে যায়। আর বল একবার মাঠের বাইরে যাওয়া মানে সেটা ডেড বল। সেটা হয় গোল কিক, নয়তো কর্নার কিক করতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে বলটা মাঠের বাইরে গেলেও সেটাকে কাতারের প্লেয়ার টেনে এনে গোল করেন। যা আইনের মধ্যে পড়ে না। এর পরেও রেফারির ভুল শেষ হয়নি। রাহুল ভেকেকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়। কিন্তু ভারতীয় দলের এই সেন্টার ব্যাক ট্যাকলই করেননি। ভারতের একটি পেনাল্টির আবেদনও নাকচ করে দেওয়া হয়। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন সরকারি ভাবে এদিনের ম্যাচে রেফারিং নিয়ে প্রতিবাদ জানাবে।

    ইচ্ছাকৃত ঘটনা

    অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচেও যদি ‘ভার’ প্রযুক্তি না থাকে, তা হলে আর কোন ম্যাচে থাকবে? কেউ কেউ বলছেন রেফারির সিদ্ধান্ত হাস্যকর। কেউ বলছেন, এটা চুরি। আবার কেউ বলছেন এটা লুট, ডাকাতি। কেউ কেউ গত বিশ্বকাপের আয়োজক কাতারকে দোষ দিচ্ছেন। অনেকে বলছেন, ইচ্ছা করেই এটা করা হয়েছে। কারণ, এই ম্যাচ জিতলে ভারত বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের পরের রাউন্ডে চলে যেত। 

    স্বপ্নভঙ্গ ভারতের

    এই ঘটনার পর আর সে ভাবে প্রতিরোধ গড়তে পারেননি ভারত। ৮৫ মিনিটে কাতারের (India vs Qatar) পক্ষে দ্বিতীয় গোল করেন আর রাউই। বক্সের মধ্যে প্রায় ফাঁকায় বল পান তিনি। গুরপ্রীত দলের পতন আটকাতে পারেননি। সংযুক্ত সময় সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল ভারত। কিন্তু সফল হননি সাহাল। আসলে মনটাই ভেঙে গিয়েছিল গুরপ্রীতদের। শেষ পর্যন্ত ২-১ এ ম্যাচ হেরে এবারের মতো বিশ্বকাপে (FIFA World Cup Qualifier) খেলার স্বপ্নও শেষ হয়ে যায় ভারতের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunil Chhetri: সুনীলের বিদায়ী ম্যাচ, কলকাতায় কুয়েত ম্যাচের জন্য ২৭ সদস্যের দল ঘোষণা

    Sunil Chhetri: সুনীলের বিদায়ী ম্যাচ, কলকাতায় কুয়েত ম্যাচের জন্য ২৭ সদস্যের দল ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৬ জুন কলকাতায় শেষ হতে চলেছে ভারতীয় ফুটবলের এক অধ্যায়। সুনীল ছেত্রী (Sunil Chhetri), আন্তর্জাতিক ফুটবলে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা শেষবার দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন। সেই ম্যাচকে সুনীলের জন্য স্মরণীয় করে রাখতে চান কোত স্টিমাচ। একই ইচ্ছা সতীর্থদেরও। বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের (FIFA World Cup Qualifier) খেলায় ওই ম্যাচে কুয়েতের মুখোমুখি হবে ভারত। সুনীলকে জয় উপহার দিতে মরিয়া সতীর্থরা। প্রস্তুতি নিচ্ছে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও। 

    দল ঘোষণা

    কলকাতায় নিজের বিদায়ী ম্যাচ খেলবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন সুনীল ছেত্রী (Sunil Chhetri)। আগামী ৬ জুন যুবভারতীতে কুয়েতের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচের জন্য ২৭ সদস্যের দল ঘোষণা করলেন ভারতের ফুটবল দলের কোচ ইগর স্টিমাচ। প্রাথমিক ভাবে ৪০ সদস্যের দল ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তাঁদের নিয়ে ভুবনেশ্বরে চার সপ্তাহের শিবির চলছে। ৪০ জনের মধ্যে আট জনকে আগেই ছেড়ে দিয়েছিলেন কোচ। বাকি ৩২ জনের মধ্যে ২৭ জনকে নিজের দলে রেখেছেন তিনি। ২৯ মে পর্যন্ত ভুবনেশ্বরে প্রস্তুতি সারবেন এই ফুটবলারেরা। তার পরে কলকাতা আসবেন তাঁরা।

    বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন 

    আগামী, ৬ জুন কুয়েতের বিরুদ্ধে খেলার পরে ১১ জুন কাতারে গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। সেই দল এখনও জানাননি কোচ। এই দুই ম্যাচের উপরেই নির্ভর করছে ভারত বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে (FIFA World Cup Qualifier) পরের রাউন্ডে যাবে কি না। তাই কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না স্টিমাচ। সুনীলের জন্য আপাতত কলকাতায় কুয়েতের বিপক্ষে জয় চান কোচ। দলের ফুটবলারদের কাছে তিনি আবেদন করেছেন, জিতে সুনীলকে (Sunil Chhetri) বিদায় জানাতে।

    আরও পড়ুন: কনিষ্ঠতম ভারতীয় কন্যা! মাত্র ১৬ বছরে এভারেস্ট শৃঙ্গজয় দ্বাদশ শ্রেণির কামিয়ার

    ভারতের ২৭ জনের দল

    গোলরক্ষক— গুরপ্রীত সিং সান্ধু, অমরিন্দর সিং, বিশাল কাইথ।

    ডিফেন্ডার— অময় রানাওয়াড়ে, আনোয়ার আলি, জয় গুপ্ত, লালচুংনুঙ্গা, মেহতাব সিং, নরেন্দর গহলৌত, নিখিল পুজারি, রাহুল ভেকে, শুভাশিস বসু।

    মিডফিল্ডার— অনিরুদ্ধ থাপা, ব্রেন্ডন ফের্নান্দেস, এডমুন্ড লালরিন্ডিকা, জিকসন সিং, লালিয়ানজুয়ালা ছাংতে, লিস্টন কোলাসো, মহেশ সিং নাওরেম, নন্দকুমার, সাহাল আব্দুল সামাদ, সুরেশ সিং।

    স্ট্রাইকার— ডেভিড, মনবীর সিং, রহিম আলি, সুনীল ছেত্রী, বিক্রম প্রতাপ সিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Igor Stimac: সুনীলের জন্যই কুয়েত ম্যাচ জিততে চান স্টিমাচ, দল নিয়ে কী বললেন কোচ?

    Igor Stimac: সুনীলের জন্যই কুয়েত ম্যাচ জিততে চান স্টিমাচ, দল নিয়ে কী বললেন কোচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী মাসের ৬তারিখ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফিফা বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ারে ভারতের (Indian Football Team) মুখোমুখি কুয়েত। সেই ম্যাচের আগে ভুবনেশ্বরে চার সপ্তাহের প্রস্তুতি শিবির চলছে ভারতীয় দলের। হবে সেই জাতীয় শিবির। ভুবনেশ্বর থেকে  চূড়ান্ত স্কোয়াড ২ জুন কলকাতায় পা রাখবে। তার চারদিন পরই বিশ্বকাপের যোগ্যতা পর্বে ভারতের সামনে কুয়েত (Kuwait)। ওই ম্যাচের পরই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেবেন ভারত অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী (Sunil Chhetri)। সুনীলের জন্যই ওই ম্যাচ জিততে চান ভারতের কোচ ইগর স্টিমাচ (Igor Stimac)। দলের ছেলেদের নিয়েও আশাবাদী তিনি।

    স্টিমাচের আশা

    দলের সিনিয়র প্লেয়াররা শিবিরে অংশ নিয়েছে। তাঁরাও প্রতিদিন অনুশীলন করছে এবং কুয়েত ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দিতে বদ্ধ পরিকর বলে জানান স্টিমাচ (Igor Stimac)। তিনি বলেন, “সুনীল বড়ো ফুটবলার। ও জানে কোন সময় অবসরের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। ওর মনের কথা তো একমাত্র ওরই জানার কথা। আমি সম্মান জানাই ওর সিদ্ধান্তকে। আমি চাই, ৬ জুন ওর বিদায়ী ম্যাচকে যেন সব দিক দিয়ে সবার কাছে স্মরণীয় করে রাখতে পারি আমরা। খেলতে খেলতেই ও কিংবদন্তি হয়ে উঠেছে। এমন কৃতিত্ব ক’জনেরই বা আছে? প্রত্যেকের কাছেই ও প্রেরণা। দেশের জার্সির কাছে সম্পুর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ একজন খেলোয়াড় সুনীল। এখনকার তরুণ ফুটবলারদের ওকে অনুসরণ করা উচিত। আবেগ ও ভালোবাসা নিয়ে দেশের হয়ে মাঠে নামে ও। এতে যে অসীম আনন্দ পায় ও, তা তো নিজেই বলেছে”। সুনীল ছেত্রীর (Sunil Chhetri) সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে স্টিমাচ বলেন, “ওর মতো অসাধারণ এক মানুষের সঙ্গে কাজ করে আমি খুবই আনন্দ পেয়েছি। আমাদের মধ্যে কোচ-খেলোয়াড় সম্পর্কের চেয়েও বেশি কিছু ছিল। আমার বিশ্বাস, ফুটবল ছাড়ার পর ও সমাজের ওপর ভালো প্রভাব ফেলার মতো কিছু করবে। সর্বকালের সেরা হওয়ার জন্যই জন্মেছে সুনীল”।

    দর্শকপূর্ণ স্টেডিয়ামের আশা

    ইগর স্টিমাচ (Igor Stimac) ঘরের মাঠে দর্শকপূর্ণ স্টেডিয়ামে ম্যাচ খেলার পক্ষপাতী। কুয়েতকে হারাতে যুবভারতীর জনগর্জনই ভারতীয়  কোচের ভরসা। এই ম্যাচটি কলকাতায় খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন স্টিমাচ। ফেডারেশনও তাঁর দাবি মেনে নেয়। এরপরই অবসরের কথা জানান সুনীল (Sunil Chhetri)। সবদিক থেকে ৬ জুন ভারতীয় ফুটবলের একটি বিশেষ দিন হতে চলেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • FIFA World Cup Qualifiers 2026: জাতীয় দলে মোহনবাগানের ৮ ফুটবলার! স্টিমাচের শিবিরে ৪১ জন

    FIFA World Cup Qualifiers 2026: জাতীয় দলে মোহনবাগানের ৮ ফুটবলার! স্টিমাচের শিবিরে ৪১ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে (FIFA World Cup Qualifiers 2026) খেলার জন্য মোট ৪১ জন ফুটবলারের নাম ঘোষণা করেছেন ইগর স্টিমাচ। মঙ্গলবার ফিফা বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের শিবিরের জন্য দ্বিতীয় দফায় দল বেছে নিয়েছে এআইএফএফ। জাতীয় শিবিরে ডাক পেলেন মোহনবাগানের ৮ জন ফুটবলার। ভুবনেশ্বরে ১০ মে থেকে শুরু হবে প্রস্তুতি শিবির। 

    কবে থেকে শুরু শিবির

    প্রথম পর্যায়ে ২৬ জন ফুটবলার নিয়ে দল ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রথম পর্বের দলে মোহনবাগান ও মুম্বই সিটি এফসি-র ফুটবলারদের রাখা হয়নি। দ্বিতীয় পর্বে আইএসএলের ফাইনালে খেলা দু’দলের ১৫ ফুটবলারকে রেখেছেন স্টিমাচ। মোহনবাগানের আট জন ফুটবলারকে রাখা হয়েছে দলে। মুম্বই থেকে সুযোগ পেয়েছেন সাত জন। ৪১ জনের দলে এই দুই ক্লাব থেকেই সব থেকে বেশি ফুটবলার রয়েছেন। চার সপ্তাহের শিবির শুরু হবে চলতি মাসের ১০ তারিখ অর্থাৎ শুক্রবার থেকে। প্রথম পর্বের ২৬ ফুটবলার ১০ তারিখই শিবিরে যোগ দেবেন। দ্বিতীয় পর্বের ১৫ ফুটবলারকে অতিরিক্ত বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। ১৫ মে থেকে শিবিরে যোগ দেবেন তাঁরা। এখান থেকেই চূড়ান্ত দল বেছে নেবেন স্টিমাচ। 

    আরও পড়ুন: কোচ থাকছেন হাবাস! মোহনবাগানে আসছেন অস্ট্রেলিয় বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন

    বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে (FIFA World Cup Qualifiers 2026) এই রাউন্ডে দু’টি ম্যাচ বাকি ভারতের। ৬ জুন কলকাতায় কুয়েত ও ১১ জুন দোহায় কাতারের বিরুদ্ধে খেলবে তারা। এই দুই ম্যাচের উপরে ভারতের পরের রাউন্ডে যাওয়া নির্ভর করছে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দেশের মাটিতে হেরে যাওয়ায় এই মুহূর্তে গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। তাদের বাকি দু’টি ম্যাচ জিততেই হবে। 

    ৪১ জনের দলে কারা

    নতুন ১৫ জন ফুটবলার:

    গোলরক্ষক- টেম্পা লাচেম্পা, বিশাল কাইথ।

    ডিফেন্ডার- আকাশ মিশ্র, আনোয়ার আলি, মেহেতাব সিং, রাহুল ভেকে, শুভাশিস বোস।

    মিডফিল্ডার- অনিরুদ্ধ থাপা, দীপক টাংড়ি, রালতে, ছাংতে, লিস্টন কোলাসো, সাহাল আব্দুল সামাদ।

    ফরোয়ার্ড- মনবীর সিং, বিক্রম প্রতাপ সিং

    ভারতের প্রথম পর্বের দল:

    গোলরক্ষক- অমরিন্দর সিং, গুরপ্রীত সিং সান্ধু।

    ডিফেন্ডার- অময় গণেশ রানাওয়াডে, জয় গুপ্ত, লালচুংনুঙ্গা, মুহম্মদ হাম্মাদ, নরেন্দ্র গহলৌত, নিখিল পুজারি, রোশন সিং।

    মিডফিল্ডার- ব্রেন্ডন ফের্নান্দেস, এডমুন্ড লালরিন্ডিকা, ইমরান খান, ইশাক ভানলালরুয়াতফেলা, জিকসন সিং, মহেশ নাওরেম, মহম্মদ ইয়াসির, নন্দকুমার, রাহুল কান্নোলি, সুরেশ সিং, ভিবিন মোহনন।

    ফরোয়ার্ড- ডেভিড, জিতীন মাদাথিল, লালরিনজুয়ালা, পার্থিব গগৈ, রহিম আলি, সুনীল ছেত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs Uzbekistan: ব্যর্থ সুনীলদের লড়াই, উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে হার ভারতের

    India vs Uzbekistan: ব্যর্থ সুনীলদের লড়াই, উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে হার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেও হার মানল ভারত। এশিয়ান কাপে জয়ে ফিরতে পারল না সুনীলরা। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে লড়াকু ফুটবলের পর উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধেও লড়াই করল টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু প্রথমার্ধে রক্ষণের কিছু ভুলে ৩-০ গোলে ম্যাচ হারতে হল ভারতকে। 

    রক্ষণের ভুল চোখে পড়ল

    ভারতের রক্ষণকে থিতু হওয়ার সময় দিলে তা ভাঙতে সমস্যা হবে, বুঝে গিয়েছিল উজবেকিস্তান। তাই খেলার শুরুতেই গোল তুলে নেওয়ার চেষ্টা করল তারা। ম্যাচের ৪ মিনিটেই গোল করলেন আব্বোসবেক ফাইজুলায়েভ। বক্সের মাথা থেকে বল বাড়ান শেরজদ নাসরুল্লায়েভ। দৈহিক উচ্চতা কাজে লাগিয়ে হেডে গোল করেন ফয়জুল্লায়েভ। এগিয়ে যায় উজবেকিস্তান। দ্বিতীয় গোলের জন্য বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি উজবেকিস্তানকে। ১৮ মিনিটে ফের রক্ষণের ভুলে গোল হজম করতে হয় ভারতকে। ফয়জুল্লায়েভ বক্সের বাইরে থেকে শট নিলে সেই শট আকাশ মিশ্রর গায়ে লেগে বারে প্রতিহত হয়ে ফিরে আসে। কিন্তু রক্ষণের কেউ না থাকায় তা ক্লিয়ার করা যায়নি। ভারতীয় ডিফেন্স পুরো বিশৃঙ্খল অবস্থায় ছিল। সেই বল ফলো করে এসে সার্জিভ সহজেই গোল করে। ম্যাচের প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে আরও একটি গোল খায় ভারত। নাসরুল্লায়েভের একটি শট পোস্টে লেগে ফেরত আসে। ফিরতি বল ধরেই দলের হয়ে তিন নম্বর গোলটি করেন নাসরুল্লায়েভ।

    সিরিয়াকে হারাতেই হবে

    দ্বিতীয়ার্ধে, ভারতীয় দল অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। কিন্তু কিন্তু বারবার চেষ্টা করেও বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হয় সুনীলরা। ৩-০ গোলে এগিয়ে থাকায় বেশি ঝুঁকি নিচ্ছিল না উজবেকিস্তান। নিজেদের মধ্যে বল ধরে রাখার খেলা খেলছিল তারা। তাগিদ দেখাচ্ছিল ভারত। গোলের জন্য ওঠায় কোনও কোনও সময়ে রক্ষণে ফাঁক তৈরি হচ্ছিল। সেখান থেকে প্রতিআক্রমণে উঠছিল উজবেকিস্তান। পরপর দুটি ম্যাচ হেরে দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়ার পথ অনেক কঠিন হয়ে গেল ভারতের। এশিয়ান কাপের নক আউটে যেতে হলে পরের ম্যাচে সিরিয়াকে হারাতেই হবে ভারতকে। তারপর নির্ভর করতে হবে নানা অঙ্কের উপর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asian Cup 2024: বিশেষ ক্লাস কিংবদন্তি বোরার! এশিয়ান কাপে সুনীলদের ট্রেনিং ট্রেভরের

    Asian Cup 2024: বিশেষ ক্লাস কিংবদন্তি বোরার! এশিয়ান কাপে সুনীলদের ট্রেনিং ট্রেভরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোহায় এএফসি এশিয়ান কাপের মঞ্চে ভারতীয় দলের অনুশীলনে দেখা গেল বোরা মিলুটিনোভিচকে। নোভাক জোকোভিচের দেশ সার্বিয়ার কিংবদন্তি কোচ বোরা মাঠে নেমে পরামর্শ দিয়ে গেলেন সুনীল ছেত্রীদের। আর কয়েকদিন পরেই শুরু হচ্ছে এশিয়ান কাপ। ইতিমধ্যেই পুরো দমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় দল। এরই মাঝে দলের ফুটবলারদের জন্য আসে বিশেষ চমক। দোহায় প্রস্তুতি সেশনে ভারতীয় দলের হেড কোচ ইগর স্টিম্যাচের সহকারী হিসেবে যোগ দেন প্রাক্তন ইংলিশ তারকা ফুটবলার ট্রেভর সিনক্লেয়ার্স।

    বোরার ভোকাল টনিক

    বোরা মানেই ইতিহাস, তিনি বিশ্ব ফুটবলে কোচদের মধ্যে বিশ্বরেকর্ডধারী। তিনি বর্তমানে সার্বিয়া দলের কোচের পদে রয়েছেন। কিন্তু বিশ্বকাপের আঙিনায় মোট ৫টি দলকে কোচিং করিয়ে তিনি মহানজির গড়েছেন। ১৯৮৬ সালে মেক্সিকো, ১৯৯০ সালো কোস্টা রিকা, ১৯৯৪ সালে আমেরিকা, ১৯৯৮ সালে নাইজিরিয়া এবং ২০০২ সালে চিন জাতীয় দলের কোচ হিসেবে বোরা আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন বিশ্বফুটবলে। ব্রাজিল বিশ্বকাপেও তাঁকে দেখা গিয়েছে আলজিরিয়ার দলের মেন্টর হিসেবে। সেই অভিজ্ঞ কোচ এদিন সুনীলদের অনুশীলনে এসে ভোকাল টনিকে মাত করে দিয়েছেন। তিনি দলের ফুটবলারদের মানসিক সমস্যা কাটিয়ে নতুন পথ দেখিয়েছেন। সেইসময় শ্রোতার ভূমিকায় ছিলেন ইগর স্টিমাচও।

    বিশেষ অনুশীলন ট্রেভরের

    শনিবার, অর্থাৎ ১৩ জানুয়ারি, এএফসি এশিয়ান কাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। জয় দিয়ে শুরু করার লক্ষ্যে মনোযোগের সঙ্গে প্রশিক্ষণ শিবিয়ে যোগ দিয়েছেন সুনীল, শুভাশিস, লিস্টনরা। তবে ভারতীয় ফুটবলাররা যাতে সব রকমভাবে প্রস্তুত থাকে, সেই কারণে প্রশিক্ষণ শিবিরে ভারতীয় দলের হেড কোচ ইগর স্টিম্যাচকে সাহায্য করতে গেলেন তাঁর এক সময়ের সতীর্থ ট্রেভর সিনক্লেয়ার্স। ইংলিশ প্রিমিয়র লিগে এক ক্লাবের হয়েই খেলতেন দুজনে। দীর্ঘদিন পর নিজের সতীর্থকে পেয়ে খুশি ইগর। তবে ট্রেভর এসেই দলকে সেট-পিস ঘিরে ট্রেনিং ও পরামর্শ দেন। সুনীল ছেত্রীর প্রশংসা করেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs China: প্রথম ম্যাচে চিনের বিরুদ্ধে নেই সুনীল! এশিয়ান গেমসের জন্য পাড়ি দিল ভারতীয় দল

    India vs China: প্রথম ম্যাচে চিনের বিরুদ্ধে নেই সুনীল! এশিয়ান গেমসের জন্য পাড়ি দিল ভারতীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের হাংঝুতে শুরু হতে চলেছে এশিয়ান গেমস ২০২৩। এশিয়ান গেমস (Asian Games) শুরুর দিনই খেলতে নামবেন সুনীল ছেত্রীরা (Sunil Chhetri)। গ্রুপ পর্বে তিনটি ম্যাচ খেলবে ভারতীয় ফুটবল দল। আয়োজক দেশ চিনের বিরুদ্ধেই প্রথম খেলতে নামবে ভারত। ১৯ সেপ্টেম্বর এশিয়ান গেমসের প্রথম দিনেই মুখোমুখি হবে দুই দেশ। ভারতীয় সময় বিকেল পাঁচটার সময়ে শুরু হবে খেলা। 

    কী বললেন স্টিম্যাচ 

    এশিয়ান গেমসের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ এবং মায়ানমারেরর মতো গুরুত্বপূর্ণ দলের বিরুদ্ধে খেলতে হবে ভারতকে। তাই চিনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন ভারতীয় ফুটবলারকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। রতীয় ফুটবল দলের হেড স্যার ইগর স্টিম্যাচ বলেন, ‘চিনের বিরুদ্ধে ম্যাচটা নিয়ে আমার কোনও মাথাব্যথাই নেই। এই ম্যাচে যদি সন্দেশ ঝিংগান কিংবা সুনীল ছেত্রীর মতো ফুটবলারররা না খেলেন, তাহলে আশ্চর্য্য হওয়ার কিছু থাকবে না। আমি আপাতত বাংলাদেশ এবং মায়ানমার ম্যাচ নিয়েই সবথেকে বেশি চিন্তিত। চিনের এই ফুটবল দল খুব বেশিদিন খেলা শুরু করেনি। ওরা ভারতের বিরুদ্ধে ৪-৪-২ ছকে খেলতে নামবে। ওরা যথেষ্টই কঠিন দল হতে পারে, কিন্তু আমরা এই ম্যাচে নিজেদের সম্পূর্ণ শক্তি অপচয় করব না।’

    কবে কাদের সঙ্গে খেলা

    আগামী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এবং পরের রবিবার মায়ানমারের বিরুদ্ধে ভারত খেলতে নামবে। আসন্ন এশিয়ান গেমস জন্য তাঁর হাতে ফুটবলারদের যে চূড়ান্ত তালিকা এসেছে, তা নিয়েও খুব একটা খুশি নন স্টিম্যাচ। তিনি স্পষ্টই জানিয়ে দিলেন যে দলের সেন্ট্রাল মিডফিল্ড এবং ফুল ব্যাক ডিপার্টমেন্টে যথেষ্ট দুর্বলতা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: এশিয়া চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর! ম্যাচ সেরার পুরস্কার কাকে দিলেন সিরাজ?

    ভারতীয় ফুটবল দল: গুরমিত সিং, ধীরাজ সিং মৈরাংথেম, সুমিত রাঠি, নরেন্দ্র গেহলট, দীপক ট্যাংরি, অমরজিৎ সিং কিয়াম, স্যামুয়েল জেমস, রাহুল কেপি, আবদুল রাবিহ আঞ্জুকান্দান, আয়ুষ দেব ছেত্রী, ব্রাইস মিরান্ডা, আজফার নুরানি, রহিম আলি, ভিঞ্চি বারেতো, সুনীল ছেত্রী, রোহিত দানু, গুরকিরাত সিং, অনিকেত যাদব।

    সরাসরি দেখবেন: এশিয়ান গেমসের সব খেলা সম্প্রচার করা হবে সোনি স্পোর্টস নেটওয়ার্কে। সরাসরি টিভিতে দেখতে পাবেন সোনির স্পোর্টস চ্যানেলে (সোনি স্পোর্টস ১, সোনি স্পোর্টস ২, সোনি স্পোর্টস ৩, সোনি স্পোর্টস ৪, সোনি স্পোর্টস ৫)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asian Games 2023: মিলল কেন্দ্রের ছাড়পত্র! এশিয়ান গেমস খেলবেন সুনীলরা

    Asian Games 2023: মিলল কেন্দ্রের ছাড়পত্র! এশিয়ান গেমস খেলবেন সুনীলরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) ভারতের পুরুষ ও মহিলা দলের অংশগ্রহণের জন্য সবুজ সংকেত দিল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর ট্যুইট করে এ কথা ঘোষণা করেছেন। ফলে ভারতের পুরুষ ও মহিলা দল এবার এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করতে পারবে। স্বাভাবিক ভাবেই খুশির হাওয়া ভারতের ফুটবল মহলে।

    অনুরাগের ট্যুইট-বার্তা

    বুধবার, অনুরাগ ঠাকুর ট্যুইটে লেখেন, ‘আমাদের ফুটবল দল, পুরুষ ও মহিলা উভয়ই এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করবে। দেশের ক্রীড়ামন্ত্রক সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দলের এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণের জন্য নিয়ম শিথিল করা হবে। পুরনো নিয়ম অনুযায়ী, দুই দল এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কিন্তু সেটা শিথিল করা হচ্ছে। বর্তমান সময়ে তাদের পারফরম্যান্স দেখে মন্ত্রক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে। আমি নিশ্চিত দল এবার নিজেদের সেরাটা দিয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করবে।’

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে স্টাম্প ভাঙার শাস্তি! দুই ম্যাচ নির্বাসিত হরমনপ্রীত

    বিশেষ অনুমতি

    সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের আবেদনের ভিত্তিতে বিশেষ অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক। পরপর তিনটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সুনীলের দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় কেন্দ্র এশিয়ান গেমসে দল পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের নীতি অনুযায়ী, কোনও দলগত খেলায় এশীয় ক্রমতালিকায় প্রথম আটে থাকলে তবেই দল পাঠানো হয়। অর্থাৎ, বিবেচনা করা হয় পদক পাওয়ার সম্ভাবনা কতটা। সেই নিরিখে ফুটবল দলের এশিয়ান গেমসের ছাড়পত্র পাওয়ার কথা ছিল না। কারণ এশীয় ক্রমতালিকায় সুনীলেরা রয়েছেন ১৯ নম্বরে। এই নিয়মের অবশ্য ব্যতিক্রম রয়েছে। নির্দিষ্ট কোনও খেলার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ভাল হলে সংশ্লিষ্ট খেলার বিশেষজ্ঞ এবং স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ চায় কেন্দ্র। তার ভিত্তিতে বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SAAF Championship 2023: সাফ কাপ জিতে নিজের রাজ্য মণিপুরের জন্য শান্তির প্রার্থনা জিকসনের

    SAAF Championship 2023: সাফ কাপ জিতে নিজের রাজ্য মণিপুরের জন্য শান্তির প্রার্থনা জিকসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাফ কাপ (SAFF championships) জিতে মণিপুরের পতাকা জড়িয়ে পদক নেওয়ায় বিতর্কে জড়ালেন ভারতীয় ফুটবলার জিকসন সিং। ফাইনালের পর তখন ভারতীয় ফুটবলাররা পদক গ্রহণ করছেন। জিকসনকে দেখা গেল জার্সির ওপর একটা রঙিন পতাকা জড়িয়ে নিয়েছেন। যা অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করল। পরে জিকসন জানান, ওটা মণিপুরের পতাকা। যা তিনি জার্সির ওপর পরেছেন রাজ্যে শান্তি ফেরানোর প্রত্যাশায়। কঠিন সময় সংহতির বার্তা দিয়ে। জিকসন বলেন, ‘এটা আমার মণিপুরের পতাকা। আমি ভারতের এবং মণিপুরের সকলকে বলতে চাই, লড়াই নয়। শান্তি চাই। আমি শান্তি চাই।’  

    ভারতীয় ফুটবলে সাপ্লাই লাইন মণিপুর

    কুয়েতকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ (SAFF championships) জিতে ট্রফি জয়ের হ্যাটট্রিক করেছে ভারতীয় ফুটবলাররা। সাফ জয়ী ভারতীয় দলের অন্যতম তিন সদস্য জিকসন সিং (Jeakson Singh), মহেশ সিং (Naorem Mahesh Singh) ও উদান্তা সিং (Udanta Singh) মণিপুরের বাসিন্দা। গত ২ মাস ধরে হিংসায় জ্বলছে মণিপুর। মেইতেই ও কুকিদের জাতিদাঙ্গায় উত্তাল হয়ে আছে উত্তরপূর্বের এই রাজ্য। এই অশান্তিতে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ১২০ জন মানুষ। আহত ৩ হাজারের উপর। ঘরছাড়া লক্ষাধিক। 

    আরও পড়ুন: সাডেন ডেথে কুয়েতকে হারিয়ে সাফ কাপ চ্যাম্পিয়ন ভারত

    শান্তির বার্তা দেওয়াই উদ্দেশ্য

    জাতীয় পতাকার বদলে বিশেষ জনগোষ্ঠীর পতাকা গায়ে দেওয়া নিয়ে সমালোচনার মুখেও পড়েছেন জিকসন। কিন্তু তাঁর দাবি, কারও ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল না। বরং গত দু’মাস ধরে মণিপুরে যে হিংসা চলছে, তা নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর বেঙ্গালুরুর মাঠে মেইতেই পতাকা নিয়ে পদক নিতে যান। 

    মঙ্গলবার ম্যাচের পর মিক্সড জোনে জিকসন বলেন, ‘এটা আমার মণিপুরি পতাকা ছিল। আমি মণিপুর এবং পুরো ভারতকে স্রেফ এটা বলতে চাইছিলাম শান্তি বজায় রাখতে হবে এবং মণিপুরকে বাঁচাতে হবে। আমি শান্তির পক্ষে সওয়াল করছি। দু’মাস কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও লড়াই চলছে। শান্তি ফিরিয়ে আনতে আমি স্রেফ সরকার এবং বাকি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছিলাম। (আমার) পরিবার সুরক্ষিত আছে। কিন্তু প্রচুর পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, নিজেদের ভিটেমাটি হারিয়েছে।’

    পরে গভীর রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় জ্যাকসন লেখেন, ‘প্রিয় সমর্থকরা, এই পতাকা নিয়ে (সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ) জয়ের উচ্ছ্বাস প্রকাশ আমি কারও ভাবাবেগে করতে চাইনি। আমার রাজ্য মণিপুরে এখন যে পরিস্থিতি চলছে, তা নিয়ে (সকলের) দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছিলাম। এই জয়টা প্রত্যেক ভারতীয়কে উৎসর্গ করছি।’ সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি আশা করছি যে আমার রাজ্য মণিপুরে শান্তি ফিরে আসবে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share