Tag: Indian Ocean

Indian Ocean

  • India Indonesia Relationship: চিনের ‘মুক্তোর মালা’ কৌশলের পাল্টা জবাব? ইন্দোনেশিয়ার সাবাং বন্দর ঘিরে ভারতের নতুন কৌশল, বাড়ছে দিল্লির সামুদ্রিক শক্তি

    India Indonesia Relationship: চিনের ‘মুক্তোর মালা’ কৌশলের পাল্টা জবাব? ইন্দোনেশিয়ার সাবাং বন্দর ঘিরে ভারতের নতুন কৌশল, বাড়ছে দিল্লির সামুদ্রিক শক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত মহাসাগরকে ঘিরে গত কয়েক দশক ধরে ক্রমশ বেড়েছে চিন এবং ভারতের মধ্যে কৌশলগত প্রতিযোগিতা। একদিকে চিন বিভিন্ন দেশে বন্দর নির্মাণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করে নিজের প্রভাব বিস্তার করেছে, অন্যদিকে ভারতও ধাপে ধাপে নিজের সামুদ্রিক অবস্থান শক্তিশালী করার পথে এগিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইন্দোনেশিয়ার সাবাং বন্দরকে ঘিরে ভারত- ইন্দোনেশিয়া সহযোগিতা (India Indonesia Relationship) নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলের নজর কেড়েছে।

    সাবাং বন্দর (Sabang Port)

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সাবাং বন্দর (Sabang Port) শুধু একটি বন্দর নয়, বরং ভারত মহাসাগর ও পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যদিও এটি ভারতের কোনও সামরিক ঘাঁটি নয়, তবুও এর ভৌগোলিক অবস্থান ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    কী এই ‘মুক্তোর মালা’ কৌশল?

    আন্তর্জাতিক কৌশলগত মহলে ‘মুক্তোর মালা’ নামে পরিচিত একটি ধারণা রয়েছে। এই ধারণা অনুযায়ী, চিন ভারত মহাসাগর অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে বন্দর, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অন্যান্য পরিকাঠামো গড়ে তুলে একটি বিস্তৃত সামুদ্রিক নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। পাকিস্তানের গওয়াদর বন্দর, শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দর, মিয়ানমারের কিয়াউকফিউ, আফ্রিকার জিবুতিতে নৌ-সুবিধা, সব মিলিয়ে চিন তার উপস্থিতি ক্রমশ বাড়িয়েছে। বেইজিংয়ের দাবি, এগুলি মূলত বাণিজ্যিক প্রকল্প। তবে বহু আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক মনে করেন, এই পরিকাঠামো ভবিষ্যতে কৌশলগত সুবিধাও দিতে পারে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ সাবাং বন্দর?

    সাবাং বন্দর (Sabang Port) ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের ওয়েহ দ্বীপে অবস্থিত। এর সবচেয়ে বড় গুরুত্ব হল, এটি মালাক্কা প্রণালীর প্রবেশমুখের খুব কাছাকাছি। মালাক্কা প্রণালী বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সমুদ্রপথ। পশ্চিম এশিয়া থেকে পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপের সঙ্গে এশিয়ার বাণিজ্যের বড় অংশ এই পথ দিয়েই হয়। প্রতিদিন অসংখ্য পণ্যবাহী ও তেলবাহী জাহাজ এই প্রণালী ব্যবহার করে। এই কারণেই সাবাং বন্দরের অবস্থান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

    ভারত-ইন্দোনেশিয়া সহযোগিতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

    ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইন্দোনেশিয়া সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে সাবাং বন্দর (Sabang Port) নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা হয়। এরপর থেকে সামুদ্রিক সহযোগিতা আরও জোরদার হয়েছে। এই সহযোগিতার আওতায় বন্দর উন্নয়ন, জাহাজের জন্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা, দুর্যোগ মোকাবিলা, মানবিক সহায়তা এবং সমুদ্র নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সহযোগিতা ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার সম্পর্ককে (India Indonesia Relationship) নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

    ভারতের কী লাভ?

    সাবাং বন্দরের (Sabang Port) অবস্থান ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের তুলনামূলক কাছাকাছি। ফলে এই অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত সমন্বয় আরও শক্তিশালী হতে পারে। ভারতীয় জাহাজ প্রয়োজনে সেখানে পরিষেবা পেতে পারে। পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলা, উদ্ধার অভিযান এবং সমুদ্রপথে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ভারত মহাসাগরে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলির সঙ্গে এমন সহযোগিতা ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করে।

    ভারতের অবস্থান

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত শুধু স্থল সীমান্ত নয়, সমুদ্র নিরাপত্তার উপরও বিশেষ জোর দিয়েছে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে পরিকাঠামো উন্নয়ন, নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, একাধিক দেশের সঙ্গে যৌথ নৌ-মহড়া এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সহযোগিতা, সব মিলিয়ে ভারত ধাপে ধাপে নিজের উপস্থিতি বাড়িয়েছে। জাপান, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সামুদ্রিক সহযোগিতাও আগের তুলনায় অনেক বেশি বেড়েছে।

    চিনের সরাসরি জবাব?

    এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ভিন্ন মত রয়েছে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, সাবাং বন্দরকে (Sabang Port) ঘিরে ভারত-ইন্দোনেশিয়ার সহযোগিতা চিনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতির প্রেক্ষাপটে ভারতের কৌশলগত অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে। তবে অন্য বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, সাবাং কোনও ভারতীয় সামরিক ঘাঁটি নয় এবং এর নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ ইন্দোনেশিয়ার হাতেই।

    কেন বাড়ছে ভারতের গুরুত্ব?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত এখন এমন একটি কৌশল অনুসরণ করছে, যেখানে প্রতিবেশী ও অংশীদার দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতা বাড়িয়ে সমুদ্র নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। সাবাং বন্দর সেই বৃহত্তর উদ্যোগেরই একটি অংশ। ভারত মহাসাগরে নিরাপদ বাণিজ্য, দুর্যোগ মোকাবিলা, মানবিক সহায়তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো বিষয়েও ভারত সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। ফলে এই অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব ধীরে ধীরে বাড়ছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন।

    পারস্পরিক আস্থা ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক

    সাবাং বন্দরকে ঘিরে ভারত-ইন্দোনেশিয়ার (India Indonesia Relationship) সহযোগিতা শুধু একটি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প নয়; এটি দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সম্পর্কেরও প্রতীক। এটি ভারতের সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তায় আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করতে পারে। তবে এটিকে চিনের বিরুদ্ধে সরাসরি পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে নয়, বরং ভারতের বৃহত্তর সামুদ্রিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখাই তথ্যভিত্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ মূল্যায়ন।

  • PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শনিবার সেশেলসে পৌঁছেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেশেলসের (Seychelles) প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে রাজধানী ভিক্টোরিয়ার ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেন পরিদর্শন করেন তিনি।

    ‘জোনাথন’কে খাওয়ালেন নিজে হাতে (PM Modi)

    সেখানে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের প্রবীণতম জীবিত স্থলচরপ্রাণী হিসেবে স্বীকৃত ১৯৪ বছর বয়সী বিশালাকার কচ্ছপ ‘জোনাথন’-সহ একাধিক দৈত্যাকার কচ্ছপকে নিজের হাতে খাবার খাওয়ান। এই মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বোটানিক্যাল গার্ডেন সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট হারমিনি একটি স্মারক চারা গাছও রোপণ করেন। উদ্যানের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সেখানকার বিরল উদ্ভিদ ও প্রাণিজগত সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। শনিবার বিকেলে সেশেলসের রাজধানী ভিক্টোরিয়ায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। দ্বীপরাষ্ট্রটির স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছিল সেশেলস। ভারত-সেশেলসের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্কের নিদর্শন হিসেবে প্রেসিডেন্ট হারমিনি নিজে মন্ত্রিসভার সদস্য ও শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বিমানবন্দরে মোদির অভ্যর্থনায় ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিশেষ আকর্ষণ ছিল গুজরাটের কচ্ছ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনা। এই সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার প্রশংসা করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “অসাধারণ সাংস্কৃতিক যোগসূত্র! সেশেলস বিমানবন্দরে কচ্ছের নৃত্য পরিবেশিত হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতিকে যেভাবে প্রবাসী ভারতীয়রা সংরক্ষণ ও উদ্‌যাপন করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।” উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য প্রবাসী ভারতীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন (Seychelles) প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “সেশেলসে পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞ। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সেশেলস ভারতের এক গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অংশীদার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন (PM Modi) উচ্চতায় পৌঁছবে বলেই আশা করছি।” পরে প্রেসিডেন্ট হারমিনির সঙ্গে বোটানিক্যাল গার্ডেনে যাওয়ার পথে তোলা একটি (Seychelles) ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে সেশেলস ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেনের পথে (PM Modi)।”

     

  • PM Modi: মোদির সফরে নয়া মাত্রা পাবে ভারত-সেশেলস সম্পর্ক, পর্যটন-সামুদ্রিক নিরাপত্তায় একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    PM Modi: মোদির সফরে নয়া মাত্রা পাবে ভারত-সেশেলস সম্পর্ক, পর্যটন-সামুদ্রিক নিরাপত্তায় একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে পূর্ব আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সেশেলসে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর দুদিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরকে ঘিরে আশাবাদী পূর্ব আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সেশেলস। দেশটির বিদেশমন্ত্রী ব্যারি ফাউরে (Barry Faure) জানিয়েছেন, এই (Cyber Security Pacts) সফরের মাধ্যমে ভারত ও সেশেলসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং পর্যটন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, মহাকাশ, সাইবার নিরাপত্তা ও আইনি সহযোগিতা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সেশেলসের বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    ২৭ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেশেলসের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির (Patrick Herminie) আমন্ত্রণে তিনি সে দেশের জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফাউরে বলেন, “বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলেই আশা। শুধু সামুদ্রিক নিরাপত্তাই নয়, মহাকাশ সহযোগিতা, সাইবার নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক আইনি সাহায্যের মতো নতুন ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।” তিনি জানান, ভারত ও সেশেলসের মধ্যে বাণিজ্য এবং পর্যটনের ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। সেশেলসের প্রাকৃতিক সম্পদ ও রফতানি সক্ষমতা যেমন ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভারতের বিশাল পর্যটন বাজার ও ভোক্তা অর্থনীতিও সেশেলসের জন্য নয়া সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে (PM Modi)।

    মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা

    পর্যটনকে সেশেলসের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি উল্লেখ করে ফাউরে জানান, দেশটির মোট ডিডিপির(GDP) প্রায় ৩০ শতাংশই পর্যটন শিল্প থেকে আসে। বর্তমানে ভারতের মুম্বই থেকে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট চালাচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে দিল্লি-সহ ভারতের আরও বিভিন্ন শহর থেকে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর বিষয়েও আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাবের কারণে তাঁর এই সফর সেশেলসকে বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে আরও বেশি পরিচিত করে তুলবে। আমরা আশা করছি, ভারত থেকে পর্যটকের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে (PM Modi)।”

    বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতার অন্যতম কেন্দ্র

    সেশেলসের বিদেশমন্ত্রী জানান, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণ চালুর বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির ভারত সফরের সময় এই উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল। এই যোগাযোগ চালু হলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও সহজ ও গতিশীল হবে বলেই আশা সংশ্লিষ্টমহলের (Cyber Security Pacts)। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান কৌশলগত পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ফাউরে জানান, এই অঞ্চল এখন বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতার অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। প্রত্যাশিতভাবেই জলদস্যুদের উপদ্রব এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকিও ক্রমশ বাড়ছে।

    জলদস্যুদের উপদ্রব

    তিনি বলেন, “অতীতে আমরা জলদস্যুদের উপদ্রবের জেরে ব্যাপক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি। এখনও হরমুজ প্রণালী, ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরের বিভিন্ন ঘটনাবলি সরাসরি সেশেলসের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ভারত-সেশেলসের মধ্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভারত (PM Modi) মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, পর্যটন, সংযোগ ব্যবস্থা এবং (Cyber Security Pacts) সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দুই দেশের অংশীদারিত্ব পৌঁছতে পারে নয়া উচ্চতায়।

     

  • PM Modi: “ইহুদি সম্প্রদায় ভারতীয় সমাজে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশগ্রহণ করেছে”, ইজরায়েলের সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ইহুদি সম্প্রদায় ভারতীয় সমাজে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশগ্রহণ করেছে”, ইজরায়েলের সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতে নির্যাতন বা বৈষম্যের ভয় ছাড়াই বসবাস করেছে ইহুদি সম্প্রদায়।” বুধবার এমনই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “ইহুদি সম্প্রদায়, নিজেদের ধর্মবিশ্বাস সংরক্ষণ করেছে এবং সমাজে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশগ্রহণ করেছে, এবং এই ইতিহাস আমাদের গর্বের উৎস।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    ইজরায়েলি পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ ভাষণ দিতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতে ইজরায়েলের দৃঢ়তা, সাহস এবং সাফল্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে।” তিনি বলেন, “আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে আমরা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের বহু আগেই, দু হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো বন্ধনে আমরা যুক্ত ছিলাম। ‘বুক অফ এসথার’-এ (বাইবেলের ‘এস্থার পুস্তক’। হিব্রু বাইবেল এবং ওল্ড টেস্টামেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ বই)  ভারতের উল্লেখ রয়েছে ‘হোদু’ নামে। তালমুদে প্রাচীনকালে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের বিবরণ আছে। ইহুদি বণিকেরা ভূমধ্যসাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা সমুদ্রপথে যাতায়াত করতেন। তাঁরা সুযোগ ও মর্যাদার সন্ধানে এসেছিলেন। আর ভারতে এসে তাঁরা আমাদেরই একজন হয়ে গিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “ইহুদি সম্প্রদায় ভারতে নির্যাতন বা বৈষম্যের ভয় ছাড়াই বসবাস করেছে। তারা নিজেদের ধর্মবিশ্বাস রক্ষা করেছে এবং সমাজ গঠনে পূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করেছে। এই ইতিহাস আমাদের গর্বের বিষয় (PM Modi)।”

    ইহুদিদের অবদান

    প্রধানমন্ত্রী জানান, মহারাষ্ট্রের বেনে ইজরায়েল, কেরলের কোচিনি ইহুদি, কলকাতা ও মুম্বইয়ের বাগদাদি ইহুদি এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বনে মেনাশে—এঁরা সবাই ভারতের সমৃদ্ধিতে অবদান রেখেছেন (India Israel Link)। তিনি বলেন, “আমার নিজ রাজ্য গুজরাটে বেনে ইজরায়েলি এক পরিবার—মিস্টার ও মিসেস বেস্ট—একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এটি একটি চমৎকার বিদ্যালয়, এবং অবশ্যই এর নাম ‘বেস্ট স্কুল’!” প্রধানমন্ত্রী জানান, এডউইন মায়ার্স ভারতের ফিল্মস ডিভিশনকে রূপ দিয়েছিলেন এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তিনি ছিলেন এক বিশাল ব্যক্তিত্ব। ডক্টর রিউবেন ডেভিড ছিলেন আহমেদাবাদের কঙ্কারিয়া চিড়িয়াখানার প্রতিষ্ঠাতা। অভিনেতা ডেভিড আব্রাহাম চেউলকর, যিনি ‘আঙ্কল ডেভিড’ নামে পরিচিত, সারা দেশে এক পরিচিত নাম হয়ে ওঠেন। ওয়াল্টার কাউফম্যান অল ইন্ডিয়া রেডিওর স্বাক্ষর সুর রচনা করেন। ডেভিড সাসুন বহু প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন, যা আজও ভারতীয় সমাজকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে (PM Modi)।

    প্রাণবন্ত ইহুদি সম্প্রদায়

    তিনি বলেন, “১৯৭১ সালের পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেএফআর জেকবের বীরত্বপূর্ণ অবদান সুপরিচিত। অবসর গ্রহণের পর তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। বহু কাপ চায়ের আড্ডায় আমরা ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ক-সহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আরও অগণিত ব্যক্তি আছেন, যাঁদের অবদান ভারতের (PM Modi) সমৃদ্ধ জীবনবুননে গাঁথা রয়েছে (India Israel Link)।” প্রধানমন্ত্রী জানান, বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বহু ভারতীয় ইহুদি ইজরায়েলে পাড়ি জমান। তিনি বলেন, “আজ এখানে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক প্রাণবন্ত ইহুদি সম্প্রদায় বাস করছে। তাঁরা আধুনিক ইজরায়েল গঠনে—গবেষণাগার ও হাসপাতাল, শ্রেণিকক্ষ এবং যুদ্ধক্ষেত্র—সব জায়গায় অবদান রেখেছেন। তাঁরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, ইজরায়েল তাঁদের পিতৃভূমি, ভারত তাদের মাতৃভূমি। আমরা তাঁদের নিয়ে গর্বিত।”

    ইজরায়েল-ভারত সম্পর্ক

    তিনি (PM Modi) বলেন, “এই ভূমির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক রক্ত ও আত্মত্যাগেও লেখা আছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এই অঞ্চলে চার হাজারেরও বেশি ভারতীয় সৈনিক প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন। ১৯১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হাইফায় অশ্বারোহী বাহিনীর আক্রমণ সামরিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় (India Israel Link)।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মেজর ঠাকুর দলপত সিং, যিনি ‘হাইফার নায়ক’ হিসেবে স্মরণীয়, এই যৌথ ইতিহাসের প্রতীক।” তিনি এও বলেন, “আমার শেষ সফরে ভারতীয় সৈনিকদের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে পেরে আমি গভীরভাবে আবেগাপ্লুত হয়েছিলাম।”

    হলোকাস্ট

    প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গত মাসে আন্তর্জাতিক হলোকাস্ট স্মরণ দিবস পালন করেছে বিশ্ব। তিনি বলেন, “হলোকাস্ট মানব ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়গুলির একটি। তবু সেই অস্থির সময়েও মানবতার কিছু উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখা গিয়েছিল। গুজরাটের নওয়ানগড়ের মহারাজা, যিনি জাম সাহেব নামেও পরিচিত, পোলিশ শিশুদের, যাদের মধ্যে ইহুদি শিশুরাও ছিল, আশ্রয় দিয়েছিলেন, যখন তাদের যাওয়ার আর কোথাও ছিল না। আমি জেনেছি, সম্প্রতি মোশাভ নেভাতিমে জাম সাহেবের একটি মূর্তি উন্মোচন করা হয়েছে (India Israel Link)। এই সম্মান ও স্মরণার্থে আপনাদের ধন্যবাদ (PM Modi)।”

  • India Secures Colombo Dockyard: শ্রীলঙ্কার বন্দর হস্তগত ভারতের, এবার ড্রাগনের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে হাতি!

    India Secures Colombo Dockyard: শ্রীলঙ্কার বন্দর হস্তগত ভারতের, এবার ড্রাগনের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে হাতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বাধীন চিনের আধিপত্য বিস্তারের স্বপ্নে জল ঢেলে দিল নরেন্দ্র মোদির ভারত! শ্রীলঙ্কার বৃহত্তম জাহাজ কারখানা কলম্বো ডকইয়ার্ড (India Secures Colombo Dockyard) পিএলসি-র ৫১ শতাংশ শেয়ার কিনে নিতে চলেছে নয়াদিল্লি। এজন্য খরচ হবে ৪৫৫ কোটি টাকা। ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা জাহাজ নির্মাতা সংস্থা মাঝগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড এটি অধিগ্রহণ করেছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটি ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত অগ্রগতির অংশ। শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা (Hambantota) বন্দর লিজ নিয়েছিল চিন। এবার তার পাশেই কলম্বো ডকইয়ার্ড পিএলসি-র ৫১ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়ে ড্রাগনকে টক্কর দিল হাতি। এর ফলে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় বেজিং একটি বড় ধাক্কা খেল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    কলম্বো ডকইয়ার্ড (India Secures Colombo Dockyard)

    কলম্বো ডকইয়ার্ডটি কলম্বো বন্দরের পাশেই। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত আন্তর্জাতিক শিপিং রুট থেকে মাত্রই ১০ নটিক্যাল মাইল দূরে। এই শেয়ারগুলি জাপানি সংস্থা অনোমিচি ডক ইয়ার্ড থেকে কেনা হচ্ছে। কারণ জাপান থেকে আর্থিক সাহায্য না পাওয়ায় ভারতের সাহায্য চায় শ্রীলঙ্কা। কলম্বোর এই ডক ইয়ার্ড অধিগ্রহণ মাঝগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেডের প্রথম বিদেশি বিনিয়োগ এবং এর মাধ্যমে কলম্বো ডক ইয়ার্ড এখন মুম্বইভিত্তিক এই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের একটি সহায়ক সংস্থায় রূপান্তরিত হচ্ছে। মাস ছয়েকের মধ্যে এই লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার কথা। এটি ভারতকে এনে দেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও বাণিজ্যিক সুবিধা। এটি এমন একটি অঞ্চল যেখান দিয়ে বিশ্ব বাণিজ্যের এক তৃতীয়াংশ ও চিনের তেল আমদানির ৮০ শতাংশ পরিবাহিত হয়।

    মিলবে একাধিক সুবিধা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তিটি শুধুমাত্র চিন-পরিচালিত হাম্বানটোটা বন্দরের কাছাকাছি ভারতের উপস্থিতি নিশ্চিত করে না, বরং মাঝগাঁও ডকের কার্যকলাপের পরিসরও বিস্তৃত করে (India Secures Colombo Dockyard)। এই অধিগ্রহণের অংশ হিসেবে মাঝগাঁও ডক হাম্বানটোটা আন্তর্জাতিক বন্দরে (যেটি চায়না মার্চেন্টস পোর্টস গ্রুপ পরিচালনা করে) কলম্বো ডকইয়ার্ড কর্তৃক নির্মিত একটি পূর্ণাঙ্গ টেকনোলজিক্যাল ওয়ার্কশপে প্রবেশাধিকার পাবে। এই ওয়ার্কশপটি সমুদ্রপথে থাকা জাহাজগুলোর জন্য দ্রুত ও দক্ষ মেরামত পরিষেবা সরবরাহ নিশ্চিত করবে, যার ফলে বৈশ্বিক সমুদ্র পথ ব্যবহারকারীদের দক্ষতা ও অর্থনৈতিক সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।

    অর্ধ শতাব্দী পুরানো

    কলম্বো ডকইয়ার্ড ৫০ বছরেরও বেশি পুরানো। এই ডকইয়ার্ড ভারত, জাপান, নরওয়ে, ফ্রান্স, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশের কাছে বিভিন্ন ধরণের ট্যাংকার ও টহলদারি নৌকা তৈরি ও রফতানি করেছে। চারটি ড্রাইডক এবং ২৫০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বর্তমান অর্ডার বুক-সহ এই শিপইয়ার্ডটি মাঝাগাঁও ডকের নেতৃত্বে দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত কেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে (Hambantota)।

    ভারতের কৌশলগত পদক্ষেপ

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অধিগ্রহণ ভারত সরকারের বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক মহাসাগরীয় উদ্যোগের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ, যার লক্ষ্য হল আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব ও পরিকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে চিনা প্রভাবের পাল্টা ভারসাম্য গড়ে তোলা (India Secures Colombo Dockyard)। এটি এই অঞ্চলে ভারতের অন্যান্য বিনিয়োগের পরিপূরক, বিশেষ করে কলম্বো বন্দরের একটি টার্মিনালে আদানি পোর্টসের অংশীদারিত্ব, যা ভারত মহাসাগরে ভারতের উপস্থিতিকে শক্তিশালী করে তুলছে।

    ভারত মহাসাগরে ভারতের কর্তৃত্ব

    কৌশলগতভাবে কলম্বো ডকইয়ার্ডের অবস্থান ভারতীয় নৌবাহিনীর রসদ ও সরবরাহ চেইনের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। এটি জাহাজ এবং নৌবহর সহায়ক জাহাজের মতো উন্নত নৌযান নির্মাণে সক্ষম হওয়ায়, ভারতের সামুদ্রিক ক্ষমতা সমগ্র ভারত মহাসাগরে আরও প্রসারিত হচ্ছে। যখন কলম্বো ডকইয়ার্ড একটি ভারত-নিয়ন্ত্রিত সংস্থা হিসেবে শ্রীলঙ্কার স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হবে, তখন নয়াদিল্লি কেবলমাত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সম্পদই সুরক্ষিত করবে না, ভারত মহাসাগর অঞ্চলে চিনের আধিপত্যকেও চ্যালেঞ্জ করবে (India Secures Colombo Dockyard)।

    হাম্বানটোটা বন্দর

    প্রসঙ্গত, হাম্বানটোটা (Hambantota) আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর। কলম্বোর পরে এটিই ভারত মহাসাগর দিয়ে ঘেরা দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর। বন্দরটি চালু হয়েছিল ২০১০ সালে। এই বন্দরের আন্তর্জাতিক গুরুত্ব নিয়ে তখন জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। কারণ বন্দরটি ৯৯ বছরের জন্য লিজ নিয়েছে চিন। মলাক্কা প্রণালী ও সুয়েজ খাল সংযোগকারী সমুদ্রপথের ওপর অবস্থিত শ্রীলঙ্কা। ফি বছর এই সাগরপথ ব্যবহার করে প্রায় ৩৬ হাজার জাহাজ এবং সাড়ে চার হাজার তেলের ট্যাঙ্কার। তাই এশিয়া এবং ইউরোপের বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কার গুরুত্ব অপরিসীম।

    তবে হাম্বানটোটা বন্দরটি লাভজনক না হওয়ায় শ্রীলঙ্কার রনিল বিক্রমসিংহের সরকার দেশের অর্থনৈতিক ভান্ডারে বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধি করার তাগিদে এই বন্দরটি বেসরকারিকরণের সিদ্ধান্ত নেয়। চিনের একটি সংস্থাকে ১১২ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয় (Hambantota)। কলম্বো ডক ইয়ার্ডের রাশ হাতে নিয়ে এবার চিনের ঘাড়েই নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করল নরেন্দ্র মোদির ভারত (India Secures Colombo Dockyard)।

  • Deep Sea Research Vessel: জাহাজ নির্মাণে গার্ডেনরিচ, সমুদ্রতলে লুকিয়ে থাকা রহস্যের সন্ধানে ভারত

    Deep Sea Research Vessel: জাহাজ নির্মাণে গার্ডেনরিচ, সমুদ্রতলে লুকিয়ে থাকা রহস্যের সন্ধানে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত মহাসাগরের অতলে লুকিয়ে রয়েছে রত্নভাণ্ডার (Oceans Mysteries)। এর মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিরল খনিজ এবং ধাতুও। সমুদ্রের বুক চিরে সেই রত্নের খোঁজ দিতে তৈরি হচ্ছে ভারতের বৃহত্তম ডিপ সি রিসার্চ ভেসেল (Deep Sea Research Vessel)। সমুদ্রের অতলে গবেষণা চালাবে এই জাহাজ। জাহাজটি তৈরি করছে রাষ্ট্রায়ত্ত যুদ্ধজাহাজ নির্মাণকারী সংস্থা কলকাতার গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়র্স (GRSE)। গোয়া-ভিত্তিক একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় তৈরি করা হবে অতিকায় এই জাহাজটি। বৃহস্পতিবার জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাহাজটি দৈর্ঘ্যে ৮৯.৫ মিটার। ভারতীয় শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত যত ধরনের ভেসেল বানিয়েছে, তার মধ্যে এটিই হবে বৃহত্তম। ভারত মহাসাগরের গভীরে অনুসন্ধান কার্য চালাবে ভারতীয় এই জাহাজটি।

    ‘ডিপ ওশেন মিশন’ (Deep Sea Research Vessel)

    গোয়ার ন্যাশনাল সেন্টার ফর পোলার অ্যান্ড ওশেন রিসার্চের তরফে জানানো হয়েছে, ভেসেলটি মোতায়েন করা হবে নিবিড় বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান কার্যে। সমুদ্রের অতল থেকে তুলে আনবে নমুনা। আর্থ সায়েন্স মন্ত্রকের ‘ডিপ ওশেন মিশনে’ তৈরি করা হচ্ছে এই জাহাজ। ভেসেলটি হবে সর্বংসহা। নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারবে দক্ষতার সঙ্গে। জাহাজটিতে এক সঙ্গে থাকতে পারবেন ৩৪ জন বৈজ্ঞানিক। ভারতের হয়ে এটি কাজ করবে আগামী তিরিশ বছর (Deep Sea Research Vessel)।

    খরচের বহর

    ভেসেলটি তৈরি করা হবে ৩৬ মাসের মধ্যে। খরচ ধরা হয়েছে ৮৩৯.৫৫ কোটি টাকা। ‘আত্মনির্ভর ভারত’ প্রকল্পেই তৈরি হচ্ছে জাহাজটি। জাহাজটির সর্বোচ্চ গতি হবে ১৪ নটিক্যাল কিলোমিটার। জাহাজের মধ্যেই থাকবে সর্বাধুনিক গবেষণাগার, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি এবং হেভি-ডিউটি ডেক মেশিনারি। জাহাজটি তৈরিতে মেনে চলা হবে ইন্ডিয়ান রেজিস্টার অফ শিপিং এবং আমেরিকান ব্যুরো অফ শিপিংয়ের মানদণ্ড। এমএআরপিওএল মান পূরণ করতে জাহাজটিতে থাকবে বিভিন্ন সমুদ্র প্রোফাইলার, সমুদ্রতলের স্যাম্পলার এবং অনবোর্ড অ্যানালিটিক্যাল সিস্টেম।

    আরও পড়ুন: সেই তৃণমূলের ‘দাদাগিরি’, বন্ধ হয়ে গেল জুনপুটে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের কাজও!

    জাহাজটি কেবল গভীর মহাসাগরে অভিযান চালাতে সক্ষম হবে না, দক্ষিণ মহাসাগরের গবেষণায়ও যাত্রা করতে পারবে। এনসিপিও-র পরিচালক থামবান মেলোথ বলেন, “জাহাজটি গভীর সমুদ্রে খনিজ ও বিরল ধাতু অনুসন্ধানের কাজ করবে। সমুদ্রে ধাতু অনুসন্ধানের জন্য সরকার গভীর (Oceans Mysteries) সমুদ্র মিশনের অধীনে জাহাজটি নির্মাণে অর্থায়ন করেছে (Deep Sea Research Vessel)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bound Oil Tanker: এবার লোহিত সাগরে ভারতীয় তেলের ট্যাঙ্কারে ড্রোন হানা, নেপথ্যে হুথি?

    India Bound Oil Tanker: এবার লোহিত সাগরে ভারতীয় তেলের ট্যাঙ্কারে ড্রোন হানা, নেপথ্যে হুথি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারের পর এবার রবিবার। ভারত মহাসাগরের পর এবার লোহিত সাগর। রবিবার ভারতের দিকে আসা অপরিশোধিত একটি তেলের ট্যাঙ্কার (India Bound Oil Tanker) লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাল ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি। ট্যাঙ্কারটি যখন লোহিত সাগরে ছিল, ঘটনাটি ঘটে তখন। রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে এ কথা জানিয়েছে আমেরিকা। ‘সাইবাবা’ নামের ওই ট্যাঙ্কারে ২৫ জন ভারতীয় ছিলেন। ড্রোন হানায় অবশ্য হতাহতের কোনও খবর নেই। হামলার পরে পরেই ট্যাঙ্কারে থাকা ভারতীয়রা যোগাযোগ করেন আমেরিকার একটি জাহাজের সঙ্গে। তার পরেই প্রকাশ্যে আসে খবরটি।

    হামলা শনিবারও

    শনিবারই ভারত মহাসাগরে ড্রোন হামলা চালানো হয় ইজরায়েলের একটি জাহাজ লক্ষ্য করে। সেটিও আসছিল ভারতের দিকে। শনিবারের ঘটনার জন্য আমেরিকা দুষছিল ইরানকে। রবিবারের ঘটনায় আমেরিকার নিশানায় ইয়েমেনের হুথি। মার্কিন সেনার তরফে (India Bound Oil Tanker) জানানো হয়েছে, এদিন দক্ষিণ লোহিত সাগরে টহল দিচ্ছিল আমেরিকার একটি যুদ্ধ জাহাজ। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দুটি জাহাজ, জানায় আক্রান্ত হয়েছে তারা। এই দুটির মধ্যে নরওয়ের পতাকা লাগানো জাহাজটিতে ছিল রাসায়নিক। আর ভারতের পতাকা লাগানো জাহাজটি ছিল অপরিশোধিত তেলের ট্যাঙ্কার। পরে অবশ্য ভারতীয় নৌবাহিনীর জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়, ট্যাঙ্কারটিতে ভারতের পতাকা লাগানো ছিল না।

    আমেরিকার অভিযোগ

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের পর থেকে লোহিত সাগরে ড্রোন হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ আমেরিকার। নেপথ্যে রয়েছে হুথি। আমেরিকার অভিযোগ যে নিছক ভুয়ো নয়, তা হুথির বক্তব্যেই স্পষ্ট। ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বক্তব্য, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে তারা রয়েছে হামাসের পক্ষে। তাই ইজরায়েলের সঙ্গে যোগ রয়েছে এমন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালাবে তারা। আমেরিকার দাবি, রবিবারের আগে চারটি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে তারা। ড্রোনগুলি ওড়ানো হয়েছিল হুথি অধিকৃত এলাকা থেকে। বাইডেন প্রশসনের অভিযোগ, হুথিদের সাহায্য করছে ইরান। তার জেরেই লোহিত সাগরে বেড়েছে ড্রোন হামলা। মার্কিন অভিযোগের প্রত্যুত্তরে ইরানের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহম্মদ রেজা নাকদির হুমকি, আমেরিকা ও তার জোটসঙ্গীরা গাজায় অপরাধ বন্ধ না করলে ভূমধ্যসাগর, জিব্রাল্টার প্রণালী দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে (India Bound Oil Tanker)।

    আরও পড়ুুন: “ভারত যখন স্বাধীন হয়, তখন থেকেই শুরু সন্ত্রাসবাদের,” তোপ জয়শঙ্করের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy: ভারত মহাসাগরে ডুবে যাওয়া জাহাজ খুঁজতে ভারতীয় নৌসেনার সাহায্য নিল চিন!

    Indian Navy: ভারত মহাসাগরে ডুবে যাওয়া জাহাজ খুঁজতে ভারতীয় নৌসেনার সাহায্য নিল চিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন বারবার সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘন করলেও, বেজিং-কে মানবিক সহায়তা দিতে পিছপা হল না ভারত। বুধবারই, ভারত মহাসাগরে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কবলে পড়ে চিনের একটি মাছ ধরার জাহাজ। জাহাজটিতে ৩৯ জন নাবিক ছিলেন বলে জানা গেছে। ‘লু পেং ইউয়ান ইউ ০২৮’ নামে ওই জাহাজে শুধু চিনা নয়, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপিন্সের নাগরিকরাও ছিলেন। ডুবে যাওয়া জাহাজটির যাত্রীদর উদ্ধারের জন্য ভারত, অস্ট্রেলিয়া-সহ বেশ কয়েকটি দেশের সহায়তা চেয়েছিল বেজিং। সময় ব্যয় না করে দ্রুত সাহায্যের হাত বাড়াল ভারত (Indian Navy)।

    অনুসন্ধানে ভারতীয় নৌসেনা 

    ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy) জানিয়েছে, ভারত থেকে প্রায় ৯০০ নটিক্যাল মাইল দূরে এয়ার মেরিটাইম রিকনস্যান্স ইকুইমেন্ট মোতায়েন করেছে। খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেই পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। ইতিমধ্যে নিখোঁজদের মধ্যে ২ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই অভিযানে মোতায়েন করা হয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনীর পি৮আই এয়ারক্রাফ্ট। ইতিমধ্যে জাহাজের একাধিক সমাগ্রি চিহ্নিত করা হয়েছে। খারাপ আবহাওয়া সত্ত্বেও সেখানে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় বাহিনী (Indian Navy)।

    বৃহস্পতিবার (১৮ মে), ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও পি৮আই বিমান ওই অঞ্চলে একাধিকবার এবং ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়েছে। বেশ কিছু বস্তুর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, যেগুলি সম্ভবত ডুবে যাওয়া জাহাজটির অংশ ছিল। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসাবে, কাছাকাছি থাকা পিপলস লিবারেশন আর্মির নৌবাহিনীর জাহাজগুলির অনুরোধে, ভারতীয় বিমান থেকে ঘটনাস্থলে এসএআর (SAR) যন্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বাসযোগ্য এবং দায়িত্বশীল অংশীদার হিসাবে ভারতের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর জন্য ভারতীয় নৌসেনা ওই এলাকার অন্যান্য ইউনিটগুলির সঙ্গে হাত মিলয়ে স্পেসিফিক অ্যাবসর্পশন রেট প্রচেষ্টাকে সমন্বিত করেছে এবং চিনা নৌবাহিনীর রণতরীগুলিকে ওই স্থানে আসতে সাহায্য করেছে।”

    আরও পড়ুন: চার দিনের ত্রিদেশীয় সফর প্রধানমন্ত্রী মোদির! আজ যাত্রা শুরু

    সাহায্যের হাত অস্ট্রেলিয়ার

    চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম তরফে জানানো হয়েছে যে দুর্ঘটনাগ্রস্থ জাহাজের নিখোঁজ নাবিকদের মধ্যে ১৭ জন চিনের নাগরিক। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার ১৭ জন এবং ফিলিপিন্সের ৫ জন নাগরিক রয়েছেন। এদিনই নিখোঁজ ক্রু সদস্যদের দুই জনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। তবে মৃতদেহগুলি কোন দেশের নাগরিকদের, সেই সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এদিকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকেও অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। ক্যানবেরায় নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত জিয়াও কিয়ান এদিন জানিয়েছেন, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী পার্থ থেকে ৫,০০০ কিলোমিটার পশ্চিমে জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে তিনটি বিমান এবং চারটি জাহাজ পাঠানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • China: ‘অগ্নি’ পরীক্ষার আগেই ভারত মহাসাগরে হাজির চিনের সেই ‘গুপ্তচর’ জাহাজ, কেন জানেন?

    China: ‘অগ্নি’ পরীক্ষার আগেই ভারত মহাসাগরে হাজির চিনের সেই ‘গুপ্তচর’ জাহাজ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) মহাসাগরে ফের চিনা (China) গুপ্তচর জাহাজ (Spy Ship)! এর আগে একবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিল ভারত। সেই সময়ও ভারত মহাসাগরে ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ ইউয়ান ওয়াং ৫-কে। দিন কয়েকের মধ্যেই ভারত ফের অত্যাধুনিক অগ্নি ৫ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করতে চলেছে। সেই কারণে বঙ্গোপসাগরকে নো ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়েছে সরকারের তরফে। তার আগেই ভারত মহাসাগরে ফের হাজির চিনা গুপ্তচর জাহাজ ইউয়ান ওয়াং ৫। বারবার একই গুপ্তচর জাহাজ পাঠানোয় চিন্তা বাড়চ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের। প্রসঙ্গত, ডিসেম্বরের ১৫-১৬ তারিখের মধ্যে ওড়িশার আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে উৎক্ষেপণ করার কথা অগ্নি ৫ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।

    নৌবাহিনীর দাবি…

    ভারতীয় নৌবাহিনীর দাবি, চিনা (China) গুপ্তচর জাহাজটিকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার সুন্দ প্রণালীতে রয়েছে সেটি। চলতি বছরের অগাস্টে শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে যে চিনা গুপ্তচর জাহাজটি নোঙর করেছিল, এটা সেটাই। জানা গিয়েছে, এই জাহাজটির ওজন ২০ হাজার টন। এতে রয়েছে একটি বড় অ্যান্টেনা, অত্যাধুনিক সেন্সর এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম। জাহাজটিতে ৪০০রও বেশি নাবিক রয়েছেন। চিনের এই জাহাজটি ইউয়ান ওয়াং শ্রেণির চারটি জাহাজের মধ্যে একটি। এই জাহাজ উপগ্রহ এবং আন্তর্মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের গতিবিধি ট্র্যাক করতে পারদর্শী।

    ভারত সরকারের দাবি, অত্যাধুনিক অগ্নি ৫ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঁচ হাজার কিলোমিটার দূরের কোনও লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে সক্ষম। এই পাল্লার মধ্যে চলে আসবে পাকিস্তান এবং চিন (China)। অনুমান, অগ্নি ৫ এর ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে চিনে। তাই কাছ থেকে অগ্নি ৫ এর ক্ষমতা ‘চাক্ষুষ’ করতে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে জাহাজটি।

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রসংঘে সংস্কার সাধনে চেষ্টা করবে ভারত, জানালেন রুচিরা কম্বোজ

    যদিও গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগ অস্বীকার করেছে ড্রাগনের দেশ। তাদের দাবি, জাহাজটি গবেষণামূলক কাজের জন্য রাখা হয়েছে। তবে তাতে নিশ্চিন্ত হতে পারছে না ভারত। তাই অগ্নি ৫ পরীক্ষার নির্ঘণ্ট পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা, তা নিয়েও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, চিনের (China) পিপলস লিবারেশন আর্মির নৌশক্তি গোটা বিশ্বের মধ্যে সর্ব বৃহৎ। এই নৌ-বাহিনীর অধীনে রয়েছে ৩৫৫টি যুদ্ধ জাহাজ।

     

        দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Indian Ocean: মালদ্বীপের পর এবার চিনের ডাকা ফোরামে যোগ দিল না অস্ট্রেলিয়াও

    Indian Ocean: মালদ্বীপের পর এবার চিনের ডাকা ফোরামে যোগ দিল না অস্ট্রেলিয়াও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদ্বীপের (Maldives) পর এবার অস্ট্রেলিয়া (Australia)। মালদ্বীপ জানিয়েছিল আগেই। অতি সম্প্রতি জানাল অস্ট্রেলিয়াও। তারা সাফ জানিয়ে দিল চিনের নেতৃত্বে ভারত মহাসাগর (Indian Ocean) ফোরামের যে বৈঠক হয়েছে, তাতে তারা যোগ দেয়নি। জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ২১ তারিখে বৈঠক হয়েছে ভারত মহাসাগর ফোরামের। চিনের নেতৃত্বে ভারত মহাসাগর ফোরামের যে বৈঠক হয়েছে, তাতে অস্ট্রেলিয়া যোগ দেয়নি বলে ট্যুইট করেছেন ভারতে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয় হাইকমিশন। ট্যুইট বার্তায় ভারতে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয় হাইকমিশনার ব্যারি ও ফ্যারেল জানান, অস্ট্রেলিয় সরকারের কোনও আধিকারিকই কুনমিংয়ে চিনের নেতৃত্বে ভারত মহাসাগর ফোরামের যে বৈঠক হয়েছে, তাতে যোগ দেয়নি।

    চিন-ভারত মহাসাগর ফোরাম…

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম চিন আহ্বান করেছিল চিন-ভারত মহাসাগর ফোরাম অন ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন শীর্ষক বৈঠকের। এই বৈঠকে আহ্বান করা হয়েছিল বিশ্বের উনিশটি দেশকে। তবে তাদের মধ্যে চিনের সব চেয়ে কাছের প্রতিবেশী দেশ ভারতকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। অথচ এই বৈঠকের আয়োজক দেশ ছিল চিন। তার সত্ত্বেও ডাকা হয়নি নয়াদিল্লিকে।

    তবে ভারত মহাসাগর ফোরামের ওই বৈঠকে অস্ট্রেলিয়া সরকারের কোনও প্রতিনিধি যোগ না দিলে কী হবে, সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেভিন রুড্ড ওই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। একইভাবে মালদ্বীপ সরাকারের কেউ যোগ না দিলেও, বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন সে দেশের প্রাক্তন প্রসিডেন্ট মহম্মদ ওয়াহিদ হুসেন। তবে দুজনের কেউই চিনে যাননি। বৈঠকে তাঁরা যোগ দিয়েছেন ভার্চুয়ালি।

    আরও পড়ুন: ‘ফাঁসি হলেও আফসোস নেই, জন্নতে…’, পলিগ্রাফ টেস্টে কী বলল আফতাব?

    মালদ্বীপের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রক এটা ব্যাখ্যা করতে চায় এই বলে যে, মালদ্বীপের সরকার উল্লিখিত ফোরামে অংশ নেয়নি। নভেম্বরের ১৫ তারিখেই মালদ্বীপের তরফে চিনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমরা এই ফোরামে যোগ দেব না। মালদ্বীপ থেকে যাঁরা ওই ফোরামে অংশ নিয়েছিলেন, তাঁরা মালদ্বীপ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেননি। উল্লেখ্য, প্রথম চিন-ভারত মহাসাগর ফোরাম অন ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন গঠন করেছিল চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সি। এই এজেন্সির মাথায় রয়েছেন চিনের প্রাক্তন বিদেশ মন্ত্রী লু ঝাউহুই। এই লু ঝাউহুই অতীতে ভারত ও পাকিস্তানে রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

     

LinkedIn
Share