Tag: Indian Rail

Indian Rail

  • Indian Rail: ভারতীয় রেলের ইতিহাস সৃষ্টি, ওভারহেড বিদ্যুতায়নে বিশ্বের প্রথম ‘ইলেকট্রিক ডাবল-স্ট্যাক কন্টেইনার ট্রেন’ চালুর রেকর্ড

    Indian Rail: ভারতীয় রেলের ইতিহাস সৃষ্টি, ওভারহেড বিদ্যুতায়নে বিশ্বের প্রথম ‘ইলেকট্রিক ডাবল-স্ট্যাক কন্টেইনার ট্রেন’ চালুর রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলওয়ে প্রযুক্তি এবং পণ্য পরিবহনে এক অনন্য নজির স্থাপন করল ভারত। বিশ্বের প্রথম এবং একমাত্র দেশ হিসেবে ওভারহেড বৈদ্যুতিক তারের (Overhead Electrification) নিচে বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন চালিত ‘ডাবল-স্ট্যাক কন্টেইনার ট্রেন’ একটির ওপর আরেকটি কন্টেইনার চাপানো মালগাড়ি চালিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ভারতীয় রেল (Indian Rail)। ভারতের এই অভাবনীয় ইঞ্জিনিয়ারিং সাফল্য ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

    বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় ভারতের সাফল্য যেখানে আলাদা (Indian Rail)

    আমেরিকা বা চীনের মতো উন্নত দেশগুলোতেও ডাবল-স্ট্যাক কন্টেইনার ট্রেন (Indian Rail) চালানো হয়, তবে সেগুলির বেশিরভাগই ডিজেল চালিত ইঞ্জিনে চলে। অথবা এমন রুটে চালানো হয় যেখানে মাথার ওপর কোনও বৈদ্যুতিক লাইনের (Overhead Electrification) বাধা থাকে না। কিন্তু ভারত সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়িত রেল করিডোরে ওভারহেড তারের বাধা থাকা সত্ত্বেও এই ডাবল-স্ট্যাক কন্টেইনার ট্রেন সফলভাবে চালিয়ে এক জটিল প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জকে জয় করেছে। পরিবেশবান্ধব পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে এটিকে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    কীভাবে সম্ভব হলো এই অসাধ্য সাধন?

    জানা গিয়েছে, ‘ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড’ (DFCCIL) দ্বারা নির্মিত ওয়েস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর (WDFC)-এ এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

    হাই-রাইজ ওভারহেড ইকুইপমেন্ট (High-Rise OHE)

    ডাবল-স্ট্যাক ট্রেনের (Indian Rail) অতিরিক্ত উচ্চতার কথা মাথায় রেখে সাধারণ রেললাইনের চেয়ে অনেক উঁচুতে বৈদ্যুতিক তার বসিয়েছেন ইঞ্জিনিয়াররা। এই রুটে ওভারহেড তারের উচ্চতা রাখা হয়েছে প্রায় ৭.৪৫ মিটার, যা সাধারণ লাইনের চেয়ে অনেক বেশি।

    উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ ও হাই-রিচ প্যান্টোগ্রাফ

    এই উঁচু তার থেকে বিদ্যুৎ সংগ্রহের জন্য বিশেষ ধরনের শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন (Overhead Electrification) তৈরি করা হয়েছে, যাতে রয়েছে অত্যন্ত উঁচুতে পৌঁছাতে সক্ষম ‘হাই-রিচ প্যান্টোগ্রাফ’ (High-reach Pantograph)। এর ফলে ট্রেনগুলি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এবং কোনও বাধা ছাড়াই বিদ্যুৎ গ্রহণ করে কন্টেইনার নিয়ে ছুটতে পারে।

    দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে এর প্রভাব

    উত্তর প্রদেশের দাদরি থেকে মুম্বাইয়ের জওহরলাল নেহরু পোর্ট (JNPT) পর্যন্ত বিস্তৃত এই ওয়েস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোরটি দেশের পণ্য পরিবহনের মূল ধমনীতে পরিণত হয়েছে। এই ব্যবস্থার প্রধান সুবিধাগুলি হলো—

    • ১. দ্বিগুণ ধারণক্ষমতা: সাধারণ মালগাড়ির তুলনায় এই ট্রেনগুলি (Indian Rail) প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ কন্টেইনার বহন করতে পারে।
    • ২. খরচ ও সময় সাশ্রয়: এক ট্রিপেই বিশাল পরিমাণ পণ্য পরিবহন সম্ভব হওয়ায় লজিস্টিকস বা পণ্য পরিবহনের খরচ একধাক্কায় অনেকটাই কমে যাচ্ছে এবং দ্রুত গতির কারণে সময় বাঁচছে।
    • ৩. সবুজ ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন: ডিজেলের ব্যবহার বন্ধ করে পুরোপুরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে চলার কারণে জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি কার্বন নির্গমন হ্রাস পাচ্ছে, যা ভারতের পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে।

    রেল বিশেষজ্ঞরা এই সাফল্যকে সাম্প্রতিক দশকের অন্যতম সেরা উদ্ভাবন বলে অভিহিত করেছেন। ভারত সরকারের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘পিএম গতি শক্তি’ প্রকল্পের (Overhead Electrification) অধীনে দেশকে একটি বৈশ্বিক ম্যানুফ্যাকচারিং ও লজিস্টিকস হাব হিসেবে গড়ে তোলার যে লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, এই ইলেকট্রিক ডাবল-স্ট্যাক ট্রেন ব্যবস্থা সেই স্বপ্নপূরণে এক বিরাট অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে।

  • Vande Bharat Sleeper: এবার ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার তৈরির ঘোষণা ভারতীয় রেলের

    Vande Bharat Sleeper: এবার ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার তৈরির ঘোষণা ভারতীয় রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রীদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং প্রিমিয়াম দূরপাল্লার রেল পরিষেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখে ভারতীয় রেল (Indian Railways) এখন ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper) তৈরির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। সম্প্রতি দেশের প্রথম স্লিপার ভেরিয়েন্ট চালুর পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    গত ১৭ জানুয়ারি মালদা টাউন হয়ে হাওড়া ও কামাখ্যার মধ্যে চলাচলকারী ১৬ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি যাত্রীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। এই সাফল্যের ওপর ভিত্তি করেই রেল কর্তৃপক্ষ এখন অধিক যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ট্রেন তৈরির দিকে নজর দিচ্ছে।

    ব্যাপক যাত্রী ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি (Vande Bharat Sleeper)

    চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (ICF) ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের অধীনে এই নতুন ২৪ কোচের ট্রেনসেটটি বর্তমানে ডিজাইনের পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানের ৮২৩টি বার্থের পরিবর্তে নতুন এই ট্রেনে ১,২২৪টি বার্থ থাকবে (৪০১টি বেশি)। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এর প্রোটোটাইপ বা পরীক্ষামূলক সংস্করণ তৈরির লক্ষ্য রাখা হয়েছে। মোট ৫০টি রেক তৈরি করা হবে। এতে ১৭টি এসি ৩-টায়ার, ৫টি এসি ২-টায়ার, ১টি এসি ফার্স্ট ক্লাস কোচ এবং একটি পূর্ণাঙ্গ এসি প্যান্ট্রিকার (Indian Railways) থাকবে।

    আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা

    যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের (Vande Bharat Sleeper) জন্য এই ভেরিয়েন্টে থাকছে—

    • আর্গোনমিক বার্থ, রিডিং লাইট, মোবাইল ও ল্যাপটপ চার্জিং পয়েন্ট।
    • ওয়াই-ফাই, প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেম এবং ইনফোটেইনমেন্ট।
    • ভ্যাকুয়াম-অ্যাসিস্টেড টয়লেট এবং আধুনিক ইন্টিরিয়র।
    • দিব্যাঙ্গজনদের জন্য সুবিধা: বিশেষ টয়লেট (Indian Railways) এবং র‍্যাম্পের ব্যবস্থা।

    নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    ট্রেন সংঘর্ষ এড়ানোর অত্যাধুনিক কবচ (Kavach) প্রযুক্তির সর্বশেষ সংস্করণ। সিসিটিভি ও আন্তর্জাতিক মানের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা। ঘণ্টায় ১৬০ কিমি সর্বোচ্চ গতিবেগ এবং শব্দ নিরোধক ব্যবস্থা।

    পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি

    পরিবেশের কথা মাথায় রেখে এতে ‘রিজেনারেটিভ ব্রেকিং’, এলইডি লাইটিং এবং ভ্যাকুয়াম বায়ো-টয়লেট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া ট্রেনের (Indian Rail) রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ‘রিমোট কন্ডিশন মনিটরিং’ সিস্টেমও যুক্ত করা হবে।

    ২৪ কোচের এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper) ভারতীয় রেলের (Indian Railways) আধুনিকীকরণ এবং দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রীদের বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা প্রদানের এক বড় পদক্ষেপ। উল্লেখ্য যে, বিএইচইএল (BHEL) ইতিমধ্যেই এই ট্রেনের প্রপালশন সরঞ্জামের সরবরাহ শুরু করেছে।

  • Vande Bharat Sleeper Train: বন্দে ভারত স্লিপারে যাত্রার ৮ ঘণ্টা আগে টিকিট ক্যান্সেল করলে ফেরত নয় কোনও টাকা

    Vande Bharat Sleeper Train: বন্দে ভারত স্লিপারে যাত্রার ৮ ঘণ্টা আগে টিকিট ক্যান্সেল করলে ফেরত নয় কোনও টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের (Vande Bharat Sleeper Train) টিকিট বাতিলে কড়া নিয়ম কার্যকর করল ভারতীয় রেল। এখন থেকে যাত্রার ৮ ঘণ্টা আগে বাতিল করলে মিলবে না কোনো টাকা। টিকিট এবং ক্যান্সেল টিকিটের রিটার্ন নিয়ে কোনও ভাবেই আপস করবে না ভারতীয় রেল (Indian Rail)। তাই বন্দে ভারত স্লিপার কোচে যাত্রীদের টিকিট বাতিল প্রক্রিয়ায় দাম ফেরতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু হওয়ার প্রাক্কালে টিকিট বাতিলের নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন আনল রেল বোর্ড। এই প্রিমিয়াম ট্রেনের ক্ষেত্রে সাধারণ ট্রেনের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর ‘ক্যানসেলেশন চার্জ’ ধার্য করা হয়েছে।

    টিকিট বাতিলের নতুন নিয়মাবলী (Vande Bharat Sleeper Train):

    কত সময়ে আগে টিকিট ক্যান্সেল করলে টাকা কাটা হবে।

    যাত্রার ৭২ ঘণ্টার আগে: ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ৭২ ঘণ্টার বেশি আগে কনফার্মড টিকিট বাতিল করলে ভাড়ার ২৫% শতাংশ টাকা কেটে নেওয়া হবে।

    ৭২ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে: ট্রেন (Vande Bharat Sleeper Train)  ছাড়ার ৭২ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত টিকিট বাতিল করলে ভাড়ার ৫০% শতাংশ টাকা মাশুল হিসেবে কাটা হবে।

    ৮ ঘণ্টার কম সময়: যাত্রার নির্ধারিত সময়ের ৮ ঘণ্টা আগে থেকে টিকিট বাতিল করলে কোনো অর্থই আর ফেরত (রিফান্ড) পাওয়া যাবে না।

    অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

    ১. টিডিআর (TDR) জমার সময়সীমা: ট্রেন ছাড়ার ৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত যদি টিকিট বাতিল না করা হয় অথবা অনলাইনে টিডিআর (Ticket Deposit Receipt) ফাইল না করা হয়, তবে রিফান্ডের কোনও সুযোগ থাকবে না।

    ২. সর্বনিম্ন দূরত্ব ও আরএসি (RAC): বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ক্ষেত্রে টিকিটের সর্বনিম্ন দূরত্ব ধরা হবে ৪০০ কিলোমিটার। উল্লেখ্য, এই ট্রেনে আরএসি (RAC) বা ‘রিজার্ভেশন এগেইনস্ট ক্যানসেলেশন’-এর কোনো সুবিধা থাকবে না।

    ৩. সংরক্ষণ কোটা: বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী এই ট্রেনে কেবল মহিলা, প্রতিবন্ধী, প্রবীণ নাগরিক এবং ডিউটি পাসের কোটা বহাল থাকবে। এছাড়া অন্য কোনো বিশেষ কোটা এই ট্রেনের (Vande Bharat Sleeper Train) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

    ৪. অমৃত ভারত-২ এক্সপ্রেস: চলতি মাসে চালু হওয়া অমৃত ভারত-২ এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ভাড়ার দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার ধার্য করা হয়েছে এবং এতেও আরএসি ব্যবস্থা থাকছে না।

    রেল বোর্ডের মতে, প্রিমিয়াম ট্রেনগুলোতে (Indian Rail) শেষ মুহূর্তে টিকিট বাতিলের প্রবণতা কমানো এবং আসন সংখ্যা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

  • Indian Rail: ট্রেনের টিকিটে জালিয়াতি রুখতে ওটিপি-ভিত্তিক বুকিং ব্যবস্থা চালু করল রেল

    Indian Rail: ট্রেনের টিকিটে জালিয়াতি রুখতে ওটিপি-ভিত্তিক বুকিং ব্যবস্থা চালু করল রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল (Indian Rail) টিকিটের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং যাত্রী নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এক যুগান্তকারী প্রযুক্তিগত সংস্কারের পথে হাঁটল ভারতীয় রেল। নির্দিষ্ট কিছু ট্রেনের ক্ষেত্রে এখন থেকে ওটিপি (OTP Based Ticketing) ভিত্তিক টিকিট বুকিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। মূলত জাল বুকিং প্রতিরোধ, অনুমোদনহীন এজেন্টদের দৌরাত্ম্য হ্রাস এবং রেল টিকিটের অপব্যবহার রুখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ।

    ভারতীয় রেল সূত্রে জানা গিয়েছে গত ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে এই নতুন ব্যবস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৩০০টি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনে এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে।

    কোন পদ্ধতিতে হবে (Indian Rail)?

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, রেলের টিকিট (Indian Rail) ওটিপি যাচাইকরণ ছাড়া নির্ধারিত ট্রেনগুলোর টিকিট আর ইস্যু করা হবে না। যাত্রী যখন কাউন্টার বা অনলাইনে টিকিট বুক (OTP Based Ticketing) করবেন, তখনই তার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি পাঠানো হবে। সেই ওটিপি সিস্টেমে নথিভুক্ত করার পরেই টিকিট বুকিং প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

    এমন সিদ্ধান্তের কারণ

    রেল (Indian Rail) আধিকারিকদের মতে, আগের ব্যবস্থায় অনুমোদনহীন অবৈধ এজেন্টরা প্রায়ই সাধারণ যাত্রীদের কোটা ব্যবহার করে পাইকারি হারে টিকিট বুক করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করত এবং পরে তা চড়া দামে কালোবাজারে বিক্রি হত। এখন ওটিপি ব্যবস্থার ফলে প্রতিটি টিকিট এখন সরাসরি একজন যাচাইকৃত মোবাইল নম্বরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে, যা জালিয়াতি ও বেনামি বুকিং রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। টিকিট (OTP Based Ticketing) সঙ্কটের পরিস্থিতিও অনেকটাই হালকা হয়ে যাবে।

    প্রিমিয়াম ট্রেন

    রাজধানী, শতাব্দী এবং দুরন্ত এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনগুলোতে এই ব্যবস্থা বিশেষভাবে কার্যকর করা হয়েছে। কারণ এই ট্রেনগুলোর চাহিদা বেশি থাকায় দালালের চক্র এখানে সবথেকে বেশি সক্রিয় থাকে।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    উত্তর-মধ্য রেলের (Indian Rail) মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ((OTP Based Ticketing)) শশীকান্ত ত্রিপাঠী বলেছেন, “এই ব্যবস্থাটি পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কার্যকর করা হবে। বর্তমানে ৩০০টি ট্রেনে এটি পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এর ফলাফল ইতিবাচক হলে অদূর ভবিষ্যতে দেশের সকল ট্রেনের টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রেই ওটিপি বাধ্যতামূলক করা হবে। ভারতীয় রেলের এই ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়া সাধারণ যাত্রীদের হয়রানি কমাবে এবং টিকিট বুকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও সুরক্ষিত করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Vande Bharat Sleeper Train: শনিবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন মোদি, যাত্রাপথে মিলবে বিভিন্ন রাজ্যের খাবার

    Vande Bharat Sleeper Train: শনিবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন মোদি, যাত্রাপথে মিলবে বিভিন্ন রাজ্যের খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ জানুয়রি বঙ্গে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন মালদা থেকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper Train) ট্রেনের (Indian Rail) যাত্রা সূচনা করবেন তিনি। বঙ্গে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস চালু হলেও পরবর্তীতে আরও অন্যন্য রাজ্যে চালু হবে এই ট্রেন। এই ট্রেনে বিরাট খাবারের বৈচিত্র্য পাওয়া যাবে। এই ট্রেনে উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক খাবারের স্বাদ গ্রহণ করতে পারবেন যাত্রীরা। তবে ট্রেনের (Indian Rail) খাবার, যাত্রা বা রুটের উপর নির্ভর করবে।

    ট্রেনের সেমি হাইস্পিড হবে ১৮০ কিমি (Vande Bharat Sleeper Train)

    বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসে (Vande Bharat Sleeper Train) থাকছে থ্রি টায়ার ১১টি কামরা, টু টায়ার ৪টি, ফার্স্ট ক্লাস (প্রথম শ্রেণি) এসি ১টি কামরা। মোটা যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৮২৩টি।  থ্রি টায়ারে ৬১১, টু টায়ারে ১৮৮ এবং ফার্স্ট ক্লাসে ২৪ জন যাত্রীর পরিষেবা। এই ট্রেনের সেমি হাইস্পিড হবে ১৮০ কিমি। যাত্রীদের শরীর মনের জন্য আরামদায়ক এবং নিরাপদ অত্যাধুনিক বার্থের ব্যবস্থা থাকে। যাতায়তের জন্যে স্বয়ংক্রিয় দরজার ব্যবস্থা থাকবে। কবচ সিস্টেম থাকবে এই ট্রেনে। জরুরি প্রয়োজনে রয়েছে টক-ব্যাক সিস্টেম। থাকবে সেই সঙ্গে উচ্চ মানের স্যানিটেশন যুক্ত ব্যবস্থা।

    পর্যটক মহলে ব্যাপক সাড়া

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে (Vande Bharat Sleeper Train) ভারতীয় পর্যটক মহলে বিশেষ সাড়া মিলেছে। রাজ্য এবং এলাকা ভিত্তিক খাবারের স্বাদ পাবেন বলে জানা গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “এই উদ্যোগ রেলযাত্রাকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে । বন্দে ভারত এখন শুধু আধুনিকতা বা গতির প্রতীক নয়, এটি বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এক জীবন্ত উদাহরণ । আঞ্চলিক স্বাদের সঙ্গে বন্দে ভারত যাত্রা মানেই এখন শুধু গন্তব্যে পৌঁছনো নয়, বরং ভারতের স্বাদ ও সংস্কৃতিকে হৃদয় ও জিহ্বায় দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করতে পারবে।”

    চম্পারণ চিকেন, আলু পটল ভাজার স্বাদ পাওয়া যাবে

    ভারতীয় রেল (Vande Bharat Sleeper Train) নিজের প্রয়োজন অনুসারে এবং যাত্রীদের দাবি অনুযায়ী নতুন নতুন প্রয়োগের কাজ করে থাকে। নিরাপদ যাত্রা, উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা, অধ্যাধুনিক সুব্যবস্থা এবং ঝুঁকিহীন যাত্রায় অনন্য নজির গড়েছে ভারতীয় রেল। কম সময়ে কম খরচে ভারতীয় রেলকে (Indian Rail) সকলের জন্য উপভোগ্য করে তুলতে রেল একটি আধুনিক প্রয়োগ করেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন।

    পশ্চিমবঙ্গের সুস্বাদু মশালায় সুস্বাদু রান্না এবং ধীর আঁচে রান্নার পরিষেবা পাওয়া যাবে। রাউরকেল্লা হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে যাত্রীরা উপভোগ করতে পারবেন কষা পনির। বাংলার ঘরোয়া রান্নার স্বাদ পাওয়া যাবে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত রুটে। এখানে আলু পটল ভাজা পাওয়া যাবে। একই ভবে বিহারের পক্ষ থেকে পাটনা-রাঁচি চম্পারণ পনির এবং এবং পাটনা-হাওড়া রুটে চম্পারণ চিকেন পরিবেশন করা হবে। এই রান্না মাটির সহজ সরলতার স্বাদ বহন করবে।

    মহারাষ্ট্রের রান্না পুষ্টিকর এবং জনপ্রিয়। নাগপুর-সেকেন্দ্রবাদ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Indian Rail) যাত্রীরা পাবেন কাণ্ডা পোহা। মহারাষ্ট্রের এই ঐতিহ্যবাহী খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই ভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের বিখ্যাত অন্ধ্র কোডি কুরা এবং দোণ্ডাকায়া কারাম পোডি ফ্রাই, দক্ষিণ ভারতের ঝাল এবং তীব্র মশাল যুক্ত খাবার পরিবেশন করা হবে। সিএসএমটি মাডগাঁও বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পরিবেশিত হবে মশাল, উপমা হালকা। যাত্রীদের যাত্রাকে সুস্বাদু করতে এই রকমের খাবারের ব্যবস্থা থাকছে বন্দে ভারতে।

    কেরল এবং কাশ্মীরের খাবার পাওয়া যাবে

    কেরলের উপর দিয়ে যখন ট্রেন (Indian Rail) যাবে সেই সময় স্থানীয় সাদা ভাত, পাচাক্কাক্কা চেরুপায়ার মেঝুক্কু পেরাত্তি, কাদালা কারি, কেরলা পরোটা, সাধারণ দই, পালাডা পায়েসম ও আপ্পাম খাবার পরিষেবা দেওয়া হবে। কাসারগোড-তিরুঅনন্তপুরম এবং ম্যাঙ্গালুরু-তিরুঅনন্তপুরম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে (Vande Bharat Sleeper Train) যাত্রীরা পাবেন সম্পূর্ণ কেরলের খাবার। কাশ্মীরের যখন ট্রেন চলবে সেই সময় শ্রীমাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা-শ্রীনগর বন্দে ভারত রুটে পরিবেশিত হবে কাশ্মীরি টমেটোর চমন ও কেশর ফিরনি পরিবেশন করা হবে। চাহিদার কথা মাথায় রেখেই ভারতীয় রেল বন্দে ভারত ট্রেনে (Indian Rail) আঞ্চলিক, ঐতিহ্যবাহী ও স্বাদে খাঁটি খাবার পরিবেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

  • Vande Bharat Sleeper Express: ওয়েটিং বা আরএসি থাকবে না, শুধুমাত্র কনফার্মড টিকিট দেওয়া হবে বন্দে ভারত স্লিপারে

    Vande Bharat Sleeper Express: ওয়েটিং বা আরএসি থাকবে না, শুধুমাত্র কনফার্মড টিকিট দেওয়া হবে বন্দে ভারত স্লিপারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসের (Vande Bharat Sleeper Express) পরীক্ষামূলক ট্রায়াল শেষ হওয়ার পর এবং প্রিমিয়াম দূরপাল্লার পরিষেবা চালু হওয়ার আগে রেলওয়ে বোর্ড (Indian Rail) আনুষ্ঠানিকভাবে তার ভাড়া কাঠামো ঘোষণা করেছে। জানা গিয়েছে, অন্যান্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেনের তুলনায় বন্দে ভারত স্লিপারে যাতায়াত উল্লেখযোগ্যভাবে কিছুটা ব্যয়বহুল হবে। তবে এই ট্রেনের তালিকায় কোনও আরএসসি বা ওয়েটিং থাকবে না।

    কেবলমাত্র নিশ্চিত টিকিটকেই আনুমোদন দেওয়া হবে

    রেলওয়ে বোর্ড জানিয়েছে, ট্রেনের ভাড়ায় ট্রেনের উচ্চ গতি, আধুনিক অভ্যন্তরীণ পরিকাঠামো, উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং হোটেলের মতো সুযোগ-সুবিধাগুলিকে উপলব্ধ করবে। ভাড়া কাঠামোর সঙ্গে কঠোর বুকিং শর্তও রয়েছে। এই পরিষেবার (Vande Bharat Sleeper Express) জন্য কেবল নিশ্চিত টিকিটকেই আনুমোদন দেওয়া হবে। আরএসি বা ওয়েটিং তালিকাভুক্ত টিকিটের কোনও ব্যবস্থা থাকবে না। অগ্রিম রিজার্ভেশন সময়ের প্রথম দিনে সমস্ত বার্থ ছেড়ে দেওয়া হবে।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, রিজার্ভেশন কোটা কেবলমাত্র মহিলা, প্রবীণ নাগরিক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং ডিউটি ​​পাসধারীদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে। ছাড়ের টিকিট এবং অ-প্রতিদানযোগ্য প্রশংসাপত্র গ্রহণ করা হবে না। শিশুদের জন্যও সাধারণ ভাড়ার নিয়ম বলবৎ থাকবে। ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য, রেলওয়ে (Indian Rail) শুধুমাত্র ডিজিটাল পেমেন্ট বাধ্যতামূলক করেছে, যার মধ্যে টিকিট কাউন্টারও অন্তর্ভুক্ত। ডিজিটাল পেমেন্ট করতে অক্ষম যাত্রীরা এখনও বিদ্যমান নিয়ম অনুসারে ফেরত পাবেন।

    প্রতি ৪০০ কিমি দূরত্বে কত ভাড়া (Vande Bharat Sleeper Express)?

    ভারতীয় রেল বোর্ডের (Vande Bharat Sleeper Express) তরফে ৯ জানুয়ারি জারি করা একটি সার্কুলার অনুসারে জানা গিয়েছে, প্রযোজ্য পণ্য ও পরিষেবা কর ছাড়াও যাত্রীদের প্রকৃত ভ্রমণের দূরত্ব নিরিখে ৪০০ কিলোমিটারের সমতুল্য সর্বনিম্ন ভাড়া নেওয়া হবে। উচ্চ-গতি আরামদায়ক পরিষেবার ট্রেন হিসেবে বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস তাপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাস এসি-১, এসি-২ এবং এসি-৩-এর সঙ্গে চলবে। সর্বনিম্ন ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য মূল ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। এসি -১ এর জন্য ১,৫২০ টাকা এসি-২ এর জন্য ১,২৪০ টাকা এবং এসি-৩-এর জন্য ৯৬০ টাকা। তবে সবটাই জিএসটি বাদে। রেলওয়ে বোর্ড (Indian Rail) আরও জানিয়েছে, ন্যূনতম চার্জযোগ্য দূরত্বের বাইরে প্রতি কিলোমিটারে প্রায় ৪ টাকা করে ভাড়া বৃদ্ধি পাবে।

    ৮৯০ কিলোমিটার দূরত্বের ভাড়া কত?

    রেল বোর্ড জানিয়েছে, দীর্ঘ রুটগুলিতে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ভাড়া নির্ধারণ হবে। উদাহরণস্বরূপ, নাগপুর থেকে পুণের মধ্যে ভ্রমণের (Vande Bharat Sleeper Express) জন্য, প্রায় ৮৯০ কিলোমিটার দূরত্বের, এসি ১-তে ৩,৩৮২ টাকা, এসি ২-তে ২,৭৫৯ টাকা এবং এসি ৩-তে ২,১৩৬ টাকা খরচ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ক্ষেত্রে জিএসটিও প্রযোজ্য হবে। একইভাবে, নাগপুর-দিল্লির প্রায় ১,০৯০ কিলোমিটার ভ্রমণের জন্য এসি ১-তে ৪,১৪১, এসি ২-তে ৩,৩৭৯ এবং এসি ৩-তে ২,৬১৬ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। ভাড়ার পরিমাণের নিরিখে বন্দে ভারত স্লিপারকে দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নিয়মিত যাত্রীবাহী ট্রেনগুলির (Indian Rail) মধ্যে স্থান দেওয়া হয়েছে।

  • RailOne: নববর্ষের উপহার! রেলওয়ান অ্যাপে অসংরক্ষিত টিকিট কেনায় ৩ শতাংশ ছাড়, ঘোষণা রেলের

    RailOne: নববর্ষের উপহার! রেলওয়ান অ্যাপে অসংরক্ষিত টিকিট কেনায় ৩ শতাংশ ছাড়, ঘোষণা রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল লেনদেনকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার উদ্দেশ্যে ভারতীয় রেলের মন্ত্রক একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছে। এখন থেকে রেলওয়ান (RailOne) মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে যে কোনও ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে অসংরক্ষিত টিকিট (Unreserved Tickets) কিনলে, যাত্রীরা টিকিটের মূল্যের উপর ৩ শতাংশ ছাড় পাবেন। এই উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য হল যাত্রীদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দিকে আরও বেশি উৎসাহিত করা। তবে এই ছাড়টি রেলওয়ান অ্যাপের (Indian Rail) সমস্ত ডিজিটাল পেমেন্ট মোডে প্রযোজ্য হবে।

    কবে থেকে কবে ছাড় (RailOne)?

    ৩০ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখের এক সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাটি ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ছয় মাস জুড়ে কার্যকর থাকবে। বর্তমানে রেলওয়ান অ্যাপ ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র অ্যাপের নিজস্ব ওয়ালেট পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে লেনদেন (Indian Rail) করলে ৩ শতাংশ ক্যাশব্যাকের সুবিধাও পাবেন। তবে রেল মন্ত্রক (RailOne) এখন এই উৎসাহমূলক সুবিধাটিকে ডিজিটাল পেমেন্টের বিস্তৃত পরিসরে প্রসারিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    ডিজিটাল বুকিংকে আরও জনপ্রিয়

    রেলে মন্ত্রক (Indian Rail) সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম (CRIS)-কে পাঠানো এক চিঠিতে জানিয়েছে, ডিজিটাল বুকিংকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার উদ্দেশ্যে রেলওয়ান (RailOne) অ্যাপে সমস্ত ডিজিটাল পেমেন্ট মোডের মাধ্যমে অসংরক্ষিত টিকিট বুকিংয়ের উপর ৩ শতাংশ ছাড়-এর পরিষেবা দেবে। একই ভাবে রেলের প্রযুক্তিগত বিভাগ সিআরআইএ (CRIS)-কে এই নতুন সুবিধাটি চালু করার আগে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়াও হয়েছে।

    রেলের (Indian Rail) এক আধিকারিক এই প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বিদ্যমান ৩ শতাংশ ক্যাশব্যাক অফারটি নতুন ছাড়ের প্রকল্পের পাশাপাশি চলতে থাকবে। তবে ৩ শতাংশ ছাড়ের এই নতুন সুবিধাটি শুধুমাত্র রেলওয়ান অ্যাপের মাধ্যমে করা সমস্ত ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য প্রযোজ্য হবে। অন্য কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে টিকিট কাটলে এই ছাড় পাওয়া যাবে না।

LinkedIn
Share