Tag: Indian Railway

Indian Railway

  • India’s 1st Bullet Train: ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন! ৮টি কোচে সফর করতে পারবেন ৫৫৭ জন যাত্রী

    India’s 1st Bullet Train: ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন! ৮টি কোচে সফর করতে পারবেন ৫৫৭ জন যাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। এবার ভারতের মাটিতেই তৈরি হচ্ছে প্রথম দেশীয় প্রযুক্তির বুলেট ট্রেন (India’s 1st Bullet Train)। মুম্বই-আমেদাবাদ হাইস্পিড রেল করিডরের জন্য তৈরি এই অত্যাধুনিক ট্রেনের উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বেঙ্গালুরুর ভারত আর্থ মুভার্স লিমিটেড (BEML)-এর কারখানায়। বিদেশি প্রযুক্তির উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীলতা কাটিয়ে ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারদের হাত ধরেই তৈরি হচ্ছে এই ট্রেন। দেশের আবহাওয়া, জলবায়ু এবং রেল চলাচলের বিশেষ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এর নকশা তৈরি করা হয়েছে।

    কত গতিতে ছুটবে বুলেট ট্রেন?

    নতুন এই বুলেট ট্রেনের সর্বোচ্চ পরীক্ষামূলক গতি ঘণ্টায় ২৮০ কিলোমিটার। তবে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেনটি ঘণ্টায় ২৪৯ কিলোমিটার গতিতে চলবে। ট্রেনটির মোট দৈর্ঘ্য হবে ২০২ মিটার। থাকবে মোট ৮টি কোচ। এর মধ্যে চারটি মোটর কার এবং চারটি ট্রেলার কার। একসঙ্গে মোট ৫৫৭ জন যাত্রী সফর করতে পারবেন। বিশেষভাবে সক্ষম এবং চলাফেরায় অসুবিধা রয়েছে এমন যাত্রীদের জন্যও থাকছে দুটি নির্দিষ্ট আসন। ট্রেনটিতে সাতটি স্ট্যান্ডার্ড ক্লাসের কোচ থাকবে, যেখানে ৩×২ আসন বিন্যাসে বসার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি একটি এক্সিকিউটিভ ক্লাসের কোচে থাকবে ২×২ আসন বিন্যাস। ট্রেনের দু’প্রান্তেই থাকবে চালকের কেবিন। অত্যাধুনিক অনবোর্ড কন্ট্রোল সিস্টেমের মাধ্যমে ট্রেন পরিচালনা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ব্যবস্থা থাকবে।

    যাত্রীদের আরামের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

    যাত্রীদের আরামদায়ক সফরের কথা মাথায় রেখে ট্রেনের ভিতরের নকশা তৈরি করা হয়েছে। থাকবে প্রশস্ত আসন, পর্যাপ্ত লেগরুম এবং আধুনিক অভ্যন্তরীণ সজ্জা। প্রতিটি কোচের মধ্যে সংযোগকারী বিশেষ সিল করা গ্যাংওয়ে থাকবে, যার সাহায্যে যাত্রীরা সহজেই এক কোচ থেকে অন্য কোচে যেতে পারবেন। প্রতিটি আসনের সারির পাশে থাকবে বড় জানালা। ফলে যাত্রাপথের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন যাত্রীরা। আধুনিক এলইডি আলো, মাথার উপরে লাগেজ রাখার জায়গা এবং বড় ব্যাগ রাখার জন্য আলাদা স্ট্যান্ডের ব্যবস্থাও থাকছে। মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ চার্জ দেওয়ার জন্য প্রতিটি আসনের কাছে থাকবে পৃথক পাওয়ার আউটলেট। এছাড়াও পরিবেশবান্ধব বায়ো-ডাইজেস্টার টয়লেট থাকবে ট্রেনটিতে। এর ফলে বর্জ্যের পরিবেশগত প্রভাব কমানো সম্ভব হবে।

    থাকছে আধুনিক তথ্য ও বিনোদন ব্যবস্থা

    যাত্রাপথে প্রয়োজনীয় তথ্য জানাতে প্রতিটি কোচে থাকবে এলসিডি ডিসপ্লে। ইংরেজি, হিন্দি এবং আঞ্চলিক ভাষায় ট্রেনের বিভিন্ন তথ্য দেখতে পারবেন যাত্রীরা। পাশাপাশি থাকবে পাবলিক অ্যাড্রেস এবং স্বয়ংক্রিয় ঘোষণার ব্যবস্থা। যাত্রীদের বিনোদনের জন্য থাকছে উচ্চগতির ওয়াই-ফাই নির্ভর ইনফোটেনমেন্ট সিস্টেম। এর মাধ্যমে আগে থেকে লোড করা বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন তাঁরা। জরুরি পরিস্থিতিতে ট্রেনের কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য থাকবে বিশেষ ইমার্জেন্সি টক-ব্যাক ইউনিট।

    বিশেষভাবে সক্ষম যাত্রীদের জন্য বিশেষ সুবিধা

    সকলের যাতায়াত সহজ করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ট্রেনের মেঝে এবং প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা একই রাখা হবে, যাতে সহজেই ওঠানামা করা যায়। ট্রেনের দরজায় থাকবে প্রত্যাহারযোগ্য ফুটস্টেপ, যা প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেনের মধ্যবর্তী ফাঁক কমাতে সাহায্য করবে। বিশেষভাবে সক্ষম যাত্রীদের উপযোগী করে তৈরি করা হবে দরজা ও শৌচাগার। দৃষ্টিহীন যাত্রীদের জন্য থাকবে ব্রেইল পদ্ধতিতে লেখা নির্দেশিকা ও তথ্যচিহ্ন। সারা বছর যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে প্রতিটি কোচে থাকবে ডুয়াল-ইউনিট এইচ-ভ্যাক ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে কোচের ভিতরের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। পাশাপাশি শব্দদূষণ কমানোর জন্য ট্রেনের বডি এবং মেঝেতে বিশেষ সাউন্ড ইনসুলেশন ও নয়েজ ড্যাম্পিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

    শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী প্রযুক্তি

    ২৫ কেভি এসি ওভারহেড বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় চলবে এই বুলেট ট্রেন। শক্তি সাশ্রয়ের জন্য থাকছে অত্যাধুনিক রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেম। ট্রেনের গতি কমানোর সময় উৎপন্ন শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুতে রূপান্তর করে বৈদ্যুতিক গ্রিডে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার কমানো সম্ভব হবে। এছাড়াও ট্রেনের সামনের অংশ এবং সম্পূর্ণ বডি বিশেষ অ্যারোডাইনামিক পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়েছে। কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে এর নকশা তৈরি করেছেন ইঞ্জিনিয়াররা। এর ফলে বাতাসের বাধা কমবে, টানেলের মধ্যে প্রবেশের সময় বায়ুর চাপজনিত শব্দ ও অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। সব মিলিয়ে, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই বুলেট ট্রেন ভারতের রেল পরিকাঠামোয় এক নতুন দিগন্ত খুলে দিতে চলেছে। গতি, আরাম, নিরাপত্তা এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মেলবন্ধনে ভারতের হাইস্পিড রেল পরিষেবাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

  • Railway Land Encroachment: রেলের ১,০৬৮ হেক্টর জমি জবর-দখলে! আরটিআই-তে বেরল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Railway Land Encroachment: রেলের ১,০৬৮ হেক্টর জমি জবর-দখলে! আরটিআই-তে বেরল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি সমস্যায় জর্জরিত ভারতীয় রেল। পশ্চিমবঙ্গে রেলের জমি (Rail Land Encroachment) পুনরুদ্ধার নিয়ে টানাপড়েন তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতেই দেশজুড়ে রেলের বিপুল সম্পত্তি বেদখল হয়ে থাকার খতিয়ান সামনে এল। তথ্যের অধিকার আইনের (RTI) আওতায় রেল বোর্ডের দেওয়া সাম্প্রতিক এক জবাবে জানা গেছে, ২০২৫ সালের মার্চ মাস (২০২৪-২৫ অর্থবর্ষ) পর্যন্ত দেশজুড়ে রেলের প্রায় ১০৬৮.৫৪ হেক্টর জমি বেআইনিভাবে দখল হয়ে রয়েছে (এক হেক্টর প্রায় আড়াই একরের সমান)। দেশের অন্যতম বৃহৎ সরকারি সম্পদের মধ্যে ভারতীয় রেলের জমি অন্যতম। কিন্তু সেই জমির বড় অংশই বছরের পর বছর বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে দেশের জনগণের একাংশ। তার জেরে পরিষেবা সম্প্রসারণ ক্ষেত্রে ব্যাপক অসুবিধার মুখে পড়েছে এশিয়ার বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক।

    ৪২টি নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের সমান

    সম্প্রতি তথ্যের অধিকার (RTI) আইনে পাওয়া রেল বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ভারতীয় রেলের ১,০৬৮.৫৪ হেক্টর জমি অবৈধ ভাবে জবরদখলকারীদের হাতে রয়েছে। রেলওয়ের বেদখল হওয়া এই জমি প্রায় ৪২টি নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের সমান। গুজরাটের মোতেরায় ‘নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম’ দর্শকাসনের দিক থেকে এই মুহূর্তে পৃথিবীর বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম। প্রায় ২৫.৫ হেক্টর জায়গা জুড়ে গড়ে উঠেছে এই ক্রীড়াক্ষেত্র। রেলের বেদখল হয়ে থাকা এই জমিতে (Railway Land Encroachment) অনায়াসেই এমন ৪২টি আস্ত মোদি স্টেডিয়াম তৈরি করে ফেলা সম্ভব!

    কতগুলো ফুটবল মাঠের পরিমাণ জমি

    এছাড়াও ১,৪৯৬টি ফিফা-মানের ফুটবল মাঠ এঁটে যাবে এই জমিতে। রিপোর্টে উল্লেখ, শেষ পাঁচ বছরে রেলের জমি অবৈধ ভাবে দখলের প্রবণতা আরও বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে আগের থেকে প্রায় ৩২ শতাংশ বেড়েছে জবরদখল। ফলে রেলের জমির সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

    বিগত পাঁচ বছরে রেলের জমি দখলের ছবি—

    • ● ২০২০-২১ অর্থবর্ষ: রেলের ৮১০.৩১ হেক্টর জমি অন্যের দখলে ছিল।
    • ● ২০২১-২২ অর্থবর্ষ: সামান্য কমে বেদখল জমির পরিমাণ দাঁড়ায় ৭৮২.৮১ হেক্টরে।
    • ● ২০২২-২৩ অর্থবর্ষ: গ্রাফ আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ৮০০ হেক্টরের গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়।
    • ● ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষ: মাত্র এক বছরের ব্যবধানে দখলদারির হার বেনজিরভাবে বৃদ্ধি পায়। প্রায় ২৬৮ হেক্টর জমি নতুন করে বেদখল হওয়ায় মোট পরিমাণ দাঁড়ায় ১০৭৮.৫৫ হেক্টরে।
    • ● ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষ: গত মার্চ মাস পর্যন্ত জবরদখল হয়ে থাকা জমির পরিমাণ সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ১০৬৮.৫৪ হেক্টরে।

    রেলের মোট জমির পরিমাণ কত?

    সংসদে রেল মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১ এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত ভারতীয় রেলের মোট জমির (Railway Land Encroachment) পরিমাণ ছিল প্রায় ৪.৯৯ লক্ষ হেক্টর। তার মধ্যে ১,০৬৮ হেক্টর, অর্থাৎ মোট জমির মাত্র ০.২১ শতাংশ অবৈধ দখলের আওতায় রয়েছে। যদিও শতাংশের হিসেবে এই সংখ্যা কম, বাস্তবে জমির পরিমাণ অত্যন্ত বড়। ২০২১-২২ সালে জবরদখলের প্রবণতা সামান্য কমলেও, পরের দুই বছরে দখলের পরিমাণ দ্রুত বেড়ে যায়। বিশেষ করে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এক বছরে প্রায় ২৬৮ হেক্টর জমি নতুন করে জবরদখল হয়ে যায়, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২৪-২৫ সালে বেদখলের প্রবণতা সামান্য হ্রাস পেলেও সামগ্রিক রিপোর্ট উদ্বেগজনক।

    মাত্র পাঁচ বছরের হিসেব

    প্রসঙ্গত, আরটিআই-তে আবেদনকারী গত ২৫ বছরের জমি দখলের তথ্য চেয়েছিলেন। কিন্তু রেল বোর্ড জানিয়েছে, তারা মাত্র পাঁচ বছরের তথ্য সংরক্ষণ করে। ফলে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়। এ ছাড়াও, কোন রাজ্যে সবচেয়ে বেশি রেল জমি দখল হয়েছে, সেই সংক্রান্ত তথ্যও রেল বোর্ডের কাছে নির্দিষ্ট ভাবে নেই। বোর্ড জানিয়েছে, রাজ্য বা জ়োনভিত্তিক তথ্য সংশ্লিষ্ট জ়োনাল রেলের পাবলিক ইনফরমেশন অফিসারের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। অর্থাৎ, সারা দেশের জমি দখলের কোনও কেন্দ্রীয় ডেটাবেস বর্তমানে রেল বোর্ডের কাছে নেই।

    উদ্ধারের গুরুদায়িত্ব ও অন্তহীন চ্যালেঞ্জ

    জমি (Railway Land Encroachment) হারানোর এই দ্রুত হারের বিপরীতে দাঁড়িয়ে তা পুনরুদ্ধারের কাজ রেলের কাছে এখন মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। লোকালয় গড়ে ওঠা, আইনি জটিলতা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সমীকরণের কারণে বেদখল জমি উদ্ধার করা রীতিমতো দুরূহ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাঁচ বছরে মাত্র ৯৮.০২ হেক্টর জমি উদ্ধার করতে পারার পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে, হারিয়ে যাওয়া রেলভূমি ফিরে পাওয়ার লড়াই কতটা কঠিন ও দীর্ঘমেয়াদি। রেল বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন রেললাইন, মালবাহী করিডর, স্টেশন পুনর্নির্মাণ এবং পরিকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য বিপুল জমির প্রয়োজন। সেই পরিস্থিতিতে রেলের নিজস্ব জমির উপর অবৈধ দখলদারি ভবিষ্যতের প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। একই সঙ্গে, পুরোনো তথ্যের অভাব এবং রাজ্যভিত্তিক কেন্দ্রীয় রেকর্ড না থাকায় সমস্যার গভীরে ঢুকে প্রকৃত চিত্র মূল্যায়নকে কঠিন করে তুলছে।

  • Hydrogen Powered Train: রেলের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়, পথ চলা শুরু করছে ভারতের প্রথম ১০ কামরার হাইড্রোজেন-চালিত ট্রেন

    Hydrogen Powered Train: রেলের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়, পথ চলা শুরু করছে ভারতের প্রথম ১০ কামরার হাইড্রোজেন-চালিত ট্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি-সাশ্রয়ী এবং টেকসই করে তোলার লক্ষ্যে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল ভারতীয় রেল (Indian Railway)। হরিয়ানার জিন্দ-সোনিপত শাখায় পাইলট প্রজেক্ট বা পরীক্ষামূলকভাবে দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ফুয়েল (Hydrogen Powered Train) সেল-ভিত্তিক ১০ কামরার ট্রেনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১,২০০ কিলোওয়াটের হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রপালশন সিস্টেম দ্বারা চালিত এই অত্যাধুনিক ট্রেনটি দ্রুত যাত্রী পরিষেবা শুরু করবে। প্রাথমিক পর্যায়ে এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার নির্ধারিত হয়েছে।

    শক্তি দক্ষতা এবং পরিবেশবান্ধব (Hydrogen Powered Train)

    এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে ভারত জার্মানি, জাপান, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলির এলিট ক্লাবে প্রবেশ করল, যারা পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রেল পরিবহণের জন্য হাইড্রোজেনের ব্যবহার শুরু করেছে। ভারতীয় রেলের (Indian Railway) এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই প্রকল্পটি উদ্ভাবন, শক্তি দক্ষতা এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহণের প্রতি ভারতীয় রেলের বৃহত্তর প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি ভারতের জাতীয় পরিচ্ছন্ন জ্বালানি নীতি এবং ‘নেট-জিরো’ বা কার্বন নির্গমন শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যকে জোরালো সমর্থন জোগাবে।”

    কীভাবে কাজ করবে এই ট্রেন?

    ভারতীয় রেল ইতিমধ্যেই তার নেটওয়ার্কের প্রায় ১০০ শতাংশ অংশই বৈদ্যুতিকীকরণের আওতায় নিয়ে এসেছে, যা কার্বন নির্গমন বহুলাংশে হ্রাস করেছে। তবে হাইড্রোজেন ট্রেনের (Hydrogen Powered Train) ক্ষেত্রে রেল আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়েছে। এই ট্রেনগুলি বাইরে থেকে বিদ্যুৎ না নিয়ে নিজস্ব প্রযুক্তিতে ট্রেনের ভেতরেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রযুক্তিতে হাইড্রোজেনের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ তৈরি হয় এবং এর ফলে উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট হিসেবে শুধুমাত্র জলীয় বাষ্প নির্গত হয়। ফলে প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানির তুলনায় এটি সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত। জিন্দ-সোনিপত রুটের জন্য জিন্দে একটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তির হাইড্রোজেন স্টোরেজ এবং রিফুয়েলিং বা জ্বালানি ভরার কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে, যা ‘পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোসিভস সেফটি অর্গানাইজেশন’ (PESO)-এর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও পেয়েছে। প্রথম দিকে ট্রেনটির সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষিত কারিগরি কর্মীরা ট্রেনের (Indian Railway) ভেতরে উপস্থিত থাকবেন।

    কঠোর নিরাপত্তা প্রোটোকল

    যেহেতু বিশ্বজুড়ে এই প্রযুক্তি এখনও প্রাথমিক স্তরে রয়েছে, তাই এর পরিচালনায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভারতীয় রেলের (Indian Railway) নির্দেশিকা অনুযায়ী যা যা জানা গিয়েছে তা হল–

    • ● হাইড্রোজেন রিফুয়েলিং সিস্টেমের (Hydrogen Powered Train) চব্বিশ ঘণ্টা (২৪x৭) সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করা হবে।
    • ● অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলির জন্য শুধুমাত্র প্রত্যয়িত এবং বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত কর্মীদের মোতায়েন করা হবে।
    • ● হাইড্রোজেন উৎপাদন, সঞ্চয়স্থান এবং ফিলিং সেন্টারে উন্নত প্রযুক্তির ‘হাইড্রোজেন লিক ডিটেক্টর’ এবং ‘ফ্লেম ডিটেক্টর’ (আগুন সনাক্তকারী যন্ত্র)-এর মতো সেন্সর বসানো হয়েছে।
    • ● ধুলোকণা জমে যাতে কোনও বিপদ না ঘটে, তার জন্য নিয়মিত পরিদর্শন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কড়া নিয়ম অনুসরণ করা হবে।

    হাইড্রোজেনের ব্যবহার বাড়ছে সড়ক পরিবহণেও

    পরিবহণ ক্ষেত্রে হাইড্রোজেনের (Hydrogen Powered Train) ব্যবহার বাড়াতে ভারত সরকার প্রতিনিয়ত তৎপরতা দেখাচ্ছে। সম্প্রতি সড়ক পরিবহণের ক্ষেত্রেও বড় সাফল্য এসেছে। চলতি মাসের শুরুর দিকেই দিল্লির সেন্ট্রাল ভিস্তা এলাকায় দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (DMRC) দেশের প্রথম হাইড্রোজেন-চালিত শাটল বাস পরিষেবা চালু করেছে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (IOCL)-এর দেওয়া এই বাসগুলিতে ৩৫ জন যাত্রীর বসার আসন রয়েছে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিংয়ের জন্য বাসগুলিতে জিপিএস ও সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। পরিবেশবিদদের মতে, ভারতীয় রেলের (Indian Railway) এই সবুজ উদ্যোগ আগামী দিনে ভারতের সার্বিক পরিবহণ ব্যবস্থার ভোল বদলে দিতে পারে।

  • Ashwini Vaishnaw: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩টি নতুন রেল প্রকল্পের অনুমোদন কেন্দ্রের, চলবে জয়পুরগামী নতুন এক্সপ্রেস

    Ashwini Vaishnaw: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩টি নতুন রেল প্রকল্পের অনুমোদন কেন্দ্রের, চলবে জয়পুরগামী নতুন এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রী (Indian Railway) এবং রাজ্যের রেল পরিকাঠামোর জন্য বড় সুখবর। পশ্চিমবঙ্গের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন রেল প্রকল্প ও পরিষেবার অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) এই অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে পৃথক চিঠি পাঠিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

    রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর পরিকাঠামো ক্ষেত্রে রেল মন্ত্রকের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করতে এই প্রকল্পগুলি বড় ভূমিকা নেবে। নতুন অনুমোদিত ৩টি প্রধান রেল প্রকল্পগুলি হোল…

    ১. কলকাতা- জয়পুর নতুন এক্সপ্রেস ট্রেন (Ashwini Vaishnaw)

    কলকাতা ও রাজস্থানের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীদের সুবিধার্থে রেল মন্ত্রক একটি নতুন দূরপাল্লার এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর অনুমোদন দিয়েছে। ১৮০৬১/১৮০৬২ সাঁতরাগাছি-খাতিপুরা এক্সপ্রেস খড়গপুর হয়ে কলকাতার সাঁতরাগাছি এবং জয়পুরের খাতিপুরা স্টেশনের (Indian Railway) মধ্যে চলাচল করবে। এই নতুন ট্রেনটি চালু হলে পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষা এবং পারিবারিক কারণে দুই রাজ্যের মধ্যে যাতায়াতকারী মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে এবং বর্তমান ট্রেনগুলির ওপর চাপ কমবে।

    ২. নিউ জলপাইগুড়ি-শিলিগুড়ি লাইনের ডবলিং (দ্বৈতকরণ)

    উত্তরবঙ্গের অত্যন্ত ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ রেল করিডোর নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) থেকে শিলিগুড়ির মধ্যে প্রায় ৭.১৫ কিলোমিটার রেল লাইনের ডবলিং বা দ্বৈতকরণের কাজ অনুমোদন পেয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই রুটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইনে ডবল ট্র্যাকিংয়ের কাজ সম্পন্ন হলে ট্রেনের (Indian Railway) গতি বাড়বে, যানজট ও বিলম্ব কমবে এবং রেলের পরিচালন ক্ষমতা অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।

    ৩. শালবনী-আদ্রা তৃতীয় লাইনের সমীক্ষা

    দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে শালবনী থেকে আদ্রা পর্যন্ত ১০৭ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রস্তাবিত তৃতীয় রেল লাইনের ‘ফাইনাল লোকেশন সার্ভে’ (FLS)-র অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সমীক্ষার পর একটি বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (DPR) তৈরি করা হবে। খনিজ ও শিল্পসমৃদ্ধ এই অঞ্চলে পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী ট্রেনের মসৃণ চলাচলের জন্য এই তৃতীয় লাইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

    ১৪,২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ

    রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw) জানিয়েছেন ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে পশ্চিমবঙ্গের রেল পরিকাঠামো (Indian Railway) উন্নয়নের জন্য রেকর্ড ১৪,২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তার পাশাপাশি চলতি মাসেই রাজ্যে রেলের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আরও ৮৯৫.৩০ কোটি টাকার একাধিক পরিকাঠামো প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছিল ভারতীয় রেল।

    রেল মন্ত্রকের আধিকারিকদের মতে, এই নতুন প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমবঙ্গের ব্যস্ততম রেল রুটগুলির জট কেটে যাবে, যাত্রীদের ভ্রমণের সময় কমবে এবং সার্বিকভাবে রাজ্যের অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

  • Vande Bharat: ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০০, ২০৪৭-এর মধ্যে ৪,৫০০ বন্দে ভারত ট্রেন চালাবে ভারতীয় রেল

    Vande Bharat: ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০০, ২০৪৭-এর মধ্যে ৪,৫০০ বন্দে ভারত ট্রেন চালাবে ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল তাদের ফ্ল্যাগশিপ ‘বন্দে ভারত’ ট্রেন সম্প্রসারণের এক বিরাট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০০টি এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে প্রায় ৪,৫০০টি বন্দে ভারত ট্রেন (Vande Bharat) চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। রেলমন্ত্রী এই  বিষয়ে লোকসভায় বিশেষ ভাষণ দিয়েছেন।

    রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের বক্তব্য (Vande Bharat)

    অশ্বিনী বৈষ্ণব সংসদে বলেন, “ভারতীয় রেল ২৬০টি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat) তৈরির পরিকল্পনা করছে। ভারতীয় রেলের উৎপাদন ইউনিটগুলো বন্দে ভারত, নমো ভারত, র‍্যাপিড এবং রিজিওনাল মেট্রো রেক, কলকাতা মেট্রো রেক, অমৃত ভারত এবং এলএইচবি (LHB) কোচের মতো বিভিন্ন ধরণের যাত্রীবাহী রোলিং স্টক তৈরি করছে।” তিনি বিস্তারিত রেল বিষয়ক তথ্য দিয়েছেন সংসদে।

    আধুনিকীকরণের স্তম্ভ

    আগামী দশকগুলিতে ভারতের যাত্রী রেল পরিষেবাকে (Vande Bharat) আধুনিকীকরণের প্রধান ভিত্তি হিসেবে এই সম্প্রসারণকে দেখা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০০টি ট্রেনসেট চালানোর লক্ষ্যে পরিকাঠামোর প্রস্তুতি এবং উৎপাদন বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    দেশীয় প্রযুক্তি

    এই সেমি-হাই-স্পিড ট্রেনগুলো ভারতের প্রথম নিজস্ব পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিতে তৈরি ট্রেনসেট। আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত যাত্রী পরিষেবা এবং কম সময়ে ভ্রমণের মাধ্যমে আন্তঃশহর রেল পরিষেবাকে (Indian railway) শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এগুলো তৈরি করা হয়েছে।

    বর্তমান অবস্থা

    ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করার পর থেকে এই প্রকল্পটি যথেষ্ট গতি পেয়েছে। বর্তমানে ভারতের রেল নেটওয়ার্কে প্রায় ৮০টি বন্দে ভারত ট্রেন চলাচল করছে।

    মেক ইন ইন্ডিয়া

    ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (ICF) প্রায় ৯০ শতাংশ দেশীয় যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই ট্রেনগুলো তৈরি করা হচ্ছে। এই কাজের সবটাই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। টিটাগড় রেল (Vande Bharat) সিস্টেমসের মতো বেসরকারি কোম্পানিগুলোও এই উৎপাদনে সহযোগিতা করছে।

    প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য

    এই ট্রেনগুলোর সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার এবং এতে শক্তি সাশ্রয়ের জন্য ‘রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেম’ ব্যবহার করা হয়েছে।

    দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য

    ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বন্দে ভারত ট্রেনের সংখ্যা ৪,৫০০-তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    অর্থনৈতিক প্রভাব

    এই কর্মসূচি উৎপাদন, ইস্পাত, ইলেকট্রনিক্স এবং শক্তি খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর পাশাপাশি ভারতকে এশিয়া ও আফ্রিকান বাজারে রেল প্রযুক্তি রফতানিকারক দেশ হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

    স্লিপার ভেরিয়েন্ট

    দূরপাল্লার যাত্রার জন্য বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের স্লিপার (Vande Bharat) সংস্করণটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দুটি ট্রেন তৈরি করা হয়েছে, যা বর্তমানে হাওড়া এবং কামাখ্যার মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে চলাচল করছে।

    উৎপাদন প্রক্রিয়া

    বিইএমএল (BEML), চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (ICF) এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত অংশীদারদের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে এই উৎপাদন কার্যক্রম চালানো হবে। চাহিদা এবং পরিকাঠামোর প্রস্তুতির ওপর ভিত্তি করে এই ট্রেনগুলোকে যাত্রী পরিষেবায় আনা হবে।

    আধুনিক সুযোগ-সুবিধা

    এই ট্রেনগুলোতে উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ—

    উন্নত সুরক্ষা

    এতে ‘কবচ’ (KAVACH) স্বয়ংক্রিয় সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্র্যাশওয়ার্দি বডি ডিজাইন থাকবে।

    গতিবেগ

    এর নকশাকৃত সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৮০ কিমি এবং পরিচালনাগত গতিবেগ হবে ঘণ্টায় ১৬০ কিমি।

    অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা

    ইলেকট্রিক্যাল ক্যাবিনেট এবং শৌচাগারে অ্যারোসল-ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় অগ্নি শনাক্তকরণ ও নির্বাপণ ব্যবস্থা থাকবে।

    পরিচ্ছন্নতা ও বায়ু চলাচল

    শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রে অতিবেগুনী (UV-C) রশ্মি ভিত্তিক জীবাণুনাশক ব্যবস্থা থাকবে যা ৯৯% ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সক্ষম।

    অন্যান্য সুবিধা

    স্বয়ংক্রিয় প্লাগ ডোর, সিসিটিভি ক্যামেরা, জরুরি বার্তা আদান-প্রদান ইউনিট, এবং দিব্যাঙ্গ যাত্রীদের জন্য বিশেষ শৌচাগারের ব্যবস্থা থাকবে।

    উন্নত মনিটরিং

    সেন্ট্রালাইজড কোচ মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ এবং আলোর ব্যবস্থা তদারকি করা হবে। এছাড়া ওপরের বার্থে ওঠার জন্য উন্নত নকশার মই ব্যবহার করা হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে নয়া ৫ রেল লাইনের অনুমোদন মোদি সরকারের, কোন কোন জেলার উপর দিয়ে যাবে?

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে নয়া ৫ রেল লাইনের অনুমোদন মোদি সরকারের, কোন কোন জেলার উপর দিয়ে যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নতুন ৫ রেললাইনের অনুমোদন কেন্দ্রের। এই প্রকল্পগুলি দীর্ঘ দিন ধরে জন সাধারণের দাবি দাওয়ার মধ্যে ছিল। মানুষের প্রয়োজনকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় সরকার মান্যতা দিয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নিজেই এই ঘোষণার কথা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “পূর্ব মেদিনীপুর, হুগলি, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার মতো একাধিক জায়গায় নতুন করে রেল লাইন পাতা হবে। এখানে বহু দিন ধরে রেল (Indian Railway) যোগাযোগ অপর্যাপ্ত ছিল। নতুন লাইনে যোগাযোগ এবং যাতায়েত অনেক মসৃণ হবে।”

    কোন ৫টি রুটে ব্যবসা-বাণিজ্য-যোগাযোগ বাড়বে (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যে নতুন করে রেলে লাইনের অনুমোদনে কেন্দ্রীয় সরকারকে অভিনন্দন ব্যক্ত করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর একটি পোস্ট করা বার্তায় জানা গিয়েছে মোট পাঁচটি নতুন রেললাইন প্রকল্পের গ্রীন সিগন্যাল পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, কাঁথি থেকে এগরা পর্যন্ত নতুন রেললাইন, নন্দকুমার থেকে বলাইপণ্ডা পর্যন্ত রেল লাইন সংযোগ এবং নন্দীগ্রাম থেকে কেন্দামারি নয়াচর পর্যন্ত নতু্ন লাইন। একইসঙ্গে হুগলি জেলায় বোয়াইচণ্ডী থেকে আরামবাগ এবং বোয়াইচণ্ডী থেকে খানা পর্যন্ত দুটি পৃথক রেললাইন (Indian Railway) প্রকল্প অনুমোদনের কথাও জানানো হয়েছে। আবার বাঁকুড়া কলাবতী থেকে পুরুলিয়া হয়ে হুড়া পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণের পরিকল্পনাও করা হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, “কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব রাজ্যের একাধিক জায়গায় রেলপথ বিস্তারের অনুমোদন করেছেন। রাজ্যের একাধিক জায়গায় এই সুবিধার কারণে ব্যবসা, বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং সামগ্রিক উন্নয়নে নতুন গতি আসবে।”

    মোদির নেতৃত্বে বাংলার সার্বিক উন্নয়ন

    নিজের পোস্টে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এই সিদ্ধান্তে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বহুদিনের প্রত্যশা পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বাংলার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে দ্রুত এবং দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।”

    তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে যে সব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রেলের (Indian Railway) যোগাযোগ ছিল না সেখানে এখন যোগাযোগ বাড়বে। রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক ভাবে এই সিদ্ধান্ত একান্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • Jayrambati New Train: মা সারদার জন্মভিটেতে গড়াল রেলের চাকা, জয়রামবাটিতে খুশির জোয়ার

    Jayrambati New Train: মা সারদার জন্মভিটেতে গড়াল রেলের চাকা, জয়রামবাটিতে খুশির জোয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। মা সারদার জন্মভিটেয় পৌঁছল রেলের চাকা। জটিলতা কাটিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে আরও একধাপ এগিয়ে গেল বিষ্ণুপুর তারকেশ্বর রেল যোগাযোগ। ০৮০৯৫ জয়রামবাটি-বাঁকুড়া মেমু আজ, ১৯ জানুয়ারি থেকে বাঁকুড়া ও জয়রামবাটীর মধ্যে আপ ও ডাউন একবার করে চলবে। ট্রেনটি দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ছেড়ে, বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে বাঁকুড়া পৌঁছনোর কথা।

    জয়রামবাটি পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ

    মা সারদার পবিত্র জন্মভূমি জয়রামবাটিতে গড়াল বহু প্রতিক্ষিত রেলের চাকা। জীবদ্দশায় মা সারদা কলকাতা যাতায়াত করতেন বিষ্ণুপুর স্টেশন থেকে ট্রেন ধরে। এজন্য তাঁকে জয়রামবাটি থেকে বিষ্ণুপুর স্টেশন পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার রাস্তা যাতায়াত করতে হত গরুর গাড়িতে। সেই জয়রামবাটিকে রেলপথে যুক্ত করার দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। ভাবাদিঘির জমিজটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে কার্যত থমকে ছিল রেলপথ নির্মাণের কাজ। চলতি বছরের মার্চ মাসে এই জয়রামবাটি পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের কাজ শেষ হয়। ২৭ মার্চ জয়রামবাটি পর্যন্ত পরীক্ষামূলক ভাবে ট্রেন চালিয়ে ওই লাইনে ট্রেন চলাচলে সবুজ সংকেত দেয় কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি। এরপরে জোরকদমে শুরু হয় ট্রেন চলাচলের অন্যান্য পরিকাঠামো তৈরীর কাজ।

    প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ট্রেন চলাচলের সূচনা

    রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সিঙ্গুরে এসে জয়রামবাটি পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের সূচনা করার সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রীবাহী একটি ট্রেন মা এর গাঁ হিসেবে পরিচিত জয়রামবাটি স্টেশন থেকে ছেড়ে বাঁকুড়ার উদ্যেশ্যে রওনা দেয়। রেলের তরফে জানানো হয়েছে আপাতত একটি ট্রেন প্রতিদিন বাঁকুড়া থেকে জয়রামবাটি পর্যন্ত যাতায়াত করবে। অদূর ভবিষ্যতে এই রেল লাইন তারকেশ্বরের সঙ্গে যুক্ত হলে সরাসরি হাওড়া পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হবে। এর ফলে শুধু এলাকার আর্থ সামাজিক পরিস্থিতির বদল হবে তাই নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পর্যটনেরও যথেষ্ট বিকাশ ঘটবে। জয়রামবাটি পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের সূচনা লগ্নে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশন ও মন্দিরের সাধু-সন্ন্যাসীরা। ছিলেন জয়রামবাটি-সহ আশপাশের বহু এলাকার মানুষ। বহু গুণীজন ও মা সারদার ভক্তরা স্বপ্নপুরণের সাক্ষী থাকতে হাজির হয়েছিলেন মাতৃ মন্দিরের আদলে তৈরী সুদৃশ্য জয়রামবাটি স্টেশনে।

  • PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৭ তারিখ মালদহ ও ১৮ তারিখ হুগলির সিঙ্গুরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। কোটি কোটি টাকার রেল প্রকল্পের সূচনা করবেন মোদি। যা ভারত তথা বাংলার রেল মানচিত্রে নিয়ে আসবে বড় বদল। নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বাংলায় আসা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জানিয়েছেন, কেবল মালদায় ৩,২৫০ কোটিরও বেশি টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস হবে। হাওড়া ও গুয়াহাটির মধ্যে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের শুভ সূচনা করা হবে।

    বঙ্গ সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

    নিজের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal) লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গে রেল পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই আগামীকালের অনুষ্ঠানে বালুরঘাট–হিলি নতুন রেললাইন, নিউ জলপাইগুড়িতে অত্যাধুনিক মালবাহী ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, শিলিগুড়ির লোকো শেডের উন্নয়ন এবং জলপাইগুড়িতে বন্দে ভারত ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির শিলান্যাস করা হবে।” পাশাপাশি, ৪টি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও শুভ সূচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ মালদা স্টেশনে দেশের প্রথম হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি ভার্চুয়ালি গুয়াহাটি (কামাখ্যা)–হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটিরও উদ্বোধন করবেন। এর পর পৌনে ২টো নাগাদ সাহাপুর মালদা বাইপাস সংলগ্ন মাঠে মোদির সভা রয়েছে। সেখানে ৩,২৫০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক রেল ও সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন তিনি। ধূপগুড়ি-ফালাকাটা (৩১ডি) জাতীয় সড়কের কিছু অংশের সংস্কার ও চার লেনের শিলান্যাস করবেন মোদি। যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের যাতায়াত আরও সহজ করে তুলবে এই সংস্কার এবং নতুন চার লেনের রাস্তা।

    সিঙ্গুরে রবিবার

    রবিবার ১৮ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi in Bengal) সরকারি সভা রয়েছে হুগলির সিঙ্গুরে। সেখান থেকে ৮৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। বালাগড়ে বর্ধিত বন্দর গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রোড ওভার ব্রিজও। বিজেপি নেতৃত্বের কথায় ১৭ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গের রেল মানচিত্রে ঐতিহাসিক দিন হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর আসন্ন রাজ্য সফর সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলার উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন। তাঁর এই সফর এই উন্নয়নের যাত্রায় আরও একটি সংযোজন। বাংলার জনগণের উপকারের জন্য তিনি ধারাবাহিক অবদান রেখে চলেছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বার্তা

    শুধু প্রকল্প উদ্বোধনই আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতেও অংশ নেবেন বলে হুঙ্কার দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর মতে, রাজ্যের সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে নিয়ে তিতিবিরক্ত। তাঁরা চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার। নিজের পোস্টে এই বিষয়টা স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। তিনি লেখেন, ‘আগামীকাল বিজেপির সমাবেশে আমি মালদা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় আছি। প্রতিদিনই তৃণমূলের অপশাসনের কোনও না কোনও নতুন উদাহরণ সামনে আসছে। তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তিতিবিরক্ত এবং এই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করতে তাঁরা প্রস্তুত। মানুষ চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার।’

LinkedIn
Share