Tag: Indian Railways

Indian Railways

  • I-Pac: আইপ্যাকের অভিযানে দিল্লির সদর দফতরে রিপোর্ট পাঠাল ইডি, মমতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

    I-Pac: আইপ্যাকের অভিযানে দিল্লির সদর দফতরে রিপোর্ট পাঠাল ইডি, মমতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাক (I-Pac) অভিযানে বিস্তারিত রিপোর্ট দিল্লির সদর দফতরে পাঠাল ইডি (Enforcement Directorate)। তাতে সাফ জানানো হয়েছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই তদন্তের নথি, ল্যাপটপ এবং হার্ডডিক্স ছিনতাই করে নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাহিনী, কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা ঠিক কেমন ছিল বিশদে জানতে চেয়ে রিপোর্ট করা হয়েছে। আর তার ভিত্তিতেই প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান, বিবরণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে ইডি।

    কপি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হবে (I-Pac)

    রাজ্যে কয়লা পাচার এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের তদন্ত করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপক বাধার সম্মুখীন হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এবং লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের (I-Pac) কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। এই ঘটনার বিস্তৃত বিবরণ দিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর দিল্লির ইডির (Enforcement Directorate) সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরেও রিপোর্ট পাঠানো হতে পারে।

    ১২ টা ০৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে যান মমতা

    ঘটনার দিনের বিবরণ ইতিমধ্যেই একটি প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে ইডি। কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা করা হয়েছে তা মামলার নথিতে স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়েছে। তবে ইডির দাবি, তল্লাশি চলাকালীন জোর করে গুরুত্বপূর্ণ নথি কেড়ে নিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বেআইনি আর্থিক মামলায় পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লির ১০টি জায়গায় তদন্তে বাধার অভিযোগ তুলেছে। সাংবিধানিক ক্ষমতাকে অবৈধভাবে ব্যবহার করে তাল্লাশি অভিযান চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ছিনতাই করে নিয়ে যান তিনি। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ইতিমধ্যেই তারা আদালতে জানিয়েছে, প্রতীকের (I-Pac) বাড়িতে তল্লাশির সময় একাধিক ডিজিটাল নথি উদ্ধার করা হয়েছে। বেলা ১১ টা নাগাদ কলকাতা পুলিশের সাউথ ডিসি প্রিয়ব্রত রায় লাউডন ষ্ট্রিটের ওই বাড়িতে যান। পুলিশ কর্তার অবশ্য দাবি, ওই বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। পরে অবশ্য ইডির অফিসাররা সকলের পরিচয় এবং তল্লাশির কাগজপত্র দেখান। ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মনোজ বর্মাও। দুপুর ১২ টা ৫ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। নিজের অধিকার প্রয়োগ করে তদন্তের কাজে বাধা দেন। জোর করে ডিজিটাল নথি তুলে নিয়ে যান। ১২ টা ১৫ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে যান। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই মামলা করা হয়। পৃথকভাবে মামলা করা হয়েছে ইডির (Enforcement Directorate) তরফেও। আগামী ১৪ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন ইডির

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রিপোর্টে ইডির কাছে জানতে চেয়েছে, তল্লাশির (I-Pac) সময় কোন কোন সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল তদন্তকারীদের। রাজ্য পুলিশের ভূমিকাই কি ছিল? পুলিশ কতটা সক্রিয় ছিল? কেন্দ্রীয় বাহিনী ওই সময় কোন দায়িত্ব পালন করেছে। তাল্লাশির পর রাজ্যের শাসকদল কি ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে? এই সব বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। আইপ্যাক অভিযানের পরের দিনই আবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, “এই তল্লাশি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশল জানার লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় সংস্থা অভিযান চালিয়েছে এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।” অন্য দিকে, তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate)। ইডি জানিয়েছে, “বেআইনি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের কোনও যোগ নেই।”

    দুর্নীতির তদন্ত চান না মুখ্যমন্ত্রী?

    তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (Enforcement Directorate) পক্ষ থেকে বলা হয়, “সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং জোর করে গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।” ফলে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই এবার পুরো ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখ্য আগেও তৃণমূলের নেতাদের দুর্নীতি ঢাকতে বিভিন্ন সময়ে ইডি-সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন, কাজে বাধা দিয়েছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যদি তদন্তে বাধা দেন তাহলে এই রাজ্যে দুর্নীতিগ্রস্থদের পাশে সরকার এই কথা বলতেই হয়। অন্তত এমনই অভিমত বিজেপির।

  • Railways: শতাব্দী এক্সপ্রেসের ভোলবদল, পুরনো চেয়ার কার কোচের জায়গায় বন্দে ভারতের রেক! বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    Railways: শতাব্দী এক্সপ্রেসের ভোলবদল, পুরনো চেয়ার কার কোচের জায়গায় বন্দে ভারতের রেক! বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত (Vande Bharat) চেয়ার কার ট্রেন উৎপাদন বন্ধ করার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল ভারতীয় রেল (Railways)। রেল বোর্ডের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ থেকে ২০২৯-৩০ – এই চার বছরের মধ্যে মোট ১,৫০০টি বন্দে ভারত চেয়ার কার কোচ তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে মোট ৮৮টি ট্রেন রেক প্রস্তুত হবে।

    কোথায় হবে তৈরি (Railways)

    রেল সূত্রে খবর, এই ১,৫০০ কোচের মধ্যে ৭২০টি কোচ চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হবে। বাকি কোচগুলি অন্যান্য উৎপাদন ইউনিটে নির্মিত হবে। রেলের এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, ইন্টার সিটি রুটে চলাচলকারী সমস্ত শতাব্দী এক্সপ্রেস ট্রেন, যেগুলির রেক উৎপাদন ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেগুলিকে ধাপে ধাপে বন্দে ভারত রেকে রূপান্তরিত করা হবে। সে ৮৮টি রেক তৈরি হবে, তার মধ্যে ৬৮টি রেক হবে ১৬ কোচের আর বাকি ২০টি রেক হবে ২০ কোচের ট্রেন সেট। বন্দে ভারত চেয়ার কার ট্রেনগুলির সর্বোচ্চ গতি ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। এগুলি মূলত ব্যবহার করা হবে দিনের বেলায় চলা ইন্টারসিটি পরিষেবার জন্যই। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত, চেন্নাইয়ের আইসিএফ, কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরি এবং রায়বেরেলির মডার্ন কোচ ফ্যাক্টরি – এই তিনটি উৎপাদন কেন্দ্রে মোট ৯৬টি বন্দে ভারত চেয়ার কার রেক তৈরি হয়েছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    এর মধ্যে বর্তমানে ৮২টি রেক পরিষেবায় রয়েছে, আর কয়েকটি কোচ রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছে। এছাড়াও, দক্ষিণ রেল, উত্তর রেল সহ কয়েকটি জোনে আরও কিছু বন্দে ভারত রেক বরাদ্দ করা হয়েছে, যদিও সেগুলি এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি। রেলের এই সিদ্ধান্তে আগামী দিনে দেশের ইন্টারসিটি যাত্রী পরিষেবা আরও আধুনিক ও গতিশীল হবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। রেল বোর্ডের প্রোডাকশন ইউনিট বিভাগের ডিরেক্টরের জারি করা ২ জানুয়ারির এক নির্দেশিকা অনুযায়ী, নয়া উৎপাদন পরিকল্পনায় ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি, রায়বেরেলি কোচ ফ্যাক্টরি, এবং মারাঠওয়াড়া কোচ ফ্যাক্টরি মিলিয়ে মোট ১,৫০০টি কোচ তৈরি করা হবে। এর মধ্যে আইসিএফ তৈরি করবে ৭২০টি, আরসিএফ তৈরি করবে ৩৩৬টি এবং এমসিএফ তৈরি করবে (Vande Bharat) ৪৪৪টি কোচ।

    কোথায়, কত ট্রেনসেট তৈরি হবে

    ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এই (Railways) তিনটি ইউনিট মিলিয়ে মোট ১৬-কোচ বিশিষ্ট ২৩টি ট্রেনসেট তৈরি করা হবে। তবে ২০২৭-২৮ সালে কোনও বন্দে ভারত ট্রেনসেট তৈরির পরিকল্পনা নেই। ২০২৮-২৯ সালে আইসিএফ ২০-কোচ বিশিষ্ট ২০টি ট্রেনসেট তৈরি করবে। এমসিএফ তৈরি করবে ১৬-কোচের ১২টি ট্রেনসেট। ২০২৯-৩০ অর্থবর্ষে আইসিএফ, আরসিএফ এবং এমসিএফ – এই তিনটি ইউনিট মিলিয়ে ১৬-কোচ বিশিষ্ট মোট ৩৩টি বন্দে ভারত ট্রেনসেট তৈরি করা হবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আইসিএফ একাই ৮৮টির বেশি বন্দে ভারত ট্রেনসেট তৈরি করেছে। বর্তমানে ভারতীয় রেল বন্দে ভারতের স্লিপার সংস্করণের উৎপাদনে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই কারণে ২০২৫-২৬ সালে ইন্টারসিটি পরিষেবার জন্য আইসিএফকে মাত্র ১১টি বন্দে ভারত চেয়ার কার ট্রেনসেট তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে অন্যান্য ইউনিটে আরও ২০টি ট্রেনসেট তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে চেয়ার কার বন্দে ভারত ট্রেনের জন্য আর কোনও নতুন পরিকল্পনা না থাকলেও, সাম্প্রতিক নীতিগত পরিবর্তনের ফলে আবারও এই ট্রেনগুলির উৎপাদন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেলের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “বন্দে ভারত চেয়ার কার কোচগুলিই আগামী চার বছরে ধাপে ধাপে শতাব্দী এক্সপ্রেসের পুরানো রেকগুলির জায়গা নেবে। এই (Vande Bharat) সিদ্ধান্ত যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য ও আধুনিকীকরণের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Railways)।”

  • Indian Railways: আবারও বাড়ছে রেলের ভাড়া, তবে লোকাল-মান্থলিতে ছাড়

    Indian Railways: আবারও বাড়ছে রেলের ভাড়া, তবে লোকাল-মান্থলিতে ছাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভাড়া বাড়াচ্ছে রেল (Indian Railways)। তবে তাতে আমজনতার কোনও ক্ষতি হবে না। কারণ লোকাল ট্রেনের ভাড়া (Train Fares) বাড়ছে না, মান্থলির ভাড়াও থাকছে অপরিবর্তিত। ভাড়া বাড়ছে কেবল দূরপাল্লার যাত্রিবাহী ট্রেনের। দূরপাল্লার যাত্রায় ভাড়ার নয়া কাঠামো প্রকাশ করে রেল জানিয়েছে, নতুন ভাড়া কার্যকর হবে বড়দিনের পরের দিন, ২৬ ডিসেম্বর থেকে।

    নয়া ভাড়া কাঠামো (Indian Railways)

    রেল সূত্রে খবর, ভাড়া বাড়ছে দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের। এসি, নন-এসি এই দুই শ্রেণির সংরক্ষিত টিকিটের ভাড়া বাড়ছে। এটি নির্ধারিত হবে কিলোমিটারের ভিত্তিতে। অসংরক্ষিত টিকিটের ভাড়াও বাড়ছে, তবে সে ক্ষেত্রে থাকছে নির্দিষ্ট নিয়ম। জানা গিয়েছে, নতুন কাঠামো অনুযায়ী, দূরপাল্লার ট্রেনে সাধারণ শ্রেণিতে ২১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রা করলে অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে হবে না। তবে তার পর প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধি করা হচ্ছে। দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেসে (নন-এসি) প্রতি কিলোমিটারে দু’পয়সা করে ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশোধিত ভাড়া অনুযায়ী, নন-এসিতে ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য যাত্রীদের অতিরিক্ত ১০ টাকা করে গুণতে হবে। এসির টিকিটের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে দু’পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে (Indian Railways)। রেল কর্তাদের আশা, চলতি বছরে নয়া ভাড়া কাঠামোয় রেল অতিরিক্ত প্রায় ৬০০ কোটি টাকা রোজগার করবে।

    ট্রেনের ভাড়া

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে এই নিয়ে দু’বার দূরপাল্লার ট্রেনের ভাড়া বাড়াল রেল। গত জুলাইয়েও কিলোমিটার পিছু ভাড়া বেড়েছিল দূরপাল্লার মেইল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের। সেবার অবশ্য দূরপাল্লার ট্রেনের নন-এসি দ্বিতীয় শ্রেণীর টিকিটের (অসংরক্ষিত টিকিট) ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে আধ পয়সা করে বাড়ানো হয়েছিল। একই সিদ্ধান্ত হয়েছিল স্লিপার এবং প্রথম শ্রেণির অসংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রেও। নন-এটি সংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা করে ভাড়া বাড়িয়েছিল রেল। আর এসির ক্ষেত্রে বাড়ানো (Train Fares) হয়েছিল কিলোমিটার পিছু দু’পয়সা করে। বড়দিনের পর থেকে ফের প্রায় সেই একই হারে বাড়ছে রেলের ভাড়া (Indian Railways)।

  • Indian Railways: ৩.০২ কোটি ভুয়ো আইডি ব্লক রেলের, অনলাইন তৎকালে চালু ওটিপি ভেরিফিকেশন

    Indian Railways: ৩.০২ কোটি ভুয়ো আইডি ব্লক রেলের, অনলাইন তৎকালে চালু ওটিপি ভেরিফিকেশন

    মাধ্যম ডেস্ক নিউজ: ভুয়ো আইডি দিয়ে রেলের টিকিট বুকিং সিস্টেমের বিরুদ্ধে শক্তিশালী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারতীয় রেল। জানা গিয়েছে, ৩.০২ কোটি ভুয়ো আইডি বন্ধ করে দিয়েছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। রেল হল ভারতের অন্যতম প্রধান গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম। সম্প্রতি রেলের টিকিট সংরক্ষণ এবং নিরাপদ যাত্রায় বৈধ টিকিটের জন্য এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যাত্রীদের সুবিধা এবং সঠিক পরিষেবার রেশ বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। রেলের টিকিটে (Irctc) কালো বাজারি বহুল অংশে বন্ধ হবে বলে মনে করছেন যাত্রীদের একাংশ।

    অ্যান্টি-বট সিস্টেম ইনস্টল করা হয়েছে (Indian Railways)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বছর ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ট্রেনের টিকিটে কালোবাজারি রোধ করতে ৩ কোটি ২০ লক্ষ সন্দেহজনক ইউজার আইডি ব্লক করেছে। এখন তৎকালে টিকিট বুকিংয়ের (Indian Railways) জন্য অ্যান্টি-বট সিস্টেম ইনস্টল করা হয়েছে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে কেবলমাত্র যথার্থ যাত্রীরাই বুকিং করতে পারবেন। অপর দিকে ৩২২টি ট্রেনে অনলাইন তৎকাল টিকিটের জন্য আধার ভিত্তিক ওটিপি ভেরিফিকেশন চালু হয়েছে। সেই সঙ্গে ২১১টি ট্রেনের (Irctc) রিজার্ভিশন কাউন্টারে এই সুবিধা কার্যকর করা হয়েছে।

    তবে রেলমন্ত্রকের সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাব লক্ষ্য করা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৯৬টি জনপ্রিয় ট্রেনের মধ্যে ৯৫ শতাংশ ট্রেনের তৎকাল টিকিট (Irctc) সহজলভ্য সময় বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে আগের তুলনায় যাত্রীরা খুব সহজেই নিজেদের টিকিট নিশ্চিত ভাবে তৈরি করতে পারবেন। তবে রেলের পক্ষ থেকে বার বার আধিকারিকরা বলেন, “ট্র্যাভেল ওয়েবসাইটগুলির উপর বিশ্বাস না রেখে টিকিট সংগ্রহ করুন। প্রিমিয়াম পরিষেবার নামে কিছু ওয়েবসাইট ৩ গুণ রিফান্ডের মতো স্কিম উপলব্ধ করে। কিন্তু এই ধরনের সুবিধা পাওয়ার আগে গ্রাহকদের সতর্ক থাকতে হবে।”

    আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহার করুন

    অনলাইন প্রতারকরা নানা সময়ে বিভিন্ন লিঙ্ক পাঠিয়ে রেলের (Indian Railways) সস্তায় টিকিট দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক করলেই ভুয়ো ওয়েবসাইট খুলে যায়। তবে একবার ব্যক্তিগত ভুল তথ্য দিলে প্রতারকরা দ্রুত টাকা হ্যাক করে নেয়। তাই ট্রেনের টিকিট (Irctc) বুক করার সময় সর্বদা আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহার করুন। একই ভাবে টাকা পেমেন্ট করার সময় শুধুমাত্র গুগুল-পে স্টোর, অ্যাপেল অ্যাপ স্টোর ডাউনলোড করুন। এইগুলি ছাড়া অন্য কোনও সাইটে এই সব আবেদন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোনও সময়ে প্রতারণা হওয়ার সুযোগ থাকে। তবে যদি নিজে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে মনে করেন, তাহলে সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ জানাতে পারেন।

  • Indian Railways: মালামাল পরিবহণে ঐতিহাসিক সাফল্য ভারতীয় রেলের, ১ বিলিয়ন টন বহনের রেকর্ড

    Indian Railways: মালামাল পরিবহণে ঐতিহাসিক সাফল্য ভারতীয় রেলের, ১ বিলিয়ন টন বহনের রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল মালামাল সরবরাহে ঐতিহাসিক মাইলফলকের দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। ১৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত পাওয়া শেষ পরিসংখ্যানে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১ বিলিয়ন টন পণ্যসামগ্রী বহনের সীমা অতক্রম করেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। ২০২৫-২৬ সালের অর্থবর্ষে মাত্র সাত মাসের মধ্যেই ১০২০ মিলিয়ন টন পণ্যসামগ্রী পরিবহণের রেকর্ডকে (Landmark Achievement) ছুঁয়ে ফেলেছে। ভারতীয় শিল্প পরিকাঠামো, উৎপাদন, যোগাযোগ এবং পণ্য পরিবহণে অভূতপূর্ব সাফল্য বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

    কয়লা সরবরাহে উল্লেখযোগ্য সাফল্য (Indian Railways)

    ভারতীয় রেল (Indian Railways) ব্যবস্থার মেরুদণ্ড কতটা মজবুত হয়েছে, তা পণ্যপরিবহণের ক্ষমতা দেখেই অনুমান করা যায়। কয়লা পরিবহণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ভারতীয় রেল। জানা গিয়েছে, যা পণ্যবহন করা হয় তার মধ্যে অর্ধেক হল কয়লা। ৫০৫ মেট্রিক টন কয়লা এখনও পর্যন্ত বহন করা হয়েছে রেলে। অপরদিকে, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ইস্পাত শিল্পকেন্দ্রগুলিতে চাহিদার সাপেক্ষে ১১৫ মেট্রিক টন লৌহ আকরিক সরবরাহ করা হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং উচ্চ রফতানির বাজারের কারণে পরিকাঠামো নির্মাণে ভারতীয় রেলের অদ্ভুত (Landmark Achievement) ভূমিকা রয়েছে।

    সিমেন্ট, ইস্পাত বহনে ব্যাপক সাফল্য

    ভারতের শহর, নগর, মহানগরের নানা উন্নয়নমুখী কাজ যেমন আরবান সিটি, মেট্রো প্রকল্প, জাতীয় মহাসড়ক, আবাসন প্রকল্পগুলিতে সিমেন্ট সর্বরাহে ৯২ মেট্রিক টন পরিবহণের দৃষ্টান্ত রেখেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। আধুনিক প্রযুক্তি এবং নিরাপদ যাতায়াতে কনটেনার পরিবহণে রেল ৫৯ মেট্রিক টনের সীমাকে অতিক্রম (Landmark Achievement) করে গিয়েছে। রেলের কারণে শুধু দেশীয় নয় অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রেও বিরাট ভূমিকা রেখে চলেছে। ইস্পাত, পেট্রোলিয়াম এবং খাদ্যশস্য সরবরাহেও বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে রেল। এই খাতে গত বছর মালামাল রফতানির পরিমাণ ছিল ৪.২ মেট্রিক টন, এবছর বেড়ে হয়েছে ৪.৪ মেট্রিক টন।

    দূষণরোধে এগিয়ে

    ভারতীয় রেল (Indian Railways) গত এক দশকে দ্রুত টার্ন অ্যারাউন্ড সময় কমিয়ে আনতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। যানজট কমিয়ে আনতে মালবাহী করিডরকে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ফলে দ্রুত এবং মালবাহী পরিবহণ করা সম্ভবপর হয়েছে। অত্যাধুনিক রোলিং ষ্টক, ডিজিটাইজেশন ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাপক গতি আনা হয়েছে। তবে রেল পরিবহণে ট্রাকের তুলনায় ৬ গুণ বেশি শক্তি সাশ্রয়ী এবং প্রতি টন কিমি হিসেবে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম কার্বন ছেড়ে দূষণের (Landmark Achievement) হাত থেকে পরিবেশকে রক্ষা করেছে ভারতীয় রেল।

  • Indian Railways: কনফার্মড টিকিট বাতিল না করেই বদলানো যাবে যাত্রার তারিখ, নতুন নিয়ম আনল ভারতীয় রেল

    Indian Railways: কনফার্মড টিকিট বাতিল না করেই বদলানো যাবে যাত্রার তারিখ, নতুন নিয়ম আনল ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর। বড়সড় স্বস্তির কথা শুনিয়েছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। আগামী জানুয়ারি থেকে যাত্রীরা তাঁদের নির্ধারিত ট্রেন যাত্রার তারিখ অনলাইনে পরিবর্তন করতে পারবেন—তাও কোনো অতিরিক্ত টাকা না দিয়েই। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যাত্রীদের যাত্রা আরও ঝামেলামুক্ত ও সহজ করতে এই নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। আচমকা ফেঁসে গেলে আর টিকিট বাতিল করতে হবে না ট্রেনের। বরং তারিখ এগিয়ে বা পিছিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। যাত্রীদের পকেটের কথা মাথায় রেখে নতুন নিয়ম নিয়ে এসেছে ভারতীয় রেল, যাতে টিকিট বাতিলের ঝামেলাও না থাকে, আবার টাকাও না কাটা যায়।

    এই প্রথম টিকিটের দিন পরিবর্তনের সুবিধা

    দূরপাল্লার যাত্রায় এই প্রথম টিকিটের দিনক্ষণ পরিবর্তনের সুবিধা নিয়ে এল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। তবে এখনই নয়, আগামী বছর জানুয়ারি মাস থেকে এই নতুন সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। কনফার্ম হয়ে যাওয়া টিকিটের ক্ষেত্রেও যাত্রার দিনক্ষণ পাল্টানো সম্ভব হবে। মঙ্গলবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই ঘোষণা করলেন। বর্তমানে, যাত্রার তারিখ পরিবর্তন করতে হলে যাত্রীদের নিশ্চিত (confirmed) টিকিট বাতিল করে নতুন করে টিকিট কাটতে হয়। এর ফলে কেবল অতিরিক্ত খরচই বাড়ে না, বরং নতুন তারিখে টিকিটের প্রাপ্যতা নিয়েও অনিশ্চয়তা থেকে যায়। চলতি নিয়ম অনুযায়ী, ট্রেন ছাড়ার ৪৮ থেকে ১২ ঘণ্টা আগে টিকিট বাতিল করলে ভাড়ার ২৫ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়। আবার ট্রেন ছাড়ার ১২ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে বাতিল করলে সেই কাটছাঁটের পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। ট্রেনের চার্ট তৈরি হয়ে গেলে টিকিট বাতিল করলেও কোনও অর্থ ফেরত মেলে না। মন্ত্রী বৈষ্ণব বলেন, “বর্তমান ব্যবস্থা যাত্রীদের পক্ষে অন্যায্য এবং তাঁদের স্বার্থবিরোধী। তাই যাত্রীদের সুবিধার্থে নতুন নিয়ম কার্যকর করার নির্দেশ ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে।”

    লক্ষ লক্ষ যাত্রীর সুবিধার্থে সিদ্ধান্ত

    টিকিটের দিনক্ষণ পরিবর্তনেই লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন বলে আশাবাদী অশ্বিনী। তবে নতুন নিয়মে কিছু সীমাবদ্ধতাও থাকবে। যাত্রার তারিখ বদলানোর পরেও নতুন দিনে আসন পাওয়া যাবে কি না, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে সেদিনের আসন-উপলব্ধতার উপর। নতুন যে তারিখ দেওয়া হবে, তাতে আগে থেকে কত বুকিং হয়ে রয়েছে, তার উপরই টিকিট কনফার্ম হওয়া নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি, নতুন টিকিটের দাম যদি বেশি হয়, তাহলে বাড়তি টাকা মেটাতে হবে যাত্রীকে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক প্রকল্পেরও ঘোষণা করেন অশ্বিনী। বিভিন্ন রুটে লাইন বাড়ানোর ঘোষণা করেন তিনি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভারতীয় রেল অনলাইন টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম কার্যকর করেছে। ১ অক্টোবর থেকে ট্রেনের সংরক্ষিত টিকিট কাটতে এখন বাধ্যতামূলক হয়েছে আধার যাচাই (Aadhaar verification)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সংরক্ষণের সময় খোলার প্রথম ১৫ মিনিটে শুধুমাত্র আধার-প্রমাণিত আইআরসিটিসি (IRCTC) অ্যাকাউন্ট থেকেই টিকিট কাটা যাবে। রেল মন্ত্রকের মতে, এই দুই পদক্ষেপ যাত্রীসেবা আরও আধুনিক ও ব্যবহারবান্ধব করে তুলবে এবং টিকিট সংক্রান্ত দুর্নীতি ও জটিলতাও অনেকটা কমাবে।

  • Indian Railways: বিমানের মতো মালপত্রের ওজন ও মাপ নিয়ে এবার কড়া নিয়ম আনছে ভারতীয় রেল

    Indian Railways: বিমানের মতো মালপত্রের ওজন ও মাপ নিয়ে এবার কড়া নিয়ম আনছে ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন পর্যন্ত ব্যাগের নির্দিষ্ট ওজন এবং সেই ব্যাগের মাপ নিয়ে বিমানবন্দরের ক্ষেত্রেই কড়াকড়ি দেখা যেত। এবার ওই একই নিয়ম চালু হতে চলেছে ট্রেন যাত্রীদের (Indian Railways) জন্য। এই নিয়ম কার্যকর করতে চলেছে রেল কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে তারা বিবৃতিও দিয়েছে। জানা যাচ্ছে, উত্ত-মধ্য রেলের দুটি স্টেশন — উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ এবং প্রয়াগরাজ চেওকি স্টেশনে — এই নিয়ম ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হতে চলেছে।

    কোন শ্রেণির কামরার জন্য কত ওজন নির্দিষ্ট (Indian Railways)

    নিয়ম অনুযায়ী, এসি ফার্স্ট ক্লাসের ট্রেন যাত্রীরা ৭০ কেজি, এসি টু টায়ারের যাত্রীরা ৫০ কেজি, এসি থ্রি টায়ার এবং স্লিপার ক্লাসের যাত্রীরা ৪০ কেজি পর্যন্ত মালপত্র সঙ্গে নিয়ে ট্রেনে উঠতে পারেন। এবং এসি ও স্লিপার ক্লাসকে বাদ দিলে, যে সাধারণ কামরাগুলি রয়েছে, সেখানকার যাত্রীদের ক্ষেত্রে এই মালপত্রের ওজনদায় ৩৫ কেজি — এমনটাই ছিল নিয়ম। তবে তা খাতায়-কলমে ছিল, সেভাবে কার্যকর হত না। এবার এই নিয়ম বাস্তবে প্রয়োগ করতে চাইছে রেল কর্তৃপক্ষ।

    ভারতীয় রেল অবশ্য জানাচ্ছে যে, এমন নিয়ম আগেও কার্যকর ছিল

    রেলের (Indian Railways) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই দুই স্টেশনে (উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ এবং প্রয়াগরাজ ছেওকি স্টেশন) ট্রেন যাত্রীদের মালপত্র স্ক্যান করে দেখা হবে। এবং ওই মালপত্রে ওজন যদি নির্দিষ্ট পরিমাণের থেকে বেশি হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হবে যাত্রীদের। ভারতীয় রেল অবশ্য জানাচ্ছে যে, এমন নিয়ম আগেও কার্যকর ছিল। কিন্তু তা খাতায়-কলমে থাকলেও, সেভাবে কার্যকর করা হয়নি। এবার উত্তরপ্রদেশেরই এই দুটি স্টেশনে ব্যাগ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর ফল যদি ইতিবাচক হয়, তাহলে ধাপে ধাপে ভারতের সব স্টেশনে এই নিয়ম চালু করা হবে বলে জানাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

    কী বলছেন রেলের উচ্চ পদস্থ আধিকারিক?

    এই বিষয়টি কার্যকর করতে নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর-মধ্য রেলের সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার (ডিসিএম) হিমাংশু শুক্ল। তিনি বলেন, “অনেকেই নির্দিষ্ট ওজনের বেশি মালপত্র নিয়ে ট্রেনে যাতায়াত করেন। এমনকি ব্যাগে কী আছে, তাতে কোনও বেআইনি জিনিসপত্র আছে কি না, বা সেই সমস্ত জিনিস নিয়ে ট্রেনে (Train Passengers) যাতাযাত করা যায় কি না, তার নিয়মিত কোনও পরীক্ষা হয় না। কিন্তু আপনি বিমানবন্দরে গেলে জিনিসপত্রের পরিমাণ তো বটেই, ব্যাগে কী আছে, তা কঠোর ভাবে স্ক্যানারের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়। আমরা তাই একটা পাইলট প্রজেক্ট নিয়েছি। আপাতত প্রয়াগরাজ এবং প্রয়াগরাজ চেওকি স্টেশনে এই কাজ হবে।”

    কীভাবে হবে মালপত্র পরীক্ষা?

    কী ভাবে এই পরীক্ষা হবে তা ব্যাখ্যা করে হিমাংশু বলেন, “স্টেশনে আরপিএফ মালপত্র স্ক্যান করবে (Train Passengers) এবং রেলের (Indian Railways) বাণিজ্য বিভাগ (কমার্শিয়াল ডিপার্টমেন্ট)-এর কর্মীরা সেই ব্যাগের মাপ ও ওজন পরীক্ষা করবেন। যদি ব্যাগে বেআইনি কিছু থাকে, তবে তা আরপিএফ ধরবে। আর ব্যাগের ওজন যদি নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি হয়, তবে বাণিজ্য বিভাগের কর্মীরা ধরবেন। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে জরিমানা করা হবে। এর ফলে রেলের সুরক্ষা যেমন বাড়বে, রাজস্বও বাড়বে।” তিনি আরও বলেন, “স্টেশনের যে সমস্ত জায়গা খোলা রয়েছে, অর্থাৎ যে কেউ ঢুকে পড়তে পারেন, এমন অংশ আমরা ঘিরে দেব। আমাদের আশা, আগামী দু’-তিন মাসের এই কাজ আমরা শুরু করতে পারব।”

    ফুটওয়েতে মালপত্র রাখলেও হবে জরিমানা

    একই সঙ্গে ভারতীয় রেল (Indian Railways) জানিয়েছে, ট্রেনের ভিতরে ফুটওয়েতে চলাফেরার জায়গায় যদি কেউ মালপত্র রাখে, তাহলেও জরিমানা করা হবে। এই প্রসঙ্গে উত্তর-মধ্য রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শশীকান্ত ত্রিপাঠী বলেন, “ট্রেনে যেমন টিকিট কেটে ওঠাটা নিয়মের মধ্যে পড়ে, তেমনই একটি নির্দিষ্ট ওজনের মালপত্র নিয়ে ওঠা যায়। সেই ওজনের বেশি হলে মালপত্রের জন্য বেশি ভাড়া দিতে হয়। এটাই নিয়ম। সেই নিয়মের কথাই এক বার মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

  • Indian Railways: সাড়ে চার কিমি লম্বা, চাকা গড়াল এশিয়ার দীর্ঘতম পণ্যবাহী ট্রেন রুদাস্ত্রের, ভিডিও পোস্ট রেলমন্ত্রীর

    Indian Railways: সাড়ে চার কিমি লম্বা, চাকা গড়াল এশিয়ার দীর্ঘতম পণ্যবাহী ট্রেন রুদাস্ত্রের, ভিডিও পোস্ট রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকা গড়াল এশিয়ার দীর্ঘতম পণ্যবাহী ট্রেন “রুদ্রাস্ত্র”-এর (Rudrastra)। ৪.৫ কিলোমিটার (সাড়ে চার কিলোমিটার) দীর্ঘ এই ট্রেনে রয়েছে ৩৫৪টি বগি এবং ৭টি লোকোমোটিভ ইঞ্জিন, যা এই বিশাল মালবাহী ট্রেনটিকে টেনে নিয়ে চলে। উত্তরপ্রদেশের গঞ্জ খোয়াজা স্টেশন থেকে ঝাড়খণ্ডের গড়ুয়া রোড স্টেশন পর্যন্ত প্রায় ২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ট্রেনটি সময় নিয়েছে প্রায় ৫ ঘণ্টা, যার গড় গতি ছিল ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। এই দীর্ঘ ট্রেন চালুর (Indian Railways) ফলে রেলের সময় ও পরিবহন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে সাশ্রয় হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ভিডিও পোস্ট করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Indian Railways)

    এই রেকর্ডগড়া ট্রেনের ভিডিও ইতোমধ্যে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এক্স (পূর্বতন টুইটার)-এ তিনি লেখেন, “রুদ্রাস্ত্র” — ভারতের দীর্ঘতম পণ্যবাহী ট্রেন (Rudrastra)।

    বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রেনের রেকর্ড রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার কাছে

    যদিও “রুদ্রাস্ত্র” ভারতের তথা এশিয়ার দীর্ঘতম পণ্যবাহী ট্রেন (Indian Railways), তবে বিশ্ব রেকর্ড এখনও রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার খনিজ কোম্পানি BHP-এর দখলে। সেই ট্রেনটির দৈর্ঘ্য ৭.৩ কিলোমিটার, অর্থাৎ রুদ্রাস্ত্রের থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার বেশি। BHP-র ট্রেনটিতে রয়েছে ৬৮২টি ওয়াগন — যা রুদ্রাস্ত্রের তুলনায় প্রায় ৩২৮টি বেশি।

    রূদ্রাস্ত্র কেন বিশেষ, কী জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “রুদ্রাস্ত্র (Indian Railways) আমাদের ভবিষ্যতের রেল লজিস্টিকস নীতির রূপরেখা দিচ্ছে। পরিবহন খরচ কমানো, সময় বাঁচানো এবং অধিক পরিমাণ পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক বিকল্প গড়ে তোলার দিকে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।” এই ধরনের দীর্ঘ মালবাহী ট্রেন ভবিষ্যতে ভারতে আরও চালু হলে, সড়ক পরিবহনের উপর চাপ কমবে। একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ পণ্য সহজে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছানো যাবে। ভারতীয় রেলওয়ে “রুদ্রাস্ত্র” প্রকল্পকে শুধুমাত্র একটি ট্রেন পরিচালনার ঘটনা হিসেবে দেখছে না, বরং একে দেশের রেল পরিবহন ব্যবস্থায় যুগান্তকারী উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করছে।

  • Indian Railways: যাত্রী সুরক্ষায় বজ্র আঁটুনি! রেলের সব কামরায় বসছে সিসি ক্যামেরা

    Indian Railways: যাত্রী সুরক্ষায় বজ্র আঁটুনি! রেলের সব কামরায় বসছে সিসি ক্যামেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রী সুরক্ষার (Passengers Safety) পাশাপাশি দুষ্কৃতীদের ধরতে এবার ট্রেনের সব কামরাতেই সিসি ক্যামেরা লাগাতে চলেছে রেল (Indian Railways)। রবিবার রেলমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানানো হয়েছে। উত্তর রেলের আওতায় থাকা লোকো ইঞ্জিন এবং কামরায় পরীক্ষামূলকভাবে সিসি ক্যামেরা লাগানোর প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। সেখানে ইতিবাচক সাড়া মিলতেই এবার রেলের সব জোনের কামরা ও লোকো ইঞ্জিনে সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলমন্ত্রক।

    খতিয়ে দেখলেন রেলমন্ত্রী (Indian Railways)

    শনিবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং রেল প্রতিমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু ট্রেনের কামরা এবং লোকো ইঞ্জিনগুলিতে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ খতিয়ে দেখেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন রেলবোর্ডের কর্তারাও। জানা গিয়েছে, অশ্বিনী বৈষ্ণবের মন্ত্রক খুব শীঘ্রই ১৫ হাজার লোকো ইঞ্জিন এবং ৭৪ হাজার কোচে সিসি ক্যামেরা লাগাবে। প্রতিটি কোচে থাকবে ৪টি করে সিসি ক্যামেরা। আর লোকোমোটিভে থাকবে ৬টি। রবিবার রেলের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের ফলে যাত্রীসুরক্ষার বিষয়টি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে। যাত্রীদের সারল্যের সুযোগ নেয় দুষ্কৃতীরা। সিসি ক্যামেরার সাহায্যে এই ধরনের ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমানো যাবে। রেলের তরফে এও জানানো হয়েছে, যাত্রীদের ব্যক্তিগত পরিসর সুরক্ষিত রাখতে ক্যামেরা লাগানো হবে কেবল কামরায় ঢোকার মুখে।

    গম্বুজ সিসিটিভি

    রেল সূত্রে খবর, লোকোমোটিভের ভেতরে, সামনে এবং পিছনের দিকে একটি করে গম্বুজ সিসিটিভি থাকবে। দুটি ডেস্ক মাউন্ট করা মাইক্রোফোনও থাকবে। রেলের এক পদস্থ কর্তা বলেন, “ট্রেনের বগিতে দুর্বৃত্তদের ঠেকাতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেলের সব জোনের কোচে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Indian Railways)।” ঘণ্টা প্রতি ১০০ কিলোমিটার গতিতে এবং কম আলোয়ও স্পষ্ট ফুটেজ দেখাবে এই উচ্চমানের ক্যামেরাগুলি। রেল সূত্রে খবর, উন্নতমানের ও আধুনিক এসটিকিউসি সার্টিফায়েড সিসি ক্যামেরায় বাড়তি জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের রেলমন্ত্রীর নির্দেশ, এমন সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো (Passengers Safety) হোক যা এআই-পাওয়ার্ড এবং ঘণ্টা প্রতি ১০০ কিলোমিটার গতিবেগেও স্থিতিশীল ভিডিও তুলতে পারে (Indian Railways)।

  • Indian Railways: ৬ হাজারেরও বেশি পদে কর্মী নিয়োগ করছে রেল, আবেদনের শেষ তারিখ ২৮ জুলাই

    Indian Railways: ৬ হাজারেরও বেশি পদে কর্মী নিয়োগ করছে রেল, আবেদনের শেষ তারিখ ২৮ জুলাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলে (Indian Railways) বহু শূন্যপদে কর্মী নিয়োগের জন্য সম্প্রতি রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড (আরআরবি) একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রেলের বিভিন্ন বিভাগে কাজের সুযোগ পাবেন নতুন কর্মীরা। আবেদন করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই অনলাইনে শুরু হয়ে গিয়েছে।

    মোট শূন্যপদ সংখ্যা ৬,২৩৮ (Indian Railways)

    নিয়োগ করা হবে টেকনিশিয়ান গ্রেড-১ সিগন্যাল এবং টেকনিশিয়ান গ্রেড-৩ পদে, যেগুলির মোট শূন্যপদ সংখ্যা ৬,২৩৮। এর মধ্যে কলকাতা অঞ্চলে ১,৪৩৪টি পদ শূন্য রয়েছে। নির্বাচিত প্রার্থীরা রেলের মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল, সিগন্যাল ও টেলিকমিউনিকেশন (এস অ্যান্ড টি) সহ বিভিন্ন বিভাগের কাজে নিয়োজিত হবেন।

    বয়সসীমা কত (Indian Railways)

    টেকনিশিয়ান গ্রেড-১ সিগন্যাল পদে আবেদনকারীদের বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩৩ বছর পর্যন্ত এবং টেকনিশিয়ান গ্রেড-৩ পদে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে সংরক্ষিত শ্রেণির প্রার্থীদের জন্য বয়সে ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা (RRB Technician Recruitment 2025)

    পদের প্রকারভেদের ভিত্তিতে আবেদনকারীদের অবশ্যই স্বীকৃত বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দশম শ্রেণি পাশ, ব্যাচেলর ডিগ্রি অথবা সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত বিষয়ে উপযুক্ত যোগ্যতা থাকতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত শর্তাবলী উল্লেখ রয়েছে (Indian Railways)।

    আবেদন জমার শেষ তারিখ ২৮ জুলাই

    আগ্রহীরা রেলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। সংরক্ষিত প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ২৫০ টাকা এবং অসংরক্ষিতদের জন্য ৫০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ জুলাই এবং আবেদন ফি জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩০ জুলাই। নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা (সিবিটি) মাধ্যমে হবে। এছাড়া, নিয়োগের আগে প্রার্থীদের নথিপত্র যাচাই করা হবে।

    কীভাবে করবেন আবেদন

    প্রথমে RRB-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান।

    এরপর হোমপেজে CEN No. 02/2025 – টেকনিশিয়ান নিয়োগ ২০২৫-লিঙ্কে ক্লিক করুন

    এরপর অনলাইনে আবেদন করুন বিকল্পটি নির্বাচন করুন

    লগইন তৈরি করতে নাম, ইমেল, মোবাইল নম্বর লিখুন

    সাইন ইন করুন এবং আবেদনপত্র পূরণ করুন

    নির্ধারিত ফর্ম্যাট অনুসারে আপনার সাম্প্রতিক পাসপোর্ট-আকারের ছবি, স্বাক্ষর এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রের স্ক্যান করা ছবি আপলোড করুন

    অনলাইনে আবেদন ফি প্রদান করুন

    সাবমিট করুন

LinkedIn
Share