Tag: Indian sailors

Indian sailors

  • Donald Trump: হামলার মুখে পড়লে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পের, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হলটা কী?

    Donald Trump: হামলার মুখে পড়লে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পের, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হলটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত যদি কখনও হামলার শিকার হয়, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার পাশে দাঁড়াবে”, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই আশ্বাস দিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে করেন যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন। সেখানেই ভারতের প্রতি দৃঢ় সমর্থনের বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের এহেন বার্তা থেকেই স্পষ্ট, ভারত-মার্কিন সম্পর্কের বরফ ফের গলছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে ট্রাম্পের এই মন্তব্য ভারত-আমেরিকা সম্পর্ককে নতুন করে মজবুত করারই ইঙ্গিত।

    ভারতের পাশে থাকার বার্তা (Donald Trump)

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প জানান, ভারত ও আমেরিকা এই দুই দেশের মধ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। তা সত্ত্বেও ভারতের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমেরিকা সাহায্য করতে প্রস্তুত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনও প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। কিন্তু ভারত আক্রান্ত হলে আমরা অবশ্যই সাহায্য করতে এগিয়ে আসব।” তাঁর এই মন্তব্যকে ভারতের প্রতি মার্কিন প্রশাসনের অন্যতম শক্তিশালী প্রকাশ্য নিরাপত্তা আশ্বাস হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসাও করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, মোদি বিশ্বের অন্যতম কঠিনতম নেতা এবং সবসময় ভারতের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেন।

    ‘উনি দেবদূতের মতো’

    ট্রাম্পের (Donald Trump) কথায়, “উনি খুবই ভদ্র মানুষ। কিন্তু অত্যন্ত কঠোর এক নেতা, যিনি সব সময় নিজের দেশের মানুষের জন্য লড়াই করেন।” তিনি বলেন, “মোদি যেমন ধীরস্থির, শান্ত এবং একই সঙ্গে কঠোর…আমি কিন্তু ওরকম নই!” ‘দেখতে দেবদূতের মতো’ এই যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্পের গলায় বারবার শোনা গিয়েছে মোদি-প্রশস্তি। কথা প্রসঙ্গে এক সময় রসিকতার সুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, মোদির শান্ত ও নম্র চেহারার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে অত্যন্ত দৃঢ় এক নেতৃত্বের গুণ।তিনি বলেন, “উনি (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি) দেখতে খুবই ভালো। দেখতে দারুণ লাগে, যেন সাক্ষাৎ দেবদূত। তবে, প্রয়োজনে কড়া পদক্ষেপ করতে পিছপা হন না। কিন্তু এত সুন্দর দেখতে যে সবাই চমকে যান। এমন মানুষ খুব কমই দেখা যায়। উনি ভারতীয়দের যেমন ভালবাসেন, আমেরিকাকেও ভালবাসেন। হিউস্টনে ‘হাউডি মোদি’ অনুষ্ঠান হয়েছিল। কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল স্টেডিয়াম। সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে ফের ভারত সফরে যাব কখনও”।

    স্মৃতির সুখসাগরে ডুব ট্রাম্পের

    এর পরেই স্মৃতির সুখসাগরে ডুব দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর (Donald Trump) ভারত সফরের কথা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট জানান, সেই সফরে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে দিয়েছিল দুই নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্কের গভীরতা (PM Modi)। আবারও একবার মোদির প্রশংসা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “উনি বেশ কঠোর।…তবে, একবার মানুষটির দিকে তাকান। অত্যন্ত সুন্দর দেখতে।” ট্রাম্পের (Donald Trump) এই মন্তব্যে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যেও হাসির রোল পড়ে যায়।

    উষ্ণ বার্তা

    সম্প্রতি উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক অভিযানে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত এবং আমেরিকা দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। ভারত সরকার ওই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং আন্তর্জাতিক জলপথে অসামরিক নৌযান ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানায়। এই ঘটনার পর ভারতকে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও মজবুত করার চেষ্টা বলেই মত বিশ্লেষকদের।

    সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা

    দুই দেশের শীর্ষ নেতার বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সরবরাহ শৃঙ্খল, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, প্রতিরক্ষা উৎপাদন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে বলেই খবর। এছাড়াও, ভারত-আমেরিকার মধ্যে একটি বৃহত্তর বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও আলোচনা এগোচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প (PM Modi)।

    হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিম এশিয়ার সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথা জানিয়ে দেন। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বার্থে হরমুজ প্রণালী সবসময় নিরাপদ ও উন্মুক্ত রাখা জরুরি।” প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বের সামুদ্রিক খাতে কর্মরত নাবিকদের প্রায় ১০ শতাংশই (Donald Trump) ভারতীয় এবং তাঁদের নিরাপত্তা ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    আমেরিকায় ভারতের লগ্নিরও প্রশংসা

    ট্রাম্প ভারতের অর্থনৈতিক ভূমিকারও প্রশংসা করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে, যা দুই দেশেরই অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি দীর্ঘদিনের বন্ধু। তাঁর সঙ্গে আবার দেখা হওয়া খুবই আনন্দের।”

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে দুই নেতার মধ্যে শেষ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (PM Modi) হয়েছিল। পরবর্তীকালে শুল্কনীতি ও ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে কিছু মতপার্থক্য তৈরি হলেও, সাম্প্রতিক এই বৈঠক দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে (Donald Trump) আরও এগিয়ে নেওয়ারই বার্তা দিয়েছে বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের।

     

  • Ship Seized by Iran: অবশেষে দেশে ফিরছেন ইরানের হাতে আটক ১৬ জন ভারতীয় নাবিক

    Ship Seized by Iran: অবশেষে দেশে ফিরছেন ইরানের হাতে আটক ১৬ জন ভারতীয় নাবিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে মুক্তি। গত ১৩ এপ্রিল অর্থাৎ শনিবার পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীতে ইরানের বিশেষ বাহিনী ‘রেভোলি‌উশনারি গার্ডস অ্যারোস্পেস ফোর্স’-এর হাতে একটি ইজরায়েলি জাহাজ আটক (Ship Seized by Iran) হয়। জানা যায় সেই জাহাজের মধ্যে ছিল ২৫ জন নাবিক। এরমধ্যে ১৭ জন ছিল ভারতীয়। তাঁদের মধ্যে এক জন মহিলা নাবিক দেশে ফিরলেও বাকিরা এত দিন আটক ছিলেন। অবশেষে তাঁরা মুক্তি (Indian Sailors Released) পেতে চলেছেন। শুধু ভারতীয়রাই নন, আটক হওয়া অন্যান্য নাবিকেরাও মুক্তি পেতে চলেছেন শীঘ্রই। 

    জাহাজ বাজেয়াপ্তর কাহিনী (Ship Seized by Iran) 

    জানা গিয়েছে আটক হওয়া জাহাজটির পরিচালনা দায়িত্বে ছিল ইটালীয়-সুইস সংস্থা এমএসসি। ইতিমধ্যেই তারা ইরান প্রশাসনের দ্বারা জাহাজটির আটকের বিষয়টি স্বীকার করে। সংস্থা জানায়, হেলিকপ্টারে চেপে ওই জাহাজে ওঠেন ইরানের প্রশাসনের আধিকারিকেরা। সূত্রের খবর, জাহাজটি আদতে লন্ডনের জোডিয়াক গোষ্ঠীর। জোডিয়াক গ্রুপ হল ইজরায়েলি ধনকুবের ইয়াল অফারের। গত ১২ এপ্রিল দুবাই থেকে জাহাজটি মুম্বইয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। পরের দিনই হরমুজ প্রণালীতে সেই জাহাজটি বাজেয়াপ্ত (Ship Seized by Iran) করে ইরানের বিশেষ বাহিনী। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    অন্যদিকে জাহাজটি ইরান বাহিনির হাতে আটক (Ship Seized by Iran) হওয়ার পর সেই খবর দেশে আসতেই ১৭ জন ভারতীয়কে মুক্তি দেওয়ার জন্য ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। এরপর ভারতের আবেদনে সারা দিয়ে ওই মহিলা নাবিককে দেশে ফেরায় ইরান। গত ১৮ এপ্রিল কোচিন বিমানবন্দরে পা রাখেন তিনি। দেশে ফিরে ত্রিশূরের অ্যান টেসা জোসেফ নামের ওই মহিলা নাবিক জানিয়েছিলেন, বন্দি থাকলেও ভারতীয় নাবিকদের কোনও অসুবিধা হয়নি। তবে টেসার মুক্তি হলেও বাকিদের মুক্তি নিয়ে এতদিন কূটনৈতিক আলোচনা চলছিল। সেই আলোচনার পরেই অবশেষে আশার আলো মিলল। 

    আরও পড়ুন: ভক্তদের জন্য সুখবর! অক্ষয় তৃতীয়ায় খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দ্বার

    ইরানের অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে ইরানের অর্থমন্ত্রী আমির আবদুল্লাহিয়ানের জানিয়েছেন, মানবিক দিক থেকে বিচার করেই ওই জাহাজের সঙ্গে আটক (Ship Seized by Iran) করা নাবিকদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, কিছু নথি সংক্রান্ত কাজকর্ম বাকি রয়েছে। সেগুলি মিটলেই সকলকে মুক্তি (Indian Sailors Released) দেওয়া হবে। 
    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছে, “ভারতের আবেদন মেনে আটক (Ship Seized by Iran) হওয়ার এক মাসের মধ্যে বৃহস্পতিবার এমএসসি এরিসের ৫ জন নাবিককে ইতিমধ্যেই ভারতে পাঠানো হয়েছে। ভারতের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য আমরা ইরানের কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। এ কথা স্পষ্ট যে এই নাবিক মুক্তির পর ভারতের সঙ্গে ইরানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার হবে। “

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Qatari court: এখনই কার্যকর হচ্ছে না নৌ-অফিসারদের মৃত্যুদণ্ড, দিল্লির আবেদন গ্রহণ কাতারের আদালতে

    Qatari court: এখনই কার্যকর হচ্ছে না নৌ-অফিসারদের মৃত্যুদণ্ড, দিল্লির আবেদন গ্রহণ কাতারের আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আবেদন গ্রহণ করল কাতারের আদালত। গত ২৬ অক্টোবরে ভারতীয় নৌ বাহিনীর ৮ প্রাক্তন অফিসারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল সে দেশের কোর্ট (Qatari court)। কাতারের কোর্টের সেই আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন যে করা হবে তা তখনই জানিয়েছিল মোদি সরকার। বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর কাতারের আদালতে (Qatari court) ভারত সরকারের সেই আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে এখনই অভিযুক্ত ওই ৮ জন প্রাক্তন নৌ সেনা আধিকারিকদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হচ্ছে না। সূত্রের খবর, এই মামলার রায় ঘোষণার আগে ভারতের আবেদন বিবেচনা করবে কাতারের আদালত। দ্রুতই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।

    পরিবারবর্গের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ভারত সরকার

    গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১৬ নভেম্বর বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী জানিয়েছিলেন, ওই ৮ প্রাক্তন নৌ অফিসারের পরিবারবর্গের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রেখে চলেছে ভারত সরকার। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, কাতারের (Qatari court) কাছে ভারত সরকার ওই অফিসারদের মৃত্যুদণ্ড রদ করার আবেদন করেছে। সেই আবেদন কয়েকদিন পরেই গ্রহণ করল কাতার। বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর এই মামলার প্রথম শুনানি ছিল। শুনানির সময় আদালত অনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের আবেদনের নথি গ্রহণ করে।

    ‘দাহরা গ্লোবাল টেকনোলজিস অ্যান্ড কনসালটেন্সি সার্ভিসেস’ নামক সংস্থায় কাজ করতেন তাঁরা

    প্রসঙ্গত, নৌসেনার এই জন এই ৮ জন প্রাক্তন অফিসারই ‘দাহরা গ্লোবাল টেকনোলজিস অ্যান্ড কনসালটেন্সি সার্ভিসেস’ নামে কাতারের একটি সংস্থায় কাজ করতেন বলে জানা যায়। এই সংস্থার হয়ে মূলত তাঁদের কাজ ছিল কাতারের সেনাবাহিনীর সদস্যদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া। ২০২২ সালের অগাস্টে এই ৮ অফিসারকে গ্রেফতার করে কাতার প্রশাসন। সেই থেকেই তাঁরা কাতারের (Qatari court) জেলে বন্দি রয়েছেন বলে জানা যায়। মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আগে এবং পরে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন ভারতের হাইকমিশনার। তবে তাঁদের কেন গ্রেফতার (Qatari court) করা হয়েছিল এবং কেনই বা তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে? এ বিষয়ে কিছু জানায়নি কাতার কর্তৃপক্ষ। এমনকি ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকেও জানানো হয় যে তারা এ বিষয়ে কিছু জানে না। তবে সূত্রের খবর, ওই আট অফিসারের বিরুদ্ধে ইজরায়েলের হয়ে কাতারের সেনাবাহিনীর উপর চরবৃত্তি করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share