Tag: Indian Students

Indian Students

  • Indian Students: আমেরিকার বদলে ইউরোপে ঝুঁকছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা, জানুন কারণ

    Indian Students: আমেরিকার বদলে ইউরোপে ঝুঁকছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা, জানুন কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একসময় বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য ভারতীয় পড়ুয়াদের (Indian Students) প্রথম পছন্দ ছিল আমেরিকা। উন্নত শিক্ষা, গবেষণার সুযোগ এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনার কারণে বহু দশক ধরে দেশটি ছিল ভারতীয় শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের গন্তব্য। দীর্ঘদিনের চেনা এই ছবিটাই বদলে যাচ্ছে দ্রুত। কড়া অভিবাসন নীতি, ভিসা সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা, বাড়তে থাকা জীবনযাত্রার ব্যয় এবং ইউরোপের নতুন সুযোগ-সুবিধার কারণে ক্রমশ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে (US) ঝুঁকছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা। খবরে প্রকাশ, শিক্ষা পরামর্শদাতা সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্তারা ভারতীয় শিক্ষার্থীদের আগ্রহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করছেন। বিশেষ করে জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, স্পেন এবং আয়ারল্যান্ড এখন আমেরিকা, কানাডা ও ব্রিটেনের বিকল্প হিসেবে উঠে আসছে।

    ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার (Indian Students)

    এই পরিবর্তন অবশ্য নতুন নয়। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে প্রায় এক লাখ কুড়ি হাজার ভারতীয় শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ইউরোপে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। একই সময়ে জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও আয়ারল্যান্ডে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার বেড়েছে প্রায় ৬৮.৩৩ শতাংশ। শিক্ষা-প্রযুক্তি সংস্থা জ্ঞানধনের তথ্য বলছে, আমেরিকাকে উচ্চশিক্ষার জন্য বেছে নেওয়া ভারতীয় শিক্ষার্থীর হার ২০২৩ সালে ছিল ৫৪ শতাংশ। ২০২৪ সালে তা নেমে আসে ২৬ শতাংশে, ২০২৫ সালে তা আরও কমে দাঁড়ায় ২০ শতাংশে। একই সময়ে ইউরোপে পড়াশোনার প্রবণতা দ্রুত বেড়েছে। ২০২৪ সালে শুধু জার্মানিতেই ছিলেন ৪৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয় শিক্ষার্থী। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা আরও অনেকটাই বাড়বে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের। বিদেশে উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত সংস্থা ‘আপগ্র্যাড স্টাডি অ্যাব্রড’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইউরোপ বিদেশে পড়াশোনার দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। জার্মানি ও ফ্রান্সে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চেন্নাইয়ের বছর বাইশের এক প্রযুক্তিবিদ্যায় স্নাতকের উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে আমেরিকায় পাঠাতে চাইলেও, তিনি শেষ পর্যন্ত স্নাতকোত্তর পড়াশোনার জন্য বেছে নেন জার্মানিকেই।

    ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাণিজ্য চুক্তির প্রভাব

    জানা গিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে হওয়া বাণিজ্য চুক্তির পর ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রতি ভারতীয় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ আরও বেড়েছে (Indian Students)। এই চুক্তিতে শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য সহজতর ভিসা ব্যবস্থা, পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগের স্পষ্ট রূপরেখা এবং ভারতীয় শিক্ষাগত যোগ্যতার স্বীকৃতি সংক্রান্ত একাধিক পদক্ষেপের কথা রাখা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক কর্তা সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, “ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন গতিশীলতা কাঠামো বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার লক্ষ্য ভারতীয় শিক্ষার্থী ও দক্ষ জনশক্তিকে আকৃষ্ট করে ইউরোপকে আন্তর্জাতিক প্রতিভার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।” বিদেশে পড়াশোনার প্ল্যাটফর্ম লিপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা অনব কুমার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “প্রথমবারের মতো একটি বড় অর্থনৈতিক জোট স্পষ্টভাবে বলছে, তারা বৃহৎ পরিসরে ভারতীয় মেধাকে স্বাগত জানাতে চায়।” তাঁর দাবি, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরে ভারত থেকে ইউরোপে শিক্ষার্থী ও কর্মীর সংখ্যা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে (US)।

    কম খরচও বড় কারণ

    শুধু সুযোগ-সুবিধা নয়, খরচের দিক থেকেও ইউরোপ এখন অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। শিক্ষা পরামর্শদাতা সংস্থা কেসি ওভারসিজের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পড়ার খরচ আমেরিকার তুলনায় ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম। পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। পশ্চিমের বিভিন্ন দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারতীয় মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় বিদেশে পড়াশোনার খরচও বেড়েছে। ফলে অনেক ভারতীয় শিক্ষার্থীকে খাবারে কাটছাঁট করা, গণপরিবহণের বদলে হেঁটে যাতায়াত করা কিংবা অতিরিক্ত কাজ করে পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতে হচ্ছে। ইউরোপ স্টাডি সেন্টারের পরিচালক শিবরামন পাণ্ডিয়ান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ইউরোপ এখন সবচেয়ে আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন চুক্তির পর আমাদের কাছে অনুসন্ধানের সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়েছে।” স্টুডেন্ট অ্যাকোমোডেশন সংস্থা ইউনিভার্সিটি লিভিংয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালন আধিকারিক ময়ঙ্ক মহেশ্বরী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি-সহ ইউরোপের একাধিক দেশ কম শিক্ষাব্যয়, পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ, উন্নত কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিকভাবে ভালো সুবিধার কারণে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করছে।” বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী নিজের পেশাগত লক্ষ্য অনুযায়ী দেশ বেছে নিচ্ছেন (Indian Students)। যেমন, প্রযুক্তি-শিক্ষার্থীদের কাছে জার্মানি, কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্যের জন্য নেদারল্যান্ডস, ব্যবস্থাপনা শিক্ষার জন্য ফ্রান্স এবং কম খরচে গবেষণার সুযোগের জন্য পর্তুগাল জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

    আমেরিকার কড়া নীতিতে কমছে আগ্রহ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপের প্রতি আগ্রহ বাড়ার পাশাপাশি আমেরিকার কঠোর অভিবাসন নীতিও এই পরিবর্তনের অন্যতম কারণ।২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমানে যে ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার মেয়াদ পর্যন্ত থাকার অনুমতি পান, তার পরিবর্তে নির্দিষ্ট সময়সীমার ভিসা চালুর প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এর ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে (US)। এছাড়া শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি, ভিসা নবীকরণে কড়াকড়ি, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ওপর বাড়তি নজরদারি এবং ভিসার শর্ত ভাঙলে দ্রুত বহিষ্কারের মতো পদক্ষেপও করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ক্যাম্পাসে আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিলের উদ্যোগ নিতেও দেখা গিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেক ভারতীয় শিক্ষার্থী আমেরিকাকে আগের মতো নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে দেখছেন না। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য ভারত থেকে প্রায় ৯ লাখ ৮ হাজার শিক্ষার্থী গেলেও, ২০২৫ সালে সেই সংখ্যাটাই কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ২৬ হাজারে।

    ইউরোপে আগ্রহ বাড়লেও চ্যালেঞ্জ রয়ে গিয়েছে

    ইউরোপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যেই ভারতীয় শিক্ষার্থীদের আবেদন ও ভর্তি বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেদারল্যান্ডসে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২,৬৩০। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে তা বেড়ে প্রায় ৩,৭০০-তে পৌঁছেছে। দেশটিতে ভারতীয়রা এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের অন্যতম বৃহত্তম শিক্ষার্থী গোষ্ঠী। আইনডহোভেন প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইতালির পাদুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিও ভারতীয় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে (Indian Students)।স্পেনও এখন নয়া গন্তব্য হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ইউনিভার্সিটি লিভিংয়ের ইউরোপীয় শিক্ষার্থী পরিস্থিতি প্রতিবেদনের তথ্য  অনুযায়ী, বর্তমানে সেখানে ১,০৮৭ জন ভারতীয় শিক্ষার্থী রয়েছেন। তুলনামূলক কম জীবনযাত্রা ব্যয়, শিক্ষার্থী-বান্ধব ভিসা ব্যবস্থা এবং ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধিই এর প্রধান কারণ। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, ইউরোপে পড়াশোনা করলেই চাকরি নিশ্চিত নয়। প্রয়োজন দক্ষতা, স্থানীয় পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং প্রতিযোগিতামূলক যোগ্যতা (US)।

    চাকরির সুযোগ

    পাণ্ডিয়ান বলেন, “কেউ যদি বলে এই দেশে পড়লেই চাকরি পাবেন, তা অন্ধভাবে বিশ্বাস করবেন না। শুধু ওই দেশে পড়াশোনা করলেই চাকরির অধিকার তৈরি হয় না। প্রয়োজন দক্ষতা অর্জন। তবেই সুযোগের দরজা খুলবে।” শিক্ষার্থীদের একাংশ আবার ভাষাগত সমস্যা, আবাসনের সঙ্কট, চাকরির প্রতিযোগিতা এবং নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইউরোপের কিছু দেশে কট্টর ডানপন্থী রাজনীতির উত্থান এবং বিদেশিদের প্রতি কঠোর মনোভাব নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তবুও কম খরচ, ইংরেজি মাধ্যমে বাড়তে থাকা পাঠ্যক্রম, স্পষ্ট কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং তুলনামূলক সহজ অভিবাসন নীতির কারণে ইউরোপ এখন ভারতীয় শিক্ষার্থীদের কাছে আমেরিকা, কানাডা এবং ব্রিটেনের বিকল্প হিসেবে উঠে আসছে (Indian Students)।

     

  • Iran: দিল্লির জন্য ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত তেহরানের! ভারতীয় পড়ুয়াদের দেশে ফেরাতে ইরান খুলে দিল আকাশ সীমা

    Iran: দিল্লির জন্য ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত তেহরানের! ভারতীয় পড়ুয়াদের দেশে ফেরাতে ইরান খুলে দিল আকাশ সীমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে। ইজরায়েল ও ইরানের (Iran) মধ্যে চলমান সংঘর্ষে দুই দেশেই একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছে। এমন যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে ইরান তার আকাশসীমা আংশিকভাবে বন্ধ করে দেয়। এই পরিস্থিতিতে ইরানে আটকে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে এক ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ইরান ও ভারত সরকার। ‘অপারেশন সিন্ধু’র মাধ্যমে এক হাজার ভারতীয় নাগরিককে (Indian Students) ইরান থেকে দেশে ফেরত আনা হচ্ছে।

    মার্ সাহা বিমানবন্দর থেকে বিশেষ চ্যাটার্ড ফ্লাইট চালু করা হয়েছে

    জানা যাচ্ছে, ইরানের (Iran) আকাশসীমা এখনও সীমিতভাবে বন্ধ থাকলেও ভারতীয় নাগরিকদের সুবিধার্থে ইরানের মার্ সাহা বিমানবন্দর থেকে বিশেষ চ্যাটার্ড ফ্লাইট চালু করা হয়েছে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদে উড়িয়ে আনার জন্য। এই বিশেষ ফ্লাইটগুলোর প্রথমটি আজ রাতেই দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বলে জানা গেছে। ইরানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, এই ফ্লাইটগুলো কেবলমাত্র ভারতীয়দের জন্য নির্ধারিত এবং যাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

    আগেই দেশে ফিরেছেন ১১০ জন পড়ুয়া (Iran)

    এর আগে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভয়ঙ্করভাবে উত্তপ্ত উত্তর ইরান থেকে ১১০ জন ভারতীয় পড়ুয়াকে (Indian Students) সফলভাবে সরিয়ে আনা হয়েছিল। তবে সে সময় ইরানের কোনও বিমানবন্দর ব্যবহার না করে তাদের প্রথমে আর্মেনিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়, তারপর সেখান থেকে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। উভয় দেশের ভারতীয় দূতাবাস এই অভিযানে সমন্বয় রাখে নিজেদের মধ্যে। এবার ইরানের অভ্যন্তর থেকেই সরাসরি বিশেষ বিমানে করে ভারতীয় নাগরিকদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে, যা একটি বড় সাফল্য বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

    ইজরায়েল থেকেও শুরু হয়েছে উদ্ধার অভিযান

    শুধু ইরান (Iran) নয়, ইজরায়েলেও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সেখানে থাকা ভারতীয়দেরও ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে ভারত সরকার। তেল আভিভে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস কাছাকাছি সীমান্ত অঞ্চলগুলির মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকদের সরিয়ে আনছে বলে খবর।

  • Indian students died in abroad: গত পাঁচ বছরে বিদেশে ভারতীয় পড়ুয়ার প্রাণহানির সংখ্যা ৬৩৩! শীর্ষে কানাডা

    Indian students died in abroad: গত পাঁচ বছরে বিদেশে ভারতীয় পড়ুয়ার প্রাণহানির সংখ্যা ৬৩৩! শীর্ষে কানাডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কত স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে পড়তে যায় ছাত্র-ছাত্রীরা। বছরে হাজার হাজার শিক্ষার্থী বিদেশে পাড়ি দেয় স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে। অনেক সময় স্বপ্নপূরণ হয়, আবার বহু সময় অধরা থেকে যায় স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্নকে ছাপিয়ে সরকারি তথ্যে বিদেশে ভারতীয় পড়ুয়াদের যে মৃত্যুর খবর (Indian students died in abroad) তুলে ধরা হয়েছে, তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে কেন্দ্র সরকারের। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিগত পাঁচ বছরে বিদেশে পড়তে যাওয়া ৬৩৩ জন ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে কানাডা (Canada)। সেখানে মৃত্যু সংখ্যা ১৭২। শুক্রবার লোকসভায় মোদি সরকারের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং এই তথ্য তুলে ধরেছেন।  

    রিপোর্টে কী বলা হয়েছে? 

    প্রকাশিত রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা ছাড়াও এই মৃত্যুর (Indian students died in abroad) পিছনে অনেকগুলি কারণ আছে। জানা গিয়েছে, ৬৩৩টি মৃত্যুর ঘটনার মধ্যে ১০৮টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ৫৮টি ব্রিটেনে, ৫৭টি অস্ট্রেলিয়ায়, ২৪টি জার্মানিতে  এবং ৩৭টি রাশিয়ায় ঘটেছে। এছাড়াও হামলার কারণে ১৯জন ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে কানাডা থেকে ৯টি ও মার্কিন মুলুক থেকে ৬টি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। 

    বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য 

    এ ঘটনা প্রসঙ্গে বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং জানিয়েছেন, “মন্ত্রকের কাছে উপলব্ধ তথ্য অনুসারে, প্রাকৃতিক কারণ, দুর্ঘটনা এবং চিকিৎসা পরিস্থিতি সহ বিভিন্ন কারণে গত পাঁচ বছরে বিদেশে ভারতীয় ছাত্রদের মৃত্যুর (Indian students died in abroad) ৬৩৩টি ঘটনা ঘটেছে। বিদেশে ভারতীয় পড়ুয়াদের নিরাপত্তা প্রদান করা ভারত সরকারের শীর্ষ অগ্রাধিকারগুলির মধ্যে একটি। বিদেশে ভারতীয় মিশন/পোস্টগুলি বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নথিভুক্ত ভারতীয় পড়ুয়াদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখে।” এছাড়াও কীর্তি বর্ধন সিং জানিয়েছেন, গত তিন বছরে মোট ৪৮ জন ভারতীয় পড়ুয়াকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরানো হয়েছে। তবে কেন এই কঠিন পদক্ষেপ তা সেদেশের প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তবে অ-অনুমোদিত কর্মসংস্থান, বহিষ্কার এবং স্থগিতাদেশ, ঐচ্ছিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কর্মসংস্থানের রিপোর্ট তৈরির ব্যর্থতা ছাত্রদের দেশে ফেরত পাঠানোর সম্ভাব্য কারণ। অনেক সময় ভিসা জটিলতার ফলেও একজন পড়ুয়ার ভিসা বাতিল হতে পারে, এবং শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাসিত হতে পারেন।

    আরও পড়ুন: মাত্র পাঁচ টাকার বিনিময়ে প্রতিদিন দুঃস্থ মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিচ্ছেন নয়ডার এই যুবক!

    উল্লেখ্য, প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে কমপক্ষে ৮৫৮০ জন ভারতীয় শিক্ষার্থী চীনে, ৭৩০০ জন নিউজিল্যান্ডে, ২১৩৪ জন নেপালে, ২০০০ জন সিঙ্গাপুরে, ১৫৩২ জন জাপানে এবং ১০২০ জন ইরানে অধ্যয়নরত রয়েছে। অন্তত ১৪ জন ভারতীয় ছাত্র প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে পড়াশোনা করছে। আর যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনে রয়েছে ২৫১০ জন ভারতীয় পড়ুয়া। ফলে এসকল পড়ুয়াদের নিয়েও আশঙ্কার মেঘ জমছে সরকারের মনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: জ্বলছে বাংলাদেশ! ঢাকার পরিস্থিতির দিকে নজর ভারতের

    Bangladesh Protest: জ্বলছে বাংলাদেশ! ঢাকার পরিস্থিতির দিকে নজর ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে এখনও স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি।  বাংলাদেশের কোটা সংস্কার আন্দোলনে (Bangladesh Protest) এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন বহু মানুষ। জারি হয়েছে কার্ফু। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয়েছে সেনা। এমত পরিস্থিতিতে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, নয়াদিল্লি বিষয়টি নিয়ে কী ভাবছে। এ প্রশ্নে তিনি এক লাইনে জবাব দিয়েছিলেন, ‘‘এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়।’’

    কূটনৈতিক মহলের মন্তব্য 

    রণধীর জয়সওয়ালের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কূটনৈতিক মহল বলছে, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘতম সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া দেশে প্রবল রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার ঘটনায় (Bangladesh Protest) সাউথ ব্লকের গভীর অস্বস্তি এবং উদ্বেগকেই আড়াল করতে চেয়েছেন রণধীর। কারণ এখন এ নিয়ে রা কাড়াও ভারতের পক্ষে বুমেরাংয়ের সমান। গত ছমাসেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ জুড়ে ভারত-বিরোধিতার যে ঢেউ দেখা গিয়েছে, তা-ই নতুন মোড়কে ফিরে এসেছে এখন। ঢাকার রাজপথে গর্জন শোনা গিয়েছে, ‘ভারত যাদের মামাবাড়ি, বাংলা ছাড়ো তাড়াতাড়ি।’ ফিরে এসেছে ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক, ‘ভারতীয় আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে, ‘ভারতের তাঁবেদার সরকার’ আওয়ামী লীগকে হটানোর ডাক। আর এ সবই ঘটেছে নয়াদিল্লির নাকের ডগায়।

    এ প্রসঙ্গে নয়াদিল্লির মন্তব্য (Bangladesh Protest) 

    সব মিলিয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব স্তরে ‘সোনালি অধ্যায়ের’ একটি ছবি দক্ষিণ এশিয়া দেখতে পেলেও, দুদেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বিভিন্ন স্তরে আরও বাড়ানোর কথাই যে এ বার ভাবতে হবে, তা ঘরোয়া ভাবে স্বীকার করছে নয়াদিল্লি। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশি ছাত্রদের জন্য আরও বেশি স্কলারশিপ বাড়ানো, নজরদারি বহাল রেখে ভিসা আরও শিথিল করা, ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করার মতো বিষয়গুলিতে কত দূর এগোনো যায়, সে বিষয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।

    দেশে ফিরল ৪৫০০ জন ভারতীয় পড়ুয়া (Indian students) 

    অন্যদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলন (Bangladesh Protest) ঘিরে উত্তাল বাংলাদেশে আটকে পড়েছিলেন কয়েক হাজার ভারতীয় পড়ুয়া। জানা গিয়েছে, বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক, অভিবাসন দপ্তর, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)-এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভারতীয় নাগরিকদের দেশে ফেরাচ্ছে বিদেশ মন্ত্রক। হিসেব বলছে ৪৫০০ জন ভারতীয় শিক্ষার্থী বাংলাদেশ থেকে নিরাপদে দেশে ফিরেছে। তবে শুধু ভারতীয় পড়ুয়াই নয়, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপের বহু পড়ুয়ারাও বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ফেরত এক ভারতীয় পড়ুয়া বলেছেন, ”অনেক শিক্ষার্থী বিমানের টিকিট বুক করেছিলেন। কিন্তু যেহেতু সেখানে কার্ফু রয়েছে, তাই তাঁরা বিমানবন্দরে যেতে পারেননি। বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। এখনও অনেক ভারতীয় ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়গুলির হস্টেলে রয়েছেন।” 

    আরও পড়ুন: নাশকতার ছক বানচাল! রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে আহত ১ জওয়ান

    প্রসঙ্গত, রবিবার বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট আন্দোলনের (Bangladesh Protest) পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায় অনুযায়ী সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে যে ৫৬ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল, তা কমিয়ে ৭ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। যেখানে এতদিন ‘মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের’ জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল,  তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। বাকি ২ শতাংশ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য এবং বিশেষ ভাবে সক্ষম ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। সুপ্রিম রায়ে আন্দোলনের জয়জয়কার হলেও বাংলাদেশ এখনও অশান্ত। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সে দেশে পড়তে যাওয়া বিদেশি পড়ুয়ারা। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ভারতীয় (Indian students)। বিষয়টি সামনে আসতেই ভারতের তরফে শুরু হয় তৎপরতা। এরপর ধাপে ধাপে তাঁদের ভারতে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Studying Abroad: বিদেশে পড়ার ক্ষেত্রে কোন দেশকে অগ্রাধিকার দেন ভারতীয় পড়ুয়ারা?

    Studying Abroad: বিদেশে পড়ার ক্ষেত্রে কোন দেশকে অগ্রাধিকার দেন ভারতীয় পড়ুয়ারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান স্টুডেন্ট মোবিলিটি রিপোর্ট অনুসারে প্রায় ১০.৩ লক্ষ ভারতীয় পড়ুয়া বিদেশে (Studying Abroad) পড়াশোনা করছে। সাম্প্রতিককালে, বিদেশে শিক্ষার সুযোগ খোঁজার ক্ষেত্রে ভারতীয় পড়ুয়াদের পছন্দই কানাডা। কয়েক বছর আগেও ভারতীয়রা বেশিরভাগ আমেরিকায় পড়তে যেতে চাইতেন। কিন্তু সম্প্রতি তার পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর আমেরিকান পলিসি (NFAP) এর তথ্য থেকেই এই চিত্র পরিষ্কার। তবে গত বছরের শেষ থেকে ভারত-কানাডা কুটনৈতিক সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরে ভারতীয় পড়ুয়ারা (Indian Students) আবার অন্য কথা ভাবছে।

    কানাডায় পড়ার আগ্রহ

    এনএফএপি পরিসংখ্যান অনুসারে, গত দুই দশকে (Studying Abroad) কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভারতীয় পড়ুয়া (Indian Students) ভর্তির হার ৫৮% বেড়েছে, যেখানে ২০০০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ৪৫%। আমেরিকায় ভিসার সুবিধা, থাকার ভালো বন্দোবস্ত, আধুনিক ব্যবস্থাপনা সব থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় পড়ুয়ারা ক্রমেই কানাডায় পড়তে যেতে চাইছেন। শীর্ষস্থানীয় কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বর্তমানে হাজার হাজার ভারতীয় ছাত্র নথিভুক্ত রয়েছে (কানাডার প্রায় ১৪% শিক্ষার্থী ভারতীয়)। শিক্ষার্থীরা এখানে ডেটা সায়েন্স, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল এবং এমবিএ প্রোগ্রাম সহ বেশ কিছু বিষয় অধ্যয়ন করতে আসে। 

    ভারত-কানাডা কুটনৈতিক সম্পর্কের প্রভাব

    কানাডার সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক এখন প্রায় তলানিতে। এর প্রভাবে গত বছরের শেষ ভাগ থেকেই কানাডায় পড়তে আসা ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের (Indian Students) সংখ্যা বিপুল ভাবে কমতে শুরু করেছে। খোদ কানাডার অভিবাসন মন্ত্রী মার্ক মিলার বলেছেন, ‘‘ভারতের সঙ্গে আমাদের বর্তমান সম্পর্কের জেরে এ দেশে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে।’’ ২০২২ সাল পর্যন্ত কানাডায় পড়তে আসা বিদেশি পড়ুয়াদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই ছিল সর্বাধিক। এ দেশে অন্তত ৪২ শতাংশ বিদেশি পড়ুয়াই আসতেন ভারত থেকে। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের শেষ দিকে প্রায় ৮৬ শতাংশ কমে গিয়েছে সেই সংখ্যা। 

    আরও পড়ুন: ডাক্তারিতে সুযোগ, পরে আইএএস! চাকরি ছেড়ে ২৬ হাজার কোটির কোম্পানি রোমান সাইনির

    কানাডার উদ্বেগ

    কানাডায় এই মুহূর্তে ভারতীয় প্রায় তিন লাখ ১৯ হাজার ছাত্র-ছাত্রী আছেন। তিন লাখ ১৯ হাজারের মধ্যে শতকরা প্রায়  ৮৯ শতাংশ উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য কানাডায় গিয়েছেন। ভারতীয় শিক্ষার্থীরা ২০২১-২০২২ সালে সে দেশের শিক্ষা ভান্ডারকে ৪৯০ কোটি ডলার দিয়েছে। এই টাকা ওয়াইপড আউট হয়ে গেলে কানাডার শিক্ষা ব্যবস্থায় একটা বড় সংকট দেখা দিতে পারে। তাই, অনেকের অনুমান ভারত-কানাডার সম্পর্ক যাইহোক, শিক্ষা ব্যবস্থায় তার আঁচ পড়বে না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে দু’দেশের কূটনৈতিক টানাপড়েনের জেরে ভারতীয় পড়ুয়ারাও (Indian Students) এখন অন্যত্র পড়তে যাওয়ার কথা ভাবছেন। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইউকে, ইউএসএ-র বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে (Studying Abroad) বেছে নিচ্ছেন ভারতীয় ছাত্ররা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • China Visa: ভারতীয় পড়ুয়ারা ফের ভিসা পাবেন, বড় ঘোষণা বেজিং-এর

    China Visa: ভারতীয় পড়ুয়ারা ফের ভিসা পাবেন, বড় ঘোষণা বেজিং-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ দুবছর পর ভারতীয় পড়ুয়াদের (Indian Students) ভিসা (Visa) দেওয়ার ঘোষণা করেছে জিনপিং (Xi Jingping) সরকার। করোনার কারণে ২০২০ সাল থেকে স্টুডেন্ট ভিসা এবং বাণিজ্যিক ভিসার ওপর বিধিনিষেধ জারি করেছিল চিন (China)। অবশেষে উঠল সেই বিধিনিষেধ। চিনের বিদেশমন্ত্রকের এশিয়া বিষয়ক বিভাগের কাউন্সেলর জি রং ট্যুইট করে জানিয়েছেন, “ভারতীয় ছাত্রদের আন্তরিক অভিনন্দন। আপনাদের ধৈর্য সার্থক হয়েছে। আমি সত্যিই এই আনন্দ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। চিনে আপনাদের স্বাগত।” ট্যুইটে নয়া দিল্লির চিনা দূতবাসকে উদ্ধৃত করে ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী ও চিনে কর্মরত পরিবারদের পুনরায় ভিসা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন রং।  

    আরও পড়ুন: ভারত-চিন সম্পর্ক কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, স্পষ্ট করলেন জয়শঙ্কর           
     

    জানা গিয়েছে, যেসব ছাত্ররা চিনে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পড়াশুনো করতে চান, তাদের এক্স-১ ভিসা দেওয়া হবে। নতুন করে যাঁরা চিনে গিয়ে পড়াশুনো শুরু করতে চান, অথবা নিজের ফেলে আসা পড়াশুনো শেষ করতে চান, তাদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য। ভিসা নিয়ে কড়াকড়ির  কারণে চিনে পাঠরত ২৩ হাজারের বেশি ডাক্তারি পড়ুয়া এতদিন ক্যাম্পাসে ফিরতে পারছিলেন না। যেসব পড়ুয়ারা চিনে ফিরে যেতে চান, ভারতের তরফে তাদের তালিকা চিনের কাছে পাঠানো হয়েছিল। বিগত কয়েক সপ্তাহে শ্রীলঙ্কা, রাশিয়া ও পাকিস্তান থেকে পড়ুয়ারা চাটার্ড বিমানে চিনে পৌঁছেছেন।  

    আরও পড়ুন: ঋণের টোপ দিয়ে টাকা-তথ্য হাতিয়ে চিনে পাচার, দেশজুড়ে গ্রেফতার ২২

    সোমবার, দিল্লির চিনা দূতাবাসের ওয়েবসাইটেও ভিসা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বলা হয়েছে করোনা বিধির কারণে ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত ছিল, তা আবার চালু করা হচ্ছে। ফলে নতুন ও পুরোনো সকল ছাত্রছাত্রীরাই সেদেশে পড়তে যেতে পারবেন। তবে ভিসা পেতে হলে নতুন ছাত্রছাত্রীদের চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন লেটার জমা দিতে হবে। অন্যদিকে পুরনো ছাত্রছাত্রীদের চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জারি করা ‘সার্টিফিকেট অব রিটার্নিং টু ক্যাম্পাস’ জমা দিতে হবে।  

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, পুরনো ১ হাজারেরও বেশি ভারতীয় ছাত্রছাত্রী চিনে ফিরে গিয়ে নিজের পড়াশুনো শেষ করতে চান। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে সার্টিফিকেট পেলেই তার ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এতদিন দুই দেশের মধ্যে সরাসরি কোনও বিমান ছিল না। সম্প্রতি চাটার্ড বিমানে এক ব্যবসায়ী ও তাঁর পরিবার চিনা শহর হ্যাংজুতে অবতরণ করেছেন। জুলাই মাসেই চিনে কর্মরত ভারতীয়দের পরিবারকে সেদেশে ফিরে আসার অনুমতি দিয়েছিল বেজিং। ঘুরপথে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে তাদের সেদেশে ফিরতে হয়েছিল।  

  • China: ভারতীয় পডুয়াদের দু’বছর পর চিনে ফেরাতে উদ্যোগী হল বেজিং

    China: ভারতীয় পডুয়াদের দু’বছর পর চিনে ফেরাতে উদ্যোগী হল বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  কোভিড বিধিনিষেধের কারণে চিনে পাঠরত ভারতীয় ছাত্ররা দেশে দু’বছর ধরে আটকা পড়ে আছেন। তাঁদের একাংশকে চিনে ফেরার জন্য অনুমতি দিতে চলেছে সে দেশের সরকার। ভিসা এবং বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞার জন্য ভারতীয় পড়ুয়ারা চিনে ফিরতে পারছিলেন না।

    চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, ‘‘চিনে যে সব ভারতীয় ছাত্ররা পড়াশুনার জন্য এসেছিলেন। তাঁরা ফিরতে পারছিলেন না। তাঁদের সমস্যাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় চিন। তাই অন্যান্য দেশের পডুয়াদের সঙ্গে তাঁরাও যাতে ফিরতে পারেন সে বিষয়টিকে যথেষ্ট অগ্রাধিকার দিয়ে দেখা হচ্ছে।’’তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় ছাত্রদের প্রত্যাবর্তনের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। যাঁরা ফিরে আসবেন ভারতকে তার তালিকা দিতে হবে।’’

    তথ্য অনুযায়ী ২৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয় পডুয়া চিনে পড়তে গিয়েছিলেন। এঁদের অধিকাংশ ডাক্তারি পড়ুয়া। ২০১৯ সালে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে  পড়ায় তাঁদের একাংশ দেশে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ায় চিন একাধিক বিধিনিষেধ জারি করে। ফলে তাঁরা আর চিনে ফিরতে পারেননি। তার পর থেকে তাঁরা চিনে ফেরার মরিয়া চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু বিমান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার ফলে শুধু মাত্র অনলাইন ক্লাস করতে হচ্ছিল। অন্যদিকে কিছুদিন আগেই চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইউজিসি। অনলাইন পাঠক্রমের ডিগ্রি ভারতে মান্যতা পাবে না এমন‌ই ঘোষনা করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশন। এক‌ই সময় চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকে উঠে আসে এই প্রসঙ্গ। এমনকি চিনা পর্যটকদের ভিসাও বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তারপরই শেষমেষ ভারতের চাপে পড়ে ভারতীয় পড়ুয়াদের বিষয়ে সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করল চিন। ফলে পড়াশোনা মাঝপথে ফেলে চিন থেকে যাঁরা ফিরে এসেছিলেন এবার সেই সব ছাত্রদেরই আবার দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে উদ্যোগী হয়েছে চিন।

LinkedIn
Share