Tag: International Law

  • Donald Trump: নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেয়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, নরওয়েকে দিলেন হুঁশিয়ারি

    Donald Trump: নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেয়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, নরওয়েকে দিলেন হুঁশিয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাগ্যে ছিঁড়ল না নোবেল শান্তি পুরস্কারের শিকে। আর তাই যারপরনাই ক্ষুব্ধ ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। চলতি বছরের শান্তি পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্তকে “লজ্জাজনক ও বিব্রতকর” আখ্যা দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রাক্তন বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরেই একটি জনসভায় ট্রাম্প দাবি করেন, পুরস্কারজয়ী ওই রহস্যময় ব্যক্তিত্বের নাম তিনি আগে কখনও শোনেননি। একই সঙ্গে নরওয়েকে কটাক্ষ (Nobel Peace Prize) করে তিনি বলেন, “এটি নরওয়ের ইতিহাসে এক অমোচনীয় কলঙ্ক। আমরা তা ভুলব না।”

    অসন্তোষ প্রকাশ ট্রাম্পের (Donald Trump)

    ট্রাম্প এর আগেও একাধিকবার প্রকাশ্যে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। গত বছর ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে এই পুরস্কার দেওয়া হলেও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সেই সময় নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরে ট্রাম্পকে বুঝিয়ে বলেছিলেন, পুরস্কারপ্রাপকের নাম নির্ধারণ করে নরওয়ে সরকারের কোনও সংস্থা নয়, বরং নরওয়েতে অবস্থিত একটি স্বাধীন কমিটি।

    নিউ ইয়র্কের সিরাকিউজে আয়োজিত জনসভায় সমর্থকদের সামনে ফের নিজের কৃতিত্বের কথা তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, তিনি আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন এবং আরও দু’টি যুদ্ধের নিষ্পত্তি করতে অথবা জয়লাভ করতে চলেছেন। তবে নিজের দাবির সমর্থনে কোনও প্রমাণ পেশ করেননি তিনি।

    নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, “গণতন্ত্রবিরোধী এবং সভ্যতার প্রকৃত শত্রু, এমন এক মুষ্টিমেয় উগ্র মতাদর্শীর কারণে নোবেল শান্তি পুরস্কারের বিশ্বাসযোগ্যতা চিরতরে নষ্ট হয়ে গিয়েছে।”

    পুরস্কার নাভি পিল্লাইকে

    আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের প্রাক্তন বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠা প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নোবেল কমিটি। কমিটির বক্তব্য, তাঁর কাজ বিশ্বজুড়ে আরও সুসংহত আইনি ব্যবস্থা গড়ে তোলার পথ প্রশস্ত করেছে।

    নরওয়ের নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়োরগেন ভাটনে ফ্রাইডনেস জানিয়েছেন, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার মতো অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক পিল্লাইয়ের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    পুরস্কার ঘোষণার কিছুক্ষণ পরে জার্মানির নুরেমবার্গের বিচার প্রাসাদ থেকে প্রতিক্রিয়া জানান ৮৫ বছর বয়সি পিল্লাই। প্রথমে বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এটা নিশ্চয়ই মজা।” তাঁকে অভিনন্দন জানাতে উপস্থিত মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তিনি। পরে হাস্যরসের ছলে বলেন, “আপনারা যদি আরও একটু জোরে হাততালি দেন, তা হলে হয়তো এই পুরস্কার ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারি (Donald Trump)।”

    অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন আগেও

    গত বছরও নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প। সেই সময় হোয়াইট হাউসের তরফে নোবেল কমিটির বিরুদ্ধে শান্তির চেয়ে রাজনীতিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছিল।

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকের সময় ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো নিজের নোবেল পদক ট্রাম্পকে উপহার দেন। মাচাদোর বক্তব্য ছিল, তাঁর দেশের স্বাধীনতার প্রতি ট্রাম্পের অঙ্গীকারের স্বীকৃতি হিসেবেই এই উপহার। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প ওই পদক্ষেপকে পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক অসাধারণ নিদর্শন বলে বর্ণনা করেন।

    তবে পরে নোবেল কমিটি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, নোবেল পুরস্কার অন্য কাউকে হস্তান্তর করা যায় না। কমিটির বিবৃতিতে (Nobel Peace Prize) বলা হয়, “একবার নোবেল পুরস্কার প্রাপকের নাম ঘোষণা করা হলে তা বাতিল করা, অন্য কারও সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া কিংবা অন্যের কাছে হস্তান্তর করা যায় না। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং তা চিরকাল বহাল থাকবে (Donald Trump)।”

     

  • India: “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের আইএমএফ-ঋণের দ্বিগুণ”, ইসলামাবাদকে জায়গা মনে করাল ভারত

    India: “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের আইএমএফ-ঋণের দ্বিগুণ”, ইসলামাবাদকে জায়গা মনে করাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদে পাকিস্তানের (Pakistan) অভিযোগের কড়া জবাব দিল ভারত (India)। ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগ করেন ভারতের প্রতিনিধি। ২৫ ফেব্রুয়ারি উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে ‘রাইট টু রিপ্লাই’ বা জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ কর বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রতিনিধি অনুপমা সিং। সেখানে পাকিস্তান এবং ইসলামিক সহযোগী সংস্থা (OIC)-এর তোলা অভিযোগ খারিজ করে তিনি বলেন, “এই জোট একটি সদস্য রাষ্ট্রকে ইকো চেম্বার হিসেবে ব্যবহৃত হতে দিয়েছে।”

    অনুপমার বক্তব্য (India)

    পাকিস্তান এবং ওআইসি তাদের বক্তৃতায় ঠিক কী বলেছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বুধবার প্রথম সচিব অনুপমা সিং বলেন, “পাকিস্তানের মন্তব্য ঈর্ষা থেকে প্রণোদিত।” তিনি জানান, ভারত এই ধরনের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে চায় না, তবে তা খণ্ডন ও অসত্য প্রমাণ করার জন্য কয়েকটি তথ্য উপস্থাপন করবে। ভারত জম্মু-কাশ্মীরের অগ্রগতি ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে, যার মধ্যে বিশ্বের সর্বোচ্চ চেনাব রেলসেতুও রয়েছে। এর পাশাপাশি অঞ্চলটির উন্নয়ন বাজেটের সঙ্গে পাকিস্তান সম্প্রতি আইএমএফের কাছে যে বেইলআউট প্যাকেজ চেয়েছে, তার তুলনা করা হয়। অনুপমা বলেন, “পাকিস্তান যদি এই বাস্তবতা স্বীকার না করে, তবে তারা লা-লা ল্যান্ডে বাস করছে।” তিনি জানান, জম্মু ও কাশ্মীরের বাজেট পাকিস্তানের চাওয়া আইএমএফ বেইলআউট প্যাকেজের দ্বিগুণেরও বেশি। এসব মন্তব্য ছিল পাকিস্তানের বয়ান মোকাবিলা এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতি তুলে ধরার জন্য নয়াদিল্লির বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ (India)।

    জেনেভা অধিবেশন

    জেনেভায় অধিবেশনে (Pakistan) অনুপমা বলেন, “জম্মু-কাশ্মীর ছিল, আছে এবং সর্বদা ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ হিসেবেই থাকবে। পাকিস্তানের যতই ইচ্ছাকৃত বক্তব্য বা দুঃসাহসী প্রোপাগান্ডা থাকুক না কেন, ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে জম্মু-কাশ্মীরের ভারতের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তি সম্পূর্ণ বৈধ ও চূড়ান্ত। তাই  এই অপরিবর্তনীয় সত্য বদলানো যাবে না।” ভারতীয় কূটনীতিক অনুপমা আরও বলেন, “একমাত্র অমীমাংসিত বিষয় হল পাকিস্তানের দখলে থাকা ভারতের ভূখণ্ডের অবৈধ দখল।” তিনি ইসলামাবাদকে জোরপূর্বক দখলে রাখা অঞ্চলগুলি খালি করে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আবারও বলেন, “পাকিস্তান যেন লা-লা ল্যান্ডে বাস করছে (India)।”

    তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ ও বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড ভোটারের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে সেখানকার মানুষ পাকিস্তান-প্রচারিত সন্ত্রাস ও হিংসার মতাদর্শ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” রাষ্ট্রসংঘে তিনি এও বলেন, “যদি গত বছর উদ্বোধন হওয়া বিশ্বের সর্বোচ্চ চেনাব রেলসেতুকে ভুয়ো বলা হয়, তবে পাকিস্তান নিশ্চয়ই লা-লা ল্যান্ডে (কল্পনার জগতে) বাস করছে।” তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের সাম্প্রতিক আইএমএফ বেইলআউট আবেদনের দ্বিগুণেরও বেশি (India)। অবশ্য এটি পাকিস্তানের কাছে অবিশ্বাস্য বলেই মনে হতে পারে (Pakistan)।”

     

LinkedIn
Share