Tag: Internet blackout

  • POK: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভ পড়ল ২২ দিনে, ইসলামাবাদের নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে সরব আন্দোলনকারীরা

    POK: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভ পড়ল ২২ দিনে, ইসলামাবাদের নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে সরব আন্দোলনকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের (POK) রাওয়ালাকোটে (Rawalakot) ইসলামাবাদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে চলা বিক্ষোভ মঙ্গলবার পড়ল ২২তম দিনে। ঈদগাহ গ্রাউন্ডে (Eidgah Ground) অনুষ্ঠিত সমাবেশে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। সেখানে বক্তারা (Pakistan Protesters) দাবি করেন, এই অঞ্চলকে আর পাকিস্তানের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়, এবং প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের পথ খোঁজার কথাও বলেন।

    অব্যাহত আন্দোলনকারীদের ওপর নিপীড়ন (POK)

    আন্দোলনকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সুশাসনের অভাব, অর্থনৈতিক সঙ্কট, মূল্যবৃদ্ধি, প্রশাসনিক অবহেলা এবং রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন শুরু হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, গত ৫ জুন থেকে গোটা অঞ্চলে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে, যাতে আন্দোলনের খবর বাইরে ছড়িয়ে না পড়ে এবং জনসংযোগ সীমিত থাকে। স্থানীয় নাগরিক অধিকার-কর্মী সর্দার আমান খানের নেতৃত্বে আন্দোলন আরও জোরদার হয়, যখন পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ দু’সপ্তাহের জন্য খাদ্য-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহে অবরোধ জারি করে বলে অভিযোগ ওঠে। এর পর থেকেই বিক্ষোভে মানুষের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরের হুঁশিয়ারি ইসলামাবাদকে

    সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আমান বলেন, “পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীর পাকিস্তানের অংশ নয়, এবং এই অঞ্চলের পাকিস্তানকে যতটা প্রয়োজন, তার চেয়ে ঢের বেশি প্রয়োজন পাকিস্তানেরই।” তাঁর দাবি, ৯ জুন থেকে নিয়ন্ত্রণরেখার (LoC) কাছে আলাদা একটি অবস্থান-বিক্ষোভও চলছে। একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তিনি সতর্ক করে বলেন, “যদি খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকে, তাহলে এখানকার মানুষ ভারতের কাছ থেকে সাহায্য চাওয়ার কথা ভাবতে পারে।” তাঁর মতে, এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে অঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে পারে এবং ইসলামাবাদের ওপর চাপ বাড়বে।”

    স্বৈরাচার মানব না

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওয় দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা পাক-শাসিত কাশ্মীরকে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে মানতে অস্বীকার করছেন। এর পাশাপাশি তাঁরা পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেন। সাফ জানিয়ে দেন কোনও ধরনের স্বৈরাচার মেনে নেওয়া হবে না। যদিও, এসব ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা হয়নি (POK)। এদিকে, এই আন্দোলন শুধু পাক অধিকৃত কাশ্মীরেই সীমাবদ্ধ নেই, বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী মানুষও পাকিস্তানের কূটনৈতিক মিশনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন। আন্দোলনকারীদের নেতারা জানিয়েছেন, মুজাফফরাবাদ-সহ (Pakistan Protesters) সমগ্র অঞ্চল নিয়ে তাঁদের রাজনৈতিক দাবিদাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকবে আন্দোলন (POK)।

     

  • POK Atrocities: যুদ্ধের হুমকি, পাকিস্তানকে মুখের মতো জবাব ভারতের, পিওকে-তে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ

    POK Atrocities: যুদ্ধের হুমকি, পাকিস্তানকে মুখের মতো জবাব ভারতের, পিওকে-তে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাওয়াজা আসিফের সাম্প্রতিক যুদ্ধের হুমকির কড়া জবাব দিল (POK Atrocities) ভারত। মঙ্গলবার ভারতের (India) বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানিয়েছে, এই ধরনের মন্তব্য পাকিস্তানের নিজস্ব ব্যর্থতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলি থেকে আন্তর্জাতিক মহলের নজর ঘোরানোর মরিয়া চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।

    কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের (POK Atrocities)

    সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য সম্পর্কে আমরা রিপোর্ট দেখেছি। এই ধরনের বক্তব্য পাকিস্তানের ব্যর্থতা আড়াল করা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় থেকে দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার একটি মরিয়া চেষ্টা। আমরা এই সব ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছি।” পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) যে সরকারবিরোধী আন্দোলন চলছে, সে প্রসঙ্গ টেনে পাকিস্তানকে নিশানা করেন তিনি। জয়সওয়ালের দাবি, পিওকের বর্তমান পরিস্থিতি পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক শোষণ, মৌলিক অধিকার হরণ এবং প্রশাসনিক দমননীতিরই ফল।

    আন্দোলন দমনে পুলিশি নির্যাতন

    তাঁর অভিযোগ, আন্দোলন দমনে পাক প্রশাসন চরম পুলিশি নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে। প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহে বাধা, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা এবং নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের মতো ঘটনাও ঘটেছে। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা আশা করি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পাকিস্তানের এই কাজকর্ম, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দমনপীড়ন নীতির জন্য জবাবদিহি চাইবে।”

    আসিফের হুঁশিয়ারি

    প্রসঙ্গত, গত শনিবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে দেওয়া (POK Atrocities) সাক্ষাৎকারে আসিফ হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, সিন্ধু নদীর জল নিয়ে যদি ভারতের পদক্ষেপ পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে হুমকিস্বরূপ হয়ে ওঠে, তাহলে ইসলামাবাদ সামরিক পদক্ষেপ নিতেও পিছপা হবে না। তিনি বলেন, “যখনই আমরা অনুভব করব যে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা, যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ জল নিরাপত্তা, হুমকির মুখে পড়েছে, তখন আমরা অবশ্যই ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে পারি।” প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে গত বছরের জঙ্গি হামলার পর ভারত সিন্ধু জল চুক্তি (Indus Waters Treaty) স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে। নয়াদিল্লির (India) অবস্থান, পাকিস্তান যতদিন না সীমান্তপারের সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার পরিকাঠামো ভেঙে ফেলার জন্য দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ করছে, ততদিন পর্যন্ত চুক্তি স্থগিতই থাকবে (POK Atrocities)।

     

  • Iran: ৪৭তম দিনে পড়ল ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, ক্ষোভ

    Iran: ৪৭তম দিনে পড়ল ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে ইরান (Iran)। ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লকসের মতে, ইরানে ইন্টারনেটের প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট (Digital Blackout) এখন ৪৭তম দিনে পড়ল, যেখানে সাধারণ জনগণ ১,১০৪ ঘণ্টা ধরে আন্তর্জাতিক সংযোগ ছাড়াই রয়েছেন। চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতেই নতুন করে শুরু হওয়া দেশীয় বিক্ষোভের পর ডিজিটাল অ্যাক্সেস ভেঙে পড়তে শুরু করে। ফেব্রুয়ারির শেষদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞাগুলি আরও কঠোর ও তীব্র হয়ে ওঠে।

    বিশাল তথ্যশূন্যতা (Iran)

    পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলি জানিয়েছে, এই দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন লাখ লাখ মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছে এবং একটি বিশাল তথ্যশূন্যতা তৈরি করেছে। যদিও অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক আংশিকভাবে চালু রয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের বাধা দেশটিকে একটি ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক সংঘাত ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার সময় কার্যত বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধ অবস্থা সাম্প্রতিক ইতিহাসে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল সেন্সরশিপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, যেখানে ১,১০৪ ঘণ্টার মাইলফলক সংযোগ সঙ্কটের তীব্রতা নির্দেশ করছে। এই অভ্যন্তরীণ ডিজিটাল নীরবতা একই সঙ্গে একটি গভীরতর কূটনৈতিক ও সামরিক সংঘাতের সঙ্গে মিলে গিয়েছে। বুধবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বিদেশি চাপ ও সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “ইসলামিক রিপাবলিকের ওপর বলপ্রয়োগের যে কোনও চেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে।” এহেন মন্তব্যটি এসেছে যখন একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি এবং পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত সম্পূর্ণ বন্ধ করার লক্ষ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে (Iran)।

    ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ-এর মতে, পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, “ইরান গঠনমূলক আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও জোরজবরদস্তির কাছে নতি স্বীকার করবে না।” ইসলামাবাদে প্রাথমিক আলোচনার অচলাবস্থার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনার খবরের প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্যটি আসে। তিনি বলেন, “আমরা গঠনমূলক আলোচনার ওপর জোর দিচ্ছি, কিন্তু আত্মসমর্পণে বাধ্য হব না। ইরানের ওপর নিজের ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার যে কোনও প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে এবং জনগণ কখনওই তা মেনে নেবে না। ইরান যুদ্ধ চায় না (Digital Blackout)।”

    তেহরান-ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও খারাপ

    প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য বর্তমান পরিস্থিতিতে বেড়ে যাওয়া উত্তেজনার প্রতিফলন, বিশেষ করে আমেরিকা কর্তৃক ইরানের বন্দরগুলি অবরোধের সিদ্ধান্তের পর, যা তেহরান ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ককে আরও খারাপ করেছে (Iran)। পেজেশকিয়ান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক পদক্ষেপের বৈধতা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং অসামরিক পরিকাঠামোর ওপর হামলার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর প্রশ্ন, “কার অনুমতিতে এবং কোন অপরাধের জন্য আমাদের দেশের ওপর এই আক্রমণ চালানো হয়েছে?” তিনি এও বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতির আলোকে অসামরিক মানুষ, শিশু, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং স্কুল-হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে হামলার কোনও যৌক্তিকতাই নেই।” তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান শান্তি চায়, তবে তার সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কোনও বাহ্যিক চাপ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে। ৪৭তম দিনে ইরানের ১,১০৪ ঘণ্টার ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট (Digital Blackout) আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে আরও তীব্র হয়েছে (Iran)।

    ইরানের বন্দরগুলিতে সফল অবরোধ

    এই প্রতিরোধ এখন একটি বৃহৎ সামরিক মোতায়েনের মুখে পড়েছে। একই দিনে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড ঘোষণা করে, ইরানের বন্দরগুলিতে পূর্ণ অবরোধ সফলভাবে কার্যকর হয়েছে। মার্কিন বাহিনী কৌশলগত জলপথ, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে, সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে, যার ফলে দেশের অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা ডিজিটাল ব্ল্যাকআউটের সঙ্গে মিশে গিয়েছে। এক বিবৃতিতে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানান, মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ইরানের সমুদ্রপথে সব ধরনের বাণিজ্য কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, “মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনী সামুদ্রিক আধিপত্য বজায় রাখার ফলে ইরানের বন্দরগুলি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থনীতি সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। অবরোধ শুরুর ৩৬ ঘণ্টারও কম সময়ে সমুদ্রপথে সব অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।”

    আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার জানিয়েছেন, এই অভিযানে ১০,০০০-এর বেশি মার্কিন সেনা সদস্য, নাবিক, মেরিন ও বিমানসেনা অংশ নিয়েছে, পাশাপাশি এক ডজনেরও বেশি যুদ্ধজাহাজ ও বহু বিমান (Digital Blackout) মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আঞ্চলিক সঙ্কট চলাকালীন অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর থাকে (Iran)।

     

LinkedIn
Share