Tag: IPL 2026

  • RCB Wins IPL 2026: একটা ট্রফির জন্য ১৮ বছর, তারপর টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন! আইপিএলে আরসিবির অবিশ্বাস্য উত্থান

    RCB Wins IPL 2026: একটা ট্রফির জন্য ১৮ বছর, তারপর টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন! আইপিএলে আরসিবির অবিশ্বাস্য উত্থান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আঠারো বছরের অপেক্ষা, অসংখ্য ব্যর্থতা, হৃদয়ভাঙা মুহূর্ত আর ট্রোলের পাহাড় পেরিয়ে ২০২৫ সালে প্রথমবার আইপিএল ট্রফি জিতেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB)। আর সেই সাফল্য যে কেবল একবারের বিস্ময় ছিল না, তা প্রমাণ করে দিল তারা ২০২৬ সালেও। টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম অভিজাত ক্লাবে নাম লিখিয়ে ফেলল বিরাট কোহলি-রজত পাটিদারদের দল। এর আগে কেবল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং চেন্নাই সুপার কিংসই আইপিএলে টানা দু’বার শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরসিবির নাম। শুধু শিরোপা জয় নয়, গোটা মরশুমে আধিপত্য বিস্তার করে প্রতিপক্ষদের কার্যত গুঁড়িয়ে দিয়েছে বেঙ্গালুরু।

    শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে আরসিবি

    লিগ পর্বে ১৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করে শীর্ষস্থানে শেষ করেছিল আরসিবি। এরপর কোয়ালিফায়ার ১-এ গুজরাট টাইটান্সকে ৯২ রানে বিধ্বস্ত করে সরাসরি ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে তারা। ফাইনালেও সেই একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একতরফা জয় তুলে নেয় বেঙ্গালুরু। ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অবসর নিয়েছেন, দলে এসেছে একাধিক পরিবর্তন। কিন্তু মাঠে তার কোনও প্রভাবই দেখা যায়নি। যেন গত বছরের সফল অভিযানের ধারাবাহিকতাই বজায় রেখেছে তারা।

    আহমেদাবাদে গুজরাতের মাঠেও ছিল আরসিবির রাজত্ব

    নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম ছিল গুজরাট টাইটান্সের ‘হোম গ্রাউন্ড’। কিন্তু বাস্তবে ছবিটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ম্যাচের আগের দিন থেকেই হাজার হাজার আরসিবি সমর্থক লাল জার্সি পরে আহমেদাবাদে ভিড় জমাতে শুরু করেন। ফাইনালের দিন প্রায় এক লক্ষ দর্শকের মধ্যে সিংহভাগই ছিল আরসিবির সমর্থক। স্টেডিয়ামের প্রতিটি কোণে ধ্বনিত হচ্ছিল “আরসিবি, আরসিবি” স্লোগান। কার্যত নিজেদের ঘরের মাঠেই খেলছিল রজত পাটিদারের দল। আরসিবি ফাইনালের কয়েকদিন আগেই আহমেদাবাদে পৌঁছে প্রস্তুতি শুরু করেছিল। তীব্র গরমে অনুশীলন, উইকেট পর্যবেক্ষণ এবং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কাজ তারা নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে।

    বল হাতে গুজরাটকে শ্বাসরুদ্ধ করল বেঙ্গালুরু

    টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আরসিবি। রোদে পুড়ে শক্ত হয়ে যাওয়া উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ ছিল না। সেই সুযোগই পুরোপুরি কাজে লাগান বেঙ্গালুরুর বোলাররা। মরশুমে ৭০০-র বেশি রান করা গুজরাটের দুই ওপেনারকে পাওয়ারপ্লের মধ্যেই ফেরত পাঠিয়ে দেয় তারা। চলতি মরশুমে তৃতীয়বারের মতো শুভমান গিল ও সাই সুদর্শনকে দ্রুত আউট করতে সক্ষম হয় আরসিবি। জশ হ্যাজেলউড বড় ম্যাচে নিজের অভিজ্ঞতার পরিচয় দেন। ভুবনেশ্বর কুমার নিখুঁত পরিকল্পনায় সাই সুদর্শনকে বাউন্সারে ফাঁদে ফেলেন। অন্যদিকে রাসিখ সালাম দার, যাঁকে অনেকেই গুরুত্ব দেননি, তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। মাত্র ৩.৪ ওভারে ২৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় গুজরাট। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। জস বাটলারও পাল্টা আক্রমণের সাহস দেখাতে পারেননি। ওয়াশিংটন সুন্দর একবার জীবনদান পেলেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। শেষদিকে অরশাদ খানের ছোট্ট ঝোড়ো ইনিংস কিছুটা লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিলেও গুজরাট নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৫ রানেই থেমে যায়।

    রান তাড়ায় কোহলির রাজকীয় ইনিংস

    ১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় আরসিবিকে। ফিল সল্টের অনুপস্থিতিতে ওপেন করতে নামা ভেঙ্কটেশ আইয়ার এবং বিরাট কোহলি পাওয়ারপ্লেতেই ম্যাচকে একতরফা করে দেন। মাত্র পাঁচ ওভারের মধ্যেই দলীয় স্কোর ৬০ পেরিয়ে যায়। পাওয়ারপ্লে শেষে স্কোরবোর্ডে ৭০ রান। ভেঙ্কটেশ আইয়ার দ্রুত আউট হলেও কোহলি থামেননি। কাগিসো রাবাদার এক ওভারে তিনটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেন তিনি। রশিদ খান নবম ওভারে রজত পাটিদার এবং ক্রুনাল পাণ্ডিয়াকে ফিরিয়ে সামান্য উত্তেজনা তৈরি করেছিলেন। কিন্তু সেটুকুই। কোহলির সঙ্গে টিম ডেভিডের ৪১ রানের জুটি গুজরাটের শেষ আশাটুকুও শেষ করে দেয়। ২৫ বলে নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করেন কোহলি। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৬ সালের ফাইনালের পর এবারই প্রথম আইপিএল প্লে-অফে অর্ধশতরান পেলেন তিনি।

    শেষ বলেও কোহলির ছক্কা

    ম্যাচের একমাত্র উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত আসে ১৬তম ওভারে। কোহলির একটি ক্যাচ ধরার চেষ্টা করেন শুভমান গিল। তৃতীয় আম্পায়ারের দীর্ঘ পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত হয় ‘নট আউট’। এরপর আর কোনও বাধা ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে অপরাজিত ৭৫ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন কোহলি। আরসিবির ঐতিহাসিক অভিযানের সমাপ্তিও হয় তাঁর ব্যাট থেকেই। জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান আসে একটি বিশাল ছক্কায়।

    নতুন যুগের সূচনা

    ২০২৫ সালে প্রথম শিরোপা জয়ের পর অনেকেই ভেবেছিলেন, সেটি হয়ত দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পাওয়া একবারের সাফল্য। কিন্তু ২০২৬ সালের অভিযান স্পষ্ট করে দিল, আরসিবি এখন কেবল জনপ্রিয় দল নয়, তারা এক শক্তিশালী ক্রিকেট সাম্রাজ্য। ১৮ বছর অপেক্ষা করে প্রথম ট্রফি জিতেছিল বেঙ্গালুরু। এরপর মাত্র ১২ মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় শিরোপা। টানা দুইবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে রজত পাটিদার, বিরাট কোহলি, জশ হ্যাজেলউড, ভুবনেশ্বর কুমারদের এই দল জানিয়ে দিল— ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন এক শক্তির উত্থান হয়েছে। আর সেই সাম্রাজ্যের রং নিঃসন্দেহে লাল।

  • Vaibhav Sooryavanshi: চোখের জলে শেষ আইপিএল! ডাগআউটে ভেঙে পড়ল বৈভব, কাপ না জিতলেও কিশোর সূর্যবংশী জিতল মন

    Vaibhav Sooryavanshi: চোখের জলে শেষ আইপিএল! ডাগআউটে ভেঙে পড়ল বৈভব, কাপ না জিতলেও কিশোর সূর্যবংশী জিতল মন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ১৫ বছর। কিন্তু ইতিমধ্যেই বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম আলোচিত নাম এই কিশোর। ব্যাট হাতে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে আইপিএল ২০২৬-কে নিজের মঞ্চে পরিণত করেছিল বৈভব সূর্যবংশী। তবে ক্রিকেট যে শুধুই পরিসংখ্যানের খেলা নয়, তা আরও একবার প্রমাণ হল শুক্রবার রাতে। ব্যক্তিগতভাবে দুরন্ত ইনিংস খেলেও দলের পরাজয় মেনে নিতে পারল না রাজস্থান রয়্যালসের এই কিশোর তারকা। গুজরাট টাইটান্সের কাছে কোয়ালিফায়ার-২ ম্যাচে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর ডাগআউটে বসেই চোখের জল ফেলতে দেখা গেল তাকে।

    পঞ্জাবের মুল্লানপুরে অবস্থিত মহারাজা যাদবিন্দ্র সিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে টেলিভিশন ক্যামেরায় ধরা পড়ে আবেগঘন সেই দৃশ্য। রাজস্থানের ডাগআউটে চুপচাপ বসে বৈভব। মুখে হতাশার ছাপ, চোখে জল। পরিস্থিতি সামাল দিতে তার পাশে এসে দাঁড়ান সতীর্থরা। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাডেজাকেও দেখা যায় কিশোর ক্রিকেটারকে সান্ত্বনা দিতে। দলের সাপোর্ট স্টাফ ও ম্যানেজার রোমি ভিন্দরও তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। একসময় ক্যামেরার নজর এড়াতে তোয়ালে দিয়ে মুখ ঢাকতেও দেখা যায় বৈভবকে।

    আবারও ব্যাট হাতে বিস্ফোরণ

    ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালসকে বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেয় বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ৪৭ বলে ৯৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে সে। শুরুতে মহম্মদ সিরাজ ও কাগিসো রাবাডার বিরুদ্ধে কিছুটা সতর্ক থাকলেও পরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেয়। একসময় মনে হচ্ছিল আরও একটি শতরান অপেক্ষা করছে তার ব্যাটে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ৯৬ রানেই থামতে হয়। ফলে শেষ চার ইনিংসের মধ্যে তৃতীয়বার নব্বইয়ের ঘরে আউট হওয়ার হতাশা সঙ্গী হয় তার। তবে বৈভবের এই ইনিংসের সুবাদেই রাজস্থান রয়্যালস নির্ধারিত ২০ ওভারে ২১৫ রানের বিশাল স্কোর তোলে। সেই মুহূর্তে অনেকেই মনে করেছিলেন, ফাইনালে ওঠার পথে এগিয়ে রয়েছে রাজস্থান।

    গিল-সুধর্শনের ঝড়ে উড়ে গেল রাজস্থান

    কিন্তু রান তাড়ায় নেমে গুজরাট টাইটান্সের দুই ওপেনার শুভমন গিল এবং সাই সুদর্শন ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। দু’জনে মিলে মাত্র ৭৭ বলে ১৬৭ রানের বিধ্বংসী উদ্বোধনী জুটি গড়েন। সাই সুধর্শন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও গিল অত্যন্ত পরিণত ইনিংস খেলেন। মাত্র ৪৭ বলে শতরান পূর্ণ করে গুজরাটকে জয়ের একেবারে কাছে পৌঁছে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সাত উইকেট হাতে রেখেই ২১৫ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে গুজরাট টাইটান্স। এর ফলে টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে যায় রাজস্থান রয়্যালসের।

    হারলেও ইতিহাস গড়ল বৈভব

    রাজস্থান ফাইনালে উঠতে না পারলেও বৈভব সূর্যবংশীর আইপিএল ২০২৬ মরশুম ক্রিকেট ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নেবে। ১৬ ম্যাচে সে করেছে ৭৭৬ রান। গড় ৪৮.৫০ এবং অবিশ্বাস্য ২৩৭.৩১ স্ট্রাইক রেট। মরশুম শেষে তার মাথাতেই ওঠে অরেঞ্জ ক্যাপ। কিন্তু শুধু রান নয়, গোটা টুর্নামেন্ট জুড়েই একের পর এক রেকর্ড গড়েছে এই কিশোর বিস্ময়।

    আইপিএল ২০২৬-এ বৈভব সূর্যবংশীর উল্লেখযোগ্য কীর্তি—

    • ● বলের হিসেবে সবচেয়ে দ্রুত ১,০০০ আইপিএল রান (৪৪০ বল)
    • ● ইনিংসের হিসেবে দ্বিতীয় দ্রুততম ১,০০০ আইপিএল রান (২৩ ইনিংস)
    • ● টি-২০ ইতিহাসে এক মরশুমে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৫০০ পাওয়ারপ্লে রান
    • ● এক টি-২০ প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক পাওয়ারপ্লে রানের রেকর্ড
    • ● ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে কিশোর ক্রিকেটার হিসেবে অন্যতম সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ
    • ● ৭৭৬ রান, স্ট্রাইক রেট ২৩৭-এরও বেশি
    • ● এক আইপিএল মরশুমে সর্বাধিক ৬৫টি ছক্কা

    সংখ্যার বাইরে এক মানবিক ছবি

    বৈভব সূর্যবংশী নিঃসন্দেহে আইপিএল ২০২৬-এর সবচেয়ে বড় আবিষ্কার। বিশ্বের সেরা বোলারদের বিরুদ্ধে তার নির্ভীক ব্যাটিং, ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা এবং রেকর্ড ভাঙার ধারাবাহিকতা ক্রিকেটপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছে। তবে মরশুমের শেষ রাতে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রইল না তার ৭৭৬ রান, ৬৫ ছক্কা কিংবা অরেঞ্জ ক্যাপ। বরং ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে থেকে যাবে ডাগআউটে বসে থাকা এক কিশোরের চোখের জল— যে নিজের সেরাটা দেওয়ার পরও দলকে ফাইনালে তুলতে পারেনি। সম্ভবত এটাই খেলাধুলার সবচেয়ে নির্মম এবং একইসঙ্গে সবচেয়ে সুন্দর দিক। ব্যক্তিগত সাফল্য যত বড়ই হোক, দলের স্বপ্ন ভেঙে গেলে একজন প্রকৃত প্রতিযোগীর কাছে তার মূল্য অনেক কম। আর সেই কারণেই পরাজয়ের রাতে চোখের জলে ভেঙে পড়া বৈভব সূর্যবংশী আরও একবার প্রমাণ করল, সে শুধু এক অসাধারণ প্রতিভাই নয়, দলের জন্য নিবেদিত এক প্রকৃত যোদ্ধাও।

    কাপ হয়ত অধরা থেকে গেল, কিন্তু কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর মন জিতে নিয়েছে ১৫ বছরের কিশোর।

  • IPL 2026: দুর্গাপুজোর সময় আইপিএল! তীব্র গরম থেকে ক্রিকেটারদের স্বস্তি দিতে ভাবনা বিসিসিআই-এর

    IPL 2026: দুর্গাপুজোর সময় আইপিএল! তীব্র গরম থেকে ক্রিকেটারদের স্বস্তি দিতে ভাবনা বিসিসিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর থেকে দুর্গাপুজোর সময় হতে পারে আইপিএল (IPL 2026)। বদলে যেতে পারে আইপিএলের সময়। দীর্ঘ দিন ধরেই মার্চে শুরু হয় প্রতিযোগিতা। তা ছ’মাস পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। দু’টি কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে বোর্ড। এমনটাই জানিয়েছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল। আপাতত অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। বরাবরই মার্চ থেকে মে – দেড়মাস হয় আইপিএল। তবে ২০২০ ও ২০২১ সালে কোভিডকালে সেপ্টেম্বরে আয়োজিত হয়েছিল আইপিএল। খুব সম্ভবত ওই সময়েই এবার থেকে আয়োজন করা হতে পারে আইপিএল। প্রবল গরম ও ক্রিকেটারদের অত্যধিক ক্লান্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ।

    কেন পিছোচ্ছে সময়

    আইপিএলের গোড়া থেকেই মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত আইপিএল আয়োজন করা হয়। মাঝে ২০২০ ও ২০২১ সালে করোনার কারণে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে হয়েছিল আইপিএল। তবে সব ঠিক থাকলে পাকাপাকি ভাবে ওই সময়েই আইপিএল আয়োজন করা হতে পারে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রবল গরম এবং ক্রিকেটারদের ক্লান্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ধুমলের মতে, প্রতিযোগিতার সময় পিছোনোর জন্য কোনও চাপ রয়েছে এমন নয়। তা ছাড়া অনুমতি পেতে হবে সম্প্রচারকারী চ্যানেল এবং আইসিসি-রও। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আইপিএল আয়োজন করা হলে সেই সময় উৎসবের মেজাজে থাকা সমর্থকদের বেশি সংখ্যায় মাঠে টেনে আনা যাবে বলে মত বোর্ডকর্তাদের। ওই সময়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে দুর্গাপুজো, দশেরা, দীপাবলি হয়। ধুমল বলেছেন, “প্রতিযোগিতা কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে সম্প্রচারকারী চ্যানেলের সঙ্গে বৈঠক করে ওদের মতামত জানতে হবে। একটা পরামর্শ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আইপিএল হতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে সময়টা খুবই ভাল। কারণ দীপাবলির ঠিক আগে আইপিএল হবে। এর পরের দ্বিপাক্ষিক সূচি দেখতে হবে আমাদের। সেই সময় আইপিএল করা যায় কি না তা বুঝতে হবে।”

    আইসিসি-কেও সূচি বদলাতে হবে

    ধুমল আরও জানান, আইপিএল শুধুমাত্র বিসিসিআই-এর ওপর নির্ভর করে না। যেহেতু এই প্রতিযোগিতায় অনেক বিদেশী প্লেয়াররা খেলে, তাই আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গেও কথা বলা দরকার। আইপিএলের সময়ে কোনও ক্রিকেট ম্যাচ রাখে না আইসিসি, যাতে সব দেশের ক্রিকেটারেরা অংশ নিতে পারেন। আইপিএলের সময় বদলালে আইসিসি-কেও সূচি বদলাতে হবে। এই মুহূর্তে আইপিএল খেলে মোট ১০ দল। ২০২২ সালে যোগ হয়েছে দুই নতুন দল, গুজরাট টাইটান্স ও লখনৌ সুপার জায়েন্টস। মোট ম্যাচ সংখ্যা ৭৪। এই ৭৪ ম্যাচ খেলা হয় দুই মাস জুড়ে। তবে যদি আইপিএল পিছিয়ে দুর্গাপুজোর সময় অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে বিশ্ব ক্রিকেটেও এর প্রভাব পড়বে। তবে যেহেতু বর্তমান সময়ে প্রচন্ড গরমের কারণে প্লেয়ারদের স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ছে, তাই এই বিষয়ে ভেবে দেখতে পারে আইসিসিও।

  • IPL 2026: ধোনির রেকর্ড ভাঙলেন রিঙ্কু! লখনউ ম্যাচে ইতিহাস কেকেআর তারকার, সুপার ওভারে জয় নাইটদের

    IPL 2026: ধোনির রেকর্ড ভাঙলেন রিঙ্কু! লখনউ ম্যাচে ইতিহাস কেকেআর তারকার, সুপার ওভারে জয় নাইটদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাহির রেকর্ড ভেঙে এখন কেকেআর-এর ‘সঙ্কটমোচন’ রিঙ্কু সিং। দলের বিপদে রিঙ্কু যখন ক্রিজে নামেন, কেকেআর সমর্থকরা তখন ভরসা পান। মাঝে যদিও সময়টা ভালো যাচ্ছিল না কিন্তু আবারও নিজেকে প্রমাণ করলেন রিঙ্কু (Rinku Singh)। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৫১ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে কেবল দলকে জেতাননি, বরং আইপিএলের ইতিহাসে (IPL 2026) কিংবদন্তি মহেন্দ্র সিং ধোনির এক দীর্ঘস্থায়ী রেকর্ড নিজের নামে করে নিলেন কেকেআরের এই বাঁহাতি ব্যাটার।

    ধোনির রেকর্ড-এ থাবা

    আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ইনিংসে ৬ নম্বর বা তার নিচে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয়দের মধ্যে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি এতদিন ছিল এমএস ধোনির দখলে। ২০১১ সালে আরসিবির বিরুদ্ধে ধোনি করেছিলেন ৭০ রান। দীর্ঘ ১৫ বছর পর সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন রিঙ্কু সিং। লখনউয়ের বিপক্ষে তাঁর অপাজিত ৮৩ রানের ইনিংসটি এখন তালিকার শীর্ষে। এই তালিকায় তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে দীনেশ কার্তিক (৬৯) এবং শার্দূল ঠাকুর (৬৮)। প্রথম ইনিংসে লোয়ার অর্ডারে (৬ বা তার নিচে) নেমে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে দ্বিতীয় সর্বাধিক রানের মালিকও এখন রিঙ্কু। এখানে তাঁর আগে রয়েছেন কেবল কেকেআরের সতীর্থ আন্দ্রে রাসেল, যিনি ২০১৮ সালে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ৮৮ রান করেছিলেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে আইপিএল ইতিহাসে ৬ বা তার নিচে নেমে সর্বাধিক রানের এলিট ক্লাবেও এখন জ্বলজ্বল করছে রিঙ্কুর নাম। যেখানে হার্দিক (৯১), আন্দ্রে রাসেল (৮৮), জিতেশ শর্মা (৮৫) এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির (৮৪) মতো বিগ হিটাররা রয়েছেন। সেখানে পাঁচ নম্বরে রয়েছেন রিঙ্কু সিং।

    সুপার ফিনিশার রিঙ্কু

    ইডেনে রাজস্থান রয়‌্যালসের বিরুদ্ধে টিমকে প্রথম জয় এনে দিয়েছিলেন। আর লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে রিঙ্কু যা করলেন, সেটা এককথায় অতিমানবীয়। টস হেরে প্রথমে ব‌্যাট করে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় কেকেআর। ৩১ রানের মধ্যে চারটে উইকেট চলে যায়। সেখান থেকেই টিমকে টানতে থাকেন রিঙ্কু। শেষ ওভারে টানা চারটে ছয়। সেটাই কেকেআরকে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছে দেয়। তারপর ফিল্ডিংয়ে পাঁচটা ক‌্যাচ (একটা সুপার ওভারে)। রিঙ্কুর দৌলতেই সুপার ওভারে লখনউকে হারিয়ে ম্যাচে নাটকীয় জয় পায় নাইটরা। ম্যাচ শেষে হর্ষ ভোগলে তাঁকে ‘সঙ্কটমোচন’ বলে ডাকলেও ম্যাচের সের রিঙ্কু তা বিনম্রভাবে হাসিমুখে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে পরিসংখ্যান বলছে, ধোনির উত্তরসূরি হিসেবে একজন নিখুঁত ফিনিশারের খোঁজে থাকা ভারতীয় ক্রিকেটে রিঙ্কু সিং এখন এক অপরিহার্য নাম।

  • KKR: হাড়ে চিড় নিয়েই খেলছেন! অবশেষে জয়ের পর কেকেআরের ড্রেসিংরুমে কান্নাকাটি কেন, জানালেন বরুণ

    KKR: হাড়ে চিড় নিয়েই খেলছেন! অবশেষে জয়ের পর কেকেআরের ড্রেসিংরুমে কান্নাকাটি কেন, জানালেন বরুণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েও চোখে জল আসেনি, কিন্তু চলতি আইপিএলে প্রথম জয় কাঁদিয়ে দিল রিঙ্কু-বরুণদের। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় চলতি আইপিএলে অবশেষে জয় পেয়ে ম্যাচের সেরা বরুণ চক্রবর্তী বললেন, ‘‘২০২৪-এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে আমি ড্রেসিংরুমে কাউকে খুব একটা কাঁদতে দেখিনি। কিন্তু আজ জয়ের পরে অনেকের চোখেই জল দেখলাম। চোটের জন্য মরসুমের শুরু থেকে একের পর এক ক্রিকেটার ছিটকে গিয়েছে। সেই দলকে ছন্দে ফেরানো সহজ নয়। এমনই একটি জয় আমাদের প্রয়োজন ছিল। আশা করি, এই জায়গা থেকে আমরা ঘুরে দাঁড়াব।’’

    কাঁদলেন রিঙ্কু

    টানা ব্যর্থ। অবশেষে ২ পয়েন্ট এল ঝুলিতে। কেকেআর যেন কিছুটা অক্সিজেন পেল এই জয়ের পর। তবে এতগুলো ম্যাচের পর একটা জয় যেন আবেগের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দিল। ছ’টা ম্যাচের মধ্যে পাঁচটায় হার। একটামাত্র পয়েন্ট এসেছিল, সেটাও বৃষ্টির দৌলতে! সাত নম্বর ম্যাচের পর জয় এল। তার পরই কেকেআর ড্রেসিংরুমে অনেকেই কাঁদলেন। ২৫ কোটির গ্রিন রান পাচ্ছিলেন না। একটা ম্যাচে বড় রান করলেন। তার পর আবার সেই এক পরিস্থিতি। ক্যাপ্টেন রাহানেকে নিয়ে সব থেকে বেশি সমস্যায় নাইটরা। মিডল অর্ডার দলকে ভরসা দিতে পারছে না। রাজস্থানের বিরুদ্ধেও ১৫৫ রান করতে গিয়েও কেকেআরের কালঘাম ছুটল। রাজস্থানের বিরুদ্ধে ম্যাচের নায়ক রিঙ্কু। সেই রিঙ্কু সিং অঝোরে কাঁদলেন এদিন। অফ ফর্ম চলছে। রান পাচ্ছিলেন না। রবিবার সেই রিঙ্কুই জেতালেন। তার পর আবেগ আর ধরে রাখতে পারেননি।

    রেকর্ড বুকে বরুণ

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই খারাপ ফর্ম চলছিল। আইপিএলের শুরু থেকে খুব একটা ভাল খেলতে পারছিলেন না। উইকেট পেলেও প্রচুর রান দিচ্ছিলেন। রাজস্থানের বিরুদ্ধে অবশেষে প্রত্যাবর্তন হল ‘আসল’ বরুণ চক্রবর্তীর। রানও কম দিলেন। তুলে নিয়েছেন তিনটি উইকেটও। ম্যাচের পর বরুণ জানালেন, হাড়ে চিড় নিয়েই তিনি আইপিএলে খেলছেন। তাঁর মতে, এখনও ট্রফি জিততে পারে কেকেআর। এ দিন দ্বিতীয় দ্রুততম ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ২০০টি উইকেট নিলেন বরুণ। ১৫১টি ইনিংসে ২০০তম উইকেট পেয়েছিলেন অর্শদীপ সিং। বরুণ পেলেন ১৫৫তম ইনিংসে। কুলদীপ যাদব (১৬০), জয়দেব উনাদকাট (১৬২) এবং মহম্মদ শামি (১৬৫) রয়েছেন বরুণের পরে। রবিবার ম্যাচের সেরাও হন বরুণ। তিনি বলেন, “পিচ খুব একটা আলাদা ছিল না। আইপিএলে যেমন পিচ হয় তেমনই হয়েছে। আজ একটু মন্থর গতির ছিল, যা আমরা কাজে লাগিয়েছি। প্রথম কয়েকটা ম্যাচে আমি চোট পেয়েছিলাম। দুটো হাড়ে চিড় ধরেছিল। এখনও বাঁ হাতে চিড় দুটো রয়েছে। সেটা সামলেই খেলার চেষ্টা করছি। কাজটা কঠিন, তবু চেষ্টা তো করতেই হবে।” সাফল্যের নেপথ্যে গোটা কোচিং স্টাফকে কৃতিত্ব দিয়েছেন বরুণ।

  • Bangladesh India Relation: শেষমেশ ঢোক গিলল বাংলাদেশ, তুলে নিল আইপিএল সম্প্রচারের ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা

    Bangladesh India Relation: শেষমেশ ঢোক গিলল বাংলাদেশ, তুলে নিল আইপিএল সম্প্রচারের ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের শুরুতেই আসন্ন মরশুমের জন্য আইপিএলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার সেই সার্বিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার (IPL 2026)। শনিবার (Bangladesh India Relation) সাংবাদিক সম্মেলনে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন নবনিযুক্ত তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহিরউদ্দিন স্বপন।

    বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত (Bangladesh India Relation)

    এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এর আগে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক ও ক্রিকেট সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছিল। ২০২৬ সালের আইপিএল শুরু হওয়ার প্রাক্কালে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশে আবারও সম্প্রচারকারী সংস্থা এবং দর্শকরা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় টি২০ লিগ উপভোগ করতে পারবেন। বাংলাদেশ আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধ করেছিল পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে লিগ থেকে বাদ দেওয়ার পর। মুস্তাফিজুরকে কলকাতা নাইট রাইডার্স ৯.২০ কোটি টাকায় কিনেছিল। কিন্তু বিসিসিআইয়ের নির্দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তাঁকে ছেড়ে দেয়। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

    টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে মুস্তাফিজুরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিল। এর পরেই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যের সংবেদনশীল পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয় (Bangladesh India Relation)। এই ঘটনার পর বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপ থেকেও সরে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেট মহলে ব্যাপক সমালোচিত হয়।  অনেকেই মনে করেন এটি রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেয়ে বেশিই ক্ষতি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের (IPL 2026)।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

    তবে সম্প্রতি দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। উভয় দেশের নেতাদের মধ্যে সৌজন্য বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। এই নরম অবস্থান ক্রীড়াক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হয়েছে, এবং আইপিএল সম্প্রচার ফের চালুর সিদ্ধান্তকে সেই পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও স্বীকার করেছে, একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তটি ক্ষতিকর ছিল। এখন তারা ক্রিকেট ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী। বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক। বাংলাদেশে আইপিএলের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং সম্প্রচারকারীরা অতীতে উচ্চ দর্শকসংখ্যা পেয়েছে। সম্প্রচার বন্ধ থাকায় দর্শকদের পাশাপাশি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ও বিজ্ঞাপনদাতাদেরও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে (Bangladesh India Relation)।

    কী বলছেন মন্ত্রী

    জহিরউদ্দিন স্বপন বলেন, “আমাদের কাছে আইপিএল সম্প্রচারের জন্য কেউ আবেদন করেনি। আমরা খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতি মেশাতে চাই না। আমরা এটিকে বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করব এবং যদি কোনও চ্যানেল আবেদন করে, আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখব (IPL 2026)।” তিনি এও বলেন, “আমরা কাউকে সম্প্রচার থেকে বিরত রাখব না। যদি স্টার স্পোর্টস সম্প্রচার করতে চায়, তারা করতে পারবে। আমাদের দেশের কোনও চ্যানেল করতে চাইলে আমরা ইতিবাচকভাবেই দেখব, তবে কাউকে বাধ্য করা হবে না।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাদেশি মন্ত্রীর এহেন বক্তব্য সরকারের বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়, যেখানে অন্তত নীতিগতভাবে খেলাধুলোকে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা থেকে আলাদা রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে (Bangladesh India Relation)।

     

  • IPl 2026: অপেক্ষার অবসান! বাইশ গজে ফিরছেন কিং কোহলি, আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ মুখোমুখি আরসিবি বনাম এসআরএইচ

    IPl 2026: অপেক্ষার অবসান! বাইশ গজে ফিরছেন কিং কোহলি, আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ মুখোমুখি আরসিবি বনাম এসআরএইচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান! শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএল ২০২৬-এর ১৯তম মরশুম (IPl 2026)। প্রথম ম্যাচেই নামছে বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরু (Royal Challengers Bengaluru) এবং ঈশান কিশনের হায়দরাবাদ (SunRisers Hyderabad)। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়া কোহলিকে আবার সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে দেখা যাবে। গত আইপিএলে আরসিবির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন বিরাট। ৬৫৭। যা আঠারো বছরের খরা কাটিয়ে আরসিবিকে তাদের প্রথম আইপিএল ট্রফি জিতিয়ে দেয়। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার এবারও কোহলির সেই রুদ্ররূপ প্রত্যাশা করছেন। তবে, গত জানুয়ারি মাসের পর আর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেট খেলতে দেখা যায়নি বিরাটকে। কিন্তু তাতে কী? তিনি তো কিং কোহলি।

    কিছুক্ষণ পরই শুরু আইপিএল

    মঞ্চ তৈরি। আর কিছুক্ষণ পরই শুরু আইপিএল (IPl 2026)। এই মরশুমের শুরুটা কিছুটা ব্যতিক্রমী। গত বছরের ট্র্যাজেডির কথা মাথায় রেখে কোনও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রাখা হয়নি। গতবার আরসিবি-র বিজয় উদযাপনের সময় ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় ১১ জন সমর্থকের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁদের স্মৃতিতে আরসিবি ভবিষ্যতে স্টেডিয়ামে ১১টি আসন খালি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেঙ্গালুরুতে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা সবসময় থাকে। ম্যাচ চলাকালীন প্রায়শই বৃষ্টি হয়। কিন্তু বেশিক্ষণ না। তবে শনিবারের আবহাওয়া ক্রিকেটের জন্য আদর্শ। আকাশ পরিষ্কার থাকবে। ম্যাচের সময় তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৮ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। বাতাসে আর্দ্রতা ৬০ শতাংশ। এদিন ম্যাচ বৃষ্টিতে বিঘ্নিত যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলা যায়। দীর্ঘদিন পর আবার ক্রিকেট ফিরছে বেঙ্গালুরুর স্টেডিয়ামে। একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের অপেক্ষায় থাকবে সবাই।

    হাই-স্কোরিং ম্যাচের ইঙ্গিত

    আরসিবি বনাম এসআরএইচ ম্যাচ মানেই বড় রান—সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই দুই দলের লড়াইয়ে রানের বন্যা দেখা গেছে। এবারের ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা কম। বিশেষ করে দুই দলের বোলিং আক্রমণ কিছুটা দুর্বল হওয়ায় ব্যাটারদের দাপট দেখার আশা করা হচ্ছে। দেখতে গেলে, শক্তি বিচারে দু’টো টিমের ব্যাটিং প্রায় সমানে-সমানে। আরসিবিতে ফিল সল্ট, রজত পাতিদার, ভেঙ্কটেশ আইয়ার, উইল জ্যাকস, বিরাট কোহলিরা রয়েছে। হায়দরাবাদে আবার রয়েছেন অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষান, ট্রাভিস হেড, হেনরিক ক্লাসেনরা। আরসিবি ব্যাটিং লাইন-আপে প্রচুর বিকল্প থাকলেও বোলিংয়ে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। অন্যদিকে এসআরএইচ-ও তাদের অধিনায়ক প্যাট কামিন্স-কে প্রথমদিকে পাচ্ছে না, যা তাদের বোলিং শক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে। এই মরশুমের প্রথম ভাগে এসআরএইচ-কে নেতৃত্ব দেবেন ঈশান কিষাণ। তাঁর এই নতুন দায়িত্ব নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে ক্রিকেটমহলে। যদিও তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে সফল নেতৃত্ব দিয়েছেন। তবে আইপিএল-এর চাপ সম্পূর্ণ ভিন্ন।

  • IPL 2026: ঘোষিত আইপিএলের সম্পূর্ণ সূচি, ইডেনে কবে, কখন খেলবেন নাইটরা?

    IPL 2026: ঘোষিত আইপিএলের সম্পূর্ণ সূচি, ইডেনে কবে, কখন খেলবেন নাইটরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহেই শুরু হচ্ছে ক্রীড়া-বিনোদনের মহাযজ্ঞ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। ২৮ মার্চ, শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএল (IPL 2026)। এই মেগা টুর্নামেন্টের জন্য প্রথম দফায় ২০টি ম্যাচের সূচি ঘোষণা করেছিল বিসিসিআই (BCCI)। এর পর আরও ৫০টি ম্যাচের সূচি ঘোষণা করা হল। ফাইনাল ৩১ মে। বৃহস্পতিবার বিসিসিআইয়ের তরফে ঘোষণা করা হল, আগামী ২৪ মে পর্যন্ত চলবে আইপিএলের গ্রুপ পর্বের খেলা। তার পরের সপ্তাহে প্লে অফ এবং ফাইনাল খেলা হবে। সবমিলিয়ে ৫০টি ম্যাচ খেলা হবে দেশের ১২টি স্টেডিয়ামে।

    ভোট দেখে ম্যাচ ইডেনে 

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যে চলবে বিধানসভা ভোট। সেই কারণে প্রথম দফায় ২০টি ম্যাচের কথা ঘোষণা করেছিল বিসিসিআই (BCCI)। এদিকে বাংলায় দু’দফায় ভোটের কারণে হোম ম্যাচগুলিও সেইভাবে রাখা হয়েছে। কারণ, ভোটের দিনের খেলা থাকলে পুলিশ পাওয়া নাও যেতে পারে। সেই কারণে ভোটের সময়সূচি অনুযায়ী ম্যাচ রাখা হয়েছে ইডেনে। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনেই মাঠে নামছে কেকেআর।

    ইডেনে খেলবেন না বিরাট

    অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলতে নামবে নাইট ব্রিগেড। ২৯ মার্চ কেকেআরের প্রতিপক্ষ মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। গ্রুপ পর্বের একেবারে শেষ ম্যাচটিও খেলবে কেকেআর। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে খেলে গ্রুপ পর্ব শেষ হবে অজিঙ্ক রাহানেদের। অর্থাৎ দরকার পড়লে প্লে অফে ওঠার যাবতীয় অঙ্ক, যাবতীয় হিসাবনিকাশ মাথায় রেখে খেলতে পারবে নাইটরা। কিন্তু আসন্ন আইপিএলে বিরাট কোহলি এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির খেলা দেখতে পাবেন না কলকাতার ক্রিকেটপ্রেমীরা। কারণ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বে একটাই ম্যাচ খেলবে কেকেআর। সেই ম্যাচ খেলা হবে বিরাটদের দ্বিতীয় ঘরের মাঠ রায়পুরে। অন্যদিকে ধোনিদের দুর্গ চিপকে খেলতে নামবে নাইটরা।

    আইপিএলে কেকেআর (KKR)-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি…

    ইডেনে নাইটদের খেলা:

    • ● ২ এপ্রিল কেকেআর বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ৬ এপ্রিল কেকেআর বনাম পাঞ্জাব কিংস (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ৯ এপ্রিল কেকেআর বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ১৯ এপ্রিল কেকেআর বনাম রাজস্থান রয়্যালস (কলকাতা, সময় দুপুর ৩.৩০)
    • ● ১৬ মে কেকেআর বনাম গুজরাট টাইটান্স (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ২০ মে কেকেআর বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ২৪ মে কেকেআর বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)

    নাইটদের অ্যাওয়ে ম্যাচ:

    • ● ২৯ মার্চ কেকেআর বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (ওযাংখেড়ে, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ১৪ এপ্রিল কেকেআর বনাম চেন্নাই সুপার কিংস (চেন্নাই, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ১৭ এপ্রিল কেকেআর বনাম গুজরাট টাইটান্স (আহমেদাবাদ, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ২৬ এপ্রিল কেকেআর বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস (লখনউ, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ৩ মে কেকেআর বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (হায়দরাবাদ, সময় দুপুর ৩.৩০)
    • ● ৮ মে কেকেআর বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস (দিল্লি, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ১৩ মে কেকেআর বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (রায়পুর, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
  • IPL 2026: আসন্ন আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল, কারণ ব্যাখ্যা করল বিসিসিআই

    IPL 2026: আসন্ন আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল, কারণ ব্যাখ্যা করল বিসিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের (IPL 2026) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করে দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)। গত বছর ৪ জুন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার উৎসব চলাকালীন পদপিষ্ট হয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বছরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই।

    কেন বাতিল অনুষ্ঠান

    বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া বলেন, “গত ৪ জুনের মর্মান্তিক ঘটনার কারণে আইপিএলের শুরুর দিন কোনও অনুষ্ঠান হবে না। দুর্ঘটনায় প্রয়াতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিসিসিআই এ বার উদ্বোধনের দিন কোনও সাংস্কৃতিক বা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে না। তবে, ফাইনালের দিন একটি বড় অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে।” তবে, বিসিসিআই এবং আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ঠিক করেছে, ফাইনালের দিন, অর্থাৎ ৩১ মে জমকালো সমাপ্তি অনুষ্ঠান হবে।

    আগেও বাতিল হয় অনুষ্ঠান

    উল্লেখ্য, গত বছর ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ। উপস্থিত ছিলেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান, সঙ্গীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল, করণ আউজলা। পাশাপাশি নৃত্য পরিবেশন করেন অভিনেত্রী দিশা পাটানি। তবে এ বছর কোনও অনুষ্ঠান হচ্ছে না। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে পুলওয়ামা কাণ্ডের পরেও আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করেছিল বিসিসিআই। সেবার উদ্বোধনের জন্য বরাদ্দ অর্থ শহিদ জওয়ানদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    শোক ও শ্রদ্ধার আবহ

    আগামী শনিবার আইপিএল শুরু হচ্ছে। বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের মুখোমুখি হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।  ২০২৫ সালে IPL জয়ের পরে RCB-র সেলিব্রেশনে ঘটে গিয়েছিল ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ট্রফি জয়ের প্যারেডে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারান ১১ জন, আহত হয়েছিলেন অনেকে। প্রাক্তন ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদের সভাপতিত্বে কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, স্টেডিয়ামের ভিতরে একটা স্মৃতিফলক বসানো হবে। এর মাধ্যমে প্রয়াত ভক্তদের শ্রদ্ধা জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের স্মৃতিতে স্টেডিয়ামের ভিতর ১১টি আসন ফাঁকা রাখা হবে। আইপিএল হোক বা আন্তর্জাতিক ম্যাচ, কোনও ম্যাচেই ওই আসনগুলোর টিকিট বিক্রি করা হবে না। সব মিলিয়ে শোক ও শ্রদ্ধার আবহেই শুরু হতে চলেছে আইপিএল।

  • IPL 2026: আইপিএল খেতাবের প্রতিশ্রুতি, কেকেআরে সংরক্ষিত আন্দ্রে রাসেলের ১২ নম্বর জার্সি

    IPL 2026: আইপিএল খেতাবের প্রতিশ্রুতি, কেকেআরে সংরক্ষিত আন্দ্রে রাসেলের ১২ নম্বর জার্সি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাসেলের সঙ্গে সম্পর্ক চিরকালীন করে নিল কেকেআর (Andre Russell in KKR)। এতগুলো বছর নাইটদের ১২ নম্বর জার্সি গায়ে চাপিয়ে খেলেছেন। এবার রাসেলকে উৎসর্গ করে ১২ নম্বর জার্সির অবসর ঘোষণা করলেন কেকেআরের সিইও ভেঙ্কি মাইসোর। অর্থাৎ, নাইটদের এই জার্সি আর কোনওদিন অন্য কারও জন্য বরাদ্দ হবে না। চলতি বছর আইপিএল (IPL 2026) শুরুর আগে মঙ্গলবার রাতে কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে ‘কেকেআর আনপ্লাগড’ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সেই অনুষ্ঠানেই ১২ নম্বর জার্সি রাসেলের হাতে তুলে দেন ভেঙ্কি মাইসোর।

    ‘পাওয়ার কোচ’ আন্দ্রে রাসেল

    ২০১৪ থেকে ২০২৫, টানা ১২ বছর নাইটদের সংসারের স্থায়ী সদস্য। এক দশকেরও বেশি সময় সুখ, দুঃখের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত জামাইকান। কিন্তু আসন্ন আইপিএল থেকে আর বেগুনি জার্সিতে দেখা যাবে না ড্রে রাসকে। তবে গাঁটছড়া মোটেই ভাঙেনি। শুধু ভূমিকা বদল। গতবারও ছিলেন ক্রিকেটার, এবার ‘পাওয়ার কোচ’ আন্দ্রে রাসেল। চতুর্থবারের জন্য কলকাতা আইপিএল জিতলে তিনি সমর্থকদের উপহার দেবেন স্পেশাল ‘দ্রে রাস লাইভ শো’।

    আবেগতাড়িত আন্দ্রে রাসেল

    কেকেআরের মঞ্চে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন রাসেল। জানান, নাইটদের হয়ে খেলা তাঁর কাছে বরাবরই বিশেষ ছিল। যে দল তাঁকে এত কিছু দিয়েছে, এবার তাঁদের ফিরিয়ে দিতে চান। অবদান রাখতে চান কোচ হিসেবে। রাসেল বলেন, ‘‘এই দলের অঙ্গ হতে পেরে গর্বিত। বিশ্বকাপ জয় সবসময় স্পেশাল। আইপিএল জয় আলাদা। এবার অন্য ভূমিকায়। অন্যভাবে উপভোগ করব। এবারের আইপিএলও আমার কাছে বিশেষ। মাঠে নিজেকে নিংড়ে দিয়েছি। এবার এই খেলাটার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারব না। তাই নতুন ভূমিকা নিয়ে কোনও আফশোস নেই। আমাদের কোচিং স্টাফ ভালো। সবাই তরুণ এবং প্রতিভাবান। যে কেউ এই কোচিং স্টাফের অঙ্গ হতে চাইবে। সবাই মিলে কেকেআরের সাফল্যে অবদান রাখতে চাই।’’

    রাসেলের সঙ্গে  স্থায়ী সম্পর্ক

    ২০১৪ সাল থেকে কেকেআরের হয়ে আইপিএল খেলেছেন রাসেল। তার আগে দু’বছর দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেললেও রাসেল নিজেকে কেকেআর পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করেন। তাঁর এই আবেগকে সম্মান দিল কেকেআর। রাসেল ১২ নম্বর জার্সি পরে খেলতেন কেকেআরের হয়ে। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে কেকেআর সিইও বেঙ্কি মাইসোর এ বছরের ১২ নম্বর জার্সি ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাসেলের হাতে তুলে দেন। তাতে লেখা ছিল ‘দ্রে রাস’। রাসেলের হাতে জার্সি তুলে দিয়ে মাইসোর বলেন, ‘‘বেগনি এবং সোনালি রঙের ১২ নম্বর জার্সি সব সময় শুধু তোমারই থাকবে।’’

LinkedIn
Share