Tag: ITBP

ITBP

  • Election Commission: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি মোতায়েন

    Election Commission: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (Election Commission) ২০২৬-এর নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতে রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি আধাসামরিক আগামী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, দুই দফায় মোট ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। সেই অনুযায়ী, প্রথম দফায় ১ মার্চের মধ্যে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী ঢুকেছে। নির্ধারিত জেলায় পৌঁছে গিয়েছে প্রথম দফায় রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) এসে পৌঁছাবে। জেলায় জেলায় চালানো হবে কঠোর নজরদারি (Election Security)।দ্বিতীয় দফায় আসা ২৪০ কোম্পানি আগামী ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যে তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।

     

    জেলা ভিত্তিক মোতায়েন পরিকল্পনা (Election Commission)

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ (CRPF), বিএসএফ (BSF), সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি। নির্বাচনে (Election Commission) তাঁদের দ্বারা ইভিএম ও স্ট্রংরুম পাহারা, ভোটের দিন (Election Security) নিরাপত্তা, এলাকা দখলমুক্ত রাখা এবং আস্থা ফেরানোর কাজ করানো হবে। সব দায়িত্বের মূলে হল এলাকাকে ভয়মুক্ত করা। প্রত্যেক কোম্পানির ৯টি সেকশনের (Election Security) মধ্যে ৮টি সেকশন সরাসরি বুথ ও আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবে আর বাকি ১টি কিউআরটি ও তদারকির কাজে থাকবে।

     

    কোথায় কত বাহিনী

    ১০ মার্চের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এই জেলায় আসছে ৩৩ কোম্পানি। বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৩, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১১ ও সুন্দরবন পুলিশ জেলায় বাহিনী মোতায়েন থাকছে ৯ কোম্পানি। জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Election Commission) মোতায়েন করা হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২০, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১৯, মালদায় ১৮, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ১৫, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১০ কোম্পানি মোতায়েন (Election Security) করা হচ্ছে।

    বাহিনী কোন কোন কাজ করবে?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, এই বাহিনী (Election Commission) মূলত নিম্নলিখিত কাজগুলো সম্পন্ন করবে।

    • ১>এরিয়া ডমিনেশন: নিয়মিত টহলদারির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা।
    • ২>আস্থা বৃদ্ধি (Election Security): সাধারণ ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটদানের পরিবেশ তৈরি করা।
    • ৩>নজরদারি: বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য জিপিএস (GPS) এবং বডি ক্যাম ব্যবহার করা হবে।

    সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় সহ বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক অশান্তির খবরের পরিপ্রেক্ষিতে এই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ১০ মার্চের মধ্যে আসা এই বাহিনীর একটি বড় অংশ এই জেলার ডায়মন্ড হারবার, বারুইপুর এবং সুন্দরবন পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • Naxals: ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কল্যাণেই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য মিলেছে’, ছত্তিশগড়ে বললেন শাহ

    Naxals: ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কল্যাণেই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য মিলেছে’, ছত্তিশগড়ে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক কৌশল, পরিকাঠামো উন্নয়ন, মাওবাদীদের আর্থিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং আত্মসমর্পণ নীতির সমন্বিত প্রয়োগ বামপন্থী চরমপন্থার (Naxals) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইতিবাচক ফল মিলেছে। রবিবার এ কথা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “৩১ মার্চের আগেই নকশাল সমস্যা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা হবে। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই যেন বিচ্ছিন্নভাবে না হয়।” রায়পুরে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকে সভাপতিত্ব করে তিনি কেন্দ্র ও রাজ্য সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেন, ‘গোয়েন্দা তথ্য ও অভিযানকে একটি নিরবচ্ছিন্ন ‘গ্রিডে’র মাধ্যমে পরিচালনা করতে, যাতে এক অঞ্চল থেকে বিতাড়িত মাওবাদীরা প্রতিবেশী কোনও রাজ্যে আশ্রয় নিতে না পারে।’

    শাহ উবাচ (Naxals)

    বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, “ছত্তিশগড় এক সময় নকশাল (Naxals) হিংসার শক্ত ঘাঁটি ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ডাবল-ইঞ্জিন সরকারের অধীনে এখন এটি উন্নয়নের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।” তিনি বলেন, “ছত্তিশগড়ের যুবসমাজ খেলাধুলা, ফরেনসিক বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষায় অগ্রগতি করছে, পাশাপাশি নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যও সংরক্ষণ করছে।” তিনি বলেন, “নকশালবাদ বহু প্রজন্মকে দারিদ্র্য ও অশিক্ষার অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। ডাবল-ইঞ্জিন সরকার দেশ থেকে নকশালবাদের অভিশাপ সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চেষ্টার কোনও কসুর করছে না, এবং এই সমস্যা এখন প্রায় শেষের পথে।” শাহ বলেন, “নিরাপত্তা ও উন্নয়ন – উভয় ক্ষেত্রেই ছত্তিশগড় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে এবং নকশাল-প্রভাবিত এলাকার (Naxals) মানুষদের জন্য সমান উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।” বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ছত্তিশগড়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠকেও সভাপতিত্ব করেন শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “মোদী সরকারের কাছে নিরাপত্তা ও সুযোগ – দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ।”

    উন্নতির সমান সুযোগ পাওয়া উচিত

    নকশাল-প্রভাবিত অঞ্চলের মানুষদের দেশের অন্যান্য অংশের মতোই যে উন্নতির সমান সুযোগ পাওয়া উচিত, এ কথাও ফের মনে করিয়ে দেন তিনি। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাঁই, উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ডিরেক্টর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের বিশেষ সচিব। উপস্থিত ছিলেন সিআরপিএফ, বিএসএফ, ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ (ITBP) ও জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)-র শীর্ষ আধিকারিকরা, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড ও তেলঙ্গনার ডিজিপিরা এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা (Naxals)। মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাঁই বলেন, “‘ডাবল-ইঞ্জিন’ সরকারের সমন্বিত কৌশল—যেখানে নির্ভুল নিরাপত্তা অভিযান, পরিকাঠামো সম্প্রসারণ এবং মাওবাদীদের আর্থিক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ একসঙ্গে নেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট ফল দিচ্ছে।” তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে এবং অমিত শাহের দিশানির্দেশে ছত্তিশগড় দ্রুত ৩১ মার্চের মধ্যে নকশাল-মুক্ত রাজ্য হওয়ার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে (Amit Shah)।

    গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চল, যার মধ্যে সাতটি জেলা রয়েছে মহারাষ্ট্র, তেলঙ্গনা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে এবং দীর্ঘদিন ধরে এটি মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে গত কয়েক বছরে সেখানে জোরদার নকশাল-বিরোধী অভিযান চালানো হয়েছে, যার ফলে চরমপন্থী আন্দোলন অনেকটাই দুর্বল হয়েছে (Naxals)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি ২০২৪ থেকে এ পর্যন্ত ছত্তিশগড়ে সংঘর্ষে ৫০০-র বেশি নকশাল নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সিপিআই (মাওবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজুও রয়েছে। একই সময়ে প্রায় ১,৯০০ নকশালকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ২,৫০০-র বেশি মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে (Amit Shah)। উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা বলেন, “বিভিন্ন রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের (স্বরাষ্ট্র/ডিজিপি) উপস্থিতিতে রায়পুরে রবিবারের বৈঠকটি ছিল ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণের জন্য শেষ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠক।” সোমবার অমিত শাহ দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের জগদলপুরে তিনদিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব ‘বস্তার পান্ডুম মহোৎসব’-এর সমাপ্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন (Naxals)।

     

  • Soldier Rescued: চিন সীমান্তে বরফের নীচে চাপা পড়েছিলেন, তিন দিন পর জীবিত উদ্ধার জওয়ান

    Soldier Rescued: চিন সীমান্তে বরফের নীচে চাপা পড়েছিলেন, তিন দিন পর জীবিত উদ্ধার জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্তে (India-China Border) বরফের নীচ থেকে তিন দিন পর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার (Soldier Rescued) করা হল জওয়ান অনিল রামকে। প্রবল তুষারপাতে আটকে গিয়েছিলেন অনিল ও তাঁর সঙ্গী। তুষারপাতের সময় গুহার মধ্যে কোনও রকমে আশ্রয় নিলেও তেমন লাভ হয়নি। বরফে গুহার মুখ ঢেকে গিয়েছিল। তিন দিন সেখানেই আটকে ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওই জওয়ান। অবশেষে তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    বরফের নীচে বাঁচার লড়াই

    ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশের (আইটিবিপি) সদস্য বিহারের বক্সারের বাসিন্দা অনিল। উত্তরাখণ্ডে ভারত-চিন সীমান্ত পাহারা দেওয়ার ভার পড়েছিল তাঁর উপর। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ভারবাহক দেবেন্দ্র সিং। উত্তরাখণ্ডের মুন্সিয়ারি থেকে মিলাম পর্যন্ত টহল দিচ্ছিলেন অনিল। আচমকা তুষারপাত শুরু হয়। বরফের হাত থেকে বাঁচার জন্য সাময়িক ভাবে তাঁরা একটি গুহায় ঢুকে পড়েছিলেন। কিন্তু তুষারপাত চলতেই থাকে। মুন্সিয়ারি থেকে প্রায় ৮৪ কিলোমিটার দূরে ছিল ওই গুহা। প্রবল তুষারপাতে চারদিক ঢেকে যায়। পুরু তুষারের আস্তরণ পড়ে যায় গুহা সংলগ্ন স্থানে। গুহার মুখও বন্ধ হয়ে যায়। গুহার ভিতরেই সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির সংশোধন চাই, পাকিস্তানকে কড়া নোটিশ ভারতের

    এক দিন পর তাঁদের খোঁজ (Soldier Rescued) শুরু হয়। তিন দিন পর তাঁদের খোঁজ মেলে। গুহার মুখ থেকে বরফ সরিয়ে দু’জনকে বার করে আনা হয়। উত্তরাখণ্ডের হাসপাতালে অনিল চিকিৎসাধীন। তবে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। অনিলের উদ্ধারের খবর পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে তাঁর পরিবারেও। তাঁর সঙ্গী দেবেন্দ্রের শারীরিক অবস্থাও স্থিতিশীল বলে খবর। উত্তরাখণ্ডের সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট শ্রেষ্ঠ গুনসোলা জানিয়েছেন, অনিল এবং দেবেন্দ্র, দু’জনেই সুস্থ আছেন। চার ফুট পুরু বরফ সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand Tunnel Collapse: প্রথম গরম খাবার পেলেন সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকরা, চলছে উদ্ধারকাজ

    Uttarakhand Tunnel Collapse: প্রথম গরম খাবার পেলেন সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকরা, চলছে উদ্ধারকাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই প্রথম গরম খাবার দেওয়া হল উত্তরাখণ্ডের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের (Uttarakhand Tunnel Collapse)। এদিন ৬ ইঞ্চি প্রশস্ত একটি পাইপ ওই ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে ঢোকাতে সক্ষম হন উদ্ধারকারীরা। জানা গিয়েছে, ওই পাইপ দিয়েই বোতলে করে গরম খিচুড়ি এবং ডালিয়া পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকাজের দায়িত্বে থাকা এক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকের মতে, ‘‘আমরা চওড়া মুখের প্লাস্টিকের বোতল নিয়ে এসেছি। ওই বোতলগুলি করে আমরা শ্রমিকদের কাছে কলা, আপেল, খিচুড়ি এবং ডালিয়া পাঠাচ্ছি।’’ অন্যদিকে, নতুন ৬ ইঞ্চি প্রশস্ত পাইপটি যেভাবে শ্রমিকদের কাছ পর্যন্ত পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে, এর ফলে খুশি দেখা গিয়েছে শ্রমিকদের মধ্যে। এমনটাই জানিয়েছেন প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিক। শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্য ওয়াকিটকি আগেই পাঠানো হয়েছে। ডিআরডিও-র দুটি রোবোটিক্স মেশিনও ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয়েছে।

    আরেকটি সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ চলছে

    গত ১২ নভেম্বর থেকে উত্তরাখণ্ডের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে আটকে পড়ে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক (Uttarakhand Tunnel Collapse)। ইতিমধ্যে ন’দিন কেটে গিয়েছে, তবু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি শ্রমিকদের। প্রশাসনের তরফে অবশ্য চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখা হয়নি। যথেষ্ট তৎপরতার সঙ্গেই চালানো হচ্ছে উদ্ধারকাজ। জানা গিয়েছে, বর্তমানে টানেলের মধ্যে একটি সুবিশাল পাইপকে ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। মাটি কেটে সেটি ভিতরে ঢুকবে বলেই জানা যাচ্ছে। পাইপটির ব্যাস খুবই বড়। এর ফলে উদ্ধারকাজ সম্ভব হতে পারে বলে আশা করছে প্রশাসন (Uttarakhand Tunnel Collapse)। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এবং কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি। আটকে পড়া সুড়ঙ্গের পাশেই সমান্তরালভাবে আরেকটি সুরঙ্গ খোঁড়ার কাজও চলছে। এর জন্য ইন্দোর থেকে আনা হয়েছে ড্রিল মেশিন। শ্রমিকদের কাছে যথারীতি সরবরাহ করা হচ্ছে শুকনো খাবার, অক্সিজেন ফল ইত্যাদি।

    উদ্বেগে পরিজনরা

    এদিকে, দুর্ঘটনার ন’দিন পরেও সুড়ঙ্গে আটকে (Uttarakhand Tunnel Collapse) পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে না পারায় উদ্বেগে তাঁদের পরিজনরা। উদ্ধারকাজ কেমন চলছে, তা দেখতে সুড়ঙ্গের কাছে ঘাঁটি গেড়েছেন তাঁরা। তাঁদের রাত্রিবাসের জন্য তাঁবুর ব্যবস্থা করেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। ব্যবস্থা করা হয়েছে খাবারেরও। গত রবিবার দুপুরে উত্তরকাশীতে জাতীয় সড়কের নিচে সুড়ঙ্গ খুঁড়তে গিয়ে ধস নামে। সুড়ঙ্গে আটকে পড়েন ৪১ জন শ্রমিক। তাঁদের উদ্ধার করতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছেন এনডিআরএফ, আইটিবিপি এবং স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Rescue: উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন উদ্ধারকারীরা

    Uttarkashi Tunnel Rescue: উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন উদ্ধারকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীতে এক নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel Rescue) মধ্যে আটকে পড়েছেন ৪০ জন শ্রমিক। দিল্লি থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছে উচ্চ-ক্ষমতা সম্পন্ন যন্ত্র এবং এই যন্ত্র দিয়ে সুড়ঙ্গে করা হবে উদ্ধার কাজ। গত রবিবার ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকেই ওই সুড়ঙ্গের মধ্যে প্রায় ১২০ ঘণ্টা ধরে আটকে রয়েছেন শ্রমিকরা। সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত সুড়ঙ্গের মধ্যে জমে থাকা ধ্বংসস্তূপকে সরিয়ে ২৫ মিটার পর্যন্ত প্রবেশ করা গিয়েছে। ফলে সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন উদ্ধারকারীরা। উল্লেখ্য উত্তরাখণ্ডের চারধাম বদ্রীনাথ, কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রী তীর্থস্থানগুলিতে সংযোগ আরও সরল করতে এই সুড়ঙ্গ পথের কাজ চলছিল। কিন্তু হঠাৎ বিপত্তি ঘটে সুড়ঙ্গে।

    ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের বক্তব্য (Uttarkashi Tunnel Rescue)

    ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সুড়ঙ্গের ভিতরে ৯০০ মিলিমিটার ব্যাস এবং ৬ মিটার দীর্ঘ দুটি পাইপ সম্পূর্ণ ঢোকানো হয়েছে। প্রায় ৪৫ থেকে ৬০ মিটার পর্যন্ত সুড়ঙ্গের ভিতরে ড্রিল করে ঢোকাতে হবে। ২৪ টন ওজনের উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন যন্ত্র ঘণ্টায় ৫ মিটার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢোকানো হচ্ছে। তবে ধ্বংসাবশেষের মধ্যে শক্ত কিছু পড়লে সাময়িক ভাবে উদ্ধার কাজ বন্ধ রাখতে হয়। এই উদ্ধার কাজে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, বিআরও এবং আইটিবইপির মোট ১৬৫ জন কর্মী উদ্ধার কাজে নেমেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    ন্যাশনাল হাইওয়েস ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের বক্তব্য

    ন্যাশনাল হাইওয়েস অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড থেকে (এনএইচআইডিসিএল) ডিরেক্টর আংশু মনীশ খালখো বলেছেন, “গ্যাস কাটার ব্যবহার করে ধাতব অংশ কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং বর্তমানে ড্রিলিং কাজ বন্ধ রয়েছে। প্ল্যান বি সফল হবে বলে আশা রাখছি। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি আমরা সাফল্য পাবো। যন্ত্রের যাতে কোন ক্ষতি সাধন না হয় সেই দিকে নজর রাখা হয়েছে। থাইল্যান্ড এবং নরওয়ের অভিজ্ঞ উদ্ধারকারীদের এই উদ্ধার (Uttarkashi Tunnel Rescue) কাজে সংযুক্ত করা হয়েছে।”

    খাবার, জল, অক্সিজেন পাঠানো হচ্ছে

    সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে পড়া শ্রমিকদের মনোবল বৃদ্ধির চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় খাবর, জল, অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ওয়াকি-টকির মাধ্যমে উদ্ধারকারীরা (Uttarkashi Tunnel Rescue) আটকে থাকা শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সুড়ঙ্গের কাছেই একটি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালগুলিকে সতর্ক রাখা হয়েছে। উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যাতে নিয়ে যাওয়া যায় সেই বিষয়েও সচেতন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India China: চিনকে টক্কর! উত্তর-পূর্ব সীমান্তে আরও সাতটি টানেল তৈরি করছে ভারত

    India China: চিনকে টক্কর! উত্তর-পূর্ব সীমান্তে আরও সাতটি টানেল তৈরি করছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ঠিক ওপারে তিব্বতে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন দ্রুত হারে বৃদ্ধি করছে চিন। জবাব দিতে, চিন সীমান্তবর্তী (India China) এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাচ্ছে ভারতও।  এই প্রেক্ষিতে চিন-সীমান্ত রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সহজ-সরল করতে নতুন সাতটি টানেল তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট জানিয়েছেন, গত তিন বছরে পাঁচটি টানেল তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। আরও সাতটির কাজ চলছে বা শুরু হবে।

    কাদের সহায়তায় টানেল

    যে সাতটি টানেলের কাজ চলছে, তার মধ্যে রয়েছে অটল টানেল। যার দৈর্ঘ্য ৯.২ কিলোমিটার। ২০২০ সালে যা চালু হয়। অরুণাচলের তাওয়াংয়ের সঙ্গে অসমের গুয়াহাটির যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক সহজ হবে সিলা টানেল খুলে গেলে। যা সম্ভব চলতি মাসের শেষ দিকে চালু হওয়ার কথা। বর্ডার ডিফেন্স ও পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ করছে তিনটি সংস্থা। প্রথমটি হল, বর্ডার রোড অর্গনাইজেশন বা বিআরও। যারা মূলত টানেল, ব্রিজ , রোড, তৈরির কাজ করছে। ভারতীয় সেনাকে (India China) যাতায়াত করতে পরিকাঠামো জনিত সহায়তা দিচ্ছে ইন্দো-টিবেটিয়ান পুলিশ বা আইটিবিপি। তৃতীয় সংস্থা হল স্পেশ্যাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স। যারা মূলত হিমালয় ও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় কমান্ডা অপারেশনের কাজকর্ম করছে।

    আরও পড়ুুন: “বাংলা, কাশ্মীর ভারতের মধ্যে আছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য”, রাজ্যসভায় শাহ

    বরাদ্দ বাজেট

    ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেই সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলের পরিকাঠামো উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি (India China)। তার জন্য বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের বাজেট এক ধাক্কায় ৩৭৮২ কোটি থেকে বাড়িয়ে ধীরে ধীরে ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষে ১৪,৩৮৭ কোটি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সীমান্ত অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও মসৃণ করতে অত্যাধুনিক রোড তৈরির পাশাপাশি ব্রিজের মাপও বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া অরুণাচল প্রদেশের আভ্যন্তরীন যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। তার জন্য একটি উপত্যকা থেকে অন্য উপত্যকার মধ্যে ১৮০০ কিলোমিটার হাইওয়ে গড়ে তোলা হবে। সীমান্তে এই নতুন রাস্তা এবং টানেলগুলো তৈরি হলে চিনকে সহজেই জবাব দেওয়া যাবে , বলে অভিমত কূটনীতিকদের।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amarnath Yatra 2023: হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক! ১ জুলাই শুরু অমরনাথ যাত্রা

    Amarnath Yatra 2023: হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক! ১ জুলাই শুরু অমরনাথ যাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার প্রহর গোনা শেষ। ১ জুলাই শুরু হচ্ছে অমরনাথ যাত্রা। রেজিস্ট্রেশন করেছেন প্রায় ৩ লক্ষ তীর্থযাত্রী। থাকছে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। গতবছর অমরনাথ গুহার সামনে মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে বন্যা হয়েছিল। তাই প্রবল বৃষ্টিপাত, বন্যা কিংবা ভূমি ধসের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষিত রাখার ব্যাপারেও বিশেষ জোর দেওয়া হচেছ।

    হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক

    শ্রী অমরনাথ শ্রাইন বোর্ডের সিইও মনদীপ কুমার ভান্ডারি জানিয়েছেন, ‘এবারের যাত্রা পথ দীর্ঘতম। তাই একাধিক বেস ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। যেখানে তীর্থযাত্রীরা বিশ্রাম নিতে পারবেন। বেশ কিছু জায়গায় ভূমিধস এবং পাথর গড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটছে। তাই তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষার দিকটাও খেয়াল রাখা জরুরি। ওই অঞ্চল দিয়ে যাতায়াতের সময় প্রত্যেক যাত্রীকে পরতে হবে হেলমেট। এমনকী যাঁরা খচ্চর ব্যবহার করবেন, তাঁদেরও হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।’

    যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের উপর জোর

    জম্মুর ভগবতী নগর বেস ক্যাম্প থেকে তীর্থযাত্রীদের প্রথম দলটি ৩০ জুন উপত্যকার দিকে রওনা হবে। আসল যাত্রা শুরু ১ জুলাই। যা চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। ৬২ দিন ধরে এই যাত্রা চলবে। যা সবচেয়ে দীর্ঘ। যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। উন্নত করা হয়েছে যাত্রা পথের দু’টি রুটও। ৭০ বছর বয়সীরা তীর্থযাত্রায় অংশ নিতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের সুবিধার জন্য রাস্তার দু’ধারে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে রাতে কোনও তীর্থযাত্রীকে গুহা মন্দিরের কাছে থাকতে দেওয়া হবে না। থাকছে পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম। এছাড়া ক্যাম্পে ভিডিও ডিসপ্লে থাকবে। যার মাধ্যমে তীর্থযাত্রীরা সহজেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন।

    নিরাপত্তার দায়িত্বে আইটিবিপি

    গত কয়েকদশক ধরে অমরনাথ গুহা মন্দির পাহারার দায়িত্বে ছিল সিআরপিএফ। এবছর থেকে তা বদল হচ্ছ। ঐতিহ্যগতভাবে হিমালয়ের ৩,৮৮৮ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই তীর্ভূমিতে নিরাপত্তার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে ইন্ডো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ অর্থাৎ আইটিবিপির হাতে। বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লার নেতৃত্বে অমরনাথ যাত্রার নিরাপত্তা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। সেখানে আইবি প্রধান তপন ডেকা এবং ‘র’ সচিবও উপস্থিত ছিলেন। যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাকি সব বাহিনীর প্রধানরাও। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে ঠিক হয়, এবছর অমরনাথ যাত্রার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার পুরো দায়িত্ব সামলাবে আইটিবিপি।

    আরও পড়ুন: অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় গবেষণা সংস্থা

    কেন আইটিবিপি?

    গত বছর অমরনাথ গুহার সামনে মেঘ ভাঙা বৃষ্টির ফলে বন্যা হয়েছিল। তখন আইটিবিপি জওয়ানরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এক কোম্পানি আইটিবিপি বাহিনী মোতায়েন থাকায় তাঁরা অনেকের প্রাণ রক্ষা করতে পেরেছিলেন। এছাড়াও তারা মাউন্টেন ফোর্স নামে পরিচিত। এই বাহিনী প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে মোকাবিলার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তাছাড়া, অশান্ত মণিপুরে পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ কয়েক কোম্পানি সিআরপিএফ সেখানে মোতায়েন রয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন বাহিনী গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। যা আইটিবিপির হাতে নিরাপত্তা তুলে দেওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • ITBP: চিন সীমান্তে মোতায়েনের লক্ষ্যে আরও ৯ হাজার আইটিবিপি জওয়ান নিয়োগে সম্মতি কেন্দ্রের

    ITBP: চিন সীমান্তে মোতায়েনের লক্ষ্যে আরও ৯ হাজার আইটিবিপি জওয়ান নিয়োগে সম্মতি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ৯ হাজার ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ (ITBP) মোতায়েন করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ২০১৩-১৪ সাল থেকেই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব ছিল। সেটাই কার্যকর হতে চলেছে। কিন্তু হঠাতই এই সেনা মোতায়েন করা নিয়ে জল্পনা নানা মহলে। কেন হঠাৎ এই সেনা মোতায়েনের ভাবনা? কোনও আসন্ন বিপদের গোপন সংকেত কি পেয়েছে কেন্দ্র?

    মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত

    কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জানান, ভারত-চিন সীমান্তে ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (ITBP) জন্য একটি নতুন অপারেশনাল ঘাঁটি এবং সাতটি নতুন সীমান্ত ব্যাটালিয়ন তৈরির জন্য ৯৪০০ জন জওয়ান (soldiers) নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।  চিন সীমান্তে ভারতীয় প্রতিরক্ষার প্রথম দেওয়াল আইটিবিপি জওয়ানরা। সাম্প্রতিক কয়েক বছরে সীমান্তে একাধিকবার সংঘর্ষে জড়িয়েছেন ভারত ও চিনের জওয়ানরা। বারবার চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারত।

    আরও পড়ুন: তিনদিন পর বিবিসির অফিস ছাড়লেন আয়কর আধিকারিকরা! কী মিলল দফতর থেকে? 

    আগাম সতর্কতা

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-চিন সীমান্তে সব সময় নিরাপত্তার অভাব থাকে। ডোকালাম, পূর্ব লাদাখ, তাওয়াং ইত্যাদি এলাকায় গত কয়েক বছর ধরেই চিনা সেনার সঙ্গে মুখোমুখি হতে হয়েছে ভারতীয় সেনাকে। ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনার আবহ তৈরি হয়েছে বারবার। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গত কয়েক বছরে সেনা মোতায়েন অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে চিনও। উপগ্রহ চিত্রে চিনের সেনাদের ছাউনি ও অস্ত্র মোতায়েনের ছবি দেখা গিয়েছে। সেটা ভারতের পক্ষে সুখবর নয়। তাই ভারতকেও তৈরি থাকতে হবে। এটা তারই প্রস্তুতি বলে অনুমান। সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, সীমান্ত চৌকি তৈরির জন্য জমি অধিগ্রহণ এবং অফিস ও আবাসিক ভবন তৈরি এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদের জন্য ১৮০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৪৭টি সীমান্ত চৌকি তৈরির ফলে আইটিবিপি’র ক্ষমতা ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share