Tag: Jaffar Express

  • BLA: বালুচিস্তানে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ২৫ পাক সেনা নিহতের দাবি বিএলএ-র, পাল্টা অভিযানে ৫০ ‘জঙ্গি’ নিহতের দাবি ইসলামাবাদের

    BLA: বালুচিস্তানে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ২৫ পাক সেনা নিহতের দাবি বিএলএ-র, পাল্টা অভিযানে ৫০ ‘জঙ্গি’ নিহতের দাবি ইসলামাবাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুচিস্তানে ফের বড় ধরনের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল পাক সেনা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (BLA)। সংগঠনের দাবি, পৃথক দু’টি হামলায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অন্তত ২৫ জন সদস্য নিহত (Pakistani Soldiers Killed) হয়েছেন। এর মধ্যে জিয়ারত ক্রস এলাকায় সামরিক কনভয়ে হামলা চালিয়ে ১৮ জনকে হত্যার দাবি করেছে বিএলএ। এদিকে, হাজিকা এলাকায় আরও একটি হামলায় সাত পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। তবে হতাহতের সংখ্যা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর দ্রুত পাল্টা অভিযান শুরু করে পাক সেনাবাহিনী। তাদের দাবি, বালুচিস্তানের মাস্তুং, সিবি, কোয়েটা ও কালাত জেলার বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গিদের ঘাঁটিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০ জনকে হত্যা করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বিএলএ এবং তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (TTP)-এর সদস্য রয়েছে বলে দাবি করেছে পাক সামরিক বাহিনী। ফলে দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রদেশ বালুচিস্তানে নতুন করে নিরাপত্তা সংকট তীব্র হয়েছে।

    সশস্ত্র তৎপরতা আরও জোরদার করেছে বিএলএ (BLA)

    গত কয়েক মাস ধরে পাকিস্তানি সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র তৎপরতা আরও জোরদার করেছে বিএলএ। সংগঠনটির দাবি, তাদের ‘ফাতেহ স্কোয়াডে’র সদস্যরা জিয়ারত ক্রস এলাকায় একটি সামরিক কনভয়ের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলায় দু’টি সামরিক যান ধ্বংস করা হয় এবং ১৮ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। আরও পাঁচ সেনা আহত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে পেরেছে বলেও জানিয়েছে বিএলএ।

    এই হামলার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের চালানো সবচেয়ে বড় এবং দুঃসাহসিক হামলাগুলির একটি সামনে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। হামলার পর বিএলএর নিজস্ব গণমাধ্যম শাখা ‘হাক্কাল’ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে বিস্ফোরণ, গুলির শব্দ এবং আগুনে জ্বলতে থাকা একটি সামরিক ট্রাকের দৃশ্য দেখা গিয়েছে। ভিডিওর কয়েকটি দৃশ্যে সশস্ত্র যোদ্ধাদের সামরিক যানগুলির কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ট্রাক থেকে অস্ত্র সরিয়ে নিতে দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    আলোচনায় বিএলএর ফাতেহ স্কোয়াড এবং এসটিওএস

    জিয়ারত ক্রসের হামলার পর ফের আলোচনায় এসেছে বিএলএর বিশেষ যুদ্ধ ইউনিট ‘ফাতেহ স্কোয়াড’। বালুচিস্তানের দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকায় এই বাহিনী মূলত গেরিলা কৌশল, অতর্কিত হামলা এবং হাইরিস্কের সামরিক অভিযানে সক্রিয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

    এর আগেও বড় হামলায় এই ইউনিটের নাম সামনে এসেছিল। ২০২৫ সালের মার্চে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ রেল পরিষেবা জাফর এক্সপ্রেস ছিনতাইয়ের ঘটনায় ফাতেহ স্কোয়াড জড়িত ছিল বলে দাবি করেছিল বিএলএ। ওই ঘটনায় পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল।

    অন্যদিকে হাজিকা এলাকায় পৃথক হামলায় বিএলএ দাবি করেছে, তাদের ‘স্পেশাল ট্যাকটিক্যাল অপারেশনস স্কোয়াড’ (STOS) একটি দূর-নিয়ন্ত্রিত যান ব্যবহার করে বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে সাত পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন বলে সংগঠনটির দাবি। যদিও এই দাবিরও সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    পাকিস্তানি সেনাবাহিনী হামলাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে পাকিস্তানি সেনা সদস্যদের মরদেহ পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দৃশ্য দেখা গিয়েছে বলে সাংবাদিকদের পোস্টে দাবি করা হয়েছে। এই সব ভিডিওর সত্যতা এবং প্রেক্ষাপটও যাচাই করা যায়নি।

    ফের সামনে ‘অপারেশন হেরোফে’র স্মৃতি

    বালুচিস্তানে সাম্প্রতিক হিংসতার মাত্রা পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। গত মাসে বিএলএ দাবি করেছিল, পাকিস্তানি বাহিনীকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন এলাকায় তারা ৩৬টি অভিযান চালিয়েছে এবং এসব অভিযানে ৩৩ জনেরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছেন। এসব পরিসংখ্যানও যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ২০২৪ সালে বিএলএর চালানো ‘অপারেশন হেরোফে’র কথাও মনে করিয়ে দিচ্ছে। ওই অভিযানে বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবহণ পরিকাঠামোকে টার্গেট করেছিল। করাচি-কোয়েটা সড়কের বিভিন্ন অংশে হামলার পাশাপাশি মাস্তুংয়ের একটি রেলস্টেশনেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। ওই অভিযানে ২৫ জনেরও বেশি পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং প্রচুর সেনাকর্মী জখম হওয়ার কথা জানিয়েছিল বিএলএ।

    পাল্টা অভিযানে পাকিস্তানের জবাব

    বিএলএর সাম্প্রতিক হামলার পর দ্রুত পাল্টা অভিযান চালায় পাক সেনা (Pakistani Soldiers Killed)। সেনাবাহিনীর দাবি, বালুচিস্তানের একাধিক জেলায় জঙ্গিদের আস্তানা লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়। এতে প্রায় ৫০ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের বক্তব্য, নিহতদের মধ্যে বিএলএ (BLA) সদস্যদের পাশাপাশি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন টিটিপির সদস্যও রয়েছে। ফলে বালুচিস্তানের সংঘাত শুধু বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে বৃহত্তর জঙ্গিবাদ ও নিরাপত্তা সংকটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গিয়েছে।

    বালুচিস্তানে দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানবিরোধী সশস্ত্র আন্দোলন চলছে। বালুচ সংগঠনগুলির অভিযোগ, ওই প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আকছার মানবাধিকার লঙ্ঘন, জোরপূর্বক গুম এবং রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের ঘটনা ঘটছে। পাকিস্তান সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনী অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করছে।

    আফগানিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া বালুচিস্তান ভৌগোলিক ও কৌশলগত দিক (BLA) থেকেও পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এই প্রদেশে দীর্ঘদিন ধরে স্বায়ত্তশাসন থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ স্বাধীনতার দাবিতে বিভিন্ন বালুচ সংগঠন আন্দোলন চালিয়ে আসছে।

    বিএলএ-সহ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির সাম্প্রতিক তৎপরতা এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পাল্টা অভিযান সেই পুরনো সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলেছে। দু’পক্ষের হতাহতের দাবি যদি আরও বড় আকার নেয়, তাহলে বালুচিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতির পাশাপাশি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও তার প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে সড়ক, রেলপথ ও সামরিক কনভয়কে লক্ষ্য করে হামলা বাড়লে ঝুঁকির মুখে (Pakistani Soldiers Killed) পড়তে পারে সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাও (BLA)।

     

  • Jaffar Express: আবার বালোচ বিদ্রোহীদের নিশানায় জাফর এক্সপ্রেস! বিস্ফোরণে লাইনচ্যুত ট্রেনের ছ’টি বগি

    Jaffar Express: আবার বালোচ বিদ্রোহীদের নিশানায় জাফর এক্সপ্রেস! বিস্ফোরণে লাইনচ্যুত ট্রেনের ছ’টি বগি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের তিন মাসের মধ্যে বালোচ বিদ্রোহীদের নিশানায় জাফর এক্সপ্রেস (Jaffar Express)! বালোচিস্তানের কাছে বুধবার সকালে পাকিস্তানের (Pakistan) জাকোবাবাদে ব্যাপক বিস্ফোরণের পর লাইনচ্যুত হল জাফর এক্সপ্রেসের ৬টি কামরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কোয়েটা থেকে পেশোয়ারের দিকে যাচ্ছিল জাফর এক্সপ্রেস। ঘটনাটি ঘটে সিন্ধ প্রদেশের কাছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন রেল আধিকারিক ও পাক সেনা। কীভাবে এই বিস্ফোরণ তার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    কীভাবে হল?

    বালোচিস্তানের রাজধানী কোয়েটা থেকে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ার রেলপথে প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মধ্যে দিয়ে জাফর এক্সপ্রেস (Jaffar Express) প্রতি দিনই যাতায়াত করে। ওই ট্রেনে কোয়েটা থেকে পেশোয়ার যেতে সময় লাগে প্রায় ৩০ ঘণ্টা। জানা যাচ্ছে, এদিনও কোয়েটা থেকে পেশোয়ারের উদ্দেশে যাচ্ছিল ট্রেনটি। তখনই ঘটে এই ঘটনা। রেললাইনের পাশে একটি গরুবাজারে তীব্র বিস্ফোরণ হয়। তার অভিঘাতেই লাইনচ্যুত হয় ট্রেনটি। হতাহতের কোনও খবর মেলেনি এখনও। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে। এই দুর্ঘটনার পর আপাতত ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে ৷ এমনিতে স্বাধীনতার দাবিতে অশান্ত বালুচিস্তান ৷ স্বাধীনতাপন্থী সশস্ত্র বালুচ গোষ্ঠী বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এর আগে মার্চে জাফর এক্সপ্রেস অপহরণ করেছিল ৷

    অতীতেও নিশানায় জাফর এক্সপ্রেস

    প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, এই ঘটনার পিছনে হাত রয়েছে বালোচ বিদ্রোহীদের। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি। উল্লেখ্য, এই নিয়ে চলতি বছরে দ্বিতীয়বার বড় হামলা হল জাফর এক্সপ্রেসে। এর আগে গত মার্চ মাসে জাফর এক্সপ্রেস অপহরণ করে বালোচ লিবারেশন আর্মি। পাক সেনাকর্মী থেকে শুরু করে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই ও নিরাপত্তা বাহিনীর অনেকেই ছিলেন ওই ট্রেনে। প্রায় ৫০০ যাত্রী-সহ এই ট্রেনের দখল নেয় বালোচ বিদ্রোহীরা। পণবন্দি করা হয় ট্রেনে থাকা পাক সেনাদের। পালটা বালোচদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় পাক সেনা। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় ৬৪ জনের। যার মধ্যে ছিলেন, ১৮ জন পাক সেনা ও ৩৩ জন বিদ্রোহী।

     

  • Baloch Liberation Army: জাফর এক্সপ্রেস হাইজ্যাক, ভিডিও প্রকাশ করে পাক দাবি খণ্ডন বিএলএ-র

    Baloch Liberation Army: জাফর এক্সপ্রেস হাইজ্যাক, ভিডিও প্রকাশ করে পাক দাবি খণ্ডন বিএলএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুচিস্তানের স্বাধীনতাকামী যোদ্ধারা (Baloch Liberation Army) হাইজ্যাক করেছিলেন পাকিস্তানের জাফর এক্সপ্রেস (Jaffar Express Hijack)। এই অভিযানের কোড নেম ছিল “দর্রা-ই-বোলান ২.০”। সম্প্রতি এই মুক্তি বাহিনীর মিডিয়া শাখা ‘হাক্কাল’ ৩৬ মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এই ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে তাদের অভিযানের আদ্যন্ত চিত্র। এই ভিডিওতেই স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে অভিযানের সময় বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মির নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব। ভিডিওটিতে পাকিস্তানের সরকারি দাবি-দাওয়াকে খণ্ডনও করা হয়েছে।

    ক্লিয়ারেন্স অপারেশন (Baloch Liberation Army)

    ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, বালোচ লিবারেশন আর্মির স্বাধীনতা সংগ্রামীরা ট্রেনের ভিতরে একটি ক্লিয়ারেন্স অপারেশন চালাচ্ছে। প্রথমেই নারী, শিশু এবং বৃদ্ধদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য রয়েছে। অথচ পাক সেনা দাবি করেছিল, ঘটনাটি নৃশংস।আস্ত একটা ট্রেন হাইজ্যাক করার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন এক বালোচ স্বাধীনতা সংগ্রামী। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “আমাদের সংগ্রাম ও যুদ্ধ এমন এক পর্যায়ে (Baloch Liberation Army) পৌঁছেছে যেখানে আমাদের এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। আমাদের তরুণরা এই ধরনের পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। কারণ তারা জানে এ ধরনের সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই। একটি বন্দুক থামাতে আর একটি বন্দুকের প্রয়োজন। বন্দুকের গুলির শব্দ হয়তো এমন এক জায়গায় পৌঁছতে পারে।”

    বালোচদের বক্তব্য

    তিনি বলেন, “বালোচ তরুণরা আজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে শত্রুর ওপর আঘাত হানার, কোনওরকম দ্বিধা বা নিজেদের জীবনের পরোয়া না করেই। আজ যখন একজন ছেলে তার বাবাকে পেছনে রেখে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে যাচ্ছে, তেমনি একজন বাবা-ও তার ছেলেকে পেছনে রেখে এই সংগ্রামের জন্য আত্মবিসর্জন দিচ্ছেন।” সংগঠনটি তাদের ফিদাঁয়ে ইউনিট মাজিদ ব্রিগেডের সদস্যদের নাম, ছবি এবং বিদায়বার্তা প্রকাশ করেছে। এর মাধ্যমে তারা দাবি করেছে, তাদের ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম। কারণ তাদের অভিযান ছিল শক্তিশালী এবং নিখুঁতভাবে পরিকল্পিত (Jaffar Express Hijack)।

    যদিও পাক সেনার মুখপাত্র ডিজিআইএসপিআরের বক্তব্যের সঙ্গে এই বক্তব্যের বিস্তর অমিল ধরা পড়ে। কারণ পাক সেনা দাবি করেছিল, বালোচ লিবারেশন আর্মি বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে (Baloch Liberation Army)।

LinkedIn
Share