Tag: jagannath temple

jagannath temple

  • Rath Yatra 2026: রথযাত্রায় কেন জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় ৫৬ ভোগ? জানুন ছাপ্পান্ন ভোগের নেপথ্যের পুরাণকাহিনি

    Rath Yatra 2026: রথযাত্রায় কেন জগন্নাথদেবকে দেওয়া হয় ৫৬ ভোগ? জানুন ছাপ্পান্ন ভোগের নেপথ্যের পুরাণকাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথযাত্রা মানেই শুধু জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার মহারথ টানা নয়। এই মহোৎসবের আর এক বড় আকর্ষণ হল শ্রীজগন্নাথদেবের উদ্দেশে নিবেদন করা ছাপ্পান্ন ভোগ। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা এই ঐতিহ্য ধর্মীয় বিশ্বাস, পুরাণকথা এবং ভক্তির এক অনন্য মেলবন্ধন। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন ঠিক ৫৬টি পদই নিবেদন করা হয়? এর পেছনে কী রয়েছে পুরাণের ব্যাখ্যা?

    কৃষ্ণের সাত দিনের উপবাস থেকেই ৫৬ ভোগের সূচনা

    হিন্দু পুরাণে উল্লেখ রয়েছে, মা যশোদা বালক কৃষ্ণকে দিনে আট প্রহরে আটবার আহার করাতেন। সেই সময় দেবরাজ ইন্দ্রের ক্রোধে ব্রজভূমিতে ভয়াবহ বৃষ্টি ও প্রলয়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়। ব্রজবাসীদের রক্ষা করতে কৃষ্ণ নিজের কনিষ্ঠ আঙুলে গোবর্ধন পর্বত তুলে ধরেন। টানা সাত দিন তিনি সেই অবস্থায় থাকায় কোনও খাবার বা জল গ্রহণ করেননি। প্রলয় থেমে যাওয়ার পর কৃষ্ণ যখন গোবর্ধন পর্বত নামিয়ে রাখেন, তখন মা যশোদা ও ব্রজবাসীরা তাঁর জন্য বিশেষ ভোজের আয়োজন করেন। সাত দিন × দিনে আটবার খাবার— এই হিসেবেই ৭ × ৮ = ৫৬। সেই থেকেই কৃষ্ণ তথা জগন্নাথদেবের উদ্দেশে ছাপ্পান্ন ভোগ নিবেদনের প্রথা চালু হয়েছে বলে পুরাণে বর্ণিত রয়েছে।

    বিষ্ণুর চার ধাম যাত্রার সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে এই বিশ্বাস

    আরও একটি জনপ্রিয় ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, ভগবান বিষ্ণু মর্ত্যে এসে চারটি পবিত্র ধামে পরিক্রমা করেন। প্রথমে বদ্রীনাথে স্নান, এরপর দ্বারিকায় বস্ত্র পরিধান, তারপর পুরীতে ভোজন এবং সবশেষে রামেশ্বরমে বিশ্রাম নেন। এই বিশ্বাস থেকেই পুরীধামে ভগবানকে রাজকীয় ভোজ নিবেদন করার রীতি প্রচলিত হয়েছে। পুরাণ মতে, জগন্নাথদেবকে ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার শ্রীকৃষ্ণের রূপ হিসেবেও মানা হয়। তাই তাঁর উদ্দেশে ছাপ্পান্ন ভোগ নিবেদন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

    জগন্নাথের ৫৬ ভোগে কী কী পদ থাকে?

    পুরীর মন্দিরে নিবেদন করা ঐতিহ্যবাহী ছাপ্পান্ন ভোগে মিষ্টি, পিঠে, ভাত, ডাল, সবজি, ক্ষীর, ফল ও নানা ধরনের বিশেষ প্রস্তুত খাবার থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হল—

    • উকখুড়া (মুড়ি)
    • নাড়িয়া কোড়া (নারকেল নাড়ু)
    • খুয়া (খোয়া ক্ষীর)
    • দই
    • পাকা কলা
    • কণিকা (সুগন্ধি ভাত)
    • শুকনো খিচুড়ি
    • এন্ডুরি
    • আদা চাটনি
    • শাক ভাজা
    • করলা ভাজা
    • আরিশা
    • বুন্দিয়া
    • পাখাল (পান্তা ভাত)
    • ক্ষীর বা পায়েস
    • কাদাম্বা
    • দলমা
    • কাকারা
    • আমালু
    • খাস্তা পুরি
    • কদলি বড়া
    • মিষ্টি চাটনি
    • পদ্ম পিঠে
    • দই পাখাল
    • সুজি ক্ষীর
    • মুগ সিজা
    • মাগাজা লাড্ডু
    • পানা
    • অন্ন
    • ঘি ভাত
    • ডাল
    • বেসর
    • মাহুর (লাবরা)
    • সাগা নাড়িয়া-সহ মোট ৫৬টি ঐতিহ্যবাহী পদ

    কেন আজও এত গুরুত্বপূর্ণ ছাপ্পান্ন ভোগ?

    শুধু ধর্মীয় আচার নয়, ছাপ্পান্ন ভোগ ভক্তদের কাছে কৃতজ্ঞতা, ভক্তি এবং সমৃদ্ধির প্রতীক। কৃষ্ণের প্রতি যশোদার মাতৃস্নেহ, ব্রজবাসীদের ভালোবাসা এবং ভগবান বিষ্ণুর পুরীধামে ভোজনের পুরাণকাহিনি— এই দুই বিশ্বাস মিলিয়েই গড়ে উঠেছে এই অনন্য প্রথা। তাই রথযাত্রার সময় পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে ছাপ্পান্ন ভোগ নিবেদন আজও কোটি কোটি ভক্তের কাছে অন্যতম পবিত্র এবং আকর্ষণীয় ধর্মীয় আচার।

  • Rath Yatra 2026: কেন অসম্পূর্ণ জগন্নাথদেবের মূর্তি? রথযাত্রার পবিত্র দিনে পৌরাণিক ইতিহাস জানুন

    Rath Yatra 2026: কেন অসম্পূর্ণ জগন্নাথদেবের মূর্তি? রথযাত্রার পবিত্র দিনে পৌরাণিক ইতিহাস জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই, দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে রথযাত্রা ২০২৬ (Rath Yatra 2026)। হিন্দু ধর্মের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় এই উৎসবকে ঘিরে প্রতি বছর ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয় বিশেষ উৎসাহ। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতেই পালিত হয় রথযাত্রা বা রথদ্বিতীয়া। ওড়িশার পুরীর জগন্নাথধাম এই উৎসবের প্রধান কেন্দ্র হলেও পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের বহু রাজ্যে রথযাত্রা অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদযাপিত হয়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও এই উৎসবের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। ডাবলিন, মস্কো, নিউ ইয়র্ক-সহ বিশ্বের বিভিন্ন শহরেও ভক্তরা রথযাত্রা পালন করেন।

    রথযাত্রার তাৎপর্য কী?

    ‘রথ’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ চাকাযুক্ত যান বা যুদ্ধরথ। তবে সনাতন ধর্মে রথের ধর্মীয় তাৎপর্য সম্পূর্ণ আলাদা। ভক্তদের বিশ্বাস, কাঠের নির্মিত বিশাল রথে আরোহন করে ভগবান জগন্নাথ, তাঁর দাদা বলরাম এবং বোন সুভদ্রা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গমন করেন। দেবতাদের এই ঐতিহ্যবাহী যাত্রাকেই বলা হয় রথযাত্রা

    রথযাত্রার ইতিহাস: কী বলছে পৌরাণিক কাহিনি?

    রথযাত্রার উৎপত্তি নিয়ে একাধিক পৌরাণিক কাহিনি প্রচলিত রয়েছে। ভগবান জগন্নাথকে শ্রীকৃষ্ণেরই এক বিশেষ রূপ হিসেবে মানা হয়। প্রাচীন গ্রন্থ ব্রহ্মাণ্ড পুরাণ-এর বর্ণনা অনুযায়ী, দ্বাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতকের মধ্যে এই রথযাত্রার প্রচলন শুরু হয় বলে মনে করা হয়। সেই সময়ের রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন ছিলেন ভগবান বিষ্ণুর পরম ভক্ত। কিংবদন্তি অনুসারে, তিনি স্বপ্নাদেশ পান জগন্নাথরূপী বিষ্ণুমূর্তি প্রতিষ্ঠা করার এবং সেই সঙ্গে রথযাত্রার আয়োজন করার। লোককথা অনুযায়ী, রাজাকে নির্দেশ দেওয়া হয় পুরীর সমুদ্রতটে ভেসে আসা এক বিশেষ কাঠ দিয়ে জগন্নাথের মূর্তি নির্মাণ করতে। কিন্তু উপযুক্ত শিল্পীর সন্ধান না পেয়ে তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। ঠিক সেই সময় এক বৃদ্ধ এসে নিজেই মূর্তি নির্মাণের দায়িত্ব নেন। তবে তিনি শর্ত দেন, কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ যেন তাঁর কাজে বাধা না দেন বা দরজা না খোলেন।

    কেন অসম্পূর্ণ জগন্নাথের মূর্তি?

    বৃদ্ধ শিল্পী একটি বন্ধ কক্ষে মূর্তি তৈরির কাজ শুরু করেন। প্রতিদিন ঘরের ভেতর থেকে হাতুড়ির শব্দ শোনা গেলেও একদিন আচমকাই সব শব্দ থেমে যায়। উদ্বিগ্ন হয়ে রানির অনুরোধে রাজা দরজা খুলে ফেলেন। দরজা খুলেই দেখা যায়, তিনটি মূর্তি এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। হাত-পা অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং রহস্যময় সেই শিল্পীও নিখোঁজ। পরে জানা যায়, তিনি আসলে দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা ছিলেন। এই ঘটনায় রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন গভীর অনুতাপে ভেঙে পড়েন। পরে স্বপ্নে ভগবান জগন্নাথ তাঁকে দর্শন দিয়ে জানান, এই অসম্পূর্ণ রূপেই তিনি পূজিত হতে চান। সেই থেকেই হাত-পা অসম্পূর্ণ অবস্থাতেই জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং শুরু হয় তাঁদের আরাধনা। পরবর্তীকালে পুরীতে নির্মিত হয় জগন্নাথ মন্দির এবং রথযাত্রা পায় স্থায়ী রূপ।

    পুরীর তিন রথের বিশেষ পরিচয়

    পুরীর রথযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ তিনটি পৃথক রথ, যেগুলির প্রত্যেকটির নাম, রঙ, উচ্চতা এবং চাকার সংখ্যা আলাদা।

    • জগন্নাথদেবের রথ: নান্দীঘোষ — ১৮টি চাকা
    • বলরামের রথ: তালধ্বজ — ১৬টি চাকা
    • সুভদ্রার রথ: দর্পদলন — ১২টি চাকা

    প্রতিবছর নতুন কাঠ দিয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এই রথগুলি নির্মাণ করা হয়। লক্ষ লক্ষ ভক্ত রশি টেনে রথ টানার মধ্য দিয়ে নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ভক্তি প্রকাশ করেন।

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ রথযাত্রা?

    রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে পুরীর শ্রীক্ষেত্রে এই সময় লাখো ভক্তের সমাগম ঘটে। দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ এই ঐতিহাসিক উৎসবের সাক্ষী হতে আসেন। সময়ের সঙ্গে রথযাত্রার জনপ্রিয়তা ভারতের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। আজও ভক্তদের কাছে এই উৎসব ভগবান জগন্নাথের আশীর্বাদ লাভের এক অনন্য উপলক্ষ হিসেবে বিবেচিত হয়।

  • Digha Jagannath Temple: সুতিতে মুসলিম মালিকাধীন দোকানে তৈরি হবে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ! তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    Digha Jagannath Temple: সুতিতে মুসলিম মালিকাধীন দোকানে তৈরি হবে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ! তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম মালিকাধীন দোকানগুলি থেকে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ তৈরি করছে বলে অভিযোগ (Digha Jagannath Temple)। এ নিয়ে সামনে এসেছে রাজ্য সরকারের একটি নির্দেশিকা, যেখানে দেখা যাচ্ছে যে মমতা সরকার রেশন ডিলারদেরকে এই নির্দেশ দিচ্ছে। মুর্শিদাবাদ জেলার সুতি ১ নম্বর ব্লকের একটি লিস্ট সামনে এসেছে, যেখানে চারটি দোকানদারকে গজা এবং প্যারা তৈরি করতে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভগবান জগন্নাথের চিরাচরিত প্রসাদ হল এই গজা এবং প্যারা। এই চারটি দোকানের মধ্যে তিনজনের মালিক মুসলমান। এভাবেই মমতা সরকারের এই সিদ্ধান্তে সরব হয়েছে অনেক মহল। অনেকেই সমালোচনার সুরে বলছেন—সরকারের এমন সিদ্ধান্তে ধরা পড়ছে সংখ্যালঘু তোষণ এবং সরকার এই সংখ্যালঘু তোষণটাও করছে হিন্দুদের বিশ্বাসে আঘাত দিয়ে।

    কী বললেন অমিত মালব্য (Digha Jagannath Temple)?

    ভারতীয় জনতা পার্টির আইটিসেলের প্রধান অমিত মালব্য এ নিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) মাধ্যমে। সেখানে অমিত মালব্য লিখছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দু ভাবাবেগকে আঘাত দিয়ে মিষ্টির দোকান এবং রেশন ডিলারদেরকে গজা ও প্যারা প্রসাদ আকারে প্রস্তুত করে বিতরণ করতে বলছেন যাদের বেশিরভাগই মুসলিম সম্প্রদায়ের। এভাবেই তোষণের রাজনীতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করছেন বলে অভিযোগ আনেন অমিত মালব্য। তিনি পুরীর জগন্নাথ ধামের সঙ্গে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের তুলনাও টানেন। বিজেপি নেতা বলেন, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ, যা একটি পুরনো প্রথা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে সেই প্রথা ভেঙে ফেলা হচ্ছে। এখানে হিন্দু প্রথা মানা হচ্ছে না, হিন্দু রীতি মানা হচ্ছে না (Digha Jagannath Temple)। সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের শুধুমাত্র ধর্মনিরপেক্ষতার কারণে পর্দার আড়ালে রাখা হচ্ছে।

    কী বলছেন শুভেন্দু অধিকারী?

    অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনা আসলে তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু তোষণ। বিরোধী দলনেতা বলেন, প্রথমত বেআইনিভাবে ওবিসি তালিকা তৈরি করে মুসলিম ভোট নিজের দিকে আনতে চেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর দেখা যাচ্ছে, হিন্দুদের পবিত্র রীতিতে আঘাত হানছেন তিনি। এটা কোনও বৈচিত্র্য নয় এটা হচ্ছে হিন্দুদের বিশ্বাসে আঘাত। শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তুলেছেন, যেখানে স্থানীয় হিন্দু দোকানদার আছেন যাঁরা চিরাচরিতভাবে মন্দিরের প্রসাদ তৈরি করেন, তাঁদের বাদ দিয়ে মুসলিমদের দিয়ে কাজ করিয়ে নিজের ইমেজ তৈরির চেষ্টা করছেন মমতা। এটা হচ্ছে তোষণের দ্বিতীয় পর্যায়, যেখানে শতাব্দী প্রাচীন হিন্দু রীতিকে (Digha Jagannath Temple) ভেঙেছেন তিনি শুধুমাত্র ভোটের জন্য।

    প্রসাদ তৈরি হয় শ্রদ্ধা ও ভক্তির মাধ্যমে

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ফলে মুর্শিদাবাদ থেকে দীঘা পর্যন্ত হিন্দু ধর্মের নেতারা এবং ভক্তরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দীঘার এক স্থানীয় পণ্ডিত বলেন, এটা শুধুমাত্র খাদ্যের বিষয় নয়। নৈবেদ্য, যা ভগবানের উদ্দেশ্যে অর্পণ করা হয়, তা শ্রদ্ধা ও ভক্তির সঙ্গে তৈরি করা হয়। যাঁরা এটি তৈরি করেন ভক্তির সঙ্গে করেন। প্রসাদ একটি আধ্যাত্মিক বিষয়। কিন্তু যাঁরা তৈরি করছেন, তাঁরা যদি পবিত্র রীতিতে বিশ্বাস না রাখেন, তাহলে সেই প্রসাদের পবিত্রতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে (Digha Jagannath Temple)।

    কী বলছেন ভক্তরা (Digha Jagannath Temple)

    এই অঞ্চলের ভক্তরা মনে করছেন এইভাবেই পবিত্র ধর্মীয় রীতিনীতি এবং ধর্ম পালনকে রাজনৈতিক প্রভাবে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। মুর্শিদাবাদ জেলার রানি নগরের একজন স্থানীয় বাসিন্দা এই ঘটনায় অবাক হয়ে বলেন, যেখানে একটি মন্দির তৈরি হচ্ছে বৈষ্ণব প্রথা মেনে, সেখানকার প্রসাদ কিভাবে এভাবে তৈরি হতে পারে?
    আরেকজন বলেন, হিন্দুরা কি কোনও মসজিদের রীতিনীতি ঠিক করে? তাহলে কেন হিন্দুদের প্রসাদে সরকার হস্তক্ষেপ করছে এবং তার বাণিজ্যিকীকরণ করছে এভাবে? বিজেপি এই ঘটনার প্রতিবাদে মমতা সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছে। গেরুয়া শিবিরের তরফে বলা হয়েছে— দুর্গা মূর্তি বিসর্জন বাধা পায় পশ্চিমবঙ্গে, রামনবমী শোভাযাত্রায় হামলা চালানো হয় অথচ ইফতার করা হয় সরকারি সহযোগিতায়, মাদ্রাসাগুলিকে ফান্ডিং করা হয়।

    গত এপ্রিলেই উদ্বোধন করেন মমতা

    জানা যাচ্ছে, শুধুমাত্র ২০২৪ সালেই পশ্চিমবঙ্গে ৩০টি এমন ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে হিন্দু ধর্মের শোভাযাত্রার অনুমতি দেওয়া হয়নি, রুট বদল করা হয়েছে, অথবা তা করতে হয়েছে পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায়। অন্যদিকে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এমন কিছু ঘটেনি, বরং তারা রাজ্য সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা পেয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসেই দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সেই সময় জগন্নাথ মন্দিরকে (Jagannath Temple) একটি ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলেন। কিন্তু বর্তমানে সেই কেন্দ্রকেই ঘিরে দেখা যাচ্ছে সংখ্যালঘুতোষণের রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

  • Suvendu Adhikari: নাম না করে মমতাকে খোঁচা শুভেন্দুর, কী বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা?

    Suvendu Adhikari: নাম না করে মমতাকে খোঁচা শুভেন্দুর, কী বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার অক্ষয় তৃতীয়ায় উদ্বোধন হল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের (Suvendu Adhikari)। সরকারি কোষাগার থেকে এক কাঁড়ি টাকা খরচ করে তৈরি মন্দিরের (Jagannath Temple) উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে মুসলিমরা হিন্দুদের ওপর ব্যাপক অত্যাচার করে বলে অভিযোগ। প্রাণভয়ে রাতের অন্ধকারে নদী পেরিয়ে মালদায় আশ্রয় নেন হিন্দুরা। ওই ঘটনায় হিন্দুরা যে ক্ষুব্ধ, তা বিলক্ষণ জানেন মুখ্যমন্ত্রী। হিন্দুদের ক্ষোভের ক্ষতে প্রলেপ দিতে এদিন উদ্বোধন করা হল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের। উদ্বোধনের দুদিন আগেই দিঘায় প্রায় হত্যে দিয়ে পড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন করলেন মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী যখন দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করছেন, তখনই এই পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে সনাতনী হিন্দুদের নিয়ে আয়োজিত একটি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সেই কর্মসূচি শেষ হওয়ার পরেই সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নাম না করেই শুভেন্দু নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। রাজ্য সরকারের সমালোচনায়ও সরব হন তিনি। শুভেন্দু বলেন, “বড়বাজারের অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। তবে মৃতের সংখ্যা ২৫ পর্যন্ত গড়াতে পারে। এই সময় পুরো সরকারকে দিঘায় তুলে আনা হয়েছে। যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁরা সবাই আমাদের অতিথি ছিলেন। ঘটনাটি আমি এক্স হ্যান্ডেলে দিয়েছি ৯টা ১০ মিনিটে। আর সাড়ে ৯টায় প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন। কিন্তু ওঁর অনীহা! চটি চাটাদের নিয়ে ফূর্তি করতে গিয়েছেন।”

    রাজ্য সরকারকে নিশানা

    দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন প্রসঙ্গেও এদিন রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “পুরো সরকার দিঘায় তুলে এনে ২৮ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন দিয়ে মন্দির নাম দিয়েছেন। শ্রী জগন্নাথদেবকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। রাধারমনের আসল নাম রাহুল যাদব।” শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “টিকি রাখলেই সবাই ইসকন হয় না। সনাতনী কাজ সকলকে দিয়ে হয় না। জগন্নাথ তো সিগন্যাল দিচ্ছিলেন। ধর্ম বিরোধী কাজ করলে ঈশ্বর মেনে নিতে পারেন না।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “অনুষ্ঠান তো শেষ হয়ে গেল। এ জ্বালা বিশাল জ্বালা। সাজতে এসেছিল (Jagannath Temple) হিন্দু, আমরা বানিয়েছি জালি হিন্দু। রেড রোডে হিজাব পরে হিন্দু ধর্মকে গান্ধা ধর্ম বলে (Suvendu Adhikari)! জালি কোথাকার!”

  • Jagannath Temple: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের মাথায় রহস্যময় ড্রোনের চক্কর, চাঞ্চল্য

    Jagannath Temple: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের মাথায় রহস্যময় ড্রোনের চক্কর, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জায়গাটা ‘নো-ফ্লাইং’ জোন। তাই এরোপ্লেনও ওড়ে না। আর সেখানেই কিনা শীতের ভোর রাতে আধ ঘণ্টা ধরে চক্কর কাটল রহস্যময় ড্রোন (Drone)! কথা হচ্ছিল পুরীর জগন্নাথ মন্দির (Jagannath Temple) নিয়ে। রবিবার ভোর রাতে ওই মন্দিরের ওপরই চক্কর কাটল ড্রোন। ড্রোন ওড়ানোর নেপথ্যে কে বা কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করার ইঙ্গিত দিয়েছে ওড়িশার বিজেপি সরকার।

    কী বলছেন আইনমন্ত্রী? (Jagannath Temple)

    পুরীর পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে শুরু হয়েছে তদন্তও। রাজ্যের আইনমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ হরিচন্দন বলেন, “মন্দিরে ড্রোন ওড়ানো নিষিদ্ধ। যাঁরা মন্দিরের নিরাপত্তা ভঙ্গ করলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে।” তিনি বলেন, “মনে হচ্ছে, ভ্লগাররা মন্দিরে ড্রোন উড়িয়েছেন। কিন্তু এর নেপথ্যে কোনও খারাপ উদ্দেশ্য থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।” মন্ত্রী বলেন, “পুরীর এসপি তদন্তকারী দল গঠন করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন। আমি আশা করি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হবে এবং ড্রোনটি বাজেয়াপ্ত করা হবে।”

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এদিন ভোর ৪টে ১০ মিনিট নাগাদ ড্রোনটি জগন্নাথ মন্দিরের ওপর চক্কর কাটতে থাকে। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। আধ ঘণ্টা পরে আর ড্রোনটির খোঁজ মেলেনি (Jagannath Temple)। মন্ত্রী জানান, পুরীর পুলিশ সুপারকে গোটা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে, তাই মন্দির চত্বরে ওয়াচ টাওয়ারে সর্বক্ষণের জন্য পুলিশ মোতায়েন রাখার কথা জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: মহাকাশে ফলবে বরবটি! অঙ্কুরোদ্গম করে বিশ্বকে তাক লাগাল ইসরো

    ড্রোন বিধিমালা, ২০২১ এর অধীনে ওড়িশার জগন্নাথ মন্দিরকে নো ফ্লাইং জোন হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এই নো ফ্লাইং জোন মন্দির চত্বরে ড্রোন উড়তে দেখে জগন্নাথ মন্দিরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ (Jagannath Temple)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

  • Puri Jagannath Temple: রত্নভাণ্ডার তাড়াতাড়ি সংস্কার করা হোক, চাইছে জগন্নাথ মন্দির কমিটি

    Puri Jagannath Temple: রত্নভাণ্ডার তাড়াতাড়ি সংস্কার করা হোক, চাইছে জগন্নাথ মন্দির কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রত্নভাণ্ডারে (Ratna Bhandar) মজুত রয়েছে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার গয়নাগাটি (Puri Jagannath Temple)। সেই রত্নভাণ্ডার সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ার কথা। সেই কাজ যাতে দ্রুত শুরু হয় সেজন্য ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের (ASI) কাছে অনুরোধ জানালেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরই রত্নভাণ্ডার মাপজোক করে এএসআই। রত্নভাণ্ডার কী অবস্থায় রয়েছে, কী কী সংস্কার সাধন করা প্রয়োজন, তা নিয়ে রিপোর্ট করেছে এএসআইয়ের লোকজন। ৪৫ পাতার ওই রিপোর্ট হাতে এসেছে জগন্নাথ মন্দির পরিচালন কমিটির। তার পরেই মন্দির কমিটি চাইছেন, রত্নভাণ্ডার মেরামত, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ দ্রুত শুরু করুক এএসআই।

    কী বলছে মন্দির কমিটি (Puri Jagannath Temple)

    মন্দির পরিচালন (Puri Jagannath Temple) কমিটির তরফে মুখ্য প্রশাসক অরবিন্দ পাধি বলেন, “এএসআই রত্নভাণ্ডারে যে জিপিআর-জিপিএস সমীক্ষা চালিয়েছিল, তার রিপোর্ট আমরা পেয়েছি। মন্দিরের নিরাপত্তা ও স্থায়িত্বের বিষয়টি এসজেটিএ সব সময় গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে। তিনি জানান, রত্নভাণ্ডারের মেঝে ও দেওয়ালের বেশ কিছু জায়গায় সমস্যা রয়েছে। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের ওই রিপোর্ট খতিয়ে দেখবে মন্দির কমিটির একটি দলও।”

    রত্নভাণ্ডারে মজুত প্রচুর গয়না

    পুরীর মন্দিরের তিন বিগ্রহের (Puri Jagannath Temple) প্রচুর গয়না রয়েছে। সোনা-রুপোর পাশাপাশি অনেক দামী দামী রত্ন দিয়ে তৈরি বহুমূল্য অলঙ্কারও রয়েছে। এ সবই থাকে রত্নভাণ্ডারে। স্বর্ণবেশ কিংবা অন্য কোনও বিশেষ দিনে বিগ্রহ তিনটিতে কার্যত গয়নায় মুড়ে ফেলা হয়। সেগুলি অবশ্য রত্নভাণ্ডারে থাকে না। ৪৬ বছর পর চলতি বছরের জুলাই মাসে খোলা হয়েছিল রত্নভাণ্ডারের বাইরের প্রকোষ্ঠ। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ না হওয়ায় দেখা দিয়েছে নানা সমস্যা। প্রয়োজন হয়ে পড়েছে সংস্কারের। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত সংস্কার না করলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই কারণেই মন্দির কমিটির লোকজন চাইছেন দ্রুত সংস্কার করা হোক দেবতার রত্নভাণ্ডার (Ratna Bhandar)। সেই উদ্দেশ্যেই আর্জি জানানো হয়েছে এএসআইকে (Puri Jagannath Temple)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Puri Jagannath Temple: রত্নভাণ্ডার তাড়াতাড়ি সংস্কার করা হোক, চাইছে জগন্নাথ মন্দির কমিটি

    Puri Jagannath Temple: রত্নভাণ্ডার তাড়াতাড়ি সংস্কার করা হোক, চাইছে জগন্নাথ মন্দির কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রত্নভাণ্ডারে (Ratna Bhandar) মজুত রয়েছে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার গয়নাগাটি (Puri Jagannath Temple)। সেই রত্নভাণ্ডার সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ার কথা। সেই কাজ যাতে দ্রুত শুরু হয় সেজন্য ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের (ASI) কাছে অনুরোধ জানালেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরই রত্নভাণ্ডার মাপজোক করে এএসআই। রত্নভাণ্ডার কী অবস্থায় রয়েছে, কী কী সংস্কার সাধন করা প্রয়োজন, তা নিয়ে রিপোর্ট করেছে এএসআইয়ের লোকজন। ৪৫ পাতার ওই রিপোর্ট হাতে এসেছে জগন্নাথ মন্দির পরিচালন কমিটির। তার পরেই মন্দির কমিটি চাইছেন, রত্নভাণ্ডার মেরামত, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ দ্রুত শুরু করুক এএসআই।

    কী বলছে মন্দির কমিটি (Puri Jagannath Temple)

    মন্দির পরিচালন (Puri Jagannath Temple) কমিটির তরফে মুখ্য প্রশাসক অরবিন্দ পাধি বলেন, “এএসআই রত্নভাণ্ডারে যে জিপিআর-জিপিএস সমীক্ষা চালিয়েছিল, তার রিপোর্ট আমরা পেয়েছি। মন্দিরের নিরাপত্তা ও স্থায়িত্বের বিষয়টি এসজেটিএ সব সময় গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে। তিনি জানান, রত্নভাণ্ডারের মেঝে ও দেওয়ালের বেশ কিছু জায়গায় সমস্যা রয়েছে। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের ওই রিপোর্ট খতিয়ে দেখবে মন্দির কমিটির একটি দলও।”

    রত্নভাণ্ডারে মজুত প্রচুর গয়না

    পুরীর মন্দিরের তিন বিগ্রহের (Puri Jagannath Temple) প্রচুর গয়না রয়েছে। সোনা-রুপোর পাশাপাশি অনেক দামী দামী রত্ন দিয়ে তৈরি বহুমূল্য অলঙ্কারও রয়েছে। এ সবই থাকে রত্নভাণ্ডারে। স্বর্ণবেশ কিংবা অন্য কোনও বিশেষ দিনে বিগ্রহ তিনটিতে কার্যত গয়নায় মুড়ে ফেলা হয়। সেগুলি অবশ্য রত্নভাণ্ডারে থাকে না। ৪৬ বছর পর চলতি বছরের জুলাই মাসে খোলা হয়েছিল রত্নভাণ্ডারের বাইরের প্রকোষ্ঠ। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ না হওয়ায় দেখা দিয়েছে নানা সমস্যা। প্রয়োজন হয়ে পড়েছে সংস্কারের। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত সংস্কার না করলে সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই কারণেই মন্দির কমিটির লোকজন চাইছেন দ্রুত সংস্কার করা হোক দেবতার রত্নভাণ্ডার (Ratna Bhandar)। সেই উদ্দেশ্যেই আর্জি জানানো হয়েছে এএসআইকে (Puri Jagannath Temple)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Puri Jagannath Temple: জগন্নাথ মন্দিরের বাইরের দেওয়ালে ফাটল, শ্যাওলা! ডাকা হল পুরাতত্ত্ব বিভাগকে

    Puri Jagannath Temple: জগন্নাথ মন্দিরের বাইরের দেওয়ালে ফাটল, শ্যাওলা! ডাকা হল পুরাতত্ত্ব বিভাগকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর (Puri) জগন্নাথ মন্দিরের (Puri Jagannath Temple) বাইরের দেওয়ালে একাধিক ফাটল দেখা দিয়েছে বলে খবর। দেওয়ালে শ্যাওলার পুরু আস্তরণও পড়তে দেখা গিয়েছে। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের (আর্কিওলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআই) সাহায্য চেয়েছে ওড়িশার মোহন চরণ মাঝির সরকার। জানা গিয়েছে, ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের দলই এখানে এসে দেওয়ালের ফাটল মেরামত করবে।

    নোংরা বর্জ্য জল বাইরের দেওয়ালের ফাটল দিয়ে চুঁইয়ে পড়ছে

    পুরীতে জগন্নাথদেবের (Puri Jagannath Temple)  মূল মন্দিরের বাইরে যে পুরু দেওয়াল রয়েছে, তার নাম মেঘনাদ পচেরী। মূল মন্দিরকে সুরক্ষিত করে এই দেওয়ালই। কিন্তু সম্প্রতি এই দেওয়ালেই একাধিক ফাটল লক্ষ করা গিয়েছে। যা নিয়ে জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ উদ্বিগ্ন। মন্দিরের ভিতরে একটি জায়গা থেকে জগন্নাথের প্রসাদ বিক্রি করা হয়। ওই অঞ্চল থেকেই নোংরা বর্জ্য জল বাইরের দেওয়ালের ফাটল দিয়ে চুঁইয়ে পড়ছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া, দেওয়ালে দীর্ঘ দিন ধরে জমছে শ্যাওলা। দেওয়াল ভেজা থাকায় শ্যাওলার আস্তরণ হচ্ছে পুরু। ক্ষতি হচ্ছে দেওয়ালের। ওড়িশা সরকার মনে করছে, এএসআইয়ের (Puri Jagannath Temple) অনুমতি ছাড়া জগন্নাথ মন্দিরে এমন কোনও কাজ করা হয়েছে, যার ফলেই এমন ফাটল দেখা দিয়েছে। কেন এমন ফাটল তা তদন্ত করে দেখছে রাজ্যের বিজেপি সরকার।

    কী বলছেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী?

    রাজ্যের আইনমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ হরিচন্দন বলেন, ‘‘কেন দেওয়ালে ফাটল দেখা দিল, আমরা তদন্ত করে দেখছি। দেওয়াল মেরামতের প্রস্তুতি নিচ্ছে এএসআই। কিন্তু কেন দেওয়ালে (Puri Jagannath Temple) ফাটল দেখা দিল, আমরা খতিয়ে দেখব। আমাদের অনুমান, এএসআইয়ের অনুমতি ছাড়াই মন্দিরে (Puri) কিছু কাজ করা হয়েছিল, যার ফলে দেওয়ালের এই অবস্থা হয়েছে।’’ তিনিই জানিয়েছেন, এএসআই আপাতত অগ্রাধিকার দিয়েই দেওয়াল মেরামত করবে। আইনমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, পরিস্থিতির নেপথ্যে কোনও বেআইনি কাজ খুঁজে পেলে তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করবে ওড়িশা সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagannath Temple: ১৮ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারে সমীক্ষা চালাবে এএসআই

    Jagannath Temple: ১৮ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারে সমীক্ষা চালাবে এএসআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের ১৮ তারিখ ভারতের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ সমীক্ষা চালাবে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের (Jagannath Temple) রত্ন ভাণ্ডারে। এ বিষয়ে অনুমোদনও দিয়েছে ওড়িশার বিজেপি সরকার। প্রসঙ্গত জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে আগেই অবহিত করা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর পুরীর মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডারে এই সমীক্ষা চলার কারণে সেদিন সাময়িকভাবে ভক্তদের জগন্নাথ দর্শন স্থগিত রাখা হবে বলে জানিয়েছে জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ।

    বেলা ১টা থেকে বন্ধ থাকবে জগন্নাথ দর্শন (Jagannath Temple)

    জগন্নাথ (Jagannath Temple) মন্দির কমিটির প্রধান অরবিন্দ পাধি সমাজ মাধ্যমের পাতায় পোস্ট করে জানিয়েছেন, এএসআই (ASI) কর্তৃপক্ষ তাঁদেরকে একটি সমীক্ষার বিষয়ে জানিয়েছে যা চলবে ১৮ সেপ্টেম্বর। এই কাজের জন্য জগন্নাথ মন্দির বন্ধ থাকবে ১৮ সেপ্টেম্বর বেলা ১টা থেকে। এই সময়ই রত্ন ভাণ্ডারে প্রাথমিক সমীক্ষা চালাবে এএসআই কর্তৃপক্ষ। দ্বারপিঠ নীতি রাত দুটোর সময়তেই সম্পন্ন হবে। ভোর তিনটেতে মঙ্গল আরতিও চলবে। শুধুমাত্র বেলা ১ থেকে দর্শন বন্ধ হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এএসআই সমীক্ষার কাজে এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রী জগন্নাথ টেম্পেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।

    জুলাই মাসে খোলা হয় রত্ন ভাণ্ডার (Jagannath Temple)

    প্রসঙ্গত গত জুলাই মাসেই ৪৬ বছর পরে খোলা হয় পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের (Jagannath Temple) রত্ন ভাণ্ডারের দরজা। রাজ্য সরকারের জারি করা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা এসওপিকে অনুসরণ করেই জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডার খোলা হয়। ওড়িশার বিজেপি সরকার ৪ দশকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ হয়ে থাকা রত্ন ভাণ্ডার খোলার অনুমোদন আগেই দিয়েছিল। প্রসঙ্গত, পুরীর রত্নভাণ্ডার নিয়ে ছড়িয়ে রয়েছে নানা মিথ। জানা যায়, ১৯২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুরীর রাজা গজপতি রামচন্দ্র দেবের তৈরি করা একটি তালিকা অনুসারে— জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার সোনার মুকুট সহ ১৫০টি সোনার অলঙ্কার সহ ৮৩৭টি জিনিস রয়েছে এই ঘরে। সোনার অলঙ্কারগুলির মোট ওজন নাকি ১৫ কেজিরও বেশি। রত্ন ভাণ্ডার খোলার পরে এবার তা নিয়ে সমীক্ষা চালাবে এএসআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagannath Temple: জগন্নাথদেবের রত্নভান্ডারের দরজায় পড়বে সোনার প্রলেপ, শীঘ্রই আসছে রেডিও চ্যানেল

    Jagannath Temple: জগন্নাথদেবের রত্নভান্ডারের দরজায় পড়বে সোনার প্রলেপ, শীঘ্রই আসছে রেডিও চ্যানেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর জগন্নাথ (Jagannath Temple) মন্দিরের পক্ষ থেকে অতি শীঘ্রই চালু করা হবে নিজস্ব এফএম রেডিও চ্যানেল। একই ভাবে মন্দিরের রত্নভান্ডারের (Ratna Bhandar) দরজায় দেওয়া হবে সোনার প্রলেপ। মন্দিরের ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে পুরীতে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে এই নিজস্ব এফএম রেডিও চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কমিটি জগন্নাথ মন্দিরের জন্য ২০২৪-২৫ সালে ৪১০ কোটি টাকার বাজেটের অনুমোদন করেছে। এই ঘোষণায় ভক্তদের মধ্যে আরও উৎসাহ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। যদিও বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে মন্দিরকে ঘিরে। এবার মন্দির প্রশাসনও বড় ঘোষণা করেছে।

    সুবিন্যস্ত দর্শনের জন্য এই পদক্ষেপ (Jagannath Temple)

    মন্দিরের নিজস্ব এফএম রেডিও চ্যানেল চালু করার কথা ঘোষণা করেছেন শ্রী জগন্নাথ মন্দির (Jagannath Temple) প্রশাসনের (এসজেটিএ) প্রধান প্রশাসক অরবিন্দ পাধী। ভক্তদের জন্য সুবিন্যস্ত দর্শন ও  অভিজ্ঞতাকে সুসংহত করতে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই ভাবে মন্দিরের সেবকদের জন্য কল্যাণমূলক উদ্যোগ বাড়ানো সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সুনিশ্চিত করেছে কমিটি। মন্দিরের ম্যানেজিং কমিটি ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরে, আগের বছরের বাজেটের থেকে ১১৮.১৭ কোটি টাকা বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে। এই বাজেট মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত একাধিক খাতে খরচ করা হবে। ওড়িশা সরকার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ম্যানেজমেন্ট কমিটির এক সদস্য বলেন, এর ফলে কার্যত ৯১৩ কোটি টাকা মন্দিরের উন্নয়নে ব্যবহার করা যাবে।

    মন্দির প্রসাশকের বক্তব্য

    এসজেটিএ প্রধান প্রশাসক অরবিন্দ পাধী বলেন, “ম্যানেজিং কমিটি পুরীর শ্রীমন্দিরে (Jagannath Temple) ভক্তদের দর্শনকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। ভক্তরা যাতে নির্বিঘ্ন এবং ঝামেলামুক্ত হয়ে দর্শন করতে পারেন, সেই দিকে সর্বদা দৃষ্টি সজাগ রয়েছে আমাদের। কমিটি নাটমণ্ডপে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপন সহ একাধিক আরও নতুন ব্যবস্থার অনুমোদন করেছে। এই উদ্যোগগুলি ভক্তদের জন্য পরিষেবাকে মাথায় রেখে করা হয়েছে। সমস্ত ভক্তদের জন্য একটি আরামদায়ক এবং নিরাপদ দর্শনকে নিশ্চিত করার জন্য নতুন ব্যবস্থাকে জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে মহিলা এবং শিশু এবং দিব্যাঙ্গদের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। সারা বছরেই ভক্তদের ঢল দেখা যায়, কিন্তু রথের সময় এই ঢল ব্যাপক মাত্রায় বৃদ্ধি পায়। ভক্তদের স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে তালা পড়ল হাওড়া জুট মিলে! বিপাকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক

    সেবায়েতদের জন্য একাধিক ঘোষণা

    এই পরিষেবাগুলি মন্দিরের (Jagannath Temple) সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সাথে পুঙ্খানুপুঙ্খ পরামর্শের পরে বাস্তবায়িত করা হবে। সমস্ত দর্শনার্থীদের জন্য একটি মসৃণ এবং মন্দিরের সঙ্গে ভক্তিমূলক সংযোগকে আরও সুনিশ্চিত করতে এই কাজের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই ভাবে মন্দিরের ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে সেবাতদের কল্যাণের বিষয়েও একাধিক পরিকল্পনার কথা ভাবা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিমা, আর্থিক সহায়তা, তাঁদের শিশুদের জন্য বৃত্তি, খেলাধুলো-সহ বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই উদ্যোগগুলি বাস্তবায়নের জন্য শীঘ্রই একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) গঠন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    রত্নভান্ডারে পড়বে সোনার প্রলেপ

    গৃহীত অন্যান্য বড় সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে ম্যানেজিং কমিটি (Jagannath Temple) রত্নভান্ডারের Ratna Bhandar) দরজায় সোনার প্রলেপ দেওয়ার প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে। রত্নভান্ডার হল সেই জায়গা যেখানে সমস্ত মূল্যবান জিনিসপত্র, অলঙ্কার রাখা রয়েছে। রাজ্যে বিজেপি শাসনে আসার পর এই ভান্ডার খুলে দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে দেশ ব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বর্তমানের আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই) দ্বারা প্রয়োজনীয় মেরামতের কাজ চলছে। এই কাজ সমাপ্ত হওয়ার পরেই সোনার প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। রত্নেভান্ডারের ভিতরের এবং বাইরের চেম্বারের গেটগুলিকে এখন ঘিরে রাখা হয়েছে। এই ঘোষণার পর থেকে প্রভু জগন্নাথের ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share