Tag: jai shri ram

jai shri ram

  • Bangladesh Hindus Protest: ভগবান রামের ছবির অবমাননা ইসলামপন্থীদের, প্রতিবাদ মিছিল হিন্দুদের, সরকারকে আল্টিমেটাম

    Bangladesh Hindus Protest: ভগবান রামের ছবির অবমাননা ইসলামপন্থীদের, প্রতিবাদ মিছিল হিন্দুদের, সরকারকে আল্টিমেটাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৌলবাদীদের চাপে পড়ে বাংলাদেশের গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে প্রস্তাবিত ৮১ ফুট উচ্চতার ভগবান রামের মূর্তি নির্মাণ স্থগিত করে দিয়েছে প্রশাসন। তার জেরেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে (Bangladesh Hindus Protest) বিএনপি শাসিত বাংলাদেশে। অভিযোগ, মূর্তি নির্মাণের বিরোধিতা করা ইসলামপন্থীদের একটি বিক্ষোভে ভগবান রামের ছবির অবমাননা (Lord Ram Image Desecration) করা হয়। তারই প্রতিবাদে শুক্রবার ঢাকায় মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন হাজার হাজার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ, স্লোগান দেন ‘জয় শ্রী রাম’।

    বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি (Bangladesh Hindus Protest)

    বিক্ষোভকারীদের দাবি, গাইবান্ধার এক সমাবেশে ভগবান রামের ছবির ওপর জুতো রেখে অপমান করা হয়েছে সমগ্র হিন্দু সম্প্রদায়কে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা সরকারকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ করা না বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা। হিন্দু মহাজোটের ডাকে রাজধানী ঢাকার শাহবাগ মোড় থেকে শুরু হয় প্রতিবাদ মিছিল। শেষ হয় জাতীয় প্রেস ক্লাব পর্যন্ত গিয়ে। প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন তাঁরা। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছেও আলাদা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। এদিনই রংপুরে হিন্দুদের একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সামান্য তর্কাতর্কিও হয়।

    নির্মীয়মাণ রামমূর্তির কাজ বন্ধ

    এদিকে, পলাশবাড়িতে নির্মীয়মাণ রামমূর্তির কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়ে গিয়েছে। তার পরে আর কাজ এগোয়নি। ইসলামপন্থী গোষ্ঠীর হুমকির মুখে নির্মাণকাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দির কমিটির তরফে। কমিটির সভাপতি হরিদাস চন্দ্র দাসের দাবি, মূর্তি নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে (Bangladesh Hindus Protest) উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মীয়মাণ এই প্রকল্পে ৮১ ফুটের রামমূর্তির পাশাপাশি ৫০ ফুট উচ্চতার কৃষ্ণমূর্তি এবং ৩০ ফুটের শিবমূর্তিও নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সামাজিক সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই আপাতত মূর্তি নির্মাণের কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে।

    মন্দির কমিটির বক্তব্য

    শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দিরের উপদেষ্টা শ্যামল কুমার মহন্ত জানান, “সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে মন্দির কমিটি আপাতত রাম মূর্তি স্থাপনের কাজ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা সমালোচনার মধ্যে থাকতে চাই না। কারও ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হোক, আমরা সেটাও চাইব না। এ দেশে সবাই নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। তবে কোনও কিছু করতে হলে ধর্মের প্রতিই সম্মান রেখেই করতে হবে। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। এই নীতিতে আমরা সবাই বিশ্বাসী (Bangladesh Hindus Protest)।” এদিকে, হিন্দু মহাজোট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যদি পলাশবাড়ির এই প্রকল্প ফের শুরু করার অনুমতি দেওয়া না হয়, তাহলে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায়ই এক এক করে রামমন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। শনিবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রকে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পাশাপাশি দেশব্যাপী নয়া কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।

    কী বললেন তসলিমা নাসরিন?

    নির্বাসিত লেখিকা বাংলাদেশের তসলিমা নাসরিন বলেন, “ধর্মীয় স্বাধীনতা যদি একটি মৌলিক অধিকার হয়, তবে তা সংখ্যাগরিষ্ঠ ও সংখ্যালঘু—উভয় সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। দেশে নতুন নতুন মসজিদ নির্মাণ করা গেলে একটি রামমূর্তি বা মন্দির নির্মাণ নিয়ে এত আপত্তি কেন?” তসলিমা জানান, প্রকল্পটিকে ঘিরে যে ধরনের হুমকি, উসকানিমূলক বক্তব্য এবং বিদ্বেষমূলক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কোনও মতভেদ বা ধর্মীয় অবস্থান অন্য সম্প্রদায়ের উপাসনালয় বা ধর্মীয় প্রকল্পে বাধা দেওয়ার কারণ হতে পারে না।” পলাশবাড়ি এলাকায় (Lord Ram Image Desecration) আগেও হিন্দু মন্দিরে হামলা এবং প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনার কথাও মনে করিয়ে (Bangladesh Hindus Protest) দেন নির্বাসিত লেখিকা।

    উত্তেজনা বাংলাদেশের নানা প্রান্তে

    ভগবান রামের প্রতিকৃতি অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাংলাদেশের নানা প্রান্তে। ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান তাঁরা। ‘সচেতন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দে’র ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ছাত্রনিবাসের আবাসিকরাও যোগ নেন। পরে ওই মিছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে গিয়ে পৌঁছয় শাহবাগ মোড়ে। রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদও জানিয়েছিলেন (Bangladesh Hindus Protest) প্রতিবাদীরা। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে হিন্দুরা দেশের বৃহত্তম ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশই তারা। সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে বলেই খবর (Lord Ram Image Desecration)।

     

  • Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ (Swami Suryananda)। রবিবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর এলাকায়। গুরুতর জখম হন ওই হিন্দু সাধু (Suvendu Adhikari)। হিন্দু সম্মেলন চলাকালীনই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও লক্ষ্যভিত্তিক হিংসার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবানপুরে আয়োজিত ওই হিন্দু সম্মেলনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ভক্তরা শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হয়েছিলেন। তবে সমাবেশস্থলে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যার পরিপ্রেক্ষিতে স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ গুরুতর জখম হন। তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয় স্থানীয় একটি হাসপাতালে।

    হিন্দু সন্ন্যাসী আক্রান্ত (Swami Suryananda)

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামীজি একাধিক আঘাত নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। তাঁকে দেখতে যাঁরা হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তাঁদের মতে, মহারাজের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল। মহারাজের ওপর হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করা হয়নি। ধর্মীয় সমাবেশে কীভাবে হিংসা ছড়াল, সে বিষয়েও রাজ্য পুলিশ-প্রশাসন নীরব। ঘটনার প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের হয়েছে কি না, অথবা ঘটনাটিকে মারধর, দাঙ্গা নাকি হত্যার চেষ্টার মামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তা-ও স্পষ্ট নয়। হিন্দু সন্ন্যাসীর আক্রান্ত হওয়ায় খবর পেয়েই মহারাজকে দেখতে হাসপাতালে ছোটেন শুভেন্দু। মহারাজের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনাটির বিশদ বিবরণ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Swami Suryananda)।

    ‘জয় শ্রী রাম’

    শুভেন্দুর দাবি, ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দেওয়ায় সম্মেলনের সময় ওই সাধুর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, “এটি (জয় শ্রীরাম ধ্বনি) হিন্দু ধর্মীয় পরিচয়ের প্রকাশমাত্র।” তাঁর দাবি, হাসপাতালের বেড থেকেই স্বামীজি তাঁকে ঘটনার ধারাবিবরণী দেন (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “বুনো জন্তুর মতো তারা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। স্বামীজির গলায় ফাঁস লাগিয়ে তাঁকে হত্যার চেষ্টাও করেছিল। ঘুষি, লাথি ও বুকে আঘাত করাও হয়েছে। হয়েছে মারধর করাও।” নন্দীগ্রামের বিধায়কের অভিযোগ, হামলাকারীরা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের মধ্যে যাদের তিনি “জেহাদি” বলে উল্লেখ করেন, তারাও ছিল। তাঁর মতে, এটি কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত ও ঠান্ডা মাথার হত্যার চেষ্টা।

    “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু এই ঘটনাকে “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস” বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসা চালাতে রাজ্য প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে মদত দিচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এটি নিছক আইনশৃঙ্খলার অবনতি নয় (Suvendu Adhikari)। এটি হিন্দু গর্ব প্রকাশের সাহস দেখানো যে কাউকে লক্ষ্য করে সংগঠিত সন্ত্রাস।” তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের রাজত্বে হিন্দু সাধুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর এবং ভক্তদের ভয় দেখানো নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজ্য পুলিশকে নীরব দর্শক বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার একটি পরিচিত ধারারই পুনরাবৃত্তি হয়েছে (Swami Suryananda)।

    সভ্যতার সঙ্কট!

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দু জাতপাত ও আঞ্চলিক বিভাজন ভুলে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন। তাঁর মতে, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের ওপর হামলা আসলে সমগ্র হিন্দু বিশ্বাস ও পরিচয়ের ওপর আঘাত। তাঁর প্রশ্ন, “আর কতদিন হিন্দুরা নীরবে অত্যাচার সহ্য করবে?” শুভেন্দুর মতে, ঘটনাটি কোনও বিচ্ছিন্ন হিংসার ঘটনা নয়, এটি একটি বৃহত্তর সভ্যতার সঙ্কট।এদিকে, হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের শারীরিক অবস্থার ওপর চিকিৎসকেরা কড়া নজর রাখছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে (Suvendu Adhikari) কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও ক্রমশ জোরালো হচ্ছে (Swami Suryananda)।

     

  • AMU: ১০৪ বছরের ইতিহাসে প্রথম! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হল দীপাবলি উৎসব, বিলি হল মিষ্টিও

    AMU: ১০৪ বছরের ইতিহাসে প্রথম! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হল দীপাবলি উৎসব, বিলি হল মিষ্টিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো চার বছরের ইতিহাসে এই প্রথম দীপাবলি (Deepawali) পালিত হল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (এএমইউ) প্রাঙ্গনে (AMU)। বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু পড়ুয়ারা ২ হাজার ১০০টি দীপ জ্বালান। সঙ্গে দেন ‘জয় শ্রীরাম’ এবং ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনি। ১৯ অক্টোবর দীপাবলি উদযাপিত হয় নন-রেসিডেন্ট স্টুডেন্ট সেন্টারে।

    জয় শ্রীরাম লেখা (AMU)

    জানা গিয়েছে, এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সঙ্গে দীপাবলি পালন করেন। তাঁরা জ্বালান ২ হাজার ১০০টি প্রদীপ। প্রদীপগুলি এমনভাবে সাজানো হয়েছিল, যাতে এক ঝলক দেখলেই বোঝা যায়, জয় শ্রীরাম লেখা। এএমইউ লেখাও ছিল। ২ হাজার ১০০ কিলো মিষ্টিও বিলি করা হয়। অনুষ্ঠানের মহিমা বাড়িয়ে তোলে রাতের আকাশে আতশবাজির রোশনাই। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর অধ্যাপক এম ওয়াসিম আলি স্বয়ং। তিনিও মিষ্টিমুখ করেন। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে দু’টি স্থানীয় থানার পুলিশ কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছিল। এদিন বাইরের কাউকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

    পড়ুয়াদের বক্তব্য

    অনুষ্ঠানের উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন সমাজবিজ্ঞান ও গণযোগাযোগ বিভাগের ছাত্র আখিল কৌশল। বিশ্ববিদ্যালয় (AMU) প্রশাসনের কাছ থেকে আগেই অনুষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে রেখেছিলেন তিনি। সেই মতো এদিন সকাল থেকেই শুরু হয় অনুষ্ঠান সুসম্পন্ন করার প্রস্তুতি। অখিল কৌশল বলেন, “এটি আমাদের সবার জন্য এক ঐতিহাসিক দিন।” তিনি বলেন, “এর আগে হিন্দু ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে হোলি উদযাপনের অনুমতি পেয়েছিলেন। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছিল ওই অনুষ্ঠান। এটাই সুগম করে দিয়েছিল দীপাবলি উদযাপনের পথ।” তিনি বলেন, “আমরা আমাদের বিশ্বাসকে শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রকাশ করতে চেয়েছিলাম, এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতার কারণেই তা সম্ভব হয়েছে (Deepawali)।”  প্রফেসর ওয়াসিম আলি এই উদযাপনকে এএমইউয়ের ইতিহাসে প্রথম বলে বর্ণনা করেন। তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হয়েছে দীপাবলির অনুষ্ঠান (AMU)।

  • Mahakumbh: মহাকুম্ভের আকাশে বাতাসে ‘জয় শ্রী রাম’, ধ্বনি তুলছেন বাঙালি ভক্তরা

    Mahakumbh: মহাকুম্ভের আকাশে বাতাসে ‘জয় শ্রী রাম’, ধ্বনি তুলছেন বাঙালি ভক্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পরে মহাকুম্ভ (Mahakumbh) অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রয়াগরাজে। ইতিমধ্যেই সেখানে রচিত হয়েছে ইতিহাসও। পৃথিবীর বৃহত্তম ইভেন্টে ৬০ কোটি মানুষ নিজেদের পুণ্যস্নান সেরেছেন ত্রিবেণী সঙ্গমে। সেই প্রয়াগরাজেই এবার বাঙালিরা তুলছেন জয় শ্রী রাম ধ্বনি (Jai Shri Ram)। যা বর্তমান সময়ে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। পশ্চিমবঙ্গ (Mahakumbh) থেকে আগত ভক্তরা দলে দলে প্রয়াগে জয় শ্রীরাম ধ্বনি তুলছেন এবং মহা কুম্ভের বিভিন্ন সেক্টর পরিদর্শন করছেন- এই দৃশ্যই ধরা পড়ল। একইসঙ্গে হর হর গঙ্গে, ব্যোম বাম ভোলে ধ্বনিও উঠছে সেখানে।

    মমতার মন্তব্য মানতে পারেনি হিন্দু সমাজের বড় অংশ (Mahakumbh)

    কেউ কেউ বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের তীর্থযাত্রীদের মহাকুম্ভে জয় শ্রী রাম ধ্বনি দেওয়ার পিছনে কাজ করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) মৃত্যুকুম্ভ বলে তোপ দেগেছেন। এতেই পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সমাজের বড় অংশ অসন্তুষ্ট বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তারই প্রতিক্রিয়ায় এবার বাঙালিরা কুম্ভে গিয়ে ধ্বনি তুললেন জয় শ্রী রাম। অর্গানাইজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুসারে, গতকাল রবিবার আসানসোল থেকেই দু হাজারেরও বেশি ভক্ত হাজির হয়েছিলেন ৪০টি বাসে করে পবিত্র প্রয়াগরাজে। কুম্ভ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের পাড়ায় পাড়ায় উন্মাদনা নজরে পড়ছে। এমনটা আগে কখনও দেখা যায়নি বলে জানাচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

    সমাজমাধ্যমে কড়া নজর যোগী সরকারের

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ সরকার সমাজমাধ্যমে কড়া নজর রেখেছে। যাতে সেখানে মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) নিয়ে কোনও রকমের গুজব ছড়িয়ে না পড়ে। এ নিয়ে ডিজি প্রশান্ত কুমার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘ইতিমধ্যে ৫০টা এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। যারা ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে মহাকুম্ভ সম্পর্কে এবং গুজব ছড়াচ্ছে নানা রকম, আমরা তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে চাই।’’ মুখ্যসচিব ও পুলিশের ডিজি সেখানকার ভক্তদের সঙ্গে কথাও বলেন। সরকারের দুই উচ্চপদস্থ এক আধিকারিক বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ (Mahakumbh) শুরু হয়েছিল ১৩ জানুয়ারি থেকে, তা একদম চূড়ান্ত পর্যায়ে চলছে। প্রতিদিনই এক কোটি ভক্ত পুণ্যস্নানে অংশগ্রহণ করছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন সাধু-সন্ন্যাসী। তাঁরা সনাতন ধর্মের বিভিন্ন আখড়া থেকে এসেছেন।’’

  • Jai Shri Ram: ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া কীভাবে অপরাধ হতে পারে? প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট

    Jai Shri Ram: ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া কীভাবে অপরাধ হতে পারে? প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘জয় শ্রীরাম’ (Jai Shri Ram) স্লোগান দেওয়া অপরাধ কীভাবে? ১৬ ডিসেম্বর, সোমবার এক মামলার শুনানিতে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, শুধুমাত্র কোনও ধর্মীয় শব্দ বা নাম বলাটা কোনও অপরাধ নয়।

    জয় শ্রীরাম স্লোগান (Jai Shri Ram)

    ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কর্নাটকের এক মসজিদের ভিতরে ঢুকে জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। কর্নাটক হাইকোর্ট সেই ফৌজদারি কার্যধারা খারিজ করে দিয়েছিল। হাইকোর্টের সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানিতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ বিচারপতি পঙ্কজ মিথাল ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার ডিভিশন বেঞ্চের। এদিন শুনানিতে বেঞ্চের প্রশ্ন, তারা একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় বাক্যাংশ বা একটি নাম ধরে স্লোগান দিয়েছিল। এটা কোন ধরনের অপরাধ? অভিযোগকারী হায়দার আলি সিএমের উদ্দেশে বেঞ্চের প্রশ্ন, ‘আপনি কীভাবে অভিযুক্তদের শনাক্ত করছেন? আপনি বলছেন, ওদের সবাইকে সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে। যারা ভিতরে ঢুকেছিল, তাদের কে শনাক্ত করেছে?’

    কর্নাটক হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    গত ১৩ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত দুজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যধারা বাতিল করেছিল কর্নাটক হাইকোর্ট। হাইকোর্ট বলেছিল, কেউ জয় শ্রীরাম বলে স্লোগান দিলে, তা কীভাবে কোনও সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করে, তা বোঝা যাচ্ছে না। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, এতে জনসাধারণ খেপে গিয়েছে বা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে এমনও কেউ দাবি করেনি। তার ওপর অভিযোগকারী নিজেই জানিয়েছেন যে, তিনি অপরাধীদের দেখেননি। অভিযুক্তদের (Jai Shri Ram) বিরুদ্ধে এফআইআর বাতিল করে হাইকোর্ট বলেছিল, ‘যে অপরাধের অভিযোগ করা হয়েছে, তার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই এই আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে আরও আইনি কার্যক্রমের অনুমতি দিলে, আইনের অপব্যবহার করা হবে। তাতে ন্যায় বিচারের গর্ভপাত হবে।’

    আরও পড়ুন: মাওবাদী নির্মূল কবে? সময়সীমা বেঁধে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    সোমবারের (Jai Shri Ram) শুনানিতে আবেদনকারীর আইনজীবী দেবদত্ত কামাত জানান, তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই হাইকোর্ট এই কার্যধারা বাতিল করেছে। অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার দায় তিনি চাপিয়েছেন রাজ্য পুলিশের ঘাড়ে। আবেদনকারী রাজ্যের কাছে যে আবেদন করেছেন, তার একটি অনুলিপি চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: “টাকা না দিলে জয় শ্রী রাম বলতে দেবো না” নিদান বিতর্কে তৃণমূল নেতা

    Purba Bardhaman: “টাকা না দিলে জয় শ্রী রাম বলতে দেবো না” নিদান বিতর্কে তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একশ দিনের টাকা না দিলে জয় শ্রী রাম বলতে দেবো না”। কার্যত এমন নিদান দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) এক তৃণমূলের এক নেতা। সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার কালনার সিঙ্গেরকোন (Purba Bardhaman) এলাকায় দলের এক কৃষক সভায় এই মন্তব্য করেন। আগামী জানুয়ারিতে অযোধ্যায় রাম মন্দিরে প্রভু রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। সনাতনী হিন্দু সংস্কৃতির শ্রীরাম জন্ম ভূমির আন্দোলের বড় শ্লোগান ছিল ‘জয় শ্রী রাম’। শ্রী রাম ভারতের অখণ্ডতার প্রতীক। এমন সময়ে তৃণমূল নেতার এই মন্তব্য অত্যন্ত নিম্নরুচির বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ। প্রতিবাদ জানিয়ে এই নিদানকে ধর্মীয় আক্রমণ বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। ফলে রাম নাম বন্ধ করার ঘোষণায় রাজনীতিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    ঠিক কী বলেন তৃণমূল নেতা (Purba Bardhaman)?

    পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) তৃণমূল নেতা দেবু টুডু কালনায় (Purba Bardhaman) বলেন, “১০০ দিনের টাকা না দিলে জয় শ্রী রাম বলতে দেবো না। বিজেপির কর্মীরা আমাদের পাড়ায় জয় শ্রী রাম বলছেন। এই শ্লোগান দিতে হলে মানুষের কাজের টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে গোটা বাংলার কোথাও উচ্চারণ করতে দেবো না। এটা আমার ভিক্ষা নয়, অধিকার।”

    বিজেপির বক্তব্য

    তৃণমূল নেতার এই উস্কানি মূলক মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) জেলা বিজেপি সভাপতি সুভাষ পাল বলেন, “এটা হচ্ছে একটা গরু চোর। সেইসঙ্গে ছাগলদেরও নেতা। ধর্মীয় বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য করেছেন তৃণমূল নেতা। রাজ্যের মা মাটির সরকার কেন্দ্রকে হিসাব দেয় না। টাকা চুরি আটকাতে কেন্দ্র সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করেছে। এই রাজ্যের রেশন, আবাস, মিড ডে মিল ইত্যাদিতে দুর্নীতির কথা ধরা পড়েছে। রাজ্যে দেড় কোটি রেশন কার্ড বাতিল হয়েছে। জ্যোতিপ্রিয় কেন জেলে রয়েছেন? এসব প্রশ্নের উত্তর কী দেবু জানেন? দেবু একটা পাগল, পাগলে কিনা বলে আর ছাগলে কি না খায়।”

    ১০০ দিনের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ

    ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে রাজ্যের শাসক তৃণমূল বনাম বিজেপির মধ্যে ব্যাপক তর্জা চলছে। সম্প্রতি কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে দিল্লিতে ধরনা করতে দেখা যায় তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পাশাপাশি তৃণমূল শাসকের কাছে, রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রের পাঠানো অনুদানের খরচের হিসাব চাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রকের কাছে এই নিয়ে অভিযোগও করা হয়। সেই সঙ্গে ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক দুর্নীতির কথা বলে সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে বিজেপি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share