Tag: Jake Sullivan

Jake Sullivan

  • Jake Sullivan: ভারত সফরে আসছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, কেন জানেন?

    Jake Sullivan: ভারত সফরে আসছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য দিল্লির তখতে বসতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী পদে মোদি নির্বাচিত হতেই তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতা। এঁদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও (Jake Sullivan)। মঙ্গলবার ফল ঘোষণা হয় অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের। বুধবারই প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করেন বাইডেন। তখনই বাইডেন জানান, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান আসবেন ভারত সফরে। তাঁর সফর নিয়ে দুই রাষ্ট্রনেতার বিশদে আলোচনা হয় বলেও খবর।

    হোয়াইট হাউসের বার্তা (Jake Sullivan)

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের সদর দফতর হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেন জুনিয়র আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। ভারতের সাধারণ নির্বাচনে তাঁর এবং এনডিএর ঐতিহাসিক জয়ের কারণে অভিনন্দন জানানো হয়েছে তাঁকে।’ আরও জানানো হয়েছে, ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভানের আসন্ন নয়াদিল্লি সফর নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার। দুই রাষ্ট্রনায়কের বিশ্বস্ত, কৌশলগত, প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব-সহ মার্কিন-ভারত অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকা বিভিন্ন বিষয়ে ভারতের নয়া সরকারকে যুক্ত করতে নয়াদিল্লিতে আসছেন জেক।’ 

    কবে আসছেন সুলিভান

    সুলিভান (Jake Sullivan) কবে ভারত সফরে আসছেন, তা এখনও জানা যায়নি। তবে শনিবার তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবে মোদি সরকার। তার পরের দুদিনও সম্ভবত ওড়িশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, তাই ওই সপ্তাহের শেষের দিকে নয়াদিল্লিতে আসতে পারেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বার্তালাপের পর এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বন্ধু জো বাইডেনের কাছ থেকে ফোন কল পেয়ে আমি আপ্লুত। তাঁর অভিনন্দনবার্তা ও ভারতীয় গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর উৎসাহ আমার কাছে মূল্যবান। আসন্ন বছরগুলিতে ভারত-মার্কিন বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব আরও অনেক ল্যান্ডমার্কের সাক্ষী থাকবে। মানবতার কল্যাণ এবং বিশ্বের ভালোর জন্যই আমাদের অংশীদারিত্ব আরও জোরালো হবে।”

    আর পড়ুন: দুর্দিনের বাজারে জামানত খুইয়েছেন ২১ সিপিএম প্রার্থী, কত টাকা খোয়াল আলিমুদ্দিন?

    এদিকে, পৃথক একটি বিবৃতিতে ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সেনেট ফরেন রিলেশনস কমিটির চেয়ারম্যান, সেনেটর বেন কার্ডিন। মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে সারা দেশে এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ ভোট দেওয়ায় যারপরনাই খুশি তিনি। বলেন, “তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেও ভোট দিয়েছেন ভারতবাসী। এভাবে তাঁরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি তাঁদের দায়বদ্ধতা প্রদর্শন করেছেন (Jake Sullivan)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ajit Doval: ‘‘চিন এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’’, ডোভালের সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন এনএসএ

    Ajit Doval: ‘‘চিন এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’’, ডোভালের সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন এনএসএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval) এবং মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান আনুষ্ঠানিকভাবে ইনিশিয়েটিভ ফর ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড এমার্জিং টেকনোলজি বিষয়ক মার্কিন-ভারত উদ্যোগের সূচনা করলেন। 

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভারতীয় দূতাবাস ট্যুইট করে জানিয়েছে, “লক্ষ্যকে কর্মে রূপান্তর করা! জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval) এবং জেক সুলিভান আনুষ্ঠানিকভাবে ইউএস-ইন্ডিয়া ইনিশিয়েটিভ অন ক্রিটিকাল অ্যান্ড ইমার্জিং টেকনোলজিস – এর সূচনা করেছেন৷ আইসিইটি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কৌশলগত, বাণিজ্যিক এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনবে।”  

    একটি বিবৃতি জারি করে বলা (Ajit Doval) হয়েছে, “আমাদের দুই দেশের সরকার, ব্যবসা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আমাদের কৌশলগত, প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব এবং প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতাকে উন্নত ও প্রসারিত করার জন্য আইসিইটি ঘোষণা করেছিল। মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২২ সালের মে মাসে ঘোষণাটি করেছিলেন।”  

    হোয়াইট হাউজের তরফেও একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত নিশ্চিত করছে যে প্রযুক্তির ডিজাইন, বিকাশ, ব্যবহার করার উপায়গুলি একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেবে। এটি আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সর্বজনীন মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধার প্রতিফলন। আমরা একটি উন্মুক্ত, অ্যাক্সেসযোগ্য এবং সুরক্ষিত প্রযুক্তিকে আরও উন্নত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পারস্পরিক আস্থা আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করবে।”

    আরও পড়ুন: মানুষের জন্য মোদি সরকারের বাজেট পেশ আজ! জানুন কখন কোথায় দেখবেন

    আলোচনায় চিন  

    মঙ্গলবার অজিত ডোভাল (Ajit Doval) হোয়াইট হাউসে জেক সুলিভানের সঙ্গে দেখা করে বৈঠক করেছেন। তাঁদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকের সময়, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে জেক বলেন, “চিন এই মুহূর্তে ভারত তথা সারা বিশ্বের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।” 

    এদিন বৈঠকে ওয়াশিংটন এবং নয়াদিল্লির মধ্যে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কৌশলগত, বাণিজ্যিক এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়। আধিকারিকরা ওয়াশিংটনে বৈঠক থেকে এই অংশীদারিত্বকে এগিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন। যদিও আইসিইটিতে চিনের কোনও নির্দিষ্ট উল্লেখ নেই। বাইডেন প্রশাসন চিনের প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে একটি জিরো সাম গেম হিসেবে দেখছে। চিনের সঙ্গে এই লড়াইয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হারতে চায় না। আর সেটাই হবে আইসিইটি-র অন্যতম মূল পদক্ষেপ। 
     
    ওয়াশিংটনের একজন সিনিয়র প্রশাসনিক আধিকারিক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “মার্কিন-ভারত প্রতিরক্ষা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংলাপ একটি বহু-স্তরীয় পদ্ধতি এবং চিন এর অন্যতম একটি বিষয়। কারণ চিন নয়াদিল্লি এবং বিশ্বের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।”  সোমবার সকালে আমেরিকা পৌঁছেছেন অজিত ডোভাল (Ajit Doval)। গত বছর জাপানের টোকিওতে হয় কোয়াড সম্মেলন। ওই সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পার্শ্ব বৈঠক হয়। সেখানেই ইনিশিয়েটিভ ফর ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড এমার্জিং টেকনোলজিজ নিয়ে দুপক্ষে প্রাথমিক কথাবার্তাও হয়। তার জেরেই এবারের বৈঠক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share