Tag: Jalpaiguri

Jalpaiguri

  • Jalpaiguri: গাড়ি চালানো শিখতে গিয়ে ৯ বছরের বালককে পিষে মারল যুবক, অগ্নিগর্ভ এলাকা

    Jalpaiguri: গাড়ি চালানো শিখতে গিয়ে ৯ বছরের বালককে পিষে মারল যুবক, অগ্নিগর্ভ এলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাড়ি চালানো শিখতে গিয়ে ৯ বছরের বালককে পিষে মারল এক যুবক। রবিবার ঘটনাটি ঘটছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ির দেবীনগর পাড়া এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম শুভজিৎ রায় (৯)। তার বাড়ি ময়নাগুড়ি শহরের দেবীনগর এলাকায়। এখানেই একটি বাড়িতে ভাড়া থাকে তার পরিবার। ঘটনার জেরে গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেন উত্তেজিত জনতা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Jalpaiguri)

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ি শহরের দেবীনগর এলাকায় একটি শুভজিৎ বাড়িতে ভাড়া থাকে তার পরিবার। রবিবার সকালে সাইকেল নিয়ে বাড়ির ঠিক পাশের একটি দোকানে এসেছিল শুভজিৎ। তখন ময়নাগুড়ি বেসিক স্কুল ময়দানে গাড়ি চালানো শিখছিল স্থানীয় যুবক অমিতাভ ঘোষ। ওই রাস্তা দিয়ে শুভজিৎ যাওয়ার সময় তখনই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই কিশোরকে ধাক্কা মারে। পিষে দেওয়ায় মৃত্যু হয় তার। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তার চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। কিন্তু, ততক্ষণে সব শেষ। এই দুর্ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। ছোট বালককে পিষে দেওয়ার ঘটনায় অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির দেবীনগর পাড়া এলাকা। উত্তেজিত জনতা যুবকের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। রবিবার সকালে এই ঘটনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। কিন্তু, এসবের মাঝে ওই যুবক ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। পুলিশ এখনও তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তাতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এলাকার মানুষজন। তাই পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এই বালক মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে এলাকার বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান।আর ঘাতক গাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ময়নাগুড়ি দমকল কেন্দ্রের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। কিন্তু, পলাতক অভিযুক্ত যুবক অমিতাভ তার খোঁজ চলছে বলে জানিয়েছেন ময়নাগুড়ি থানার আইসি তমাল দাস। ওই বালককে উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু, চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পরই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য, অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে। অভিযুক্ত যুবকের গাফিলতির জন্যই এই কিশোরের মৃত্যু হল। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: উপ নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে আরও ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ধূপগুড়িতে

    Jalpaiguri: উপ নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে আরও ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ধূপগুড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধূপগুড়ি (Jalpaiguri) উপ নির্বাচনে আরও ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার কমিশন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ জেলাশাসককে একটি  চিঠি দিয়ে এই কথা জানিয়েছে। বাহিনী নিয়ে শাসক-বিরোধীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা।

    ধূপগুড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Jalpaiguri)

    উপ নির্বাচন (Jalpaiguri) উপলক্ষ্যে ১৫ দিন আগেই ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী জলপাইগুড়িতে এসেছে। যার মধ্যে ধূপগুড়ি বিধানসভা এলাকায় ১৪ কোম্পানি এবং কোতোয়ালিতে ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হয়েছে। ধূপগুড়ি বিধানসভা এলাকায় ১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী বিভিন্ন জায়গায় রুট মার্চ করছে। বাকি এক কোম্পানি জলপাইগুড়ি সদরে রাখা হয়েছে। যেখানে ডিসিআরসি এবং স্ট্রং রুম করা হয়েছে সেই সব জায়গায়। এবার আরও ১৫ কোম্পানি বাহিনী আসছে বলে জাতীয় নির্বাচন কমিশন সূত্রে জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়েছে।

    জেলাশাসকের বক্তব্য

    জলপাইগুড়ির জেলাশাসক (Jalpaiguri) তথা নির্বাচনী আধিকারিক মৌমিতা গোদারা বসু বলেন, মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বাড়তি ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার চিঠি পেয়েছি। এই বাহিনী কোথায় কোথায় দেওয়া হবে, সেটা নির্বাচনী পর্যবেক্ষক এবং পুলিশ মিলে ঠিক করবে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) জেলা সাধারণ সম্পাদক রাজেশ সিং জানান, যতই কেন্দ্রীয় বাহিনী আসুক তাতে কোনও লাভ হবে না। এটা কেন্দ্রীয় সরকারের একটা ব্যর্থ চেষ্টা। মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে, যাতে মানুষ ভোট না দিতে পারে, তারই একটা কৌশল। কিন্তু সাধারণ মানুষ দু’হাত তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আশীর্বাদ করবে। আগামী ৮ তারিখ ভোটের ফল প্রকাশ হলে তাতে প্রমাণ হয়ে যাবে।

    বিজেপির বক্তব্য

    অন্যদিকে বিজেপির জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী বলেন, ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে সন্ত্রাস মানুষ দেখেছে, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারেনি। সেই কারণেই এত কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া হচ্ছে ৷ ভোটকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও রকম রিগিং, গন্ডগোল বা ভোট লুটের ঘটনা না ঘটে, তার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশন এই পদক্ষেপ নিচ্ছে।” পাশাপাশি সাধারণ মানুষ যাতে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার জন্যই কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। ধূপগুড়ি বিধানসভা এলাকায় মোট ২৬০ টি পোলিং বুথ রয়েছে। নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আসা হয়েছে বলে মনে করছে রাজনীতির একাংশ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: ছেলেকে টিভির পর্দায় দেখে আনন্দাশ্রু মায়ের, জলপাইগুড়িতে উৎসবের আমেজ

    Chandrayaan 3: ছেলেকে টিভির পর্দায় দেখে আনন্দাশ্রু মায়ের, জলপাইগুড়িতে উৎসবের আমেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা জানতেন না কিছুই। ফোনে ছেলে বলেছিল, সন্ধ্যায় টিভিতে নজর রেখো। বিকেল থেকেই টিভির সামনে মা। সন্ধ্যায় চাঁদে বিজয়কেতন (Chandrayaan 3) ভারতের। জয়ের স্থপতিদের মধ্যে রয়েছে ছেলেও। টিভিতে ছেলের ছবি দেখে আপ্লুত মা। জলপাইগুড়ির ছেলে কৌশিক নাগের কৃতিত্বের কথা বলতে গিয়ে গলা ধরে এল মা সোনালি দেবীর।

    জানতেন না অনেকেই (Chandrayaan 3) 

    সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিট। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ ল্যান্ডার বিক্রমের। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবেই চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় ভারতের। জয়ের কারিগরদের তালিকায় নাম জলপাইগুড়ির ছেলের। জানতেন না অনেকেই। টিম ইসরোর সদস্যদের উচ্ছ্বাসের ছবি (Chandrayaan 3) টিভির পর্দায় ফুটে উঠতেই ঘরের ছেলে কৌশিককে চিনতে পেরে হতবাক অনেকেই। তাঁর মাও জানতেন না যে তাঁর ছেলেও রয়েছে স্বপ্নজয়ীদের দলে।

    মাকেও জানাননি ছেলে (Chandrayaan 3) 

    শহর সংলগ্ন এক বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে ২০১১ সালে জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন কৌশিক নাগ। কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পাশ করে ২০১৮ সালে যোগদান দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থায়। এর আগে, ২০১৯ সালে চন্দ্রযান-২ এরও সদস্য ছিলেন কৌশিক। সেবার অল্পের জন্য ফস্কেছিল লক্ষ্য। এবার তা হয়নি। তবে এবার এই প্রজেক্টে থাকার কথা মাকেও আগেভাগে জানাননি ছেলে। মা জেনেছেন সকালে। টিভির স্ক্রিনে ইসরোর বিজ্ঞানীদের উচ্ছ্বাসের ছবিতে গোলাপি শার্ট পরা বছর একত্রিশের কৌশিক নাগকে চিনতে অবশ্য অসুবিধা হয়নি সহপাঠী, স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের। মুহূর্তে সেই ছবি (Chandrayaan 3) ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। শহরের বর্ধিত মোহন্ত পাড়ায় কৌশিকের বাড়িতেও পৌঁছে যায় শুভেচ্ছাবার্তা।

    দেশের জন্য গর্ববোধ হচ্ছে, বললেন মা 

    কৌশিকের মা সোনালি দেবী বলেন, বিকেল পাঁচটা থেকে টিভি খুলে বসে আছি। সন্ধ্যায় চন্দ্রযান ছুঁল চাঁদের মাটি। ছেলেকে টিভির পর্দায় দেখে আনন্দাশ্রু মায়ের। জানালেন, দেশের জন্য গর্ববোধ হচ্ছে। এই কর্মযজ্ঞে (Chandrayaan 3) আমার ছেলেরও অবদান রয়েছে, এটা ভেবে আরও ভালো লাগছে। এদিকে স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও সহপাঠীরাও কৌশিকের কৃতিত্বে খুশি। বুধবার রাতে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশের তরফে কৌশিক নাগের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারকে অভিনন্দন জানানো হয়। পাশাপাশি কৌশিকের আগামীর জন্য শুভেচ্ছা জানান তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • jalpaiguri: দলীয় নেতার দেহ নিয়ে শ্মশানে এসে চক্ষু চড়কগাছ বিজেপি সাংসদ-বিধায়কদের, কেন জানেন?

    jalpaiguri: দলীয় নেতার দেহ নিয়ে শ্মশানে এসে চক্ষু চড়কগাছ বিজেপি সাংসদ-বিধায়কদের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় নেতার দেহ সৎকার করতে শ্মশানে এসে চক্ষু চড়কগাছ বিজেপি সাংসদ, বিধায়কদের। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ি পুরসভার শ্মশানে। লাইন দেখে মনে হয়েছে যেন দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন অথবা রেশন দোকানে লাইনে রয়েছেন। তারপর আবার ঘুটঘুটে অন্ধকার। কিন্তু কে বলবে এটা শ্মশান? আর এই শ্মশানেই প্রয়াত বিজেপি নেতা সুভাষ চন্দ্র দাসের মৃতদেহ দাহ করতে এসে চরম বিড়ম্বনায় পড়েন বিজেপি সাংসদ-বিধায়করা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Jalpaiguri)

    বেশ কয়েক বছর ধরেই অসুস্থতায় ভুগছিলেন বিজেপি নেতা সুভাষচন্দ্র দাস। শনিবার মৃত্যু হয় তাঁর। শেষ শ্ৰদ্ধা জানাতে রাতে শ্মশানে উপস্থিত হন জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত কুমার রায়, ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক দীপক বৰ্মণ সহ জেলার এবং স্থানীয় নেতৃত্ব। এরপরই হয়রানির অভিযোগ করেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, গ্রাম থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে মৃতদেহ সৎকার করতে নিয়ে এসে চরম হয়রানির এবং তিক্ত অভিজ্ঞতার স্বীকার হলেন মৃতের পরিবার এবং বিজেপি নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, ঘুটঘুটে অন্ধকার শ্মশানের চারপাশ। নেই আলো। তারপর শ্মশানে আবার লম্বা লাইন। ভিতরে গিয়ে জানতে পারি, নষ্ট হয়ে গিয়েছে বৈদ্যুতিক চুল্লির তার। বন্ধ রয়েছে বৈদ্যুতিক চুল্লি। তাই, জ্বালানি কাঠ দিয়েই সৎকার করতে হবে দেহ। যা শুনে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন মৃতের পরিবার সহ বিজেপি নেতারা।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

     জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, মৃতের পরিবারের সদস্যরা ভেবেছিল বিদ্যুতিক চুল্লিতে শেষকৃত্য করবে। কিন্তু এখানে এসে তাদের হয়রানির শিকার হতে হল। চুল্লি নাকি খারাপ, যার কারণে মৃতদেহ এনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে জ্বালানি কাঠ জোগাড়ের জন্য। তৃণমূল পুরবোর্ডের শ্মশানের পরিষেবা উন্নত করার কোনও ইচ্ছে নেই।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ বলেন, বিজেপি নেতারা জেনে শুনে গিয়েছেন? আসলে নির্বাচনের জন্য তাঁরা দেখানোর চেষ্টা করছেন তৃণমূল কাজ করে না। ওটা খারাপ হলে ঠিক করবেও তৃণমূল। মানুষের জন্য কাজও করবে তৃণমূল। তাই, এসব বলে কোনও লাভ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: জলপাইগুড়িতে বোর্ড গঠনের পরই তৃণমূলের জয়ী সদস্যদের গণইস্তফা, কেন জানেন?

    Jalpaiguri: জলপাইগুড়িতে বোর্ড গঠনের পরই তৃণমূলের জয়ী সদস্যদের গণইস্তফা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের মাদারের সঙ্গে যুব সংগঠনের বিবাদ। যার জেরে মাদার সংগঠনের নির্বাচিত সদস্য সদস্যাসহ অঞ্চল সভাপতি গণ ইস্তফা দিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের বার্ণিশ অঞ্চলে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অঞ্চলে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল। সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ জন দলীয় বিভিন্ন পদ থেকে  ইস্তফা দিয়েছেন। 

    কেন ইস্তফা?

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ি বার্ণিশ গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ২৪ টি আসনের মধ্যে ১৮ টি আসনে জয় পেয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের দখল নেয় তৃণমূল। গত বৃহস্পতিবার বোর্ড গঠনের দিন এই গ্রামপঞ্চায়েতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠির সংঘর্ষ হয়। ওই দিন রাতে তৃণমূলের কার্যালয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। দলের এক অংশের অভিযোগ, প্রধান পদের জন্য অঞ্চল কমিটির থেকে সর্বসন্মতিক্রমে বৈঠক করে ৩ জনের নাম জেলা নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হলেও সেই তালিকার বাইরে থাকা বিগত দশ বছরের প্রধান কল্যাণী তরফদার দেবনাথকে প্রধান করার জন্য জেলা নেতৃত্বের থেকে খামবন্ধ চিঠি দিয়ে অঞ্চলে নাম পাঠানো হয়। কিন্তু,কল্যাণী তরফদার দেবনাথকে প্রধান পদে মানতে নারাজ ছিলেন অধিকাংশ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। বোর্ড গঠনের দিন পুলিশ ও ব্লক প্রশানের উপস্থিতিতে কয়েক জন তৃণমূলের নেতা ও কর্মী বেআইনিভাবে অঞ্চল অফিসের ভিতর প্রবেশ করে কল্যাণী তরফদার দেবনাথকে প্রধান পদে সমর্থন করার জন্য হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি চাপ সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ। ওই দিন যুব তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থাকা এক অংশের হাতে প্রকাশ্যে আক্রান্ত হন অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি দেবদুলাল বৈদ্য। মারধর করা হয় এক পঞ্চায়েত সদস্যের দাদা ক্ষুদিরাম রায় ও এক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের স্বামী সদানন্দ সরকার সহ বেশ কয়েকজনকে। এর প্রতিবাদে ময়নাগুড়ি রোড দুর্গাবাড়িতে জড়ো হন বার্ণিশ অঞ্চল তৃণমূল নেতৃত্বের একটি বড় অংশ। তাদের সঙ্গে এই অঞ্চলের শতাধিক তৃণমূল কর্মী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে অঞ্চলের মোট ২১ জন বুথ সভাপতির প্রত্যেকে, তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হওয়া ১৪ জন পঞ্চায়েত সদস্য, ৩ জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, অঞ্চল কমিটির ৪২ জন সদস্যের প্রত্যেকে দল থেকে পদত্যাগ করেন। জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ও অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি নিগ্রহের সঙ্গে যুক্তদের শাস্তির দাবিতে  বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা।

    কী বললেন ইস্তফা দেওয়া জয়ী সদস্য এবং তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের নব নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যা অভিযোগ করেন, “দলের কিছু কর্মী আমাকে প্রতিনিয়ত বাড়িতে গিয়ে ধর্ষণের হুমকি ও আমার স্বামীকে খুনের হুমকি দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এভাবে দল করা যায় না। তাই ইস্তফা দিলাম।” বার্ণিশ অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি দেবদুলাল বৈদ্য। দেবদুলালবাবু বলেন, “জন্মলগ্ন থেকে তৃণমূল করছি। এত বছরে বিরোধীরা পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে কোনওদিন কোনও দুর্নীতির অভিযোগ করেনি। সেখানে দলের কিছু কর্মীর হাতে প্রকাশ্যে হেনস্থা হওয়ায় মানসিকভাবে অত্যন্ত বিদ্ধস্ত অবস্থায় আছি। আমার নিজেরই কোনও নিরাপত্তা নেই। কর্মীদের নিরাপত্তা দেব কীভাবে? তাই দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দিলাম। গণ ইস্তফার ঘটনায় জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা জুড়়ে চর্চা শুরু হয়েছে।”

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী?

    এই বিষয়ে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী মহুয়া গোপ বলেন, “দলের শীর্ষ নেতৃত্বের থেকে প্রধান, উপ প্রধানদের নাম পাঠানো হয়েছে। জেলা নেতৃত্বের থেকে কিছু ঠিক হয়নি। এই নিয়ে বিভিন্ন ব্লকে কর্মীদের মধ্যে অনেক বিভ্রান্তি আছে। যে সমস্যা রয়েছে তা দলের সৈনিকদের দলের অভ্যন্তরে আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়া উচিত। দলের ভাবমূর্তিকে রাস্তায় নিয়ে এসে এইভাবে প্রতিবাদ করা শোভা পায় না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপিকে ভোট, ছাত্রীকে কন্যাশ্রী ফর্ম না দেওয়ার হুমকি অশিক্ষক কর্মীর

    BJP: বিজেপিকে ভোট, ছাত্রীকে কন্যাশ্রী ফর্ম না দেওয়ার হুমকি অশিক্ষক কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশম শ্রেণীর ছাত্রীর পরিবার বিজেপি (BJP) করে। এটাই তার অপরাধ। আর সেই অপরাধে কন্যাশ্রীর ফর্ম না দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্কুলের এক অশিক্ষক কর্মী রামেশ্বর রায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়নাগুড়ি ব্লকের পানবাড়ি ভবানী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন অভিভাবক স্কুলের প্রধান শিক্ষক দীনেশ সিনহাকে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    জানা গিয়েছে, টুম্পা হাজরা নামে এক স্কুল ছাত্রী কয়েকদিন আগেই কন্যাশ্রীর ফর্ম নেওয়ার জন্য স্কুলে আসে। সে স্কুলে এসে অভিযুক্ত রামেশ্বর রায়ের কাছে ফর্ম চায়। অভিযোগ সেই সময় অভিযুক্ত রামেশ্বর রায় ছাত্রীকে বলেন, তোমরা যেখানে সেখানে ভোট দেবে আর কন্যাশ্রীর জন্য আমার কাছে আসবে? পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে স্কুলছাত্রী বাড়িতে এসে সমস্ত কথা জানায়। অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী বলে এলাকায় পরিচিত। অভিযুক্ত রামেশ্বর রায় বলেন, তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। ২০১৫ সাল থেকে আমি অস্থায়ী ক্লার্ক হিসাবে কাজ করছি। আমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। এটা বিজেপির (BJP)  চক্রান্ত।

    কী বললেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক?

    স্কুলের প্রধান শিক্ষক দীনেশ সিনহা বলেন, বেশ কয়েকজন এসেছিল আমাকে অভিযোগ জানিয়েছে। আমার তো মনে হয় এসব ভিত্তিহীন কথা। যারা অভিযোগ জমা দিয়েছে তারা কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি। তবে, যেহেতু অভিযোগ এসেছে, সেটা তদন্ত করা হবে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    একটি স্কুলে কীভাবে রাজনীতি করা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিজেপির ময়নাগুড়ি বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর নিতাই রায়। তিনি বলেন অন্যান্য ক্ষেত্রে তো তৃণমূল  রাজনীতি করছেই এবার ছাত্রদের ক্ষেত্রেও তাঁরা রাজনীতি ঢুকিয়ে দিল। যা খুব নিন্দনীয় বিষয়। বিজেপি নেতা জয়ন্ত রায় বলেন, বিজেপি (BJP) করার অপরাধে কন্যাশ্রীর ফর্ম দেওয়া যাবে না, এটা তাজ্জব বিষয়। আমার স্ত্রী রত্না রায় এবার ভোটে জিতেছে। সেই ছাত্রীর বাবা বিজেপি করতেই পারে। এটাই কি তার অপরাধ। অভিযুক্ত ছাত্রছাত্রীদের কাছে থেকে কন্যাশ্রী করে দেওয়ার নাম করে টাকার দাবি করেন। অভিযুক্তর শাস্তির দাবিতে  বিষয়টি আমরা প্রধান শিক্ষকের কাছে  লিখিত আকারে দিয়েছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    অন্যদিকে,তৃণমূলের ময়নাগুড়ি ১নং ব্লক সভাপতি মনোজ রায় জানান, বিজেপি (BJP) বিষয়টি পরিকল্পিত ভাবে সাজিয়েছে। তৃণমূলকে কলুষিত করার জন্য এই রকম মিথ্যা অভিযোগ এনেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: জলে ভেসে যাওয়া চারদিনের গণ্ডার শাবককে উদ্ধার, দিনরাত সেবায় রত বনকর্মীরা

    Jalpaiguri: জলে ভেসে যাওয়া চারদিনের গণ্ডার শাবককে উদ্ধার, দিনরাত সেবায় রত বনকর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স তিন থেকে চার দিন, এই বয়সেই মাতৃ হারা অবস্থা একটি গণ্ডার শাবকের। মায়ের জন্য শাবকটি তনছট করছে। জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) গরুমারা জাতীয় উদ্যানের সীমানা এলাকায় জিরো বাধের কাছে জলে ভেসে যাওয়া অবস্থায় সেটিকে উদ্ধার করেন বন কর্মীরা। বন কর্মীরা টহল দেওয়ার সময় এই গণ্ডার শাবকটিকে জলে ভেসে যেতে দেখেন। তখনই বন কর্মীরা জলে লাফ দিয়ে ওই শাবকটিকে তাঁরা উদ্ধার করেন। এখন বন কর্মীরা গন্ডার শাবকটিকে নিরাপত্তার স্বার্থে ঘিরে রেখেছেন। অন্যদিকে সন্তানহারা মা গণ্ডারটির খোঁজ চালাচ্ছেন বন কর্মীরা। প্রাথমিকভাবে মা গণ্ডারটিকে  খুঁজে শাবকটিকে তার কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন বন কর্মীরা। ঘটনাস্থলে রয়েছেন গরুমারা বন্যপ্রাণী বিভাগের আধিকারিকরা। সারাদিন রাত শাবকটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

    কী বললেন উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল?

    পুরুষ শাবকটি সদ্যজাত হওয়ায়  হওয়ায় তার খাদ্য খাবার নিয়েও চিন্তিত জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার বন কর্তারা। এই শাবকটিকে কৌটোর দুধ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, শাবকটি উদ্ধারের পরেই সেখানে একজন পশু চিকিৎসক রয়েছেন। তার তত্ত্বাবধানেই শাবকটির শারীরিক বিষয়টি নজরে রাখা হয়েছে বলে জানান বন্যপ্রাণী বিভাগের উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল রাজেন্দ্র জাখর। তিনি বলেন, প্রাথমিক ভাবে শাবকটির আওয়াজ রেকর্ড করার চেষ্টা করছেন বন কর্মীরা। সেই আওয়াজ গণ্ডারের কানে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টাও করছেন তাঁরা। এই ধরনের প্রচেষ্টা এই প্রথম, বন দফতরের ইতিহাসে এই রকম নজির আগে দেখা যায়নি। বন দফতরের পক্ষ থেকে যেন তেন প্রকারে শাবকটিকে তার মায়ের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের এখন প্রধান কাজ। শাবকটির মায়ের সন্ধানে বেড়িয়ে পড়েছেন বন কর্মীরা। গোটা এলাকা তন্ন তন্ন করে তল্লাশি চালাচ্ছেন তাঁরা। আমাদের বিশ্বাস সন্তান হারা মা গণ্ডারটিও সন্তানের খোঁজে ঠিক তাঁর সন্তানের কাছে আসবেই। অন্যদিকে, এই মা হারা অবস্থায় সদ্যোজাত  শাবকটিকে বাঁচিয়ে রাখাও আমাদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Jalpaiguri: ভিনরাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু হল বাংলার চার পরিযায়ী শ্রমিকের, এলাকায় শোকের ছায়া

    Jalpaiguri: ভিনরাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু হল বাংলার চার পরিযায়ী শ্রমিকের, এলাকায় শোকের ছায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু হল বাংলার  দুই পরিযায়ী শ্রমিকের। মৃত দুইজন জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ধূপগুড়ির বাসিন্দা। মুম্বইয়ের থানেতে তাঁরা একটি নির্মাণ সংস্থার হয়ে শ্রমিকের  কাজ করতে গিয়েছিলেন। সোমবার রাতে কাজ চলাকালীন আচমকাই একটি ক্রেন একদল শ্রমিমের ওপর ভেঙে পড়ে। সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের থানের শাহপুরে। ক্রেনে চাপা পড়ে এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃতদের মধ্যে চারজন জলপাইগুড়ি জেলার বাসিন্দা রয়েছেন। ধূপগুড়ি ব্লকের ঝাড়আলতা ১ গ্ৰাম পঞ্চায়েত এলাকার দুজন বাসিন্দা ছিলেন। একজনের নাম গণেশ রায় (৪৩)। তাঁর বাড়ি পশ্চিম ডাউকিমারি এলাকায়। অপরজন উত্তর কাঠুলিয়া এলাকার প্রদীপ রায় (৩৪)। এছাড়া ময়নাগুড়ি ব্লকের দুই যুবকও রয়েছে। তাঁদের নাম সুব্রত সরকার (২৪) ও বলরাম সরকার (২৮)। তাঁদের বাড়ি ময়নাগুড়ি ব্লকের চারের বাড়ি সংলগ্ন স্টেশন পাড়া এলাকায়। মঙ্গলবার এই সংবাদ শোনার পরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। শোকের ছায়া নেমে পড়ে এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    গণেশ রায়ের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি নির্মাণ সংস্থার হয়ে কাজ করতে ছমাস আগেই জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) ছেড়়ে ভিন রাজ্যের পাড়ি দিয়েছিলেন গণেশবাবু। প্রতিদিনের মতো কাজ চলছিল। সেই সময় সোমবার গভীর রাতে দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাবশত আচমকাই একটি ক্রেন সেখানে কর্মরত একদল শ্রমিকের ওপর ভেঙে পড়ে। রীতিমতো ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় অনেকের শরীর। ঘটনাস্থলেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ, দমকল বাহিনী থেকে শুরু করে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে  উদ্ধারকাজ  শুরু করেন। এদিকে মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছতেই গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গণেশ রায়ের মা ও স্ত্রীসহ দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। ঘন ঘন মূর্ছা যাচ্ছেন গণেশের মা, এবং তার স্ত্রী। শুধুমাত্র  রুজি রুটির টানে ভিন রাজ্য মহারাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছিলেন তারা। এই অকাল মৃত্যুতে এই পরিবারে ঘন অন্ধকার নেমে এল। 

    পরিবারের লোকজনের অভিযোগ?

    অন্যদিকে প্রদীপ রায়ের বাড়ির সদস্যরা  মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। মৃত দুই পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, স্থানীয় এলাকায় কাজ কর্মের অভাবে তাঁরা ভিন রাজ্যে গিয়েছিলেন। সেখানে যেমন মজুরি অনেক বেশি তেমনি, শিফটের বাইরে একটু বেশি কাজ করলে মজুরি দ্বিগুণ পাওয়া যেত। সেই কারনেই এই সমস্ত এলাকার মানুষ পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে ভিন রাজ্যে কাজে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে এই বিপত্তি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রদীপ রায় ভিন রাজ্যে কাজ করেন। মাঝখানে কিছুদিনের জন্য জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বাড়িতে এসে ছিলেন। দুমাস আগেই তিনি ফের কাজে যোগ দিতে মহারাষ্ট্রে গিয়েছিলেন। প্রদীপ রায়ের দুই ছেলে ও স্ত্রী রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই অবস্থা এই পরিবারের। আগামীকাল ওই নির্মাণ সংস্থার উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় তাঁদের দেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ধূপগুড়িতে তৃণমূলের বিজয় উৎসবে অশ্লীল নাচ, বিতর্ক

    TMC: ধূপগুড়িতে তৃণমূলের বিজয় উৎসবে অশ্লীল নাচ, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের (TMC) বিজয় উৎসব ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। বিজয় উৎসবে শালীনতার মাত্রা ছাড়ানোর অভিযোগ। আক্রমণ বিরোধীদের। পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ের পর বিভিন্ন জায়গায় বিজয় উল্লাস পালন করছেন বিভিন্ন দলের কর্মী-সমর্থকরা। তবে একটা ভিন্ন দৃশ্য দেখা গেল তৃণমূলের বিজয় উল্লাসে। অভিযোগ, ডিজের তালে নাচতে দেখা গিয়েছে বৃহন্নলাদের। এমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ধূপগুড়ি ব্লকের বারঘড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কী রয়েছে ?

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, “খেলা হবে”, এই গানে কোমর দোলাচ্ছেন তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের দলীয় কর্মীরা। কিন্তু, বৃহন্নলাদের সঙ্গে তৃণণূল কর্মীরা কোমর দোলাচ্ছেন। সেই সঙ্গে চলছে নানান অঙ্গভঙ্গি। আর তৃণমূল নেতা-কর্মীদের এই ধরনের অশ্লীল নাচ নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। পাশাপাশি পঞ্চায়েত নির্বাচনের বৈতরণী পার হতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে সমস্ত প্রকল্প অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করেছে, সেই সমস্ত প্রকল্পের নাম লেখা পোস্টার শরীরে জড়িয়ে চলছে উদ্দাম নাচ।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলার সাধারণ সম্পাদক কমলেশ সিংহ রায় বলেন, তৃণমূল (TMC) অপসংস্কৃতির ধারক ও বাহক। এদের কাছ থেকে এর চাইতে বেশি কিছু আশা করা যায় না। তাছাড়া তৃণমূলের এই অপসংস্কৃতি আজকে নতুন নয়। এর আগেও বহুবার তারা এই ধরনের অপসংস্কৃতির নজির রেখেছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) জলপাইগুড়ি জেলার সম্পাদক রাজেশ সিং বলেন, কারা এটা করল, কেন এটা করল, এই বিষয়ে তাঁরা দলীয় ভাবে তদন্ত করবেন। আর এই ধরনের বিষয় তৃণমূল অনুমোদন করে না। দলীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ হলে দলীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, ধূপগুড়ির আরেক তৃণমূল নেতা দীনেশ মজুমদার বলেন, ভুল খবর ছড়ানো হচ্ছে। তারা স্থানীয় বাসিন্দা, তাদেরই আত্মীয়-স্বজন ভোটে জয়ী হয়েছে। তাই আনন্দে তারা নাচানাচি করেছে। এলাকার বেশ কয়েকজন ব্যক্তি মহিলা সেজে নাচানাচি করেন বলেও দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। তবুও তাঁরা দলীয় ভাবে বিষয়টির তদন্ত করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North Bengal: প্রবল বর্ষণে উত্তরবঙ্গ বিপর্যস্ত, জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা

    North Bengal: প্রবল বর্ষণে উত্তরবঙ্গ বিপর্যস্ত, জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গে তেমন বৃষ্টি না হলেও উত্তরবঙ্গে (North Bengal) ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতে বেহাল সাধারণ জনজীবন। গোটা উত্তরবঙ্গের নদীগুলির জলে চাষের জমি, বাড়িঘর প্লাবিত। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিঙে আগামী দুই থেকে তিনদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে। পাহাড় থেকে সমতল, উত্তরের বেশ কিছু  জেলায় জারি হয়েছে লাল সতর্কতা।

    কোচবিহার

    কোচবিহারের (North Bengal) তোর্সা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় প্রবল বৃষ্টির জলে প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে। তুফানগঞ্জ, বালাভূত অঞ্চলর অনেক মানুষের বাড়িঘর অধিক বৃষ্টিপাতে জলামগ্ন হয়ে পড়েছে। মেখলিগঞ্জে ক্ষেতের জমি, সৌরসেচ প্রকল্প, বৈদ্যুতিক ল্যাম্প ঝাউকুঠি নদীর জলে ডুবে গেছে।

    আলিপুরদুয়ার

    আলিপুরদুয়ারের (North Bengal) মেচপাড়া এলাকয় জলমগ্ন হয়ে আটকে পড়েছেন অনেক মানুষ। উদ্ধার কাজের জন্য সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ, বায়ুসেনা একযোগে কাজ শুরু করেছে। বাঙরি নদীর জল ঢুকে ভেসে গেছে অঙ্গনঅওাড়ির এক কেন্দ্র। বৃষ্টির জলের স্তর এবং স্রোত এতটাই প্রবল ছিল যে লালো নাগাসিয়া নামক এক বৃদ্ধার রাস্তা পার হতে গিয়ে মৃত্যু ঘটেছে বলে জানা গেছে।

    জলপাইগুড়ি

    জলপাইগুড়ির (North Bengal) বানারহাটে সবথেকে অধিক বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়াও মালবাজার, হাসিমারায় অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়। অপর দিকে তিস্তা, জলঢাকা, ডায়না নদীর জল বিপদ সঙ্কেতের উপর দিয়ে বইছে। অধিকাংশ নদীর জল ঢুকে পড়ছে আশেপাশের গ্রামে। জলপাইগুড়ি জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য শুকনো খাবার এবং রান্না করে খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্গতদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কার্যত অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে।

    পাশাপাশি পাহাড় অঞ্চলের ভূটান, সিকিম, দার্জিলিং (North Bengal) সর্বত্র ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত। শিলিগুড়ি পুরনিগমের বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন হয়ে গেছে। ফুলেশ্বরী, জোড়াপানি, সাহু নদীতে জলের স্তর অনেক বেড়ে গেছে। কিছু কিছু এলাকায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই বর্ষণ আগামী আরও ২ দিন হতে পারে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share