Tag: jdu

jdu

  • Samrat Choudhary: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট, সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন সফল করার অঙ্গীকার বিজেপির

    Samrat Choudhary: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট, সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন সফল করার অঙ্গীকার বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট চৌধুরি (Samrat Choudhary)। বুধবার বেলা ১১টা নাগাদ পাটনার রাজভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান সে রাজ্যের রাজ্যপাল সৈয়দ আটা হাসনাইন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিহারের শাসকজোটের দুই বৃহত্তম শরিক বিজেপি এবং জেডিইউ-র নেতারা। প্রসঙ্গত, এই প্রথম বিহারে বিজেপির কেউ মুখ্যমন্ত্রী হলেন। অতীত হয়ে গেল নীতীশ কুমার জমানা। বাংলার প্রতিবেশী রাজ্যের ২৪তম মুখ্যমন্ত্রী হলেন সম্রাট। সকাল ১১টায় এক সংক্ষিপ্ত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন সম্রাট চৌধুরী। অন্যদিকে, নতুন সরকারে জেডিইউ কোটা থেকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিজেন্দ্র যাদব ও বিজয় চৌধুরী।

    নতুন সরকারকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস

    হিন্দি বলয়ের রাজ্য উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড এবং হরিয়ানায়াতে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী ছিলই। এবার সেই তালিকায় জুড়ল বিহারের নাম। সম্রাট চৌধুরীই যে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, মঙ্গলবার সেকথা জানান বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অন্যতম নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ চৌহান। মঙ্গলবারই সকালে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়েন নীতীশ কুমার। যিনি বর্তমান সংসদে রাজ্যসভার সদস্য। বিহারের দীর্ঘতম সময়ের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন, “এখন থেকে নতুন সরকার বিহারের কাজ দেখভাল করবে। নতুন সরকার আমার পূর্ণ সমর্থন এবং পরামর্শ পাবে।”

    সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন সফল হবে

    মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েই নীতীশ কুমার প্রসঙ্গে সম্রাট চৌধুরী বলেন, “শ্রদ্ধেয় নীতীশ কুমার জি শিখিয়েছেন কী ভাবে সরকার চালাতে হয়। কী ভাবে বিহারে সুশাসন বজায় রাখতে হবে তাও শিখিয়ে গিয়েছেন নীতীশ কুমার।” একইসঙ্গে সম্রাট চৌধুরীর দাবি, “আমি বিহারবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, বিহারের সমৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য আমরা একজোট হয়ে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি যে বিকশিত ভারতের স্বপ্ন দেখেছেন, নীতীশ কুমার যে সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন দেখিয়েছেন সেই স্বপ সফল করার পথে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।”

    সম্রাট চৌধুরীর রাজনৈতিক পথ

    গত দু’বছর ধরে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সম্রাট চৌধুরী। মাত্র ৯ বছর আগে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন তিনি। দ্রুত দলের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন। ১৯৬৮ সালে জন্ম নেওয়া চৌধুরীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বাবা শকুনি চৌধুরী তারাপুর কেন্দ্র থেকে ছয়বারের বিধায়ক ছিলেন এবং মা পার্বতী দেবী ১৯৯৮ সালে একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। ১৯৯০ সালে রাজনৈতিক কেরিয়ারের শুরু হয় সম্রাটের। তিনি লালু প্রসাদের আরজেডি, নীতীশের জেডিইউ শিবির ঘুরে ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। এর পরেই রকেট গতিতে উত্থান হয় সম্রাটের। ২০২৪ সালে বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী হওয়া। খবর ছিল, এবার তাঁকেই বিহারের মসনদে বসাতে চলেছে বিজেপি। বাস্তবেও তেমনটাই ঘটল। স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত পাটলিপুত্রে কোনও বিজেপি নেতা মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেননি। গেরুয়া শিবিরের সেই অধরা স্বপ্ন পূরণ করলেন সম্রাট। বিহারের রাজনীতিতে একটি বড় অংশ জুড়ে আছে জাতপাত। সম্রাট চৌধুরী কুশওয়াহা (কৈরি) সম্প্রদায়ের মানুষ। নীতীশ কুমারের কুর্মি ও সম্রাট চৌধুরীর কুশওয়ায়া ভোটব্যাঙ্ক একজোট হলে বিহারে রাজনীতি এক অন্য গল্প লিখবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • Nitish Kumar: নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার যোগ দিলেন জেডিইউতে, এগিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে

    Nitish Kumar: নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার যোগ দিলেন জেডিইউতে, এগিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ সভাপতি নীতীশ কুমারের ৫০ বছর বয়সী ছেলে নিশান্ত কুমার (Nitish Kumar) আজ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন দলে। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজ্য সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার পর তাঁর বাবা রাজ্যসভায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, সেই সময় নিশান্ত তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করছেন। জেডিইউর সদস্য হওয়ার পর নিশান্ত (Nishant Kumar) দলীয় নেতাদের বলেন, “আমি একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে দলের দেখাশোনা করার চেষ্টা করব। আমার বাবা রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং আমি তা মেনে নিচ্ছি। আমরা তাঁর নির্দেশনায় কাজ করব। আমি দল এবং জনগণের আস্থা অর্জন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করব।”

    কর্মীদের ইচ্ছার প্রতিফলন (Nitish Kumar)

    পঁচাত্তর বছর বয়সী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) বিহারে উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের কারণে “সুশাসনবাবু” উপাধি পেয়ছেন। তিনি ১৬ মার্চ রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রী পদ ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষাগত দিক থেকে একজন টেকনোলজিস্ট নিশান্ত কুমার কয়েক দশক ধরে মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে হওয়া সত্ত্বেও আলোচনার আড়ালে ছিলেন। এটি নীতীশ কুমারের পারিবারিক রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তবে এখন তিনি ছেলেকে রাজনীতিতে যোগদানের অনুমতি দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। জেডিইউর সিনিয়র নেতারা নিশান্তের (Nishant Kumar)  রাজনীতিতে প্রবেশকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলেছেন, “এটি জেডিইউ কর্মীদের ইচ্ছার প্রতিফলন।”

    লালু-সুশীল কুমারের পর নীতীশ

    নিশান্তের (Nishant Kumar) জেডিইউতে যোগদানের সিদ্ধান্ত সৃষ্টি করেছে জল্পনার। তাঁর বাবা শীর্ষ পদ ছেড়ে সংসদের উচ্চকক্ষে যাওয়ার পর বিজেপি-জেডিইউ সরকারে নিশান্তকে এবার উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন অবশেষে বিহারে বিজেপি তাদের পদমর্যাদার একজন মুখ্যমন্ত্রী পেতে চলেছে। নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই সংসদের উভয় কক্ষ এবং রাজ্য আইনসভার উভয় কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে আসছিলাম। ইতিমধ্যেই লোকসভার সাংসদ, একজন বিধায়ক এবং একজন এমএলসিও ছিলাম। রাজ্যসভার মেয়াদ এই চার সদস্যপদকে সম্পূর্ণ করবে।” অনেকে বলছেন, এই পরিবর্তন লালু যাদব এবং প্রয়াত সুশীল মোদির বিরল রেকর্ড অর্জনে সহায়তা করবে।

    কটাক্ষ বিরোধীদের

    প্রধান বিরোধী দল আরজেডি বিহারে বিজেপির বিরুদ্ধে “রাজনৈতিক অপহরণ” চালানোর অভিযোগ করেছে। জনতা দল (ইউনাইটেড) এর মূল ভোটাররা এখন প্রতারিত হয়েছেন বলে মনে করছেন। আরজেডির রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ কুমার ঝা বলেন, “তেজস্বী যাদব গত বছর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বারবার বলেছিলেন নীতীশ কুমার একজন অস্থায়ী মুখ্যমন্ত্রী হবেন। ২১ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্যক্তি এখন রাজ্যসভায় আসতে চান, এটা শিশুসুলভ আচরণ। আরজেডি সাংসদ নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) এবং ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোর মধ্যে কোনও তফাৎ নেই, যাঁকে মার্কিন বাহিনী মাদক পাচারের অভিযোগে জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ধরে নিয়ে যায়। এই ঘটনা বিহারের কারও কাছে ভালো লাগবে না। নীতীশকে দেশি মাদুরো বানিয়েছে।”

  • Nitish Kumar: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! সকালে পোস্ট, দুপুরে মনোনয়ন জমা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

    Nitish Kumar: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! সকালে পোস্ট, দুপুরে মনোনয়ন জমা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তাঁর সঙ্গেই মনোনয়ন জমা দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। বিধানসভার সচিব খ্যাতি সিং-এর দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেন তাঁরা। সেখানে হাজির ছিলেন বিহারের এনডিএ মন্ত্রিসভার দুই উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি এবং বিজয়কুমার সিং।

    রাজ্যসভায় যাওয়ার ইচ্ছা

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে নিজেই রাজ্যসভায় যাওয়ার কথা জানান নীতীশ কুমার। ওই পোস্টে নীতীশ নিজের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে লিখেছেন, “সংসদীয় রাজনীতি শুরু করার পর বিহারের দুই কক্ষেরই সদস্য হওয়ার বাসনা ছিল আমার। একই ভাবে সংসদের দুই কক্ষের সদস্যও হতে চেয়েছিলাম আমি। সেই কারণে, এই নির্বাচনে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে চাইছি।” প্রসঙ্গত, এর আগে লোকসভা, বিহারের আইনসভার উচ্চকক্ষ বিধান পরিষদ এবং নিম্নকক্ষ বিধানসভার সদস্য হিসেবে একাধিক বার নির্বাচিত হলেও আগে কখনও রাজ্যসভায় যাননি নীতীশ।

    নতুন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন

    গত নভেম্বর মাসেই দশম বারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন নীতীশ। মাঝের কিছু সময় বাদ দিলে ২০ বছর পাটনার কুর্সিতে ছিলেন তিনিই। সমাজমাধ্যমের পোস্টে সে কথা উল্লেখ করে নীতীশ লেখেন, “দুই দশকেরও বেশি আপনারা ধারাবাহিক ভাবে আমার উপর ভরসা এবং বিশ্বাস রেখেছেন। এই শক্তির জোরে আমি বিহারের সেবা করতে পেরেছি।” তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে যিনিই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হোন, তাঁর প্রতি সমর্থন থাকবে বলে জানিয়েছেন নীতীশ। ওই পোস্টেই তিনি বিহারবাসীর উদ্দেশে লিখেছেন, “আপনাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে। এবং উন্নত বিহার গড়ে তোলার জন্য এক সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আমার দায়বদ্ধতা একই রকমের থাকবে।” একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “নতুন সরকারের প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন থাকবে।”

    নীতীশের জয় নিশ্চিত

    আগামী ১৬ মার্চ বিহারের পাঁচটি-সহ ১০ রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচন হবে। একই দিনে নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি রাজ্যসভা আসনেও। তবে প্রতিটি আসনের জন্য এক জনই মনোনয়ন জমা দিলে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়বে না। বিধায়কসংখ্যার নিরিখে (বিজেপির ৮৯ জন বিধায়ক, জেডিইউ-র ৮৫) দু’টি আসনে বিজেপির, আর দু’টি আসনে জেডিইউ-র জয় নিশ্চিত। কারণ বিহারের ৪১ জন বিধায়কের প্রথম পছন্দের ভোট পেলেই রাজ্যসভায় যেতে পারবেন কেউ। তবে পঞ্চম আসনটি জিততে গেলে এনডিএ শিবিরকে আরও তিন বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে। বিহারের বিরোধী দলগুলি (কংগ্রেস, আরজেডি, বাম) যদি আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল মিম এবং মায়াবতীর বিএসপি-র সঙ্গে বোঝাপড়া করতে পারে, তা হলে পঞ্চম আসনটি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র অনুকূলে যেতে পারে।

    পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে

    বিহারের দীর্ঘতম সময়ের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ জাতীয় রাজনীতিতে চলে গেলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসবেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এ ক্ষেত্রে বিধায়ক সংখ্যার হিসেবে এগিয়ে থাকা বিজেপি প্রথম বার মুখ্যমন্ত্রী পদ পেতে চলেছে বলে আঁচ মিলেছে। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজেপির যে নেতাদের নাম উঠে আসছে তাঁদের মধ্যে পয়লা নম্বরে রয়েছেন, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি। উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন নীতীশের পুত্র নিশান্ত কুমার। নীতীশ-পুত্রের সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়টি দু’দিন আগেই জানিয়েছেন দলের এক প্রবীণ নেতা। শারওয়ান কুমার নামের ওই জেডিইউ নেতা পিটিআই-কে জানান, দু’-এক দিনের মধ্যেই সক্রিয় রাজনীতিতে নিশান্তের আনুষ্ঠানিক যোগদান সম্পন্ন হবে। দলের তরফে তাঁকে বড় দায়িত্বও দেওয়া হবে। তবে ‘বড় দায়িত্ব’ বলতে তিনি ঠিক কী বোঝাচ্ছেন, তা স্পষ্ট হয়নি।

  • Nitish Kumar: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাশ ছাড়লেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ, দায়িত্ব বর্তাল বিজেপির হাতে

    Nitish Kumar: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাশ ছাড়লেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ, দায়িত্ব বর্তাল বিজেপির হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাশ এবার ছাড়তেই হল বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে (Nitish Kumar)। প্রায় দু’দশক ধরে এই দফতরটি নিজের হাতে রেখেছিলেন জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ। এবার সেটাই তাঁকে ছেড়ে দিতে হল বিজেপিকে। এই দফতরের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর হাতে।

    মুখ্যমন্ত্রী পদে নীতীশ (Nitish Kumar)

    সদ্য সমাপ্ত বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হলে দেখা যায়, রাজ্যের ২৪৩টি আসনের মধ্যে নীতীশের দল জিতেছে ৮৫টিতে। জোট রাজনীতির ধর্ম মেনে তারা প্রার্থী দিয়েছিল ১০১টি আসনে। এনডিএর আর এক শরিক বিজেপিও প্রার্থী দিয়েছিল সম সংখ্যক কেন্দ্রে। তবে পদ্মঝুলিতে পড়ে ৮৯টি আসন। এর পরেই ফের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় নীতীশকে। উপমুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির সম্রাট এবং বিজয় সিনহা। বিজয়কে দেওয়া হয়েছে রাজস্ব ও খনি মন্ত্রকের দায়িত্ব। বিজেপির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে কৃষি (রাম কৃপাল যাদব), অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ (রামা নিশাদ), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (নারায়ণ প্রসাদ), শিল্প (দিলীপ জয়সওয়াল) এবং শ্রম (সঞ্জয় সিং টাইগার) দফতর। বিহারের প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি মঙ্গল পাণ্ডেকে একই সঙ্গে দেওয়া হয়েছে দুই মন্ত্রকের দায়িত্ব – স্বাস্থ্য ও আইন।

    যেসব দফতর বিজেপির হাতে

    বিজেপিকে যে আরও কয়েকটি দফতর দেওয়া হয়েছে, সেগুলি হল, সড়ক ও আবাসন (নিতিন নবীন), এসসি ও এসটি কল্যাণ (লখেন্দ্র রৌশন), পর্যটন (অরুণ শঙ্কর প্রসাদ), আইটি ও ক্রীড়া (শ্রেয়সী সিং), মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ (সুরেন্দ্র মেহতা) এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন (প্রমোদ কুমার)। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের শরিক দল জেডিইউ পেয়েছে সামাজিক কল্যাণ (মদন সাহনি), গ্রামীণ কর্ম (অশোক চৌধুরি), খাদ্য ও ভোক্তা সুরক্ষা (লেশি সিং), গ্রামীণ উন্নয়ন ও পরিবহণ (শ্রবণ কুমার), জলসম্পদ (ভিকে চৌধুরি), জ্বালানি (বিজেন্দ্র যাদব) এবং শিক্ষা (সুনীল কুমার) বিভাগ। ছোট শরিকদলগুলির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ইক্ষু শিল্প ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ (লোক জনশক্তি পার্টির হাতে), মাইনর ওয়াটার রিসোর্সেস (হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চার হাতে), এবং পঞ্চায়ত রাজ (রাষ্ট্রীয় লোক মঞ্চের হাতে) (Bihar)।

    বিজেপিই ‘দাদা’

    প্রসঙ্গত, নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) প্রথমবার বিহারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দায়িত্ব নেন ২০০৫ সালের নভেম্বর মাসে। এর পর থেকে প্রায় সব সময়ই এই গুরুত্বপূর্ণ দফতরটি তিনি রেখেছেন নিজের হাতে। একমাত্র ব্যতিক্রম ২০১৪ সালের মে থেকে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জেডিইউয়ের ভরাডুবির পর পদত্যাগ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হন হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চার জিতন মাঝি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই স্বরাষ্ট্র দফতর এবার বিজেপিকে দিয়ে দেওয়াটা একটি বড় বার্তা। এই বার্তায় স্পষ্ট, যে এই দল দু’টির মধ্যে আপাতত বিজেপিই ‘দাদা’। ২০২০ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপি এবং নীতীশের দল একসঙ্গে লড়েছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দল পেয়েছিল ৭৪টি আসন, আরজেডির চেয়ে মাত্র একটি কম। আর ২৮টি আসন খুইয়ে তৃতীয় স্থানে চলে গিয়েছিল জেডিইউ। তখনই গুঞ্জন শুরু হয়েছিল, বিজেপি কি এই সুযোগে মুখ্যমন্ত্রীর পদটি নীতীশের হাত থেকে কেড়ে নেবে? তা হয়নি। নীতীশ মুখ্যমন্ত্রীর পদ এবং স্বরাষ্ট্র দফতর দু’টিই রাখেন নিজের হাতে। তবে দুই উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ দেওয়া হয় বিজেপিকে (Bihar)। পাঁচ বছর পর এখন জেডিইউ ফের ঘুরে দাঁড়িয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসানো হয়েছে নীতীশকে (Nitish Kumar)।

    শুরু হয়ে গেল সলতে পাকানোর কাজ!

    বিহারে এনডিএ জোটের বৃহত্তর দল হল বিজেপি। তাই নীতীশের মন্ত্রিসভার প্রথম পদ্ম-প্রার্থী রয়েছেন ১৪ জন। আর জেডিইউয়ের আছে মাত্র ন’জন। বিহারের রাজনীতি সম্পর্কে যাঁরা সম্যক অবগত, তাঁরা জানেন, নীতীশ-উত্তর বিহার রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বিজেপি প্রস্তুত করছে সম্রাটকে। বছর সাতান্নর এই বিজেপি নেতা বর্তমানে উপমুখ্যমন্ত্রী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাঁকে প্রস্তুত করতেই তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের রাশ। বর্তমানে নীতীশের বয়স কমবেশি ৭৪। তাই নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা নিয়ে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে। সেই কারণেই শুরু হয়েছে সলতে পাকানোর কাজ, যার জেরে সম্রাটের হাতে তুলে দেওয়া হল স্বরাষ্ট্র দফতরের রাশ।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই পাটনার ঐতিহাসিক গান্ধী ময়দানে ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন নীতীশ। তিনি যদি তাঁর এই () মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেন, তাহলে আরও একটি রেকর্ড গড়বেন জেডিইউ সুপ্রিমো। তখন তিনিই হবেন ভারতের দীর্ঘতম-মেয়াদি মুখ্যমন্ত্রী, ভেঙে ফেলবেন সিকিমের পবন চামলিংয়ের রেকর্ডও (Nitish Kumar)।

  • Bihar Polls: বিহারে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিজেপি! মগধভূমে ফের সিংহাসনে বসতে চলেছেন নীতীশ

    Bihar Polls: বিহারে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিজেপি! মগধভূমে ফের সিংহাসনে বসতে চলেছেন নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণনা শুরু হতেই বিহারে (Bihar Polls) উঠল গেরুয়া ঝড়। প্রথম রাউন্ডেই আপাতত ১৩০ আসনে এগিয়ে এনডিএ, মহাগঠবন্ধন জোট এগিয়ে ৬৫ আসনে। একক দল হিসেবেও সবচেয়ে বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। বিজেপি সকাল ৯টা পর্যন্ত ৬৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। বিহারের ৪৬টি গণনাকেন্দ্রে চলছে ভোটগণনা। ২৪৩ আসনে লড়াই করা মোট ২,৬১৬ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজই। দুই দফায় ভোট গ্রহণ হয়েছে এবার বিহারে। সকাল ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। ২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার হল ১২২। বিহারের ভোট গণনার শুরুতেই এগিয়ে যাচ্ছে এনডিএ।

    কে কত আসনে এগিয়ে

    আজ, ১৪ নভেম্বর, শুক্রবার, ভোট গণনা এবং দুপুরের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে উঠবে কার দখলে পাটনার মসনদ। ইতিমধ্যে ভোট গণনা যা ইঙ্গিত দিচ্ছে, তাতে সরকার গড়তে চলেছে এনডিএ জোট। আগের বার ১২৫ আসনের থেকেও এবার অনেক বেশি আসন পেয়ে বিহারের (Bihar Polls) মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন নীতীশ কুমার। এনডিএ-র মধ্যে বিজেপি ৬৫টি ও জেডিইউ ৬৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। রাজ্যের ৩৮টি জেলায় মোট ৪৬টি ভোট গণনা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১২২ জন রিটার্নিং অফিসার ও অবসার্ভারের তরফ থেকে এই প্রথমবার বিহারের কোনও বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি ওঠেনি। আরজেডি থেকে বহিষ্কারের পর আলাদা দল করে নির্বাচনে লড়ছেন লালু প্রসাদ যাদবের বড় ছেলে তেজ প্রতাপ যাদব। গণনার শুরুতে সামান্য পিছিয়ে পড়লেও, ফের এগিয়ে গিয়েছেন তেজ প্রতাপ। রঘুপুর থেকে লড়ছেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। ভোট গণনার শুরুতে আপাতত এগিয়ে রয়েছেন তেজস্বী। মহাগঠবন্ধনে আরজেডি ৫৭টি আসনে এগিয়ে থাকলেও কংগ্রেস মাত্র ৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

    কীভাবে চলছে গণনা

    বিহারের (Bihar Polls) ভোট গণনা সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনা চলছে এবং ৯টা থেকে ইভিএম গণনা শুরু হয়েছে। ভোট গণনার সময়, প্রতিটি গণনা হলে ১৪+১ টেবিলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ১৪টি টেবিলে ইভিএমের গণনা চলছে, আর একটি টেবিল সহকারী নির্বাচনী অফিসার পরিচালনা করছেন। প্রতিটি টেবিলে একজন কাউন্টিং সুপারভাইজার, একজন কাউন্টিং সহকারী এবং একজন মাইক্রো ওভসারভার রয়েছেন। ভোট গণনার ফলাফলের অফিসিয়াল তথ্য নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেখা যাবে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে বিহারে প্রথম দফায় ভোট দিয়েছেন ৬৫.০৮ শতাংশ এবং দ্বিতীয় দফায় ভোট দিয়েছেন ৬৮.৭৬ শতাংশ। দু’দফা মিলিয়ে বিহারে মোট ভোটদানের হার ৬৬.৯১ শতাংশ। যা গতবারের তুলনায় ৯.৬২ শতাংশ বেশি। অতীতে কখনই এই হারে বিহারের মানুষ ভোট দেননি। এর আগে বিহারে সবথেকে বেশি ভোট পড়েছিল ২০০০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে, ৬২.৫৭ শতাংশ। ১৯৯৮ সালের লোকসভা ভোটে বিহারে ভোট দিয়েছিলেন ৬৪.৬০ শতাংশ ভোটার। ঐতিহ্য বজায় রেখে এবারেও বিহারে পুরুষদের অনুপাতে মহিলারা বেশি সংখ্যায় ভোট দিয়েছেন। প্রায় ৭১.৬ শতাংশ।

LinkedIn
Share