Tag: Jharkhand Politics

Jharkhand Politics

  • Hemant Soren: চাকরির আন্দোলনে টালমাটাল ঝাড়খণ্ড! জোটের অন্দরে বাড়ছে অস্বস্তি, হেমন্ত সরকারের উপর চাপ বাড়াচ্ছে কংগ্রেস?

    Hemant Soren: চাকরির আন্দোলনে টালমাটাল ঝাড়খণ্ড! জোটের অন্দরে বাড়ছে অস্বস্তি, হেমন্ত সরকারের উপর চাপ বাড়াচ্ছে কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি চাকরির আশায় দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হাজার হাজার যুবক-যুবতীর ক্ষোভ এখন রাজপথে। যত দিন গড়াচ্ছে রাঁচিতে ততই সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের দাবি আরও জোরালো হচ্ছে। ক্রমশ ঝাঁঝ বাড়ছে চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনের (Jharkhand Job Protest)। আর সেই আন্দোলনের রাজনৈতিক অভিঘাত এবার পড়তে শুরু করেছে ঝাড়খণ্ডের শাসক জোটের অন্দরেও। একদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রকে লাগাতার আক্রমণ করছে কংগ্রেস, অন্যদিকে ঝাড়খণ্ডে তাদেরই জোট সরকারের বিরুদ্ধে উঠেছে একই ধরনের অভিযোগ। ফলে অস্বস্তিতে পড়েছে কংগ্রেসও। আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই এবার মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) সঙ্গে বৈঠকে ঝাড়খণ্ড কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল।

    মুখ্যমন্ত্রী সোরেনের সঙ্গে বৈঠক

    চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনের (Jharkhand Job Protest) ঝাঁঝ বাড়ার সঙ্গেই বেড়েছে দলের অন্দরে ফাটলও। সূত্রের খবর, বুধবার মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) সঙ্গে বৈঠকে অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির ঝাড়খণ্ড দায়িত্বপ্রাপ্ত কে রাজুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ঝাড়খণ্ড রাজ্য সরকারের কংগ্রেসের মন্ত্রীরাও। কংগ্রেসের লক্ষ্য এখন আন্দোলনকারীদের ‘যৌক্তিক উদ্বেগ’ দ্রুত সমাধানের জন্য সরকারকে পদক্ষেপ করতে অনুরোধ করা। তাঁরা চাইছে ছাত্র-যুব সমাজের কাছে এই বার্তা পৌঁছাক যে চাকরিপ্রার্থীদের দাবিকে তারা গুরুত্ব দিচ্ছে।

    কী নিয়ে আন্দোলন?

    রাজধানী রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে অনির্দিষ্টকালের অবস্থান বিক্ষোভ (Jharkhand Job Protest) চালিয়ে যাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সরকারি নিয়োগ পরীক্ষাগুলিতে একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রথমে আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, ঘটনার তদন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে দিয়ে করানো হোক। তবে পরে তাঁরা সেই দাবি পরিবর্তন করে ঝাড়খণ্ডের বাইরের অবসরপ্রাপ্ত হাইকোর্টের বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটির মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

    কেন চাপে কংগ্রেস (Congress)?

    এই আন্দোলনের সময়টাই কংগ্রেসের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগকে সামনে রেখে গত কয়েক মাস ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী শিবির। দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র-যুবদের আন্দোলন, পুলিশের পদক্ষেপ এবং সেই ইস্যুতে সংসদে বিরোধীদের বিক্ষোভ- সব মিলিয়ে বিষয়টি জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ইস্যু ছিল। এমন পরিস্থিতিতে ঝাড়খণ্ডে নিজেদের জোট সরকারের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ উঠলেও যদি কংগ্রেস নীরব থাকে, তাহলে রাজনৈতিকভাবে বিরূপ বার্তা যেতে পারে বলে মনে করছে দলের নেতৃত্ব। সেই কারণেই জাতীয় নেতৃত্ব যুব কংগ্রেস ও ছাত্র সংগঠনের নেতাদেরও আন্দোলনস্থলে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দেখা করার নির্দেশ দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি। দলের এক শীর্ষ নেতার বক্তব্য, বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নিয়োগে স্বচ্ছতা এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে সরব। আগামী দিনেও তিনি এই ইস্যুতে ছাত্র-যুবদের সঙ্গে কর্মসূচি করবেন। তাই ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনকারীদের প্রতি সহানুভূতি না দেখালে দলের রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে পারে।

    নীরবতা ভেঙে আশ্বাস হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren)

    আন্দোলন শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মুখ খুললেন সেরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। তিনি জানান, “আন্দোলনকারীদের সব দাবি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে সব বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং উপযুক্ত সময়ে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।” সেই সিদ্ধান্তে আন্দোলনকারীরা আশ্বস্ত হবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)।

    আগেও ছিল জোটে টানাপোড়েন

    তবে, জোটের অন্দরে ফাটলের বর্তমান পরিস্থিতি হঠাৎ তৈরি হয়নি। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM) এবং কংগ্রেসের সম্পর্ক গত এক বছর ধরেই নানা কারণে চাপে রয়েছে। বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে আসন বণ্টন নিয়ে দুই দলের মধ্যে মতবিরোধ প্রকাশ্যে আসে। পরে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যসভা নির্বাচনেও প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়। জেএমএম চাইছিল জোটের দুই আসনেই তাদের প্রার্থী লড়ুক। কিন্তু কংগ্রেস আলাদা করে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে। শেষ পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও ক্রস ভোটিংয়ের কারণে কংগ্রেসের প্রার্থী পরাজিত হন। সেই ঘটনার পর থেকেই দুই শরিকের সম্পর্কে দূরত্ব বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।

    রাজনৈতিক গুরুত্ব 

    ঝাড়খণ্ডে সরকারি চাকরির বিষয়টি বরাবরই সংবেদনশীল। সেরাজ্যে বেকারত্ব, নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিলম্ব এবং পরীক্ষা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। তাই বর্তমান আন্দোলনকে শুধুমাত্র একটি নিয়োগ পরীক্ষার বিতর্ক হিসেবে দেখছে না রাজনৈতিক মহল। অনেকের মতে, এই আন্দোলন সরকারের স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক বিশ্বাসযোগ্যতা এবং শাসক জোটের ঐক্যেরও বড় পরীক্ষা। এখন দেখার, আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়? কারণ, এই ইস্যুতে সরকারের পদক্ষেপ শুধু চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নয়, ঝাড়খণ্ডের রাজনীতির সমীকরণেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

  • Jharkhand Politics: পদত্যাগ করছেন না হেমন্ত সোরেন! রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত জানাল ঝাড়খণ্ডের শাসকজোট

    Jharkhand Politics: পদত্যাগ করছেন না হেমন্ত সোরেন! রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত জানাল ঝাড়খণ্ডের শাসকজোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন না হেমন্ত সোরেন (Hemanta Soren)। বৃহস্পতিবার রাতে একথা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় ঝাড়খন্ডের (Jharkhand) শাসকজোট। খনি মামলার জেরে বর্তমানে রাজ্যের নেতৃত্বে থাকাই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে হেমন্ত সোরেনের। মুখ্যমন্ত্রী সহ ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা-কংগ্রেসের জোট সরকারকে একহাত নিয়েছে বিজেপি (BJP)। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের অফিস থেকে তথ্য ফাঁস করা হচ্ছে বলে রাজ্যপাল রমেশ বাইসকে চিঠি দিল ইউপিএ (UPA)। জোট সরকারকে অপদস্থ করার চেষ্টায় মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন ইউপিএ নেতারা।

    বৃহস্পতিবার বিকেল চারটে নাগাদ রাজ্যপাল রমেশ বাইসের সঙ্গে রাজভবনে গিয়ে দেখা করে ইউপিএ জোটের বিধায়কদের প্রতিনিধি দল। তবে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন  সেই দলে ছিলেন না বলেই খবর। কংগ্রেস ইতিমধ্যেই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, সোরেনের ইস্তফা দেওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। বৈঠকের পর রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি বান্ধু তিরকে  জানিয়েছেন, “মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দিচ্ছেন না। রাজ্যপাল আশ্বাস দিয়েছেন আর দু’দিনের মধ্যে পরিস্থিতি পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাঁর কাছে আমরা জানতে চেয়েছি কী করে কিছু বিশেষ তথ্য এভাবে ফাঁস হয়ে গেল। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর অফিস থেকে কোনও খবর বাইরে যায়নি।”

    আরও পড়ুন: নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে কাঠগড়ায় হেমন্ত সোরেন, বিধায়ক পদ খারিজের সুপারিশ

    প্রসঙ্গত, খনি দুর্নীতি মামলায় হেমন্ত সোরেনকে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট পেশ করার পর থেকেই তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে দুর্নীতিমুক্ত সরকারের দাবি জানায় বিজেপি। ৮১ সদস্যের ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় জেএমএম বিধায়ক ৩০ জন। এছাড়াও কংগ্রেসের ১৮ বিধায়ক ও একজন আরজেডি বিধায়ক রয়েছেন সরকারে। ইতিমধ্যেই বিজেপি দাবি করেছে, হেমন্ত সোরেনের উচিত নৈতিক দিক বিবেচনা করে নির্বাচনের দিকে যাওয়া। এখনই বিধানসভা ভেঙে ৮১টি কেন্দ্রেই নির্বাচন হোক। 

    অন্যদিকে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ঝাড়খণ্ডে পুরনো পেনশন স্কিম কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে ৫ সেপ্টেম্বর একদিনের জন্য বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডাকার কথা  ভাবা হয়েছে। সূত্রের খবর, হেমন্ত সোরেনের সরকার আস্থা ভোট আনার কথা ভাবছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Jharkhand Politics: সরকার বাঁচাতে জোটের বিধায়কদের নিয়ে অতিথিশালায় সোরেন, ফের কোথায় যাচ্ছেন জানেন?

    Jharkhand Politics: সরকার বাঁচাতে জোটের বিধায়কদের নিয়ে অতিথিশালায় সোরেন, ফের কোথায় যাচ্ছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের নামে কয়লা খনি (Coal Mine) লিজ দিয়ে নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করেছেন খোদ ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। বিজেপির (BJP) তরফে এই অভিযোগ ওঠায় মুখ্যমন্ত্রীর বিধায়ক পদ খারিজের জন্য রাজ্যপালের কাছে সুপারিশ করেছে নির্বাচন কমিশন। বিপদ আঁচ করে এবার জোট সরকারের বিধায়কদের নিয়ে ঝাড়খণ্ডের লাট্রাটু বাঁধ (Latratu Dam) এলাকার একটি অতিথিশালায় আশ্রয় নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং।

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ৮১। এর মধ্যে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার দখলে রয়েছে ৩০টি আসন। কংগ্রেসের দখলে ১৮টি। আর আরজেডির হাতে রয়েছে একটি আসন। কংগ্রেস এবং আরজেডিকে নিয়ে জোট গড়ে সরকার চালাচ্ছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। এদিকে, ওই বিধানসভায় বিজেপির বিধায়কের সংখ্যা ২৬।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিধায়ক পদ খারিজ হতে পারে আশঙ্কা করে শনিবার বিকেলে বৈঠকে বসেন জোট সরকারের বিধায়করা। তার পরেই তিনটি বাসে করে লাট্রাটু বাঁধের দিকে রওনা দেন তাঁরা। সূত্রের খবর, সেখানকার একটি অতিথিশালায় আশ্রয় নিয়েছেন বিধায়করা। নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার জেরে মাছি গলারও জো নেই সেখানে। কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর, জোট সরকারের বিধায়কদের পশ্চিমবঙ্গ কিংবা ছত্তিশগড় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। এজন্য ছত্তিশগড়ের বারমুডা ও রায়পুর এবং বাংলার কয়েকটি জায়গাও চিহ্নিত করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে কাঠগড়ায় হেমন্ত সোরেন, বিধায়ক পদ খারিজের সুপারিশ

    এক ট্যুইট বার্তায় এদিন কেন্দ্রকে একহাত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। তিনি লিখেছেন, কেন্দ্র কতটা বিদ্বেষপূর্ণ আচরণ করতে পারে, তাতে কিছু যায় আসে না। আমি উপজাতি সন্তান। আমি ঝাড়খণ্ডের ভূমিপুত্র। আমরা ভয় পাই না, লড়াই করি। হেমন্ত বলেন, রাজনৈতিকভাবে আমাদের সঙ্গে এঁটে উঠতে না পেরে আমাদের বিরোধীরা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ব্যবহার করছে।আমাদের সরকারের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে তারা ইডি, সিবিআই, লোকপাল এবং আয়কর দফতরকে ব্যবহার করছে। এতে আমরা উদ্বিগ্ন নই। বিরোধীরা নয়, আমাদের ক্ষমতায় এনেছে জনগণ।

    মহারাষ্ট্রে বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার চালাতে চাইছিলেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে তাতে রাজি না হওয়ায় অনুগত বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে উড়ে গিয়েছিলেন প্রথম গুজরাট ও পরে বিজেপি শাসিত আর এক রাজ্য আসামে। সেখানকার একটি নামকরা হোটেলে ছিলেন তাঁরা। এবার সরকার বাঁচাতে জোট সরকারের বিধায়কদের নিয়ে রিসর্টে আশ্রয় নিলেন হেমন্ত সোরেন।

    রিসর্ট সংস্কৃতি এসেছে ফিরিয়া!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share