Tag: jihad

jihad

  • NIA: পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনে হামাস-যোগ! কী বলছেন এনআইএর তদন্তকারীরা?

    NIA: পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনে হামাস-যোগ! কী বলছেন এনআইএর তদন্তকারীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনের তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ (NIA)। ইতিমধ্যেই তারা চার্জশিটও জমা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের সঙ্গে লস্কর-ই-তইবা (LeT), দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF), জইশ-ই-মহম্মদ (JeM), আল-কায়েদা (Al-Qaeda) ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠী, হামাস (Hamas) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের সম্ভাব্য সম্পর্ক (Pahalgam Terror Attack Case) নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এনআইএ।

    খতিয়ে দেখা হচ্ছে হামাস যোগ (NIA)

    চার্জশিটে প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের উল্লেখ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।  কারণ এই প্রথম পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে সম্ভাব্য কার্যকরী সম্পর্কের তদন্তে এনআইএ এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে হামাসের নাম উল্লেখ করেছে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত একটি মামলায়।তদন্তকারীরা জানান, তদন্তের এই অংশটি (হামাস যোগ) আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত সংগঠনগুলির সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য সম্পর্কের প্রকৃতি, পরিসর ও ব্যাপ্তি নির্ধারণের চেষ্টাও চলছে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলি জম্মু-কাশ্মীরে ঘটে যাওয়া কোনও জঙ্গি কার্যকলাপে কোনও রকমের সাহায্য, সমর্থন বা প্রভাব বিস্তার করেছে কি না।

    যেসব তথ্য খতিয়ে দেখছে এনআইএ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তদন্ত বৃহত্তর একটি চেষ্টার অংশ, যার উদ্দেশ্যই হল অভিযুক্ত সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ চিহ্নিত করা এবং সীমান্তপারের জঙ্গি নেটওয়ার্ক কীভাবে পরিবর্তিত ও বিকশিত হচ্ছে, তা বোঝা। এটা করতে গিয়েই এনআইএ একাধিক সূত্র অনুসরণ করছে (NIA)। এর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল প্রমাণ, আর্থিক লেনদেন এবং সীমান্তপারের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। এই সব তথ্য সম্ভাব্য সংযোগগুলির ব্যাপ্তি নির্ধারণে সাহায্য করতে পারে। পহেলগাঁও হামলার পর গোয়েন্দা মূল্যায়নের প্রেক্ষাপটে এনআইএ এই নয়া দিকটিতেই বেশি করে নজর দিচ্ছে। সূত্রের খবর, ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সম্প্রতি হামাস এবং পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন, যেমন লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-ই-মহম্মদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রমাণ পেয়েছে।

    হামাসের আক্রমণের সঙ্গে মিল!

    এই পরিস্থিতিতে তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ওই সংগঠনগুলির মধ্যে কোনও ধরনের সহযোগিতা, সমন্বয় বা কৌশল শেয়ার করা হয়েছিল কি না। শুধু তা-ই নয়, নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এও জানার চেষ্টা করছে, পহেলগাঁও হামলায় হামাস-স্টাইলের কোনও কৌশলগত বৈশিষ্ট্য ছিল কি না। জানা গিয়েছে, ওই হামলার পরিকল্পনা, টার্গেট ঠিক করা, এবং তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু মিল দেখা গিয়েছে (Pahalgam Terror Attack Case)। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ওপর হামাসের আক্রমণের সঙ্গেও এর তুলনা করা হয়েছে (NIA)। যদিও এসব সাদৃশ্য সম্পর্কে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। তদন্তকারীরা বৃহত্তর তদন্তের অংশ হিসেবে সব উপলব্ধ প্রমাণ মূল্যায়ন করে চলেছেন।

    এনআইএর চার্জশিট

    এনআইএর চার্জশিটে স্পষ্ট করা হয়েছে, সম্ভাব্য হামাস-যোগ প্রতিষ্ঠা করা এখনও তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয়। আধিকারিকদের মতে, এই তদন্তের ফল পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি সংগঠন এবং আন্তর্জাতিক জেহাদি সংগঠনগুলির মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য দিতে পারে (Pahalgam Terror Attack Case)। কারণ এনআইএ পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে থাকা বৃহত্তর নেটওয়ার্কের পর্দা ফাঁস করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে (NIA)।

     

  • ISIS Radicalisation: ফের ‘হোয়াইট-কলার মডিউল’! আইসিস-যোগের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশে গ্রেফতার ডাক্তারি পড়ুয়া

    ISIS Radicalisation: ফের ‘হোয়াইট-কলার মডিউল’! আইসিস-যোগের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশে গ্রেফতার ডাক্তারি পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আইএসআইএসের (ISIS) সঙ্গে যুক্ত একটি মডিউলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে গ্রেফতার ডাক্তারির ছাত্র। উত্তরপ্রদেশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) গ্রেফতার করে তাকে।  সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সে যুবকদের উগ্রপন্থায় প্ররোচিত করার চেষ্টা করছিল বলেও অভিযোগ।  অভিযুক্ত তরুণ  বিডিএসের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

    গ্রেফতার হরিশ আলি (ISIS Radicalisation)

    অভিযুক্তের পড়ুয়ার বয়স ১৯ বছর। নাম হরিশ আলি। সে সাহারানপুর জেলার বাসিন্দা। তাকে গ্রেফতার করা হয় মোরাদাবাদ থেকে। কর্তৃপক্ষের মতে, কিছুদিন ধরেই গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছিল উত্তরপ্রদেশ-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু ব্যক্তি আইএসআইএসের একটি মডিউলের সঙ্গে যুক্ত। এই নেটওয়ার্কের পরিচালনাকারীরা জেহাদি মতাদর্শ প্রচার করে। ওই তরুণরা ভারতে-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শরিয়াভিত্তিক খিলাফত প্রতিষ্ঠার পক্ষে প্রচার চালিয়ে মানুষকে উগ্রপন্থায় প্ররোচিত করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন পাকিস্তানে রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মও তৈরি করেছিল

    তদন্তকারীদের মতে, হরিশ ও তার সহযোগীরা ইনস্টাগ্রাম-সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ যেমন সেশন (Session) ও ডিসকর্ড (Discord)-এ গ্রুপ তৈরি করেছিল। এই প্ল্যাটফর্মগুলির মাধ্যমে তারা আইএসআইএসের প্রচারমূলক সামগ্রী, মতাদর্শভিত্তিক বিষয়বস্তু এবং অপারেশনাল নির্দেশাবলী ছড়িয়ে দিত। এর পাশাপাশি নতুন সদস্য সংগ্রহ এবং ভারতে সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টাও করত। এটিএস জানিয়েছে, হরিশ ‘এআই ইত্তিহাদ মিডিয়া ফাউন্ডেশন’ নামে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মও তৈরি করেছিল। এর মাধ্যমে উসকানিমূলক ভিডিও, পোস্ট এবং আইএসআইএস-সংক্রান্ত জঙ্গি কার্যকলাপের বিষয়বস্তু প্রচার করা হত। আধিকারিকরা আরও জানান, হরিশ আলি নিয়মিত আইএসআইএস-সংক্রান্ত মিডিয়া চ্যানেল যেমন এআই নব (Al Naba) অনুসরণ করত এবং সংগঠনের প্রচার ম্যাগাজিন ডাবিক (Dabiq) পড়ত।

    শরিয়াভিত্তিক আইন ও খিলাফতধর্মী শাসনব্যবস্থার সমর্থক

    জিজ্ঞাসাবাদে হরিশ স্বীকার করেছে, সে ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে না। সে শরিয়াভিত্তিক আইন ও খিলাফতধর্মী শাসনব্যবস্থার সমর্থক। আধিকারিকরা জানান, সে একাধিক ভুয়ো নাম এবং ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) ব্যবহার করে নিজের পরিচয় গোপন রাখত এবং একাধিক অনলাইন অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করত। এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে সে নিহত আইএসআইএস জঙ্গিদের ছবি, ভিডিও এবং অডিও ক্লিপ এবং সন্ত্রাসবাদের গুণগান গাওয়া প্রভাবশালী মতাদর্শীদের বক্তৃতা শেয়ার করত বলে অভিযোগ। এটিএস জানিয়েছে, মামলাটি লখনউতে দায়ের করার আগে ব্যাপক শারীরিক ও ইলেকট্রনিক নজরদারি চালানো হয়েছিল। তার পরেই শুরু হয় বিস্তারিত তদন্ত।

    তদন্তকারীরা এখন এই সন্দেহভাজন নেটওয়ার্কের অন্য সদস্যদের খোঁজ করার চেষ্টা করছেন। কারণ হরিশ আলির গ্রেফতারের পর তার কয়েকজন সঙ্গী আত্মগোপন করেছে বলেও অনুমান। এদিকে, স্থানীয় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলি মোরাদাবাদে তার যোগাযোগগুলিও খতিয়ে দেখছে। তার স্থানীয় কোনও সহযোগী ছিল কি না, তা জানতেও শুরু হয়েছে তদন্ত।

  • Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের (Pakistan)! শেষমেশ ধরে ফেলল আমেরিকার (US) ‘চাল’। এবং পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে তা স্বীকারও করে নিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন আমাদের কৌশলগত স্বার্থে ইসলামাবাদকে ব্যবহার করেছে এবং পরে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।”

    কী বললেন আসিফ? (Pakistan)

    পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসিফ বলেন, “১৯৯৯ সালের পর বিশেষ করে আফগানিস্তান ইস্যুতে আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার প্রচেষ্টা ছিল একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত, যার পরিণতি পাকিস্তান (Pakistan) আজও বহু দশক পর বহন করে চলেছে।” দীর্ঘদিনের সরকারি বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসিফ দাবি করেন, “আফগানিস্তান সংঘাতে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ ধর্মীয় দায়িত্ববোধ থেকে পরিচালিত হয়েছিল—এই বক্তব্য ঠিক নয়।” তিনি কবুল করেন, “জেহাদের ব্যানারে পাকিস্তানিদের সংগঠিত করে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল।” এই সিদ্ধান্তকে তিনি বিভ্রান্তিকর ও ধ্বংসাত্মক আখ্যা দেন।

    যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাও পুনর্গঠন

    আসিফ বলেন, “এমনকি এসব যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাকেও পুনর্গঠন করা হয়েছিল এবং সেই মতাদর্শগত পরিবর্তনের অনেকাংশ আজও রয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “আটের দশকে আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধ মূলত (Pakistan) আমেরিকার ভূরাজনৈতিক স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল, কোনও প্রকৃত ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার কারণে নয়।” তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতিতে ‘জেহাদ’ ঘোষণার কোনও যৌক্তিকতাও ছিল না। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে, পাকিস্তানের নিজস্ব নয় এমন সংঘাতে অংশগ্রহণ দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা ও সামাজিক ক্ষতির জন্ম দিয়েছে, যার প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব (US) হয়নি। আসিফ বলেন, “বিশেষ করে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ১৯৯৯-পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় ঘনিষ্ঠতা স্থাপনের মূল্য ছিল ভয়াবহ।” তিনি প্রয়াত সামরিক শাসক জিয়াউল হক ও পারভেজ মুশারফের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তাঁরা পাকিস্তানকে বহিরাগত যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছিলেন, যার ফল দেশকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করতে হয়েছে, এমনকি মিত্ররা সরে যাওয়ার পরেও।

    টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপ!

    এর পরেই আসিফ আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন, “পাকিস্তানকে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, প্রয়োজন ফুরোলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।” ২০০১ এর পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গে আশিফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ সমর্থন করতে পাকিস্তান (Pakistan) তালিবানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন সরে গেলেও, পাকিস্তান হিংসা, উগ্রবাদ ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে নিমজ্জিত অবস্থায় থেকে যায়।” তিনি বলেন, “আমরা যে ক্ষতির শিকার হয়েছি, তার কোনও ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়।” তিনি এসব সিদ্ধান্তকে অপরিবর্তনীয় ভুল হিসেবে (US) উল্লেখ করেন, যা পাকিস্তানকে অন্যদের পরিচালিত সংঘাতে একটি ‘ঘুঁটি’তে পরিণত করেছে (Pakistan)।

     

  • Bangladesh Election: ভোটের প্রাক্কালে বাংলাদেশ জামায়াতের বিরুদ্ধে ‘জেহাদ’ ঘোষণা হেফাজতে ইসলামের

    Bangladesh Election: ভোটের প্রাক্কালে বাংলাদেশ জামায়াতের বিরুদ্ধে ‘জেহাদ’ ঘোষণা হেফাজতে ইসলামের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। এর মাত্র কয়েক দিন আগে দেশটির ইসলামপন্থী সংগঠন (Bangladesh Election) হেফাজত-ই-ইসলাম সেই দেশটির প্রধান ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা (Jihad) করেছে। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী জামায়াতের বিরুদ্ধে ‘জেহাদ’ ঘোষণা করে বলেন, “মুসলমানদের জন্য জামায়াতে-ই-ইসলামিতে ভোট দেওয়া হারাম (ধর্মীয়ভাবে নিষিদ্ধ)।”

    হেফাজতে-ই-ইসলামের বক্তব্য (Bangladesh Election)

    চট্টগ্রাম শহরে বিএনপির এক প্রার্থীকে সমর্থন করে হেফাজতে-ই-ইসলাম বাংলাদেশের প্রধান আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, “আমার কাছে এটি কোনও নির্বাচন নয়। এটি জামায়াতের বিরুদ্ধে একটি জেহাদ।” তিনি জানান, শফিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে হেফাজতের মৌলিক আদর্শগত ও মতবাদগত পার্থক্য রয়েছে এবং জামায়াত ইসলামের অপব্যাখ্যা দিচ্ছে। বাবুনগরীর ভাষায়, “এই ভ্রান্ত শক্তির উত্থান ঠেকাতেই আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “সব মুসলমানের জন্য জামায়াতে ইসলামিতে ভোট দেওয়া হারাম এবং কোনওভাবেই তা বৈধ নয়। জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে আমাদের মৌলিক ও মতবাদগত পার্থক্য রয়েছে। তারা ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা দেয় না। তাই এই ভ্রান্ত শক্তির উত্থান ঠেকাতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে।” বিভিন্ন সমীক্ষায় ইঙ্গিত মিলেছে, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামি আগের যে কোনও সময়ের তুলনায় শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। দলটি বর্তমানে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিএনপি হেফাজতের সঙ্গে যোগাযোগ

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত বাংলাদেশের একটি পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি হেফাজতের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পর্ক জোরদার করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল, আগে জামায়াতকে অন্তর্ভুক্ত করা জোটে আপত্তি না থাকলেও হেফাজত এখন জামায়াতের বিরোধিতা শুরু করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু নতুন সরকার গঠনের জন্য ভোটই নয়, একই সঙ্গে জনগণ ‘জুলাই চার্টার’ অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যানের বিষয়েও ভোট দেবেন। ইসলামপন্থীদের সমর্থিত মহম্মদ ইউনূস সরকার দাবি করেছে, এই চার্টার ‘নতুন বাংলাদেশের জন্মে’র সঙ্গে (Bangladesh Election) যুক্ত।

    কেন জেহাদ

    প্রশ্ন হল, কেন হেফাজতে ইসলাম জামায়াতে ইসলামির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছে? হেফাজতের আমির বাবুনগরীর এই বক্তব্য আসে কয়েক মাস আগে জামায়াতকে ‘ভণ্ড ইসলামি দল’ আখ্যা দেওয়ার পর (Jihad)। ২০২৫ সালের অগাস্টে বাবুনগরী বলেছিলেন, “জামায়াতে ইসলামি একটি ভণ্ড ইসলামি দল। এটি খাঁটি নয়। শুধু আমি নই, আমাদের শ্রদ্ধেয় আলেমরাও এ কথা বলেছেন। জামায়াত মওদুদীর ইসলাম অনুসরণ করে, আর আমরা মদিনার ইসলাম অনুসরণ করি। মওদুদীর ইসলাম অনুসরণ করলে ইমান (সম্মান) ঝুঁকির মুখে পড়ে।” জামায়াতে ইসলামি আবুল আলা মওদুদীর রাজনৈতিক-আদর্শিক ইসলামের ব্যাখ্যা অনুসরণ করে, যেখানে ইসলামকে একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রব্যবস্থা হিসেবে দেখা হয় এবং ধর্ম ও রাজনীতিকে অবিচ্ছেদ্য ধরা হয়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জামায়াত বাবুনগরীর বক্তব্যকে ‘মনগড়া’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করে। ‘মদিনার ইসলাম’ নৈতিক সংস্কার, সামাজিক ঐকমত্য, বহুত্ববাদী সহাবস্থান এবং প্রফেটিক নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা, যেখানে শাসনব্যবস্থা কোনও দলীয় মতবাদের মাধ্যমে নয়, বরং সামাজিক চুক্তি ও নৈতিক নেতৃত্বের মাধ্যমে বিকশিত হয়, যেমন মদিনা সনদ। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশভিত্তিক একটি সুন্নি দেওবন্দি ইসলামপন্থী সংগঠন। ২০১০ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক এবং চট্টগ্রামের আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় এর সদর দফতর (Bangladesh Election)।

    অরাজনৈতিক সংগঠন বলে দাবি

    নিজেদের অরাজনৈতিক সংগঠন বলে দাবি করলেও, ১৩ দফা দাবি নিয়ে ব্যাপক গণআন্দোলনের মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের আইন ও সমাজব্যবস্থাকে ‘ইসলামিকরণে’র জন্য রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের এক মাসের মধ্যেই ইউনূস হেফাজতের নেতা মামুনুল হক ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে ঢাকায় বৈঠক করেন। হাসিনা সরকারের শেষ দিকেও ভোটব্যাঙ্ক বাড়াতে হেফাজতকে কাছে টানার চেষ্টা চলছিল। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে ভারতের সহকারী হাইকমিশনে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ১২ জনকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় ঢুকে পড়েন হেফাজতের নেতা মুফতি হারুন বিন ইজহার (Jihad)। পরে পুলিশ ওই ব্যক্তিদের মুক্তি দেয়। ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সঙ্গীত ও শারীরশিক্ষা শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনাকে হেফাজত-সহ ইসলামপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘অ-ইসলামিক’ বলে আখ্যা দেয় এবং ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ না হলে পথে নামার হুমকিও দেয়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে হেফাজতের এক কর্মী হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ও তাঁর শতাধিক অনুগামীর বিরুদ্ধে মামলা করে এবং বাংলাদেশে অবস্থিত ইসকনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দাবি করে (Bangladesh Election)।

    দেশব্যাপী বনধ্

    ২০২১ সালের মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের সময় হেফাজত দেশব্যাপী বনধ ডাকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে হামলায় অন্তত ১০ জন জখম হন। অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিল এবং সিএএ কার্যকরের পর হেফাজত ভারতকে ‘উম্মাহর অস্তিত্বের জন্য হুমকি’ হিসেবে তুলে ধরে একাধিক সমাবেশ করে (Jihad)। সব মিলিয়ে ইসলামপন্থী শক্তিগুলির পারস্পরিক দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন কার্যত ‘কে প্রকৃত ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করে’—এই প্রশ্নের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। হেফাজত-জামায়তে বিভাজন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইসলামের গভীর আদর্শগত ফাটলকে স্পষ্ট করে তুলেছে (Bangladesh Election)।

     

  • LET Commander: “হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে”! পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে হুমকি লস্কর কমান্ডারের

    LET Commander: “হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে”! পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে হুমকি লস্কর কমান্ডারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া জঙ্গি হুমকি এল পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর (PoJK) থেকে। একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ জঙ্গি আবু মুসা কাশ্মিরি প্রকাশ্যে জেহাদ (Jihad) ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসার আহ্বান জানাচ্ছে (LET Commander)। ভিডিওটি তোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি কোনও অঞ্চল থেকে। এই ঘটনা এমন একটা সময়ে সামনে এল, যখন তার ঠিক এক দিন আগেই ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী জঙ্গি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

    হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে (LET Commander)

    ওপেন-সোর্স গোয়েন্দা প্ল্যাটফর্ম ওসিন্টটিভি শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, লস্কর-ই-তৈবার জম্মু ও কাশ্মীর ইউনাইটেড মুজাহিদিন (JKUM)-এর সিনিয়র কমান্ডার আবু মুসা কাশ্মিরি পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের রাওয়ালকোট জেলার হাজিরা তহসিলের তাত্রিনোট এলাকায় এক সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছে। সেখানে সে প্রকাশ্যে হিংসার ডাক দেয় এবং দাবি করে যে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান একমাত্র জেহাদের মাধ্যমেই সম্ভব। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “ভিক্ষা করে স্বাধীনতা পাওয়া যাবে না। হিন্দুদের গলা কেটে তবেই স্বাধীনতা আসবে।” সে আরও দাবি করে, এই একই বার্তা সে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য শীর্ষ মন্ত্রীদের কাছেও পৌঁছে দিয়েছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’

    কাশ্মিরি এও বলে, “জেহাদের নামে সন্ত্রাস চালিয়েই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভব।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে জেহাদি হিংসায় পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ আদর্শিক ও রাজনৈতিক মদতের বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কাশ্মিরির এই ভাষণের সময়টিও বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার ঠিক আগেও সে একই ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিল। ওই হামলায় গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয় (LET Commander)।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার এক দিন আগেই ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী চলতি বছরের প্রথম ব্রিফিংয়ে ভারতের সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’কে মাত্র একটি ট্রেলার বলে উল্লেখ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতের যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত (Jihad)।”

    সেনাপ্রধানের বক্তব্য

    নয়াদিল্লিতে চাণক্য ডিফেন্স ডায়ালগসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে দ্বিবেদী জানান, ৮৮ ঘণ্টার এই অভিযান ভারতের দ্রুত ও কার্যকর জবাব দেওয়ার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। সেনাপ্রধান আবারও স্পষ্ট করে দেন, সন্ত্রাসবাদের পাশাপাশি একই সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদী এবং তাদের মদতদাতাদের একইভাবে মোকাবিলা করা হবে (LET Commander)।” তিনি আরও জানান, ভারতের অগ্রগতিতে বাধা দেওয়ার যে কোনও চেষ্টার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বাইরের কোনও চাপ ভারতকে দমাতে পারবে না।

    অপারেশন সিঁদুরের শিক্ষা

    অপারেশন সিঁদুর থেকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরেন দ্বিবেদী- সব স্তরে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজন, সেনা, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে আরও দৃঢ় সমন্বয়, এবং দীর্ঘমেয়াদি সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি। যদিও অপারেশন সিঁদুর স্থায়ী হয়েছিল মাত্র ৮৮ ঘণ্টা। তবে ভবিষ্যতে এই ধরনের সংঘর্ষ কয়েক মাস বা এমনকি কয়েক বছরও চলতে পারে বলে তিনি সতর্ক করে দেন। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। এর পরেই ৭ মে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করে, যার আওতায় পাকিস্তান ও পাক- অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের জঙ্গি পরিকাঠামো এবং বিমানঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়। পরে পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (DGMO) আলোচনার উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় (Jihad)। তবে নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে জানায়, এই অভিযান স্থগিত হয়েছে, শেষ হয়নি (LET Commander)।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে যে কোনও জঙ্গি হামলাকে যুদ্ধের সমতুল্য বলে গণ্য করা হবে। এছাড়াও সেনাপ্রধান জানান, ২০১৯ সালের অগাস্টে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তাঁর মতে, রাজনৈতিক স্পষ্টতা এবং ধারাবাহিক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের ফলেই এই উন্নতি সম্ভব হয়েছে (LET Commander)।

LinkedIn
Share