Tag: JKLF

JKLF

  • JK SIA: ফের শুরু ১৯৯৮-এর কাশ্মিরী পণ্ডিতদের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত, নজরে টিকালাল টাপলু-বিচারপতি গঞ্জুর খুন

    JK SIA: ফের শুরু ১৯৯৮-এর কাশ্মিরী পণ্ডিতদের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত, নজরে টিকালাল টাপলু-বিচারপতি গঞ্জুর খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৯৮ সালের ওয়ান্ধামা হত্যাকাণ্ডের (Wandhama Massacre) তদন্ত ফের শুরু করেছে জম্মু-কাশ্মীর (JK SIA) রাজ্য তদন্তকারী সংস্থা। ওই হত্যাকাণ্ডে ২৩ জন কাশ্মীরি পণ্ডিত নিহত হয়েছিলেন। উপত্যকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসবাদের তুঙ্গপর্বে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের লক্ষ্য করে চালানো একাধিক হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত মামলার তদন্ত নতুন করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।

    সূত্রের খবর, কাশ্মীরি পণ্ডিত নেতা টিকালাল টাপলু এবং বিচারপতি নীলকণ্ঠ গঞ্জুর হত্যার মামলার তদন্তও জোরদার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে কাশ্মীরি পণ্ডিত নার্স সরলা ভাট এবং লেখক সর্বানন্দ কৌল প্রেমী ও তাঁর ছেলে বীরেন্দ্র কৌলের হত্যার মামলাও নতুন করে খোলা হয়েছিল।

    ওয়ান্ধামা হত্যাকাণ্ড ও টাপলুর হত্যার ঘটনায় কয়েক দিন আগে কাশ্মীর উপত্যকার একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তকারীরা এখন হামলায় জড়িত জঙ্গি এবং তাঁদের সহযোগীদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি প্রত্যেকের ভূমিকা নির্ধারণের চেষ্টা করছেন।

    ওয়ান্ধামায় নিহত ২৩ কাশ্মীরি পণ্ডিত (JK SIA)

    ১৯৯৮ সালের ২৫ জানুয়ারি গান্দেরবল জেলার ওয়ান্ধামা গ্রামের কাশ্মীরি পণ্ডিত পরিবারগুলির বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায় ভারী অস্ত্রে সজ্জিত জঙ্গিরা। হামলায় ২৩ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ৯ জন মহিলা এবং ৪ জন শিশুও।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন এবং রমজান মাসের অন্যতম পবিত্র রাত শবে কদরের সময় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মামলাটির নিষ্পত্তি হয়নি (JK SIA)।

    নতুন করে তদন্ত শুরু করার ঘটনাটি উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদের সময়কালের বহু বছর ধরে অমীমাংসিত থাকা মামলাগুলির পুনর্তদন্তের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পুরনো হত্যাকাণ্ডের একাধিক মামলায় সাম্প্রতিক সময়ে তৎপরতা বেড়েছে তদন্তকারী সংস্থার।

    জুন মাসে সরলা ভাট হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৭৩৭ পাতার অভিযোগপত্র পেশ করে ওই সংস্থা। ১৯৯০ সালের ওই হত্যাকাণ্ডে জেলবন্দি জম্মু-কাশ্মীর মুক্তি ফ্রন্টের প্রধান ইয়াসিন মালিককে মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে (Wandhama Massacre)।

    এর পর অগাস্ট মাসে কাশ্মীরি পণ্ডিত লেখক সর্বানন্দ কৌল প্রেমী ও তাঁর ছেলে বীরেন্দ্র কৌলের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জম্মু-কাশ্মীরের ন’টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়।

    টিকালাল টাপলু ও বিচারপতি গঞ্জুর মামলায়ও নজর

    কাশ্মীরের বিশিষ্ট আইনজীবী এবং তৎকালীন জম্মু-কাশ্মীর বিজেপির সহ-সভাপতি টিকালাল টাপলুকে ১৯৮৯ সালের সেপ্টেম্বরে শ্রীনগরে তাঁর বাড়ির কাছে গুলি করে হত্যা করা হয়। উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদের উত্থানের সময় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের লক্ষ্য করে চালানো প্রথম দিকের একাধিক হত্যাকাণ্ডের মধ্যে টাপলুর হত্যাও ছিল অন্যতম (JK SIA)।

    বিচারপতি নীলকণ্ঠ গঞ্জুর হত্যাকাণ্ডের তদন্তও নতুন করে জোরদার করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর মুক্তি ফ্রন্টের জঙ্গি মকবুল ভাটকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারপতি গঞ্জু।

    ১৯৮৯ সালের ৪ নভেম্বর শ্রীনগরের হরি সিং স্ট্রিটে সন্দেহভাজন জম্মু-কাশ্মীর মুক্তি ফ্রন্টের জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হন বিচারপতি গঞ্জু। তার আগে তাঁর বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছিল।

    কয়েক দশকের পুরনো মামলায় ফের তৎপরতা

    আটের দশকের শেষ এবং নয়ের দশকের সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত অমীমাংসিত মামলাগুলিকে ফের তদন্তের আওতায় আনার বৃহত্তর উদ্যোগের মধ্যেই এই পদক্ষেপ। সরলা ভাট এবং সর্বানন্দ কৌল প্রেমীর হত্যার মামলায় সাম্প্রতিক তদন্ত ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখিয়েছে। একটি মামলায় অভিযোগপত্র পেশের পাশাপাশি একাধিক জায়গায় তল্লাশিও চালানো হয়েছে। আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা কয়েক দশকের পুরনো একাধিক মামলার সূত্র খতিয়ে দেখছে। জীবিত অভিযুক্ত, জঙ্গি এবং তাঁদের সহযোগীদের শনাক্ত করতে সন্ধান করা হচ্ছে (Wandhama Massacre) নতুন সূত্রের।

    ফলে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হত্যার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত মামলা ফের সক্রিয় তদন্তের আওতায় এল। ওয়ান্ধামা হত্যাকাণ্ড, টিকালাল টাপলু ও বিচারপতি নীলকণ্ঠ গঞ্জুর হত্যার পুনর্তদন্ত সেই প্রক্রিয়াকেই আরও বিস্তৃত করল (JK SIA) বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

     

  • Yasin Malik: ইয়াসিন মালিকের যাবজ্জীবন সাজা, কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদের কফিনে শেষ পেরেক?

    Yasin Malik: ইয়াসিন মালিকের যাবজ্জীবন সাজা, কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদের কফিনে শেষ পেরেক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের (JKLF) নেতা ইয়াসিন মালিককে (Yasin malik) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করল আদালত। সন্ত্রাসবাদে (terrorism) অর্থ দিয়ে সাহায্য এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে (separatist movement) মদত দেওয়ার দায়ে তাকে ওই সাজা দিয়েছে পাতিয়ালার বিশেষ এনআইএ (NIA) আদালত। ১৯ মে দোষী সাব্যস্ত করা হয় মালিককে। সাজা ঘোষণা হয় বুধবার। ইয়াসিনের কারাদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) বিচ্ছিন্নবাদী আন্দোলনে কফিনে শেষ পেরেক পোঁতা হল বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

    আরও পড়ুন : কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিকের যাবজ্জীবন, কী কী অভিযোগ ছিল?

    ভূস্বর্গে অশান্তির সূত্রপাত নয়ের দশকে। একের পর এক জঙ্গি হানায় রক্তাক্ত হয়ে ওঠে কাশ্মীর (Kashmir)। চরম অত্যাচার করে, নৃশংসভাবে হিন্দু পণ্ডিতদের খুন করে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয় কাশ্মীর জুড়ে। তার পরেই প্রাণ বাঁচাতে উপত্যকা ছাড়তে শুরু করেন পণ্ডিত সম্প্রদায়ের লোকজন। শিখ সহ উপত্যকায় অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনও কাশ্মীর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন।

    অশান্ত কাশ্মীরকে শান্ত করতে কোমর কষে নামে নরেন্দ্র মোদির (Modi) সরকার। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে (2019 General elections) দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরেই কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই মতো কাশ্মীর থেকে লুপ্ত হয় ৩৭০ ধারা (Article 370)। তার পরেই ধীরে ধীরে শান্ত হতে থাকে অশান্ত কাশ্মীর।

    কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে ইতি টানতে বিজেপি সরকারের উদ্যোগে সাফল্যও মেলে। উপত্যকায় বন্ধ হয়ে যায় নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া (stone pelting)। হ্রাস পায় জঙ্গি কার্যকলাপও (terrorist activities)। গত বছর বিচ্ছিন্নবাদী নেতা আশরাফ সেহরাই এবং সৈয়দ আলি শাহ গিলানির মৃত্যু হয়। তার পর বিচ্ছন্নতাবাদী আন্দোলনে ভাঁটা পড়ে। আরও এক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন মালিকের জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে ঠাঁই হওয়ায়, উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে অক্সিজেন জোগানোর আর কেউ রইল না বলেই ধারণা পর্যবেক্ষকদের।

    আরও পড়ুন : গণতন্ত্র রক্ষায় মোদির অবদান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাইডেন

    এদিন মালিককে যখন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল কাশ্মীরের মইসুমা এলাকায়, যেখানে ইয়াসিনের পৈত্রিক ভিটে। সাজা ঘোষণার সময় কিছুক্ষণের জন্য এলাকার পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। প্রতিবেশী মহিলারা মালিকের বাড়িতে জড়ো হন। প্রতিবাদ স্বরূপ মুখ ঢেকে ফেলেন স্কার্ফ দিয়ে। কাশ্মীরি গান গেয়ে শোক প্রকাশও করতে দেখা যায় তাঁদের। 

     

  • Yasin Malik: “কাশ্মীরে নাশকতা কার্যকলাপে জড়িত”, আদালতে স্বীকারোক্তি ইয়াসিন মালিকের

    Yasin Malik: “কাশ্মীরে নাশকতা কার্যকলাপে জড়িত”, আদালতে স্বীকারোক্তি ইয়াসিন মালিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ বছরের পুরনো একটি সন্ত্রাসের মামলায় আদালতে দোষ স্বীকার (plead guilty) করল কাশ্মীরের (Kashmir) বিচ্ছিন্নতাবাদী (JKLF) নেতা মহম্মদ ইয়াসিন মালিক (Yasin Malik)। ২০১৭ সালে সন্ত্রাসের ঘটনায় (2017 Terrorism Case) মালিকের বিরুদ্ধে ইউএপিএ (UAPA) আইনের ধারা ১৬, ১৭, ১৮ এবং ২০-তে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এছাড়াও ভারতীয় দণ্ডবিধির (Indian Penal Code) ১২০বি এবং ১২৪এ ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (criminal conspiracy) এবং দেশদ্রোহিতার (treason) মামলা রুজু হয় মালিকের বিরুদ্ধে।

    তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, কোনও আইনজীবী ছিল না মালিকের। এমনকী নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেনি মালিক। দিল্লির একটি আদালতের সামনে তিনি সন্ত্রাসবাদী (terrorism) কার্যকলাপে যুক্ত থাকা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে তাঁর যোগসাজশের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন বলে খবর মিলেছে। আদালতে মালিক জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি আনা হয়েছে, সেগুলির বিরুদ্ধে সে আদালতে লড়াই করবে না।

    ইয়াসিন ছাড়াও কাশ্মীরের আরও অনেক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা যেমন ফারুক আহমেদ দার, শাব্বির শাহ, মাসারত আলম, মহম্মদ ইউসুফ শাহ, আফতাব আহমেদ শাহ, আলতাফ আহমেদ শাহ, নইম খান, নাভাল কিশোর কাপুর, বশির আহমেদ ভাটদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছে এই আদালত। গত মার্চ মাসে চার্জগঠনের সময় আদালত প্রাথমিক তদন্তে জানায় শাব্বির শাহ, ইয়াসিন মালিক, রশিদ ইঞ্জিনিয়ার, আলতাফ ফান্টুশ-সহ হুরিয়ত নেতৃত্ব সরাসরি সন্ত্রাস কার্যকলাপে অর্থ সংগ্রহ করেছে। এছাড়াও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রেও লিপ্ত ছিল তারা। উপত্যকায় বিরাট বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে এরা। যার ফলে হিংসা-অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনাও ঘটেছে। 

    আদালত জানিয়েছে, মালিক গোটা বিশ্বে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করত। সেই টাকা দিয়ে ভূস্বর্গে হিংসা-হানাহানি, বিক্ষোভ এবং বেআইনি কার্যকলাপ করা হত। সেই অপরাধমূলক কার্যকলাপকে কাশ্মীরের স্বাধীনতা সংগ্রামের নাম দিয়েছিল ইয়াসিন মালিক, এমনটাই দাবি আদালতের। বিশেষ আদালতের বিচারক প্রবীন সিং মামলাটি আবার ১৯ মে শুনবেন বলে জানা গিয়েছে। সেখানে সাজা ঘোষণা করা হতে পারে। এই অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা হতে পারে যাবজ্জীবন কারাবাস। 

     

     

LinkedIn
Share