Tag: JP Nadda

JP Nadda

  • Chandrayaan-3: “ইতিহাস গড়ে, ইসরো ভূগোলের আইডিয়া তৈরি করল”! চন্দ্রযানের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত রাষ্ট্রপতি

    Chandrayaan-3: “ইতিহাস গড়ে, ইসরো ভূগোলের আইডিয়া তৈরি করল”! চন্দ্রযানের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতের মুঠোয় চাঁদ-মামা! ঘড়ির কাঁটায় সন্ধ্যা ৬.০৪ বাজতেই ইতিহাস গড়ল ভারত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করল ইসরোর তৈরি চন্দ্রযান-৩। ল্যান্ডার বিক্রমের সফল অবতরণের সঙ্গে সঙ্গেই ইসরোর বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি বলেন, ‘আজ এমন একটি দিন, যেদিন ইতিহাস তৈরি হল। আজ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করেছে চন্দ্রযান-৩। ইসরোর বিজ্ঞানীরা শুধুমাত্র ইতিহাস গড়েছেন তাই নয়, সঙ্গে ভূগোলের আইডিয়া তৈরি করেছে। এটা দেশবাসীর কাছে এক গর্বের বিষয়। ইসরো এবং এই মিশনে যুক্ত সকল বিজ্ঞানীকে আমার তরফ থেকে শুভেচ্ছা জানাই’

    আবেগাপ্লুত নেতা-মন্ত্রীরা

    বিশ্ববাসীর সামনে নজির সৃষ্টি করল ভারত। চন্দ্রযান-৩ এর সাফল্যের পর এমনই অভিমত প্রকাশ করলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। তিনি বলেন, ‘এটা একটা গর্বের বিষয় যে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় করল ভারত। আমি এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পেরে গর্বিত অনুভব করছি। ইসরোর টিম এবং সকল বিজ্ঞানীকে অসংখ্য শুচেচ্ছা’।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছনো বিশ্বের প্রথম দেশ ভারত। ঐতিহাসিক এই সাফল্যের পর অভিনন্দন জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। 

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করেছে ল্যান্ডার বিক্রম। ভারতের বিজ্ঞানীদের কঠোর পরিশ্রমের জন্যই এই সাফল্য এসেছে। শুভেচ্ছাবার্তায় জানালেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ চন্দ্রযান ৩-এর। এই সফল অভিযানের জন্য ইসরোর সকল বিজ্ঞানী ও ভারতীয়দের শুভেচ্ছা জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: শাহ-নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, কী নিয়ে আলোচনা হল  জানেন?

    PM Modi: শাহ-নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, কী নিয়ে আলোচনা হল  জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর পর কয়েকদিন মেঘভাঙা বৃষ্টি ও ধসের জেরে বিধ্বস্ত হিমাচল প্রদেশ। প্রাণহানি, বাড়িঘর ভেঙে পড়া, রাস্তাঘাট চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়া এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মার খেয়েছে পর্যটন শিল্পও। পুরো পরিস্থিতিকে ‘রাষ্ট্রীয় বিপর্যয়’ বলে ঘোষণা করেছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু।

    উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী

    হিমাচল প্রদেশের বিপর্যয়ে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) স্বয়ং। প্রকৃতির রোষে বিধ্বস্ত এই রাজ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে শনিবার বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, রবিবার হিমাচল প্রদেশের পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে যাবেন নাড্ডা। এদিনের বৈঠকে শাহের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রী বিশদে জানতে চান হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে।

    শাহকে তদারকি করার নির্দেশ

    প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এই দুই রাজ্যে ত্রাণ বিলি ও উদ্ধারকাজে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সে ব্যাপারে শাহকে তদারকি করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখে চলার পরামর্শও তিনি দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। রবিবার হিমাচলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে প্রধানমন্ত্রীকে রিপোর্ট দেবেন নাড্ডা। এদিনের বৈঠকের দ্বিতীয়ার্ধে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেন পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে। চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই ভোট হবে মধ্যপ্রদেশ, মিজোরাম, রাজস্থান, ছত্তিশগড় এবং তেলঙ্গনায়। এর মধ্যে দুটি রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। পাঁচ রাজ্যের রশিই যাতে বিজেপির হাতে আসে, তাই চেষ্টার কসুর করছেন না পদ্ম-নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুুন: পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে খেজুরিতে ফের সভা, ঘোষণা করলেন শুভেন্দু

    তাই এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনী কৌশল কী হবে, তা নিয়েও আলোচনা করেন। রবিবার মধ্যপ্রদেশ যাচ্ছেন শাহ। তার আগে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সঙ্গে এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনেও যাতে গত বারের চেয়ে আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফেরা যায়, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করেছেন শাহ ও নাড্ডা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • BJP: পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন, বৈঠকে বসতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি

    BJP: পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন, বৈঠকে বসতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের শেষের দিকে হওয়ার কথা পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সেই কারণে আজ, বুধবার ডাক দেওয়া হয়েছে বিজেপির (BJP) কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকের। নয়াদিল্লিতে দলের সদর দফতরে হবে বৈঠক। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ সহ কেন্দ্রীয় কমিটির ১৫ জন সদস্য।

    প্রস্তুতি বৈঠক

    বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে এ বছরই রয়েছে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, রাজস্থান, তেলঙ্গনা এবং মিজোরাম বিধানসভার নির্বাচন। এদিনের প্রস্তুতি বৈঠকে মূলত দুর্বল আসনগুলিকে কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, তা নিয়েই আলোচনা হবে। নির্বাচনী কৌশল কী হবে, প্রার্থীই বা হবেন কারা, তা নিয়েও এদিন আলোচনা হতে পারে বলে বিজেপি (BJP) সূত্রে খবর। এই পাঁচ রাজ্যের যে আসনগুলিতে বেশি নজর দেওয়া প্রয়োজন, তার একটি তালিকাও তৈরি করা হয়েছে দলের তরফে।

    নির্বাচনী কৌশল

    এদিনের বৈঠকে ওই পাঁচ রাজ্যের বিজেপি নেতারা জানাবেন, কীভাবে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার জনগণের কল্যাণে নানা প্রকল্প চালু করেছে, সেকথা তৃণমূলস্তরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এদিনের প্রস্তুতি বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি ভিডি শর্মা, ছত্তিশগড় বিজেপির সভাপতি অরুণ সাও এবং দলের অন্য নেতারা। প্রসঙ্গত, যে পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে, তার মধ্যে একমাত্র মধ্যপ্রদেশেই ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুুন: “আমি ভারতীয়, এই দেশ আমারও”, তিরঙ্গা উড়িয়ে বললেন জঙ্গির দাদা বশির

    সূত্রের খরব, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড় বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে এদিনের প্রস্তুতি বৈঠকে। সচরাচর কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে সম্ভাব্য প্রার্থী কারা হতে পারেন, তা নিয়ে আলোচনা (BJP) হয়। এমন বৈঠক হয় নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরে পরেই। কিন্তু এই পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের দিন এখনও ঘোষণা হয়নি। তার আগেই প্রস্তুতি বৈঠকে বসছে বিজেপি। জানা গিয়েছে, এই পাঁচ রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে বিজেপি নেতৃত্ব এখনই প্রার্থীর নাম ঠিক করে ফেলতে চলেছেন। প্রার্থীদের জানিয়েও দেওয়া হবে যে, তাঁরা প্রার্থী হতে চলেছেন। তাঁদের এখন থেকেই প্রচারে নামতে বলা হবে। বিরোধী দলের প্রার্থীদের পরাজিত করতেই এই কৌশল অবলম্বন করা হবে বলে বিজেপি সূত্রে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • JP Nadda: হাওড়ায় কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জেপি নাড্ডা, কী করলেন?

    JP Nadda: হাওড়ায় কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জেপি নাড্ডা, কী করলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনে বঙ্গে এসে বিজেপির ‘আমার মাটি আমার দেশ’ কর্মসুচীর অঙ্গ হিসাবে কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের বাড়ি দেউলটি থেকে মাটি সংগ্রহ করলেন বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। শুক্রবার রাতেই কলকাতায় এসে পৌঁছান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বাংলা, বিহার, ঝাড়খণ্ড-সহ পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের জেলা পরিষদ সভাধিপতিদের নিয়ে হাওড়ার দেউলটির একটি হোটেলে এদিন সকালে একটি  কর্মশালার উদ্বোধন করেন নাড্ডা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে দুপুরে দেউলটিতে কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মভিটে পরিদর্শনে আসেন জে পি নাড্ডা।

    ভিজিটার্স বুকে কী লিখলেন জে পি নাড্ডা (JP Nadda)?

    দেউলটিতে শরৎচন্দ্রের বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করেন জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। “আমার মাটি আমার দেশ” কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। সেই মাটি নিয়ে যাওয়া হবে দিল্লির কর্তব্যপথ বাগানে। এদিন দেউলটিতে এসে শরৎচন্দ্রের বাসভবনে, সেখানকার লাইব্রেরি রুমে ঘুরে দেখেন তিনি। সেখানকার ভিজিটার্স বুকে নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখে রাখেন তিনি। তিনি লেখেন ‘আজ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো মহান মানুষের নিবাস স্থানে আসতে পেরে নিজেকে খুবই সৌভাগ্য প্রাপ্ত মনে করছি। এই জায়গা থেকে অনেক প্রেরণা পেলাম।’ তিনি প্রথমে ওই বসতবাড়িতে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন। এরপর তিনি ওই বাসভবন চত্বরে একটি আম গাছ রোপণ করেন। পরে, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রূপনারায়ণ নদীতীরে এই বাড়িতে যে কক্ষতে বসে তাঁর সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি করেছিলেন সেই ঘর পরিদর্শন করেন। এরপর জেপি নাড্ডা আরেকটি কক্ষে গিয়ে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত জিনিসগুলো পরিদর্শন করেন। পরে, ওই বাড়ির দোতলার ঘরগুলিও তিনি ঘুরে দেখেন। দোতলা বাড়ির বারান্দাতে উঠে উপস্থিত সমর্থক মানুষদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে দলের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, অনুপম হাজরা, রাঁচির মেয়র আশা লাকড়া, অমিত মালব্য, বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলার সভাপতি অরুণ উদয় পাল চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এদিন সেখানে এক জাতীয় পতাকা বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন নাড্ডা। জে পি নাড্ডার সফর উপলক্ষে দেউলটির সামতাবেড়ে শরৎচন্দ্রের বসতবাড়ি এলাকাকে সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়। দুপুরে জে পি নাড্ডা সেখানে আসেন। ১.৪০ নাগাদ তিনি দেউলটি আসেন। প্রায় আধ ঘন্টা ছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভার্চুয়ালি থাকবেন মোদি-শাহ! আজ পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনের উদ্বোধনে নাড্ডা 

    BJP: ভার্চুয়ালি থাকবেন মোদি-শাহ! আজ পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনের উদ্বোধনে নাড্ডা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনের উদ্বোধন। আজ, শনিবার থেকে দুদিন ব্যাপী এই শিবিরের শুরু। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘শনিবার এই সম্মেলনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।’’ ভার্চুয়ালি থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। শনিবার সকাল দশটা নাগাদ নিউ টাউনের হোটেল থেকে সড়কপথে কোলাঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন জে পি নাড্ডা। বিজেপি সূত্রের খবর, দু’দিনের সম্মেলনে শেষ দিন রবিবার ভার্চুয়ালি সমাপ্তি ভাষণও দেবেন মোদি। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শুক্রবার রাজ্যে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

    বিজেপির লক্ষ্য

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতায় শুক্রবার রাতে নেমেছেন জে পি নাড্ডা। শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে রাত্রিবাস করেন তিনি। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গবাসী বিজেপির ঝুলিতে দিয়েছিল অনেকগুলি সাংসদ। একুশের বিধানসভায়ও ভাল ফল করেছিল বিজেপি। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে ৩৫ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই লক্ষ্যে পৌঁছনোর রুটম্যাপ ঠিক করতেই নাড্ডার বঙ্গসফর, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    গ্রামীণ ভোট ব্যাঙ্কে নজর

    বিজেপি পরিচালিত বিভিন্ন জেলা পরিষদ ও স্বশাসিত পরিষদের ১৭০ জন প্রধানরা উপস্থিত থাকবেন দুদিনের বিজেপির এই সম্মেলনে। ২০২৪-এর লক্ষ্যে গ্রামীণ ভোট ব্যাঙ্কে নজর দিতেই এই শিবির বিজেপির। মূলত গোটা দেশের গ্রামাঞ্চলের দলীয় নেতৃত্বরা আসবেন বাংলায়। ২৪-এর ভোটের আগে গ্রামের মানুষকে কাছে টানতেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুফল নিয়ে কর্মশালায় আলোচনা হবে বলে বিজেপি সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশে মোদির বড় চমক, আজ সন্ত রবিদাসের ১০০ কোটির মন্দিরের শিলান্যাস

    ‘গ্রাম যার বাংলা তার’- এই ধারণা থেকেই লোকসভা ভোটের আগে বঙ্গ বিজেপির ব্যবস্থাপনায় হতে চলেছে এই কর্মশালা। গেরুয়া শিবিরের নজর গ্রামীণ ভোট ব্যাঙ্ক। বিহার ঝাড়খণ্ড উড়িষ্যা সহ বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন এই সম্মেলনে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপির দু’দিনের পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েত কর্মশালা হবে বাংলায়, কে কে থাকছেন জানেন?

    BJP: বিজেপির দু’দিনের পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েত কর্মশালা হবে বাংলায়, কে কে থাকছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনি ও রবিবার বিজেপির (BJP) দু’দিনের পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েত কর্মশালা হওয়ার কথা পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে। এই কর্মশালায় উপস্থিত থাকার কথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার। সংসদের বাদল অধিবেশন শেষ হচ্ছে ১১ অগাস্ট। সেদিন কিংবা তার পরের দিন বাংলায় ফিরবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ দলীয় সাংসদরা। তাঁদের সঙ্গেই বাংলায় আসার কথা নাড্ডারও।

    কর্মশালায় থাকছেন কারা? 

    এই কর্মশালায় ভার্চুয়ালি ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কর্মশালায় উপস্থিত থাকবেন বিএল সন্তোষ সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা। বিজেপির পূর্বাঞ্চলের মধ্যে বাংলা ছাড়াও পড়ে বিহার, ঝাড়খণ্ড, অসম এবং ত্রিপুরা। এই পাঁচ রাজ্যের জেলা পরিষদে পদ্ম চিহ্নে জয়ী হয়েছেন যাঁরা, কোলাঘাটের কর্মশালায় থাকবেন তাঁরা। বাংলা থেকে বিজেপির প্রতীকে জয়ী হয়েছেন ৩১ জন। এঁরা যোগ দেবেন দু দিনের ওই কর্মশালায়। তাছাড়া বিভিন্ন স্বশাসিত প্রশাসনিক সংস্থার ১৩৪ জন সদস্যও যোগ দেবেন ওই কর্মশালায়। জানা গিয়েছে, বাংলার জেলা পরিষদের ৩১ জন সদস্যের সঙ্গে আদালা করে কথা বলতে পারেন বিজেপির (BJP) শীর্ষ নেতৃত্ব।

    আলোচনার বিষয়বস্তু

    বিজেপির একটি সূত্রের খবর, লোকসভা নির্বাচনে বাংলা সহ পূর্বাঞ্চলের পাঁচ রাজ্যে কীভাবে দল আরও বেশি সাংসদ পেতে পারে, তার কৌশল বাতলে দেওয়া হতে পারে কর্মশালায়। রাজ্যগুলিতে দলীয় সংগঠন কীভাবে আরও মজবুত করা যায়, তা নিয়েও হতে পারে আলোচনা। বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ সাংগঠনিক জেলার উলুবেড়িয়া লোকসভা কেন্দ্রেও একটি জনসভা এবং কর্মী বৈঠক করতে পারে বিজেপি। সদ্য সমাপ্ত ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে ১০ হাজারের কিছু বেশি আসনে জয়ী হয়েছেন পদ্ম প্রার্থীরা। তাই স্বাভাবিকভাবেই উৎসাহিত বিজেপির নেতা-কর্মীরা। কর্মীদের সেই উৎসাহকে কাজে লাগিয়ে এবং সংগঠন মজবুত করে বাংলায় আরও বেশি লোকসভা আসনে জয় পেতে চাইছে গেরুয়া শিবির। সেই কারণেই কর্মশালার আয়োজন বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।  

    আরও পড়ুুন: ১৪৪ ধারা জারির পরই ফের উত্তপ্ত ভাঙড়, আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষ, বোমাবাজি

    লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির (BJP) পাশাপাশি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলিও বাংলায় বেশ কিছু কর্মসূচি পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডিসেম্বরে ব্রিগেডে হবে গীতাপাঠ। বিভিন্ন ব্লকে দুর্গাপুজোয়ও অংশ নেবে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের রথযাত্রাও করার কথা। রথযাত্রা হবে ১ অক্টোবর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ‘ভোট-সন্ত্রাস’-এর তদন্তে ফের রাজ্যে বিজেপির প্রতিনিধি দল

    Panchayat Election 2023: ‘ভোট-সন্ত্রাস’-এর তদন্তে ফের রাজ্যে বিজেপির প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023) পরবর্তী ‘হিংসা’র ঘটনা সরেজমিনে ফের রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে বিজেপি (BJP)। এ বার তফসিলি সম্প্রদায়ের পাঁচ সাংসদের দল গড়ে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা। দলটি খুব শীঘ্রই রাজ্যে আসবে। ওই দলে থাকবেন— বিনোদ সোনকর, সুরেশ কশ্যপ, এস মুনিস্বামী, মনোজ রাজোরিয়া এবং বিনোদ চাবড়া। বিভিন্ন ভোটে হিংসার অভিযোগ রয়েছে যে সব এলাকায়, সে রকম কিছু এলাকা ঘুরে দেখবেন সাংসদীয় প্রতিনিধিরা। তাঁরা কথা বলবেন, হিংসা আক্রান্ত ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে। 

    রাজ্যে তৃতীয় প্রতিনিধি দল

    পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) পর রাজ্যে এই নিয়ে তৃতীয় বার প্রতিনিধি দল পাঠাতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এর আগে ভোট গণনার দিনই একটি সংসদীয় প্রতিনিধি দল পাঠানো হয় রাজ্যে। যে দলের নেতৃত্বে ছিলেন বর্ষীয়ান বিজেপি সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ। এ ছাড়া ওই দলে ছিলেন সাংসদ ডঃ রাজদীপ রায়, সত্যপাল সিং এবং রেখা ভার্মা। তাঁরা রাজ্যের ভোট হিংসা আক্রান্ত বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখেন। আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে। দ্বিতীয় দফায়, রাজ্যে  পঞ্চায়েত ভোট হিংসায় মহিলারা কতটা আক্রান্ত হয়েছেন তা খতিয়ে দেখতে মহিলা সাংসদের একটি প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়। এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন রমা দেবী, কবিতা পাতিদার, অপরাজিতা সারেঙ্গি, সন্ধ্যা রায় এবং সরোজ পাণ্ডে। দুটি দলই রাজ্যে ভোট হিংসার তথ্যানুসন্ধান করে জেপি নাড্ডার কাছে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: আজ জেলায় জেলায় বিজেপির বিডিও অফিস ঘেরাও অভিযান

    ফল প্রকাশের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। কিন্তু, এখনও প্রায়শই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে আসছে হিংসার খবর। ঝরছে রক্ত। বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ভোট সন্ত্রাসের (Panchayat poll violence) জেরে এখনও ঘর ছাড়া বহু পরিবার। প্রশাসন সহায়তা করেনি, আতঙ্কে দিন কাটছে, অভিযোগ বহু এলাকার বাসিন্দাদের। আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলার পরেই তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে দেখা যায় বিজেপির আগের প্রতিনিধি দলের সদস্যদের। বহু জায়গায় উঠেছে তৃণমূল বিরোধী স্লোগানও। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal BJP: জুন মাসেই কি রাজ্যে পা রাখছেন মোদি-শাহ-নাড্ডা?

    Bengal BJP: জুন মাসেই কি রাজ্যে পা রাখছেন মোদি-শাহ-নাড্ডা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডারও বেশ কয়েকটি জনসভা করার কথা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বুধবার ৩১ মে রাজস্থানের আজমেড়ে প্রধানমন্ত্রী সূচনা করেছেন বিজেপির একমাসব্যাপী মহা-জনসম্পর্ক অভিযান। সরকারের ন’বছরের সাফল্যগাথা তুলে ধরতে বিজেপি নেতাকর্মীরা গৃহ সম্পর্ক অভিযান, পথসভা, জনসভা, মিছিল, সাংবাদিক সম্মেলন, নাগরিক সেমিনার এ সমস্ত কিছুই করবেন আগামী এক মাস ধরে। স্বাভাবিকভাবে পশ্চিমবঙ্গেও (Bengal BJP) শুরু হচ্ছে মহা-জনসম্পর্ক অভিযান।

    কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    বিজেপি (Bengal BJP) সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে তিনটি বড় জনসভা করবেন তাঁরা। উত্তরবঙ্গ, মধ্যবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের এই তিন জনসভায় উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার। জানা গিয়েছে, নরেন্দ্র মোদি দক্ষিণবঙ্গে সভা করবেন, অমিত শাহ রাঢ়বঙ্গে এবং জেপি নাড্ডার সভা হওয়ার কথা উত্তরবঙ্গে। দেশের প্রতিটি রাজ্যে মোট ৫১টি জনসভা করবে বিজেপি, যার মধ্যে তিনটি জনসভা হবে বাংলায়। বিজেপির সাংগঠনিক মণ্ডল কমিটিগুলি গ্রামীণক্ষেত্রে তৈরি হয় জেলা পরিষদের আসনকে ধরে। অন্যদিকে এক একটি শহরকে ধরে বিজেপির (Bengal BJP) নগর মণ্ডল তৈরি হয়। শহর বড় হলে নগর মণ্ডলের সংখ্যাও বাড়ে। বিজেপি সূত্রে খবর, এই সমস্ত মণ্ডলগুলিতে এক হাজারেরও বেশি জনসভা করবেন তাঁদের দলের রাজ্য নেতৃত্ব। হাজির থাকবেন এরাজ্য থেকে নির্বাচিত সাংসদ-বিধায়করাও।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের একদিনের নিরাপত্তায় মোতায়েন ২২৪৫ পুলিশকর্মী! ট্যুইটে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    বাংলার প্রতিটি বিধানসভায় যাবে বিজেপি (Bengal BJP) নেতৃত্ব

    বিজেপি সূত্রে খবর, জুন মাসে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভাতেই জনসভা করবে বিজেপি নেতৃত্ব (Bengal BJP)। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে মোদি সরকারের ৯ বছরের সাফল্যগাথা তুলে ধরবেন সর্বানন্দ সোনোয়াল, সুশীল মোদির মতো নেতারা। তালিকায় রয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, স্মৃতি ইরানিও।

    কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার?

    বিজেপির (Bengal BJP) রাজ্য সভাপতি এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘শুধু কেন্দ্রীয় নেতারাই নয়, রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে জনসভা করবেন বাংলার নেতারাও। আগামী ২১ থেকে ৩০ জুন মোদি সরকারের ৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসম্পর্ক কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Violence: ‘‘ভারতবর্ষ গণতন্ত্রের পীঠস্থান, পশ্চিমবঙ্গকে বধ্যভূমি করেছেন মমতা’’, মত জেপি নাড্ডার

    TMC Violence: ‘‘ভারতবর্ষ গণতন্ত্রের পীঠস্থান, পশ্চিমবঙ্গকে বধ্যভূমি করেছেন মমতা’’, মত জেপি নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ঘটে চলা রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। শুক্রবার দিল্লিতে একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গে বেড়ে চলা নারী নির্যাতন এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের ওপর লেখা বই ‘ডেমোক্রেসি ইন কোমা’-এর উদ্বোধন করতে গিয়ে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তিনি বলেন, ‘‘গণতন্ত্রের পীঠস্থান ভারতবর্ষে, পশ্চিমবঙ্গকে বধ্যভূমি করেছেন মমতা।’’ তাঁর ভাষণে উঠে আসে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ প্রসঙ্গও। ‘‘সন্ত্রাসের মুখোশ খুলেছে যে সিনেমা, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোন স্বার্থে বন্ধ করলেন?’’ সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর মতে, বাংলার এই অবস্থার বদল একমাত্র বিজেপিই করতে পারে।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তাই নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশ দ্বারও হল পশ্চিমবঙ্গ। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে যেভাবে গরু পাচার, জাল নোটের কারবার সমেত দেশবিরোধী শক্তির গতিবিধি বাড়ছে, তাতে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন দিল্লি। বিজেপি সভাপতির আজকের বক্তব্য তারই প্রতিফলন বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। রাজনৈতিক সন্ত্রাসের (TMC Violence) পাশাপাশি দুর্নীতি ইস্যুতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের দলকে বিঁধতে থাকেন তিনি। একশো দিনের কাজে তৃণমূলের চুরির বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা যায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতিকে।  এদিনের বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অমিত মালব্য, জম্মু-কাশ্মীর হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এম.এম কুমার সমেত অন্যান্যরা।   

    কী বললেন জেপি নাড্ডা?

    বিজেপির সভাপতি হওয়ার পরে দু’বার তাঁর ওপর হামলা হয়েছে এই পশ্চিমবঙ্গে। তৃণমূলে গুন্ডারা (TMC Violence) ভাঙচুর করে তাঁর গাড়িও। গোটা ঘটনার জন্য, মমতা এবং তাঁর ভাইপো অভিষেককে দায়ী করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি এদিন বলেন, ‘‘আমার কনভয়ে প্রথমে সেদিন বাস ঢুকিয়ে দেওয়া হল। স্বাভাবিকভাবেই এতে গোটা কনভয় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের গুন্ডারা এসে ভাঙচুর করতে থাকল গাড়িগুলি। কীভাবে পরিকল্পনা মাফিক হামলা চালাল। নিরাপত্তা পাওয়া একজন ব্যক্তির ওপর এমন হামলা হলে, সাধারণ মানুষের কী নিদারুণ অবস্থা পশ্চিমবঙ্গে!’’

    নিজের ১৫ মিনিটের বক্তব্যে এদিন তথ্য ও পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি তুলে ধরেন পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলিকে। তিনি বলেন, ‘‘ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে ১২৩টি ঘটনা ঘটেছে মহিলা নির্যাতনের। যার মধ্যে রয়েছে ১১টি ধর্ষণ। এমন ঘটনাও ঘটেছে যেখানে ধর্ষিতাকে তৃণমূলের গুন্ডারা (TMC Violence) হুমকি দিয়েছে যে অভিযোগ জানালে প্রাণ চলে যাবে।’’  তিনি দাবি করেন, রেকর্ড অনুযায়ী ৮০ হাজারের বেশি লোক ঘরছাড়া হয়েছিলেন, যারমধ্যে এখনও অনেকে ফিরতে পারেননি। ৫৭টি তরতাজা প্রাণ ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে তৃণমূল কেড়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন জেপি নাড্ডা।

    তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়েও সরব নাড্ডা

    ‘‘১০০ দিনের কাজ সমেত প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাতে তৃণমূল দুর্নীতি করে, অথচ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে টাকা আটকানোর।’’ শুক্রবার দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে এভাবেই বিঁধলেন জেপি নাড্ডা। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘গরীব, প্রান্তিক, খেটে খাওয়া মানুষদের কথা ভেবে মোদিজী চালু করেছিলেন আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। অথচ পশ্চিমবঙ্গে তা কার্যকর হতে দিচ্ছেনা তৃণমূল সরকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন! সুকান্তকে ফোন জেপি নাড্ডার

    Sukanta Majumdar: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন! সুকান্তকে ফোন জেপি নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোঁজ নিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে ফোন করলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। হাওড়ার শিবপুর ও রিষড়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য পুলিশকেও এক হাত নিয়েছেন সুকান্ত। আজ শ্রীরামপুরে অবস্থানে বসারও হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।

    নাড্ডা-সুকান্ত ফোনালাপ

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট নাগাদ সুকান্তকে ফোন করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোঁজ নেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ফোন করে নাড্ডা হাওড়া ও হুগলির দুই জায়গার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিশদে জানতে চান। সুকান্ত মজুমদার বলেন, যেসব এলাকায় অশান্তি হয়েছে সেখানে কেন্দ্রীয়বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি জে পি নাড্ডাকে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এই ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবিও জানান তিনি। সুকান্ত বলেন, কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্ত করলে তবেই সত্যি সামনে আসবে।

    পুলিশে আস্থা নেই

    সুকান্ত দাবি করেন, “রাজ্যে রামনবমীর পর থেকে যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী একটি সম্প্রদায়কে নিশানা করছেন, তাতে আর কোনও হিন্দু মুখ্যমন্ত্রীর উপর ভরসা করতে পারবেন না। “একই সঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রীকেও আক্রমণ করেছেন তিনি। বলেছেন, “হনুমান জয়ন্তীতেও যাতে হামলা চলে, সেই ইঙ্গিতই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করছেন। তোষণের নোংরা রাজনীতি করে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।” রাজ্য পুলিশ ও সিআইডিকে এক হাত নিয়ে সুকান্ত বলেন, “এই দুই বিভাগ মুখ্যমন্ত্রীর পোষা কুকুরের মতো কাজ করে। মুখ্যমন্ত্রী যা নির্দেশ দেন তাই হয়। সত্যি সামনে আসে না।” 

    আজ শ্রীরামপুরে অবস্থান!

    দলীয় কর্মীদের দেখতে রিষড়া যাওয়ার পথে, সোমবার দুপুরে কোন্নগরের বিশালাক্ষীতলায় আটকানো হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কনভয়। প্রায় ৫ ঘণ্টা চলে টানাপোড়েন। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। আজ শ্রীরামপুরে অবস্থানে বসার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: রিষড়াকাণ্ডে রাস্তায় বসে অবস্থান বিক্ষোভে বিজেপির রাজ্য সভাপতি! কেন জানেন?

    তাঁর কথায়, ‘‘মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে শ্রীরামপুর বটতলায় অবস্থান শুরু করব। প্রয়োজনে অনির্দিষ্ট কাল হবে, যদি পুলিশ গ্রেফতার করা বন্ধ না করে। যাঁরা মার খেল, তাদের ধরছে পুলিশ। পুলিশ রিপোর্ট দিচ্ছে সব জায়গায় শান্তি। কোথাও শান্তি নেই। প্রতিবাদে বসব আমরা।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।     

     

LinkedIn
Share