Tag: jyotipriya mallick

jyotipriya mallick

  • North 24 Parganas: বালু ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে হবে! সিদ্ধান্ত তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে

    North 24 Parganas: বালু ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে হবে! সিদ্ধান্ত তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকহীন জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর গড়ে দেওয়া তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠক হল সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মধ্যমগ্রামের দলীয় কার্যালয়ে। সন্দেশখালি, বনগাঁর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হলেও কোর কমিটির কেউই এদিন তা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাননি। পাশাপাশি লোকসভা  নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে দলের কর্মীদের আরও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপরেই এদিন জোর দিয়েছেন দলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়।

    প্রথম বৈঠকে গরহাজির জেলার একাধিক শীর্ষ নেতা (North 24 Parganas)

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) চাকলায় দলের কর্মীদের নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংগঠনিক বৈঠকের পর মধ্যমগ্রামের দলীয় কার্যালয়ে প্রথম কোর কমিটির বৈঠক হল সোমবার। আগের বৈঠকে সোমনাথ শ্যামের আসার পরেই বৈঠক থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন অর্জুন সিং। ভাটপাড়ার তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনের পর সংঘাত শুরু হয়েছিল সাংসদ ও বিধায়কের মধ্যে। দু’জনের এই দ্বন্দ্ব অনেকদূর গড়িয়েছিল। দ্বন্দ্ব মেটাতে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতিকেও আসতে হয়েছিল নৈহাটিতে। সেই বৈঠকও শেষ পর্যন্ত হয়নি। এদিনের বৈঠকে অবশ্য অর্জুন-সোমনাথ দু’জনেই সভা শেষ হওয়া পর্যন্ত ছিলেন। এদিনের বৈঠকে সৌগত রায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, নির্মল ঘোষ, ব্রাত্য বসু, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অর্জুন সিং, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাতো-সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু, খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী, বিশ্বজিৎ দাস, সুজিত বসু, তাপস রায়ের মতো জেলার শীর্ষ নেতারা গরহাজির ছিলেন।

    বালু ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরির নির্দেশ

    দু’ঘণ্টার বৈঠকে কীভাবে এই জেলার কোর কমিটি আরও সফলভাবে কাজ করতে পারে, দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনায় ১৬ জন সদস্য বক্তব্য রেখেছেন। এ-নিয়ে দু’টি প্রস্তাব উঠে এসেছে। একটা হল, চার সাংগঠনিক জেলার সকলকে নিয়ে কনফারেন্স করতে হবে। অন্যটি হল, লোকসভার আগে বিজেপি শাসিত রাজ্যে দুর্নীতি বেশি করে দলের কর্মীদের তুলে ধরতে হবে সাধারণ মানুষের কাছে। সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে কোর কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের অনুপস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বনগাঁর শংকর আঢ্য, সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানের মতো জেলায় বালু ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে দলের দূরত্ব তৈরি করতে হবে বলেও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

    বৈঠক নিয়ে কী বললেন সাংসদ?

    সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘গোটা ভারতে বিজেপি শাসিত রাজ্যের দুর্নীতি মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য কর্মীদের বলা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘ভোটার তালিকা থেকে বহু প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য বিজেপি প্রশাসনের ওপর চাপ তৈরি করছে। এটা আমাদের কাছে চিন্তার। আমরা প্রশাসনকে বলেছি, পুরো বিচার না করে কোনও ভোটারের নাম তালিকা থেকে যেন বাদ না যায়।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: ‘এটা নাকি গরিব রাজ্য?’ ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্করের লেনদেন শুনে বিস্মিত বিচারকও

    Ration Scam: ‘এটা নাকি গরিব রাজ্য?’ ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্করের লেনদেন শুনে বিস্মিত বিচারকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্দেশখালিতে ধুন্ধুমারকাণ্ড বাধে তৃণমূল নেতা শাহানওয়াজ সেখকে গ্রেফতার করতে যাওয়ার সময়। ইডি আধিকারিদের ওপর আক্রমণ করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। গতকালই রাতে বনগাঁর তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতার করে ইডি, রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) অভিযোগে। সেখানেও বাধার মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শনিবার শঙ্করকে আদালতে পেশ করা হয়। বিদেশে তৃণমূল নেতার টাকার লেনদেন শুনে হাঁ হয়ে যান খোদ বিচারকও। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”এটা নাকি গরিব রাজ্য।” প্রসঙ্গত, শঙ্করের বিরুদ্ধে ইডির অভিযোগ, কুড়ি হাজার টাকা কোটি টাকা বিদেশে লেনদেন করা হয়েছে। এর মধ্যে আগেই গ্রেফতার হওয়া মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ৯ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা লেনদেন করেছে শঙ্কর। টাকা পাঠানো হয়েছে দুবাইতে।

    ৯০টি ফরেক্স সংস্থার মাধ্যমে করা হয়েছে লেনদেন

    ইডির দাবি, ৯০টি ফরেক্স সংস্থার (Ration Scam) মাধ্যমে এই টাকা বিদেশে লেনদেন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, সন্দেশখালি সমেত বনগাঁতে তদন্তে (Ration Scam) বাধা পাওয়ার পরেই আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ইডির গাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয় বনগাঁতেও। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় শঙ্কর আঢ্যর অনুগামীরা। এই ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এমনটাই জানা যাচ্ছে। স্থানীয় থানাতে দায়ের করা হতে পারে অভিযোগও। ইডি সূত্রের খবর, সেই  প্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে।

    বালুর মেয়ের মাধ্যমে চিঠি চালাচালি করত শঙ্কর

    জানা গিয়েছে, ধৃত মন্ত্রী বালুর সঙ্গে চিঠির মাধ্যমে হাসপাতালের যোগাযোগ রেখেছিলেন শঙ্কর। গত ১৬ ডিসেম্বর মেয়ের হাতে চিঠি তুলে দিতে যাচ্ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, এমনই সময় সেই চিঠি ধরে ফেলে সিআরপিএফ-এর জওয়ানরা। চিঠি হাতে আসে ইডির। জানা যাচ্ছে সেখানে একাধিক নাম রয়েছে। বাংলা এবং ইংরেজিতে মিশিয়ে লেখা ছিল এই চিঠি। এমনটাই খবর ইডি সূত্রে। গত ১৯ ডিসেম্বর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে জেরা (Ration Scam) করার সময় তিনি চিঠির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: হাসপাতাল থেকে বালুর পাঠানো চিঠির সূত্রেই গ্রেফতার শঙ্কর, বিদেশে লেনদেন ২০ হাজার কোটি টাকা

    ED: হাসপাতাল থেকে বালুর পাঠানো চিঠির সূত্রেই গ্রেফতার শঙ্কর, বিদেশে লেনদেন ২০ হাজার কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক আধ টাকা নয় অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে লেনদেন করেছেন তৃণমূল নেতা তথা বনগাঁর প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্য। শনিবার আদালতে এমনই অভিযোগ এনেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। দাবি মোট ৯০ টি ফরেক্স সংস্থার মাধ্যমে এই বিপুল অঙ্কের টাকার লেনদেন করা হয়েছে। শঙ্কর আঢ্য-এর এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে এই কথা জানিয়েছেন বলে দাবি ইডি (ED)। গতরাতে শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতার করতে গিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড বাধে শঙ্কর আঢ্যর বাড়ির সামনে। লাঠিচার্জ করতে হয় সিআরপিএফকেও। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় শঙ্করকে।

    বিস্মিত বিচারক

    আজকে তাঁকে (শঙ্কর) আদালতে পেশ করা হয়। জানা গিয়েছে, ২০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৯ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের রয়েছে, এমনটাই দাবি ইডির (ED)। ইডির তরফে জানানো হয়েছে দুর্নীতির এই টাকা প্রথমে পাঠানো হয়েছে দুবাইতে। ইডির আরও দাবি, গত ১০ বছর ধরেই এই বিপুল দুর্নীতি চলছে। এদিন শুনানি চলাকালীন বিস্ময় প্রকাশ করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘‘এত টাকা লেনদেন, আর বলা হচ্ছে, এটা নাকি গরিব রাজ্য।’’ এদিনই ধৃত শঙ্কর আঢ্যকে ১৪ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে চায় ইডি (ED)। সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।

    হাসপাতাল থেকে জ্যোতিপ্রিয়র চিঠির সূত্র ধরেই গ্রেফতার শঙ্কর 

    সব থেকে বড় আশ্চর্যের কথা, এসএসকেএম-এ হাসপাতালে শুয়ে থাকা জ্যোতিপ্রিয় কন্যার মাধ্যমে নিজের হাতে লেখা চিঠি পাঠাতো। সেই চিঠিও ইতিমধ্যে হাতে এসেছে ইডির (ED)। আদালতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, হাসপাতালে মেয়ের হাতে চিঠি তুলে দিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়। সেই চিঠির সূত্র ধরেই গ্রেফতার করা হয়েছে বনগাঁর প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্করকে। বাংলা এবং ইংরেজি মিশিয়ে লেখা ছিল সেই চিঠি। ১৯ ডিসেম্বর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে জেরা করার সময় তিনি সেই চিঠির কথা স্বীকারও করে নেন। তাতে আরও একাধিক জনের নামের উল্লেখ রয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি (ED)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shankar Adhya: ফুটপাত ব্যবসায়ী থেকে কোটিপতি! বালুর ঘনিষ্ঠ হতেই শঙ্করের উত্থান তৃণমূলে

    Shankar Adhya: ফুটপাত ব্যবসায়ী থেকে কোটিপতি! বালুর ঘনিষ্ঠ হতেই শঙ্করের উত্থান তৃণমূলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির মামলায় বালু ঘনিষ্ঠ বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান  শঙ্কর আঢ্যকে (Shankar Adhya) ইডি গ্রেফতার করেছে। তাঁর বাড়ি থেকে প্রচুর আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নথি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কে এই শঙ্কর? দাপুটে তৃণমূল নেতা হলেও আগে তিনি কী করতেন? কীভাবে হয়ে উঠলেন দাপুটে তৃণমূল নেতা।

    ফুটপাত ব্যবসায়ী থেকে কোটিপতি! (Shankar Adhya)  

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শঙ্কর আঢ্যর (Shankar Adhya) বাবা হারাধন আঢ্য একসময় ফুটপাতে কাটাকাপড়ের ব্যবসা করতেন। কোনও রকমে সংসার চলত। ফুটপাতের ওই দোকানে বাবাকে সাহায্য করতেন শঙ্কর। পরে,বনগাঁ পেট্রাপোলে একটি বিদেশি মুদ্রা বিনিময় দোকানে কাজ শুরু করেন। ধীরে ধীরে নিজের নামে লাইসেন্স করে নিজেই বিদেশি মুদ্রা বিনিময় করতেন। ধীরে ধীরে ফুলে ফেঁপে উঠতে থাকেন শঙ্কর। এরপর বনগাঁ-শিমুলতলা চত্বরে বিদেশি মদের দোকান খোলেন। কোটি টাকার মালিক হয়ে ওঠেন।

    কাউন্সিলর খুনে অভিযুক্ত ছিলেন শঙ্কর

    ২০০৫ সালের প্রথম দিকে জালটাকা কারবারের অভিযোগে ডিআরআই তাঁর অফিসে হানা দেয়। উদ্ধার হয় প্রচুর জাল টাকা। সেই অভিযোগে বেশ কয়েকমাস জেলেও ছিলেন তিনি। ২০০৫ সালে বনগাঁর প্রয়াত বিধায়ক ভূপেন্দ্রনাথ শেঠের উদ্যোগে শঙ্কর প্রথম পুরসভার ভোটে কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেন। ২০০৬ সালে বনগাঁ-চাকদা রোড সংস্কারের কাজ শুরু হয়। সেই সময় চাকদা রোডের পাশে প্রচুর প্রাচীন গাছ বেনামে বিক্রি হয়। সেই গাছের টাকা ও বনগাঁ পুরসভার টাকা লেনদেন নিয়ে শঙ্করের (Shankar Adhya) সঙ্গে বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরের বিবাদ শুরু হয়। ২০০৬ সালে ২১ জুন বনগাঁ পুরসভার কয়েকজন কাউন্সিলর-সহ তাঁদের পরিবার পুরীতে বেড়াতে যান। ২২ জুন সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে খুন হয় বনগাঁর কাউন্সিলর তাপস মিত্র। সেই খুনের দুই অভিযুক্ত ছিলেন শঙ্কর আঢ্য আর বনগাঁর বর্তমান তৃণমূল কাউন্সিলর নারায়ণ ঘোষ ওরফে নান্ত। সেই সময় প্রায় তিন বছর পুরীর জেলে ছিলেন দুই অভিযুক্ত।

    জ্যোতিপ্রিয় মাথায় হাত রাখতেই পুরপ্রধান হন শঙ্কর!

    ২০১০ সালে নিজের ওয়ার্ডটি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হয়ে যাওয়ায় তিনি ভোটে না দাঁড়িয়ে প্রার্থী করেছিলেন স্ত্রী জ্যোৎস্নাকে। ভোটে জিতে জ্যোৎস্না পুরপ্রধান হন। রাজনৈতিক পদোন্নতি ও সামাজিক প্রভাব বাড়তে শুরু করেছিল ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই। সেসময় থেকেই জ্যোতিপ্রিয়বাবুর সঙ্গেও তাঁর সুসম্পর্ক গড়ে উঠতে থাকে। ২০১৫ সালে পুর নির্বাচনে বনগাঁর ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২০টিতে তৃণমূল জয়লাভ করে। ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জয়ী হয়ে চেয়ারম্যান হন শঙ্কর। জ্যোতিপ্রিয়র কথায়, বনগাঁর চেয়ারম্যান হন তিনি। পরবর্তী সময়ে তাঁকে বনগাঁ শহর তৃণমূলের সভাপতি করা হয়, বাগদায় দলের পর্যবেক্ষকও করা হয়েছিল। এছাড়াও দলের একাধিক পদ সামলেছেন শঙ্কর (Shankar Adhya)।

    শঙ্করের বিরুদ্ধে দলেই বিদ্রোহ শুরু হয়ছিল

    ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বনগাঁ পুরসভা এলাকায় বিজেপির থেকে ভোটের নিরিখে প্রায় ১৮ হাজার ভোটে পিছিয়ে যায় তৃণমূল। এরপরেই বনগাঁ পুরসভার ১৪ জন কাউন্সিলর শঙ্করের (Shankar Adhya) বিরুদ্ধে স্বৈরাচার ও স্বজনপোষণের অভিযোগ এনে অনাস্থা এনেছিল। বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস তৃণমূল জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের কাছে শঙ্করকে সরিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। পরে, কয়েকজন কাউন্সিলর তৃণমূলে ফিরে আসায় ধ্বনিভোটে জয়লাভ করেন শঙ্কর। সম্প্রতি শঙ্কর জানিয়েছিলেন, জ্যোতিপ্রিয়র কথায় অনেক অনৈতিক কাজ করে বনগাঁর মানুষের মন থেকে দূরে সরে গিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটে বনগাঁয় তৃণমূলের পরাজয়ের পরে শঙ্করকে সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দলে কিছুটা কোণঠাসা ছিলেন!

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shankar Auddy: তৃণমূল নেতা শঙ্করের বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা, নথি উদ্ধার করল ইডি

    Shankar Auddy: তৃণমূল নেতা শঙ্করের বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা, নথি উদ্ধার করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল শক্রবার টানা ১৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডির হাতে গ্রেফতার বালু ঘনিষ্ঠ বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্য (Shankar Auddy)। রাতেই নিয়ে আসা হয়েছে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। উল্লেখ্য বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে বের করার সময়ে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তদন্তকারী অফিসারদের উপর ব্যাপক চড়াও হয়। 

    আবার, একই ভাবে গতকাল শুক্রবার সন্দেশখালিতে ইডি, তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তদন্ত করতে গেলে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে অফিসারদের মাথা ফাটানোর ঘটনা ঘটে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় রাজ্যজুড়ে। প্রশাসনের জঙ্গলরাজ বলে সরব হয়েছেন রাজ্যপাল। রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্য রাজনীতি এখন ব্যাপক সরগরম।

    ইডির দাবি (Shankar Auddy)

    তৃণমূল নেতা শঙ্করকে (Shankar Auddy) উদ্দেশ্য করে গতকাল সকাল ৭ টা থেকে বনগাঁর শিমুলতলায় শ্বশুর বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর তাঁর বাড়িতে চলে অভিযান। মোট সাতজন তদন্তকারী অফিসার গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া চালান। এরপর ফের আরেকবার তাঁর শ্বশুরের বাড়ি যান অফিসারেরা। সেখানে চলে রাত সাড়ে ৯ টা পর্যন্ত তাল্লাশি। ইডি দাবি করে, সেই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় সাড়ে আট লক্ষ টাকা। সেই সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত সন্দেহ জনক নথি। এরপর আবার তাঁকে নিজের বাড়িতে এনে রাত সাড়ে ১২ টায় গ্রেফতার করে ইডি। আজ তাঁকে আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    গ্রেফতারের পর বিক্ষোভ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতা শঙ্করকে (Shankar Auddy) রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করে বাড়ি থেকে বের হলে তাঁর অনুগামী এবং দুষ্কৃতীরা তদন্তকারী অফিসারদের সামনেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। একেবারে মহিলারা সামনে গিয়ে, তাঁকে নিয়ে যেতে বাধা প্রদান করতে দেখা যায়। সেই সঙ্গে ইডিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইট। চলে লাগাতার গালিবর্ষণ, পালাটা নিরাপত্তা বাহিনী লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    পরিবারের বক্তব্য

    তৃণমূলের নেতা শঙ্করের (Shankar Auddy) স্ত্রী জ্যোৎস্না আঢ্য বলেন, “জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জেলার সভাপতি ছিলেন। দলের কাজে আমরা যেতাম। তিনিও আসতেন, তাই বলে গ্রেফতার করতে হবে? তদন্তকারী অফিসারেরা ব্যবসার কাগজপত্র দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এরপর একটা কাগজ দেখিয়ে বলে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের চিঠি এটা আর তার ভিত্তিতেই গ্রেফতার করেছে ওঁকে। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Scam: দুর্নীতির ঘোলা জলে গারদের পিছনে তৃণমূলের কোন ‘জেলবাবু’রা?

    TMC Scam: দুর্নীতির ঘোলা জলে গারদের পিছনে তৃণমূলের কোন ‘জেলবাবু’রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীদের গতবছর যে সংখ্যা ছিল ২০২৩ সালে সেই সংখ্যা বেশ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ২০২৩ সালে তৃণমূলের একের পর এক নেতা থেকে মন্ত্রী, রাঘব বোয়ালরা জেলে গিয়েছেন। সামনে এসেছে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে রেশন কেলেঙ্কারি। আমরা এক নজরে দেখে নেব ২০২৩ সালে যাঁরা ঢুকলেন গারদের পিছনে সেই জেল বাবুদের কথা।

    ২০২৩ সালে গ্রেফতার হন রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

    ২০২৩ সালে দুর্গাপুজোর পরেই গ্রেফতার করা হয় রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। রেশন দুর্নীতিতে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে জ্যোতিপ্রিয়র বিরুদ্ধে। ২৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে ইডি।

    দুর্গাপুজোর আগে গ্রেফতার জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ বাকিবুর

    চলতি বছরে দুর্গাপুজোর ঠিক আগেই গ্রেফতার করা হয় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানকে। কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযোগ, বেআইনিভাবে ১০০ কোটিরও বেশি টাকার মালিক হন বাকিবুল। চলতি বছরের ১৪ অক্টোবর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার কালীঘাটের কাকু

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করা কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র গারদের পিছনে যান চলতি বছরের ৩০ মে। নিজের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় কাকুকে। নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এছাড়াও তদন্তে অসহযোগিতারও অভিযোগ ওঠে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বিরুদ্ধে। গ্রেফতার হওয়ার তিন মাসের মাথায় তাঁর বাইপাস সার্জারি হয়। তখন থেকেই তিনি এসএসকেএম-এর বেডে শুয়ে রয়েছেন তিনি।

    নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার তাপস মণ্ডল

    চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করা হয় তাপস মণ্ডলকে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি জেলবন্দি মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত তাপস মণ্ডল। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে বেআইনিভাবে টাকা তোলার।

    গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ

    এপ্রিল মাসেই গ্রেফতার করা হয় বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বিধায়ককে গ্রেফতার করতে গিয়ে বেশ নাজেহাল হতে হয় সিবিআইকে। নিজের মোবাইল ফোন পুকুরের জলে ছুড়ে ফেলে দেন জীবনকৃষ্ণ। তা তুলে তা তুলে আনতে হিমশিম খেতে হয় সিবিআইকে। অন্যদিকে মোবাইলের মেমোরি কার্ড সিঁদুরের কৌটোর মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিলেন বিধায়ক।

    ২০ মার্চ গ্রেফতার অয়ন শীল

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তৃণমূলের যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার হতেই উঠে আসে প্রোমোটার অয়ন শীলের নাম। ২০ মার্চ গ্রেফতার করা হয় অয়ন শীলকে। তল্লাশির সময় তাঁর বাড়ি থেকে বেশ কিছু চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা এবং ওএমআর সিট মেলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSKM: প্রভাবশালীদের দখলে এসএসকেএম-এর বেড, জনস্বার্থ মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    SSKM: প্রভাবশালীদের দখলে এসএসকেএম-এর বেড, জনস্বার্থ মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতিগ্রস্তদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতাল। এবার এই অভিযোগেই জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। আগামী জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে। ওই মামলার মূল নির্যাস হল, চিকিৎসার প্রয়োজন ছাড়াই প্রভাবশালীরা জোরপূর্বক এসএসকেএম-এর বেড দখল করে রয়েছেন। এতে মানুষের চিকিৎসা করাতে অসুবিধা হচ্ছে। সাধারণ রোগীরা বেড পাচ্ছেন না।

    আরও পড়ুুন: গ্যাসেও কাটমানি! আধার সংযোগ করতে মন্ত্রীর স্ত্রী নিচ্ছেন ২০০ টাকা! বাড়ির সামনে বিক্ষোভ

    প্রভাবশালীদের দখলে বেড

    ওই মামলাতে আরও আবেদন করা হয়েছে, যে সমস্ত প্রভাবশালী ভর্তি রয়েছেন এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে। তাদের মেডিকেল রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হোক এবং সেগুলিকে আলাদাভাবে কেন্দ্রীয় কোনও হাসপাতালে পরীক্ষা করানো হোক। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে বেড দখল করে রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর বিরুদ্ধে। দিন কয়েক আগে হার্টের অপারেশনের রোগীকে বেড থেকে নামিয়ে দিয়ে কালুঘাটে কাকুকে মাঝরাতে সেই বেডে রাখা হয়। এই ঘটনা ঘটে ঠিক কালীঘাটের কাকুর গলার কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করানোর আগের রাতে। এর ফলে ইডির পক্ষে আর সম্ভব হয়নি কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করা। এখানেই উঠতে থাকে প্রশ্ন।

    রোগী মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে এসএসকেএম-এ

    অন্যদিকে, একই অভিযোগ রয়েছে রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধেও। যে তাঁর হার্টের কোনও সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও, প্রথমে কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করানো হয়। এর পাশাপাশি ওই এসএসকেএম হাসপাতালে বেড না পেয়ে রোগীমৃত্যুর অভিযোগও উঠেছে। হাওড়ার এক বৃদ্ধা প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে পড়েছিলেন হাসপাতাল চত্বরে। এরপর তাঁকে অন্যত্র রেফার করে কর্তৃপক্ষ। পরে ফের তাঁকে এসএসকেএম-এ (SSKM) আনা হয়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: পার্থর যেমন ছিলেন অর্পিতা, বালুরও তেমন ছিলেন নন্দিনী! হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন স্বামীই

    Jyotipriya Mallick: পার্থর যেমন ছিলেন অর্পিতা, বালুরও তেমন ছিলেন নন্দিনী! হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন স্বামীই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অর্পিতার সম্পর্কের কথা আজ আর কারও অজানা নয়। অনেকেই আড়ালে বলাবলি করছেন, তৃণমূলের প্রতিটি ‘সফল’ ব্যক্তির পিছনেই নাকি একজন ‘নারীর’ অবদান থাকে। আর তৃণমূল নেতাদের উত্থানের সঙ্গে এমন ‘নারী’দের জড়িয়ে থাকার ঘটনার খবরও তো আকছা্র হচ্ছে। তাহলে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) মাথায় কার স্নেহমাখা হাত? এমন একটা গুঞ্জন গত কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। এবার সেই রহস্যেরও কিনারা হল। হ্যাঁ, জানা গেল, জ্যোতিপ্রিয় তথা বালুরও বান্ধবী ছিলেন, যিনি কিনা তাঁর সঙ্গে দার্জিলিং পর্যন্ত ঘুরে এসেছেন। আবার এই তথ্য যে কারও দেওয়া, এমনটা নয়, হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন ওই মহিলারই স্বামীই।

    কী তথ্য সামনে এল? (Jyotipriya Mallick)

    বিধাননগর পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নন্দিনী বন্দ্যোপাধ্যায়ই এখানে মূখ্য চরিত্র। তাঁর স্বামী হলেন জয়ব্রত। এক ভিডিওতে তিনি দাবি করেছেন, ২০১৭ সাল থেকেই তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়র অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল। তাঁর একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। কিন্তু তাঁকে ফেলেই স্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) সঙ্গে চলে গিয়েছিলেন দার্জিলিং ঘুরতে। এমনকী সেই সম্পর্কের জেরেই তিনি বিধাননগর পুরসভার টিকিট পেয়ে কাউন্সিলর পর্যন্ত হয়ে যান। এখানেই থেমে থাকেননি। ‘বালুদা’র জন্য বাড়ির তৈরি খাবার নিয়ে যাওয়া, মুড়ি মেখে নিয়ে যাওয়া এসব তো চলতই। এভাবেই ধীরে ধীরে বালুর প্রিয়জন হয়ে উঠেছিলেন তিনি। পুরস্কার হিসেবে মেলে ফ্ল্যাটও। এরপরই তাঁর আসল চেহারা বেরিয়ে পড়ে। তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে ক্রমশ দূরত্ব বাড়াতে থাকেন। স্বামীকে তাঁর ফ্ল্যাটে আসতেও বারণ করেন। স্বামীর অভিযোগ, গত সেপ্টেম্বরে স্ত্রীর নতুন ফ্ল্যাটে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকী স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের করেন। ভিডিও বার্তায় তাঁর দাবি, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুরও আবেদন জানিয়েছেন।

    কী বললেন অভিযুক্ত কাউন্সিলার?

    ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই চারদিকে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বাধ্য হয়ে মুখ খুলেছেন কাউন্সিলার নন্দিনী। তিনি সংবাদ মাধ্যমে বলেন, তাঁর স্বামী যা যা বলেছেন সবটাই মিথ্যা। তাছাড়া বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। এভাবে আমাকে উনি অসম্মান করেছেন। এর বিরুদ্ধেও আমি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। তিনি আরও বলেছেন, তিনি এবং জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) একসঙ্গে জেলায় রাজনীতি করেছেন। তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক এইটুকুই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মানিকচকে পুকুরপাড় থেকে শতাধিক রেশন কার্ড উদ্ধার! দুর্নীতির আরও এক চক্র?

    Malda: মানিকচকে পুকুরপাড় থেকে শতাধিক রেশন কার্ড উদ্ধার! দুর্নীতির আরও এক চক্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) মানিকচকে পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার শতাধিক রেশন কার্ড! ঘটনাটি ঘটেছে মানিকচক গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনের সংলগ্ন পুকুরে। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গেছে এলাকায়। উদ্ধার হয়েছে ১০৫টি রেশন কার্ড। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিডিও। কীভাবে এই কার্ড এলো, তারই তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে তৃণমূলের বর্তমান বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং মন্ত্রীঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে ইডি। ফের রেশন কার্ড উদ্ধার হওয়া প্রশাসন প্রশ্নের মুখে। অনেকেরই মনে প্রশ্ন জেগেছে, এটা রেশন দুর্নীতির আরও এক চক্র নয়তো? 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Malda)?

    মঙ্গলবার সকালেই হঠাৎ মানিকচকের (Malda) পঞ্চায়েত দফতরের পাশে পুকুরের পাড়ে প্রচুর রেশন কার্ড উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়। পাশপাশি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বিডিও। এরপর এলাকার মানুষ একত্রিত হয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    মানিকচকের (Malda) স্থানীয় মানুষ অভিযোগ জানিয়ে বলেন, “এই রেশন কার্ড উদ্ধার ব্যাপক চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের গাফিলতির কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হয়েছেন। আবার অপর দিকে এই ভাবে রেশন কার্ডও উদ্ধার হয়েছে। পুরোটাই দুর্নীতির অংশ।”

    বিডিওর বক্তব্য

    মানিকচকের (Malda) বিডিও কারমবীর কেশব বলেন, “এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। কমিটি খতিয়ে দেখবে কার্ডগুলির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে কি না। যতদূর মনে হচ্ছে এই কার্ডগুলি ২০১৩ এবং ২০১৫ সালের। হয়তো নতুন কার্ড ইস্যু হয়েছে, তাই পুরাতন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। কোনও বড় পরিকল্পনা রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে সন্ধান করে দেখা হচ্ছে। এক্সেল শিট তৈরি করে সব কার্ডের নাম মিলিয়ে দেখা হবে। ব্লকের তরফ থেকে একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: এসএসকেএমে বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়, সিসিটিভিতে নজর ইডির  

    Jyotipriya Mallick: এসএসকেএমে বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়, সিসিটিভিতে নজর ইডির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। যদিও বর্তমানে তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অবশ্য দাবি, জেলে বিপাকে পড়েছেন। তাই অসুস্থতার অজুহাতে এসএসকেএমে আশ্রয় নিয়েছেন মন্ত্রীমশাই। এবার এই হাসপাতালে এসে বালু বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন। কেবিনে সিসিটিভির মাধ্যমে তাঁর উপর নজর রাখছেন ইডির তদন্তকারী অফিসাররা।

    বালু রয়েছেন কার্ডিওলজির কেবিনে (Jyotipriya Mallick)

    আদালতের বিশেষ নির্দেশে জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) এসএসকেএম হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের কেবিনে রয়েছেন। প্রতিদিন কারা কারা তাঁর কেবিনে আসছেন, কাদের সঙ্গে কথা বলছেন এই সব কিছু নজরে রাখছেন ইডির আধিকারিকরা। যদিও গ্রেফতারের পর থেকে দুই দফায় জেরা করার পর প্রেসিডেন্সি জেলে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে জেল চিকিৎসকরা এসএসকেএমে স্থানান্তরণের পরামর্শ দেন। এরপর পরেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএমে।

    হাসপাতাল সূত্রে খবর

    এসএসকেএম হাসপাতাল সূত্র জানা গিয়েছে, জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) রক্তচাপ খুব ওঠানামা করছে। মাঝে মাঝে জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন। ইতিমধ্যেই রক্তের চাপ এরকম হওয়ার পিছনে কি সুগার কম হওয়াই কারণ, তা দেখতে পরীক্ষা করছেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু তাঁর চিকিৎসার জন্য গড়া মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছে, হার্ট স্বাভাবিক রয়েছে। আজ সোমাবারে বেশ কিছু আরও পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, বালু এখন কোনও কথা বলছেন না। শব্দ না করে তিনি কেবল নাকি ঈশ্বরকে স্মরণ করছেন।

    আদলাতে ইডির কী দাবি ছিল?

    আদালতের কাছে ইডির দাবি ছিল, বালুর (Jyotipriya Mallick) কেবিনের বাইরে-ভিতরে লাগাতে হবে সিসিটিভি। কেবিনের ভিতরে কেউ ডিজিটাল ডিভাইস নিয়ে যাচ্ছে কিনা তার দিকে নজর রাখা হবে। সিসিটিভির লিঙ্ক দেওয়া থাকতে হবে ইডির আধিকারিকদের কাছে। কেবিনের সমস্ত জায়গা সিসিটিভির নজরে রাখতে হবে। অবশ্য ইডির করা সমস্ত আবেদন আদালত মঞ্জুর করেছিল। আর সেই মতোই নজরদারি চলছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share