Tag: Karnataka

Karnataka

  • Brahmos: ভারত-ভিয়েতনাম কৌশলগত মৈত্রী, ৫,৮০০ কোটি টাকার ব্রহ্মোস চুক্তিতে সিলমোহর দিতে দিল্লি আসছেন প্রেসিডেন্ট তো লাম

    Brahmos: ভারত-ভিয়েতনাম কৌশলগত মৈত্রী, ৫,৮০০ কোটি টাকার ব্রহ্মোস চুক্তিতে সিলমোহর দিতে দিল্লি আসছেন প্রেসিডেন্ট তো লাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে। ভারতের তৈরি শক্তিশালী ‘ব্রহ্মোস’ (Brahmos) সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল কেনার লক্ষ্যে ৫,৮০০ কোটি টাকার ($700 Million) একটি বিশাল প্রতিরক্ষা চুক্তির পথে এগোচ্ছে ভিয়েতনাম। এই লক্ষ্যেই একটি উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত মিশনে ভারত সফরে আসছেন ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লাম (To Lam)।

    উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Brahmos)

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তিটি সম্পন্ন হলে তা হবে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম মাইলফলক। এর আগে ফিলিপিন্স ভারতের থেকে ব্রহ্মোস কেনার চুক্তি করলেও, ভিয়েতনামের এই সম্ভাব্য চুক্তির আর্থিক মূল্য এবং কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেশি। মূলত সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতেই ভিয়েতনাম (To Lam) ভারতের এই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির (Brahmos) ওপর আস্থা রাখছে।

    কেন এই সফর গুরুত্বপূর্ণ?

    কৌশলগত ভারসাম্য: দক্ষিণ চিন সাগরে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ভারত ও ভিয়েতনামের এই ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা (Brahmos)  সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    মেক ইন ইন্ডিয়া: ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ব্রহ্মোস (Brahmos)  ক্ষেপণাস্ত্রের বিশ্ববাজারে চাহিদা বাড়ছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন হলে ভারতের ‘প্রতিরক্ষা রফতানি লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হবে।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক: প্রেসিডেন্ট তো লামের এই সফরে কেবল প্রতিরক্ষা নয়, বরং মহাকাশ গবেষণা, সাইবার নিরাপত্তা এবং বাণিজ্যিক আদান-প্রদান নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের বিশেষত্ব

    ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রটি বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলগুলির (Brahmos) মধ্যে অন্যতম। এটি জল, স্থল এবং আকাশ—তিনটি মাধ্যম থেকেই উৎক্ষেপণ করা যায়, যা ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে কয়েক গুণ শক্তিশালী করে তুলবে।

    প্রেসিডেন্ট তো লামের এই ভারত সফরকে ঘিরে নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে প্রস্তুতি তুঙ্গে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ৫,৮০০ কোটি টাকার চুক্তি কেবল অস্ত্রের লেনদেন নয়, বরং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে (Indo-Pacific Region) শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের একজোট হওয়ার একটি জোরালো বার্তা। ফলে ভারতের প্রতিরক্ষা সুরক্ষার ক্ষেত্রে স্বদেশী অস্ত্র বিদেশের বাজারে বিরাট চাহিদা সৃষ্টি করেছে বলেই মনে করছেন অনেকে। এই রফতানি প্রতিরক্ষা দফতরের  বড় সাফল্য।

  • Congress MLA Vinay Vulkarni: খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত, বিধায়ক পদ খোয়ালেন কর্নাটকের কংগ্রেস নেতা বিনয় কুলকার্নি

    Congress MLA Vinay Vulkarni: খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত, বিধায়ক পদ খোয়ালেন কর্নাটকের কংগ্রেস নেতা বিনয় কুলকার্নি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুনের মামলায় আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় বিধানসভার সদস্যপদ হারালেন কর্নাটকের (Karnataka) প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতা তথা বিধায়ক বিনয় কুলকার্নি (Congress MLA Vinay Vulkarni)। ভারতীয় সংবিধান ও জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী, তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ করার নির্দেশ জারি করেছে বিধানসভা সচিবালয়।

    ঘটনার বিবরণ ও আদালতের রায় (Congress MLA Vinay Vulkarni)

    ধারওয়াড় জেলা (Karnataka) পঞ্চায়েত সদস্য যোগেশ গৌড়া খুনের মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন বিনয় কুলকার্নি (Congress MLA Vinay Vulkarni)। ২০১৬ সালে একটি জিম থেকে বেরোনোর সময় যোগেশ গৌড়াকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্তের পর বিশেষ আদালত বিনয় কুলকার্নিকে এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1951) অনুযায়ী, কোনও সাংসদ বা বিধায়ক দুবছর বা তার বেশি মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে তিনি অবিলম্বে তাঁর পদের যোগ্যতা হারান। সেই আইনি প্রক্রিয়া মেনেই কুলকার্নির সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে।

    ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকেই এই পদচ্যুতি কার্যকর

    বিনয় কুলকার্নি (Congress MLA Vinay Vulkarni) কর্নাটকের ধারওয়াড় বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিনিধি ছিলেন। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তাঁর এই অপসারণ কর্নাটক (Karnataka) কংগ্রেসের পক্ষে একটি বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে লিঙ্গায়েত ভোটব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে তাঁর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।

    কর্নাটক বিধানসভা থেকে বিনয়কে পদচ্যুত করা হয়েছে। ২ মে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ভারতীয় সংবিধান এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের বিধান অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্ত হওয়ার তারিখ অর্থাৎ ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকেই এই পদচ্যুতি কার্যকর করা হয়েছে, যার ফলে ধরওয়াড় বিধানসভা আসনটি বর্তমানে শূন্য হয়ে পড়েছে।

    পরবর্তী পদক্ষেপ

    নির্বাচন কমিশন শীঘ্রই ধারওয়াড় আসনে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে। তবে কুলকার্নির (Congress MLA Vinay Vulkarni) আইনজীবীরা এই রায়কে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। উচ্চ আদালত যদি নিম্ন আদালতের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়, তবেই তাঁর সদস্যপদ ফিরে পাওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনা থাকবে।

  • Karnataka Congress: কর্নাটকে কংগ্রেসে অসন্তোষ তুঙ্গে, ৩০-র বেশি বিধায়কের দিল্লি অভিযান

    Karnataka Congress: কর্নাটকে কংগ্রেসে অসন্তোষ তুঙ্গে, ৩০-র বেশি বিধায়কের দিল্লি অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকে ক্ষমতাসীন কংগ্রেসের (Karnataka Congress) অন্দরে ক্রমশই বাড়ছে অসন্তোষ। মন্ত্রিসভায় রদবদল এবং নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়ার দাবিতে ৩০ জনেরও বেশি কংগ্রেস বিধায়ক রবিবার দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। তাঁরা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে এই দাবি জানাবেন বলে জানা গিয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, দিল্লিতে গিয়ে বিধায়করা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে.সি. ভেনুগোপাল, কর্নাটক দায়িত্বপ্রাপ্ত রণদীপ সুরজওয়ালা এবং রাহুল গান্ধীর-র সঙ্গে বৈঠক করবেন। সোম ও মঙ্গল এই দু’দিনের মধ্যেই বৈঠকগুলি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কী নিয়ে বিক্ষোভ কর্নাটক কংগ্রেসে

    বিধায়কদের মূল দাবি, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া যেন দ্রুত মন্ত্রিসভায় রদবদল করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সুযোগ না পাওয়া সিনিয়র নেতাদের মন্ত্রীত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কংগ্রেস বিধায়ক বেলুর গোপালকৃষ্ণ বলেন, “অনেক নেতাকে তিন, চার, এমনকি পাঁচবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই যারা এখনও সুযোগ পাননি, তাঁদেরও এবার সুযোগ দেওয়া হোক।” অন্যদিকে, বিধায়ক অশোক পট্টন জানান, “আমাদের একটাই দাবি—যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মন্ত্রিসভা রদবদল করে আমাদের মতো সিনিয়র সদস্যদের সুযোগ দিতে হবে।” উল্লেখ্য, কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারের প্রায় তিন বছর পূর্ণ হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই মন্ত্রী কে.এন. রাজন্না এবং বি. নাগেন্দ্রের পদত্যাগের ফলে দুটি মন্ত্রিসভার আসন খালি রয়েছে। বিধায়কদের অভিযোগ, বহু বর্তমান মন্ত্রী একাধিকবার দায়িত্ব পেয়েছেন, ফলে অন্যদের জন্য সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।

    ২৫টি মন্ত্রিত্বে পরিবর্তনের দাবি

    সূত্রের খবর, প্রায় ২৫টি মন্ত্রিত্বে পরিবর্তনের দাবি উঠতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য কংগ্রেসে (Karnataka Congress) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের শিবিরের মধ্যে মতভেদের ইঙ্গিত মিলছে। যেখানে সিদ্দারামাইয়ার অনুগামীরা রদবদলের পক্ষে, সেখানে শিবকুমার এই প্রস্তাবে অনীহা দেখাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। এখন কংগ্রেস হাইকম্যান্ড এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

  • Espionage Case: নৌসেনার তথ্য পাচার পাকিস্তানে! চরবৃত্তির অভিযোগে কেরলে ধৃত পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা

    Espionage Case: নৌসেনার তথ্য পাচার পাকিস্তানে! চরবৃত্তির অভিযোগে কেরলে ধৃত পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) সংবেদনশীল তথ্য পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে কেরলে গ্রেফতার করা হল পশ্চিমবঙ্গের এক বাসিন্দাকে। পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গোপন তথ্য ফাঁসের একটি চক্র সক্রিয় ছিল। সম্প্রতি কর্নাটকে দায়ের হওয়া গুপ্তচরবৃত্তি মামলায় (Espionage Case) চতুর্থ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে কেরল পুলিশ (Kerala Police)। এই ঘটনার তদন্ত এখন একাধিক রাজ্যে বিস্তৃত হয়েছে।

    গোপন তথ্য বেআইনিভাবে পাঠানো

    পুলিশ সূত্রে খবর, ১৭ ফেব্রুয়ারি উডুপি পুলিশ ২১ বছর বয়সি আলিফ ইসলামকে গ্রেফতারের কথা নিশ্চিত করে। তিনি পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা বলে জানা গেলেও কেরালার ইডুক্কি জেলার মারায়ুর গ্রামে বসবাস করছিলেন। তার পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং বিদেশি যোগাযোগ রয়েছে কি না তাও যাচাই করছে পুলিশ। এই মামলার সূত্রপাত মালপে থানায় দায়ের হওয়া একটি অভিযোগের ভিত্তিতে। অভিযোগে বলা হয়, উডুপি জেলার মালপে বন্দরে অবস্থিত কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের একটি ইউনিট থেকে গোপন তথ্য বেআইনিভাবে পাঠানো হয়েছে। কেরলের সরকারি এই প্রতিরক্ষা সংস্থা ভারতীয় নৌসেনার জন্য টাগবোট, সহায়ক জাহাজসহ বিভিন্ন নৌযান নির্মাণ করে এবং বেসরকারি ক্ষেত্রেও পরিষেবা দেয়।

    আর্থিক সুবিধার আশ্বাস দিয়ে জাল বিস্তার

    তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, জাহাজের নম্বর, গতিবিধির সময়সূচি ও প্রযুক্তিগত তথ্য হোয়াটসঅ্যাপ এবং ফেসবুকের মাধ্যমে পাকিস্তানে অবস্থানকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের কাছে পাঠানো হচ্ছিল। প্রায় দেড় বছর ধরে এই তথ্য আদান-প্রদান চলছিল বলে অভিযোগ, পরে তা ধরা পড়ে। পুলিশের দাবি, অনলাইন যোগাযোগের মাধ্যমে অভিযুক্তদের প্রলোভন দেখিয়ে আর্থিক সুবিধার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। বাজেয়াপ্ত মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এবং ব্যাঙ্ক লেনদেনের নথি খতিয়ে দেখছে ডিজিটাল ফরেনসিক দল। সম্ভাব্য ‘হ্যান্ডলার’দের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।

    আরও এক মূল সন্দেহভাজনের খোঁজ

    এর আগে নভেম্বর ও ডিসেম্বর ২০২৫-এ আরও তিন অভিযুক্ত—গুজরাটের হিরেন্দ্র কুমার এবং উত্তরপ্রদেশের রোহিত ও সন্ত্রী—গ্রেফতার হয়। রোহিত ও সন্ত্রী সুশমা মেরিন প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি বেসরকারি ঠিকাদারি সংস্থার মাধ্যমে মালপে ইউনিটে কাজ করতেন। তদন্তকারীদের সন্দেহ, কেরলে কর্মরত থাকাকালীন সময় থেকেই রোহিত গোপন তথ্য পাঠাচ্ছিল। পুলিশের মতে, আলিফ ইসলামের গ্রেফতার এই গুপ্তচরচক্রের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক উন্মোচনে সহায়ক হতে পারে। আরও এক মূল সন্দেহভাজন এবং একটি ফেসবুক পেজের অ্যাডমিনের খোঁজে তল্লাশি চলছে, যার মাধ্যমে যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান শুরু হয়েছিল বলে অভিযোগ।

    বিভিন্ন রাজ্যে তদন্তের জাল

    অভ্যন্তরীণ তদন্তে তথ্য ফাঁসের আশঙ্কা প্রকাশ পেলে প্রথম অভিযোগ দায়ের করেন কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের সিইও। প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর রাষ্ট্র-বিরোধী কার্যকলাপ ও গোপন তথ্য বেআইনিভাবে আদান-প্রদানের ধারায় মামলা রুজু করে উডুপি পুলিশ। উডুপির পুলিশ সুপার হরিরাম শঙ্কর জানিয়েছেন, তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে এবং শীঘ্রই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ও জাতীয় পর্যায়ের সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হতে পারে। এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক বলেন, “প্রতিষ্ঠানটির কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় রেখে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

  • ISIS Terrorist: কর্নাটকে জেলের ভেতরে বসেই রাজপাট সামলাচ্ছে আইসিস জঙ্গি!

    ISIS Terrorist: কর্নাটকে জেলের ভেতরে বসেই রাজপাট সামলাচ্ছে আইসিস জঙ্গি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাজা পেয়ে ভোগ করছে কারাদণ্ড। অথচ, জেলের মধ্যেই তারা রয়েছে রাজসুখে। সম্প্রতি বেঙ্গালুরর (Karnataka) পারাপ্পানা অগ্রহারা সেন্ট্রাল জেলে নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগ উঠছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, শহরের সবচেয়ে বিপজ্জনক কিছু বন্দি মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে জেলের চৌখুপির ভেতরে বসেই (ISIS Terrorist)। উচ্চ-নিরাপত্তা বলয় থাকা সত্ত্বেও, এই বিশেষ সুবিধা ভোগ করছে কয়েকজন বন্দি।

    রাজসুখে বন্দিরা! (ISIS Terrorist)

    একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, আইএসআইএস জঙ্গি জুহাদ হামিদ শাকিল মান্না জেলের ভেতরেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার অনুগামীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। আর একটি ভিডিওয় সিরিয়াল ধর্ষক ও খুনি উমেশ রেড্ডিকে তার সেলে আয়েশ করে বসে টিভি দেখতেও দেখা গিয়েছে। এই দুজনই কর্ণাটকের সবচেয়ে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত জেলগুলির একটিতে শাস্তি ভোগ করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি প্রকাশিত ভিডিওগুলি জেল পরিচালনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলেছে। ব্যাপক সমালোচনার পর কারা কর্তৃপক্ষ শনিবার (৮ নভেম্বর) হবে বলে জানিয়েছে যে ক্লিপগুলির সত্যতা যাচাই ও দায়ীদের শনাক্ত করতে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    আধিকারিকের বক্তব্য

    এক আধিকারিক বলেন, “তদন্তে যা উঠে আসবে তার ভিত্তিতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন পারাপ্পানা আগ্রাহারা জেল কর্তৃপক্ষ। গত মাসেও একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যাতে দেখা (ISIS Terrorist) গিয়েছে কুখ্যাত রাউডি-শিটার শ্রীনিবাস, যে গুব্বাচি সিনা নামে পরিচিত, কারাগারের ভেতরেই জন্মদিন পালন করছে। মোবাইল ফোনে তোলা সেই ভিডিওয় কেক কাটতে দেখা গিয়েছে তাকে। গলায় আপেলের মালা পরে দাঁড়িয়ে রয়েছে সে। তাকে ঘিরে রয়েছে অন্য বন্দিরা।

    প্রসঙ্গত, গত বছরও অনুরূপ বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল, যখন রেণুকাস্বামী নুকাস্বামী হত্যা মামলায় বর্তমানে জেলবন্দি কন্নড় অভিনেতা তথা দর্শন ঠুগুদিপ্পার কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছিল। ছবিগুলিতে দেখা গিয়েছে (Karnataka), তিনি জেলের ভেতরে আরাম করে বসে আছেন। তাঁর হাতে ধরা সিগারেট ও কফির মগ। খোশ মেজাজে গল্প করছেন সহ-বন্দিদের সঙ্গে (ISIS Terrorist)।

  • Karnataka: নেতৃত্বের প্রশ্নে ফের অশান্তি শুরু কর্নাটক কংগ্রেসে

    Karnataka: নেতৃত্বের প্রশ্নে ফের অশান্তি শুরু কর্নাটক কংগ্রেসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেতৃত্বের প্রশ্নে ফের অশান্তি শুরু হয়েছে কর্নাটক (Karnataka) কংগ্রেসে। মাত্র চার মাসের মধ্যে মাণ্ড্য জেলার এক প্রাক্তন সাংসদ ও তিনজন বর্তমান বিধায়ক-সহ দলের চার নেতাকে প্রকাশ্যে উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন করার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

    নোটিশে অভিযোগ (Karnataka)

    দলের শৃঙ্খলা কমিটির পাঠানো ওই নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তাঁরা দলকে বিব্রত করেছেন এবং কংগ্রেসের হাইকমান্ডের নির্দেশের বিরুদ্ধে গিয়েছেন। প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাস থেকে প্রতি মাসেই অন্তত একজন বা দু’জন কংগ্রেস সাংসদ প্রকাশ্যে বলেছেন যে, সিদ্দারামাইয়ার বদলে শিবকুমারকে মুখ্যমন্ত্রী করা হোক, অথবা বছরের শেষের আগে তাঁকে সেই পদে উন্নীত করা হবে। এতে দলীয় ঐক্যে ফাটল চওড়া হয়েছে। যদিও সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমার নিজেরাই বারবার কোনও ক্ষমতা ভাগাভাগির চুক্তি থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।

    শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে

    জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় যাঁরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়েছেন, তাঁরা হলেন কুনিগালের বিধায়ক এইচডি রঙ্গনাথ এবং মাণ্ড্যর প্রাক্তন সাংসদ এলআর শিবরাম গৌড়া। এর আগেও মাত্র কয়েক মাস আগে চন্নাগিরির বিধায়ক শিবগঙ্গা ভি বাসবরাজ এবং রামনগরার বিধায়ক ইকবাল হুসেনকে একই ধরনের মন্তব্য করার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। ১ জুলাই শিবকুমারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও রামনগরার কংগ্রেস বিধায়ক ইকবাল হুসেন প্রকাশ্যে বলেছিলেন, সিদ্দারামাইয়া ইতিমধ্যেই পাঁচ বছর এবং আরও আড়াই বছর – মোট সাড়ে সাত বছর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যথেষ্ট সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বলেন, “ডিকে শিবকুমার দলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং দলকে ১৪০টি আসন এনে দিয়েছেন। ২০২৮ সালে কংগ্রেসকে ফের ক্ষমতায় আনার জন্য তাঁকে একটা সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।” তিনি কবুল করেন, দলের হাইকমান্ড প্রকাশ্যে নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা না করার নির্দেশ দিলেও তিনি এই মতামত কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সিং সুরজেওয়ালাকে জানিয়েছেন (Karnataka)।

    বাসবরাজের ভবিষ্যদ্বাণী

    বাসবরাজ এবারই প্রথম বিধায়ক হয়েছেন। অগাস্ট মাসে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে ডিসেম্বরের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর হতে যাচ্ছে এবং শিবকুমার মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তাঁর এই মন্তব্য শিবকুমার সঙ্গে সঙ্গেই খারিজ করে দেন। যাঁরা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে এই ধরনের মন্তব্য করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, রঙ্গনাথ শিবকুমারকে তাঁর রাজনৈতিক গুরু বলে উল্লেখ করেন এবং ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের জয়ের কৃতিত্ব দেন তাঁকেই। তিনি শিবকুমারকে উদীয়মান তারকা এবং সারা ভারতের নেতা বলেও অভিহিত করেন। তিনি বলেন, একদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তিনি এই পদে বসার যোগ্য।

    কোন্দল ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

    সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমার দুজনেই এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে গিয়ে শিবকুমার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর পদ ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনার কোনও প্রয়োজন নেই। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং আমি একসঙ্গে কাজ করছি। আমরা হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনে চলছি।” তিনি আরও জানান, তিনি কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির কার্যনির্বাহী সভাপতি জিসি চন্দ্রশেখরকে এই বিষয়ে মন্তব্য করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “বিজেপি যা বলছে, তার প্রতি আমাদের কোনও প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রয়োজন নেই (Karnataka)।” মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াও বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে তিনি তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদ সম্পূর্ণ করবেন। মাঝপথে পদত্যাগের কোনও প্রশ্নই নেই। দশেরা উদ্‌যাপনের সময়ও তিনি ফের বলেছিলেন, “কংগ্রেস সরকার ব্যক্তিগত অনুমানের ভিত্তিতে নয়, বরং দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হবে।”

    দলীয় দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    এই প্রথম নয় যে কর্নাটক কংগ্রেসের দলীয় দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, জাতিগত সমীক্ষা রিপোর্টকে ঘিরে দলটির মধ্যে বড় ধরনের বিভাজন তৈরি হয়েছিল। ওই সমীক্ষায় কর্নাটকের জাতি অনুযায়ী প্রকৃত জনসংখ্যার তথ্য প্রকাশ পায়, যা লিঙ্গায়ত, ভোক্কালিগা এবং কিছু মুসলিম গোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। তারা আশঙ্কা করেছিল, এই তথ্য রাজ্যের সংরক্ষণ রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে (Karnataka)।

    সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতা প্রকাশ্যে এই সমীক্ষার ফল এবং এর রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে তর্কেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। এই ঘটনাটি দেখিয়ে দিয়েছিল যে জাতি, সম্প্রদায় ও নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষার ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে কংগ্রেস কতটা বিভক্ত। এখন মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে সর্বশেষ অভ্যন্তরীণ বিবাদের প্রেক্ষিতে দলটি আবারও ঐক্য ও শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে, যখন দলটি সরকারে একটি স্থিতিশীল ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করছে, সেই সময় (Karnataka)।

  • BJP: “ইসলামে যদি সমতা থাকে, তাহলে মসজিদে মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ কেন?” সিদ্দারামাইয়াকে প্রশ্ন বিজেপির

    BJP: “ইসলামে যদি সমতা থাকে, তাহলে মসজিদে মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ কেন?” সিদ্দারামাইয়াকে প্রশ্ন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা যদি বলি ধর্মান্তর করো না, তবু তাদের মধ্যে অনেকেই ধর্মান্তরিত হয়। আমাদের হিন্দু সমাজে যদি সমতা ও সমান সুযোগ থাকত, তাহলে কে ধর্মান্তরিত হত? আমরা কি অছুতত্ব প্রবর্তন করেছি?” জাতি গণনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া (Siddaramaiah)। তিনি এও বলেন, “ইসলাম, খ্রিস্টান বা অন্য যে কোনও ধর্মে অসমতা থাকতে পারে। আমরা বা বিজেপি কাউকে ধর্মান্তর করতে বলেনি, তবে মানুষ করেছে… এটা তাদের অধিকার।”

    বিজেপির তোপ (BJP)

    সিদ্দারামাইয়ার এহেন মন্তব্যের জেরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি। কর্নাটক বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) আর অশোক এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে লেখেন, “ইসলামে যদি সমতা থাকে, তাহলে মসজিদে মহিলাদের প্রবেশ কেন নিষিদ্ধ? ইসলামে যদি সমতা থাকে, তাহলে তিন তালাক নিষিদ্ধ করার বিরোধিতা করা হয়েছিল কেন? ইসলামে যদি সমতা থাকে, তাহলে কুরআনে হিন্দু-সহ অবিশ্বাসীদের কেন কাফের বলা হয়? আপনি কি এই প্রশ্ন করার সাহস রাখেন, সিদ্দারামাইয়া?” তিনি আরও লেখেন, “যদি ইসলাম শান্তিপ্রিয় ধর্ম হয়, যদি মুসলমানদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ থাকে, তাহলে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিরা পর্যটকদের নাম কেন জানতে চেয়েছিল? মহিলাদের ও শিশুদের কপালে সিঁদুর খুঁজে নিয়েছিল? তাদের কলমা পাঠ করতে বলেছিল এবং শুধুমাত্র হিন্দুদের হত্যা করেছিল? আপনি কি এই প্রশ্ন করার সাহস রাখেন, সিদ্দারামাইয়া (BJP)?”

    ৪৭টি নতুন খ্রিস্টান জাত

    প্রসঙ্গত, শনিবার কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া সরকারের বিরুদ্ধে ৪৭টি নতুন খ্রিস্টান জাত তৈরি করার অভিযোগ করে বিজেপি। পদ্মশিবিরের দাবি, এটি হিন্দু সমাজ বিভক্ত করার এবং ধর্মান্তরিত প্রচারের একটি কৌশল। সরকার হিন্দু সমাজকে দুর্বল করার জন্য এ কাজ করছে। তার প্রেক্ষিতেই পাল্টা মন্তব্য করেন সিদ্দারামাইয়া (Siddaramaiah)। যারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রীকে পাটকেলটি ছুড়লেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (BJP)।

  • Rahul Gandhi: কংগ্রেসের বিরুদ্ধেই ভোট চুরির অভিযোগে সরব কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া

    Rahul Gandhi: কংগ্রেসের বিরুদ্ধেই ভোট চুরির অভিযোগে সরব কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগে সরব হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এবার তাঁর বিরুদ্ধেই ভোট চুরির অভিযোগে সরব হলেন কংগ্রসেরই নেতা কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া (Siddaramaiah)। ১৯৯১ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে রাহুলকে কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। স্বদলেরই এক বরিষ্ঠ নেতার এমনতর গুরুতর অভিযোগের জেরে বিপাকে পড়েছে কংগ্রেস। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে আসরে নেমে পড়েছে বিজেপি।

    হেরে গিয়েছিলাম জালিয়াতির কারণে (Rahul Gandhi)

    প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সালের লোকসভা নির্বাচনে কপ্পল লোকসভা কেন্দ্রে জনতা দলের প্রার্থী হয়েছিলেন সিদ্দারামাইয়া। ওই নির্বাচনে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কংগ্রেসের বাসবরাজ পাটিল আনওয়ারি। তাঁর কাছে ১১ হাজারেরও বেশি ভোটে হেরে গিয়েছিলেন সিদ্দারামাইয়া। সেদিনের কথা স্মরণ করেই বেঙ্গালুরুতে একটি অনুষ্ঠানে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া বলেন, “১৯৯১ সালে আমি ভোটে লড়েছিলাম এবং হেরে গিয়েছিলাম জালিয়াতির কারণে।” সেই কঠিন সময়ে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য তিনি রাজ্যের প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রফেসর রবি বর্মা কুমারকে ধন্যবাদও দেন।

    অমিত মালব্যর আক্রমণ

    সিদ্দারামাইয়ার ওই মন্তব্যের ভিডিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি শাখার প্রধান অমিত মালব্য বলেন, “যিনি এক সময় কংগ্রেসের ভোট চুরির বিরুদ্ধে লড়েছিলেন, তিনিই আজ কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী এবং ভোটার অধিকার মিছিলেন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তখন তিনি (সিদ্দারামাইয়া) ব্যালট পেপারে হেরে গিয়ে ভোট চুরি বলে কেঁদেছিলেন। আর আজ রাহুল গান্ধী নির্বাচনী জালিয়াতি নিয়ে হাহাকার করছেন। কারণ ভারতের মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ও হ্যাক করা যায় না, এমন যন্ত্র ইভিএমের মাধ্যমে কংগ্রেসকে সাফ করে দিয়েছে।” সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি এও লেখেন, “কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া (Siddaramaiah) প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে ১৯৯১ সালের কপ্পল লোকসভা নির্বাচনে তিনি কংগ্রেসের ভোট কারচুপির শিকার হয়েছিলেন। এটি প্রমাণ করে যে কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরেই ভোট চুরির রাজনীতি করেছে।আয়রনি হল, রাহুল গান্ধী বিজেপিকে সেই কাজের জন্য অভিযুক্ত করছেন, যা তাঁর নিজের দল দশকের পর দশক ধরে করেছে।”

    আক্রমণ পদ্ম শিবিরের

    কর্নাটকের বিরোধী দলনেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী বিজেপির আর অশোকও বলেন, “কংগ্রেস (Rahul Gandhi) প্রতারণা করে সিদ্দারামাইয়াকে হারিয়েছিল।” তিনি বলেন, “সিদ্দারামাইয়া নিজেই কংগ্রেস পার্টির মুখোশ খুলে দিয়েছেন। তিনি ১৯৯১ সালে জনতা দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন, আর এখন তিনি স্বীকার করছেন যে কংগ্রেস জালিয়াতির মাধ্যমে তাঁকে পরাজিত করেছিল। সত্যটি স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর মুখ থেকেই বেরিয়ে এসেছে।” পদ্ম শিবিরের আর এক নেতা সরাসরি রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ (Siddaramaiah) করে বলেন, “রাহুল গান্ধী কি এখন প্রতারণা ফাঁস করার জন্য সিদ্দারামাইয়াকে কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করবেন? নাকি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা শুধু দলিত নেতা সত্যিশ জারকিহোলির মতো নেতাদের জন্যই রাখা হয়েছে, যিনি আগে অপমানের শিকার হয়েছিলেন? সিদ্দারামাইয়া যখন কংগ্রেসের বিরুদ্ধেই কথা বলেছেন, তখন রাহুল গান্ধী নীরব কেন?”

    ১৯৯১ সালের অশান্ত লোকসভা নির্বাচন

    সিদ্দারামাইয়ার মন্তব্য ১৯৯১ সালের অশান্ত লোকসভা নির্বাচনের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। ওই নির্বাচনে একাধিক আসনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তাই কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এখন বড় হাতিয়ার হয়ে উঠেছে (Rahul Gandhi) বিজেপির। তাদের প্রশ্ন, যদি কংগ্রেস ১৯৯১ সালে ভোট কারচুপি করে থাকে, তবে আজ বিজেপিকে অভিযুক্ত করার নৈতিক অধিকার তাদের কোথায়? ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাহুল এবং সিদ্দারামাইয়ার মন্তব্যে বিরোধাভাস স্পষ্ট। রাহুল জোরালোভাবে বিজেপিকে একমাত্র নির্বাচনী জালিয়াত হিসেবে তুলে ধরেছেন, অথচ তাঁর নিজের দলের মুখ্যমন্ত্রীই প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন অনিয়মের শিকার হয়েছিলেন তিনি স্বয়ং (Siddaramaiah)।

    প্রশ্ন একাধিক

    বিহার এবং কর্নাটক-সহ অন্যান্য নির্বাচনে বিজেপি যে এটিকেই প্রধান ইস্যু করবে, তা স্পষ্ট। তারা কংগ্রেসকে এমন একটি দল হিসেবে ব্র্যান্ড করবে, যারা অনেক আগেই ভোট কারচুপিকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল, আর এখন অন্যদের দিকে আঙুল তুলছে। এই বিতর্কে সিদ্দারামাইয়া ও রাহুল (Rahul Gandhi) কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। বিজেপির বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে যা প্রয়োগ করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেটিই যে ব্যুমেরাং হয়ে ফিরবে, তা বোধহয় কল্পনাও করতে পারেননি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। স্বাভাবিকভাবই তাঁদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন হল, কংগ্রেস কি আসলেই ১৯৯১ সালের নির্বাচনে কারচুপি করেছিল? আর যদি করেই থাকে, তবে (Rahul Gandhi) প্রকৃত ভোট চোর কারা?

  • Karnataka: রাহুলের ‘ভোট চুরি’ মন্তব্যকে কটাক্ষ! মন্ত্রিত্ব হারালেন কর্নাটকের কংগ্রেস নেতা

    Karnataka: রাহুলের ‘ভোট চুরি’ মন্তব্যকে কটাক্ষ! মন্ত্রিত্ব হারালেন কর্নাটকের কংগ্রেস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। তাই মন্ত্রিত্ব হারালেন কর্নাটকের (Karnataka) সমবায় মন্ত্রী কেএন রাজন্য। বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতার (Karnataka Minister K.N. Rajanna) মন্তব্যে অস্বস্তিতে পড়ে দল। এরপরই কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে তাঁকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরাতে নির্দেশ দেয় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে বরখাস্ত না করে রাজন্যকে স্বেচ্ছায় ইস্তফা দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুযায়ী সোমবার মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। দিল্লিতে এক সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, গত লোকসভা নির্বাচনে অন্তত ৭০-৭৫টি আসনে কারচুপি করে জয় পেয়েছে বিজেপি। এরপরেই এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন রাজন্য। উদাহরণ হিসেবে তিনি কর্নাটকের কয়েকটি লোকসভা ও বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফল তুলে ধরেন। এরপরেই এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন রাজন্য। রাজন্য মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়ার ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষ হতেই নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন রাজান্না।

    ঠিক কী বলেছিলেন রাজন্য?

    রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের সমালোচনার জেরে (Karnataka) মন্ত্রীর পদ ত্যাগ করতে হওয়ায় কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছে বিজেপি। চারদিন আগে কংগ্রেসের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী ভোট চুরির অভিযোগ করেন। কর্নাটকেও ভোট চুরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি (Karnataka)। সেই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রাজন্য বলেন, “ভোটার তালিকা কখন তৈরি হয়েছে? তখন কর্নাটকে আমাদেরই সরকার ছিল। সেই সময় কি সবাই চোখ বন্ধ করে বসেছিল?”

    কংগ্রেসে নেই কোনও গণতন্ত্র, আক্রমণ বিজেপির

    নিজ দলের মন্ত্রীর প্রকাশ্য সমালোচনায় (Karnataka) অস্বস্তিতে পড়ে কর্নাটক কংগ্রেস। এরপর থেকেই রাজন্যকে পদত্যাগের জন্য চাপ দেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। শেষপর্যন্ত সোমবার ইস্তফা দেন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতা। এ নিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা সিটি রবি বলেন, “কংগ্রেসে কোনও গণতন্ত্র নেই। কেউ যদি সত্যি কথা বলেন, তবে তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হয়।” কর্নাটক বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আর অশোকা বলেন, “সত্যি বলার শাস্তি হিসেবে রাজন্যকে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হল (Karnataka Minister K.N. Rajanna)।”

  • Rani Abbakka Chowta: মধ্যযুগে নারীরাও শিখতেন যুদ্ধ বিদ্যা, জানুন কর্নাটকের যোদ্ধা রানি আবাক্কা চৌতার কাহিনি

    Rani Abbakka Chowta: মধ্যযুগে নারীরাও শিখতেন যুদ্ধ বিদ্যা, জানুন কর্নাটকের যোদ্ধা রানি আবাক্কা চৌতার কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানি আবাক্কা চৌতা (Rani Abbakka Chowta)। ষোড়শ শতকের এই রানি, চৌতা রাজবংশের শাসক ছিলেন এবং কর্নাটকের উপকূলবর্তী অঞ্চলে রাজত্ব করতেন, যা তুলুনাড়ু (Tulu Nadu) নামে পরিচিত ছিল। জানা যায়, তিনি একটি যোদ্ধা পরিবার থেকে উঠে এসেছিলেন। এই চৌতা রাজবংশ কর্নাটকে দ্বাদশ শতক থেকে অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত শাসন করে ছিল।

    মহিলারাও পেতেন যুদ্ধ বিদ্যার প্রশিক্ষণ (Rani Abbakka Chowta)

    এই সময়ে তারা একটি বিশেষ সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন, যার নাম ছিল আলিয়াসনাতন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি হিন্দু পরিবারের পুরুষ সদস্যরা যেমন যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী হতেন, তেমনি মহিলারাও ঘর সামলানোর পাশাপাশি সরকারি কাজে অংশগ্রহণ করতেন। এই সংস্কৃতি ও সামাজিক কাঠামো ছিল এমন এক ভিত্তি, যেখানে মহিলারা মিলিটারি প্রশিক্ষণ পেতেন এবং রাজ্যশাসন সম্পর্কেও পারদর্শিতা অর্জন করতেন। এই আলিয়াসনাতন ব্যবস্থা ভারতবর্ষে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে—যেখানে মহিলারা যুদ্ধবিদ্যার প্রশিক্ষণ পেতেন, মার্শাল আর্ট শিখতেন এবং রাজনীতি ও প্রশাসন চালাতে সক্ষম হতেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমেই রানি আবাক্কা চৌতা-র উত্থান হয় এবং তাঁকে একজন যোদ্ধা রানি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রাচীন ভারতের এই সমাজব্যবস্থা নারীর ক্ষমতায়নকেই প্রতিফলিত করে। পাশ্চাত্যের থেকেও প্রাচীন ভারতে নারীরা এগিয়ে ছিলেন বলে ইতিহাসবিদরা মনে করেন।

    কাকা তিরুমালা রায়ের কাছে প্রশিক্ষণ নেন আবাক্কা (Rani Abbakka Chowta)

    জানা যায়, আবাক্কা চৌতা-র (Rani Abbakka Chowta) কাকা তিরুমালা রায় কর্ণাটকের উলাল অঞ্চলের শাসক ছিলেন (১৫১০ থেকে ১৫৪৪ সাল পর্যন্ত)। তিনিই আবাক্কাকে মার্শাল আর্ট, মিলিটারি কৌশল, এবং রাজ্যশাসন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন। তিরুমালা রায়ের পরেই আবাক্কা চৌতা সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন। কেউ কেউ বলেন, তাঁর শাসনকাল শুরু হয় ১৫২৫ সালে, আবার অনেকে বলেন ১৫৪৪ সাল থেকে। ঐতিহাসিকদের মতে, আবাক্কা চৌতা-র শাসনকাল ছিল সুশাসনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর রাজত্বে জৈন, হিন্দু ও মুসলিম — সকল ধর্মের মানুষ সমান অধিকারভোগী ছিলেন এবং তাঁর দরবারে স্বাধীনভাবে উপস্থিত হতে পারতেন। তাঁর প্রশাসনে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই সুযোগ পেতেন। এমনকি তাঁর সেনাবাহিনীও ছিল বহুধর্মীয় ও বহুজাতিক। এইভাবেই আবাক্কা চৌতা ইতিহাসে একজন প্রগতিশীল, সাহসী এবং দক্ষ শাসক ও যোদ্ধা রানি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।

LinkedIn
Share