Tag: Kashmir Valley

Kashmir Valley

  • Bangladeshi Detained: নথি যাচাইয়ে বড় সাফল্য! জম্মু-কাশ্মীরে ২১, দিল্লিতে ৬ সন্দেহভাজন বাংলাদেশি আটক

    Bangladeshi Detained: নথি যাচাইয়ে বড় সাফল্য! জম্মু-কাশ্মীরে ২১, দিল্লিতে ৬ সন্দেহভাজন বাংলাদেশি আটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir), অন্যদিকে রাজধানী দিল্লি (Delhi)- দুই জায়গাতেই নথি যাচাই অভিযানে ধরা পড়লেন মোট ২৭ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিক (Bangladeshi Detained)। জম্মু-কাশ্মীরের রামবান জেলার বানিহাল এলাকায় কাশ্মীর উপত্যকার উদ্দেশে যাওয়ার পথে ২১ জনকে আটক করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। বৈধ ভ্রমণ বা অভিবাসন সংক্রান্ত নথি দেখাতে না পারায় তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। একই সময়ে দিল্লির একটি হোটেল থেকে আরও ৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে (Bangladeshi Detained) আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, তাঁরা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ভারতে অবস্থান করছিলেন। দুই ঘটনাকেই গুরুত্ব দিয়ে দেখছে প্রশাসন।

    নথি যাচাইয়েই ধরা পড়েন ২১ জন

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রামবান জেলার বানিহাল এলাকায় নিয়মিত নথি যাচাই অভিযানের সময় দুটি গাড়িকে থামানো হয়। গাড়ি দুটি জম্মু থেকে কাশ্মীর (Jammu Kashmir) উপত্যকার দিকে যাচ্ছিল। অভিযোগ, যাত্রীদের পরিচয় ও ভ্রমণ সংক্রান্ত নথি পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা যায়, ২১ জনের কেউই ভারতে বৈধভাবে অবস্থানের উপযুক্ত নথি বা অভিবাসন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এরপর তাঁদের সকলকে আটক (Bangladeshi Detained) করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে প্রত্যেকের পরিচয়, যাতায়াতের উদ্দেশ্য এবং ভারতে প্রবেশের পথ সম্পর্কে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    বাংলাদেশ-যোগ!

    আটক ব্যক্তিরা বাংলাদেশের (Bangladeshi Detained) সিলেট জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে এমনটাই উঠে এসেছে। পাশাপাশি তদন্তকারীদের অনুমান, তাঁরা প্রথমে অসম সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর রেলপথে জম্মু (Jammu) পৌঁছে সেখান থেকে সড়কপথে কাশ্মীর (Kashmir) উপত্যকার দিকে রওনা দিয়েছিলেন। তবে এই তথ্য এখনও তদন্তাধীন এবং সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেই পুলিশ সূত্রের খবর।

    অনুপ্রবেশে কোনও সক্রিয় চক্র রয়েছে?

    কীভাবে ওই ব্যক্তিরা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করলেন? তাঁদের যাতায়াতে কোনও দালালচক্র বা আন্তঃরাজ্য নেটওয়ার্ক জড়িত ছিল কি না? এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে তাঁদের চলাচলের জন্য কোনও ব্যক্তি বা সংগঠন সাহায্য করেছে কি না? সমস্তটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রয়োজনে বিভিন্ন রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গেও তথ্য আদানপ্রদান করা হবে বলেও জানা গিয়েছে।

    বিদেশি নাগরিকদের শনাক্ত করতেই অভিযান!

    গোটা ঘটনায় ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, তদন্তে যা তথ্য উঠে আসবে, তার ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি ও অভিবাসন সংক্রান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৈধ নথি ছাড়া ভারতে অবস্থানকারী বিদেশি নাগরিকদের শনাক্ত করতে যে বিশেষ যাচাই অভিযান চলছে, এই ঘটনাও তারই অংশ। ভবিষ্যতেও এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।

    দিল্লির হোটেল থেকেও আটক বাংলাদেশি

    অন্যদিকে, রাজধানী দিল্লিতে (Delhi) মধ্য জেলার বিভিন্ন হোটেল ও অতিথিশালায় পুলিশের বিশেষ নথি যাচাই অভিযান চালানো হয়। সেই সময় নবী করিম এলাকার আরাকাশান রোডের একটি হোটেল থেকে ৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক (Bangladeshi Detained) করা হয়। তদন্তে জানা যায়, তাঁরা দ্বৈত-প্রবেশ ভিসা নিয়ে ভারতে এসেছিলেন। তবে নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও তাঁরা দেশে অবস্থান করছিলেন বলে অভিযোগ।

    শুরু বহিষ্কারের প্রক্রিয়া

    আটক ছয়জনকে পরে বিদেশি নাগরিক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের (FRRO) সামনে হাজির করা হয়। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ জারি করে তাঁদের একটি আটক কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলেই জানিয়েছে প্রশাসন। যদিও আটক ছয়জনের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও অপরাধমূলক রেকর্ড পাওয়া যায়নি। তবে ভিসার শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিবাসন সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা বলেই সূত্রের খবর। একইসঙ্গে তাঁদের ভারতে আসার উদ্দেশ্য এবং অবস্থানের সম্পূর্ণ তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • Jammu Kashmir: নিষিদ্ধ জামাত-ই-ইসলামির ৫৮টি স্কুলের রাশ নিল জম্মু-কাশ্মীর সরকার

    Jammu Kashmir: নিষিদ্ধ জামাত-ই-ইসলামির ৫৮টি স্কুলের রাশ নিল জম্মু-কাশ্মীর সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ ঘোষিত জামাত-ই-ইসলামি (JeI) এবং এর শিক্ষা-সংক্রান্ত সহযোগী সংস্থা ফালাহ-এ-আম ট্রাস্ট (FAT)-এর সঙ্গে যুক্ত ৫৮টি বেসরকারি স্কুলের রাশ নিজের হাতে নিয়ে নিল জম্মু-কাশ্মীর সরকার। স্কুল শিক্ষা বিভাগের সচিব কর্তৃক জারি করা এক নির্দেশিকায় সংশ্লিষ্ট ডেপুটি কমিশনারদের এই প্রতিষ্ঠানগুলির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এই স্কুলগুলির সঙ্গে নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক থাকার কথা চিহ্নিত হওয়ায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এসব স্কুলের পরিচালন সমিতির মেয়াদ হয় শেষ হয়ে গিয়েছিল, নয়তো গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কাছ থেকে (Jammu Kashmir) তাদের বিরুদ্ধে বিরূপ প্রতিবেদন পাওয়া গিয়েছিল।

    অধিগ্রহণের উদ্দেশ্য (Jammu Kashmir)

    এই পদক্ষেপটি জম্মু-কাশ্মীর স্কুল শিক্ষা বিধি, ২০১০ এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তির আওতায় নেওয়া হয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে অবৈধ কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন, ১৯৬৭ অনুযায়ী ঘোষণাগুলির উল্লেখ রয়েছে, যার মাধ্যমে ২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এবং ২০২৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখের নির্দেশে জম্মু-কাশ্মীরে জামাত-ই-ইসলামিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এই অধিগ্রহণের উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক স্বার্থ রক্ষা করা। ডেপুটি কমিশনারদের স্কুল শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে, যাতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে কোনও প্রভাব না পড়ে। যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের পর নয়া  পরিচালন সমিতি গঠনের প্রস্তাব দিতে এবং জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP)-এর মানদণ্ড অনুযায়ী শিক্ষার মান বজায় রাখতে বলা হয়েছে। প্রক্রিয়াটি সহজতর করতে এবং মসৃণভাবে রূপান্তর নিশ্চিত করতে এসইডির সরকারি দল মোতায়েন করা হয়েছে (Jammu Kashmir)।

    শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাকেও অগ্রাধিকার

    বস্তুত, এই পদক্ষেপটি পূর্ববর্তী একটি নির্দেশিকার ধারাবাহিকতা। ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে, জম্মু ও কাশ্মীর সরকার সমগ্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে জেইএল (JeI) এবং এফএটি (FAT)-সংযুক্ত ২১৫টি স্কুলের ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেছিল। প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে রূপান্তরের সময় শিক্ষার ধারাবাহিকতা এবং শিক্ষার্থী ও কর্মীদের কল্যাণই প্রধান অগ্রাধিকার থাকবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখায় ক্লাস বা পরীক্ষায় কোনও তাৎক্ষণিক বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই পদক্ষেপটি কেন্দ্র কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টারই অংশ, একই সঙ্গে কাশ্মীর উপত্যকায় শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে (Jammu Kashmir)।

     

  • Posters Threaten Terror Attacks: ভূস্বর্গে ফের হুমকি-পোস্টার, নিরাপত্তার দাবি তুললেন উদ্বিগ্ন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা

    Posters Threaten Terror Attacks: ভূস্বর্গে ফের হুমকি-পোস্টার, নিরাপত্তার দাবি তুললেন উদ্বিগ্ন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে ফের সন্ত্রাসের আতঙ্ক (Posters Threaten Terror Attacks)! কাশ্মীরে জঙ্গিদের দেওয়া হুমকি-পোস্টার প্রকাশ্যে আসার পর পাক-সমর্থিত জঙ্গি সংগঠনগুলির হুমকি নিয়ে কাশ্মীরি পণ্ডিতরা (Kashmiri Pandits) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কাশ্মীরি পণ্ডিত সংঘর্ষ সমিতি (KPSS) পণ্ডিত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এবং কাশ্মীর উপত্যকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলিকে আহ্বান জানিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা পোস্টারগুলির সত্যতা যাচাই করছে এবং সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।

    কেপিএসএসের বিবৃতি (Posters Threaten Terror Attacks)

    এক বিবৃতিতে কেপিএসএস বলেছে, সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে এই হুমকি কাশ্মীরে শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। এই ধরনের গোষ্ঠীগুলি ভয় ও অস্থিরতার ওপর নির্ভর করে টিকে থাকে এবং বারবার শান্তিপ্রিয় ও আদি কাশ্মীরি পণ্ডিত সংখ্যালঘুদের প্রতীকী টার্গেট করে নিজেদের হিংসাত্মক প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করে (Posters Threaten Terror Attacks)।

    কাশ্মীরি পণ্ডিতদের টার্গেট

    ১৯৯০ সালে গণ-নির্বাসনের সময় উপত্যকা ছেড়ে না যাওয়া কাশ্মীরি পণ্ডিতদের প্রতিনিধিত্ব করে কেপিএসএস। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF)-এর তথাকথিত ‘ফ্যালকন গ্রুপ’-এর নামে সম্প্রতি উপত্যকায় জঙ্গিদের পোস্টার দেখা গিয়েছে, যেখানে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের টার্গেট করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে তাঁদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে (Kashmiri Pandits)।

    ২০২১ ও ২০২২ সালে জঙ্গিরা উপত্যকায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর একাধিক টার্গেটেড হত্যাকাণ্ড চালায়। পাল্টা অভিযানে পুলিশ ওই হামলায় জড়িত প্রায় সব অভিযুক্তকে হত্যা করে। এরপর এই প্রথম উপত্যকায় এই ধরনের জঙ্গি হুমকি সামনে এল (Posters Threaten Terror Attacks)।

     

LinkedIn
Share