Tag: Kerala

Kerala

  • Saffron Wave: ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে নাটকীয় পালাবদল, নজির গড়ল পদ্মময় বলয়

    Saffron Wave: ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে নাটকীয় পালাবদল, নজির গড়ল পদ্মময় বলয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাজনৈতিক পরিসরে নাটকীয় মোড় (Saffron Wave)। পশ্চিমবঙ্গে নয়া অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে বিজেপি। ৩৪ বছরের বাম রাজত্ব, তার পরে ১৫ বছরের তৃণমূল জমানা শেষে বঙ্গে ফুটল পদ্ম (India Power Map)। বহুদিন ধরে বিজেপি-বিরোধী দুর্গ হিসেবে পরিচিত বাংলার পতন সূচনা করেছে পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে এক মৌলিক পুনর্বিন্যাসের, যেখানে বিজেপি এখন হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি ক্ষমতার বলয় তৈরি করেছে।

    বদলে গেল দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক  সমীকরণ (Saffron Wave)

    এদিকে, তামিলনাড়ুতে দেখা গিয়েছে বড়সড় পরিবর্তন। সেখানে ১০০-র বেশি আসন জিতে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের দীর্ঘস্থায়ী মৌরশিপাট্টায় আঘাত হেনেছে নয়া দল তামিল বিকাশ কাজাগম (TVK)। যার জেরে বদলে গিয়েছে দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক  সমীকরণ। কেরলে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (UDF) ফের ক্ষমতায় ফিরেছে। এলডিএফের সঙ্গে পালাবদলের ধারা ভেঙে দিয়ে দক্ষিণে আবারও প্রাণপ্রতিষ্ঠা কংগ্রেসের।  এদিকে, অসম ও পুদুচেরিতে এনডিএর শাসনই জারি থাকছে। যা আদতে নির্দেশ করে উত্তর-পূর্ব এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তাদের মজবুত অবস্থানকে।

    বিজেপির জয়জয়কার

    এদিকে, সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলের জেরে বদলে গিয়েছে ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্র। বর্তমানে বিজেপি একাই ১৭টি রাজ্যে রাজ করছে। এগুলি হল— পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, অসম, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, ত্রিপুরা, গোয়া, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর এবং উত্তরাখণ্ড। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ শাসন করছে আরও পাঁচটি রাজ্য। এগুলি হল— বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড এবং সিকিম। সব মিলিয়ে মোট ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাশ রয়েছে এনডিএর হাতে (India Power Map)। এই ২২টি অঞ্চল ভারতের মোট ভৌগোলিক এলাকার প্রায় ৭৩ শতাংশ, প্রতিনিধিত্ব করে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭৮ শতাংশের (Saffron Wave)। সাম্প্রতিক নির্বাচনের পরে বিজেপির রাজ্যস্তরের বিধায়কের সংখ্যা প্রায় ১৭০০-তে গিয়ে পৌঁছেছে, যা কংগ্রেসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। পদ্মশিবিরের এই ফলের জেরে রাজ্যের আইনসভাগুলিতে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে বিজেপি (India Power Map)। বিজেপি-নেতৃত্বাধীন জোট এখন দেশের প্রায় চার-পঞ্চমাংশ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে, যেখানে বিরোধী শিবিরের আওতায় রয়েছে মাত্র এক-সপ্তমাংশের কিছু বেশি।

    গেরুয়াময় অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ

    পশ্চিমবঙ্গ জয়ের মাধ্যমে বিজেপি এখন উত্তর হিমালয় অঞ্চল থেকে গঙ্গা সমভূমি, পশ্চিম মালভূমি হয়ে উত্তর-পূর্ব ও পূর্ব উপকূল পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক ক্ষমতার বলয় গড়ে তুলেছে। এর ফলে নীতিগত সমন্বয়, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক এবং নির্বাচনী কার্যকলাপ আরও সহজ হয়েছে (Saffron Wave)। দিল্লিতে বিজয় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী “বিকশিত ভারত” লক্ষ্যের সঙ্গে পূর্ব ভারতের পুনর্জাগরণের কথারও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “অতীতে বিহার, বাংলা ও ওড়িশা ভারতের গৌরবের তিন স্তম্ভ ছিল—অঙ্গ, বঙ্গ ও কলিঙ্গ। এই তিন রাজ্যের উন্নয়নই বিকশিত ভারত গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ (India Power Map)।” তিনি কলিঙ্গ (ওড়িশা)-কে সামুদ্রিক শক্তি, অঙ্গ (বিহার)-কে বস্ত্র বাণিজ্যের কেন্দ্র এবং বঙ্গ (পশ্চিমবঙ্গ)-কে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বৃত্ত ছোট হচ্ছে কংগ্রেসের

    অন্যদিকে, কংগ্রেস এখন একাই শাসন করছে মাত্র চারটি রাজ্য। এগুলি হল, হিমাচল প্রদেশ, তেলঙ্গানা, কেরল এবং কর্নাটক। ‘ইন্ডি’ জোটের সঙ্গে যুক্ত আরও দু’টি অঞ্চলেও রয়েছে কংগ্রেস—ঝাড়খণ্ড এবং জম্মু-কাশ্মীর। এই ছ’টি অঞ্চল ভারতের মোট এলাকার প্রায় ১৯ শতাংশ, প্রতিনিধিত্ব করে মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশের। যদিও এই জোট দক্ষিণ, মধ্য ভারত এবং হিমালয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে, তবুও তাদের ভৌগোলিক এবং জনসংখ্যাগত প্রভাব এনডিএর তুলনায় ঢের কম (Saffron Wave)। তবে কংগ্রেস-‘ইন্ডি’ জোটের শক্তি কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যেই কেন্দ্রীভূত—কেরলের উন্নত সামাজিক সূচক, কর্ণাটকের প্রযুক্তি-ভিত্তিক অর্থনীতি, তেলঙ্গনার শিল্পভিত্তি এবং ঝাড়খণ্ডের খনিজ সম্পদ তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে (India Power Map)। পরিসংখ্যান বলছে, এনডিএর সঙ্গে ব্যবধান কমাতে চাইলে বিরোধী শিবিরকে মাত্র ১৪ শতাংশ জনসংখ্যা ও ১৯ শতাংশ এলাকা নিয়েই আগামী বছরগুলিতে (Saffron Wave) জাতীয় পর্যায়ে জনসমর্থন বাড়াতে হবে, করতে হবে জয়লাভও। তা না হলে অচিরেই স্রেফ সাইনবোর্ড সর্বস্ব হয়ে যাবে শতাব্দী-প্রাচীন দল কংগ্রেস।

     

  • Assembly Election 2026: বাংলার ছাড়াও অসম, কেরলম, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে  চলছে গণনা, সেখানেও ক্ষমতায় কে, জানা যাবে আজ

    Assembly Election 2026: বাংলার ছাড়াও অসম, কেরলম, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে চলছে গণনা, সেখানেও ক্ষমতায় কে, জানা যাবে আজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার পাশাপাশি আজ ভোটগণনা (Assembly Election 2026) চলছে আরও ৩ রাজ্য ও ১টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও আজ সকাল থেকেই ভোটগণনা শুরু হয়েছে। অসমে বিজেপি সরকার ফিরে আসার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তামিলনাড়ুতে এমকে স্ট্যালিনের প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে। কেরলের ভোটের ফলাফলে আপাতত পিছিয়ে বামেরা। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ ১০ বছর পরে ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বলে এগজিট পোলে পূর্বাভাস মিলেছে। নির্বাচন কমিশনের (ECI) সরকারি ওয়েবসাইট eci.gov.in-এ নাগরিকরা সোমবার সকাল ৮টা থেকে সরাসরি ফলাফলের লাইভ আপডেট দেখতে পাবেন।

    কোথায় কে এগিয়ে

    কমিশন সকাল সকাল সাড়ে ৯টায় যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে, সেই অনুসারে, অসমে ১৬টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। কেরলে ২৪টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস জোট। তামিলনাড়ুতে ৯টি আসনে আপাতত এগিয়ে এডিএমকে। টিভিকে পাঁচটি আসনে এগিয়ে। পুদুচেরিতে এনডিএ এগিয়ে ২টি আসনে। অসমের জালুকবাড়ি আসনে এগিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। জোরহাটে এগিয়ে কংগ্রেসের গৌরব গগৈ। তামিলনাড়ুর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন এগিয়ে। উদয়নিধি স্ট্যালিনও এগিয়ে। পেরাম্বুর আসনে এগিয়ে বিজয়। তবে ত্রিচিতে পিছিয়ে।

    অসমে ফের বিজেপি

    ২০১৬, ২০২১ সালের পরে আবার অসমে ক্ষমতা দখল করতে চলেছে বিজেপি। গত দু’বার অসম গণপরিষদের সঙ্গে জোট গড়ে সরকারে এসেছিল বিজেপি। তবে মনে করা হচ্ছে, এবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ক্ষমতায় আসবেন হিমন্ত। কংগ্রেসের জন্য বড় পরীক্ষা অসমে। অসমে ১৯৫১ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ ৮৫.৩৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। ভোটের দিন রাজ্যে হিংসার ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। অসমে ৬৮টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। অসমে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৬৪ আসনের সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে ইতিমধ্যেই । কংগ্রেস জোট এগিয়ে ১৯টি আসনে।

    জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা

    কেরলে ভোটগণনার জন্য নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তামিলনাড়ুতে চলছে ত্রিশঙ্কু লড়াই। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে ছয়টি গণনা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে দেশের এই ৩ রাজ্য ও ১টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের আগামী ৫ বছরের ভবিষ্যৎ। কেরলের ১৪০টি আসনে গত ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে ৭৯.৬৩ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন। সেখানে মূল লড়াই বামপন্থী এলডিএফ (LDF) এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ-এর (UDF) মধ্যে। তামিলনাড়ুতে ২৩ এপ্রিল এক দফায় ভোট হয়েছে এবং সেখানে ৮৪.৬৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। এনডিএ (NDA) ও ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের পাশাপাশি অভিনেতা বিজয়-এর দলের উপস্থিতিতে সেখানে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা প্রবল। পুদুচেরিতেও রেকর্ড ৮৯.৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছে, যেখানে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারদের ৯১.৮১ শতাংশ অংশগ্রহণ। সব মিলিয়ে, সোমবারের ফলাফল ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে চলেছে।

  • Chanakya Analysis: চাণক্য বুথফেরত সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল চার রাজ্যের কোন দল এগিয়ে জানুন

    Chanakya Analysis: চাণক্য বুথফেরত সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল চার রাজ্যের কোন দল এগিয়ে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার প্রকাশিত চাণক্য সমীক্ষা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal Assembly election) ও অসমে গেরুয়া ঝড় এবং কেরল ও তামিলনাড়ুতে পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। চাণক্যের (Chanakya Analysis) বুথ ফেরত সমীক্ষায় অসম এবং বাংলায় বিজেপির সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তামিলনাড়ুতে স্টালিনের নিজের জয় অবিচল রাখতে জোরদার লড়াই হবে। কেরলে কংগ্রেস সমর্থিত ইউডিএফ সরকার গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে আছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফল ৪ এপ্রিলেই জানা যাবে  যেসরকার কারা গড়ছে চার রাজ্যে।

    ১. পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত (Chanakya Analysis)

    চাণক্যের (Chanaky Analysis) পূর্বাভাস সত্যি হলে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • বিজেপি+: ১৯২ (±১১) আসন
    • তৃণমূল কংগ্রেস (TMC): ১০০ (± ১১) আসন
    • অন্যান্য: ০২ (± ০২) আসন

    রাজ্যে তৃণমূলের (West Bengal Assembly election) দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়তে পারে।

    ২. অসম: ডাবল ইঞ্জিন সরকারে আস্থা

    অসমে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোট টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পথে। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • বিজেপি জোট (NDA): ১০২-১১১ আসন
    • কংগ্রেস জোট (INC+): ২৩-৩২ আসন
    • অন্যান্য: ০-১ আসন

    অসমে বিরোধী জোট বিশেষ সুবিধা করতে পারছে না, বড় জয়ের পথে এনডিএ।

    ৩. তামিলনাড়ু: দ্রাবিড় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

    তামিলনাড়ুতে এম.কে. স্ট্যালিনের ডিএমকে (DMK) জোট এগিয়ে থাকলেও, অভিনেতা বিজয়ের রাজনৈতিক দল টিভিকে (TVK) চমকপ্রদ ফল করতে পারে। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • ডিএমকে জোট (DMK+): ১২৫-১৩৬ আসন
    • টিভিকে (TVK): ৬৩-৭৪ আসন
    • এআইএডিএমকে (AIADMK/NDA): ৪৫-৫৬ আসন

    ডিএমকে কোনোমতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Chanakya Analysis) পেলেও প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসতে পারে বিজয়ের দল।

    ৪. কেরল: ক্ষমতার পটপরিবর্তন

    কেরলে প্রথা মেনে আবারও বামপন্থীদের হটিয়ে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF) ক্ষমতায় ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • ইউডিএফ (UDF): ৬৯-৭৭ আসন
    • এলডিএফ (LDF): ৬৪-৭৩ আসন
    • বিজেপি (BJP): ৭-১১ আসন

    এলডিএফ এবং ইউডিএফ-এর মধ্যে কড়া টক্কর হলেও পাল্লা সামান্য ভারী কংগ্রেস শিবিরের দিকে। বিজেপিও রাজ্যে আসন সংখ্যা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধ হয়নি হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও ঘনঘন ঘটছে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একপ্রকার গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্বের একটা বড় অংশ এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতের ফল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। হত্যা, ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসব-অনুষ্ঠানে বাধা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—এসবের মাধ্যমে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে বলেই অভিযোগ। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ১৯ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত এমন কিছু ঘটনার ছবি। বিশ্বজুড়ে আরও বেশি করে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হোন, তা-ই এই সাপ্তাহিক প্রতিবেদন।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। “হাউ আয়াপ্পান ওয়েন্ট ফ্রম এ লোকাল ফরেস্ট ডেইটি টু কেরালাজ মোস্ট কন্ট্রোভার্সিয়াল গড” শীর্ষক লেখাটি লিখেছেন অনিরুদ্ধ কানিসেট্টি (Hindus Under Attack)। লেখাটির শিরোনামটি ভগবান আয়াপ্পাকে নিয়ে, যিনি লাখ লাখ ভক্তের কাছে ব্রহ্মচারী যোদ্ধা দেবতা ধর্মশাস্তা, হরিহরসূত (বিষ্ণু ও শিবের পুত্র), এবং ধর্ম ও তপস্যার প্রতীক, তাঁকেই ‘বিতর্কিত’ রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে সমালোচনা করা হয়েছে (Roundup Week)। মধ্যপ্রদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে “চেঙ্গাই- ফেথ হিলিং” সমাবেশের পর গ্রেফতার করা হয়েছে দুই পাদ্রীকে। তারা ‘লাইট অফ জেসাস চার্চে’র সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। পুলিশ বৃহত্তর ধর্মান্তর এই নেটওয়ার্কের তদন্ত করছে। হুব্বলির এক তরুণীর অভিযোগ, মুফিস মিয়ানাভার নামে এক ব্যক্তি সম্পর্ক গড়ার অছিলায় তাঁকে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল ও দীর্ঘদিন ধরে শোষণ করে আসছে। কেশ্বাপুর থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    মন্দিরের টন টন সোনা

    এদিকে, ক্যাথলিক পুরোহিত ফাদার পল থেলাক্কাট প্রশ্ন তোলেন, কেন মন্দিরের টন টন সোনা জনসেবায় ব্যবহার করা হয় না। বিদেশি অনুদানের ওপর নজরদারি নিয়ে খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠানগুলির পক্ষে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। ফের খবরের শিরোনামে নাসিকের টিসিএস। এক মহিলা কর্মীর অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে তাঁকে আলাদা করা, চাপ দেওয়া এবং মানসিকভাবে বারংবার হয়রান করা হয়েছে।ভোপালের এক মামলায় অভিযোগ উঠেছে, তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হিন্দু কিশোরীকে প্রলোভন দেখিয়ে যৌন নির্যাতন, ধর্মান্তর ও বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)।

    লাভ জেহাদ!

    ইন্দোরে বছর উনিশের এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি হিন্দু পরিচয় দিয়ে তাঁকে প্রতারণা করে, মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে। শুধু তা-ই নয়, ওই ব্যক্তি আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং বিয়ের জন্য চাপ দেয় (Roundup Week)। নাগপুর পুলিশ একটি এনজিও পরিচালনাকারী রিয়াজ কাজিকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, সমাজসেবার আড়ালে সে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরের জন্য চাপ দিত এবং হয়রান করত। গুরুগ্রামে আসিফ মোহাম্মদ নামে এক কোচিং সেন্টার মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভাষা প্রশিক্ষণের অছিলায় বছর ছাব্বিশের এক হিন্দু ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করে। শুধু তা-ই নয়, জোর করে দু’বার গর্ভপাতও করায় (Roundup Week)।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার লক্ষ্যেই এই নির্যাতন চালানো হয়। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় এক আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও একটি মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায়। ১৫০–২০০ জনের একটি দল কালীমন্দিরে হামলা করে মূর্তি ভেঙে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর এক হিন্দু সন্ন্যাসীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি স্থানীয় এক মন্দিরের সেবায়েত ছিলেন।

    ঘৃণাজনিত অপরাধ

    অন্যদিকে, ইউএসসিআইআরএফ, সাভেরা, সিএসওএইচ, এইচএফএইচআর, ইক্যুয়ালিটি ল্যাবসের মতো (Roundup Week) কিছু সংগঠনের তথাকথিত গবেষণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী হিন্দু সমাজ ও ভারতকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। প্রসঙ্গত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে উৎসাহিত হয় বলে দাবি করা হয়। ইসলামি রাষ্ট্রগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা প্রকাশ্যে হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞাকে এর উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে—বাহ্যিকভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তি দেওয়া হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি দ্বৈত মানদণ্ড বলেও সমালোচনা করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Keralam Vishu Ad Row: আমিষ খাবারে কৃষ্ণের ছবি! বিষু পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা কেরালায়, এনআইএ তদন্ত দাবি বিজেপির

    Keralam Vishu Ad Row: আমিষ খাবারে কৃষ্ণের ছবি! বিষু পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা কেরালায়, এনআইএ তদন্ত দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলাপাতায় রাখা বিরিয়ানির সামনে বসে রয়েছেন বালগোপাল (Lord Krishna)। বিরিয়ানি (Biriyani) খাবার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন তিনি। কেরালার (Kerala) রেস্তোরাঁ মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের (Keralam Vishu Ad Row) এমন বিজ্ঞাপন ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। কেরালার চেরথালার এই ঘটনায় হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপি কেরালার একাধিক আরবি ও পশ্চিম এশীয় থিমের রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে গেরুয়া শিবির এনআইএ তদন্ত চায়। সমালোচকদের একাংশের মতে, বিষ্ণুর মতো একটা পবিত্র উৎসবের সময়ে এমন ছবি ব্যবহার আসলে ইচ্ছা করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের চেষ্টা।

    বিষু বিতর্ক ঘিরে তদন্তের দাবি

    নতুন দিল্লিতে এনআইএ-র ডিরেক্টরের কাছে জমা দেওয়া আবেদনে বিজেপির ত্রিশূর সিটি জেলার ইন্টেলেকচুয়াল সেলের আহ্বায়ক প্রসীদ দাস অভিযোগ করেছেন, ২০১৬ সালের নোটবন্দির পর থেকে কেরালায় (Kerala) আরবি ও পশ্চিম এশীয় থিমের রেস্তোরাঁর সংখ্যা “উল্লেখযোগ্যভাবে” বেড়েছে। তিনি এই রেস্তোরাঁগুলির অর্থের উৎস, বিদেশি লেনদেন এবং আর্থিক স্বচ্ছতা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন। আবেদনে বলা হয়েছে, এই সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিদেশি অর্থ আগমন (inward remittances) এবং ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট (FEMA), আর্থিক দুর্নীতি (PMLA)-এর মতো আইনের যথাযথ পালন হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি বেনামি লেনদেন ও অঘোষিত অর্থের প্রবাহের বিষয়েও তদন্ত চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও, আবেদনপত্রে নিষিদ্ধ সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্রের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

    বিশু বিজ্ঞাপন নিয়ে ক্ষোভ

    এই তদন্ত দাবির পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক বিষু উৎসবকে (Keralam Vishu Ad Row) ঘিরে বিতর্ক। অভিযোগ, কিছু রেস্তোরাঁর প্রচারমূলক বিজ্ঞাপনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে আমিষ খাবার দেখানো হয়েছে, যা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। কেরালার মালাপ্পুরম জেলায় একটি ঘটনায় পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯২ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। কোট্টাক্কালের একটি রেস্তোরাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কৃষ্ণের সামনে চিকেন ফ্রাই দেখানো হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। একই জেলায় পেরিন্থালমান্নার কাছে আরও একটি ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, বিষু উপলক্ষে তৈরি একটি ছবিতে শিশু কৃষ্ণের সামনে মাংসের পদ দেখানো হয়েছিল। আলাপ্পুঝা জেলাতেও একই ধরনের ঘটনায় একটি রেস্তোরাঁর সহ-মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। কোঝিকোড ও কন্নুরেও এমন পোস্ট সামনে আসে, যা পরে সরিয়ে ফেলা হয়। এই সমস্ত পৃথক ঘটনার তদন্ত চললেও, এনআইএ-র কাছে দায়ের করা আবেদন গোটা বিষয়টিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এখন শুধু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত নয়, বরং আতিথেয়তা শিল্পে অর্থের উৎস, লেনদেন এবং সম্ভাব্য বৃহত্তর নেটওয়ার্কের দিকেও নজর দেওয়ার দাবি উঠেছে।

     

  • Supreme Court: হিমন্তর বিরুদ্ধে জাল নথির অভিযোগ করেছিলেন, পবন খেরার আগাম জামিনে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: হিমন্তর বিরুদ্ধে জাল নথির অভিযোগ করেছিলেন, পবন খেরার আগাম জামিনে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতা পবন খেরার (Pawan Khera) জন্য বড় ধাক্কা। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে জাল নথি ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় পবন খেরাকে তেলঙ্গানা হাইকোর্ট যে আগাম জামিন দিয়েছিল, এবার তার ওপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আজ, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) একটি বেঞ্চ এই নির্দেশ জারি করেছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (Supreme Court)

    সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে পবন খেরা (Pawan Khera) অভিযোগ করেছিলেন যে, অসমের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী রিনিকি ভূঁইয়া শর্মা একাধিক দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন এবং তাঁর বিদেশে অঘোষিত সম্পত্তি রয়েছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রিনিকি ভূঁইয়া শর্মা গুয়াহাটি ক্রাইম ব্রাঞ্চে একটি এফআইআর (FIR) দায়ের করেন। জালিয়াতি, মানহানি এবং প্রতারণার অভিযোগে এই মামলা রুজু করা হয়।

    হাইকোর্টের রায় ও সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ (Supreme Court)

    গত ১০ এপ্রিল তেলঙ্গানা হাইকোর্ট পবন খেরাকে (Pawan Khera) এক সপ্তাহের জন্য ‘ট্রানজিট’ আগাম জামিন দিয়েছিল যাতে তিনি অসমের সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করতে পারেন। কিন্তু অসম সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়। আজ শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি অতুল এস চন্দুরকারের বেঞ্চ হাইকোর্টের রায়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। আদালত জানায়, মামলা যেখানে নথিভুক্ত হয়েছে (অসম), সেখানে আবেদন না করে কেন তেলঙ্গানা হাইকোর্টে যাওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা যুক্তি দেন যে এটি ‘ফোরাম শপিং’ (পছন্দমতো আদালত বেছে নেওয়া)-এর নামান্তর। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের জামিনের আদেশের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে।

    পরবর্তী পদক্ষেপ

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, পবন খেরা (Pawan Khera) যদি এখন অসমের কোনও উপযুক্ত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন, তবে সুপ্রিম কোর্টের এই স্থগিতাদেশ সেই আবেদনের বিচারে কোনও বাধা হবে না। তবে আপাতত তাঁর রক্ষাকবচ সরে যাওয়ায় আইনি চাপ বাড়ল কংগ্রেস নেতার ওপর।

  • Pakistan Linked Terror: অযোধ্যা ও লখনউয়ে নাশকতার ছক বানচাল, আল-কায়দার ৩ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    Pakistan Linked Terror: অযোধ্যা ও লখনউয়ে নাশকতার ছক বানচাল, আল-কায়দার ৩ জঙ্গিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা এবং লখনউসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করল ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের মদতে ভারতে হামলার ষড়যন্ত্র করার অপরাধে আল-কায়েদার (Al-Qaeda) তিন সক্রিয় সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে এনআইএ-র বিশেষ আদালত। এই তিন অভিযুক্ত পাকজঙ্গি সংগঠনের (Pakistan Linked Terror) সঙ্গে সরাসরি যুক্তের প্রমাণ মিলেছে।

    ঘটনার বিবরণ (Pakistan Linked Terror)

    তদন্তে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত তিন জঙ্গি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের (Pakistan Linked Terror) নির্দেশে ভারতের ধর্মীয় এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। বিশেষ করে অযোধ্যার রাম মন্দির এবং রাজ্যের রাজধানী লখনউ ছিল তাদের মূল নিশানায়। ২০২১ সালে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) প্রথমে এই মডিউলটির (Al-Qaeda) সন্ধান পায় এবং পরে তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    আদালতের রায়

    লখনউয়ের বিশেষ এনআইএ আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে জানায় যে, অভিযুক্তদের (Pakistan Linked Terror) বিরুদ্ধে আনা দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা এবং ইউএপিএ (UAPA) আইনের ধারাগুলি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এবং আইইডি (IED) তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছিল। আদালত এই অপরাধকে ‘বিরল’ হিসেবে গণ্য করে অপরাধীদের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।

    পাকিস্তানি যোগসূত্র

    সাজাপ্রাপ্ত জঙ্গিরা (Al-Qaeda) টেলিগ্রাম এবং অন্যান্য এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে বসে থাকা আল-কায়েদার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত।

    স্লিপার সেল

    তারা উত্তরপ্রদেশে একটি বড় ‘স্লিপার সেল’ নেটওয়ার্ক তৈরি করার চেষ্টা করছিল এবং স্থানীয় তরুণদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করার কাজ চালাচ্ছিল।

    নাশকতার পরিকল্পনা

    ভিড়ভাড় এলাকা এবং ধর্মীয় স্থানে আত্মঘাতী হামলার পাশাপাশি প্রেসার কুকার বোমা ব্যবহারের ছক ছিল তাদের।

    নিরাপত্তা মহলে স্বস্তি

    এই রায়ের ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় একটি বড় সাফল্য মিলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের পরবর্তী সময়ে এই ধরণের নাশকতার ছক রুখে দেওয়া এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি (Al-Qaeda) দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • ABVP: ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজে তুলকালাম! বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসতে বাধা এবিভিপি কর্মীকে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এসএফআই-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ

    ABVP: ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজে তুলকালাম! বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসতে বাধা এবিভিপি কর্মীকে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এসএফআই-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের (Kerala) ত্রিপুণিতুরা সরকারি সংস্কৃত কলেজে এক এবিভিপি (ABVP) কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষায় বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই (SFI)-কে মদত দেওয়ার এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (ABVP)

    অভিযোগ উঠেছে যে, সংশ্লিষ্ট ছাত্রটি (ABVP) পরীক্ষার সমস্ত নিয়মাবলী পালন করা সত্ত্বেও তাকে প্রবেশপত্র বা হল টিকিট দেওয়া হয়নি। এবিভিপি-র দাবি, ওই ছাত্র সংগঠনের সক্রিয় সদস্য হওয়ার কারণেই তাকে নিশানা করা হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কলেজের অধ্যক্ষ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসএফআই-এর হয়ে কাজ করছে এবং হিন্দুত্ববাদী ছাত্রদের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে।

    এবিভিপি-র অভিযোগ

    এবিভিপি (ABVP) নেতৃত্বের দাবি, কেরলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসএফআই-এর একাধিপত্য কায়েম রাখার জন্য প্রশাসনের একাংশ সাহায্য করছে। ত্রিপুণিতুরা সংস্কৃত কলেজের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। তারা জানায়, ছাত্রটির উপস্থিতির হার (attendance) পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়নি।

    অধ্যক্ষের অবস্থান ও বিতর্ক

    যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষের (Kerala) পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো কারণ বিস্তারিত জানানো হয়নি, তবে অভিযোগ উঠেছে যে অধ্যক্ষ ছাত্রটির সমস্যার সমাধান না করে বরং এসএফআই-এর সুবিধা করে দিচ্ছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং ওই ছাত্রের পরীক্ষায় বসার অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে এবিভিপি বড়সড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

    কেরলের বর্তমান পরিস্থিতি

    কেরলের (Kerala) বিভিন্ন কলেজে সম্প্রতি এসএফআই এবং এবিভিপি-র (ABVP) মধ্যে সংঘাতের খবর বারবার সামনে আসছে। এই পরিস্থিতিতে একজন সাধারণ ছাত্রের শিক্ষাগত অধিকার রাজনৈতিক কারণে খর্ব করা নিয়ে স্থানীয় শিক্ষা মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যপাল বা উচ্চশিক্ষা দপ্তরের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করার কথাও ভাবছে এবিভিপি।

  • CM Vijayan: কান্নুরে দলিত ছাত্র জিতিন রাজের মৃত্যু, জাতিবিদ্বেষ ও গায়ের রঙ নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগ পরিবারের; মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন!

    CM Vijayan: কান্নুরে দলিত ছাত্র জিতিন রাজের মৃত্যু, জাতিবিদ্বেষ ও গায়ের রঙ নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগ পরিবারের; মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের (Kerala) কান্নুর জেলায় এক ডেন্টাল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র জিতিন রাজের মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই মৃত্যুর পিছনে জাতিগত বৈষম্য, গায়ের রঙ নিয়ে অপমান এবং শিক্ষকদের দ্বারা মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনেছে ছাত্রের পরিবার। তবে এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন (CM Vijayan) এবং একাধিক প্রভাবশালী দলিত সংগঠনের ‘নীরবতা’ নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম রাজ্যে এই ভাবে দলিত ছাত্রের নির্যাতনের বিরুদ্ধে চরম সমালোচনার ঝড় উঠেছে বামপন্থীদের বিরুদ্ধে।

    ঘটনা কি ঘটেছিল তার প্রেক্ষাপট (CM Vijayan)?

    তিরুবনন্তপুরমের (Kerala) বাসিন্দা ১৯ বছর বয়সী জিতিন রাজ কান্নুরের আঞ্জরাকান্দি ডেন্টাল কলেজের বিডিএস (BDS) ছাত্র ছিলেন। গত ১০ এপ্রিল কলেজের একটি ভবন থেকে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে একে আত্মহত্যা বলে সন্দেহ করলেও, ছাত্রের পরিবারের দাবি, এটি স্রেফ আত্মহত্যা নয়, বরং দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতনের ফল। অথচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (CM Vijayan) চুপ করে বসে আছেন।

    পরিবারের গুরুতর অভিযোগ

    জিতিনের (Kerala) পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কলেজের কিছু শিক্ষক তাঁকে ধারাবাহিকভাবে মানসিক হেনস্তা করতেন। পরিবারের অভিযোগ কয়েকটি ধাপে ধাপে ডাক্তার পড়ুয়াকে নিগ্রহ করা হয়।

    জাতিবিদ্বেষ ও গায়ের রঙ

    জিতিন দলিত পরিবারের সন্তান হওয়ায় এবং তাঁর গায়ের রঙ নিয়ে শিক্ষকরা ক্লাসে প্রকাশ্যে ব্যঙ্গ করতেন। এমনকি তার শারীরিক গঠন নিয়েও আপত্তিকর মন্তব্য করা হতো। অভিযোগ উঠেছে যে, জনৈক বিভাগীয় প্রধান (HOD) তাকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার এবং নম্বর কমিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন।

    ভাইরাল অডিও ক্লিপ

    মৃত্যুর আগে রেকর্ড করা একটি অডিও ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ওই ছাত্রকে তাঁর ওপর হওয়া অবিচার এবং শিক্ষকদের অপমানের কথা বলতে শোনা যাচ্ছে। অডিওতে জিতিন দাবি করেছেন যে, তাকে ক্লাসে সবার সামনে অপমান করা হতো এবং তাঁর মায়ের নামেও কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনায় দুই শিক্ষককে কলেজ কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে। তবে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে কেরালা সরকারের ভূমিকা নিয়ে। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের নীরবতা এবং বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জোরালো পদক্ষেপ না নেওয়া নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। দলিত অধিকার রক্ষায় সোচ্চার সংগঠনগুলোর একটি বড় অংশ এই ইস্যুতে কেন শান্ত রয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ এবং ওই অডিও ক্লিপটির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত এবং দোষী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে। সাধারণ ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক মহলে এই ঘটনা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতিগত বৈষম্যের এক কালো দিক উন্মোচিত করেছে। সম্পূর্ণ মৃত্যুর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন (CM Vijayan) সম্পূর্ণ ভাবে নিষ্ক্রিয়।

  • Assembly Election 2026: ৯১ শতাংশ ভোট পুদুচেরিতে! গণতন্ত্রের উৎসবে পিছিয়ে নেই অসম ও কেরলও

    Assembly Election 2026: ৯১ শতাংশ ভোট পুদুচেরিতে! গণতন্ত্রের উৎসবে পিছিয়ে নেই অসম ও কেরলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হল অসম, কেরল ও পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) ভোটপর্ব। কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া মোটের উপর ভোট ছিল শান্তিপূর্ণ। নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারিতে সমাপ্ত হল ভোটপর্ব। উৎসবের আবহেই ভোট (Assembly Election) হল এই রাজ্যগুলিতে। ধরা পড়ছে তার খণ্ড খণ্ড চিত্র। কোথাও দেখা গেল, বিয়ের সাজেই ভোট দিতে চলে এসেছেন কনে। আবার কোথাও স্টার প্রার্থীকে ঘিরে সেলফি তোলার ভিড়। অসমে ভোট দিলেন প্রয়াত গায়ক জুবিন গর্গের স্ত্রী গরিমা গর্গও। দুই রাজ্য অসম ও কেরল এবং কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরিতে ব্যাপক ভোটদানের হার নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার ভোটারদের অংশগ্রহণ আগের সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের “অটুট আস্থা”-র প্রমাণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    কোথায় কত শতাংশ ভোট

    পুদুচেরিতে সর্বোচ্চ ৯১.২ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা এর আগে ২০১১ সালের ৮৬.২ শতাংশের রেকর্ড ভেঙেছে। অসমে ভোটদান হয়েছে ৮৫.৮ শতাংশ—২০১৬ সালের ৮৪.৭ শতাংশের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে কেরলে ৭৮.২ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা ১৯৮৭ সালের পর সর্বোচ্চ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এই ভোটদানকে “ঐতিহাসিক” বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর কথায়, “এটি শুধু ভারতের নয়, গোটা বিশ্বের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।” নির্বাচন কমিশনের একাধিক আধিকারিক জানিয়েছেন, ভোটার তালিকা সংশোধন (Special Intensive Revision) এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের ফলে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে। মৃত, স্থানান্তরিত বা ডুপ্লিকেট নাম বাদ পড়ায় মোট ভোটার সংখ্যা কিছুটা কমলেও ভোটদানের হার বেড়েছে।

    অসমে সংখ্যালঘু এলাকায় ভোটের জোয়ার

    অসমে ভোটদানের চিত্র সমান নয়। মুসলিম অধ্যুষিত কেন্দ্রগুলিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। দরং জেলার দলগাঁও কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৯৪.৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। এরকম প্রায় ১৫টি কেন্দ্রে ৯০ শতাংশের বেশি ভোটদান হয়েছে। অন্যদিকে, আপার অসমের হিন্দু প্রধান এলাকায় ভোটের হার ছিল প্রায় ৮২ শতাংশ, যা রাজ্যের গড়ের নিচে। বোধো অঞ্চলে ৮৫ শতাংশ, বরাক উপত্যকায় ৮২.৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কার্বি আংলং ও দিমা হাসাও পাহাড়ি জেলায়—৭৪.২ শতাংশ। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এই ভোটদানকে “ঐতিহাসিক” বলে উল্লেখ করে ১২৬ আসনের মধ্যে ৯০টির বেশি আসনে জয়ের আশা প্রকাশ করেছেন।

    রেকর্ড পরিমাণ ভোট

    বুধবার রাত থেকেই দফায় দফায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে অসমের বিভিন্ন প্রান্তে। বৃহস্পতিবার সকালেও ছিল আকাশের মুখ ভার। ছিল বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতও। তবে সেসব উপেক্ষা করেই এদিন গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হয়েছিলেন সেরাজ্যের মানুষ। অসমের আইজি (আইন-শৃঙ্খলা) অখিলেশ কুমার সিং জানিয়েছেন, বুধবরা রাতে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল তমুলপুর ও শিবসাগর বিধানসভা কেন্দ্র। পাথারকান্দি, মেরাপানি, রাহার বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে অশান্তি হয়েছে। অন্যদিকে শ্রীভূমি, গোলাঘাট ও নগাঁও জেলায় বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে ছোটখাটো সংঘর্ষ হয়েছে।

    সরকার গড়বে বিজেপি-ই!

    কামরূপ শহরের গরাল বুনিয়াদি এলপি স্কুলের বুথে সপরিবারে ভোট দেন অসমের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। উল্লেখ্য, অসমে পরপর দু’বার সরকারে বিজেপি। প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা ধরে রাখার লড়াইয়ে নামছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী গৌরব গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস। বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় অসমে বিজেপিকে এগিয়ে রাখছে। যদিও কংগ্রেসের দাবি, অসমে পরিবর্তনের চোরাস্রোত বইছে। যেভাবে অহমের মূল নিবাসীরা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে, তাতে রাজ্যে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। যদিও বিজেপি ১০০ আসন জয়ের টার্গেট বেঁধে রেখেছে।

    কেরলে উৎসাহ, তাপদাহ উপেক্ষা করেও লম্বা লাইন

    কেরলেও তাপদাহ উপেক্ষা করে ভোটারদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। বহু জেলায় ৮০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। নির্ধারিত সময় পেরিয়েও ভোটকেন্দ্রে লাইন ছিল। মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, বিরোধী নেতা ভি ডি সতীশান এবং বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি ভোট দেন। চলচ্চিত্র জগতের মম্মুট্টি, মোহনলাল, সুরজ ভেঙ্কারামুডু ও আসিফ আলিও ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তিরুবনন্তপুরমে প্রথমবার ভোটদাতাদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়—তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় হালুয়ার বাক্স ও ধন্যবাদ কার্ড, যা ভোটে অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে সাহায্য করেছে।

    কেরলে শান্তিপূর্ণ ভোট

    দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই মিটল কেরলের ভোটগ্রহণ পর্বও। জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী এলডিএফ ও ইউডিএফ-উভয় শিবিরই। ভোটদানের পর মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বলেন, ‘কেরল উন্নত রাজ্য হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই ভোটেও যাত্রা অব্যাহত থাকবে।’ অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা শশী থারুর বলেন, ‘ভোটদানের হার বেশি। এর থেকেই প্রমাণ হয় মানুষ সরকার বদল চায়।’ পাশাপাশি কেরলে বিজেপি কোনো ফ্যাক্টর নয় বলেও জানান তিনি। ভোটারদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমবারের ভোটারদের জন্য এর্নাকুলামে ভোটকেন্দ্র গুলিতে ছিল বিশেষ ব্যবস্থা। ভোটদানে উৎসাহ দিতে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় হালুয়ার প্যাকেট। অন্যদিকে বিয়ের মণ্ডপ থেকে এদিন সরাসরি ভোটকেন্দ্রে চলে আসেন সদ্য বিবাহিত দম্পতি দিব্যশ্রী ও অশ্বনাথ লম্বোদরণ। নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বিপুল ভোটদান প্রমাণ করে যে মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর আস্থা রাখছেন এবং সচেতনভাবে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

LinkedIn
Share