Tag: khabor

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন আমাদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে (Roundup Week) সংঘটিত এক প্রকার গণহত্যার মতো (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তারকে উপেক্ষা করেছে, যার নেপথ্যে কাজ করছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন ঘৃণার মুখোমুখি হচ্ছেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এই সপ্তাহে আমরা এমন ঘটনাগুলির একটি চিত্র তুলে ধরছি, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন।

    পশ্চিমবঙ্গের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার জামালদহ এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, দীর্ঘদিনের হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের পর ১৫ বছরের এক কিশোরী আত্মহত্যা করে। মৃতা শেফালি বর্মন, জামালদহের বাসিন্দা ও জামালদহ তুলসী দেবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। পরিবারের অভিযোগ, হুমায়ুন কবির মিঞা নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং সত্য প্রকাশ পাওয়ার পর বিচ্ছেদের জেরে শেফালিকে হুমকি দিতে থাকে (Hindus Under Attack)। দিল্লির পীরাগড়ি এলাকায় একটি পার্ক করা গাড়ির ভেতর তিন হিন্দুর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক স্বঘোষিত মুসলিম তান্ত্রিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে আরও পাঁচটি অনুরূপ মৃত্যুর সঙ্গে তার যোগ থাকতে পারে (Roundup Week)।

    কর্নাটকের ঘটনা

    কর্নাটকের শিবমোগা জেলার ভদ্রাবতীতে জোরপূর্বক খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরের অভিযোগ উঠেছে। বি বিনয় নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী প্রিয়াথা আর খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে তাঁকে ও তাঁদের দুই নাবালিকা কন্যাকে একই ধর্ম অনুসরণে চাপ দিচ্ছেন। পেপার টাউন থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত (Hindus Under Attack)। বিজয়পুরায় আর একটি ঘটনা সামনে আসে। নিশা চৌহান নামে এক তরুণী বাড়ি ছেড়ে ফিরে এসে পুলিশের সামনে জানান, তিনি তাঁর স্বামী মহম্মদ সেলিম সুতারের সঙ্গেই থাকবেন। গান্ধী চক থানার বাইরে তাঁর বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়ে মেয়েকে বাড়ি ফেরার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি। কর্নাটকের গদাগ জেলার মুন্দারগি তালুকের শিংগাতালুর গ্রামের ঐতিহাসিক শ্রী রামালিঙ্গেশ্বর মন্দিরে মহাশিবরাত্রির সকালে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় স্থানীয় ভক্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়ায় (Hindus Under Attack)।

    খবরে উত্তরপ্রদেশও

    উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় মহাশিবরাত্রির প্রাক্কালে কানওয়ার যাত্রার শিবিরের কাছে সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন জখম হন, যার মধ্যে এক পুলিশ কনস্টেবলও রয়েছেন। অভিযোগ, মুসলিম যুবকেরা পাথর নিক্ষেপ করে। ২৯ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে (Roundup Week)। কংগ্রেস মুখপাত্র লক্ষ্মী রামচন্দ্রন তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্টালিনের সনাতন ধর্ম সম্পর্কিত বিতর্কিত মন্তব্যকে সমর্থন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দেন।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে সে দেশে হিন্দুরা বিলুপ্ত হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় এমনই দাবি করা হয়েছে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মদ্রোহের অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর—এসবের মাধ্যমে হিন্দুদের দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। নোয়াখালির হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একাধিক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে হয় মানববন্ধন (Roundup Week)।

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন। পিটারবরো শহরের একমাত্র মন্দির ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে ভারত হিন্দু সমাজের অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে জায়গাটি একটি ইসলামিক সংস্থাকে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা। সম্প্রদায়ের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন (Hindus Under Attack)। হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশন ব্রাম্পটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন ও ন্যাশনাল পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে কানাডায় তোলাবাজি সংক্রান্ত একটি নিবন্ধে হিন্দু ধর্মীয় চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কহীন।

    লেখাটিতে বলা হয়েছে, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত ও কিছু ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতাদর্শ কাজ করে। ইসলামিক দেশগুলিতে প্রকাশ্য হিন্দুবিরোধী মনোভাবের পাশাপাশি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রেও সূক্ষ্ম বৈষম্য বিদ্যমান বলে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ (Roundup Week) তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Karan Adani: ‘বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত করণ আদানি

    Karan Adani: ‘বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত করণ আদানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের ‘ম্যানেজিং ইন্ডিয়া অ্যাওয়ার্ডসে’ ‘বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন করণ আদানি (Karan Adani)। পোর্টস অ্যান্ড এসইজেড লিমিটেড এবং আদানি সিমেন্ট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর করণকে (Aima Awards) এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে অল ইন্ডিয়া ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (এআইএমএ) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে।

    সম্মান প্রদান (Karan Adani)

    নয়াদিল্লির তাজ প্যালেস হোটেলে অনুষ্ঠিত এআইএমএর প্লাটিনাম জয়ন্তী উদ্‌যাপনের সময় এই সম্মান প্রদান করা হয়। এদিন সংস্থাটির ৭০তম প্রতিষ্ঠা দিবস এবং ২০তম ন্যাশনাল ম্যানেজমেন্ট ডে পালিত হয়। এই ব্যবসায়ী তাঁর প্রাপ্ত পুরস্কারটি আদানি গ্রুপের কর্মীদের উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, “এই পুরস্কারে আমি সত্যিই অভিভূত। আমি এটি আদানি গ্রুপের কর্মীদের উৎসর্গ করছি। তাঁরা দিন-রাত এক করে পরিশ্রম করছেন। এটি আসলে তাদেরই পুরস্কার।”

    কী বললেন করণ

    করণ আদানি এও বলেন, “আমি আমার বাবাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি প্রতিদিন তাঁর কাছ থেকে শিখি। তাঁকে প্রতিদিন কাজ করতে দেখা আমার জন্য সৌভাগ্যের। আমার মাকেও ধন্যবাদ, তাঁর কাছ থেকে আমি সহমর্মিতা ও সততা শিখেছি। আমার তিন ভাইকেও ধন্যবাদ—আমরা একসঙ্গে কাজ করি এবং বাবার উত্তরাধিকার এগিয়ে নিয়ে যাব। আমার স্ত্রীকে ধন্যবাদ, তিনি সব সময় আমাকে সমর্থন করেন এবং এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেন। আর আমার মেয়েকে ধন্যবাদ, যে আমাকে প্রতিদিন আরও ভালো মানুষ হতে সাহায্য করছে।”

    কে, কোন পুরস্কার পেলেন

    এই অনুষ্ঠানে শিল্পপতি, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের দূরদর্শীরা একত্রিত হয়ে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ভারতের অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। করণ আদানির পুরস্কারের উদ্ধৃতি পাঠ করেন কিরলস্কর ব্রাদার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সঞ্জয় কিরলস্কর (Aima Awards)। ২০১০ সালে চালু হওয়া ‘এআইএমএ ম্যানেজিং ইন্ডিয়া অ্যাওয়ার্ডস ব্যবসা’, মিডিয়া, শিল্পকলা ও সমাজসেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎকর্ষকে পুরস্কার দেয়(Karan Adani)। করণ ছাড়াও অন্যান্য যাঁরা পুরস্কার পেয়েছেন, তাঁরা হলেন, রোপেন ট্রান্সপোর্টেশন সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও অরবিন্দ সাংকা, সহ-প্রতিষ্ঠাতা পবন গুণ্টুপল্লি এবং এসআর ঋষিকেশ। এঁরা পেয়েছেন এন্টারপ্রেনার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার। ডিরেক্টর অব দ্য ইয়ার পুরস্কার পেয়েছেন ‘সাইয়ারা’র পরিচালক মোহিত সূরি। আউটস্ট্যান্ডিং কন্ট্রিবিউশন টু জার্নালিজম পুরস্কার পেয়েছেন এনডিটিভির সিইও তথা এডিটর-ইন-চিফ রাহুল কানওয়াল।

    আউটস্ট্যান্ডিং পিএসইউ অব দ্য ইয়ার পুরস্কার

    আউটস্ট্যান্ডিং পিএসইউ অব দ্য ইয়ার পুরস্কার দেওয়া হয়েছে কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের কর্তাকে। তাঁর হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন পরিচালক (অপারেশনস) হরিকৃষ্ণন এস। ট্রান্সফরমেশনাল বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার পেয়েছেন আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক লিমিটেডের এমডি তথা সিইও ভি বৈদ্যনাথন। ইয়াং বিজনেস লিডার অব দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন  অনন্যা বিড়লা। তিনি স্বতন্ত্রা মাইক্রোফিন প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা, বিড়লা কসমেটিকস প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা তথা এমডি, আদিত্য বিড়লা ম্যানেজমেন্ট কর্পোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক (Karan Adani)। এআইএমএ এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন সুনীল কান্ত মুঞ্জাল, চেয়ারম্যান, হিরো এন্টারপ্রাইজ (Aima Awards)। এমএনসি ইন ইন্ডিয়া অব দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন মাইক্রন টেকনোলজি অপারেশনস ইন্ডিয়া এলএলপি। পুরস্কার নেন সঞ্জয় মেহরোত্রা, চেয়ারম্যান, প্রেসিডেন্ট ও সিইও, মাইক্রন টেকনোলজি। ইন্ডিয়ান এমএনসি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার দেওয়া হয় মাদারসন গ্রুপকে। তাদের পক্ষে পুরস্কার নেন চেয়ারম্যান বিবেক চাঁদ সেহগল।

    লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন

    লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন টু মিডিয়া পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বেনেট কোলম্যান অ্যান্ড কোং লিমিটেড কর্তা বিনীত জৈনকে। লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে মারিকো লিমিটেডের চেয়ারম্যান হর্ষ মারিওয়ালাকে বিজনেস লিডার অব দ্য ডিকেড পুরস্কার পেয়েছেন ভারতী এন্টারপ্রাইজেসের প্রতিষ্ঠাতা তথা চেয়ারম্যান সুনীল ভারতী মিত্তল। প্রসঙ্গত, বছরের পর বছর এই পুরস্কার ব্যবসা, চলচ্চিত্র, ক্রীড়া (Aima Awards) ও গণমাধ্যম জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করে আসছে (Karan Adani)।

     

  • PM Modi: “উত্তরপ্রদেশ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্র হতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “উত্তরপ্রদেশ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্র হতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে চিপ উৎপাদনে স্বনির্ভর হতে হবে এবং দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হচ্ছে। শনিবার এমনই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “উত্তরপ্রদেশ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার একটি প্রধান কেন্দ্র হতে চলেছে, যা গর্বের বিষয়।” এদিন, প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশের যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (YEIDA)-তে এইচসিএল-ফক্সকন যৌথ উদ্যোগ ‘ইন্ডিয়া চিপ প্রাইভেট লিমিটেড’-এর প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “যেখানে একটি সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট স্থাপিত হয়, সেখানে ডিজাইন সেন্টার গড়ে ওঠে, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম বিকশিত হয় এবং উদ্ভাবন ত্বরান্বিত হয়।” শনিবার সমাপ্ত হওয়া ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে’র কথাও উল্লেখ করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ ভারত দ্রুত উন্নয়নের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। লালকেল্লা থেকে আমি বলেছিলাম—ভারতের থামার বা ধীরগতিতে চলার সময় নেই। ২০২৬ সালের শুরু থেকেই ভারত তার যাত্রা আরও ত্বরান্বিত করেছে… এবং এই সপ্তাহও ভারতের জন্য ঐতিহাসিক হয়ে উঠছে।” তিনি বলেন, “গ্লোবাল এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রযুক্তি নেতারা দিল্লিতে একত্রিত হয়েছিলেন। সেখানে বিশ্ব ভারতের এআই সক্ষমতা প্রত্যক্ষ করেছে, আমাদের ভিশন বুঝেছে এবং তা প্রশংসা করেছে।”

    এই দশক ভারতের জন্য ‘টেক-এড

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই দশক ভারতের জন্য ‘টেক-এড’। এই দশকে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারত যা করছে, তা ২১ শতকে আমাদের শক্তির ভিত্তি হয়ে উঠবে। সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে ভারতের যাত্রা কিছুটা দেরিতে শুরু হলেও আজ আমরা দ্রুত অগ্রসর হচ্ছি। সেমিকন্ডাক্টর মিশনের অধীনে এখন পর্যন্ত ১০টি ফ্যাব্রিকেশন ও প্যাকেজিং প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে চারটি ইউনিট খুব শিগগিরই উৎপাদন শুরু করবে।” তিনি বলেন, “ভবিষ্যতের মানবসভ্যতাকে প্রভাবিত করবে—এমন প্রতিটি প্রযুক্তিক্ষেত্রে ভারত নজিরবিহীন বিনিয়োগ করছে।” বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এইচসিএল-ফক্সকন সেমিকন্ডাক্টর প্রতিষ্ঠান ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং উচ্চমানের ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক গন্তব্য হিসেবে ভারতকে প্রতিষ্ঠার প্রধানমন্ত্রীর ভিশনের প্রতিফলন।” ওয়াইইআইডিএতে স্থাপিত এই আউটসোর্সড সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি অ্যান্ড টেস্ট সুবিধাটি ‘মডিফায়েড স্কিম ফর সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং, মার্কিং অ্যান্ড প্যাকেজিং (ATMP)’-এর অধীনে ইন্ডিয়া চিপ প্রাইভেট লিমিটেড গড়ে তুলছে। মোট বিনিয়োগ ৩,৭০০ কোটিরও বেশি টাকা।

    স্থিতিশীল বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল

    এই প্রকল্প সরকারের দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা জোরদার করা, আমদানি নির্ভরতা কমানো এবং স্থিতিশীল বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার প্রচেষ্টার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ, অটোমোবাইল, ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম বড় ধরনের গতি পাবে, উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর ত্বরান্বিত হবে। পাশাপাশি প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ ও পেশাজীবীদের জন্য হাজার হাজার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং আনুষঙ্গিক শিল্পেরও বিকাশ ঘটবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এইচসিএল-ফক্সকন যৌথ উদ্যোগ বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর অঙ্গনে ভারতের ক্রমবর্ধমান অবস্থানকে তুলে ধরে এবং একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে বড় পদক্ষেপ নির্দেশ করে।

     

  • US: ট্রাম্প-আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা মার্কিন শীর্ষ আদালতের, কী বলল ভারত?

    US: ট্রাম্প-আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা মার্কিন শীর্ষ আদালতের, কী বলল ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন (US) সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছে। এরপর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, এই রায়ের প্রভাব কী হতে পারে তা তারা খতিয়ে দেখছে। মন্ত্রক বলেছে, “আমরা গতকাল (শুক্রবার) শুল্ক সংক্রান্ত মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় লক্ষ্য করেছি। এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি সাংবাদিক সম্মেলনও করেছেন।” তারা আরও জানিয়েছে, “মার্কিন প্রশাসন কিছু পদক্ষেপের করার কথা ঘোষণা করেছে। এই সব পদক্ষেপের প্রভাব আমরা পর্যালোচনা করছি।”

    সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য (US)

    শুক্রবার, রক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ সুপ্রিম কোর্ট ছয়–তিন ভোটে রায় দেয় যে ১৯৭৭ সালের যে আইনের ভিত্তিতে ট্রাম্প পৃথক পৃথক দেশের ওপর হঠাৎ শুল্ক আরোপ করেছিলেন—যার ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছিল—সেই আইন প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের অনুমোদন দেয় না। ট্রাম্প এই রায় দেওয়া বিচারকদের মধ্যে দু’জনকে মনোনীত করেছিলেন। এদিনের ঘটনার পর তাঁর প্রতিক্রিয়া, আদালত বিদেশি স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমাদের দেশের জন্য সঠিক কাজ করার সাহস না দেখানোয় আদালতের কিছু সদস্যের জন্য আমি লজ্জিত—পুরোপুরি লজ্জিত।” ট্রাম্প আরও বলেন, “দেশকে রক্ষা করার জন্য একজন প্রেসিডেন্ট অতীতে আমার আরোপিত শুল্কের চেয়েও বেশি শুল্ক আরোপ করতে পারেন।” তিনি বলেন, এই রায় তাঁকে আরও শক্তিশালী করেছে (US)। ডালাসের ইকোনমিক ক্লাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, “বিকল্প পদ্ধতিতে ২০২৬ সালে শুল্ক আয়ে কার্যত কোনও পরিবর্তন হবে না (Supreme Court)।”

    নয়া শুল্ক আরোপ

    ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারার অধীনে নতুন শুল্ক আরোপ করেন। এই ধারা প্রেসিডেন্টকে আন্তর্জাতিক পরিশোধ-সংক্রান্ত মৌলিক সমস্যার মোকাবিলায় অতিরিক্ত শুল্ক ও বিশেষ আমদানি-নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা দেয়। ১২২ ধারা অনুযায়ী, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বড় ও গুরুতর পরিশোধ-ঘাটতি অর্থাৎ যখন আমদানি রফতানির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হয়—মোকাবিলার জন্য সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত অস্থায়ী শুল্ক সর্বোচ্চ ১৫০ দিনের জন্য আরোপ করতে পারেন। সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের বিস্তৃত শুল্কনীতির বিরুদ্ধে রায় দেওয়ার পর তিনি আমেরিকায় আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর নতুন বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ করেন। এর ফলে ভারতের ওপর শুল্কহার ১৮ শতাংশ থেকে কমে ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। নতুন শুল্ক নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করার পর ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানান, “এটি প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হবে (US)।”

    হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, নয়া শুল্ক ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫০ দিনের জন্য কার্যকর হবে। তবে পৃথক তদন্তাধীন খাত—যেমন ফার্মাসিউটিক্যাল—এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো–কানাডা চুক্তির আওতায় (Supreme Court) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী পণ্যের ক্ষেত্রে ছাড় বহাল থাকবে (US)।

     

  • Delhi Impact Summit: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ঘোষণাপত্রে সই করেছে ৮৬টি দেশ, জানালেন বৈষ্ণব

    Delhi Impact Summit: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ঘোষণাপত্রে সই করেছে ৮৬টি দেশ, জানালেন বৈষ্ণব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট (Delhi Impact Summit) ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছে মোট ৮৬টি দেশ। শনিবার এ কথা জানান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর মতে, এটি এআই বিষয়ে (AI Declaration) ভারতের মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি একটি বড় কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সমর্থন। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের সমাপ্তি অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানেই ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা, চিন, ডেনমার্ক এবং জার্মানি-সহ বিশ্বের প্রধান শক্তিধর দেশগুলি অংশগ্রহণ করেছে।

    অশ্বিনী বৈষ্ণব (Delhi Impact Summit)

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে বৈষ্ণব বলেন, “স্বাক্ষরকারী দেশগুলি সর্বজনের কল্যাণ ও সর্বজনের সুখ নীতিকে সমর্থন করেছে, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্পদকে গণতান্ত্রিক করার ভাবনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মানবকেন্দ্রিক এআই দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব। এআইয়ের পরিকাঠামো, পরিষেবা ও প্রযুক্তি যেন সমাজের (Delhi Impact Summit) প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছয়—এই ধারণা সকলেই গ্রহণ করেছে।” মন্ত্রী বলেন, “এই ঘোষণাপত্রে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপত্তা, আস্থা এবং সামাজিক সম্প্রীতিকে এআই উন্নয়নের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।” তিনি বলেন, “শুধু অর্থনৈতিক বৃদ্ধি নয়, সামাজিক সম্প্রীতিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। নিরাপত্তা ও আস্থা কেন্দ্রে রয়েছে।” দেশগুলি একটি নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী এআই কাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। উদ্ভাবন (innovation) এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দেশগুলি এই (AI Declaration) ক্ষেত্রগুলিতে পারস্পরিক সহযোগিতায় সম্মত হয়েছে (Delhi Impact Summit)।

    বিপুল বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    সম্মেলনে এআই পরিকাঠামোর জন্য ২৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিও মিলেছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ডিপ-টেক বিনিয়োগের আশ্বাস মিলেছে। বৈষ্ণব এই সম্মেলনকে অভূতপূর্ব সাফল্য বলে বর্ণনা করেন।সম্মেলনের প্রদর্শনী অংশে পাঁচ লাখেরও বেশি দর্শক অংশ নেন এবং বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞ ও স্টার্টআপগুলির সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন। তিনি বলেন, “বিশ্বের প্রায় সব বড় এআই সংস্থাই উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় অংশ নিয়েছে। বহু স্টার্টআপ তাদের কাজ প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছে। সামগ্রিকভাবে আলোচনা ছিল অসাধারণ মানের (Delhi Impact Summit)।” দিল্লিতে এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই, ওপেনএআই-এর প্রধান স্যাম অল্টম্যান, মাইক্রোসফটের ভাইস চেয়ার ব্র্যাড স্মিথ এবং অ্যানথ্রপিকের সিইও ডারিও আমোদেই-সহ বিশ্বের প্রযুক্তি নেতারা। আলোচনার বিষয় ছিল (AI Declaration) এআই শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা, কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI) এবং ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান। বৈষ্ণব বলেন, “আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের ব্যাপকতা প্রমাণ করে যে এআই শাসন ও পরিকাঠামো উন্নয়নের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণে ভারতের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রয়েছে বিশ্বের (Delhi Impact Summit)।

     

  • India Brazil Trade: “আগামী পাঁচ বছরে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে ভারত-ব্রাজিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য”, লুলার সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি

    India Brazil Trade: “আগামী পাঁচ বছরে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে ভারত-ব্রাজিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য”, লুলার সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India Brazil Trade) করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবারের এই বৈঠকে দুই দেশের নেতারা আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি পর্যায়ে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (India Brazil Trade)

    যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই আলোচনা সমন্বিত লক্ষ্য ও যৌথ উদ্দেশ্যের চেতনায় সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে হয়েছে।” তিনি ভারত–ব্রাজিল সম্পর্ক শক্তিশালী করতে প্রেসিডেন্ট লুলার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসাও করেন এবং নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “ভারত ও ব্রাজিলের প্রচেষ্টা গ্লোবাল সাউথের কণ্ঠকে আরও শক্তিশালী করে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী বছরগুলিতে আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের বাণিজ্য কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আসা ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল সেই আস্থারই প্রমাণ।” তিনি বলেন, “আমরা এই (India Brazil Trade) পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করে যাব।”

    সন্ত্রাসবাদ মানবজাতির শত্রু

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুই দেশই একমত যে সন্ত্রাসবাদ এবং তার সমর্থকরা সমগ্র মানবজাতির শত্রু।” তিনি ব্রাজিলকে লাতিন আমেরিকায় ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। বলেন, “বৃহৎ ব্রাজিলীয় ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতি আস্থার প্রতিফলন। ভারত–মারকোসুর (দক্ষিণ কমন মার্কেট) বাণিজ্য চুক্তির সম্প্রসারণ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।” প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিগত সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ব্রাজিলে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের জন্য সেন্টার অব এক্সেলেন্স স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সুপারকম্পিউটার, সেমিকন্ডাক্টর ও ব্লকচেইনের ক্ষেত্রে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “প্রযুক্তি হওয়া উচিত অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং তার উচিত যৌথ অগ্রগতির সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করা (PM Modi)।”

    জ্বালানি সহযোগিতা

    জ্বালানি সহযোগিতাকেও অংশীদারিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ (India Brazil Trade) হিসেবে তুলে ধরা হয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ইথানল মিশ্রণ এবং উন্নত বিমান জ্বালানির ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্সে ব্রাজিলের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি এবং দুর্যোগ–সহনশীল পরিকাঠামো জোটের সহ–সভাপতি হওয়ার ব্রাজিলের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্রাজিলের বিস্তৃত অভিজ্ঞতা এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে।” এর আগে মোদি ও লুলা প্রতিনিধিদল স্তরের বৈঠক করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি এবং অন্য শীর্ষ আধিকারিকরা।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    ১৯ ফেব্রুয়ারি এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নিতে ভারতে আসা ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তাঁর সঙ্গে আসা শীর্ষ সিইওদের বৃহৎ প্রতিনিধিদল একটি ব্যবসায়িক ফোরামে অংশ নেবে, যেখানে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সুযোগ অনুসন্ধান করা হবে। এই সফরটি জুলাই ২০২৫-এ ব্রাসিলিয়ায় মোদির সফরের (India Brazil Trade) পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি ছিল ৫০ বছরেরও বেশি (PM Modi) সময়ের মধ্যে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ব্রাজিল সফর।

     

  • CAA: সিএএ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করল কেন্দ্র, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    CAA: সিএএ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করল কেন্দ্র, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (CAA) অনুযায়ী নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে রাজ্যে আইনটির অধীনে আবেদনগুলি প্রক্রিয়াকরণের জন্য একটি ‘এমপাওয়ার্ড কমিটি’ গঠনের কথাও জানানো হয়েছে। এই পদক্ষেপটি এমন একটা সময়ে নেওয়া হল, যখন পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার বিভিন্ন ইস্যুতে কেন্দ্রের সঙ্গে মতবিরোধ রয়েছে এবং সিএএকে বৈষম্যমূলক বলে বিরোধিতা করে আসছে।

    সরকারি নির্দেশিকা (CAA)

    অতিরিক্ত সচিব নীতেশ কুমার ব্যাস জারি করা এক নির্দেশিকায় বলেন, “নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এর ধারা ৬বি(১) এবং নাগরিকত্ব বিধি, ২০০৯-এর বিধি ১১এ(১) ও (৩) অনুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গের সেনসাস অপারেশন্স দফতরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেলকে কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ করছে।” নির্দেশিকা অনুযায়ী, কমিটির সদস্যদের মধ্যে থাকবেন— সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর একজন ডেপুটি সেক্রেটারি পর্যায়ের আধিকারিক, সংশ্লিষ্ট বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন আধিকারিকের (FRRO) মনোনীত প্রতিনিধি, পশ্চিমবঙ্গের ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টারের স্টেট ইনফরমেটিক্স অফিসার (উভয়েই আন্ডার সেক্রেটারি পর্যায়ের নীচে নন), এবং পোস্টমাস্টার জেনারেল বা মনোনীত ডেপুটি সেক্রেটারি পর্যায়ের ডাক বিভাগের আধিকারিক।

    নাগরিকত্ব আইন

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই নির্দেশের মাধ্যমে নাগরিকত্ব আইনের ধারা ৬বি এবং নাগরিকত্ব বিধির ১১এ/১৩এ অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে ‘এমপাওয়ার্ড কমিটি’ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করে সিএএ-র কাঠামো কার্যকর করা হল। এর আগে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক বিজ্ঞপ্তিতে সারা দেশে নাগরিকত্ব আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য একটি সর্বভারতীয় কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে কার্যকর করার জন্য রাজ্যভিত্তিক কমিটি গঠনের প্রয়োজন ছিল। এই কমিটির কাজ হবে— সিএএ-তে নির্ধারিত যোগ্য নির্যাতিত সংখ্যালঘু আবেদনকারীদের আবেদন যাচাই করা, জেলা পর্যায়ের যাচাইকরণ সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় করা এবং নাগরিকত্ব মঞ্জুর বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া। আরও বলা হয়েছে, বৈঠকে দু’জন আমন্ত্রিত সদস্য থাকবেন। একজন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (গৃহ) বা অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (গৃহ) দফতরের একজন প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের একজন মনোনীত প্রতিনিধি।

    কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মতে, এই বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ সালের ১১ মার্চের নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার মাধ্যমে অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটিগুলির কাজ হল পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর আগে ভারতে প্রবেশ করা নির্যাতিত অ-মুসলিম অভিবাসীদের নাগরিকত্ব যাচাই ও প্রদান করা। ২০২৪ সালে সরকার নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন, ২০১৯ কার্যকর করে এবং সংশ্লিষ্ট বিধি জারি করে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত অনথিভুক্ত অ-মুসলিম অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুততর করে। এখন সিএএর অধীনে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত নির্যাতিত অ-মুসলিম অভিবাসী— হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্শি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

     

  • PM Modi: ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে পার্শ্ববৈঠক ভারত-শ্রীলঙ্কার, বৈঠক হল মরিশাসের সঙ্গেও

    PM Modi: ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে পার্শ্ববৈঠক ভারত-শ্রীলঙ্কার, বৈঠক হল মরিশাসের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর পার্শ্ব বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা ডিসানায়াকার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় (AI Summit)। এই সময় দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং সহযোগিতা আরও গভীর করার অঙ্গীকার করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রেসিডেন্ট দিসানায়কের দ্বিতীয় ভারত সফর। এর আগে তিনি ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছিলেন।

    ভারত-শ্রীলঙ্কা পার্শ্ব বৈঠক (PM Modi)

    সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলির পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া অগ্রগতিও দুই নেতা পর্যালোচনা করেন, যার মধ্যে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদির শ্রীলঙ্কা সফর অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাঁরা ভৌত, ডিজিটাল এবং জ্বালানি সংযোগ বাড়াতে যৌথভাবে কাজ দ্রুততর করার বিষয়ে অভিন্ন সংকল্পের ওপর জোর দেন। উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা স্বীকার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সমন্বয় নিয়ে মতবিনিময়ও করেন। সাইক্লোন ‘দিতওয়া’র পর ভারতের দ্রুত ও নিঃশর্ত সাহায্যের জন্য প্রেসিডেন্ট দিসানায়ক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রথম প্রতিক্রিয়াকারী দেশ হিসেবে ভারত ‘অপারেশন সাগর বন্ধু’র অধীনে জরুরি ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করে। ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সাহায্য প্যাকেজের মাধ্যমে পুনর্গঠন প্রকল্পে যে সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে, তাও উল্লেখ করেন দুই নেতা রাষ্ট্রনেতা (PM Modi)।

    সভ্যতাগত বন্ধন

    শ্রীলঙ্কায় পবিত্র দেবনিমোরি ধাতুর সফল প্রদর্শনীকে স্বাগত জানিয়ে দুই নেতা বলেন, “দুই দেশের সভ্যতাগত বন্ধন ভারত-শ্রীলঙ্কা অংশীদারিত্বকে অনন্য শক্তি দেয়।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট ডিসানায়াকা শ্রীলঙ্কার মজবুত উন্নয়নের প্রয়োজন মেটাতে এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা জোরদার করতে যৌথভাবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হন।

    ভারত-মরিশাস বৈঠক

    এদিনই পার্শ্ব বৈঠকে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীন চন্দ্র রামগুলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এটি ছিল প্রধানমন্ত্রী রামগুলামের দ্বিতীয় ভারত সফর। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছিলেন তিনি। ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁদের সাম্প্রতিক টেলিফোনালাপের পর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুই নেতা ‘এনহ্যান্সড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে’র অধীনে অগ্রগতির পর্যালোচনা করেন এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল সহযোগিতা-সহ বহুমাত্রিক সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা করেন। উদীয়মান প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব স্বীকার করে তাঁরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদ্ভাবনভিত্তিক খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় করেন।

    মরিশাসের উন্নয়নে অগ্রাধিকার

    দুই রাষ্ট্রনেতাই মরিশাসের উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে সমর্থন করে ভারতের প্রদত্ত বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি উল্লেখ করেন, মরিশাস ভারতের উন্নয়ন অংশীদারিত্বের একটি আদর্শ উদাহরণ, যা পারস্পরিক আস্থা ও অগ্রগতির যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে (PM Modi)। দুই প্রধানমন্ত্রী ভারতের ‘ভিশন মহাসাগর’ এবং ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অধীনে ভারত–মরিশাস অংশীদারিত্বের স্থায়ী গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা জোর দেন যে এই অংশীদারিত্ব পারস্পরিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধি এবং গ্লোবাল সাউথের অভিন্ন অগ্রাধিকারের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে (AI Summit)। নেতারা ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি জোরদারে এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়েও একমত হন (PM Modi)।

     

  • US: মোদির কাছে মাথা নত! শেষমেশ ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল আমেরিকা

    US: মোদির কাছে মাথা নত! শেষমেশ ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় পণ্যের ওপর ১৫০ দিনের জন্য শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US)। হোয়াইট হাউসের নয়া এক বিজ্ঞপ্তির পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে পূর্ববর্তী বৈশ্বিক শুল্ক কাঠামো বাতিল করে দেয় (Supreme Court Ruling)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগে যেসব ভারতীয় রফতানি পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক আরোপিত ছিল, সেগুলির ওপর এখন ১০ শতাংশ ‘অ্যাড ভ্যালোরেম’ (ad valorem) শুল্ক প্রযোজ্য হবে। যদিও এর আগে দুই দেশের মধ্যে ১৮ শতাংশ শুল্ক হার নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, তা কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রফতানিকারীরা কার্যত ২৫ শতাংশ থেকে সরাসরি ১০ শতাংশে শুল্ক কমার সুবিধা পাবেন।

    সংশোধিত শুল্কহার কবে থেকে (US)

    সংশোধিত শুল্কহার ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে কার্যকর হবে এবং ১৫০ দিন বলবৎ থাকবে। এই নয়া কাঠামোটি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে, এমন সব দেশের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার মধ্যে ভারতও রয়েছে। এর আগে সিএনবিসি জানিয়েছিল যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি থাকা দেশগুলি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষরিত নতুন ঘোষণার আওতায় কম শুল্ক সুবিধা পাবে। এই সাময়িক শুল্ক হ্রাসকে মার্কিন বাণিজ্যনীতির বৃহত্তর পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে (US)। শুল্ক সংশোধনের এই সিদ্ধান্ত এসেছে সুপ্রিম কোর্টের ৬–৩ সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ের পর, যেখানে প্রশাসনের পূর্ববর্তী বৈশ্বিক শুল্ক কাঠামোকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিরা মত দেন যে, আমদানি শুল্ক আরোপের জন্য যে আইনের উল্লেখ করা হয়েছিল, তা প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় না। এর ফলে একতরফা শুল্ক আরোপের ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়, যা একাধিক দেশকে প্রভাবিত করেছিল।

    শুল্কের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

    তবে আদালত এই বিষয়ে কিছু বলেনি যে, আগে আদায় করা শুল্কের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা দেশগুলি ফেরতের অধিকার পাবে কি না। বিষয়টি এখনও নিষ্পন্ন হয়নি এবং ভবিষ্যতে এ নিয়ে আইনি বা কূটনৈতিক আলোচনা হতে পারে। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বিচারপতিদের সমালোচনা করে তাঁদের জাতির পক্ষে লজ্জা বলে অভিহিত করেন এবং অভিযোগ তোলেন যে তাঁরা “বিদেশি স্বার্থ ও ক্ষুদ্র রাজনৈতিক গোষ্ঠীর” প্রভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভারতীয় রফতানিকারীদের জন্য ১০ শতাংশে সাময়িক শুল্ক হ্রাস স্বল্পমেয়াদে স্বস্তি ও আমেরিকার বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এনে দেবে। এই ১৫০ দিনের সময়সীমা উভয় দেশের বাণিজ্য কর্তা ও ব্যবসায়ীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ (Supreme Court Ruling) হয়ে উঠবে। কারণ ভবিষ্যতে  ভারত- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনার রূপরেখা নির্ধারণে এটি প্রভাব ফেলতে পারে (US)।

     

  • Google: ‘বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠবে নয়া আন্তর্জাতিক আন্ডার-সি কেবল গেটওয়ে’, ঘোষণা সুন্দর পিচাইয়ের

    Google: ‘বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠবে নয়া আন্তর্জাতিক আন্ডার-সি কেবল গেটওয়ে’, ঘোষণা সুন্দর পিচাইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমেরিকা-ইন্ডিয়া কানেক্ট” উদ্যোগ ঘোষণা করল গুগল। এটি একটি বৃহৎ পরিকাঠামো প্রকল্প, যার লক্ষ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এবং দক্ষিণ গোলার্ধের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ডিজিটাল ও এআই (AI) সংযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো। নয়াদিল্লিতে চলমান ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এ এই ঘোষণা করা হয়।

    সুন্দর পিচাইয়ের বক্তব্য (Google)

    গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “এর লক্ষ্য হল এআইয়ের প্রাপ্যতা বাড়ানো এবং ডিজিটাল বিভাজন যাতে এআই বিভাজনে পরিণত না হয় তা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, “আজ আমরা ইন্ডিয়া-আমেরিকা কানেক্ট উদ্যোগ ঘোষণা করছি, যা ভারত ও আমেরিকার মধ্যে এবং দক্ষিণ গোলার্ধের একাধিক জায়গার সঙ্গে এআই সংযোগ বাড়াতে নয়া আন্ডার-সি (সমুদ্রতল) কেবল রুট স্থাপন করবে।” এই প্রকল্পটি ভারতে এআই পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য গুগলের পাঁচ বছর মেয়াদি ১৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের বৃহত্তর বিনিয়োগ পরিকল্পনার অংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হল ভারতের পূর্ব উপকূলে বিশাখাপত্তনমে একটি নতুন আন্তর্জাতিক আন্ডারসি গেটওয়ে স্থাপন। মুম্বই ও চেন্নাইয়ের মধ্যে থাকা কেবল ল্যান্ডিং পয়েন্টগুলির পাশাপাশি এই নতুন সংযোজন বৈচিত্র্য ও স্থিতিস্থাপকতা বাড়াবে।

    সমুদ্রতলে নয়া ৩ কেবল বসানোর পরিকল্পনা

    গুগল তিনটি নতুন আন্ডার-সি কেবল বসানোর পরিকল্পনাও করেছে, যা ভারতকে সরাসরি সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যুক্ত করবে। ভারতের পূর্ব উপকূলে বিশাখাপত্তনম থেকে চেন্নাই হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে একটি সরাসরি ফাইবার-অপটিক সংযোগ গড়ে তোলা হবে। আর একটি সরাসরি রুট বিশাখাপত্তনমকে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে যুক্ত করবে, যা সাবমেরিন কেবল ব্যবস্থার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করবে। এসব বিনিয়োগের ফলে ভাইজাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আন্ডার-সি কেবল গেটওয়ে হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

    কৌশলগত ফাইবার-অপটিক রুট

    নেটওয়ার্কের সক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারত ও দক্ষিণ গোলার্ধের বিভিন্ন গন্তব্যে চারটি কৌশলগত ফাইবার-অপটিক রুট গড়ে তোলা হবে। এগুলি গুগলের বৈশ্বিক আন্ডারসি কেবল ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বিত হবে—যার মধ্যে রয়েছে ইকিউয়ানো, নুভেম, বসান, টাবুয়া, তালয়ালিঙ্ক, অনোমোয়ানা, ব্লু, রামন এবং সল।  এসব সংযোগ একাধিক বিকল্প ও উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন পথ তৈরি করবে, যেমন আমেরিকার পূর্ব উপকূল থেকে আফ্রিকা ঘুরে ভাইজাগে সংযোগ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূল থেকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর ও অস্ট্রেলিয়া হয়ে ভাইজাগে সংযোগ, এবং মুম্বই থেকে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় সহায়ক লিঙ্ক।

    উত্তর আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্র), এশিয়া (ভারত ও সিঙ্গাপুর), আফ্রিকা (দক্ষিণ আফ্রিকা) এবং অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া—এই চার মহাদেশকে যুক্ত করে আমেরিকা-ইন্ডিয়া কানেক্ট ঐতিহাসিক সামুদ্রিক বাণিজ্যপথগুলিকে আধুনিক শক্তিশালী ডিজিটাল রুটে রূপান্তর করতে চায়। উন্নত পরিকাঠামো ভারতের জন্য আরও নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী এবং স্থিতিশীল ইন্টারনেট পরিষেবা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে এটি দেশে ব্যাপক এআই গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করবে এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, আমেরিকা-ইন্ডিয়া কানেক্ট প্রকল্প আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এআইয়ের প্রবেশাধিকারও বাড়াবে।

     

LinkedIn
Share