Tag: khabor

  • Donald Trump: ট্রাম্পের হাতে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার তুলে দিলেন মাচাদো! আদৌ হস্তান্তর করা যায়? কী বলছে নিয়ম?

    Donald Trump: ট্রাম্পের হাতে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার তুলে দিলেন মাচাদো! আদৌ হস্তান্তর করা যায়? কী বলছে নিয়ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর স্বপ্ন ছিল নোবেল শান্তি পুরস্কার হস্তগত করা। কিন্তু তাঁর সেই কাঙ্খিত নোবেল পুরস্কার অধরাই রয়ে গিয়েছে। শেষমেশ অবশ্য দুধের স্বাদ ঘোলেই মেটালেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। হোয়াইট হাউসে গিয়ে ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো (Maria Corina Machado) যখন তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক ট্রাম্পের হাতে তুলে দেন, তখন সেই মুহূর্তে ট্রাম্পের মুখে ছিল অর্থবহ এক হাসি। এই সম্মান বহুদিন ধরেই তাঁর হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা, এবং তিনি কখনওই তা প্রকাশ্যে চাওয়ার ব্যাপারে পিছপা হননি। পুরস্কার হাতে নিয়ে এক গাল হাসি হেসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “দারুণ এক সৌজন্যমূলক পদক্ষেপ।”

    নোবেল পুরস্কার আদৌ হস্তান্তর করা যায়? (Donald Trump)

    মাচাদো শুধু ট্রাম্পকে পদকটি উপহারই দেননি, তিনি সেটি হোয়াইট হাউসেই রেখে গিয়েছেন। ট্রাম্পও প্রকাশ্যেই তা গ্রহণ করেন এবং একে পারস্পরিক সম্মানের প্রতীকী রূপ বলে অভিহিত করেন। নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নিজের পদক অন্য কারও হাতে তুলে দিলেন। প্রশ্ন হল, এভাবে কি নোবেল পুরস্কার আদৌ হস্তান্তর করা যায়? মাচাদোর হোয়াইট হাউস সফরের কয়েক দিন আগেই এই বিষয়টি নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছিল নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট। রবিবার প্রতিষ্ঠানটি আবারও জানায়, নোবেল শান্তি পুরস্কার কখনও হস্তান্তর, ভাগ বা প্রত্যাহার করা যায় না। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিনি তাঁর ২০২৫ সালের নোবেল পুরস্কারটি ট্রাম্পকে দিতে পারেন। তাঁর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই বিষয়টি পুনরায় স্পষ্ট করা হয় (Donald Trump)।

    নোবেল কমিটির বক্তব্য

    এক বিবৃতিতে নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট জানায়, নোবেল পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও স্থায়ী। নোবেল ফাউন্ডেশনের বিধির উল্লেখ করে তারা জানায়, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনও আপিলের সুযোগ নেই। পাশাপাশি তারা জানায়, পুরস্কার পাওয়ার পর কোনও বিজয়ীর বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড নিয়ে (Maria Corina Machado) নোবেল কমিটি কোনও মন্তব্য করে না। বিবৃতিতে বলা হয়, “একবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়ে গেলে তা আর কখনও প্রত্যাহার, ভাগ বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা যায় না। সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত এবং চিরস্থায়ী।”

    নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি এবং নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এই মন্তব্য করে। নোবেল শান্তি পুরস্কার, যাকে সব নোবেল পুরস্কারের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বলে মনে করা হয় এবং যা মানবজাতির সর্বাধিক কল্যাণে অবদান রাখা ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, চলতি বছর মাচাদোকেই দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে তিনি ঘোষণা করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর তিনি এই পুরস্কারটি ট্রাম্পের হাতে তুলে দেবেন (Donald Trump)।

    পরবর্তী কালে মাচাদো জানান, এই উপহার তিনি দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার জনগণের স্বাধীনতার প্রতি ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতি হিসেবে (Maria Corina Machado)। হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর মাচাদো বলেন, “আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি উপহার দিয়েছি। আমাদের স্বাধীনতার প্রতি তাঁর ব্যতিক্রমী অঙ্গীকারের স্বীকৃতি হিসেবেই, তাঁকে এই উপহারটি দিয়েছি।” বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প লেখেন, “মারিয়া আমার করা কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারটি আমায় দিয়েছেন। পারস্পরিক সম্মানের এক অসাধারণ রূপ। ধন্যবাদ, মারিয়া (Donald Trump)!”

  • LET Commander: “হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে”! পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে হুমকি লস্কর কমান্ডারের

    LET Commander: “হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে”! পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে হুমকি লস্কর কমান্ডারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া জঙ্গি হুমকি এল পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর (PoJK) থেকে। একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ জঙ্গি আবু মুসা কাশ্মিরি প্রকাশ্যে জেহাদ (Jihad) ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসার আহ্বান জানাচ্ছে (LET Commander)। ভিডিওটি তোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি কোনও অঞ্চল থেকে। এই ঘটনা এমন একটা সময়ে সামনে এল, যখন তার ঠিক এক দিন আগেই ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী জঙ্গি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

    হিন্দুদের গলা কেটে স্বাধীনতা আনতে হবে (LET Commander)

    ওপেন-সোর্স গোয়েন্দা প্ল্যাটফর্ম ওসিন্টটিভি শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, লস্কর-ই-তৈবার জম্মু ও কাশ্মীর ইউনাইটেড মুজাহিদিন (JKUM)-এর সিনিয়র কমান্ডার আবু মুসা কাশ্মিরি পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের রাওয়ালকোট জেলার হাজিরা তহসিলের তাত্রিনোট এলাকায় এক সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছে। সেখানে সে প্রকাশ্যে হিংসার ডাক দেয় এবং দাবি করে যে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান একমাত্র জেহাদের মাধ্যমেই সম্ভব। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “ভিক্ষা করে স্বাধীনতা পাওয়া যাবে না। হিন্দুদের গলা কেটে তবেই স্বাধীনতা আসবে।” সে আরও দাবি করে, এই একই বার্তা সে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য শীর্ষ মন্ত্রীদের কাছেও পৌঁছে দিয়েছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’

    কাশ্মিরি এও বলে, “জেহাদের নামে সন্ত্রাস চালিয়েই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভব।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে জেহাদি হিংসায় পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ আদর্শিক ও রাজনৈতিক মদতের বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কাশ্মিরির এই ভাষণের সময়টিও বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার ঠিক আগেও সে একই ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিল। ওই হামলায় গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয় (LET Commander)।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার এক দিন আগেই ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী চলতি বছরের প্রথম ব্রিফিংয়ে ভারতের সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’কে মাত্র একটি ট্রেলার বলে উল্লেখ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতের যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত (Jihad)।”

    সেনাপ্রধানের বক্তব্য

    নয়াদিল্লিতে চাণক্য ডিফেন্স ডায়ালগসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে দ্বিবেদী জানান, ৮৮ ঘণ্টার এই অভিযান ভারতের দ্রুত ও কার্যকর জবাব দেওয়ার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। সেনাপ্রধান আবারও স্পষ্ট করে দেন, সন্ত্রাসবাদের পাশাপাশি একই সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদী এবং তাদের মদতদাতাদের একইভাবে মোকাবিলা করা হবে (LET Commander)।” তিনি আরও জানান, ভারতের অগ্রগতিতে বাধা দেওয়ার যে কোনও চেষ্টার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বাইরের কোনও চাপ ভারতকে দমাতে পারবে না।

    অপারেশন সিঁদুরের শিক্ষা

    অপারেশন সিঁদুর থেকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরেন দ্বিবেদী- সব স্তরে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজন, সেনা, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে আরও দৃঢ় সমন্বয়, এবং দীর্ঘমেয়াদি সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি। যদিও অপারেশন সিঁদুর স্থায়ী হয়েছিল মাত্র ৮৮ ঘণ্টা। তবে ভবিষ্যতে এই ধরনের সংঘর্ষ কয়েক মাস বা এমনকি কয়েক বছরও চলতে পারে বলে তিনি সতর্ক করে দেন। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। এর পরেই ৭ মে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করে, যার আওতায় পাকিস্তান ও পাক- অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের জঙ্গি পরিকাঠামো এবং বিমানঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়। পরে পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (DGMO) আলোচনার উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় (Jihad)। তবে নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে জানায়, এই অভিযান স্থগিত হয়েছে, শেষ হয়নি (LET Commander)।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে যে কোনও জঙ্গি হামলাকে যুদ্ধের সমতুল্য বলে গণ্য করা হবে। এছাড়াও সেনাপ্রধান জানান, ২০১৯ সালের অগাস্টে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তাঁর মতে, রাজনৈতিক স্পষ্টতা এবং ধারাবাহিক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের ফলেই এই উন্নতি সম্ভব হয়েছে (LET Commander)।

  • PM Modi: ১৭ জানুয়ারি আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজো সাজো রব মালদায়, সেজে উঠছে স্টেশন

    PM Modi: ১৭ জানুয়ারি আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজো সাজো রব মালদায়, সেজে উঠছে স্টেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ জানুয়ারি ফের পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ওইদিনই মালদায় যাবেন নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকেই দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই নতুন ট্রেন সরাসরি যুক্ত করবে গুয়াহাটি-উত্তরবঙ্গ-কলকাতাকে। তাঁর সফরের আগে নয়া রূপে সেজে উঠেছে মালদা টাউন স্টেশন চত্বর। দিনরাত ধরে চলছে কাজ। মালদা টাউন স্টেশনকে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার কাজও (Vande Bharat Sleeper) চলছে জোরকদমে। স্টেশনে ঢোকার মুখে রয়েছে একটি বিশাল পার্ক। এই পার্কেই বসানো হয়েছে ফাইবারের তৈরি শ্রীচৈতন্য দেবের মূর্তি।

    সাজানো হয়েছে পার্ক (PM Modi)

    বাঁকুড়ার বিখ্যাত পোড়ামাটির ঘোড়া আর নানা ধরনের মূর্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে পার্কটি। এলাকার সমস্ত রাস্তায় নতুন করে পিচের প্রলেপ পড়েছে। পুরো এলাকা সাজানো হচ্ছে আলো দিয়ে। পার্কের কাজ শেষ করতেও ঘাম ঝরাচ্ছেন শ্রমিকরা। মালদা টাউন স্টেশনের ১ ও ২ নম্বর প্লাটফর্মে গিয়ে দেখা গেল, সেখানেও কাজ চলছে। দুটি প্লাটফর্মের মেঝের বেশ কিছু জায়গায় টাইলস পাল্টানো হচ্ছে। কোথাও আবার পড়েছে রংয়ের প্রলেপ। সামনে দাঁড়িয়ে কাজকর্ম তদারকি করছেন রেলকর্তারা। রেল সূত্রে খবর, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মালদায় পৌঁছে যাবে বন্দে ভারত স্লিপারের দুটি রেক। সেগুলি দাঁড়াবে ১ ও ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে (PM Modi)। সেই কারণে ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকে কোনও ট্রেন চলাচল করবে না। পূ্র্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক রসরাজ মাজি বলেন, “ইতিমধ্যেই কাটিহার থেকে বন্দে ভারত স্লিপার মালদার দিকে আসতে শুরু করেছে। এলেই জানিয়ে দেব।” ১৭ জানুয়ারি বন্দে ভারত স্লিপারের (Vande Bharat Sleeper) উদ্বোধন। তার ঠিক আগের দিনই মালদায় এসে পৌঁছবেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    মালদায় প্রধানমন্ত্রী

    ১৭ তারিখেই মালদায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর এই সফর ঘিরে চূড়ান্ত ব্যস্ততা। পুরাতন মালদা বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নানা প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মালদা টাউন স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের নিজস্ব ফাঁকা লক্ষ্মণ সেন স্টেডিয়ামে তৈরি হচ্ছে অস্থায়ী হেলিপ্যাড। জানা গিয়েছে, ১৭ জানুয়ারি দুপুর ২টো নাগাদ প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে সেখানে পৌঁছবেন। সেখান থেকে সড়কপথে আসবেন মালদা টাউন স্টেশনে। সড়ক পথের পুরো রাস্তাটিতে পিচের প্রলেপ পড়তে শুরু করেছে। দফায় দফায় এলাকা পরিদর্শন করছেন মালদা ডিভিশনের রেল কর্তারা।

    রেলের বক্তব্য

    পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার মণীশকুমার গুপ্তা বলেন, “১৭ জানুয়ারি মালদায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন স্লিপার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা হবে। তবে এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কোনও নির্দেশিকা আমাদের কাছে এসে পৌঁছয়নি।” জানা গিয়েছে, ওই দিন সবুজ পতাকা নেড়ে মালদা টাউন স্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী সূচনা করবেন বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। শুধু তাই নয়, সেখান থেকে ফরাক্কা পর্যন্ত তিনি ওই ট্রেনে সফরও করবেন। ট্রেনে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হবে এক ঝাঁক খুদে পড়ুয়া (Vande Bharat Sleeper)। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফর করার সুযোগ কারা পাবে, তাদের বেছে নিতে শুক্রবার থেকে মালদার বেশ কয়েকটি স্কুলে ছবি আঁকা, লেখার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন স্কুল থেকে প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়া পড়ুয়াদের নিয়ে আবার প্রতিযোগিতা হবে জেলাস্তরে। সেখানেই সফল হওয়া ৩০ পড়ুয়াকে বেছে নেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে (PM Modi)।

    একগুচ্ছ ট্রেনের উদ্বোধন

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি সরাসরি যুক্ত করবে গুয়াহাটি-উত্তরবঙ্গ-কলকাতাকে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, প্রথম ভাণ্ডে ভারত স্লিপার চলবে হাওড়া-মালদা টাউন-নিউ জলপাইগুড়ি-নিউ কোচবিহার-নিউ বঙ্গাইগাঁও-গুয়াহাটি (কামাখ্যা) রুটে। অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোর মধ্যে এবার আরও দ্রুত সংযোগ তৈরি হবে। এতেই শেষ নয়, একই দিনে প্রধানমন্ত্রী মোট ছ’টি নতুন ট্রেন পরিষেবার উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি-নাগেরকোইল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, নিউ জলপাইগুড়ি-তিরুচিরাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-বেঙ্গালুরু (SMVT) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-মুম্বই (পানভেল) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, রাধিকাপুর-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস, বালুরঘাট-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস।

    প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী বাছাই শুরু

    রেলের তরফে জেলার ১৮টি স্কুলে প্রতিযোগিতার নির্দেশাবলি পৌঁছে গিয়েছিল আগেই। তার পরেই শুরু হয় প্রতিযোগিতা। মালদার ঐতিহ্যবাহী বার্লো বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দীপশ্রী মজুমদার বলেন, “রেলের তরফে আমাদের চিঠি দিয়ে প্রতিযোগিতাগুলি আয়োজন করার জন্য বলা হয়েছে।” শুক্রবার জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যে সব স্কুল পড়ুয়ারা বন্দে ভারতে সফর করবেন, তাদের বেছে নেওয়া হবে তিন ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। ছবি আঁকা, সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা এবং প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে বলা হয়েছিল। আমরা স্কুলের জুনিয়র ও সিনিয়র ছাত্রীদের মধ্যে পৃথক দুটি ভাগে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম।” প্রতিযোগিতার বিষয় হিসেবে বিকশিত ভারত, বিকশিত বাংলা, নেক্সট জেনারেশন ট্রেন এবং আত্মনির্ভর ভারত ইত্যাদি বিষয় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মালদা অক্রুরমণি করোনেশন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক অজয়কৃষ্ণ রায় বলেন, “রেলের তরফে পড়ুয়াদের ছবিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে (Vande Bharat Sleeper)। স্কুলের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয়দের বক্তৃতার ভিডিও-ও করা হয়েছে (PM Modi)।”

  • CBI: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কলকাতার পাঁচ জায়গায় সিবিআই হানা, কে কে রয়েছেন তালিকায়?

    CBI: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কলকাতার পাঁচ জায়গায় সিবিআই হানা, কে কে রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলার (Bank Fraud Case) তদন্তে বৃহস্পতিবার কাকভোরে কলকাতার পাঁচ জায়গায় হানা দিল সিবিআই (CBI)। এদিন আলিপুর, নিউটাউন-সহ মোট পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, সকালেই শহরের ওই পাঁচ জায়গায় অভিযান চালান সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও।

    তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা (CBI)

    প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এদিন কয়েকজন ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ভুয়ো নথি দেখিয়ে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই দায়ের হয়েছিল মামলা। সেই মামলার সূত্রেই এদিন তল্লাশি চালায় সিবিআই। তদন্তকারীরা কার কার বাড়িতে হানা দিয়েছে, তা জানা না গেলেও, আলিপুর নিউ রোডে জনৈক নিশা কেজরিওয়ালের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

    আলিপুর নিউ রোডেও অভিযান

    নিশা থাকেন ২৮ নম্বর প্লটের একটি বহুতল বিলাসবহুল আবাসনে। এদিন তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় ৬ আধা সেনাকে। ভেতরে রয়েছেন আরও দুজন। তল্লাশি অভিযানে নেমে সিবিআই দেখতে চাইছে ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কার কার কাছে গিয়েছে টাকা। আলিপুর নিউ রোডের কাছে গণেশ কোর্ট আবাসনের পাঁচ তলায়ও এক ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে সিবিআই। এই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে (Bank Fraud Case) ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে কয়েকশো কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সপ্তাহখানেক আগেই কলকাতায় হানা দিয়েছিল ইডি। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা প্রথমে যান আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে। খবর পেয়ে খানিকক্ষণ বাদেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্রুত পায়ে ঢুকে যান আইপ্যাকের অফিসে। খানিক পরে হনহনিয়ে তিনি চলে আসেন বাইরে, তখন তাঁর হাতে ধরা একটি সবুজ ফাইল। ইডির আধিকারিকদের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তদন্তে বাধা দিয়েছেন (CBI)। যদিও মমতার সাফাই, এই সবুজ ফাইলে রয়েছে তাঁর দলের প্রার্থীদের নাম, ভোট স্ট্র্যাটেজির মতো বিভিন্ন (Bank Fraud Case) বিষয়। তাই তিনি ফাইলটি দ্রুত হস্তগত করেছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী (CBI)।

  • US Military Withdrawal: আস্তিন গুটোচ্ছে আমেরিকা, আকাশসীমা বন্ধ করল তেহরান, ইরানে হানা কি অচিরেই?

    US Military Withdrawal: আস্তিন গুটোচ্ছে আমেরিকা, আকাশসীমা বন্ধ করল তেহরান, ইরানে হানা কি অচিরেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার মধ্যেই একের পর এক জরুরি পদক্ষেপ করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US Military Withdrawal)। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি থেকে নীরবে সেনা ও কর্মী প্রত্যাহার, ইরানের আকস্মিক আকাশসীমা বন্ধ এবং উভয় পক্ষের কড়া হুঁশিয়ারি—এই জল্পনাকে আরও উসকে দিচ্ছে যে তেহরানের (Iran) ওপর হামলা যে কোনও মুহূর্তে শুরু হতে পারে।

    কর্মী প্রত্যাহার (US Military Withdrawal) 

    বুধবার আমেরিকা কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে তাদের কিছু কর্মী প্রত্যাহার করে নেয়। এটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি, যেখানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা থাকেন। কাতার সরকার জানিয়েছে, বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতেই এই প্রত্যাহার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এদিকে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসও তাদের কর্মীদের ওই উপসাগরীয় আরব দেশটির একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে যাতায়াত সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

    কঠোর সতর্কবার্তা জারি

    প্রসঙ্গত, এই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আসে এমন একটা সময়ে, যখন ইরান প্রতিবেশী দেশগুলির প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছে, বিশেষত, যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। তেহরান হুমকি দিয়েছে, আমেরিকা যদি ইরানের ভূখণ্ডে হামলা চালায়, তবে তারা ওইসব দেশে থাকা মার্কিন স্থাপত্যগুলির ওপর পাল্টা আঘাত হানবে। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার ইরানে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন (Iran)।

    “অনিশ্চয়তাই এই কৌশলের একটি অংশ”

    তবে এক পশ্চিমী সামরিক কর্তা সংবাদসংস্থাকে বলেন, এসব ইঙ্গিত থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলা আসন্ন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন, ট্রাম্প প্রশাসন প্রায়ই এমন কৌশলগত পদক্ষেপ করে, যার উদ্দেশ্য প্রতিপক্ষকে অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখা। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তাই এই কৌশলের একটি অংশ।” উত্তেজনা (US Military Withdrawal) আরও বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে ইরান সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। ‘নোটিস টু এয়ারমেন’ (NOTAM) জারি করে অধিকাংশ ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়, কেবল অনুমোদিত কয়েকটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ছাড়া। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, নির্দেশ জারির আগেই ইরান ও ইরাকের আকাশ দ্রুত ফাঁকা হয়ে যায়।

    আকাশসীমা বন্ধ রাখার সময়সীমা

    পরবর্তী কালে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় ইরান আকাশসীমা বন্ধ রাখার সময়সীমা আরও বাড়িয়েছে। তবে ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার সময় ও পরিসর এখনও স্পষ্ট নয়। ইউরোপীয় কর্তাদের মতে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (Iran)। ইরান আকাশসীমা বন্ধ করার কিছুক্ষণ আগেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, বিক্ষোভ দমনের অংশ হিসেবে ইরানে যে হত্যাকাণ্ড চলছিল, তা বন্ধ হচ্ছে বলে তাঁকে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথাও বলেন তিনি। ট্রাম্প জানান, অন্য পক্ষের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে ইঙ্গিত মিলেছে যে, এই মুহূর্তে ব্যাপক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরিকল্পনা নেই।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশ

    তিনি সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের বিষয়টি উড়িয়ে না দিলেও বলেন, ওয়াশিংটন প্রক্রিয়াটি কীভাবে এগোয়, তা দেখবে। পাশাপাশি তিনি জানান, ইরানের পক্ষ থেকে তার প্রশাসন একটি খুবই ভালো বক্তব্য পেয়েছে (US Military Withdrawal)।সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার জাতীয় নিরাপত্তা দলকে নির্দেশ দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে কোনও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা যেন দ্রুত, চূড়ান্ত হয় এবং সপ্তাহ বা মাসব্যাপী দীর্ঘ সংঘাতের রূপ না নেয়। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিভিন্ন সূত্রের দাবি, “তিনি যদি কিছু করেন, তবে সেটির চূড়ান্ত ও নির্ণায়ক হতে চান।” তবে ট্রাম্পের উপদেষ্টারা তাঁকে বোঝাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন যে, একটি হামলাই দ্রুত ইরানি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে (Iran)। কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, ইরানের শক্তিশালী পাল্টা আঘাত মোকাবিলার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি নাও থাকতে পারে (US Military Withdrawal)।

    অর্থনৈতিক সঙ্কট

    ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভের জেরে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইরান। সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিরুদ্ধে এই আন্দোলনের পেছনে রয়েছে অর্থনৈতিক সঙ্কট, রাজনৈতিক দমননীতি এবং শাসনব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, দমন-পীড়নে অন্তত ২,৬১৫ জন নিহত হয়েছেন। অন্যান্য হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যা ৩,০০০ ছাড়িয়েছে, যা ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ইরানের সবচেয়ে ভয়াবহ হিংসাত্মক ঘটনাগুলির একটি। মানবাধিকার কর্মীদের আশঙ্কা, আটক বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি যে কোনও মুহূর্তে শুরু হতে পারে। হিংসার মাত্রা সাম্প্রতিক যে কোনও (Iran) আন্দোলনের চেয়ে বেশি এবং এটি কয়েক দশক আগের বিপ্লবী সময়ের অশান্তির স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে (US Military Withdrawal)।

     

  • Indian Embassy: দেশে ফিরে যান, নয়া নির্দেশিকা জারি তেহরানের ভারতীয় দূতাবাসের

    Indian Embassy: দেশে ফিরে যান, নয়া নির্দেশিকা জারি তেহরানের ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া নির্দেশিকা জারি করল তেহরানের ভারতীয় দূতাবাস। তাতে ভারতীয় নাগরিকদের বাণিজ্যিক বিমান-সহ উপলব্ধ পরিবহণের মাধ্যমে ইরান (Iran) ছেড়ে চলে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে (Indian Embassy)। ৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখের পূর্ববর্তী সতর্কতার পরে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে, কারণ দেশজুড়ে বিক্ষোভ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।পরিস্থিতির ক্রমবর্ধমান প্রেক্ষাপটে ইরানে বর্তমানে অবস্থানরত ভারতীয় ছাত্র, তীর্থযাত্রী, ব্যবসায়ী এবং পর্যটকদের দেশ ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    হিংসার আগুনে জ্বলছে ইরান (Indian Embassy)

    এই নির্দেশিকাটি দেশব্যাপী হিংসাত্মক বিক্ষোভের প্রতিফলন, যেখানে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষের দিক থেকে ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১০,০০০ এরও বেশি লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি এবং মুদ্রার অবনতির জেরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের সমস্ত প্রদেশের ১৮০টিরও বেশি শহরে (Indian Embassy)। বর্ধিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, রাস্তা বন্ধ, গণপরিবহণ ব্যাহত এবং ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় বিক্ষোভ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, বাড়ছে হিংসাত্মক ঘটনাও। ইরান ৮৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট জারি করেছে, যার ফলে ইরানিরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করতে পারছেন না, পারছেন না কোনও ভিডিও পোস্ট করতেও।

    ফ্লাইট বাতিল

    বিভিন্ন বিমান সংস্থা ইরানে এবং সেখান থেকে ফ্লাইট সীমিত বা বাতিল করছে। ১৬ জানুয়ারি, শুক্রবার পর্যন্ত বেশ কয়েকটি পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছে। যোগাযোগ বন্ধ থাকায় অনেক ভারতীয় পরিবার ইরানে (Iran) থাকা আত্মীয়স্বজনের খোঁজখবর পাচ্ছে না। তাদের চোখেমুখে উদ্বেগের ছাপ স্পষ্ট (Indian Embassy)। ভারতের বিদেশমন্ত্রক ৫ জানুয়ারি ভারতীয় নাগরিকদের আপাতত ইরানে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। ভারতীয় নাগরিকদের ইরানে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে এবং যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বানও জানিয়েছে। সর্বশেষ পরামর্শটি সেই সতর্কতার আরও তীব্রতা তুলে ধরেছে। যেহেতু ইরানে অশান্তির পারদ ক্রমশ চড়ছে, তাই এখন অবিলম্বে সে দেশ ছেড়ে ভারতে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, জাপান, জার্মানি এবং ফ্রান্স-সহ অন্যান্য দেশ তাদের নাগরিকদের জন্য একই ধরণের নির্দেশিকা জারি করেছে।

    ভারতীয় দূতাবাস ভারতীয় নাগরিকদের জন্য জরুরি হেল্পলাইন চালু রেখেছে, যদিও ইন্টারনেট এবং টেলিযোগাযোগ ব্ল্যাকআউটের কারণে যোগাযোগ কঠিন হয়ে পড়েছে। ভারত এর আগে ২০২৫ সালের জুনে অপারেশন সিন্ধু চালু করেছিল, ইরান-ইজরায়েল সংঘর্ষের সময় ৩,৪০০ জনেরও বেশি ভারতীয় নাগরিককে ইরান (Iran) থেকে সরিয়ে নিয়েছিল (Indian Embassy)।

  • Manipur: ভারত-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তৈরির সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    Manipur: ভারত-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তৈরির সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে ভারত-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তৈরি এবং ফ্রি মুভমেন্ট রেজিম (FMR) বাতিলের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার (Manipur)। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কুকি, জোমি ও হামার সম্প্রদায়ভুক্ত একাধিক জঙ্গি সংগঠন এবং তাদের সমর্থনকারী খ্রিস্টান সংগঠনগুলোর তীব্র আপত্তির নেপথ্যে রয়েছে গভীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণ (Indian Passport)।

    জঙ্গি সংগঠনের জোটের শীর্ষ নেতা (Manipur)

    নিরাপত্তা সংস্থা সূত্রের দাবি, বহু বছর ধরে খোলা ভারত-মায়ানমার সীমান্ত জঙ্গিদের অবাধ যাতায়াতের করিডর হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সীমান্তে কড়াকড়ি না থাকায় দুই দেশের জঙ্গিরা অনায়াসেই সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে ঢুকে নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালাচ্ছে। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হল, মণিপুরে সক্রিয় ৮টি কুকি জঙ্গি সংগঠনের জোটের বর্তমান শীর্ষ নেতা মায়ানমারের নাগরিক। তিনি অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছেন, ভারতবিরোধী কার্যকলাপেও যুক্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, তিনি কীভাবে ভারতীয় পাসপোর্ট পেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    পাসপোর্ট পেলেন কীভাবে

    সূত্রের খবর, থাংগালিয়ানপাউ গুইটে, যিনি জোমি রিইউনিফিকেশন অর্গানাইজেশন (ZRO) ও তার সশস্ত্র শাখা জোমি রেভল্যুশনারি আর্মি (ZRA)–এর সভাপতি, তিনি আদতে মায়ানমারের নাগরিক। এই সংগঠনটি বর্তমানে ইউনাইটেড পিপলস ফ্রন্ট (UPF)–এর অন্তর্ভুক্ত, যেখানে কুকি, জোমি ও হামার সম্প্রদায়ের মোট ৮টি জঙ্গি সংগঠন রয়েছে। এই সংগঠনগুলি বর্তমানে ‘সাসপেনশন অফ অপারেশনস (SoO)’ চুক্তির আওতায় রয়েছে (Manipur)। মণিপুরের মুখ্য সচিবকে পাঠানো এক নোটিশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানতে চেয়েছে, কীভাবে একজন মায়ানমারের নাগরিক ভারতীয় পাসপোর্ট পেলেন, কীভাবেই বা তিনি বছরের পর বছর ভারতে বসবাস করছেন (Indian Passport)।

    মায়ানমারের চিন রাজ্যের বাসিন্দা

    নোটিশে বলা হয়েছে, “থাংগালিয়ানপাউ গুইটে মায়ানমারের চিন রাজ্যের টনজাং টাউনশিপের পাংমুয়াল গ্রামের বাসিন্দা। ১৯৯০ সালে তিনি জোমি ন্যাশনাল কংগ্রেস (ZNC) দলের প্রার্থী হিসেবে মায়ানমারের এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে গ্রেফতারের আশঙ্কায় মায়ানমার থেকে পালিয়ে যান।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত–মায়ানমার সীমান্তে বেড়া নির্মাণ এবং এফএমআর বাতিল করা কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার না হলে উত্তর–পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে মত নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।

    চূড়াচাঁদপুর জেলায় বসবাস করছেন

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, থাঙ্গালিয়ানপাউ গুইটে ১৯৯৫ সাল থেকে মণিপুরের চূড়াচাঁদপুর জেলায় বসবাস করছেন। এর পর তিনি আর জন্মভূমি মায়ানমারে যাননি। বর্তমানে তাঁর কাছে বৈধ ভারতীয় পাসপোর্ট এবং ভোটার আইডি রয়েছে (Manipur)। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, থাঙ্গালিয়ানপাউ গুইটে এবং তাঁর পরিবারের সকল সদস্য মণিপুরের ভোটার। এর অর্থ হল, তিনি শুধু দীর্ঘদিন ভারতে বসবাসই করছেন না, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়ও অংশ নিয়েছেন (Indian Passport)। এদিকে, ভারত সরকার মায়ানমার সীমান্ত ঘিরে কাঁটাতার বসানোর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মোট ১,৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে আগামী ১০ বছরের মধ্যে ‘নো কাট, নো ক্লাইম্ব’ ধরনের নিরাপত্তা বেড়া বসানো হবে (Manipur)।

    ৪২ হাজার মায়ানমারের নাগরিক চিহ্নিত

    ২০২৪ সালের মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটি ভারত-মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতার বসানো এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় রাস্তা নির্মাণের জন্য ৩১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেয়। এদিকে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪২ হাজার মায়ানমারের নাগরিককে চিহ্নিত করেছে। এদের অধিকাংশই বর্তমানে মিজোরাম এবং মণিপুরের পার্বত্য জেলাগুলিতে বসবাস করছেন বলে খবর (Indian Passport)। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতেই এই পদক্ষেপগুলি করা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে (Manipur)।

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত, সঙ্কটে মানবাধিকার

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত, সঙ্কটে মানবাধিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু এবং সনাতন ধর্মের অনুসারীদের ওপর ধারাবাহিক হামলা, নিপীড়ন ও বৈষম্যের ঘটনা ক্রমেই উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন মাত্রায় পৌঁছেছে, যা (Roundup Week) ধীরে ধীরে সংঘটিত একপ্রকার গণহত্যার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের একাংশের ধারণা। দশকের পর দশক ধরে হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত এই হিংসা, ঘৃণা ও বৈষম্যের প্রকৃত ব্যাপ্তি আন্তর্জাতিক মহলের নজর এড়িয়ে গিয়েছে। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য, সব মিলিয়ে হিন্দু সমাজ আজ অস্তিত্বের সঙ্কটে। ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ৩ জানুয়ারি ২০২৬ এই সময়কালের সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে ভারতে সংঘটিত এমনই কয়েকটি ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হল।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    নীলগিরিতে অবৈধ প্রার্থনা সভা ও মন্দির ভাঙার হুমকি ঘিরে বিতর্ক। তামিলনাড়ুর নীলগিরি জেলার কাণ্ডাল এলাকার কস্তুরীবাই কলোনিতে এক খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে প্রার্থনা সভা আয়োজন এবং মন্দির ভাঙার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাটি মূলত তফসিলি জাতিভুক্ত হিন্দুদের বসবাসস্থল। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনাকরণ নামে এক ব্যক্তি সেখানে বেআইনিভাবে খ্রিস্টান প্রার্থনা সভা ও ধর্মান্তরের কার্যকলাপ চালাচ্ছিল (Hindus Under Attack)। এদিকে, প্রাক্তন সিবিআই ডিরেক্টর এম নাগেশ্বর রাওয়ের চিঠির পর অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার অমুসলিমদের মধ্যে খৎনা প্রচারের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্যে খৎনার অস্ত্রোপচার করা হচ্ছিল (Roundup Week)।

    নির্মমভাবে খুন

    পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ায় ৭২ বছরের হরগোবিন্দ দাস ও তাঁর ৪০ বছরের ছেলে চন্দন দাসকে নির্মমভাবে খুনের ঘটনায় ১৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে জঙ্গিপুর ট্রায়াল কোর্ট। ২০২৫ সালের ১২ এপ্রিল তাঁদের বাড়ি থেকে টেনে বের করে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
    মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের ছবি সম্বলিত একটি ব্যানার ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত দু’জনের নাম মহম্মদ ইমাম ও জাকির। এই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে (Hindus Under Attack)। তামিল চলচ্চিত্র সমালোচক কালিলুর রহমান সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত তেলুগু ছবি অখণ্ডা ২: থান্ডবম রিভিউ করতে গিয়ে সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করেন, যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ

    লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির এক জুনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও অবৈধ গর্ভপাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত চিকিৎসক রমিজউদ্দিন ওরফে নাইক পলাতক। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হস্তক্ষেপে তদন্ত শুরু হয়েছে। কর্নাটকের হুব্বলির নিকার নগর–শিবানগর এলাকায় একটি আবাসিক বাড়িকে বেআইনিভাবে মসজিদে রূপান্তরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় হিন্দু বাসিন্দা ও সংগঠনগুলি অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলার দাবি জানায় (Hindus Under Attack)। এই ঘটনাগুলি শুধুমাত্র বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, বরং হিন্দুদের বিরুদ্ধে চলমান একটি বৃহত্তর মানবাধিকার সঙ্কটের প্রতিফলন বলে মত বিশ্লেষকদের।

    হিন্দু সম্প্রদায়কে নিশ্চিহ্ন

    বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত হামলা ক্রমশ উদ্বেগজনক রূপ নিচ্ছে। এই নির্যাতনের লক্ষ্য ধীরে ধীরে দেশ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়কে নিশ্চিহ্ন করা, এমনই দাবি উঠে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায়। তাঁর মতে, চলমান প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত নিপীড়ন অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে একজন হিন্দুও অবশিষ্ট থাকবে না। গবেষণায় বলা হয়েছে, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণপিটুনি, হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ এবং লাগাতার ঘৃণামূলক বক্তব্য, এই সব কৌশল ব্যবহার করে হিন্দুদের আতঙ্কিত করা হচ্ছে এবং দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশ

    এহেন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ময়মনসিংহের ভালুকা এলাকায় একটি নৃশংস ঘটনা গোটা দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। ২৫ বছর বয়সি হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাস, যিনি পেশায় পোশাক কর্মী ছিলেন, তাঁকে মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে উত্তেজিত জনতা পিটিয়ে খুন করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রথমে তাঁকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়, পরে তাঁর নিথর দেহ একটি গাছে বেঁধে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। জনসমক্ষে পোড়া দেহ ঝুলিয়ে রেখে চলে যায় হামলাকারীরা। রাজনৈতিক কর্মী শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে অস্থিরতার মধ্যেই এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে (Roundup Week)।

    থাইল্যান্ড-কাম্বোডিয়া 

    অন্যদিকে, ভারত ভগবান বিষ্ণুর একটি মূর্তি ভাঙার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করার একদিন পর থাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কাঠোমোটি কোনও রেজিস্ট্রি করা ধর্মীয় স্থান ছিল না। থাইল্যান্ড-কাম্বোডিয়া সীমান্তে থাই সেনার অভিযানের সময় মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ চলাকালীন কপালে তিলক পরার কারণে এক হিন্দু সেনাকে দেশ থেকে বিতাড়নের হুমকি দেওয়া হয়। তবে ব্যাপক প্রতিবাদ ও আইনি হস্তক্ষেপের পর অবশেষে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয় (Hindus Under Attack)। বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে কাজ করে নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত হিন্দুবিদ্বেষ। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুদের প্রতি বিদ্বেষ তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও একটি সূক্ষ্ম ও প্রাত্যহিক হিন্দুবিদ্বেষ কাজ করে।

    এই বিদ্বেষ অনেক সময় আইনি কাঠামো ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের আড়ালে থেকে যায়, ফলে তা সহজে চোখে পড়ে না। দীপাবলিতে বাজি নিষিদ্ধকরণ তার একটি বড় উদাহরণ। ওপরে ওপরে এটি পরিবেশ রক্ষার সিদ্ধান্ত বলে মনে হলেও, অন্যান্য ধর্মীয় উৎসবের ক্ষেত্রে একই ধরনের বিধিনিষেধ না থাকায় দ্বিচারিতা (Roundup Week) স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সমালোচকদের মতে, এটি হিন্দু উৎসব ও সংস্কৃতির ওপর ধারাবাহিক বিধিনিষেধ আরোপের একটি বৃহত্তর প্রবণতার অংশ (Hindus Under Attack)।

  • TMC: ‘রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার হলে ব্যাপক উন্নয়ন হবে’, কথা দিলেন শুভেন্দু

    TMC: ‘রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার হলে ব্যাপক উন্নয়ন হবে’, কথা দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এসআইআরের প্রথম ঝাঁকুনিতেই বাদ গিয়েছে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম। আরও অবৈধ নাম বাদ যাবে ভোটার তালিকা থেকে। তাই ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আর ভোটে লড়তে চাইবে না তৃণমূল (TMC)।” চাঁচলের কলমবাগানে জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ (TMC)

    এদিনের সভায় তাঁকে স্মৃতিচারণও করতে দেখা গিয়েছে। তিনি বলেন, “তৃণমূলে থাকাকালীন এখানে সভা করে গিয়েছি। তখন হেলিকপ্টার করে সভা করতে এসেছি। মুখ্যমন্ত্রী আমায় যা লিখে দিতেন, সেটাই আমায় বলতে হত। তিনি আমায় বলেছিলেন, আমি এখানে এসে যেন চাঁচল আর গাজোল পুরসভা হবে, সেকথা বলি। আমি সেকথা বলেওছিলাম। কিন্তু গত ১৫ বছরেও সেই পুরসভা হয়নি। এই দেউলিয়া সরকার সেটা করতেও পারবে না।”

    ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার হলে যে এই এলাকা আমূল বদলে যাবে, সেকথাও বলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “এ রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে চাঁচলে রেল যোগাযোগ স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। ধান থেকে শুরু করে মাখনা, বর্তমান সরকারি নায্যমূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দরে কৃষকদের কাছ থেকে কিনে নেবে বিজেপি সরকার।” তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা মালতিপুরের বিধায়ক আবদুর রহিম বকশি যে এবার আর ভোটে জিততে (TMC) পারবেন না, তাও জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি জানান, মালতিপুরে বিজেপি জিততে না পারলেও, রহিম হারবেন। কারণ তার নীল নকশা তৈরি হয়ে গিয়েছে (Suvendu Adhikari)।

    গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ

    তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগে বারংবার সরব হয়েছেন বিরোধীরা। পুলিশ-প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতিতে চাঁচলের কলমবাগানে সভা করেন শুভেন্দু। বক্তৃতার শুরুতেই সে প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “চাঁচল থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে বিহারে এবার সবাই সাফ হয়ে গিয়েছে। এবার বাংলায় তৃণমূল সমূলে উৎপাটিত হবে। অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গের মধ্যে আগে কলিঙ্গ, পরে অঙ্গে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ছাব্বিশে স্বপ্নপূরণ হবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের। বঙ্গেও বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।” তিনি জানান, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে ১০৪ বার কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করতে হয়েছে। তিনি বলেন, “এপ্রিলের পর তৃণমূল বিরোধী আসনে বসবে। সেদিন সব হিসেব হবে (Suvendu Adhikari)।”

    তৃণমূলের সমালোচনা

    শুভেন্দুর বক্তব্যের সিংহভাগজুড়েই ছিল তৃণমূলের সমালোচনা। যে এলাকায় তিনি সভা করছিলেন, সেটি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। সেখানেই দাঁড়িয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এ রাজ্যে শুধু রাজনৈতিক নয়, ধর্মীয় কর্মসূচিতেও বাধা দেওয়া হয় (TMC)। সোহরাবর্দি আর জিন্নার স্বপ্নে এই সরকার লালিত-পালিত হচ্ছে। মোথাবাড়িতে যারা অশান্তি করেছে, তারা রাষ্ট্রবাদী হতে পারে না। সেই অশান্তির পর বিজেপির তৎকালীন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার-সহ আমাদের নেতৃত্বকে পুলিশ মোথাবাড়িতে ঢুকতে দেয়নি। বিধ্বস্ত ধুলিয়ান এবং সামশেরগঞ্জেও আমায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হাইকোর্টের অনুমতি পেয়ে আমি সেই সব জায়গায় যাই।” তিনি বলেন, “ময়মনসিংহে (বাংলাদেশ) দীপুচন্দ্র দাসের মতোই এখানে পশু কাটার অস্ত্র দিয়ে কাটা হয়েছে হরগোবিন্দ দাসের যুবক ছেলেকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী আর ফিরহাদ হাকিমরা ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে মানুষকে উসকানি দিয়েছিলেন বলেই এসব ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সেই আইন এখন কার্যকর হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বাঙালি হিন্দুদের হোমল্যান্ড। স্বামীজি আমাদের নিজ ধর্মে আস্থা রাখতে শিখিয়েছেন। অন্য ধর্মকেও সম্মান জানাতে বলেছেন। আমরা তাঁর কথা মতোই কাজ করি।”

    তৃণমূলের প্রাণপ্রতিষ্ঠা

    মালদা জেলায় তিনিই যে তৃণমূলের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন, এদিন সেকথাও স্মরণ করিয়ে দেন শুভেন্দু (TMC)। বলেন, “১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত মালদা জেলায় সেভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি তৃণমূল। ২০১১ সাল থেকে রাজ্যের ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল। আমি তৃণমূলে থাকাকালীন পাঁচ বছরেরও (Suvendu Adhikari) বেশি সময় মালদার দায়িত্বে ছিলাম। দেখেছি, মালদার মানুষ তৃণমূলকে ঘৃণা করে। এগারোর বিধানসভা নির্বাচনে কেবলমাত্র সাবিত্রী মিত্র আড়াইডাঙা কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন। চোদ্দর লোকসভা নির্বাচনে এই জেলার দু’টি আসন মিলিয়ে তৃণমূল মাত্র ১৪ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। কোনও কেন্দ্রেই জামানত ছিল না। ষোলোর বিধানসভা নির্বাচনে এই জেলায় তৃণমূল শূন্য। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনেও ওরা শূন্য। সেই ভোটে এই জেলার ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রের একটিতেও তাদের লিড নেই। এখানকার মানুষ জানেন, তৃণমূল মানেই চোর। তাই তাঁরা তৃণমূলকে পছন্দ করেন না।”

    শুভেন্দুর চাঁদমারি

    রাজ্যের শাসক দলকে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূলের নেতারা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার আবাস যোজনার টাকা দেয়নি। ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ইন্দিরা আবাস যোজনায় পশ্চিমবঙ্গকে দিয়েছিল ৪৬৬৪ কোটি টাকা। আর ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদি সরকার রাজ্যকে ৪০ লাখ বাড়ির জন্য দিয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা লাভলি খাতুনের মতো বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানরা লুট করেছে। স্বচ্ছ ভারত মিশনে ১২ হাজার টাকা করে এই রাজ্যে ৭২ লাখ শৌচাগার নির্মাণের টাকা দেয় মোদিজির সরকার (TMC)। সেই টাকাও এরা (Suvendu Adhikari) খেয়ে নিয়েছে। মনরেগা প্রকল্পে ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত রাজ্য পেয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পেয়েছে ৫৪ হাজার কোটি টাকা। সেই টাকা ১ কোটি ২৫ লাখ ভুয়ো জবকার্ডধারীরা লুটে নিয়ে গিয়েছে। বিহারের বাসিন্দা থেকে শুরু করে বাংলাদেশিরাও এখান থেকে টাকা নিয়ে গিয়েছে। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে ১০০ দিন নয়, বছরে ২০০ দিন কাজ দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী সূর্যঘর যোজনায় দেওয়া হবে তিন লাখি বাড়ি। বিহারের মতো এখানেও, প্রতি ঘরে নলবাহিত জল পাওয়া যাবে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে চাঁচল পুরসভা হবেই। উত্তরবঙ্গে এইমস হবে। মালদায় পরিযায়ী শ্রমিকরা জেলায় কাজ পাবেন। প্রতি বছর এসএসসি হবে। ওএমআর কপি সবাই বাড়ি নিয়ে যাবেন। এসব আমাদের অঙ্গীকার।”

    শুভেন্দুর কটাক্ষ-বাণ

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি আবদুর রহিম বকশির উদ্দেশ্যে শুভেন্দুর কটাক্ষ, “ওর মুখে এখন বড় বড় কথা। ও নাকি আমার হাত-পা ভেঙে দেবে! আরএসপি করত। আইসিডিএসের চাকরি বিক্রি করত। তৃণমূলে থাকাকালীন আমি যখন মালদার অবজারভার ছিলাম, ও আমার গাড়ির দরজা খুলত (TMC)। ওকে কেউ দলে নিতে চায়নি। সবাই বলেছিল চোর। কিন্তু, দেড় বছর ধরে আমার গাড়ির দরজা খুলত আর বন্ধ করত। তাই বাম হাতে ওকে পতাকা ধরিয়েছিলাম। আমি লক্ষ্মণ শেঠ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোটে হারানো লোক। মালতিপুরে কে জিতবে জানি না। ওখানে হিন্দুদের সংখ্যা কম। কিন্তু রহিমকে আমি জিততে দেব না। কথা দিয়ে গেলাম। তাজমুল আগে ভালো ছিল। এখন বদলে গিয়েছে। আসলে চোরের দলে গিয়ে সবাই বদলে যায়। আমরা আগে সেটা বুঝে পালিয়ে গিয়েছি।” শুভেন্দু বলেন, “উত্তর মালদা আর নন্দীগ্রামকে দেখে রাজ্যের সনাতনীরা একটু এগিয়ে এলে বিজেপি এবার রাজ্যে ২২০টি আসন পাবে। গত লোকসভা নির্বাচনে মালদা উত্তর কেন্দ্রে ৮৫ শতাংশ সনাতনী-আদিবাসী বিজেপি প্রার্থীকে ভোট দিয়েছিলেন। নন্দীগ্রামে সেই হার ৬৫ শতাংশ। রাজ্যের সনাতনীরা এটা দেখে এগিয়ে এলে ভালো। তবে ১৪ ফেব্রুয়ারির পর তৃণমূল বলবে, ভোটে লড়ব না। চব্বিশের ভোটে তৃণমূল আর বিজেপির ভোটের ব্যবধান ছিল ৪০ লাখ। এসআইআরের প্রথম ঝাঁকুনিতেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে ৫৮ লাখ নাম। আরও অবৈধ ও ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ যাবে তালিকা থেকে (TMC)।”

    শুভেন্দুর তোপ

    উত্তর মালদায় তৃণমূলের বহিরাগত প্রার্থী নিয়েও এদিন (Suvendu Adhikari) ঘাসফুল শিবিরকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু। বলেন, “ওরা উত্তর মালদায় স্থানীয় প্রার্থী পায় না। তাই চাঁচল কেন্দ্রে ইংরেজবাজার থেকে নীহাররঞ্জন ঘোষকে নিয়ে আসতে হয়। লোকসভা নির্বাচনে প্রসূন ব্যানার্জির মতো একজনকে প্রার্থী করে। প্রসূন একটা ডাকাত, চরিত্রহীন। ইয়াসিনকে নিয়ে ও ভোট লুট করতে গিয়েছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী রুখে দিয়েছিল। ও এখনও সরকারি কোষাগার থেকে মাসে এক লাখ ২০ হাজার টাকা মাইনে তোলে। ওই আবার উত্তর মালদায় তৃণমূলের দলীয় পদে বসে রয়েছে। বিচিত্র এই রাজ্য (TMC)!”

LinkedIn
Share