Tag: khobar

  • India EU FTA: চূড়ান্ত পর্বে ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, আগামী বছরের শুরুতেই খুলতে পারে নতুন অর্থনৈতিক দিগন্ত

    India EU FTA: চূড়ান্ত পর্বে ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, আগামী বছরের শুরুতেই খুলতে পারে নতুন অর্থনৈতিক দিগন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে দীর্ঘদিনের আলোচনার পরে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বহু প্রতীক্ষিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (India EU FTA)। ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানিয়েছেন, চুক্তির আইনি দিক যাচাইয়ের কাজ আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই সম্পন্ন হবে (Trade Pact)। এরপর উভয় পক্ষের অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ হলে ২০২৭ সালের প্রথম ত্রৈমাসিক এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা। তাঁর দাবি, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে দ্রুত অনুমোদিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিগুলির অন্যতম হতে পারে।

    কী বললেন পীযূষ গোয়েল (India EU FTA)?

    ১৪ জুলাই স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ভারত-স্পেন ব্যবসায়িক মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গোয়েল বলেন, “ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আইনি দিক যাচাই আগামী এক বা দু’সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হবে।”  তিনি এও জানান, ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে এবং তার কয়েক মাস পরেই ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন চুক্তিও বাস্তবায়নের পথে এগোবে। মন্ত্রী জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশের মধ্যে এই চুক্তি নিয়ে ব্যাপক রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। একইভাবে ভারতের মধ্যেও এই চুক্তিকে ঘিরে কোনও উল্লেখযোগ্য আপত্তি বা মতভেদ নেই। তাঁর কথায়, “ভারতের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব সদস্য দেশ সম্পূর্ণ একমত। ভারতেও এই চুক্তি নিয়ে কোনও অসন্তোষ বা আপত্তির সুর শোনা যাচ্ছে না।”

    বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা

    প্রায় দু’দশক ধরে চলা আলোচনা ও একাধিক দফার দরকষাকষির পর ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়। বর্তমানে চুক্তির আইনি ভাষা খতিয়ে দেখার কাজ চলছে। এরপর তা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব সরকারি ভাষায় অনুবাদ করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট আইনসভাগুলিতে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই চুক্তি কার্যকর হবে। গোয়েল জানান, বিশ্বের মোট অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রায় ৩০ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সেই কারণে এই চুক্তি শুধু দু’পক্ষের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর ক্ষেত্রেই নয়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।

    পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রভাব

    মন্ত্রী এই চুক্তিকে ন্যায্য, ভারসাম্যপূর্ণ এবং উভয় পক্ষের স্বার্থরক্ষাকারী বলে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, এই চুক্তির ফলে ইউরোপীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য ভারতের প্রায় ১৪০ কোটি মানুষের বিশাল বাজারে প্রবেশের সুযোগ আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে ভারতীয় সংস্থাগুলিও ইউরোপের বাজারে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে পারবে (Trade Pact)। তিনি জানান, উন্নত উৎপাদন ব্যবস্থা, যাতায়াত ব্যবস্থা, রেলপথ, পরিকাঠামো, উদ্ভাবন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, শিল্প-সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের মতো একাধিক ক্ষেত্রে এই চুক্তির ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি পণ্য, পরিষেবা এবং দক্ষ জনশক্তির যাতায়াতের ক্ষেত্রে নানা বাধা কমবে। সরকারে-সরকারে এবং ব্যবসায়-ব্যবসায় সহযোগিতাও আরও শক্তিশালী হবে বলে তাঁর আশা।

    স্রেফ শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নয়

    গোয়েলের মতে, এই চুক্তিকে শুধুমাত্র শুল্ক কমানোর উদ্যোগ হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারস্পরিক স্বীকৃতি ব্যবস্থা, শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহ শৃঙ্খল এবং বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার সুযোগ তৈরি করবে এই চুক্তি (India EU FTA)। ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি জানান, বৈশ্বিক অস্থিরতা, একাধিক যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভারত বিশ্বের দ্রুততম বিকাশমান প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। তাঁর বক্তব্য, “দুটি যুদ্ধ, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মুক্ত ও উন্মুক্ত বাজার নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেও ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ ত্রৈমাসিকে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৭.৮ শতাংশ।”

    ভারত ও স্পেনের মধ্যে বাণিজ্য

    একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক গতি কিছুটা মন্থর হলেও, স্পেন তুলনামূলকভাবে ভালো অর্থনৈতিক অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে। ফলে ভারত ও স্পেনের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য এটি একটি অনুকূল সময়। ভারত-স্পেন সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যে গোয়েল একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনারও প্রস্তাব দেন। তিনি আগামী দশ বছরে দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন এবং পারস্পরিক বিনিয়োগ দশ গুণ বাড়ানোর আহ্বান জানান। বর্তমানে ভারত ও স্পেনের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১০০০ কোটি মার্কিন ডলারেরও কম (Trade Pact)। এই লক্ষ্য সামনে রেখে মন্ত্রী বলেন, “আগামী ১০ বছরে ভারত ও স্পেনের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১০ গুণ বাড়ানো কি সম্ভব নয়? দুই দেশের মধ্যে পর্যটকের সংখ্যা ১০ গুণ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক বিনিয়োগও ১০ গুণ বাড়ানোর পরিকল্পনা কি করা যায় না?”

    অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী!

    তিনি এও বলেন, “এই লক্ষ্য হয়তো অনেকের কাছে অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী মনে হতে পারে। কিন্তু বড় পরিবর্তন আনতে গেলে বড় লক্ষ্য স্থির করতেই হয়। ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে তা ছাড়িয়ে যাওয়া সহজ। প্রকৃত সাহস হল বড় স্বপ্ন দেখা এবং তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা।” মন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রায় ৩০০টি স্প্যানিশ সংস্থা ভারতে ব্যবসা করছে। আর ১০০টির মতো ভারতীয় সংস্থা স্পেনে ব্যবসা করছে। তাঁর মতে, দুই দেশেরই উচিত একে অপরের দেশে আরও বেশি করে বিনিয়োগ করা, মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানো, পর্যটন, শিক্ষা, দক্ষ জনশক্তির আদান-প্রদান এবং বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ আরও সম্প্রসারণ করা। ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এই প্রক্রিয়াকে আরও গতি দেবে বলেও মনে করেন তিনি।

    বৈঠকে গোয়েল

    এদিকে, ১৪ জুলাই ইউরোপীয় কমিশনের কৃষি ও খাদ্য বিষয়ক কমিশনার ক্রিস্টোফ হ্যানসেনের সঙ্গেও বৈঠক করেন গোয়েল। বৈঠকে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে কৃষি ও খাদ্য খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয় (India EU FTA)। বিশেষ করে শক্তিশালী কৃষি-খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলা, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করা, কৃষকদের সহায়তা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে মত বিনিময় করে দু’পক্ষই। বৈঠকের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় গোয়েল লেখেন, “ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সফল সমাপ্তির ভিত্তিতে আমরা কৃষি অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার নানা সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছি। শক্তিশালী কৃষি-খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলা, খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধি, কৃষকদের সহায়তা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের আলোচনার মূল বিষয় ছিল।”

    ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক

    এই আলোচনা থেকে স্পষ্ট, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক আর শুধু শুল্ক হ্রাস বা বাণিজ্য বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, শিক্ষা, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন, শক্তিশালী সরবরাহ ব্যবস্থা এবং মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মতো একাধিক ক্ষেত্রকে ঘিরে একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার দিকেই এগোচ্ছে দুই পক্ষ। আইনি যাচাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষ হলে এই (Trade Pact) চুক্তি ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলেই আশা সংশ্লিষ্ট মহলের (India EU FTA)।

     

  • International Yoga Day: জার্মানির সংসদে যোগ-মেডিটেশন অধিবেশন, ভারতের বিশ্বজয়!

    International Yoga Day: জার্মানির সংসদে যোগ-মেডিটেশন অধিবেশন, ভারতের বিশ্বজয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জার্মানির সংসদ বুন্ডেসটাগে (Bundestag) এই প্রথমবারের মতো হল যোগ ও মেডিটেশন অধিবেশন (International Yoga Day)। ৬ জুলাই অনুষ্ঠিত এই বিশেষ কর্মসূচিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে জার্মানিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিলেন ইন্দো-জার্মান পার্লামেন্টারি গ্রুপের (German Parliament) ডেপুটি চেয়ারম্যান হেনরি শ্মিট (Henri Schmidt)। উপস্থিত ছিলেন জার্মানিতে ভারতের রাষ্ট্রদূত অজিত গুপ্তে (Ajit Gupte), জার্মানির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যোগ অনুশীলনকারী এবং প্রবাসী ভারতীয়রা।

    স্বাস্থ্য ও সুস্থতা রক্ষায় যোগব্যায়াম (International Yoga Day)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অজিত গুপ্তে স্বাস্থ্য ও সুস্থতা রক্ষায় যোগব্যায়ামের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেন। এর পাশাপাশি তিনি ট্র্যাডিশনাল চিকিৎসা ব্যবস্থায় ভারতের নেতৃত্ব এবং জার্মানিতে আয়ুর্বেদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোকপাত করেন।প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফলেই জার্মান সংসদে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের এই উদযাপন সম্ভব হয়েছে। সিডিইউ (CDU)-এর সাংসদ হেনরি শ্মিট, বার্লিনে ভারতীয় দূতাবাস এবং ভারতীয় কমিউনিটির সদস্যদের সহযোগিতায় উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হয়। হামবুর্গের সিডিইউ নেতা রাকেশ ভেউলি (Rakesh Veuli) ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    বিশ্বজুড়ে যোগচর্চার প্রসার

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওভারসিজ বিজেপি ইউরোপের ইন-চার্জ কুলদীপ শেখাওয়াত (Kuldeep Shekhawat) এবং প্রবাসী ভারতীয় সমাজের প্রতিনিধিরা। এই অনুষ্ঠানের (International Yoga Day) আয়োজনকে ভারত-জার্মানি সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে রাষ্ট্রসঙ্ঘে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের স্বীকৃতি পাওয়ার পর বিশ্বজুড়ে যোগচর্চার প্রসার আরও জোরদার হয়েছে। জার্মান বুন্ডেসটাগে এই প্রথম যোগ ও মেডিটেশন সেশন সেই বৈশ্বিক উদ্যোগেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন। এদিকে, ২০২৬ সালের ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হয়েছে ‘যোগ ফর হেলদি এজিং’ (Yoga for Healthy Ageing)’ কনসেপ্ট সামনে রেখে। এর মূল লক্ষ্য ছিল জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে সুস্থ (German Parliament), সক্রিয় ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে যোগব্যায়ামের ভূমিকা তুলে ধরা। উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যার বার্ধক্য বৃদ্ধি, অসংক্রামক রোগ এবং জীবনযাত্রাজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে থাকায় এখন শুধু আয়ু বৃদ্ধি নয়, বরং সুস্থ জীবনকাল (Health Span), জীবনমান এবং সামগ্রিক কল্যাণ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে (International Yoga Day)।

     

  • VB G RAM G: ভারতের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা, ১০ শতাংশের বেশি বাড়ল মজুরি, কত হল জানেন?

    VB G RAM G: ভারতের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা, ১০ শতাংশের বেশি বাড়ল মজুরি, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে ‘বিকশিত ভারত–রোজগার ও আজীবিকা গ্যারান্টি মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫’। নয়া আইনের আওতায় সারা (VB G RAM G) দেশে গ্রামীণ শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে (Minimum Wage)। পাশাপাশি যোগ্য গ্রামীণ পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের নিশ্চিত মজুরিভিত্তিক কর্মসংস্থানের আইনি অধিকার দেওয়া হয়েছে।

    বাড়ল গড় দৈনিক মজুরি (VB G RAM G)

    নয়া ব্যবস্থায় জাতীয় স্তরে ঘোষিত গড় দৈনিক মজুরি ২৯৮.৮ টাকা থেকে বেড়ে ৩২৭.৪ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ গড়ে ১০ শতাংশেরও বেশি মজুরি বেড়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, দেশের কোনও এলাকায়ই ঘোষিত ন্যূনতম দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকার নীচে থাকবে না। সমস্ত রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং নির্ধারিত মজুরি অঞ্চলের জন্য সংশোধিত মজুরির হার ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, অসম, অরুণাচল প্রদেশ এবং হিমাচল প্রদেশে দৈনিক মজুরি ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নতুন আইনে গ্রামীণ পরিবারগুলির জন্য নিশ্চিত কর্মসংস্থানের সীমা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগের ফলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান আরও স্বচ্ছ, কার্যকর এবং ফলপ্রসূ হবে।

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    সরকারের মতে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী গ্রামীণ সম্পদ গড়ে তোলা, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গ্রামে মহিলাদের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। নতুন আইন নির্বিঘ্নে কার্যকর করতে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য অন্তর্বর্তী বরাদ্দ হিসেবে ৯৫ হাজার ৬৯২ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা দিয়ে দিয়েছে। এই অর্থ কর্মসংস্থান অব্যাহত রাখা, সময়মতো মজুরি দেওয়া এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের কাজে ব্যয় করা হবে। কেন্দ্রীয় গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, “বিকশিত ভারত–রোজগার ও আজীবিকা গ্যারান্টি মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫ গ্রামীণ ভারতের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই আইন গ্রামীণ শ্রমিকদের আরও বেশি জীবিকা সুরক্ষা, মর্যাদা এবং আত্মবিশ্বাস জোগাবে (VB G RAM G)।”

    সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন

    তিনি বলেন, “১০০ দিনের পরিবর্তে ১২৫ দিনের কর্মসংস্থানের আইনি নিশ্চয়তা গ্রামীণ পরিবারের পাশে থাকার সরকারের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। সরকারের অগ্রাধিকার হল, প্রত্যেক যোগ্য শ্রমিক যাতে প্রয়োজনের সময় কাজ পান, তা নিশ্চিত করা (Minimum Wage)।” মন্ত্রী জানান, নয়া আইন কার্যকর করার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার প্রশাসনিক, আর্থিক ও কারিগরি সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। তাঁর আশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, দীর্ঘস্থায়ী গ্রামীণ সম্পদ গড়ে উঠবে, মহিলাদের ক্ষমতায়ন আরও জোরদার হবে এবং আত্মনির্ভর ও উন্নত গ্রামীণ ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্য পূরণে গতি আসবে। একই সঙ্গে তিনি দেশের নাগরিকদের শক্তিশালী ও আত্মনির্ভর গ্রাম গড়ে তোলার কাজে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান (VB G RAM G)।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন যাঁরা

    এই আইনের জাতীয় সূচনা অনুষ্ঠান হয় বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি জেলার ওবুলভারিপল্লে মণ্ডলের মুক্কাভারিপল্লে গ্রামে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু, উপমুখ্যমন্ত্রী কোনিদেলা পবন কল্যাণ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী চন্দ্র শেখর পেম্মাসানি, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কমলেশ পাসওয়ান-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। অনুষ্ঠানে নতুন কর্মসূচির সূচনা, উপভোক্তাদের গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি কার্ড বিতরণ, নতুন সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম চালু, বিভিন্ন (Minimum Wage) প্রকাশনা প্রকাশ, উপভোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং আইন কার্যকর করতে একাধিক উদ্যোগেরও সূচনা করা হয় (VB G RAM G)।

     

  • RG Kar: আরজি করকাণ্ডে বদলে ফেলা হয়েছিল তিলোত্তমার সংরক্ষিত ভিসেরা নমুনা!

    RG Kar: আরজি করকাণ্ডে বদলে ফেলা হয়েছিল তিলোত্তমার সংরক্ষিত ভিসেরা নমুনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নয়া বিতর্ক তিলোত্তমা ধর্ষণ ও খুন মামলায়। রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে সংরক্ষিত ভিসেরা নমুনা ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট বা বদলে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) নির্যাতিতার পরিবার। প্রাক্তন এক ফরেনসিক আধিকারিকের পাঠানো চিঠির ভিত্তিতেই এই অভিযোগ (Rape Murder Case) প্রকাশ্যে এসেছে। পরিবারের দাবি, চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিক গুরুত্বপূর্ণ নমুনা পরিবর্তন বা নষ্ট করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

    বদলে ফেলা হয়েছিল ভিসেরা নমুনা! (RG Kar)

    পরিবারের বক্তব্য, কয়েক দিন আগে নির্যাতিতার বাবার নামে ওই চিঠি পৌঁছয়। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ময়নাতদন্তের সময় সংগ্রহ করা লিভার, কিডনি ও পাকস্থলীর ভিসেরা নমুনা পরে বদলে ফেলা হয়। সাধারণত মৃত্যুর আগে কোনও বিষাক্ত পদার্থ বা ঘুমের ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছিল কি না, তা জানতে এই নমুনাগুলি পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণ করা হয়। অভিযোগ, সেই গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রমাণই পরে বদলে দেওয়া হয়েছে। পরিবারের আরও অভিযোগ, শুধু রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারেই নয়, সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর সময়ও নমুনা বদল করা হয়েছে। তাই মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। যদিও এই অভিযোগের সমর্থনে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি নথি বা স্বাধীন তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসেনি।

    সিবিআই তদন্তের দাবি

    এই পরিস্থিতিতে প্রাপ্ত চিঠিটি শিয়ালদহ আদালতে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিলোত্তমার পরিবার। আদালতের কাছে তাদের আবেদন, অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে পৃথক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক। পরিবারের দাবি, “এত গুরুতর অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া প্রকৃত সত্য সামনে আসবে না এবং (RG Kar) বিচারপ্রক্রিয়াও প্রশ্নের মুখে পড়বে।” চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, তৃণমূল সরকারের আমলে রাজনৈতিক হিংসায় নিহত বিজেপি এবং সিপিএম কর্মীদের একাধিক মামলায়ও ওই তিন ফরেনসিক কর্মী ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছিলেন। যদিও এই দাবির পক্ষেও এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ পেশ করা হয়নি। এদিকে, তিলোত্তমার পরিবারের করা অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীরা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুললেও, সংশ্লিষ্ট ফরেনসিক বিভাগ বা রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এ (Rape Murder Case) বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এখন রাজ্যবাসী তাকিয়ে আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে (RG Kar)।

     

  • US: হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মার্কিন কংগ্রেসম্যান স্যানফোর্ড বিশপের

    US: হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মার্কিন কংগ্রেসম্যান স্যানফোর্ড বিশপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে”। ভারতীয়-আমেরিকান সম্প্রদায়ের উদ্দেশে এমনই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন মার্কিন (US) কংগ্রেসম্যান স্ট্যানফোর্ড বিশপ (Sanford Bishop)। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি ধর্মীয় বিদ্বেষ ও হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের তীব্র নিন্দা করেন (Georgia Anti Hindu Resolution), এবং এই ধরনের ঘৃণামূলক কর্মকাণ্ড রোধে আরও বেশি সতর্কতা ও ঐক্যের আহ্বান জানান।

    ভারতীয়দের অসামান্য অবদান (US)

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয়-আমেরিকানদের অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন বিশপ। বলেন, “এই অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া, সম্মান জানানো এবং মূল্যায়ন করা উচিত। ঘৃণা ও হিংসা ছড়ানোর পরিবর্তে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা পালনকারী এই সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন।” বিশপ জানান, হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত সম্প্রদায়ের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি—এই দুই বিষয় পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। তাঁর মতে, আমেরিকায় হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের বৈষম্য, বিদ্বেষমূলক আচরণ এবং ঘৃণাজনিত অপরাধের মুখোমুখি হচ্ছে।

    হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ডাক

    ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার কড়া সমালোচনাও করেন তিনি। জানান, তাঁর নিজের রাজ্য জর্জিয়া হিন্দু-বিরোধী অপরাধ এবং বিদ্বেষ মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এর পরেই ওই মার্কিন কংগ্রেসম্যান বলেন, “আমাদের হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে”। স্ট্যানফোর্ডের এহেন মন্তব্যে উপস্থিত ভারতীয়-আমেরিকানদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন বছরে আমেরিকায় হিন্দুদের মৌখিক আক্রমণ, অবমাননাকর মন্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হয়রানি এবং হিন্দুদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক প্রচারের ঘটনা বেড়েছে বলে বিভিন্ন সংগঠনের দাবি। এর পাশাপাশি মন্দির ও অন্যান্য হিন্দু উপাসনালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই ভারতীয়-আমেরিকানদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার মতো হুমকির মুখোমুখিও হতে হচ্ছে, যদিও তাঁরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম দক্ষ কর্মশক্তি এবং অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ (US)।

    হিন্দুফোবিয়াকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি জর্জিয়ার

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে জর্জিয়া হিন্দুফোবিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঘৃণাজনিত অপরাধ ও বৈষম্যের বিষয়টি রাজ্যের আইনগত কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করে (Georgia Anti Hindu Resolution)। এই উদ্যোগের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে Coalition of Hindus of North America। এই সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছে। রাজ্যের গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকারি বিভিন্ন দফতর হিন্দুফোবিয়াজনিত বৈষম্য ও বিদ্বেষমূলক ঘটনার নথিভুক্তকরণ এবং তদন্তের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবে। এই আইন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে কোয়ালিশন অব হিন্দুজ অব নর্থ আমেরিকা (CoHNA) জানিয়েছে, ‘সেনেট বিল ৩৭৫ শুধু ক্রমবর্ধমান হিন্দু-বিরোধী ঘৃণার প্রতিক্রিয়া নয়, এটি আমাদের সম্প্রদায় যে (Georgia Anti Hindu Resolution) এই দেশের অংশ, অবদানকারী এবং আইনের সমান সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য—তারও একটি শক্তিশালী স্বীকৃতি (US)।’

     

  • Jharkhand: ঝাড়খণ্ড রাজ্যসভা নির্বাচনে জয়ী এনডিএ-সমর্থিত নির্দল প্রার্থী, ক্রস-ভোটিং ঘিরে জোর চর্চা

    Jharkhand: ঝাড়খণ্ড রাজ্যসভা নির্বাচনে জয়ী এনডিএ-সমর্থিত নির্দল প্রার্থী, ক্রস-ভোটিং ঘিরে জোর চর্চা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) দু’টি রাজ্যসভা আসনের নির্বাচনের ফল বেরল। একটি আসনে জয়ী হয়েছেন এনডিএ-সমর্থিত নির্দল প্রার্থী পরিমল নাথওয়ানি। অন্য আসনটি দখল করেছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম)। জয়ী হয়েছেন বৈদ্যনাথ রাম। ভোটগ্রহণে ক্রস-ভোটিংয়ের (Cross Voting) অভিযোগ সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    পরাজিত কংগ্রেস (Jharkhand)

    পরিমল কংগ্রেস প্রার্থী প্রণব ঝাকে পরাজিত করেছেন। আর বৈদ্যনাথ জয়ী হয়েছেন নির্ধারিত আসনে। নির্বাচনের ফল বেরলে দেখা যায়, পরিমল মোট ২৮টি ভোট পেয়েছেন। অথচ ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় এনডিএর মোট বিধায়কের সংখ্যা ২৪। এই অতিরিক্ত চারটি ভোট কোথা থেকে এল, তা নিয়েই শুরু হয়েছে ক্রস-ভোটিংয়ের জল্পনা। পরিমলের কাছে হেরে গিয়েছেন কংগ্রেসের প্রার্থী প্রণব। তিনি পেয়েছেন মাত্র ২০টি ভোট। অন্য আসনে জেএমএম প্রার্থী বৈদ্যনাথ নির্বাচিত হয়েছে ৩০টি ভোট পেয়ে। নির্বাচন পরিচালনাকারী এক আধিকারিকের তথ্য অনুযায়ী, বিজেপির দুই এবং কংগ্রেসের এক বিধায়কের ভোট অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    ভোটের অঙ্ক

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় এনডিএর মোট ২৪ জন বিধায়ক রয়েছেন। এর মধ্যে বিজেপির ২১ জন, এবং এলজেপি (রামবিলাস), আজসু পার্টি এবং জেডিইউয়ের একজন করে বিধায়ক রয়েছেন। আর, ইন্ডিয়া জোটের মোট ৫৬ জন বিধায়কের মধ্যে জেএমএমের ৩৪, কংগ্রেসের ১৬, আরজেডির ৪ এবং সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের ২ জন সদস্য রয়েছেন। ভোটের আগে এনডিএ তাদের বিধায়কদের রাঁচির একটি হোটেলে রাখায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিরোধী শিবিরের তরফে বিধায়ক ভাঙানোর আশঙ্কার কথাও উঠে এসেছিল। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব শুরু থেকেই দাবি করেছিলেন, এনডিএ সমর্থিত প্রার্থীই জয়ী হবেন (Jharkhand)।

    ক্রস-ভোটিং!

    ঝাড়খণ্ডে এ বার প্রার্থীদের জিততে হলে প্রয়োজন ছিল ২৮ জন করে বিধায়কের সমর্থন। এর মধ্যে ‘ইন্ডি’ জোটের পক্ষে ছিল ৫৬ জনের সমর্থন। যার মধ্যে রয়েছেন জেএমএমের ৩৪ জন, কংগ্রেসের ১৬ জন, আরজেডির ৪ জন, এবং সিপিআই (এমএল)-এর ২জন বিধায়ক। নির্বাচনে জেএমএমের বৈদ্যনাথ পেয়েছেন ৩০টি প্রথম পছন্দের ভোট। তাদের সহযোগী কংগ্রেসের প্রণব পেয়েছেন ২০টি। অথচ ‘ইন্ডি’ জোটের ৫৬ জন বিধায়ক ছিলেন। সেই হিসেবে জেএমএমের প্রার্থী ৩০টি ভোট পেলে, কংগ্রেস প্রার্থীর পাওয়ার কথা ছিল ২৬টি। উল্লেখ্য (Cross Voting), জেএমএমের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শিবু সোরেনের মৃত্যুর কারণে রাজ্যসভার একটি আসন শূন্য হয়েছিল। আর, বিজেপি সাংসদ দীপক প্রকাশের মেয়াদ শেষ হবে ২১ জুন। তাই নির্বাচন হয়েছে সেই আসনেও (Jharkhand)।

     

  • CID: কালীঘাটে ফের সিআইডি হানা, এবার অভিষেকের অন্য এক পিসির দুয়ারে গোয়েন্দারা

    CID: কালীঘাটে ফের সিআইডি হানা, এবার অভিষেকের অন্য এক পিসির দুয়ারে গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীঘাটের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে ফের হানা সিআইডির। বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee Relative) বোন রিনা গায়েন ওরফে নান্টির বাড়িতে পৌঁছন সিআইডির (CID) আধিকারিকরা। ঘণ্টাখানেক ধরে চলে তল্লাশি। দুপুর ১টা ৫০ মিনিট নাগাদ শুরু হওয়া এই অভিযান শেষ হয় বিকেল ৩টের খানিক আগে।

    অভিষেকের বিতর্কিত মন্তব্য (CID)

    সূত্রের খবর, বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তেই এই পদক্ষেপ করেছে সিআইডি। অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বলেছিলেন, “৪ মে গণনার পর ডিজে বাজানো হবে”, যা উসকানিমূলক মন্তব্য হিসেবে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ২৯/ডি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দা রিনা। তাঁর মেয়ে অদিতি গায়েনকে বিভিন্ন সময় তৃণমূলের কর্মসূচিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা গিয়েছে। তিনি দলের সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত কার্যকলাপের সঙ্গেও যুক্ত বলে খবর।

    এর আগেও কালীঘাটে হানা দিয়েছে সিআইডি

    এদিন যে বাড়িতে হানা দিল সিআইডি, সেটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতার কালীঘাটের বাসভবন থেকে প্রায় ২৫০ মিটার দূরে। যদিও অভিষেকের মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার সঙ্গে মমতার বোন বা বোনঝির কী সম্পর্ক, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগেও একাধিক মামলায় অভিষেকের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে সিআইডি। বিধানসভার সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। ভবানী ভবনে সিআইডি দফতরে একাধিকবার হাজিরাও দিতে হয়েছে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে। সেই মামলায় দু’দিন এবং উসকানিমূলক মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় একদিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দিন কয়েক আগেই অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে খুঁজতে গভীর রাতে কালীঘাটে অভিযান চালিয়েছিল শালবনি থানার পুলিশ। তালা ভেঙে বাড়িতে ঢুকলেও, তাঁর সন্ধান মেলেনি। এবার ওই একই এলাকায় অভিষেকের আর এক পিসির বাড়িতে সিআইডি আধিকারিকদের হাজিরা, নতুন করে জল্পনার জন্ম দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে (CID)।

    সই জালিয়াতিকাণ্ড

    প্রসঙ্গত, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে জমা পড়া একটি রেজোলিউশন ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। এই রেজোলিউশনকে কেন্দ্র করেই হাটে ভাঙে সই জালিয়াতির অভিযোগের হাঁড়ি। অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। অভিষেকের পাশাপাশি এই মামলায় সিআইডি জেরা করেছে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষকেও। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে মদন মিত্র-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতাকে। এদিকে, এদিন রাজ্যপালের ভাষণের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে গিয়ে দেখা করেন মমতাপন্থী (Mamata Banerjee Relative) তৃণমূলের পাঁচ বিধায়ক। এঁরা হলেন, কুণাল ঘোষ, মদন মিত্র, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, আলিফা আহমেদ এবং অশোক দেব। বেশ কিছু দাবিদাওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা (CID)।

     

  • Operation Tiger: ‘অপারেশন টাইগার’ ঘিরে ফের জল্পনা মহারাষ্ট্রে, ভাঙনের আশঙ্কা উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনায়

    Operation Tiger: ‘অপারেশন টাইগার’ ঘিরে ফের জল্পনা মহারাষ্ট্রে, ভাঙনের আশঙ্কা উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন টাইগারে’র (Operation Tiger) পর বুধবার মহারাষ্ট্রের রাজনীতির আকাশে নতুন করে জমেছে ঘোর অনিশ্চয়তার মেঘ। পুনের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলি ছয়লাপ ‘শুধু অপেক্ষা করুন এবং দেখুন’ লেখা পোস্টারে। এই ঘটনাই শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে (ইউবিটি) গোষ্ঠীর (Uddhav Thackeray) মধ্যে আরও এবার ভাঙনের জল্পনা উসকে দিয়েছে।এই পোস্টারগুলি এমন একটা সময়ে দেখা গেল, যখন শিবসেনার (ইউবিটি) কয়েকজন সাংসদ দল থেকে বেরিয়ে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা গোষ্ঠীর সঙ্গে জোট বাঁধার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    ‘অপারেশন টাইগার’ (Operation Tiger)

    যদিও কোনও শিবিরের পক্ষ থেকেই এখনও এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনও ঘোষণা হয়নি, তবে পোস্টারগুলি এখন রাজনৈতিক মহলে ‘অপারেশন টাইগার’ নামে পরিচিত একটি উদ্যোগের উজ্জ্বল প্রতীক হয়েই উঠেছে। এটি আদতে শিবসেনার মধ্যে আর একটি বড় ধরনের ভাঙন ধরানোর চেষ্টা। ‘অপারেশন টাইগার’ বলতে বোঝায় শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে (ইউবিটি) শিবিরের কয়েকজন সাংসদ ও বিধায়ককে যাঁদের ওই গোষ্ঠী থেকে বের করে শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনায় নিয়ে যাওয়ার একটি ছক।২০২২ সালে একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বে বিদ্রোহ মাথা চাড়া দেয় শিবসেনায়। ভেঙে দু’খান হয়ে যায় প্রয়াত মারাঠি নেতা বালঠাকরের হাতে গড়া দল শিবসেনা। তার জেরে পতন হয় উদ্ধব ঠাকরে সরকারের।

    অশনি সঙ্কেত শিবসেনার সংসদীয় শাখায়

    তার পর এবার অশনি সঙ্কেত শিবসেনার সংসদীয় শাখায়। লোকসভায় রয়েছে শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠীতে রয়েছেন ৯জন সাংসদ। এর মধ্যে ৬জনই পৃথক একটি সংসদীয় দল গঠনের পক্ষে। যদি দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন নিশ্চিত হয়, তাহলে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় আইনি সুরক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল সংসদের মধ্যে একটি স্বীকৃত আলাদ দল গঠন করা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের নির্বাচনী লড়াইয়ের আগে উদ্ধব ঠাকরের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক শক্তিকে দুর্বল করে দেওয়া (Uddhav Thackeray)।

    নয়া গোষ্ঠীতে কারা?

    সংবাদমাধ্যমের দাবি, পৃথক সংসদীয় গোষ্ঠীর স্বীকৃতির জন্য ইতিমধ্যেই একটি চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে এবং ১৬ জুন সেই চিঠির নীতিগত অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। এই গোষ্ঠীতে থাকতে পারেন বলে যাঁদের নাম উঠে এসেছে, তাঁরা হলেন— সঞ্জয় দিনা পাটিল (মুম্বই উত্তর-পূর্ব), ওমরাজে নিম্বালকর (ধারাশিব), ভাউসাহেব ওয়াকচৌরে (শিরডি), সঞ্জয় যাদব (পারভানি), নাগেশ পাটিল অষ্টিকার (হিঙ্গোলি), এবং সঞ্জয় দেশমুখ (যাবতমল-ওয়াশিম)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর, শিবসেনার শিন্ডে গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতারা দিল্লিতে গিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে আইনজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন। এই প্রক্রিয়ারই অংশ হিসেবে ওই (বিদ্রোহী) সাংসদদের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সামনে হাজির হওয়ার কথা।

    এই স্বীকৃতির প্রয়োজন কী?

    প্রশ্ন হল, এই স্বীকৃতির প্রয়োজন কী? আসলে কোনও আনুষ্ঠানিক বিভাজনের আগে নীতিগত স্বীকৃতি পাওয়াটা বেশ কয়েকটি কৌশলগত উদ্দেশ্য পূরণ করে। প্রথমত, এটি শিবসেনা (ইউবিটি) নেতৃত্বের জারি করা যে কোনও হুইপের কার্যকারিতাকে দুর্বল করে দেবে। দ্বিতীয়ত, এটি দল ছেড়ে অন্য পার্টিতে যোগ দেওয়া সাংসদদের আইনি সুরক্ষা দেয়। তৃতীয়ত, দলটি যে একটি বৈধ গোষ্ঠী, এমন যুক্তিকেও জোরালো করে। উভয় শিবিরই যখন দলত্যাগ-বিরোধী আইন নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে রীতিমতো আস্তিন গুটিয়ে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখনই শিবসেনা (ইউবিটি) দ্রুত পদক্ষেপ করে সাংসদদের সমর্থন একটাই ঝুলিতে পুরতে। দলটি তার সব সাংসদকেই নয়াদিল্লিতে একটি জরুরি সংসদীয় দলীয় সভায় যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিন লাইনের একটি হুইপ জারি করে।

    চিফ হুইপের বক্তব্য

    চিফ হুইপ অনিল দেশাই সাফ জানিয়ে দেন, প্রত্যেক সাংসদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। এও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যেসব সাংসদ দলীয় হুইপ অমান্য করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, মায় দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে (Operation Tiger)। উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের পক্ষ থেকে এই বৈঠকটিকে লোকসভায় তাঁদের প্রকৃত শক্তি ঠিক কতটা, তা যাচাই করা এবং আরও একটি সাংগঠনিক বিভাজন রোধ করার গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এদিকে, দুই শিবিরেই যখন তৎপরতা তুঙ্গে, তখন জল্পনা আরও বেড়েছে দুই গোষ্ঠীর সাংসদদের আলাদা আলাদাভাবে দিল্লিতে হাজির হওয়ার ঘটনায়। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকজন সাংসদ ঘুরপথে দিল্লি গিয়েছেন। তাই রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে (Operation Tiger)।

    অল দ্য রোডস…

    জানা গিয়েছে, শিবসেনার এক সাংসদ দিল্লিতে বিমানে ওঠার আগে হাদগাঁও থেকে সড়কপথে হায়দরাবাদে গিয়েছিলেন। আরও দু’জন একটি চার্টার্ড বিমানে ওঠার আগে গাড়ি চালিয়ে নান্দেদ বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। আরও এক সাংসদ মুম্বই থেকে এসেছিলেন, অন্য এক সাংসদ এসেছিলেন শিরডি থেকে (Uddhav Thackeray)। শিবসেনার প্রত্যেক সাংসদের দিল্লি যাত্রা আপাতভাবে সাধারণ মনে হলেও, একটু তলিয়ে দেখলে এটি স্পষ্ট হয়ে যায়, পর্দার আড়ালে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আলোচনা চলা জল্পনার নেপথ্যের কারণ ঠিক কী।

    বিদ্রোহের জল্পনা ওড়ালেন শিবসেনা সাংসদ

    ক্রমবর্ধমান জল্পনার আবহে শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ রাজভাউ ওয়াজে বিদ্রোহের খবর উড়িয়ে দিয়েছেন। দিল্লি পৌঁছে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন উদ্ধবের প্রতি তাঁর সমর্থনের কথা। শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগের কথাও অস্বীকার করেছেন তিনি। ওয়াজে বলেন, “আমি উদ্ধবজির সঙ্গেই আছি, তাঁর সঙ্গেই থাকব। অন্য কারও সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই। আমি কোনও ফোনও পাইনি, শিন্ডেজির পক্ষ থেকে আমার সঙ্গে কোনও যোগাযোগও করা হয়নি।” তিনি সাফ জানিয়ে দেন, একটি কমিটির বৈঠকে যোগ দিতেই ঝটিকা সফরে দিল্লিতে এসেছেন (Uddhav Thackeray) তিনি। মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ২০২২ সালের রাজনৈতিক বিদ্রোহের স্মৃতি এখনও টাটকা। সেই প্রেক্ষাপটে ‘অপারেশন টাইগার’ আদৌ নতুন কোনও ভাঙনের রূপ (Operation Tiger) নেয়, নাকি শুধুই রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশল—সেদিকেই তাকিয়ে তামাম ভারত।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের, ঘোর বিপাকে ‘ভাইপো’!

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের, ঘোর বিপাকে ‘ভাইপো’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গা থেকে খসে পড়ছে একের পর এক রক্ষাকবচ। ক্রমেই শিরঃপীড়া বাড়ছে তৃণমূলের সেনাপতি তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। বুধবার এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার ওপর দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়। খারিজ করে দিয়েছে তাঁর আবেদনও (Defamation Case)।

    অভিষেকের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা (Abhishek Banerjee)

    জানা গিয়েছে, ভোপালের বিশেষ এমপি-এমএলএ আদালতে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলায় অভিষেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে ওই পরোয়ানার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। তবে এবার বিচারপতি প্রমোদ কুমার আগরওয়ালের সিঙ্গল বেঞ্চ সেই স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে মামলার আবেদন খারিজ করে দেয়। মামলার সূত্রপাত ২০২১ সালে। বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে তথা প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক আকাশ বিজয়বর্গীয় ভোপালের এমপি-এমএলএ আদালতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ, ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে কলকাতার এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আকাশকে ‘গুন্ডা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন তৃণমূলের ভাতিজা।

    স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার

    এই অভিযোগের ভিত্তিতেই ভোপাল আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর আইনজীবীদের দাবি ছিল, তিনি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, এবং তাঁর পালিয়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। সেই যুক্তির ভিত্তিতেই অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছিল আদালত। বুধবার এই মামলার শুনানির সময় আবেদনকারীর (পড়ুন, অভিষেকের) পক্ষে কোনও আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আবেদনকারী সম্ভবত মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ হারিয়েছেন। এরপরই আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে আবেদন খারিজ করে দেয় এবং আদেশের অনুলিপি অবিলম্বে ভোপাল আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় (Abhishek Banerjee)।

    আদালতের এহেন নির্দেশের ফলে আইনিভাবে অভিষেকের বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর হওয়ার পথ ফের খুলে গেল বলেই মনে করছে আইনজ্ঞদের একাংশ (Defamation Case)। রাজনৈতিক মহলেও এই রায়কে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে (Abhishek Banerjee)।

  • Donald Trump: হামলার মুখে পড়লে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পের, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হলটা কী?

    Donald Trump: হামলার মুখে পড়লে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পের, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হলটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত যদি কখনও হামলার শিকার হয়, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার পাশে দাঁড়াবে”, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই আশ্বাস দিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে করেন যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন। সেখানেই ভারতের প্রতি দৃঢ় সমর্থনের বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের এহেন বার্তা থেকেই স্পষ্ট, ভারত-মার্কিন সম্পর্কের বরফ ফের গলছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে ট্রাম্পের এই মন্তব্য ভারত-আমেরিকা সম্পর্ককে নতুন করে মজবুত করারই ইঙ্গিত।

    ভারতের পাশে থাকার বার্তা (Donald Trump)

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প জানান, ভারত ও আমেরিকা এই দুই দেশের মধ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। তা সত্ত্বেও ভারতের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমেরিকা সাহায্য করতে প্রস্তুত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনও প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। কিন্তু ভারত আক্রান্ত হলে আমরা অবশ্যই সাহায্য করতে এগিয়ে আসব।” তাঁর এই মন্তব্যকে ভারতের প্রতি মার্কিন প্রশাসনের অন্যতম শক্তিশালী প্রকাশ্য নিরাপত্তা আশ্বাস হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসাও করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, মোদি বিশ্বের অন্যতম কঠিনতম নেতা এবং সবসময় ভারতের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেন।

    ‘উনি দেবদূতের মতো’

    ট্রাম্পের (Donald Trump) কথায়, “উনি খুবই ভদ্র মানুষ। কিন্তু অত্যন্ত কঠোর এক নেতা, যিনি সব সময় নিজের দেশের মানুষের জন্য লড়াই করেন।” তিনি বলেন, “মোদি যেমন ধীরস্থির, শান্ত এবং একই সঙ্গে কঠোর…আমি কিন্তু ওরকম নই!” ‘দেখতে দেবদূতের মতো’ এই যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্পের গলায় বারবার শোনা গিয়েছে মোদি-প্রশস্তি। কথা প্রসঙ্গে এক সময় রসিকতার সুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, মোদির শান্ত ও নম্র চেহারার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে অত্যন্ত দৃঢ় এক নেতৃত্বের গুণ।তিনি বলেন, “উনি (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি) দেখতে খুবই ভালো। দেখতে দারুণ লাগে, যেন সাক্ষাৎ দেবদূত। তবে, প্রয়োজনে কড়া পদক্ষেপ করতে পিছপা হন না। কিন্তু এত সুন্দর দেখতে যে সবাই চমকে যান। এমন মানুষ খুব কমই দেখা যায়। উনি ভারতীয়দের যেমন ভালবাসেন, আমেরিকাকেও ভালবাসেন। হিউস্টনে ‘হাউডি মোদি’ অনুষ্ঠান হয়েছিল। কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল স্টেডিয়াম। সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে ফের ভারত সফরে যাব কখনও”।

    স্মৃতির সুখসাগরে ডুব ট্রাম্পের

    এর পরেই স্মৃতির সুখসাগরে ডুব দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর (Donald Trump) ভারত সফরের কথা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট জানান, সেই সফরে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে দিয়েছিল দুই নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্কের গভীরতা (PM Modi)। আবারও একবার মোদির প্রশংসা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “উনি বেশ কঠোর।…তবে, একবার মানুষটির দিকে তাকান। অত্যন্ত সুন্দর দেখতে।” ট্রাম্পের (Donald Trump) এই মন্তব্যে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যেও হাসির রোল পড়ে যায়।

    উষ্ণ বার্তা

    সম্প্রতি উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক অভিযানে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত এবং আমেরিকা দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। ভারত সরকার ওই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং আন্তর্জাতিক জলপথে অসামরিক নৌযান ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানায়। এই ঘটনার পর ভারতকে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও মজবুত করার চেষ্টা বলেই মত বিশ্লেষকদের।

    সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা

    দুই দেশের শীর্ষ নেতার বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সরবরাহ শৃঙ্খল, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, প্রতিরক্ষা উৎপাদন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে বলেই খবর। এছাড়াও, ভারত-আমেরিকার মধ্যে একটি বৃহত্তর বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও আলোচনা এগোচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প (PM Modi)।

    হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিম এশিয়ার সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথা জানিয়ে দেন। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বার্থে হরমুজ প্রণালী সবসময় নিরাপদ ও উন্মুক্ত রাখা জরুরি।” প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বের সামুদ্রিক খাতে কর্মরত নাবিকদের প্রায় ১০ শতাংশই (Donald Trump) ভারতীয় এবং তাঁদের নিরাপত্তা ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    আমেরিকায় ভারতের লগ্নিরও প্রশংসা

    ট্রাম্প ভারতের অর্থনৈতিক ভূমিকারও প্রশংসা করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে, যা দুই দেশেরই অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি দীর্ঘদিনের বন্ধু। তাঁর সঙ্গে আবার দেখা হওয়া খুবই আনন্দের।”

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে দুই নেতার মধ্যে শেষ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (PM Modi) হয়েছিল। পরবর্তীকালে শুল্কনীতি ও ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে কিছু মতপার্থক্য তৈরি হলেও, সাম্প্রতিক এই বৈঠক দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে (Donald Trump) আরও এগিয়ে নেওয়ারই বার্তা দিয়েছে বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের।

     

LinkedIn
Share