Tag: Kolkata High Court

Kolkata High Court

  • Kolkata High Court: আরও বিপাকে সন্দীপ ঘোষ! আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও সিবিআইকে দিল হাইকোর্ট

    Kolkata High Court: আরও বিপাকে সন্দীপ ঘোষ! আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও সিবিআইকে দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও চাপ বাড়ল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh)। তাঁর আমলে আরজি করের (RG Kar Incident) যাবতীয় আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত ভার সিবিআইকে (CBI) দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court)। এবার ডেপুটি সুপার আখতার আলির মামলায় সিবিআই তদন্ত করবে। শুক্রবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ রাজ্যের তরফে গঠন করা বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট-এর তদন্তের বিষয়টি খারিজ করে দেন (RG Kar-CBI Probe)। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে সিবিআইয়ের হাতে নথি হস্তান্তর করতে বলা হয়েছে সিটকে। তিন সপ্তাহ পরে তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট আদালতের কাছে জমা দিতে হবে সিবিআইকে।

    ইডি তদন্তের আর্জি নিয়ে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ (CBI)

    আরজি করকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। বারবার সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে তৃণমূল সরকারকে। এই সময়, আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি আরও একবার আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হন। টালা থানায় আগেই অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। দু’দিন আগে এই সমস্ত অভিযোগকে সামনে রেখেই কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) দ্বারস্থ হন আখতার আলি। প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক দুর্নীতির পাশাপাশি মৃতদেহ এবং বায়ো মেডিক্যাল বর্জ্য পাচার, তোলাবাজির অভিযোগ আনেন আখতার। সেই মামলারই শুনানি ছিল শুক্রবার। ইডি তদন্তের আর্জির প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভরদ্বাজের পর্যবেক্ষণ, একাধিক সংস্থা তদন্ত করলে বিষয়টি জটিল এবং সময়সাপেক্ষ হতে পারে। তাই মূল ঘটনার সঙ্গে ওই হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও সিবিআই (RG Kar-CBI Probe) করবে। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার কী বললেন?

    সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির অভিযোগ, ইএনটি কর্মশালায় বেআইনিভাবে মৃতদেহের ব্যবহার করেছিলেন সন্দীপ ঘোষ। যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল। এছাড়াও বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য পাচার, ল্যাব পরিকাঠামোয় আর্থিক দুর্নীতি, বাজারমূল্যের বেশি দামে অক্সিজেনযন্ত্র কেনার মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে (RG Kar-CBI Probe)। কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি, ইউজি-পিজি কাউন্সেলিংয়ে বেনিয়মের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে। এই মামলায় সিট (SIT) গঠন করে তদন্তভার ন্যস্ত করেছিল রাজ্য। এই সিট নিয়ে বৃহস্পতিবারের শুনানিতেই প্রশ্ন ওঠে। আদালত (Kolkata High Court) জানতে চায়, কেন ১৬ অগাস্ট সিট গঠন হল? কেন ২০২৩ সালের অভিযোগের পরে তা গঠন হল না?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সন্দীপের আমলে ‘আর্থিক দুর্নীতি’! ইডি তদন্ত চেয়ে আবেদন, মিলল মামলার অনুমতি

    RG Kar Incident: সন্দীপের আমলে ‘আর্থিক দুর্নীতি’! ইডি তদন্ত চেয়ে আবেদন, মিলল মামলার অনুমতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar Incident) ঘটনায় সিবিআই নজরে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। বুধবার ষষ্ঠবার তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়েছেন। এবার কি আরও বিড়ম্বনায় সন্দীপ? কারণ, আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে সরকারি নিষ্ক্রিয়তা এবং ইডি (ED) তদন্তের দাবিতে মামলা দায়ের করতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন হাসপাতালেরই এক প্রাক্তন পদাধিকারী। বুধবার বিষয়টিতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত শুনানির আবেদন করা হয়। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সেই অনুরোধে সাড়া দিয়েছেন। আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি দিল হাইকোর্ট।

    সন্দীপের বিরুদ্ধে জোড়া মামলা (RG Kar Incident)

    আরজি করে (RG Kar Incident) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের মামলায় ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের ম্যারাথন জেরার মুখে পড়েছেন সন্দীপ। এর মধ্যে আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি হাসপাতালের সদ্যপ্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ আনেন। মূলত তাঁর বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়। আখতারের আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি হাইকোর্টে বলেন, ‘‘আরজি করের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।’’ বুধবার ওই আবেদন করা হয় বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের এজলাসে। আখতার তাঁর নিরাপত্তার আবেদনও করেন। বিচারপতি ভরদ্বাজ মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন।

    এর পরেই আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে দ্বিতীয় আবেদনটি জমা পড়ে প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানমের এজলাসে। আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত। হাইকোর্টে তিনি বলেন, ‘‘হাসপাতালের ওই আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাজ্য সরকার একটি সিট বা বিশেষ তদন্তকারী দল তৈরি করেছে ঠিকই। কিন্তু, সেই সিট গঠন করা হয়েছে জনগণের চোখে ধুলো দেওয়ার জন্য। আদতে তারা তদন্তের কাজ করছে না। তাই হাইকোর্ট এই বিষয়ে পদক্ষেপ করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করুক।’’ বক্তব্য শোনার পর মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। চলতি সপ্তাহেই এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    প্রাক্তন ডেপুটি সুপার কী বলেছিলেন?

    আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার সংবাদ মাধ্যমে বলেছিলেন, ‘‘প্রথম দিন থেকেই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এক মাসের বেশি সময় ওঁর বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন ছাত্ররা। আমি স্পষ্টবক্তা। আরজি করে (RG Kar Incident) ঘুঘুর বাসা ভেঙেছি। সন্দীপের হরেক দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমি সরব হয়েছি। আমার অনেক শত্রু।’’ তাঁর মতে, সদ্যপ্রাক্তন অধ্যক্ষ সব জানেন বলেই তিনি মনে করেন। আশা করেন যে, সন্দীপকে জেরা করে অনেক তথ্য জানতে পারবে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: অনুমতি হাইকোর্টের, বুধ থেকে ৫ দিন শ্যামবাজারে ধর্না বিজেপির, ধর্মতলার মিছিলেও সায়

    BJP: অনুমতি হাইকোর্টের, বুধ থেকে ৫ দিন শ্যামবাজারে ধর্না বিজেপির, ধর্মতলার মিছিলেও সায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে শ্যামবাজারে শান্তিপূর্ণ ধর্নায় বসার কথা বিজেপির (BJP) পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু, পুলিশ প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। ফলে, এই কর্মসূচি কার্যকরী করার জন্য বিজেপি নেতৃত্বকে দৌড়তে হয় আদালতে। অবশেষে শ্যামবাজারে বিজেপিকে ধর্না কর্মসূচির অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

    বুধবার থেকে টানা পাঁচদিন আন্দোলনে বিজেপি (BJP)

    আদালতের নির্দেশ মেনে বুধবার থেকে টানা পাঁচ দিন এই কর্মসূচি করতে পারবে বিজেপি (BJP)। কর্মসূচির দৈনিক সময়ও স্থির করে দিয়েছে আদালত। ওই পাঁচ দিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ধর্না কর্মসূচি চালানো যাবে। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশ্রী ভরদ্বাজ এই নির্দেশ দিয়েছেন। শ্যামপুকুর থানার ওসি শান্তিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে না বিঘ্নিত না-হয় তা দেখার জন্য বলা হয়েছে। শব্দবিধি মেনে চলতে হবে। ১৬ ফুট বাই ২৪ ফুট হবে মঞ্চের মাপ। এই মিছিল করার আবেদন জানিয়েছিলেন বিজেপি নেতা সুজিত চট্টোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, এর আগেও আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে ধর্না কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বিজেপি। গত শুক্রবার শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের ১ নম্বর গেটের কাছে ওই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারেরও। কিন্তু, বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয় যে, তাদের ধর্নামঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার ওই একই জায়গায় ফের মঞ্চ বাঁধতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। এর পরেই শ্যামবাজারে ধর্না কর্মসূচি ঘোষণা করে বিজেপি। পুলিশের বাধার কারণে আদালতের নির্দেশে বুধবার থেকে ধর্না কর্মসূচি শুরু করতে চলেছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

    মমতার হাঁটা পথে মিছিলের অনুমতি পেল বিজেপি

    আর জি করের (RG Kar Incident) ঘটনার প্রতিবাদে মৌলালি থেকে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেল পর্যন্ত মিছিল করার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন করেছিলেন বিজেপির (BJP) প্রাক্তন সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই একই রুটে কয়েকদিন আগে মিছিল করেছিলেন। কিন্তু, তারপর মেলেনি পুলিশের অনুমতি। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন ওই বিজেপি নেতা। অবশেষে ওই রুটে মিছিল করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে, মিছিলের জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি জানিয়েছেন, ওয়াই চ্যানেলে ৫০০টি চেয়ার রাখা যাবে। মঞ্চ হতে হবে ২০/৩০ ফুটের। এক হাজারের মত অংশগ্রহণকারী থাকবেন। জনজীবনে বিঘ্ন ঘটানো চলবে না। বেলা তিনটে থেকে সাতটার মধ্যে করতে হবে এই কর্মসূচি। আর মিছিল হতে হবে শান্তিপূর্ণ। লালবাজারের জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশকে এই কর্মসূচির তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    বিজেপি নেতার আইনজীবী কী বললেন?

    বিজেপি (BJP) নেতা স্বপন দাশগুপ্তের আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য বলেন, ‘খোলা হাওয়া’ নামে একটি সংগঠন রয়েছে আমাদের। আরজি করে যে ঘটনা ঘটেছে সেই ঘটনায় সহমর্মিতা প্রকাশ করাই উদ্দেশ্য। সারা দেশের সিনেমা, সাহিত্য-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের কৃতী মানুষেরা আসবেন এই মিছিলে। এই মিছিলের জন্য পুলিশের কাছে আর্জি জানানো হয়েছিল। কিন্তু, পুলিশ তা বাতিল করে। পরে, আদালতে দ্বারস্থ হয়ে মিলল অনুমতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর ইস্যুতে প্রতিবাদ মিছিলে ‘না’ পুলিশের, হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি নেতা

    RG Kar Incident: আরজি কর ইস্যুতে প্রতিবাদ মিছিলে ‘না’ পুলিশের, হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) কাণ্ডে রাস্তায় নেমেছেন সাধারণ মানুষ। এবার সারা দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে মিছিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপি (BJP) নেতা স্বপন দাশগুপ্ত। সেই মতো তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। এরকম ঘটনার জন্য প্রতিবাদ মিছিল করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি নেতা? (RG Kar Incident)

    জানা গিয়েছে, আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদে মৌলালি থেকে ধর্মতলার ডোরিনা ক্রোসিং পর্যন্ত বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে মিছিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপি নেতা স্বপনবাবু। দিনকয়েক আগেই আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক-ছাত্রীর নৃশংস ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই পথেই মিছিল করেছিলেন। ফলে, আপত্তি হবে না জেনেই পুলিশের কাছে বিজেপি নেতা আবেদন করেছিলেন। কিন্তু,পুলিশ অনুমতি দেয়নি। তাই, মিছিলের অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। সোমবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের কাছে মামলা করার অনুমতি চান মামলাকারীর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য। তাঁর আবেদন, আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে কলকাতার মৌলালি থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হোক। পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু আবেদন জানিয়েও অনুমতি মিলছে না বলে দাবি করেন তিনি। বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) উত্তাল গোটা দেশ। দিকে দিকে চলছে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, ধর্না, মিছিল। সকলের একটাই দাবি, ‘বিচার চাই’। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ তো বটেই রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মবিরতিতে জুনিয়র চিকিৎসকেরা। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তারকারাও আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন। প্রায়ই কলকাতার রাস্তায় মিছিল বার করছেন প্রতিবাদীরা। একাধিক ক্ষেত্রে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে। প্রতিবাদে পথে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলিও। বিরোধীরা আরজি কর-কাণ্ডে বাংলার শাসক দল তৃণমূলকেই কাঠগড়ায় তুলছে। আরজি করে চিকিৎসক ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে প্রায় সর্বস্তরের মানুষ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গত সপ্তাহে ওই স্থানে ঠিক ওই রাস্তাতেই মিছিল করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মিছিল করতে পারলে, কেন অনুমতি দেওয়া হবে না, সেই প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: সিবিআইকে তদন্তভার দেওয়ার পরেই ভাঙা হল হাসপাতালের দেওয়াল! ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা? 

    RG Kar: সিবিআইকে তদন্তভার দেওয়ার পরেই ভাঙা হল হাসপাতালের দেওয়াল! ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্ক থামছে না। একের পর এক অভিযোগে উত্তাল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাস (RG Kar)! কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের প্রশাসনের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠল। প্রতিবাদে সামিল রাজ্যের চিকিৎসক মহল। বুধবার তাই রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালের বহির্বিভাগ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসক এবং জুনিয়র চিকিৎসকদের একাধিক সংগঠন। বিশিষ্ট মহলের একাংশ জানাচ্ছে, আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর পরে রাজ্য প্রশাসনের একের পর এক পদক্ষেপ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলছে।

    আদালতের নির্দেশের পরেই কী ঘটেছিল? (RG Kar)

    মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর তদন্তের নির্দেশ সিবিআইকে দেন।‌ প্রধান বিচারপতি কলকাতা পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একাধিক পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাসপাতালের চেস্ট মেডিসিন বিভাগের দেওয়াল ভাঙা শুরু হয়। হাসপাতালের সেমিনার হল, যেখানে ওই মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার হলের আশপাশের দেওয়াল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভাঙার কাজ শুরু হয়। হঠাৎ কর্তৃপক্ষের দেওয়াল ভাঙার সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই চিকিৎসক মহলের বিক্ষোভ শুরু হয়। জুনিয়র চিকিৎসকেরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। আর তারপরেই তড়িঘড়ি কাজ বন্ধ হয়ে‌ যায়।

    প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ কেন উঠছে?

    চিকিৎসক মহলের একাংশ‌ জানাচ্ছে, ওই মহিলা চিকিৎসক চেস্ট মেডিসিন বিভাগের (RG Kar) স্নাতকোত্তর ট্রেনি ছিলেন। সেমিনার হলের আশপাশের জায়গায় অপরাধীদের হাতের স্পর্শ কিংবা অন্য কোনও প্রমাণ থাকতে পারে। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ সেই দেওয়াল থেকেও একাধিক প্রমাণ জোগাড় করতে পারতেন। ঘটনাস্থল সিবিআই (CBI) কর্তারা দেখলে স্পষ্ট হত, আর কেউ বৃহস্পতিবার রাত্রে সেমিনার হলে ছিলেন কিনা, কিংবা কতজনের যাতায়াত হয়েছিল। কিন্তু সেই সব প্রশ্নের স্পষ্ট কিনারা হওয়ার আগেই দেওয়াল ভাঙার কাজ শেষ করে দেওয়া হল। একাধিক মার্বেল টাইলস ভেঙে দেওয়া হল। হাসপাতালের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে কেন এই ঘটনা ঘটল, সেটাও স্পষ্ট নয় বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কলকাতা পুলিশ প্রথমেই ঘটনাকে আত্মহত্যার তকমা দিতে চেয়েছিল। এ নিয়ে হাইকোর্টও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তাছাড়া, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ময়নাতদন্ত থেকে যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়ায় সব সময় টালবাহানা করেছে। মৃতার বাবা-মাকেও মৃতদেহ দেখতে দেওয়া হচ্ছিল না, এমন অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ হাসপাতালের (RG Kar) দেওয়াল ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত একাধিক প্রশ্ন তুলছে বলেই মনে করছে সব মহল। চিকিৎসকেরা এই ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বহির্বিভাগে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    কী বলছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ?

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, যেসব দেওয়াল (RG Kar) ভাঙা হয়েছে, সেগুলো‌ বহু আগেই পরিকল্পনা করা ছিল। চিকিৎসকদের জন্য ভালো রেস্ট রুম তৈরির পরিকল্পনা ছিল। তাই ওখানে দেওয়াল ভেঙে রেস্ট রুম তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। তবে, স্বাস্থ্য সচিব দেওয়াল ভাঙা ও নতুন পরিকাঠামো তৈরির কাজ আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই এখন আপাতত কাজ বন্ধ আছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: মমতার বিরুদ্ধে রাজ্যপালের মানহানি মামলা, শুনানির দিন ঠিক করল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: মমতার বিরুদ্ধে রাজ্যপালের মানহানি মামলা, শুনানির দিন ঠিক করল হাইকোর্ট

    নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের দায়ের করা মানহানি মামলার শুনানি ১০ জুলাই হবে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta Highcourt) । মামলাটি শুনানির তালিকায় না থাকায় রাজ্যপালের আইনজীবী বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার পরেই বিচারপতি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঘোষণা করা হয়।

    হাইকোর্টে রাজ্যপালের মানহানির মামলার শুনানি (Calcutta Highcourt)

    মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta Highcourt) মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস(C V Ananda Bose) । তৃণমূলের দুই হবু বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, রায়াত হোসেন সরকার এবং তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষকেও এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে রাজ্যপালের তরফে। বুধবারই সেই মামলা বিচারপতি রাওয়ের বেঞ্চে উঠেছিল। সম্প্রতি নবান্নের একটি সরকারি বৈঠক থেকে রাজ্যপালকে আক্রমণ করেছিলেন মমতা। তার জেরে ওই মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন রাজ্যপাল। মমতার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন সায়ন্তিকা, রায়াত হোসেন সরকার এবং কুণাল ঘোষ। সেই কারণে তাদের ওই মামলাতে যুক্ত করা হয়েছে বলে রাজভবন সূত্রে খবর।

    অমিত শাহকে নালিশ রাজ্যপালের (C V Ananda Bose)

    বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়েও রাজভবন বনাম সরকার পক্ষের সংঘাত চলছে। দুই বিধায়ককে রাজভবনে ডেকে পাঠানো হলে তাঁরা যাননি। শাসক দলের তরফ থেকে রাজ্যপালকে বিধানসভায় এসে শপথ পাঠের কথা বলা হয়েছে। তবে সেই আবেদন মৌখিক নাকি লিখিতভাবে করা হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই শাসক শিবিরে। প্রসঙ্গত রাজ্যের দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়ে জটিলতা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, উনি (C V Ananda Bose) হয় স্পিকারকে নয়তো ডেপুটি স্পিকারকে (শপথ পাঠের) এই অধিকার দিন। আর তা না হলে নিজে বিধানসভায় যান। রাজভবনে কেন সকলে যাবে? রাজভবনে যা কীর্তি কেলেঙ্কারি চলছে, তাতে মেয়েরা ওখানে যেতে ভয় পাচ্ছে বলে আমার কাছে অভিযোগ করেছে। নির্দিষ্ট দিনে এবং সময়ে দুই বিধায়ক রাজভবনে না যাওয়ার ফলে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বাতিল হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রীর নামে নালিশ করে গ্রেফতার, মুক্তির নির্দেশ বিচারপতির

    এরপর রাজ্যপাল দিল্লি চলে যান। ইতিমধ্যেই অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। রাজ্যের তিন শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। যে দুই পুলিশ আধিকারিক এবং এক আমলার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে রাজ্যপাল নালিশ জানিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আগেই সাংবিধানিক কার্যপ্রণালী এবং আচরণবিধির লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন বোস।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Justice Amrita Sinha: মন্ত্রীর নামে নালিশ করে গ্রেফতার, মুক্তির নির্দেশ বিচারপতির

    Justice Amrita Sinha: মন্ত্রীর নামে নালিশ করে গ্রেফতার, মুক্তির নির্দেশ বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাইভ সম্প্রচারে মুখ্যমন্ত্রীর ফেসবুক পেজে মন্ত্রী অরূপ রায়ের নামে অভিযোগ জানাতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন এরশাদ সুলতান ওরফে শাহিন। মন্ত্রী অরূপ রায় তথা শাসকদলের নেতাদের বিরুদ্ধে জলা জমি ভরাটের অভিযোগ এনে গ্রেফতার হওয়া হাওড়ার ওই যুবককে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (High Court) । বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Justice Amrita Sinha) মুক্তির নির্দেশের পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকার চরম নিন্দা করেছেন।

    বিচারপতির প্রশ্ন (Justice Amrita Sinha)

    মুখ্যমন্ত্রীর লাইভ সম্প্রচার চলাকালীন কমেন্ট বক্সে এরশাদ সুলতান অরূপ রায় এবং তাঁর সাঙ্গপাঙ্গর বিরুদ্ধে জলা জমি ভরাটের অভিযোগ এনেছিলেন। এরপরই ওই যুবককে গ্রেফতার করে শিবপুর থানার পুলিশ। গ্রেফতারের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে গিয়েছিল তাঁর পরিবার। এরপরই বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Justice Amrita Sinha) প্রশ্ন করেন, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে কেউ কোনও অভিযোগ করলে বা ক্ষোভ জানালে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে? যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই অরূপ রায় কি অভিযোগ করেছেন? নাকি পুলিশ নিজে থেকে নাক গলাল? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি। তিনি প্রশ্ন করেন, দুজনের মধ্যে গোলমাল হলে তৃতীয় ব্যক্তি অভিযোগ জানানোয় একজনকে পুলিশ এভাবে গ্রেফতার করে নিল? এটা কি আইন?

    গ্রেফতার প্রক্রিয়া প্রশ্নের মুখে

    কোথা থেকে এবং কবে শাহিনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাও জানতে চেয়েছেন বিচারপতি (Justice Amrita Sinha) । জবাবে রাজ্যের আইনজীবী জানান, প্রথমে তাঁকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি হাজির না হওয়ায় দুদিন পর তাঁকে ৩০ শে জুন বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। রাজ্যের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি নির্দেশ দেন ৩০ জুন শিবপুর থানার সারাদিনের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। যদিও অভিযুক্তের পরিবারের পাল্টা অভিযোগ, শাহিন নোটিস পেয়ে থানায় গেলে তাঁকে প্রথমে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয়। পরে জানানো হয় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিবারের দাবি তাঁরা তৃণমূলের সঙ্গেই যুক্ত।

    অভিযোগকারীর বক্তব্য

    হাওড়ার তৃণমূল নেতা সুশোভন চট্টোপাধ্যায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সুশোভন চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে অভিযোগ করেছিলাম। ওই ব্যক্তি যেভাবে মন্তব্য করেছিলেন তা মেনে নেওয়া যায় না। এ বিষয়ে বিজেপি নেতা ভাস্কর রায় বলেন, “সরকার বা শাসকদলের বিরুদ্ধে কেউ কোনও কথা বললেই তাঁকে গ্রেফতার করা এ রাজ্যে রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘কঠোর ব্যবস্থা নিন’! রাজ্যের তিন শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাহকে চিঠি বোসের

    এখানে শাসকের আইন চলে। আইনের শাসন চলে না। এই রাজ্যে গণতন্ত্র নেই তা শাসক এবং তাঁদের দোসর পুলিশ বারংবার প্রমাণ করছে। হাইকোর্টে (High Court) বারংবার বিচারপতি (Justice Amrita Sinha) এ রাজ্যের আইনি ব্যবস্থা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। সরকার বদল না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতির বদল হবে না।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • High Court: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস

    High Court: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবনকে কেন্দ্র করে একের পর এক আক্রমণ করে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্লীলতাহানির অভিযোগ পর্ব থেকে সেই যে বিতর্ক শুরু, তারপর মুখ্যমন্ত্রী টানা আক্রমণ করে গিয়েছে সি ভি আনন্দ বোসকে। যদিও এই পর্বে অনেকটাই রক্ষণাত্মক রাজ্যপাল। কিন্তু এবার বিচার চাইতে হাইকোর্টের (High Court) দ্বারস্থ হলেন সি ভি আনন্দ বোস। তিনি কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর।

    শপথ ঘিরে জটিলতা (Governer)

    শুধু মুখ্যমন্ত্রী নয়, রাজ্যের আরও কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে রাজ্যপাল ওই মামলা (High Court) করেছেন বলে জানা গিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী জানিয়েছেন, এখন অবধি মামলা লিস্টেড হয়নি। প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মেয়েরা ওখানে (রাজভবন) যেতে ভয় পাচ্ছে। এই মন্তব্য উল্লেখ করে মামলাটি করেছেন রাজ্যপাল (Governer)। প্রসঙ্গত রাজভবন নাকি বিধানসভায়, শপথ কোথায় হবে এ নিয়ে জটিলতা অব্যাহত। সদ্য জয়ী তৃণমূলের দুই বিধায়ক চাইছেন বিধানসভায় শপথ করানো হোক। অন্যদিকে রাজভবনে এসে শপথ নেওয়ার সময় দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। বিধায়করা সেখানে না যাওয়ার ফলে দুই বিধায়কের শপথ ঘিরে জটিলতা অব্যাহত। এরই মাঝে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, সোমবারের মধ্যে শপথ জটিলতার সমাধান না হলে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তিনি আবার বোমা পাঠাবেন। অন্যদিকে বিধানসভার সামনে বরানগর কেন্দ্র থেকে জয়ী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বলে দিয়েছেন তখন আর কিছু বলার নেই। ভয় তো লাগতেই পারে।”

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের মদতেই সরকারি জমি বিক্রি! শিলিগুড়িতে মিলল বড় চক্রের হদিশ

    অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বলে দিয়েছেন, তাই বিধায়কদের ভয় লাগছে। কিন্তু বাকি একজন পুরুষ বিধায়কের কেন শ্লীলতাহানির ভয় নাকি দলের হুইপের ভয় তা জানা যায়নি।  

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া (High Court)

    সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, শুক্রবার মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টে (High Court) দায়ের করা হয়। মামলার কপির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য উল্লেখ করা আছে। রাজ্যপালের এই মামলা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “রাজ্যপাল (Governer) সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত অনেক আগে নেওয়া উচিত ছিল। রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্যের মর্যাদা জড়িত আছে। এ বিষয়ে রাজ্যপালের প্রতি আমার সমর্থন রয়েছে।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • SSC Scam: চাকরিহারা শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের তথ্য জানাতে হবে,  নির্দেশ জেলা স্কুল পরিদর্শকের

    SSC Scam: চাকরিহারা শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের তথ্য জানাতে হবে,  নির্দেশ জেলা স্কুল পরিদর্শকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এক ধাক্কায় চাকরি হারিয়েছেন স্কুলে কর্মরত ২৫,৭৫৩ জন। নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) জাল কাটতে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেলই বাতিল করে দিয়েছে বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। এই নির্দেশে অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে স্কুলগুলিতে। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করছে স্কুল শিক্ষা দফতরের একাংশ। ইতিমধ্যেই ২০১৬ সালে চাকরি পাওয়া শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের কাজে যোগদানের যাবতীয় তথ্য জানার কাজ শুরু হয়েছে। 

    কী বলছে শিক্ষা দফতর

    শিক্ষা দফতর (SSC Scam) সূত্রে খবর, বিভিন্ন জেলার বিদ্যালয় পরিদর্শকেরা (ডিআই) স্কুলের প্রধানশিক্ষকদের কাছে একটি বার্তা পাঠিয়েছেন। সেই বার্তায় বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের নিয়োগের প্রক্রিয়ায় যে সমস্ত শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী চাকরি পেয়েছেন তাঁদের যাবতীয় তথ্য জানাতে হবে। স্কুলশিক্ষকদের কাছে একটি গুগ্‌ল ফর্ম পাঠানো হয়েছে। সেই ফর্ম পূরণ করেই এই সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলার ডিআইদের জানাতে বলা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ভাবে শিক্ষা দফতর থেকে নির্দেশ না দেওয়া হলেও, এই তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ডিআইদের ভূমিকার পিছনে ‘মৌন’ সম্মতি রয়েছে দফতরের। যাতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেই সংক্রান্ত তথ্য শিক্ষা দফতরের প্রয়োজন হলে তা দ্রুত পাওয়া সম্ভব হয়। বে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও বিবৃতি দিতে নারাজ দফতরের শীর্ষকর্তারা।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে সুপ্রিম দুয়ারে রাজ্য, ২৬ হাজর চাকরি বাতিল করা নিয়ে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ

    কেন এই নির্দেশ

    হাইকোর্টের নজিরবিহীন রায়ের পর রাজ্যের স্কুলগুলিতে অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে, এমনই আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২০১৬-র বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী চাকরি পাওয়া শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা যে সব স্কুল নিযুক্ত রয়েছেন, সেখানে জটিলতা আরও প্রকট। তাই সূত্রের খবর, ২০১৬ সালের নিয়োগের প্রক্রিয়ায় চাকরি পাওয়া শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের কাজে যোগদানের যাবতীয় তথ্য জানতে চাইলেন জেলা স্কুল পরিদর্শকেরা।  আদালতের নির্দেশ মাফিক যদি ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি চলে যায় সেক্ষেত্রে স্কুলগুলিতে যাতে কোনও রকম সমস্যা তৈরি না হয় তার জন্যই আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সরকারি স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি শুরু হয়েছে। গরমের ছুটি শেষে স্কুল খুললে কী অবস্থা তৈরি হবে, তা এখন থেকেই ভাবাচ্ছে পড়ুয়া তথা অভিভাবকদের। রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা, দুর্নীতির (SSC Scam) পরিণাম ভুগতে হতে পারে বাংলার এই প্রজন্মকে এমনই ভাবছে শিক্ষামহল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata High Court: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে নতুন ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

    Kolkata High Court: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে নতুন ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পুরসভাগুলিতে নিয়োগ-দুর্নীতির মামলা কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) নতুন ডিভিশন বেঞ্চে গেল। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এই মামলা পাঠালেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে। এই সপ্তাহেই পুরসভার নিয়োগ-দুর্নীতির মামলার শুনানি হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

    পুরনিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রসঙ্গত, পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু তা খারিজ হয়ে যায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানায় রাজ্য। পরবর্তীকালে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এবং বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফিরিয়ে দেয়। তা চলে যায় প্রধান বিচারপতির কাছে।

    আরও পড়ুন: ‘যেখানে ভূতের ভয়’! রুজিরা-ইস্যুতে মমতা-অভিষেককে তুলোধনা দিলীপের

    পুরনিয়োগ দুর্নীতি

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে বলাগড়ের তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার হতেই উঠে আসে অয়ন শীলের নাম। তার ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং ওএমআর শিট মেলে। ইডির দাবি, রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন পুরসভায় অন্তত ৬ হাজার চাকরি বিক্রি করেছিল প্রমোটার অয়ন শীল (Ayan Sil)। অয়নকে জেরা করেই এই তথ্য হাতে পান ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। অয়নের ফ্ল্যাটের ডাস্টবিন থেকে পাওয়া কাগজে একাধিক পুরসভার নাম পাওয়া যায়। এই ডাস্টবিনেই পাওয়া যায় পুরসভায় চাকরিপ্রার্থীদের তালিকাও। পুরসভার টেন্ডারেও একচেটিয়া নাম দেখা যায় অয়নের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা একাধিক বার দাবি করেছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে রাজ্যের অন্তত ৬০টি পুরসভায় টাকার বিনিময়ে বেআইনি নিয়োগ হয়েছে। ইডির দাবি, মোট ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন। রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট আবার এই মামলা হাইকোর্টে (Kolkata High Court) ফিরিয়ে দেয়।  এই পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করলেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share