Tag: Kolkata Public Transport

  • Kolkata Metro: এ বার ভোর ৬টা থেকেই মেট্রো, রাতেও বাড়ছে পরিষেবার সময়! কলকাতার যাতায়াতে বড় স্বস্তি, বদল এই মাস থেকেই

    Kolkata Metro: এ বার ভোর ৬টা থেকেই মেট্রো, রাতেও বাড়ছে পরিষেবার সময়! কলকাতার যাতায়াতে বড় স্বস্তি, বদল এই মাস থেকেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে কলকাতার ব্যস্ত জীবনযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আরও এক ধাপ এগোতে চলেছে মেট্রো পরিষেবা। অফিসগামী, ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে প্রতিদিনের হাজার হাজার যাত্রীর সুবিধার্থে বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা মেট্রোর (Kolkata Metro)। এবার ব্লু ও গ্রিন- দুই গুরুত্বপূর্ণ করিডরেই প্রথম ও শেষ মেট্রোর সময় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত। তবে শুধু সময়ই নয়, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যাও (Metro Service Increase)। আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে আগামী ২৭ জুলাই (সোমবার) থেকে এই নতুন সূচি কার্যকর হবে।

    ভোর ৬টা থেকেই প্রথম মেট্রো

    এখনও পর্যন্ত ব্লু লাইনে দক্ষিণেশ্বর-শহিদ ক্ষুদিরাম করিডরে দুই প্রান্ত থেকেই দিনের প্রথম মেট্রো ছাড়ে সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে। নতুন সূচি অনুযায়ী, সোমবার থেকে সেই সময় এগিয়ে এসে হবে ভোর ৬টা। একই পরিবর্তন হচ্ছে হাওড়া ময়দান- সল্টলেক সেক্টর ফাইভ অর্থাৎ গ্রিন লাইনেও। বর্তমানে এই লাইনে প্রথম ট্রেন ছাড়ে সকাল ৬টা ৩৯ মিনিটে। ২৭ জুলাই থেকে এখানেও প্রথম মেট্রো পাওয়া যাবে সকাল ৬টায়।

    রাতেও বাড়ছে পরিষেবার সময় 

    শুধু সকালেই নয়, রাতেও যাত্রীদের জন্য বাড়ছে মেট্রোর সময়সীমা। বর্তমানে ব্লু লাইনে দক্ষিণেশ্বর ও শহিদ ক্ষুদিরাম- দুই প্রান্ত থেকেই শেষ মেট্রো ছাড়ে রাত ৯টা ৪৪ মিনিটে। নতুন সূচিতে তা পিছিয়ে রাত ১০টা ৩০ মিনিট করা হচ্ছে। একইভাবে গ্রিন লাইনে এখন শেষ ট্রেন ছাড়ে রাত ১০টা ৫ মিনিটে। আগামী সোমবার থেকে হাওড়া ময়দান ও সল্টলেক সেক্টর ফাইভ- দুই প্রান্ত থেকেই শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে।

    সপ্তাহের কোন দিন কী নিয়ম?

    নতুন সময়সূচি কার্যকর থাকবে সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত। তবে রবিবার কিছুটা আলাদা নিয়ম থাকবে। ওই দিন ব্লু ও গ্রিন- দুই লাইনেই প্রথম মেট্রো চলবে সকাল ৯টায়। তবে শেষ মেট্রোর সময় থাকবে রাত ১০টা ৩০ মিনিট।

    শুধু সময় নয়, বাড়ছে ট্রেনের সংখ্যাও (Metro Service Increase)

    যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাপ সামলাতে দুই লাইনেই পরিষেবার সংখ্যাও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। ব্লু লাইনে সোমবার থেকে শুক্রবার- ২৬০ থেকে বেড়ে ২৭২টি পরিষেবা। শনিবার- ২৪৬ থেকে বেড়ে ২৫৮টি ও রবিবার- ১৫২ থেকে বেড়ে ১৫৮টি মেট্রো চলবে। পাশাপাশি, গ্রিন লাইনে সোমবার থেকে শুক্রবার চলবে ২২৮ থেকে বেড়ে ২৩৬টি মেট্রো। শনিবার- ২০৪ থেকে বেড়ে ২১২টি ও রবিবার- ১০৮ থেকে বেড়ে ১১১টি মেট্রো চলবে।

    আপাতত পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা

    কলকাতা মেট্রোর (Kolkata Metro) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই সময়সূচি প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হচ্ছে। যাত্রীদের সাড়া, যাতায়াতের চাহিদা এবং পরিষেবার কার্যকারিতা পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে এই সময়সূচিকেই স্থায়ী করা হতে পারে। তবে পরীক্ষামূলক পর্যায় কতদিন চলবে, সে বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। কলকাতার জনজীবনে মেট্রো এখন শুধু একটি পরিবহণ ব্যবস্থা নয়, বরং প্রতিদিনের জীবনযাত্রার অপরিহার্য অংশ। সেই কারণেই ভোরের পরিষেবা আরও আগে শুরু হওয়া এবং রাত পর্যন্ত ট্রেন চলার সময় বাড়ানো- দুই মিলিয়ে শহরের যাত্রীদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তির খবর। অফিসের তাড়া হোক কিংবা রাতের বাড়ি ফেরা, নতুন সূচি কলকাতার চলার গতি আরও কিছুটা বাড়িয়ে দেবে।

  • West Bengal BJP: ট্রামের ‘পুনর্জন্ম’ কলকাতায়, অত্যাধুনিক বিদেশি মডেলে গড়াবে ঐতিহ্যের চাকা!

    West Bengal BJP: ট্রামের ‘পুনর্জন্ম’ কলকাতায়, অত্যাধুনিক বিদেশি মডেলে গড়াবে ঐতিহ্যের চাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নব কলেবরে ফিরতে চলছে কলকাতার ঐতিহাসিক ট্রাম পরিষেবা (Kolkata Tram)। অন্তত এমনই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার (West Bengal BJP)। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন প্রশাসন জানিয়েছে, প্রায় দু’বছর আগে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের নেওয়া ট্রাম পরিষেবা প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে এবার আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির ট্রাম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারের দাবি, এশিয়ার প্রাচীনতম চলমান ট্রাম নেটওয়ার্ককে শুধুমাত্র ঐতিহ্যের নিদর্শন হিসেবে নয়, বরং পরিবেশবান্ধব ও কার্যকর গণপরিবহণ ব্যবস্থার একটি অংশ হিসেবে পুনর্গঠন করা হবে।

    তৃণমূল জমানায় ট্রামের কফিনে শেষ পেরেক (West Bengal BJP)

    উল্লেখ্য, তৃণমূল জমানায় গত কয়েক বছরে ধাপে ধাপে কলকাতার ট্রাম পরিষেবা সঙ্কুচিত করা হয়েছিল। একের পর এক রুট বন্ধ হওয়া, একাধিক ট্রাম ডিপোকে বাস ডিপোয় রূপান্তর, বিভিন্ন সেতুতে ট্রাম চলাচলে নিষেধাজ্ঞা—সব মিলিয়ে একসময় শহরের বিস্তীর্ণ অংশে ছড়িয়ে থাকা ট্রাম নেটওয়ার্ক সীমিত হয়ে পড়ে। ২০২৪ সালে তৎকালীন তৃণমূল সরকার কার্যত অধিকাংশ ট্রাম পরিষেবা বন্ধ করে শুধুমাত্র ময়দান-এসপ্ল্যানেডের একটি ছোট ঐতিহ্যবাহী রুট পর্যটনের উদ্দেশ্যে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তৎকালীন পরিবহণ দফতরের যুক্তি ছিল, কলকাতার ব্যস্ত ও সংকীর্ণ রাস্তায় ধীরগতির ট্রাম যানজটের অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে। পাশাপাশি মূল্যবান ডিপো জমি অন্য কাজে ব্যবহারের সম্ভাবনাও বিবেচনায় ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের নেওয়া সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র জনমত গড়ে ওঠে। ঐতিহ্য সংরক্ষণকর্মী, পরিবেশবিদ, নাগরিক সংগঠন এবং বহু নিয়মিত যাত্রী ট্রাম বন্ধের বিরোধিতায় সোচ্চার হন। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক মামলা দায়ের হয়। আদালত ট্রাম পরিষেবার ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি পরামর্শদাতা কমিটিও গঠন করে এবং ট্র্যাক সংরক্ষণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয়। এমনকি বিটুমিনের নীচে চাপা পড়ে যাওয়া ট্রামলাইন পুনরুদ্ধারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

    ছবি বদলাচ্ছে বিজেপির আমলে

    নয়া বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে ট্রাম পুনরুজ্জীবনের বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং জানান, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন শহরে ব্যবহৃত আধুনিক ট্রামের আদলে কলকাতায় নতুন প্রজন্মের ট্রাম চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই কিছু প্রস্তাব এসেছে এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে (Kolkata Tram)। পরিবহণ দফতরের মতে, দীর্ঘদিন অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ডিপোয় পড়ে থাকা পুরানো ট্রামগুলির অধিকাংশই প্রায় অচল হয়ে গিয়েছে। সেগুলি সংস্কার করতে হলে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন। পরিষেবাও তেমন মিলবে না। তাই বিদেশ থেকে হালকা, শক্তি-সাশ্রয়ী এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নতুন ট্রাম আমদানির পরিকল্পনা করা হচ্ছে (West Bengal BJP)। সরকারি সূত্রে খবর, নতুন ট্রামগুলিতে উন্নতমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আধুনিক যাত্রীসুবিধা এবং জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি থাকবে। শুধু তাই নয়, এগুলি বর্তমান ট্রাফিক ব্যবস্থার সঙ্গে পাল্লাও দিতে পারবে।

    পদ্ম সরকারের পরিকল্পনা

    বর্তমানে কলকাতায় মাত্র দু’টি রুটে ট্রাম চলাচল করছে—এসপ্ল্যানেড থেকে শ্যামবাজার এবং এসপ্ল্যানেড থেকে গড়িয়াহাট। ভবিষ্যতে কোন কোন রুট ফের চালু করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষাও করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ঐতিহাসিক এসপ্ল্যানেড-খিদিরপুর রুটকে। ময়দানের সবুজ পরিবেশ ঘেঁষে চলা এই রুট বহু বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের কাছে সমান জনপ্রিয়। এছাড়া ট্রামলাইন, ডিপো এবং সংশ্লিষ্ট পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণের পাশাপাশি কলকাতা মেট্রোর সঙ্গে সাযুজ্য রেখে বহুমুখী গণপরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সরকারের মতে, এতে শহরের পরিবহণ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে, এবং ইতিবাচক প্রভাব পড়বে দূষণ কমানোর ক্ষেত্রে।

    ‘চলন্তিকা’ ফেরাতে বিজেপি সরকারের উদ্যোগ

    ১৮৭৩ সালে যাত্রা শুরু করা কলকাতার ট্রাম পরিষেবা ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শহরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। একসময় এটি ছিল কলকাতার অন্যতম প্রধান গণপরিবহণ ব্যবস্থা। নয়া উদ্যোগের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করে ভবিষ্যৎমুখী পরিবহণ ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্যের পালাবদলের সরকার (West Bengal BJP)।

    ট্রামওয়েজ ইউজার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির বক্তব্য

    অবসরপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী, ট্রাম অনুরাগী তথা কলকাতা ট্রামওয়েজ ইউজার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেবাশিস ভট্টাচার্য এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, “নাগরিকদের সর্বসম্মত অভিমত হল, কলকাতা ট্রামওয়েজের অন্তর্ঘাতের কাহিনি দুর্নীতি থেকেই শুরু হয়েছিল এবং সেখানেই শেষ হয়েছে। ট্রাম ডিপোগুলি বিশাল এবং সেগুলি রয়েছে শহরের প্রধান রাস্তাগুলির পাশে, গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে। ব্রিটিশরা মূলত ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ট্রাম ব্যবস্থার সম্প্রসারণের জন্য বিশাল পরিমাণ জমি কিনেছিল।” তিনি জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টও বিচক্ষণতার সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছে, ট্রাম ডিপোগুলিতে (Kolkata Tram) কেন বহুতল ভবন রয়েছে? শহর পরিকল্পনাবিদরা এই ভেবে উদ্বিগ্ন যে, একবার জমি বিক্রি হয়ে গেলে ভবিষ্যতে রেললাইনের পাশে ট্রাম ডিপো পুনর্নির্মাণের আর কোনও সুযোগ থাকবে না।

    কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    বছর তিনেক আগে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ট্রাম পরিষেবা (West Bengal BJP) এবং তার সঙ্গে জড়িত সম্পত্তি রক্ষার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। মামলার শুনানিতে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ট্রামডিপো একের পর এক বন্ধ হয়ে যাওয়াকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দিয়েছিলেন। শহরের এই ঐতিহ্যবাহী পরিবহণ ব্যবস্থা সংরক্ষণে জোর দিয়ে ট্রামওয়েজের জমি এবং সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশও জারি করেছিল আদালত। উল্লেখ্য, হাইকোর্টে মামলাটি দায়ের করেছিলেন জনৈক সুলগ্না মুখোপাধ্যায়। আরটিআইয়ের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, ট্রামওয়েজের একাধিক জমি ও সম্পত্তি বিক্রির প্রক্রিয়া চলছে। তার পরেই তিনি দ্বারস্থ হন হাইকোর্টের। আদালত জানিয়েছিল, সরকারি জমি বিক্রির আগে নিশ্চিত করতে হবে যে তা সরকারি কাজ বা সাধারণ মানুষের কোনও প্রয়োজনেই আর ব্যবহারযোগ্য নয়। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না করে সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেছিল আদালত। ট্রামওয়েজের জমি যখন বেসরকারি সংস্থাকে বিক্রি করা হয়েছিল, তখন কেউ কেন প্রতিবাদ করেননি, সেই প্রশ্নও তুলেছিল হাইকোর্ট।

    আদালতের সেই পর্যবেক্ষণের পরে (Kolkata Tram)ও, তৃণমূলের রাজত্বে দৈন্যদশা ঘোচেনি ট্রামের। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই পরিসর ছোট হয়ে এসেছিল শহর কলকাতার এই পরিবেশ বান্ধব যানের। রাজ্যে পালাবদল হতেই ফের স্বমহিমায় ফিরতে চলছে (West Bengal BJP) ট্রাম।

    আজ্ঞে হ্যাঁ, নব কলেবরে!

     

LinkedIn
Share