Tag: Kolkata

Kolkata

  • CBI: বুধবার শহরে পা সিবিআই প্রধানের! আধিকারিকদের সঙ্গে করলেন রুদ্ধদ্বার বৈঠক

    CBI: বুধবার শহরে পা সিবিআই প্রধানের! আধিকারিকদের সঙ্গে করলেন রুদ্ধদ্বার বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কলকাতায় পা রাখেন সিবিআইয়ের ডিরেক্টর (CBI) প্রবীণ সুদ। বুধাবার সকালে সিবিআইয়ের প্রধান সোজা চলে যান নিজাম প্যালেসে। সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে এদিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন সিবিআই প্রধান। প্রসঙ্গত এই মুহূর্তে গরুপাচার, কয়লাপাচার, সমেত নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করছে সিবিআই। পাশাপাশি পোস্টিং দুর্নীতির তদন্তও যুক্ত হয়েছে তালিকায়। সিবিআই (CBI) সূত্রের খবর যে এই সমস্ত তদন্তের রুপরেখা তৈরি করতেই আইসিসিআর এ বিশেষ বৈঠক করেন সিবিআই প্রধান। রুদ্ধদ্বার এই বৈঠকের পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছিল ‘সম্পর্ক সভা’। জানা গিয়েছে, তদন্তের গতি, বর্তমান স্থিতি সমেত একাধিক বিষয়ে আলাপচারিতা করেন সিবিআই প্রধান।  বিমানবন্দরে নামার পরে রসিকতার ছলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘শুনেছি কলকাতার দই নাকি খুব মিষ্টি! তাই দই খেতে এসেছি।’

    রাজারহাটে সিবিআই-এর (CBI) নয়া দফতর হবে?

    সিবিআই (CBI) এর সামনে ২০১৪ সাল থেকেই তদন্তের পাহাড় জমে রয়েছে। সারদা কেলেঙ্কারি, রোজভ্যালি মামলা, নারদা কাণ্ড এগুলোতো সিবিআই দেখছেই, পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের আমলে নয়া দুর্নীতির তদন্তের বেশিরভাগটাই সিবিআইয়ের দায়িত্বে রয়েছে। জানা গিয়েছে, কাজের বহর যে পরিমাণে বাড়ছে সেক্ষেত্রে এবারে নিজাম প্যালেসের বদলে নিজেদের জন্য রাজারহাটে দফতর বানাতে চাইছে সিবিআই। বুধবার রাজারহাটেও যেতে দেখা গেছে সিবিআই প্রধানকে।

    তদন্তের গতি কি বাড়বে? 

    প্রসঙ্গত সিবিআই-এর (CBI) আইনজীবীর কাছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা দিন কয়েক আগেই জানতে চেয়েছিলেন যে দুর্নীতি মামলা তদন্ত আর কতদিন চলবে!  তদন্তের গতি যেভাবে চলছে তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতেও দেখা গিয়েছিল বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে।  এর ঠিক পর পরেই নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রবীণ সুদ। দুঁদে এই আইপিএস অফিসারের জমানায় তদন্তের গতি বাড়ে নাকি, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    আরও পড়ুন: ‘বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের ১০ লক্ষ টাকা টোপ দিয়ে কিনতে চাইছে তৃণমূল’, বিস্ফোরক অগ্নিমিত্রা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Death: খাস কলকাতায় মদের দোকানে ক্রেতাকে পিটিয়ে খুন, প্রবল বিক্ষোভ

    Kolkata Death: খাস কলকাতায় মদের দোকানে ক্রেতাকে পিটিয়ে খুন, প্রবল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাস কলকাতায় ঢাকুরিয়া মোড়ের কাছেই একটি মদের দোকানে মদ কিনতে গিয়ে দোকানের কর্মচারীর হাতে খুন (Kolkata death) হতে হল এক ব্যক্তিকে। মৃতের নাম সুশান্ত মণ্ডল। পিটিয়ে খুন করার সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ সংবাদ মাধ্যমের হাতে এসেছে। তাতে দেখা যায়, সুশান্তকে নির্মম ভাবে টেনে দোকানের ভিতরে ঢুকিয়ে বেধড়ক কিল, চড়, লাথি মেরে প্রথমে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় এবং এরপর মাটিতে তাঁর মাথা কয়েকবার ঠুকে দেয় ওই মদের দোকানের কর্মচারী। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় মানুষ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সুশান্তকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। আর এরপর ওই মদের দোকানের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। দোষীকে দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবিতে দোকানের সামনে স্থানীয় জনতা অবস্থান বিক্ষোভ  শুরু করেন। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়।

    প্রকাশ্য দিবালোকে পিটিয়ে খুন! (Kolkata death)

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার ছুটির দিনে, বিকেলে ঢাকুরিয়া মোড়ের মদের দোকানে সুশান্ত মণ্ডল মদ কিনতে যান। তিনি ঢাকুরিয়ার পঞ্চাননতলা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গছে। কিন্তু কিছু বিষয় নিয়ে মদের দোকানদারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হতেই দোকানের ভিতর থেকে এক কর্মচারী, সুশান্তকে দরজা খুলে টেনে ভিতরে নিয়ে এসে ব্যাপক মারধর করে। শহর কলকাতায় প্রকাশ্য দিবালোকে এইভাবে মারতে মারতে মাটিতে শুইয়ে দিয়ে সুশান্তের মাথা মাটিতে ঠুকে ঠুকে মেরেই (Kolkata death) ফেলা হবে, তা ভাবাই যাচ্ছে না। স্থানীয়দের কাছে সত্যিই অবিশ্বাস্য এবং আতঙ্কের ঘটনা। মানুষ এতটা নিষ্ঠুর কীভাবে হতে পারে! খুনের প্রতিবাদে এলাকার রাস্তা অবরোধ পর্যন্ত করা হয়।

    উত্তেজিত জনতার বিক্ষোভ

    এরপর উত্তেজিত জনতা ওই মদের দোকানের উপর চড়াও হন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদের ঘিরে এলাকার মানুষ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পুলিশের সঙ্গে চলে ধাক্কাধাক্কি। স্থানীয় মহিলাদের দাবি, পুলিশ মদের দোকানে টাকা খেয়ে দোষীদের গ্রেফতার করছে না। তাঁরা আরও বলেন, পুলিশ যদি আইনের ব্যবস্থা না নিতে পারে, তাহলে আমাদের কাছে ছেড়ে দিক, আমরা খুনির (Kolkata death) কাছে সুশান্তের হত্যার বিচার চেয়ে নেবো।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতাকে আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সুশান্ত এলাকার খুব ভালো ছেলে। আমাদের পরিচিত ছেলে। দোষী যারা তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না। খুনিকে (Kolkata death) কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

    পুলিশের বক্তব্য

    পুলিশ জানায়, খুনের (Kolkata death) সঙ্গে অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সিসিটিভির ফুটেজ হাতে এসেছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কোনও অপরাধীকেই ছাড়া হবে না।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Transport: বিপর্যস্ত যাত্রী পরিবহণ! উত্তর হাওড়া থেকে কলকাতা গামী বহু বাসরুট বন্ধ

    Transport: বিপর্যস্ত যাত্রী পরিবহণ! উত্তর হাওড়া থেকে কলকাতা গামী বহু বাসরুট বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর হাওড়া থেকে কলকাতা গামী একের পর এক বাস রুট (Transport) বন্ধ হতে বসেছে। যার ফলে চরম দুর্ভোগ পড়েছেন হাওড়া শহরের বাসিন্দারা। একটা সময় উত্তর হাওড়ার সালকিয়া, বেলগাছিয়া, বালি সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে হাওড়া স্টেশন হয়ে কলকাতা যাওয়া খুবই সহজ ছিল। কিন্তু আস্তে আস্তে বিভিন্ন রুটের গাড়ির সংখ্যা ক্রমশ কমতে শুরু করে। এখন বেশ কিছু রুটে গাড়ি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ। কয়েকটি রুটে নামমাত্র গাড়ি চললেও যাত্রীদের মূলত ভরসা করতে হয় টোটো ও অটোর ওপর। যদিও বাস মালিকদের দাবি, একদিকে তেলের দাম বেড়ে যাওয়া, অন্যদিকে অটো ও টোটোর দৌরাত্ম্য বাড়তে থাকায় তাঁদের বাধ্য হয়েই বাস রুটগুলি বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

    কী বলছেন ভুক্তভোগী বাসিন্দারা?

    উত্তর হাওড়ার এক বাসিন্দা সুজিত পাল জানান, একটা সময় শ্রীরামপুর থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত এল ৩১ নামে একটি সরকারি বাস (Transport) চলত। যেটি উত্তর হাওড়ার সালকিয়া হয়ে যেত। সেই বাস বহু বছর ধরে বন্ধ। তারপর থেকে এই রুটে কোনও সরকারি বাস চলে না। একমাত্র নির্ভর ছিল বেসরকারি বাস। তার মধ্যে বেলগাছিয়া থেকে সল্টলেক রুটে ১৭ নম্বর মিনিবাস চলত। যেটি পোস্তা হয়ে যেত। উত্তর হাওড়ার বাসিন্দাদের উত্তর কলকাতা যাওয়ার একমাত্র উপায় ছিল এই বাসটি। বিগত চার বছর ধরে যে রুটটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া হাওড়ার বালুহাটি থেকে ধর্মতলা রুটে মিনি বাস চলত আধ ঘণ্টা ছাড়া। বর্তমানে সেই রুটে সারাদিনে মাত্র দুটি গাড়ি চলে। অন্যদিকে সত্যবালা থেকে দক্ষিণ কলকাতার কসবা রুটে যে মিনিবাস চলত, সেটিও প্রায় বন্ধের পথে। এখন দিনে ২ থেকে তিনটি গাড়ি চলে। রবীন্দ্র সদন হয়ে সরাসরি দক্ষিণ কলকাতা সঙ্গে যোগাযোগ ছিল এই গাড়িটির। অন্যদিকে হাওড়া থেকে ডোমজুড়, শিয়াখালা, চন্ডীতলা, জগদীশপুর সহ বিভিন্ন রুটে ১৫ মিনিট ছাড়া চলত ৫৭ এ বাস। বর্তমানে এই রুটে শুধুমাত্র কয়েকটি বাস সালকিয়া হয়ে জগদীশপুর যায়। কখনও শিয়াখালা রুটে দু-একটি বাস যায়। বর্তমানে যাত্রীদের ভরসা বলতে ভট্টনগর-ধর্মতলা মিনিবাস, জগদীশপুর-হাওড়া বাস ও সালকিয়া-ধর্মতলা মিনিবাস।

    কী সমস্যার কথা শোনালেন বাস মালিকরা (Transport)?

    উত্তর হাওড়ার সালকিয়া থেকে ধর্মতলা রুটের মিনিবাসও দিন দিন কমে যাচ্ছে। ওই রুটের এক বাস মালিক গৌতম পাইন জানিয়েছেন, ছোট ছোট রুটে যাত্রীরা আগে যাওয়ার জন্য বাসে উঠত। কিন্তু এখন তারা অটো বা টোটোতে চলে যায়। ফলে তাদের যাত্রী কমছে। তিনি বলেন, হাওড়া ব্রিজে অটো ও টোটো উঠতে দেওয়া হয় না। সেটা যদি দেওয়া হত, তাহলে এখন যে কয়েকজন যাত্রী পান সেটাও বন্ধ হয়ে যেত। এর পাশাপাশি তিনি জানান, বর্তমানে একটা নতুন বাস কিনতে দাম যেমন অনেক বেশি পড়ে, একইভাবে বাস চালানোর খরচ অনেক বেশি। সঙ্গে রয়েছে পুলিশি ঝামেলা। যখন তখন নানা কারণে কেস দেয় পুলিশ। সেই কেসের টাকা মেটাতেই লাভের গুড় পিঁপড়েয় খেয়ে নেয়। তিনি বলেন, যেহেতু আদালতের নির্দেশ রয়েছে ১৫ বছরের উপরে কোনও বাস চালানো যাবে না, এর ফলে যে সমস্ত বাসের বয়স ১৫ বছর হয়ে গেছে, সেগুলি (Transport) বসে গেলে মালিকরা আর নতুন বাস রাস্তায় নামাতে চাইছে না। এর ফলে রুটগুলি আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তিনি জানান, সালকিয়া এবং কোনা রুটের দুটি মিনি বাস গত মাসে ১৫ বছরের কারণে বসে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে ২০২৪ সালের মধ্যে উত্তর হাওড়া থেকে ধর্মতলা গামী সমস্ত রুট বন্ধ হয়ে যাবে বলে তাঁর আশঙ্কা। তিনি বলেন, নতুন বাস কেনার ক্ষেত্রেও সরকার যদি কিছু ছাড় দেয় এবং পুলিশ যদি কেস দেওয়া বন্ধ করে ও বিভিন্ন বাসের রুট ঘুরিয়ে দেয় যাতে বাসগুলি যাত্রী পায়, তাহলে হয়তো তাঁরা নতুন করে বাস নামাতে পারবেন। না হলে তাঁদের বাস চালানো বন্ধ করে দিতে হবে।

    কী জানালেন পরিবহণ (Transport) অফিসার?

    হাওড়ার অতিরিক্ত রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট (Transport) অফিসার বিপ্লব গোস্বামী বলেন, যাতে এই বাস রুটগুলি বন্ধ হয়ে না যায়, তাই ইতিমধ্যেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। তার মধ্যে যেমন ২০২৪ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত বাস মালিকদের সময় দেওয়া হয়েছে ই ভেহিকেল বা ইলেকট্রিক বাসে রেজিস্ট্রি করার জন্য। ওই সময়ের মধ্যে তারা যদি ই ভেহিকেল বা ইলেকট্রিক বাস কেনার রেজিস্ট্রি করে, তাহলে তাদের রোড ট্যাক্স ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি যদি কোনও বাস রুটের রুট পরিবর্তন, পরিমার্জন বা সংযোজন করতে হয় তার জন্য সার্ভে করে পরিবহণ দফতরে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। এবং সেই সার্ভের কাজও তাঁরা এখন জোর কদমে চালিয়ে যাচ্ছেন। এক মাসের মধ্যেই তাঁরা রাজ্যকে সমস্ত রিপোর্ট পেশ করবেন। ইতিমধ্যেই বাস মালিকদের সঙ্গে তাঁরা এ নিয়ে কথা বলেছেন। ২০৩০ সালের মধ্যে রাজ্য সরকার সমস্ত বাসকে ইলেকট্রিক বাসে রূপান্তরিত করার যে পরিকল্পনা নিয়েছে তা যেমন বাস্তবায়িত হবে, এর পাশাপাশি পুরনো রুটগুলি আবার ফিরে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tala Tank: কলকাতায় মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে টালা ট্যাঙ্ক, চমকপ্রদ এর ইতিহাস!

    Tala Tank: কলকাতায় মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে টালা ট্যাঙ্ক, চমকপ্রদ এর ইতিহাস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশদের কথা ভাবলে ভারতীয়দের ওপর অত্যাচার, জোর-জুলুমের কথাই বেশি মাথায় আসে। কিন্তু তাদের শাসিত ভারতে ব্রিটিশরা এমন সব স্থাপত্য দিয়ে গিয়েছে, যেগুলির ভূমিকাও উপেক্ষা করার নয়। ব্রিটিশদের এই ধরনের কৃতিত্বের মধ্যে অন্যতম হল কলকাতায় অবস্থিত ‘টালা ট্যাঙ্ক’। এই সুবিশাল ওভারহেড রিজার্ভারটি শুধু ভারত নয়, সমগ্র বিশ্বের বৃহত্তম ওভারহেড জলের ট্যাঙ্ক (Tala Tank)। এটি কোনও সাধারণ ট্যাঙ্ক নয়। এর পিছনে আছে অনেক ইতিহাস।

    কী উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিল এই ট্যাঙ্ক (Tala Tank)?

    ব্রিটিশ আমলে ধীরে ধীরে কলকাতা যখন একটি পূর্ণ শহরে পরিণত হচ্ছে, সেই সময় পরিষেবা বাড়ানো ছিল ব্রিটিশদের মূল লক্ষ্য। তার মধ্যে সব থেকে বেশি যেটির প্রয়োজন ছিল, তা হল নাগরিকদের জন্য পানীয় জলের ব্যবস্থা করা। আর সেই উদ্দেশ্যেই কয়েকটি পুকুর খনন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হেদুয়া, ওয়েলিংটন স্কোয়ার, ভবানীপুরের পুকুর থেকে সেই সময় কলকাতায় পানীয় জল সরবরাহ শুরু হয়। কিন্তু, শহর আরও বাড়তে থাকলে পানীয় জলের প্রয়োজনও বাড়তে থাকে। এই সমস্যাকে মাথায় রেখে তৎকালীন পৌর ইঞ্জিনিয়ার মিস্টার ডেভেরাল তাঁর সহকারী মিস্টার পিয়ার্স-এর সাথে মিলিতভাবে ১৯০১ সালে একটি ওভারহেড ট্যাঙ্ক (Tala Tank) তৈরির প্রস্তাব তুলে ধরেন। এই প্রস্তাবটি ১৯০২ সালে গ্রহণ করা হয়। 

    কত খরচ হয় এই ওভারহেড জলের ট্যাঙ্ক (Tala Tank) নির্মাণে?

    ১৯০৩ সালে পুরসভায় নিযুক্ত হন নতুন ইঞ্জিনিয়ার ডব্লু বি ম্যাকক্যাবে। তিনি এই প্রস্তাব দেখেন এবং কিছু রদবদল করার সিদ্ধান্ত নেন, যাতে কলকাতার মানুষ আরও উন্নত জল পরিষেবা পেতে পারে। আর এই প্রস্তাবে সম্মতি জানায় সমস্ত পৌরসভা। এই সময় ট্যাঙ্কটি (Tala Tank) নির্মাণ করতে তিনি ৬৯ লক্ষ ১৭ হাজার ৮৭৪ টাকা খরচ ধার্য করেন, যা ছিল আগের অঙ্কের থেকে অনেকটাই বেশি। কিন্তু এতে পূর্ণ সমর্থন ছিল সবার।

    কোথায় এবং কীভাবে নির্মিত হয় এই ট্যাঙ্কটি (Tala Tank)?

    ১৯০৯ সালে বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নর স্যার এডওয়ার্ড বেকার এই ট্যাঙ্ক নির্মাণের (Tala Tank) সূচনা করেন। ফাউন্ডেশনের কাজ শুরু করে টি সি মুখার্জি অ্যান্ড কোম্পানি। কংক্রিট ফাউন্ডেশনের কাজ শুরু করে স্যার রাজেন্দ্রলাল মুখার্জির মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানি। আর তার সাথে বাকি কাজে যুক্ত ছিল লিডসের ক্লেটন কোম্পানি। 
    প্রথমে যে স্থানে ট্যাঙ্কটি নির্মাণ করা হবে, সেখানে পুকুরগুলি বোজানোর কাজ শুরু হয়। পুকুরগুলিকে জলশূন্য করে চারদিকে শালবল্লার খুঁটি দিয়ে ২০-২৫ ফুট পাইল করে খোয়া দিয়ে ভর্তি করে স্টিম রোলার দিয়ে সমান করা হয়। এর ওপর বোল্ড স্টিল জয়েন্টের ওপর স্তম্ভগুলিকে দাঁড় করানো হয়। ১৯১১-র ১২ জানুয়ারি এর কাজ শেষ হয় এবং এই বছরেই ১৬ই মে এটি চালু করা হয়। এটি ছিল ১১০ ফুট উঁচু, ১৬ ফুট গভীরতা বিশিষ্ট, ১ লক্ষ বর্গফুট আয়তনের। এর জলধারণ ক্ষমতা  ৯ লক্ষ গ্যালন। গোটাটা চারটি কম্পার্টমেন্টে ভাগ করা হয়, যাতে জল পরিষেবা বন্ধ না রেখেই অন্য একটি ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করা যায়। 

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং ১৯৬২ ও ১৯৭১-এর যুদ্ধে লক্ষ্য ছিল টালা ট্যাঙ্ক (Tala Tank) ধ্বংস করা

    ভারতীয় ইতিহাসের ঐতিহ্যবাহী অতীত বহন করে চলেছে এই টালা ট্যাঙ্ক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই ট্যাঙ্ককে লক্ষ্য করে জাপানিরা পর পর অনেকগুলি বোমা নিক্ষেপ করে। কিন্তু ধ্বংস করতে পারেনি একে। মাত্র নয়টি বোমার ক্ষতচিহ্ন পাওয়া যায়। ১৯৬২ ও ১৯৭১-এর যুদ্ধেও চিন ও পাকিস্তানের লক্ষ্য ছিল এই ট্যাঙ্ক। কিন্তু তারাও কোনও ক্ষতি করতে পারেনি। আজও মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে এই টালা ট্যাঙ্ক। আজও তা (Tala Tank) কলকাতার জল পরিষেবার একমাত্র আধার হিসাবে জল পৌঁছে দিচ্ছে গোটা শহর জুড়ে।

    আর বর্তমানে পরিচিতি পেয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ওভারহেড জলের ট্যাঙ্ক হিসেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ১০ টাকার শেয়ার ৪৪০ টাকায় বিক্রি! কালো টাকা কি এভাবেই সাদা করেছেন কালীঘাটের কাকু?

    Recruitment Scam: ১০ টাকার শেয়ার ৪৪০ টাকায় বিক্রি! কালো টাকা কি এভাবেই সাদা করেছেন কালীঘাটের কাকু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালো টাকা (Recruitment Scam) সাদা করতে কোম্পানির শেয়ারদর বাড়িয়ে বাজার থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকা তুলেছেন কালীঘাটের কাকু (Kalighter Kaku)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। তদন্তকারী ইডি আধিকারিকেরা মনে করছেন, সুজয়ের সঙ্গে যোগ থাকা একটি সংস্থার প্রতিটি শেয়ার আসল মূল্যের তুলনায় অত্যাধিক চড়া দামে বিক্রি করা হয়েছিল। অভিযোগ, ১০ টাকার শেয়ারগুলি বিক্রি করা হয়েছিল প্রায় ৪৪০ টাকায়। 

    চড়া দামে শেয়ার বিক্রি

    সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের ওয়েলথ উইজার্ড নামে একটি সংস্থা রয়েছে। সেই সংস্থাটি বেশিদিনের পুরনো নয়। ওই সংস্থাটির শেয়ারদর ছিল বাজারে ১০ টাকা। সেই সংস্থার বাজারদর দেখানো হয়েছে ৪৪০ টাকা। তাঁর নিজের সংস্থা ও অন্য ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে ওই দরে ১০ কোটি টাকার শেয়ার কেনা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেই তথ্য হাতে এসেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সুজয়কৃষ্ণের সঙ্গে যোগ থাকা সংস্থায় টাকা ঢেলেছিল অন্য তিন সংস্থা। ওই তিন সংস্থার প্রায় ৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল। ওই তিন সংস্থার মধ্যে দু’টি সংস্থা ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত ভোটে পর্যবেক্ষক চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, যে সংস্থাগুলি সুজয়কৃষ্ণের সঙ্গে যোগ থাকা সংস্থায় বিনিয়োগ করেছিল, তাদের ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে বেশ কিছু ‘রহস্যজনক’ লেনদেনের হিসাব মিলেছে। পাশাপাশি, ওই সংস্থাগুলি ঠিক কী ধরনের সংস্থা ছিল তা-ও খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন ইডি আধিকারিকেরা। ইডি মনে করছে, এই সংস্থাগুলির সঙ্গে সুজয়কৃষ্ণের যোগ থাকতে পারে। তা খুঁজে বার করতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। ইডি-র কাছে তথ্য এসেছে, নিয়োগ দুর্নীতির মাধ্যমে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র নিজের পকেটে ১১ কোটি টাকা ঢুকিয়েছেন। সেই টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে, অন্য সংস্থার মাধ্যমে সাদা করেছেন। তদন্তকারী সংস্থা মনে করছে, এরকম আরও অনেক সংস্থা থাকতে পারে, সেগুলির খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • Transport: ১৯৫৭ সালে ২০ জন যাত্রী নিয়ে লন্ডন থেকে কলকাতায় এসেছিল ‘অ্যালবার্ট’?

    Transport: ১৯৫৭ সালে ২০ জন যাত্রী নিয়ে লন্ডন থেকে কলকাতায় এসেছিল ‘অ্যালবার্ট’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচ্ছা, যদি প্রশ্ন করা হয়, কলকাতা থেকে লন্ডন আপনি কিসে যাবেন? সরল মনে উত্তর দেবেন, বিমানে। কিন্তু যদি বলা হয় কলকাতা থেকে বাসে করে লন্ডন যেতে? এটি কৌতূক বলে মনে হতেই পারে। কিন্তু না, এমনটাই নাকি সম্ভব ছিল অতীতে। ছিল এমন এক বাস, যে বাস কলকাতা থেকে লন্ডন পর্যন্ত যাতায়াত করত, যার যাত্রী সংখ্যাও কম ছিল না।

    কারা এই বাস পরিচালনা করত?

    ইতিহাসবিদদের কাছ থেকে পাওয়া নথি থেকে জানা যায়, এই বাসটি পরিচালনা করত ‘অ্যালবার্ট ট্যুর সার্ভিস’ নামক এক সংস্থা। সময়টা ১৯৫০ এর দশকে। বাসটির নামও ছিল ‘আলবার্ট’। এই বাসটি তৎকালীন সময়ে লন্ডন থেকেই শুরু করা হয়েছিল। সেই সময় এটিই ছিল বিশ্বের  দীর্ঘতম রুটের বাস।

    কবে থেকে এই বাস যাত্রা শুরু করে? কীভাবে শুরু হয় এর যাত্রা?

    জানা যায়, ১৯৫৭ সালের ১৫ এপ্রিল লন্ডন থেকে কলকাতার উদ্দেশে এই বাসটি তার প্রথম যাত্রা শুরু করে। তখন এর যাত্রী সংখ্যা ছিল ২০ জন। প্রায় ৪৫ দিনের মতো সময় লেগেছিল বাসটির কলকাতা পৌঁছাতে। ৮০০০ এর বেশি কিলোমিটার রাস্তা পেরিয়ে তার গন্তব্যস্থলে পৌঁছাত বাসটি। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, এটি ইংল্যান্ড থেকে শুরু করে বেলজিয়াম, পশ্চিম জার্মানি, অস্ট্রিয়া, যুগোস্লাভিয়া, বুলগেরিয়া, তুরস্ক, ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান হয়ে ভারতে এসে পৌঁছাত।

    কত খরচ হত এই বাসযাত্রায়? কেমন সার্ভিস দেওয়া হত এই বাসে?

    তৎকালীন সময়ে এই বাসযাত্রায় খরচ হত প্রায় ১৪৫ পাউন্ড। যা ভারতীয় মুদ্রায় তখন ছিল ১৩ হাজার থাকার কাছাকাছি। এর সাথে যাত্রীদের জন্য খাওয়া, থাকা এবং যথেষ্ট আরামদায়ক পরিবেশ ছিল বাসের ভিতরে। যেহেতু এতদূরের পথ ও এত দেশ পেরোতে হত, তাই বাসের ভিতরের আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে এর মধ্যে দেওয়া হয়েছিল ফ্যান ও হিটার। বাসের ফ্লোর ছিল পুরু কার্পেটে মোড়ানো এবং জানালা রঙিন পর্দায় মোড়া। 

    বাসটি কতদিন চলেছে এবং কীভাবে বন্ধ হয়ে যায় এর যাত্রা?

    নানান প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এই বাসটি যাত্রা করত। টানা কয়েক বছর চলার পর বাসটি নানা ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সাময়িক ভাবে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে ১৯৬৮ সালে ব্রিটিশ পর্যটক অ্যান্ডি স্টুয়ার্ট বাসটি কিনে নেন এবং নিজের মতো সাজিয়ে আবার এর যাত্রা শুরু করেন। জানা যায়, ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত এই বাসটি চালু ছিল। ভারত-পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী নানান সমস্যার কারণে এই বাসটিকে বন্ধ করতে বাধ্য হয় সংস্থা।

    তবে এর সত্যতা নিয়ে একটু দ্বন্দ্বও আছে। কেউ কেউ মনে করেন, এটি নিছক গল্প মাত্র। আবার কোনও কোনও ইতিহাসবিদদের মতে, এটি সত্য। বাস্তবে সেরকম কোনও প্রমাণ অবশ্য মেলেনি। কিন্তু বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন এবং পুরনো নথি থেকে নাকি জানা গিয়েছে, এই বাস সত্যিই চলত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Results: রাজ্যের সরকারি স্কুল থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন শহুরে অভিভাবকরা?

    Madhyamik Results: রাজ্যের সরকারি স্কুল থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন শহুরে অভিভাবকরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হল। সম্ভাব্য মেধা তালিকাও প্রকাশিত হয়েছে। আর তাতে দেখা গেল, কলকাতার কোনও পড়ুয়ার নামই নেই। এই ঘটনায় বিস্মিত শিক্ষা মহল। এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অন্য বছরের তুলনায় এমনিতেই অনেক কম ছিল। বিশেষত কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় বেশ কয়েক বছর ধরেই কমছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। গত বছর মেধা তালিকায় (Madhyamik Results) কলকাতার পড়ুয়া মাত্র একজন ছিল। এবছর তাও নেই। 

    কেন মেধা তালিকায় কমছে কলকাতার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা? 

    শিক্ষা মহলের একাংশ জানাচ্ছে, মেধা তালিকায় (Madhyamik Results) কলকাতার পড়ুয়া না থাকার অন্যতম কারণ, কলকাতার অধিকাংশ বাসিন্দাই আর ছেলেমেয়েদের সরকারি স্কুল বা বলা যায় রাজ্য সরকারের অধীনস্থ স্কুলে ভর্তি করান না। গত কয়েক বছর ধরেই দেখা গিয়েছে, লাগাতার কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সংখ্যাও তাই কমছে। অধিকাংশ ছেলেমেয়ে ভর্তি হয় সিবিএসই ও আইসিএসই বোর্ডের স্কুলে। 

    কেন অভিভাবকদের বড় অংশ রাজ্যের স্কুল থেকে মুখ ফেরাচ্ছে? 

    শিক্ষাবিদদের একাংশ মনে করছে, রাজ্যের শিক্ষা দফতরের সিলেবাসই (Madhyamik Results) এর অন্যতম কারণ। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে যে কোনও পরীক্ষায় পাশ করার উপযুক্ত সিলেবাস এখন পড়ানো হয় না। ইংরেজির মতো ভাষা, যা সর্বভারতীয় পরীক্ষায় অত্যন্ত জরুরি, তাতে গুরুত্ব খুব কম দেওয়া হয়। ইতিহাস, বিজ্ঞান সহ একাধিক বিষয়ের সিলেবাস অপ্রাসঙ্গিক! শিক্ষাবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, ইতিহাসে সিঙ্গুর আন্দোলন পড়ানো হয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বেচারাম মান্নার ভূমিকা পড়ানো হয়। ইউপিএসসি বা অন্য যে কোনও সর্বভারতীয় পরীক্ষায় এই বিষয়ের কোনও প্রশ্ন থাকে না। ফলে, এই বিষয়গুলো পড়ে পড়ুয়াদের বিশেষ সুবিধা হয় না। এমনকী বাংলা ভাষাতেও এমন অনেক অপ্রাসঙ্গিক বিষয় পড়ানো হয়, যা পরবর্তীতে তাদের বিশেষ কাজে লাগবে না। যেমন, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অভিনেতা দেব ও তার ছবি চাঁদের পাহাড় নিয়ে পড়ানো হয়। এই অপ্রাসঙ্গিক সিলেবাস অভিভাবকদের আরও বেশি করে রাজ্য সরকারের অধীনস্থ স্কুলের প্রতি অনীহা তৈরি করছে বলেই মনে করছে শিক্ষাবিদদের একাংশ।
    একদিকে অপ্রাসঙ্গিক সিলেবাস ও পরিকাঠামোহীন শিক্ষা ব্যবস্থা, আরেকদিকে সিবিএসই ও আইসিএসই বোর্ডের একাধিক স্কুল, যেখানে সর্বভারতীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার মতো পাঠ্যক্রম, এই দুইয়ের কারণেই কলকাতা ও তার আশপাশের বাসিন্দারা আরও বেশি রাজ্যের স্কুলগুলো থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Emi Martinez: জুন মাসেই কি কলকাতায় আসছেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক মার্টিনেজ?

    Emi Martinez: জুন মাসেই কি কলকাতায় আসছেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক মার্টিনেজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরের জুন মাসেই কলকাতায় পা দিতে পারেন ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টিনা দলের গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (Emi Martinez)। জানা গিয়েছে, কলকাতার জনৈক শতদ্রু দত্ত যাঁর উদ্যোগে তিলোত্তমায় পা দিয়েছিলেন পেলে এবং মারাদোনা, তিনিই আর্জেন্টিনা দলের গোলরক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁর কলকাতা সফরের বিষয়টি চূড়ান্ত করেন। সূত্রের খবর, মার্টিনেজ (Emi Martinez) জানিয়েছেন, জুন মাসে তাঁর কোন আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ নেই সেই সময়ে তিনি কলকাতায় আসবেন।

    ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (Emi Martinez)

    গত বছরের ডিসেম্বরে কাতার বিশ্বকাপ জিতেছে আর্জেন্টিনা। ক্রীড়া মহলের মতে, কাতার বিশ্বকাপ জিততে মার্টিনেজের ভূমিকাও কম নয়। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে, কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দুটি পেনাল্টি সেভ করেছিলেন এবং ফাইনালেও ফ্রান্সের বিপক্ষে তিনি কার্যত চিনের দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন যদিও ৮০ মিনিটের মাথায় কিলিয়ান এমবাপের দুটি গোল তিনি আটকাতে পারেন নি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের বাইরেও অজস্র সম্মান পেয়েছেন ৩০ বছর বয়সী মাটিনেজ (Emi Martinez)। বর্তমানে আর্জেন্টিনার গোল রক্ষক ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলেন। মার্টিনেজ (Emi Martinez) ২০২২ সালের বিশ্বকাপে সেরা গোলরক্ষক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০২১ সালের কোপা আমেরিকাতেও তিনি একই সম্মান পেয়েছিলেন

    ২০১০ সালেই আর্জেন্টিনা ছেড়ে কিশোর বয়সে মার্টিনেজ (Emi Martinez) চলে যান ইংল্যান্ডে

    জানা গিয়েছে, মার্টিনেজের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। সেইমতো ২০১০ সালে কিশোর বয়সে তিনি আর্জেন্টিনা ছাড়তে বাধ্য হন এবং আর্সেনালের ইউথ ক্লাবের হয়ে খেলা শুরু করেন। এখানেও রয়েছে এক গল্প। ইংল্যান্ডে গিয়ে ভাষা সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। এরপর ক্লাবের তরফ থেকেই তাঁকে ইংরেজি শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং বলা হয় কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা যদি মার্টিনেজ পাশ করতে পারেন, তাহলে তাঁকে ভারতীয় মুদ্রায় কুড়ি লাখ টাকারও বেশি বোনাস দেওয়া হবে এবং ওই পরীক্ষায় উতরেও যান মার্টিনেজ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Salman Khan: ১৩ বছর পর কলকাতায় সলমন! শনিবার সন্ধ্যায় জমজমাট ‘শো’ ইস্টবেঙ্গলের মাঠে

    Salman Khan: ১৩ বছর পর কলকাতায় সলমন! শনিবার সন্ধ্যায় জমজমাট ‘শো’ ইস্টবেঙ্গলের মাঠে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১৩ বছর পর কলকাতায় পা দিলেন সলমন খান (Salman Khan)। শুক্রবার রাতে তিনি বিমানবন্দরে নামতেই ভক্তরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন। তাঁদের উদ্দেশে হাত নাড়েন ব্ল্যাক টি শার্ট আর ব্লু ডেনিম পরিহিত টাইগার। ফ্লাইং কিসও ছুড়তে দেখা যায় ভাইজানকে। এরপর তিনি সোজা রওনা দেন আলিপুরের এক হোটেলের দিকে। শনিবার সন্ধ্যায় ইস্টবেঙ্গল মাঠে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন সলমন খান (Salman Khan)। সেখানে বসতে চলেছে চাঁদের হাট। সোনাক্ষী সিনহা, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ, প্রভু দেবা কে থাকবে না এই অনুষ্ঠানে! তার আগে এক ফাঁকে অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার কথাও রয়েছে টাইগারের।

    নিরাপত্তায় বিশেষ জোর

    সন্ধ্যায় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অনুষ্ঠানকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা ক্লাব চত্বর। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে একাধিক প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন সলমন খান (Salman Khan) এবং বাড়ানো হয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা। বর্তমানে অভিনেতা ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। সূত্রের খবর, সলমন খানের (Salman Khan) নিরাপত্তার জন্য দায়িত্বে থাকছেন একজন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এবং দুজন পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার। থাকছেন ডি সি পদমর্যাদার ছয়জন অফিসারও। ভাইজানের নিরাপত্তায় কোন ফাঁক রাখা হবে না এমনটাই জানিয়েছে প্রশাসন। প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত জানা যাচ্ছে যে ইতিমধ্যে ক্লাব চত্বরে ভিড় করতে শুরু করেছেন সলমন ফ্যানেরা। সন্ধ্যা ছটায় খুলবে মূল প্রবেশদ্বার। কিন্তু তার আগেই মাঠে উপস্থিত অসংখ্য অনুরাগী। মাঠে ইতিমধ্যে চলছে শেষ মুহূর্তের মহড়াও। সলমন খানের হিট ছবিগুলোর গান বাজছে। জানা যাচ্ছে, প্রভুদেবাকেও আজকে দেখা যাবে তাঁর পুরনো ছন্দে, ৯০ দশকের জনপ্রিয় গান মুকাবলা, মুকাবলা গানে নাচবেন তিনি। প্রসঙ্গত কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে সলমন খান (Salman Khan) অভিনীত ছবি কিসিকা ভাই কিসিকা জান, বক্স অফিসে সেরকম সাফল্য না পেলেও টাইগারের জনপ্রিয়তায় যে বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি, তা কলকাতা বিমানবন্দরেই দেখা গেল এ দিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Haridevpur: পথের কাঁটা! পুলিশ প্রেমিকের সঙ্গে পরিকল্পনা করে মেয়েকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা মায়ের

    Haridevpur: পথের কাঁটা! পুলিশ প্রেমিকের সঙ্গে পরিকল্পনা করে মেয়েকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে পথের কাঁটা মেয়ে। তাই পুলিশ প্রেমিকের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে বছর ষোলোর মেয়েকেই আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে হরিদেবপুরের (Haridevpur) মতিলাল গুপ্তা রোড এলাকায়। অভিযুক্ত মা ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম সোনালি চন্দ ও প্রসূন মান্না। ধৃত প্রেমিক ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল।

    মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সোনালির স্বামী কৌশিক চন্দ পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁদের একটি মেয়ে। মহিলার স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের দাম্পত্য সমস্যা। ডিভোর্স না হলেও মহিলা মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকতেন। কৌশিকবাবুর মৃত্যুর পর খাদ্য দফতরে চাকরি পান অভিযুক্ত মহিলা। পুলিশ সূত্রে খবর, একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে বারাসতের পুলিশ লাইনের কনস্টেবল প্রসূন মান্নার সঙ্গে আলাপ হয় সোনালির। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে যায় সোনালির মেয়ে। মায়ের সঙ্গে তার এই নিয়ে ঝামেলাও হয় একাধিকবার। তাই প্রেমিককে সঙ্গে নিয়েই মেয়েকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে মা। অভিযোগ, গতকাল ভোর ৪ টে নাগাদ ফ্ল্যাটে আগুন লাগিয়ে দেয় সে। কোনওরকমে ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে এসে প্রাণে বাঁচে মেয়েটি। পুলিশ-দমকল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মায়ের সঙ্গে প্রেমিকের কথোপকথন শুনতে পায় কিশোরী মেয়ে।

    আরও পড়ুুন: এনসিপি-র সভাপতি পদে ইস্তফা পাওয়ারের, উত্তরসূরি কে?

    মেয়ের দাবি

    পুলিশের কাছে ১৬ বছরের কিশোরী দাবি করে, বাথরুম থেকে কাউকে ফোন করছিল তার মা। মাকে সে ফোনে বলতে শোনে, “ঘরে আগুন লাগলেও মেয়ে বেঁচে গিয়েছে।” পরে মায়ের মোবাইল ঘেঁটে ওই কিশোরী জানতে পারে যে, মা প্রেমিকের কথামতো তাকে আগুনে পুড়িয়ে খুনের চেষ্টা করছে। টেলিগ্রামে চ্যাট থেকে ওই স্কুল ছাত্রী জানতে পারে, তার মা প্রেমিকের কথামতো তাকে খুনের চেষ্টা করছে। এই সব চ্যাটের স্ক্রিনশট এবং সেগুলির প্রিন্টআউট নিয়ে এসে ওই কিশোরী হরিদেবপুর থানায় সোমবার দুপুরে অভিযোগ জানায়। তদন্তে নামে পুলিশ। অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়। আর তাকে এই খুনের চেষ্টায় সাহায্য করার অভিযোগে চন্দননগর থেকে গ্রেফতার করা হয় প্রেমিককেও। ধৃতদের জেরা চলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share